ট্রেডমার্ক সংক্রান্ত আইন রহিতপূর্বক সংশোধনসহ উহা পুনঃপ্রণয়ন ও সংহত করিবার উদ্দেশ্যে প্রনীত আইন । যেহেতু ট্রেডমার্ক সংক্রান্ত আইন রহিতপূর্বক সংশোধনসহ উহা পুনঃপ্রণয়ন ও সংহত করা সমীচীন ও প্রযোজনীয়; সেহেতু এতদ্দ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইলঃ-
(১) এই আইন ট্রেডমার্ক আইন, ২০০৯ নামে অভিহিত হইবে;
(২) ইহা ০১ জুলাই, ২০০৮ তারিখ থেকে কার্যকর হইয়াছে বলিয়া গণ্য হবে।
বিষয় বা প্রসঙ্গের পরিপন্থী না হইলে, এই আইনে-
(১) "অগ্রাধিকার তারিখ" অর্থ পূর্ববর্তী আবেদনের তারিখ যাহা পণ্য বা সেবার ট্রেডমার্কের স্বত্বের অগ্রাধিকারের ভিত্তি হিসাবে প্যারিস কনভেনশনে গৃহীত হইয়াছে;
(২) "অনুমোদিত ব্যবহার" অর্থ, নিবন্ধিত ট্রেডমার্কের ক্ষেত্রে, কোন নিবন্ধিত ব্যবহারকারী কর্তৃক সংশ্লিষ্ট ট্রেডমার্ক যে সকল শর্ত ও বাধা-নিষেধ সাপেক্ষে নিবন্ধিত হইয়াছে, সেই সকল শর্ত ও বাধা-নিষেধ পালন করিয়া কোন নিবন্ধিত ব্যবহারকারী কর্তৃক ট্রেডমার্ক ব্যবহার করা;
(৩) "আন্তর্জাতিক শ্রেণীবিভাগ" অর্থ World Intellectual Property Organisation কর্তৃক গৃহীত শ্রেণীবিভাগ বা NICE Agreement Concerning the International Classification of Goods and Services for the Purposes of the Registration of Marks অনুসারে আন্তর্জাতিক শ্রেণীবিভাগ;
(৪) "জেলা আদালত" অর্থ জেলা জজ আদালত এবং অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত বা যুগ্ম জেলা জজ আদালতও ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবে;
(৫) "মিথ্যা ট্রেড বর্ণনা (false trade description)" অর্থ -
এবং তৎসহ কোন ট্রেড বর্ণনা, কোন ট্রেড চিহ্ন বা ট্রেড চিহ্নের অংশ হইলেও উক্ত ট্রেড বর্ণনা এই আইনের বিধান অনুসারে মিথ্যা ট্রেড বর্ণনা হিসাবে বিবেচিত হইবে;
(৬) "ট্রাইব্যুনাল" অর্থ নিবন্ধক অথবা, ক্ষেত্রমত, যে আদালতে কোন কার্যধারা নিষ্পন্নাধীন;
(৭) "ট্রেড বর্ণনা" অর্থ নিম্নবর্ণিত কোন বিষয় সংক্রান্ত বর্ণনা, বিবৃতি বা অন্য কোন, প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ, ইঙ্গিত, যথা :-
(৮) "ট্রেডমার্ক" অর্থ -
(৯) "দেওয়ানী কার্যবিধি" অর্থ Code of Civil Procedure, 1908 (Act V of 1908);
(১০) "নাম" অর্থে নামের যে কোন সংক্ষিপ্তরূপ বা আদ্যক্ষর অন্তর্ভুক্ত হইবে;
(১১) "নিবন্ধক" অর্থ এই আইনের ধারা ৩ এ উল্লিখিত [মহাপরিচালক];
(১২) "নির্ধারিত" অর্থ সুপ্রীম কোর্টের কার্যধারার ক্ষেত্রে, সুপ্রীম কোর্ট কর্তৃক প্রণীত বিধি দ্বারা নির্ধারিত এবং, অন্যান্য ক্ষেত্রে, সরকার কর্তৃক প্রণীত বিধি দ্বারা নির্ধারিত;
(১৩) "নিবন্ধন বহি" অর্থ ধারা ৪ এ উল্লিখিত ট্রেডমার্ক নিবন্ধন বহি;
(১৪) "নিবন্ধিত" অর্থ এই আইনের অধীন নিবন্ধিত;
(১৫) "নিবন্ধিত ট্রেডমার্ক" অর্থ নিবন্ধন বহিতে অন্তর্ভুক্ত কোন ট্রেডমার্ক;
(১৬) "নিবন্ধিত ব্যবহারকারী" অর্থ ধারা ৪৪ এর অধীন নিবন্ধিত ব্যবহারকারী;
(১৭) "নিবন্ধিত স্বত্বাধিকারী" অর্থ এমন কোন ব্যক্তি যাহার নাম ট্রেডমার্কের স্বত্বাধিকারী হিসাবে নিবন্ধন বহিতে লিপিবদ্ধ রহিয়াছে;
(১৮) "পণ্য" অর্থ ব্যবসা অথবা উৎপাদনের সহিত সম্পর্কিত কোন বস্তু এবং কৃষিজাত দ্রব্য ও লতাগুল্ম জাতীয় উদ্ভিদও ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবে;
(১৯) "প্যারিস কনভেনশন" অর্থ শিল্প সম্পদ সংরক্ষণের জন্য ১৮৮৩ সালের ২০শে মার্চের সর্বশেষ সংশোধিত প্যারিস কনভেনশন (Paris Convention for the Protection of the Industrial Property of Marks,1883);
(২০) "প্রতারণামূলক সদৃশ মার্ক" অর্থ এমন কোন মার্ক যাহা দ্বারা প্রতারিত বা বিভ্রান্ত হইবার সম্ভাবনা থাকে এবং যাহা এই আইনের অধীন নিবন্ধিত অন্য কোন মার্কের সহিত সাদৃশ্যমূলক;
(২১) "প্রবিধান" অর্থ সার্টিফিকেশন মার্ক হিসাবে নিবন্ধিত এবং সরকার কর্তৃক অনুমোদিত ব্যবহার সম্পর্কিত প্রবিধান;
(২২) "বিধি" অর্থ এই আইনের অধীন প্রণীত বিধি;
(২৩) "মার্ক" অর্থ কোন ডিভাইস (device), ব্রান্ড (brand), শিরোনাম (heading), লেবেল (label), টিকেট, নাম, স্বাক্ষর, শব্দ, অক্ষর, প্রতীক, সংখ্যা, সংখ্যাযুক্ত উপাদান, রং এর সমন্বয় বা এইগুলির যে কোনরূপ সমন্বয়ও উহার অন্তর্ভুক্ত হইবে;
(২৪) "মোড়ক" অর্থে কোন খাঁচা, বাক্স, ধারক, প্যাকেট, পাত্র, ভাঁজ করা কভার, কাসকেট বা কৌটা, বোতল, আচ্ছাদক, লেবেল, ব্রান্ড, টিকেট, রীল ফ্রেম, ধাতব টুপি, ঢাকনা, ছিপি, কর্ক অন্তর্ভুক্ত হইবে;
(২৫) "সমষ্টিগত মার্ক" অর্থ নিবন্ধনের আবেদনপত্রে অনুরূপ নামে অভিহিত কোন দৃশ্যমান চিহ্ন যাহা-
(২৬) "সরকার" অর্থ সার্টিফিকেশন ট্রেডমার্কের ক্ষেত্রে, ট্রেডমার্কস রেজিস্ট্রির প্রশাসনিক মন্ত্রণালয় বা বিভাগের সচিব এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে, প্রশাসনিক মন্ত্রণালয় বা বিভাগ;
(২৭) "সহযোগী ট্রেডমার্ক" অর্থ এই আইনের অধীন সহযোগী ট্রেডমার্ক হিসাবে নিবন্ধিত হইবার যোগ্য অথবা নিবন্ধিত হইবার বাধ্যবাধকতা রহিয়াছে এমন কোন ট্রেডমার্ক;
(২৮) "সার্টিফিকেশন ট্রেডমার্ক" অর্থ কোন পণ্য বা সেবার ক্ষেত্রে গৃহীত মার্ক, যাহা পণ্যের উৎপত্তি, উপাদান, উৎপাদনের পদ্ধতি, গুণগতমান, শুদ্ধতা অথবা অন্য কোন বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে ব্যবসায় কোন ব্যক্তি কর্তৃক প্রত্যয়িত পণ্য হইতে অনুরূপভাবে প্রত্যয়িত নয় এমন পণ্যের মধ্যে পার্থক্য সৃষ্টি করে এবং প্রত্যয়নমূলক ট্রেডমার্কের স্বত্বাধিকারী হিসাবে ঐ ব্যক্তির নামে উক্ত পণ্য সম্পর্কে অষ্টম অধ্যায়ের অধীন নিবন্ধনযোগ্য;
(২৯) "সীমাবদ্ধতা" অর্থ একটি ট্রেডমার্কের স্বত্বাধিকারী হিসাবে কোন ব্যক্তিকে নিবন্ধনের দ্বারা ঐ ট্রেডমার্ক ব্যবহার করিতে দেওয়ার একচ্ছত্র অধিকারের সীমাবদ্ধতা এবং এইরূপ সীমাবদ্ধতা মার্কটির ব্যবহারের ধরন সম্পর্কে, বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বা বাংলাদেশের বাহিরে পণ্য বাজারজাতকরণে বা সেবা প্রদানের ক্ষেত্রকে অন্তর্ভুক্ত করিবে;
(৩০) "সেবা" অর্থ মুদ্রা বা মুদ্রামানের বিনিময়ে কারবার বা ব্যবসায় আর্থিক বা অনুরূপ প্রতিদানের বিনিময়ে প্রদত্ত সেবা, তবে কোন পণ্য ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবে না; এবং
(৩১) "হস্তান্তর (transmission)" অর্থ এই আইনের অধীন হস্তান্তর, কোন মৃত ব্যক্তির প্রতিনিধির উপর বর্তানো এবং স্বত্ব-নিয়োগ ব্যতীত হস্তান্তরের অন্য যে কোন পদ্ধতি।
(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে-
(২) ট্রেডমার্ক নিবন্ধনের সুবিধার্থে সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, ট্রেডমার্কস রেজিস্ট্রির এক বা একাধিক শাখা অফিস স্থাপন করিতে পারিবে।
(৩) ট্রেডমার্কস রেজিস্ট্রি বা উহার শাখা অফিস, ট্রেডমার্ক নিবন্ধনসহ ট্রেডমার্ক সম্পর্কিত যাবতীয় কার্যাবলী পরিচালনা করিবে।
(৪) সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা ট্রেডমার্কস রেজিস্ট্রিতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক উপ-নিবন্ধক নিয়োগ করিতে পারিবে।
(৫) উপ-নিবন্ধক এই আইনের অধীন নিবন্ধকের তত্ত্বাবধানে নিবন্ধন সংক্রান্ত যাবতীয় কার্য-সম্পাদন করিবেন।
(৬) নিবন্ধক, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা, উহার যে কোন ক্ষমতা বা দায়িত্ব সুনির্দিষ্ট শর্তে উপ-নিবন্ধকসহ তাহার অধঃস্তন কোন কর্মকর্তাকে অর্পণ করিতে পারিবেন।
(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, ট্রেডমার্কস রেজিস্ট্রিতে ট্রেডমার্ক নিবন্ধন বহি নামে একটি বহি বা রেকর্ড সংরক্ষণ করা হইবে এবং উহাতে স্বত্বাধিকারীর নাম, ঠিকানা, বিবরণ, স্বত্বনিয়োগ ও হস্তান্তর সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনসহ নিবন্ধিত ট্রেডমার্ক, নিবন্ধিত ব্যবহারকারী এবং দাবি পরিত্যাগকারী ব্যক্তির নাম, ঠিকানা, বিবরণ ও নিবন্ধিত ট্রেডমার্ক সংক্রান্ত শর্তাবলী, সীমাবদ্ধতাসহ অন্যান্য বিষয়াদি নির্ধারিত পদ্ধতিতে লিপিবদ্ধ থাকিবে।
(২) সরকারের তত্ত্বাবধান ও নির্দেশনা সাপেক্ষে, নিবন্ধক নিবন্ধন বহি নিয়ন্ত্রণ ও সংরক্ষণ করিবেন।
(৩) ট্রেডমার্কস রেজিস্ট্রির প্রত্যেক শাখা রেজিস্ট্রিতে নিবন্ধন বহির একটি কপি এবং ধারা ১১৬ এ উল্লিখিত দলিলাদির মধ্যে সরকার কর্তৃক, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, নির্দেশিত দলিলসমূহ সংরক্ষণ করিতে হইবে।
(৪) কোন প্রত্যক্ষ, পরোক্ষ বা গঠনমূলক (constructive) ট্রাস্টের নোটিশ নিবন্ধন বহিতে অন্তর্ভুক্ত করা যাইবে না এবং অনুরূপ কোন নোটিশ নিবন্ধক কর্তৃক গ্রহণযোগ্য হইবে না।
(১) নির্দিষ্ট শ্রেণীভুক্ত পণ্য বা সেবার ক্ষেত্রে, সংশ্লিষ্ট শ্রেণী বা শ্রেণীসমূহের জন্য নির্ধারিত শর্ত পূরণ করিয়া, ট্রেডমার্ক নিবন্ধন করা যাইবে।
(২) কোন পণ্য বা সেবার শ্রেণী সম্পর্কে কোন প্রশ্ন উত্থাপিত হইলে, নিবন্ধক উহা নিষ্পত্তি করিবেন এবং উক্ত বিষয়ে তাহার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হইবে।
(১) কোন ট্রেডমার্ক নিবন্ধন বহিতে লিপিবদ্ধ করা যাইবে না, যদি না উহাতে নিম্নবর্ণিত বিষয়াদির অন্ততঃ একটি বিবরণ আবশ্যিকভাবে অন্তর্ভুক্ত থাকে-
(২) উপ-ধারা (১) এর দফা (ঙ) ব্যতীত দফা (ক), (খ), (গ) ও (ঘ) এর অন্তর্ভুক্ত নয় এইরূপ কোন নাম, স্বাক্ষর বা শব্দ যদি উহার স্বাতন্ত্র্যসূচক মার্কের প্রমাণবহ না হয়, তাহা হইলে উহা নিবন্ধন বহিতে নিবন্ধনভুক্ত হইবে না।
(৩) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, কোন পণ্য বা সেবার সহিত সম্পর্কিত ট্রেডমার্কের ''স্বাতন্ত্র্যসূচক মার্ক'' অর্থ স্বত্বাধিকারীর পণ্য বা, ক্ষেত্রমত, সেবাকে অনুরূপ ব্যবসায় একই জাতীয় পণ্য বা সেবা হইতে পার্থক্য সূচিত করে, যাহা সাধারণভাবে, বা যেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ট্রেডমার্ক, সীমাবদ্ধতাসহ নিবন্ধনের জন্য প্রস্তুত করা হইয়াছে উহার সহিত সম্পর্কিত নহে, এমন ট্রেডমার্ক।
(১) কোন ট্রেডমার্ককে, সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে, এক বা একাধিক নির্দিষ্ট রং এর মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা যাইবে এবং ট্রেডমার্কের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে, ট্রাইব্যুনাল উক্ত সীমাবদ্ধতা বিবেচনা করিবে।
(২) কোন ট্রেডমার্ক নির্দিষ্ট কোন রং এ নিবন্ধন না করা হইলে, উহা সকল রং এর ক্ষেত্রে নিবন্ধিত হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।
কোন মার্ক বা মার্কের অংশ ট্রেডমার্ক হিসাবে নিবন্ধিত হইবে না, যদি -
কোন রাসায়নিক পদার্থ বা উহা প্রস্তুতের ক্ষেত্রে, উহার ট্রেডমার্ক নিবন্ধনের জন্য সাধারণভাবে ব্যবহৃত বা গৃহীত একক বা যৌগ রাসায়নিক উপাদানের মিশ্রণ হইতে পৃথক নামের সহিত সাদৃশ শব্দে নিবন্ধন করা যাইবে না, এবং ধারা ২৯ এ ভিন্নরূপ বিধান থাকা সত্ত্বেও, ধারা ৫১ এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, নিবন্ধন বহিতে যুক্তিসঙ্গত কারণ ব্যতিরেকে অনুরূপ কোন নিবন্ধন লিপিবদ্ধ হইয়াছে বা ভুলক্রমে লিখিত রহিয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে :
তবে শর্ত থাকে যে, কেবল ট্রেডমার্কের স্বত্বাধিকারী বা নিবন্ধিত ব্যবহারকারীর প্রস্তুতকৃত মৌল বা যৌগকে অন্যদের প্রস্তুতকৃত মৌল বা যৌগ হইতে পৃথক বুঝাইবার জন্য ব্রান্ড বা গঠন (make) নির্দেশার্থ ব্যবহার করিবার ক্ষেত্রে, এবং কোন সুবিধাজনক নাম বা বর্ণনার সাথে সংযুক্ত আকারে ব্যবহারের ইচ্ছা পোষণের ক্ষেত্রে, এই ধারার কোন কিছুই প্রযোজ্য হইবে না।
(১) উপ-ধারা (২) এর বিধান সাপেক্ষে, ভিন্ন কোন স্বত্বাধিকারীর নামে কোন পণ্য বা সেবা অথবা, পণ্য বা সেবার বর্ণনা নিবন্ধিত থাকিলে, উক্তরূপ পণ্য বা সেবা অথবা পণ্য বা সেবার বর্ণনার অনুরূপ বা প্রতারণামূলকভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ কোন মার্ক নিবন্ধন করা যাইবে না।
(২) সৎ উদ্দেশ্যে যুগপৎ ব্যবহার বা অন্য কোন বিশেষ কারণে একই পণ্য বা সেবা অথবা একই বর্ণনার পণ্য বা সেবা প্রায় সাদৃশ্যপূর্ণ হইলেও উক্ত বিষয়ে কোন ট্রেডমার্ক একাধিক স্বত্বাধিকারীর নামে নিবন্ধন করা প্রয়োজন বিবেচনায় নিবন্ধক, উপযুক্ত শর্ত ও সীমাবদ্ধতা সাপেক্ষে, একাধিক স্বত্বাধিকারীর নামে কোন ট্রেডমার্ক নিবন্ধনের অনুমতি দিতে পারিবেন।
(৩) একই পণ্য বা সেবা অথবা একই বর্ণনার পণ্য বা সেবা সংক্রান্ত অভিন্ন বা প্রায় সাদৃশ্যপূর্ণ কোন ট্রেডমার্কের স্বত্বাধিকারী হিসাবে নিবন্ধিত হইবার জন্য বিভিন্ন ব্যক্তি পৃথক পৃথক আবেদন করিলে, নিবন্ধক পূর্ববর্তী তারিখের আবেদন নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পরবর্তী তারিখের আবেদন গ্রহণের বিষয়টি মুলতবী রাখিয়া পূর্ববর্তী আবেদন সম্পর্কে প্রদত্ত সাক্ষ্য ও বিরোধিতার আলোকে পরবর্তী তারিখের আবেদনটি নিষ্পত্তি করিতে পারিবেন।
(৪) কোন পণ্য বা সেবার জন্য এমন কোন ট্রেডমার্ক নিবন্ধন করা যাইবে না, যাহা অন্য কোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের অনুরূপ পণ্য বা সেবার ক্ষেত্রে বাংলাদেশে সুপরিচিত কোন ট্রেডমার্কের সহিত সাদৃশ্যপূর্ণ বা বিভ্রান্তিমূলকভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ বা অনুরূপ কোন মার্ক বা ট্রেড বর্ণনার অনুবাদ সহযোগে গঠিত।
(৫) [ কোন পণ্য বা সেবার জন্য বাংলাদেশে নিবন্ধিত সুপরিচিত কোন ট্রেডমার্কের সহিত সাদৃশ্যপূর্ণ (similar) বা বিভ্রান্তিমূলকভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ (confusingly similar) বা অনুরূপ কোন মার্ক (mark) বা ট্রেড বর্ণনা (trade description) এর অনুবাদ সহযোগে গঠিত ট্রেডমার্ক, অন্য যে কোন পণ্য বা সেবার জন্য নিবন্ধন করা যাইবে না, যদি,-]
(৬) উপ-ধারা (৪) ও (৫) এ বর্ণিত কোন মার্ক সুপরিচিত কিনা উহা নির্ধারণের ক্ষেত্রে, বাংলাদেশে উক্ত মার্কের বিজ্ঞাপন প্রচারের মাধ্যমে প্রাপ্ত ফলাফলসহ উক্ত মার্ক সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট [ ভোক্তা ও বিক্রেতা সাধারণের] সাধারণ ধারণা বা জ্ঞান বিবেচনায় লইতে হইবে।
(৭) এই ধারার কোন বিধান ট্রেডমার্ক নিবন্ধনে কোন বাধা সৃষ্টি করিবে না, যদি নিবন্ধনের ক্ষেত্রে পূর্ববর্তী কোন ট্রেডমার্কের স্বত্বাধিকারী বা পূর্ব অধিকার সম্পন্ন অন্য কোন ব্যক্তির সম্মতি থাকে।
ব্যাখ্যা ।- এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, ''পূর্ববর্তী ট্রেডমার্ক'' অর্থ এমন নিবন্ধিত ট্রেডমার্ক যাহা প্রশ্নযুক্ত ট্রেডমার্ক নিবন্ধনের আবেদন দাখিলের পূর্বে নিবন্ধিত হইয়াছে ও ট্রেডমার্ক হিসাবে দাবি করিবার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকারী, এবং যাহা নিবন্ধনের জন্য ইতোপূর্বে আবেদন দাখিল করা হইয়াছে ও উক্ত আবেদনের ভিত্তিতে নিবন্ধিত হইলে, পূর্ববর্তী ট্রেডমার্ক হিসাবে গণ্য হইত এইরূপ ট্রেডমার্কও ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবে।
(৮) নিবন্ধক যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হন যে, কোন ট্রেডমার্ক নিবন্ধনের মেয়াদ অতিক্রান্ত হইবার পূর্ববর্তী ২ (দুই) বৎসর পর্যন্ত সৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হইয়াছে, তাহা হইলে উক্ত ট্রেডমার্কের নিবন্ধনের মেয়াদ অতিক্রান্ত হওয়া সত্ত্বেও পরবর্তীতে উক্ত মার্কের নিবন্ধন যোগ্যতা নির্ধারণের ক্ষেত্রে মেয়াদ অতিক্রান্তের সময় হইতে পরবর্তী ১ (এক) বৎসরের জন্য উক্ত নিবন্ধন বহাল রহিয়াছে বলিয়া বিবেচিত হইবে।
কোন ট্রেডমার্ক নিবন্ধনের আবেদনের সহিত কোন জীবিত ব্যক্তি বা আবেদন দাখিলের পূর্ববর্তী ২০ (বিশ) বৎসরের মধ্যে মৃত ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা রহিয়াছে মর্মে ধারণা জন্মাইলে, উক্ত আবেদন বিবেচনার পূর্বে নিবন্ধক আবেদনকারীকে উক্ত জীবিত ব্যক্তি বা, ক্ষেত্রমত, মৃত ব্যক্তির আইনানুগ প্রতিনিধিকে লিখিত সম্মতি দাখিল করিবার নির্দেশ দিতে পারিবেন এবং উক্ত সম্মতি দাখিল না করা হইলে, নিবন্ধক উক্ত আবেদন বিবেচনা করিতে অস্বীকার করিতে পারিবেন।
(১) যে ক্ষেত্রে কোন ট্রেডমার্কের স্বত্বাধিকারী নিবন্ধিত ট্রেডমার্কের কোন অংশকে পৃথকভাবে ব্যবহার করিবার জন্য দাবি করেন, সেক্ষেত্রে তিনি নিবন্ধকের নিকট উক্ত ট্রেডমার্কের অংশকে পৃথক ট্রেডমার্ক হিসাবে নিবন্ধনের জন্য আবেদন করিতে পারিবেন।
(২) উপ-ধারা (১) এ বর্ণিত প্রত্যেকটি পৃথক ট্রেডমার্ক প্রযোজ্য সকল শর্ত পূরণ করিবে এবং উহাতে স্বতন্ত্র ট্রেডমার্কের সকল বৈশিষ্ট্য থাকিতে হইবে।
(৩) যে ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি একই পণ্য বা সেবা বা একই বর্ণনার পণ্য বা সেবা সংক্রান্ত কতিপয় ট্রেডমার্কের স্বত্বাধিকারী বলিয়া দাবি করেন এবং বস্তুগতভাবে উহারা একটি অপরটির সহিত সাদৃশ্যপূর্ণ, কিন্তু নিম্নবর্ণিত বিষয়ে উহাদের মধ্যে পার্থক্য, রহিয়াছে, সেক্ষেত্রে উক্ত ট্রেডমার্ক পরম্পরাক্রমে বিন্যস্ত আকারে এককভাবে নিবন্ধিত হইবে -
(১) যেক্ষেত্রে কোন নিবন্ধিত বা নিবন্ধনের জন্য আবেদনকৃত পণ্য বা সেবার ট্রেডমার্ক একই স্বত্বাধিকারীর অন্য কোন নিবন্ধিত বা নিবন্ধনের জন্য আবেদনকৃত পণ্য বা সেবার ট্রেডমার্কের অনুরূপ হয় অথবা একই পণ্য বা সেবা বা, ক্ষেত্রমত, প্রায় সাদৃশ্যপূর্ণ পণ্য বা সেবা হইবার কারণে যদি স্বত্বাধিকারী ব্যতীত অন্য কোন ব্যক্তি উক্ত ট্রেডমার্ক ব্যবহার করিলে প্রতারণা বা বিভ্রন্তি সৃষ্টি হইতে পারে, সেক্ষেত্রে নিবন্ধক যে কোন সময় উক্ত ট্রেডমার্ককে সহযোগী ট্রেডমার্ক হিসাবে নিবন্ধন বহিতে লিপিবদ্ধ করিবার নির্দেশ দিতে পারিবেন।
(২) কোন ট্রেডমার্ক বা উহার কোন অংশ পৃথক ট্রেডমার্ক হিসাবে একই স্বত্বাধিকারীর নামে নিবন্ধিত হইলে, উহা সহযোগী ট্রেডমার্ক হিসাবে নিবন্ধিত হইবে।
(৩) ধারা ১২(৩) এর অধীন কোন ট্রেডমার্ক পরস্পরভাবে বিন্যস্ত আকারে পৃথকভাবে নিবন্ধিত হইলে, উহা সহযোগী ট্রেডমার্ক হিসাবে গণ্য হইবে এবং উহাকে সহযোগী ট্রেডমার্ক হিসাবে নিবন্ধিত করা যাইবে।
(৪) সহযোগী ট্রেডমার্ক হিসাবে নিবন্ধিত দুই বা ততোধিক ট্রেডমার্কের নিবন্ধিত স্বত্ত্বাধিকারী নির্ধারিত পদ্ধতিতে আবেদন দাখিল করিলে, নিবন্ধক যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হন যে, যে পণ্য বা, ক্ষেত্রমত, সেবার ক্ষেত্রে উক্ত ট্রেডমার্ক নিবন্ধিত হইয়াছে এবং উহা অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক ব্যবহার করা হইলে প্রতারিত বা বিভ্রান্ত হইবার সম্ভাবনা নাই, তাহা হইলে তিনি উক্ত সহযোগী ট্রেডমার্কের মধ্য হইতে কোন সহযোগী ট্রেডমার্ককে বিলুপ্ত করিতে (dissolve) পারিবেন এবং তদানুযায়ী নিবন্ধন বহি সংশোধন করিতে পারিবেন।
যদি কোন ট্রেডমার্কে-
তাহা হইলে, ট্রেডমার্কটি নিবন্ধন বহিতে লিপিবদ্ধ করা হইবে কিনা বা উহা নিবন্ধন বহিতে বহাল থাকিবে কিনা উহা বিবেচনাকালে ট্রাইব্যুনাল অনুরূপ বৈশিষ্ট্য বা অংশকে নিবন্ধন বহিতে অন্তর্ভুক্ত করিবার অনুকূলে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে, এই মর্মে শর্ত আরোপ করিতে পারিবে যে, ট্রাইব্যুনালের বিবেচনায় অনুরূপ স্বত্ব না থাকিবার কারণে স্বত্বাধিকারী অনুরূপ অংশের সম্পূর্ণ বা আংশিক ব্যবহারের একক অধিকার দাবি করিতে পারিবেন না, অথবা ট্রাইব্যুনাল উহার বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট নিবন্ধনের আওতায় স্বত্বাধিকারীর অধিকার বা স্বত্ব সীমিতকরণে যেরূপ উপযুক্ত মনে করিবে সেরূপ দাবি পরিত্যাগের নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবেন :
তবে শর্ত থাকে যে, যে ট্রেডমার্ক বিষয়ে দাবি পরিত্যাগ করা হইয়াছে সে ট্রেডমার্কের নিবন্ধন হইতে উদ্ভূত কোন অধিকার ব্যতীত অনুরূপ কোন দাবি পরিত্যাগ ট্রেডমার্কের স্বত্বাধিকারীর অন্য কোন অধিকারকে ক্ষুণ্ন করিবে না।
(১) কোন ব্যক্তি তৎকর্তৃক ব্যবহৃত বা ব্যবহারের জন্য প্রস্তাবিত ট্রেডমার্কের স্বত্বাধিকারী হইয়া উহা নিবন্ধন করিতে ইচ্ছুক হইলে, তিনি, নির্ধারিত পদ্ধতিতে, উক্ত ট্রেডমার্ক নিবন্ধনের জন্য লিখিতভাবে নিবন্ধকের নিকট আবেদন করিবেন।
(২) নির্ধারিত প্রত্যেক শ্রেণীর পণ্য বা সেবার জন্য পৃথক পৃথক আবেদন করিতে হইবে এবং উক্তরূপে প্রাপ্ত আবেদনপত্র প্রাপ্তির ক্রমানুসারে বিবেচিত হইবে।
(৩) উপ-ধারা (১) এর অধীন প্রত্যেকটি আবেদন বাংলাদেশের যে এলাকায় আবেদনকারীর ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয় অবস্থিত, সে এলাকায় অবস্থিত ট্রেডমার্কস রেজিস্ট্রিতে অথবা যৌথ আবেদনকারীর ক্ষেত্রে, আবেদনপত্রে উল্লিখিত প্রথম আবেদনকারীর ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয় যে এলাকায় অবস্থিত, সে এলাকার ট্রেডমার্কস রেজিস্ট্রিতে আবেদন দাখিল করিতে হইবে।
(৪) যদি কোন আবেদনকারী বা যৌথ আবেদনকারী বাংলাদেশে কোন ব্যবসা পরিচালনা না করেন, তাহা হইলে উক্ত আবেদনকারীর বা যৌথ আবেদনকারীগণের মধ্যে আবেদনপত্রে উল্লিখিত প্রথম আবেদনকারীর বাংলাদেশে যোগাযোগের ঠিকানা যে ট্রেডমার্কস রেজিস্ট্রিতে বা শাখা রেজিস্ট্রির আওতাভুক্ত সেই রেজিস্ট্রিতে আবেদন দাখিল করিতে হইবে।
৫) এই আইনের বিধানাবলী সাপেক্ষে, নিবন্ধক-
কোন ট্রেডমার্ক নিবন্ধনের আবেদন গ্রহণের পর নিবন্ধক যদি এই মর্মে নিশ্চিত হন যে,-
তাহা হইলে নিবন্ধক, আবেদনকারীকে যুক্তিসংগত শুনানীর সুযোগ প্রদান করিয়া, উক্ত আবেদনটি এইরূপে প্রত্যাখান করিতে পারিবেন যেন আবেদনটি গৃহীত হয় নাই।
(১) কোন আবেদন, শর্তবিহীনভাবে অথবা শর্তযুক্ত বা সীমাবদ্ধতা সাপেক্ষে, গৃহীত হইলে নিবন্ধক আবেদন গ্রহণের পর অবিলম্বে উহার শর্ত বা সীমাবদ্ধতা উল্লেখপূর্বক, নির্ধারিত পদ্ধতিতে, বিজ্ঞপ্তি জারী করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, যদি আবেদনপত্রটি এমন কোন ট্রেডমার্ক সম্পর্কিত হয় যাহার ক্ষেত্রে ধারা ৬(২) এর বিধান প্রযোজ্য হয় বা অন্য কোন কারণে নিবন্ধকের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, ব্যতিক্রমধর্মী কোন পরিস্থিতির জন্য আবেদনটি গৃহীত হইবার পূর্বেই বিজ্ঞপ্তি জারী করা সমীচীন, তাহা হইলে তিনি উক্ত আবেদন সম্পর্কিত বিজ্ঞপ্তি জারী করিতে পারিবেন।
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন যদি কোন আবেদন-
তাহা হইলে, নিবন্ধক উক্ত আবেদনটি ভুল শুদ্ধকরণ বা সংশোধনের বিষয়ে, নির্ধারিত পদ্ধতিতে, পুনরায় বিজ্ঞপ্তি জারী করিতে পারিবেন।
(১) নিবন্ধনের কোন আবেদনের বিজ্ঞপ্তি জারী হইবার তারিখ হইতে ২ (দুই) মাসের মধ্যে নির্ধারিত ফি প্রদানপূর্বক কোন ব্যক্তি নিবন্ধকের নিকট উক্তরূপ বিজ্ঞাপিত আবেদনের বিরোধিতা করিয়া, নির্ধারিত পদ্ধতিতে, লিখিত নোটিশ প্রদান করিতে পারিবেন।
(২) নিবন্ধক উপ-ধারা (১) এর অধীন নোটিশ প্রাপ্তির ১ (এক) মাসের মধ্যে উহার একটি কপি আবেদনকারীর নিকট, নির্ধারিত পদ্ধতিতে, জারী করিবেন এবং অনুরূপ নোটিশ প্রাপ্তির ২ (দুই) মাসের মধ্যে আবেদনকারী, নির্ধারিত পদ্ধতিতে, তাহার আবেদনের ভিত্তি উল্লেখ করিয়া একটি পাল্টা বিবৃতি নিবন্ধকের নিকট প্রেরণ করিবেন, অন্যথায় আবেদনকারী তাহার আবেদন পরিত্যাগ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।
(৩) আবেদনকারী পাল্টা বিবৃতি দাখিল করিলে নিবন্ধক, উহা প্রাপ্তির ১ (এক) মাসের মধ্যে, উহার একটি কপি বিরোধিতার নোটিশ প্রদানকারীর নিকট, নির্ধারিত পদ্ধতিতে, জারী করিবেন।
(৪) বিরোধিতাকারী এবং আবেদনকারী যে সকল সাক্ষ্য প্রমাণের উপর নির্ভরশীল উহা নির্ধারিত সময় ও পদ্ধতিতে নিবন্ধকের নিকট দাখিল করিবেন এবং উভয় পক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে নিবন্ধক তাহাদেরকে শুনানীর সুযোগ প্রদান করিবেন।
[(৫) পক্ষগণের বক্তব্য এবং সাক্ষ্য-প্রমাণ বিবেচনা করিয়া, নিবন্ধক-
(৬) উপ-ধারা (৫) এর অধীন নিবন্ধক যদি, সংশোধন, পরিবর্তন, শর্ত বা সীমাবদ্ধতা সাপেক্ষে, নিবন্ধনের অনুমতি প্রদান করা সমীচীন মনে করেন, তাহা হইলে সেই সকল সংশোধন, পরিবর্তন, শর্ত বা সীমাবদ্ধতা লিপিবদ্ধ করিয়া সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত প্রদান করিবেন।]
(৭) বিরোধিতার নোটিশ প্রদানকারী বা পাল্টা বিবৃতি প্রদানকারী ব্যক্তি যদি নোটিশ প্রাপ্তির পর বাংলাদেশে বসবাস না করেন বা ব্যবসা পরিচালনা না করেন, তাহা হইলে নিবন্ধক গৃহীত কার্যধারার খরচ বাবদ জামানত প্রদানের জন্য উক্তরূপ ব্যক্তিকে নির্দেশ দিতে পারিবেন এবং অনুরূপ জামানত যথাসময়ে প্রদত্ত না হইলে, উক্ত বিরোধিতার নোটিশ বা, ক্ষেত্রমত, আবেদন পরিত্যাগ করা হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।
(৮) এই ধারায় যাহা কিছুই থাকুক না কেন, নিবন্ধনের বিরোধিতা সংক্রান্ত সকল কাযর্ক্রম উপ-ধারা (১) এর অধীন নোটিশ প্রদানের পরবর্তী [৩৩০ (তিনশত ত্রিশ)] কার্যদিবসের মধ্যে সম্পন্ন করিতে হইবে।
নিবন্ধক যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন সেইরূপ শর্তে, ধারা ১৫ এর অধীন নিবন্ধনের আবেদন গ্রহণের পূর্বে বা পরে আবেদনের কোন ভুল শুদ্ধ করিবার, অথবা ধারা ১৮ এর অধীন দাখিলকৃত বিরোধিতার নোটিশ বা পাল্টা বিবৃতিতে যদি কোন ভুল থাকে, উহা সংশোধনের, অনুমতি প্রদান করিতে পারিবেন।
(১) ধারা ১৫ এর বিধানাবলী সাপেক্ষে, যদি-
তাহা হইলে নিবন্ধক উক্ত ট্রেডমার্ক আবেদনের তারিখ হইতে কার্যকরতা প্রদানক্রমে উহা নিবন্ধন বহিতে নিবন্ধন করিবেন এবং ধারা ১২০ এর বিধান সাপেক্ষে, উক্ত তারিখ নিবন্ধনের তারিখ বলিয়া গণ্য হইবে।
(২) কোন ট্রেডমার্ক নিবন্ধিত হইলে, নিবন্ধক আবেদনকারীকে নির্ধারিত ফরমে ট্রেডমার্কস রেজিস্ট্রির সীলমোহর সম্বলিত একটি নিবন্ধন সনদ প্রদান করিবেন।
(৩) ট্রেডমার্ক নিবন্ধনের আবেদনে কোন ত্রুটি না থাকিলে, অথবা নিবন্ধন সম্পকির্ত কোন বিরোধিতা বা আপত্তি না থাকিলে, আবেদনকারী কর্তৃক নিবন্ধনের শর্তাদি পূরণ সাপেক্ষে, সংশ্লিষ্ট আবেদনপত্র দাখিলের ১৫০ (একশত পঞ্চাশ) কার্যদিবসের মধ্যে উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত নিবন্ধন সনদ প্রদান করিতে হইবে।
(৪) ট্রেডমার্ক নিবন্ধনের আবেদন দাখিলের তারিখ হইতে ১ (এক) বৎসরের মধ্যে আবেদনকারীর কোন ত্রুটির কারণে নিবন্ধন সনদ প্রদান সম্ভব না হইলে, নিবন্ধক তৎসম্পর্কে আবেদনকারীকে, নির্ধারিত পদ্ধতিতে, নোটিশ প্রদান করিবেন এবং নোটিশে উল্লিখিত সময়ের মধ্যে আবেদনকারী উক্তরূপ ত্রুটি সংশোধন না করিলে, আবেদনটি প্রত্যাখ্যাত হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।
(৫) নিবন্ধন বহি অথবা সনদপত্রে কোন করণিক ত্রুটি বা সুস্পষ্ট ভুল থাকিলে নিবন্ধক উহা সংশোধন করিতে পারিবেন।
(১) এই আইনের কোন কিছুই স্বতন্ত্রভাবে ট্রেডমার্ক ব্যবহারকারী বা ব্যবহারের প্রস্তাবকারী দুই বা ততোধিক ব্যক্তিকে যৌথ স্বত্বাধিকারী হিসাবে উক্ত ট্রেডমার্ক নিবন্ধনের কর্তৃত্ব প্রদান করিবে না।
(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, দুই বা ততোধিক আগ্রহী ব্যক্তি কোন ট্রেডমার্ক সংশ্লিষ্ট পণ্য বা, ক্ষেত্রমত, সেবার ব্যবসা পরিচালনার বিষয়ে পরস্পর সম্পর্কযুক্ত হইলে, তাহারা উক্ত ট্রেডমার্কের যৌথ স্বত্বাধিকারী হিসাবে নিবন্ধিত হইতে পারিবেন, এবং উক্ত ট্রেডমার্ক ব্যবহারের ক্ষেত্রে তাহাদের অধিকার এমনভাবে কার্যকর হইবে, যেন উক্ত অধিকার কোন একক ব্যক্তির উপর ন্যস্ত হইয়াছে।
(১) কোন ট্রেডমার্ক নিবন্ধনের মেয়াদ হইবে ৭ (সাত) বৎসর, তবে উক্ত মেয়াদ এই ধারার বিধান অনুসারে নবায়নযোগ্য হইবে।
(২) নিবন্ধিত ট্রেডমার্কের নিবন্ধিত স্বত্বাধিকারী নির্ধারিত পদ্ধতি ও মেয়াদের মধ্যে আবেদন দাখিল করিলে, নিবন্ধক উক্ত ট্রেডমার্ক নিবন্ধনের মেয়াদ অথবা, ক্ষেত্রমত, সর্বশেষ নবায়নের মেয়াদ শেষ হইবার তারিখ হইতে ১০ (দশ) বৎসরের জন্য নবায়ন করিতে পারিবেন।
(৩) নিবন্ধনের মেয়াদ উত্তীর্ণ হইবার পূর্বে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে, নিবন্ধক ট্রেডমার্কের নিবন্ধিত স্বত্বাধিকারীর বরাবরে মেয়াদ শেষ হইবার তারিখ, ফি প্রদানের শর্তাবলী ও নিবন্ধন নবায়ন লাভের শর্তাবলী উল্লেখ করিয়া নোটিশ পাঠাইবেন এবং এতদুদ্দেশ্যে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শর্তসমূহ যথাযথভাবে পূরণ করা না হইলে, নিবন্ধক উক্ত ট্রেডমার্ক নিবন্ধন বহি হইতে কর্তন (remove) করিতে পারিবেন।
(৪) যেক্ষেত্রে নির্ধারিত ফি পরিশোধ না করিবার কারণে নিবন্ধন বহি হইতে কোন ট্রেডমার্কের নিবন্ধন কর্তন করা হয়, সেক্ষেত্রে নিবন্ধক, ট্রেডমার্ক নিবন্ধনের মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার ১ (এক) বৎসরের মধ্যে, নির্ধারিত ফরমে আবেদনপ্রাপ্ত হইয়া যদি এই মর্মে নিশ্চিত হন যে, ইহা পুনর্বহাল করা ন্যায়সঙ্গত, তাহা হইলে তিনি উক্ত ট্রেডমার্ক নিবন্ধন বহিতে পুনর্বহাল করিতে পারিবেন এবং উক্তরূপে কোন [মহাপরিচালক] বহিতে পুনর্বহাল করা হইলে উক্ত ট্রেডমার্কের নিবন্ধন, সাধারণভাবে অথবা শর্ত বা সীমাবদ্ধতা সাপেক্ষে, মেয়াদ অতিক্রান্তের তারিখ হইতে ১০ (দশ) বৎসরের জন্য নবায়ন করা যাইবে।
নবায়ন ফি পরিশোধে ব্যর্থতার কারণে কোন ট্রেডমার্ক নিবন্ধন বহি হইতে কর্তন করা সত্ত্বেও কর্তনের তারিখ হইতে পরবর্তী ১ (এক) বৎসরের মধ্যে, অন্য কোন ট্রেডমার্ক নিবন্ধনের উদ্দেশ্যে দাখিলকৃত আবেদন বিবেচনার ক্ষেত্রে, কর্তিত ট্রেডমার্কটি নিবন্ধন বহিতে রক্ষিত ট্রেডমার্ক হিসাবে গণ্য হইবে, যদি না ট্রাইব্যুনাল এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে,-
(১) কোন ব্যক্তি অনিবন্ধিত ট্রেডমার্ক লঙ্ঘনের প্রতিকার লাভ বা ক্ষতিপূরণ আদায়ের উদ্দেশ্যে কোন আইনগত কার্যধারা গ্রহণ করিবার অধিকারী হইবেন না।
(২) এই আইনের কোন কিছুই অন্য কোন ব্যক্তির পণ্য বা সেবাকে নিজের পণ্য বা সেবা হিসাবে চালাইবার জন্য (for passing off) উক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রতিকার লাভের অধিকারকে ক্ষুণ্ন করিবে না।
(১) কোন ব্যক্তি কোন পণ্য বা সেবার জন্য ট্রেডমার্কের স্বত্বাধিকারী হিসাবে নিবন্ধিত হইলে, তিনি, এই আইনের অন্যান্য বিধান সাপেক্ষে, উক্ত পণ্য বা সেবার জন্য উক্ত ট্রেডমার্ক নিরঙ্কুশ ব্যবহার এবং উহার স্বত্ব লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে এই আইনে বর্ণিত পদ্ধতিতে প্রতিকার লাভের অধিকারী হইবেন।
(২) কোন পণ্য বা ক্ষেত্রমত, সেবা সম্পর্কিত ট্রেডমার্কের নিবন্ধিত স্বত্বাধিকারী ছাড়া অন্য কোন ব্যক্তি, নিবন্ধিত স্বত্বাধিকারীর অনুমতি গ্রহণ ব্যতীত, উক্ত ট্রেডমার্ক ব্যবহার করিতে পারিবেন না।
(৩) উপ-ধারা (১) এর অধীন প্রদত্ত ট্রেডমার্ক ব্যবহারের নিরঙ্কুশ অধিকার, নিবন্ধন বহিতে লিপিবদ্ধ শর্ত বা সীমাবদ্ধতা সাপেক্ষ হইবে।
(৪) দুই বা ততোধিক ব্যক্তি অভিন্ন বা প্রায় সাদৃশ্যপূর্ণ ট্রেডমার্কের নিবন্ধিত স্বত্বাধিকারী হইলে, কেবল ট্রেডমার্ক নিবন্ধনের কারণেই উক্ত ট্রেডমার্ক ব্যবহারে একজনের উপর অপরজনের নিরঙ্কুশ অধিকার অর্জিত হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে না, যদি না তাহাদের স্ব স্ব অধিকার, কোন শর্ত বা সীমাবদ্ধতা সাপেক্ষে, নিবন্ধন বহিতে অন্তর্ভুক্ত থাকে, এবং এইরূপ নিবন্ধিত ট্রেডমার্কের স্বত্বাধিকারীগণ প্রত্যেকে একক নিবন্ধিত স্বত্বাধিকারী হিসাবে অনুমোদিত ব্যবহারকারী হিসাবে নিবন্ধিত নহে এমন কোন ব্যক্তির উপর অনুরূপ নিরঙ্কুশ অধিকার ভোগ করিবেন।
(১) কোন ব্যক্তি নিবন্ধিত স্বত্বাধিকারী বা নিবন্ধিত ব্যবহারকারী না হওয়া সত্ত্বেও, কোন পণ্য বা সেবার ক্ষেত্রে নিজ ব্যবসায় স্বতন্ত্র বা প্রতারণামূলকভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ কোন ট্রেডমার্ক ব্যবহার করিলে, তিনি নিবন্ধিত ট্রেডমার্ক লঙ্ঘন করিয়াছেন মর্মে গণ্য হইবেন।
(২) কোন নিবন্ধিত ট্রেডমার্ক লঙ্ঘিত হইবে, যদি উক্ত ব্যক্তি নিবন্ধিত স্বত্বাধিকারী বা নিবন্ধিত ব্যবহারকারী না হওয়া সত্ত্বেও, নিজ ব্যবসায় নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে এমন কোন মার্ক ব্যবহার করেন, যাহা-
যাহার ফলে জনগণ বিভ্রান্ত হইতে পারে এইরূপ আশংকা থাকে অথবা নিবন্ধিত ট্রেডমার্কের সহিত অনুরূপ মার্কের সম্পর্ক রহিয়াছে মর্মে ভুল ধারণার সৃষ্টি করে।
(৩) কোন ব্যক্তি কর্তৃক কোন নিবন্ধিত ট্রেডমার্ক লঙ্ঘিত হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে, যদি উক্ত ব্যক্তি, নিবন্ধিত ট্রেডমার্কের স্বত্বাধিকারী বা নিবন্ধিত ব্যবহারকারী না হওয়া সত্ত্বেও, নিজ ব্যবসায় এমন কোন মার্ক ব্যবহার করেন, যাহা-
(৪) এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, কোন ব্যক্তি কর্তৃক "নিবন্ধিত ট্রেডমার্কের ব্যবহার" অর্থ-
(৫) যদি কোন ব্যক্তি নিবন্ধিত স্বত্বাধিকারী বা ব্যবহারকারী বা ব্যবহারের অধিকারপ্রাপ্ত ব্যক্তি কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত না হইয়া বা উহার ব্যবহার বৈধ নয় মর্মে জ্ঞাত হইয়া বা বিশ্বাস করিবার কারণ থাকা সত্ত্বেও, তাহার পণ্য বা সেবার গায়ে, মোড়কে, বাণিজ্যিক কাগজপত্র বা পণ্য বা সেবার বিজ্ঞাপনে কোন নিবন্ধিত মার্ক ব্যবহার করেন, তাহা হইলে তিনি নিবন্ধিত ট্রেডমার্ক লঙ্ঘন করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন।
(৬) এই ধারার কোন বিধান কোন নিবন্ধিত স্বত্বাধিকারী বা ব্যবহারকারী বা ব্যবহারের অধিকারপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে বা তাহাদের পণ্য বা সেবা সনাক্ত করিবার উদ্দেশ্যে কোন নিবন্ধিত ট্রেডমার্ক ব্যবহারের ক্ষেত্রে, কোন বাধা সৃষ্টি করে মর্মে ব্যাখ্যা করা যাইবে না, তবে উক্তরূপ ব্যবহার শিল্প বা ব্যবসা সংক্রান্ত বিষয়ে অসৎভাবে কোন নিবন্ধিত ট্রেডমার্ক ব্যবহার করিয়া অবৈধ সুযোগ গ্রহণের জন্য হইয়া থাকিলে, অথবা কোন নিবন্ধিত ট্রেডমার্কের স্বাতন্ত্র্য বা সুনামকে ক্ষুণ্ন করিলে, নিবন্ধিত ট্রেডমার্কের লঙ্ঘন হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।
(৭) কোন ব্যক্তি সুপরিচিত মার্কের নিবন্ধিত স্বত্বাধিকারী বা নিবন্ধিত ব্যবহারকারী না হওয়া সত্ত্বেও, নিম্নবর্ণিত ব্যবহারের মাধ্যমে উক্তরূপ সুপরিচিত মার্ক লঙ্ঘন করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন, যদি তিনি-
ব্যাখ্যা।- এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, 'সুপরিচিত মার্ক' অর্থ ধারা ১০ এ বর্ণিত সুপরিচিত মার্ক।
(৮) নিবন্ধন বহিতে নিবন্ধিত কোন ট্রেডমার্ক লঙ্ঘনের জন্য দায়েরকৃত মামলায় বিবাদী যদি আদালতকে এই মর্মে সন্তুষ্ট করিতে পারেন যে,-
তাহা হইলে আদালত উক্ত মামলায় বাদীর অনুকূলে কোন নিষেধাজ্ঞা বা অন্য কোন প্রকার প্রতিকার মঞ্জুর (grant) করিবে না ।
(১) এই আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, নিম্নবর্ণিত কর্মকাণ্ড দ্বারা কোন নিবন্ধিত ট্রেডমার্ক ব্যবহারের অধিকার লঙ্ঘিত হইবে না-
(২) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন পণ্য বা সেবার বিষয়ে নিবন্ধিত ট্রেডমার্ক ব্যবহারে আইনগতভাবে অধিকারপ্রাপ্ত হইয়া পরবর্তীতে উক্ত ট্রেডমার্কের নিবন্ধিত স্বত্বাধিকারী অন্য কোন ব্যক্তির নিকট হস্তান্তর করে, সেক্ষেত্রে উক্ত অধিকারপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা তাহার মাধ্যমে দাবিদার ব্যক্তি কর্তৃক উক্ত পণ্য বা সেবা বিক্রয় করা হইলে, তদ্দ্বারা উক্ত ট্রেডমার্ক লঙ্ঘিত হইবে না।
(১) ট্রেডমার্কের মূল নিবন্ধন, ধারা ৫১ এর অধীন দাখিলকৃত আবেদনসহ, এই আইনের অধীন নিবন্ধিত ট্রেডমার্ক সংক্রান্ত সকল আইনগত কার্যধারায় এবং তৎপরবর্তী স্বত্বনিয়োগ ও হস্তান্তরের ক্ষেত্রে, উহার বৈধতার প্রাথমিক প্রমাণ বলিয়া গণ্য হইবে।
(২) যদি এই মর্মে প্রমাণিত হয় যে, নিবন্ধিত স্বত্বাধিকারী বা অনুরূপ স্বত্বাধিকারীর পূর্বসূরী মার্কটি এইরূপে ব্যবহার করিয়াছেন যে, উক্ত মার্ক নিবন্ধনের তারিখে স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য অর্জন করিয়াছিল, তাহা হইলে উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত কোন আইনগত কার্যধারায় নিবন্ধিত কোন ট্রেডমার্ক কেবল এই কারণে অবৈধ বলিয়া ঘোষণা করা যাইবে না যে, উহা ধারা ৬ এর অধীন স্বাতন্ত্র্যসূচক প্রমাণ ব্যতিরেকে, নিবন্ধনযোগ্য ছিল না এবং অনুরূপ কোন প্রমাণ নিবন্ধকের নিকট দাখিল করা হয় নাই।
ধারা ৩২ এবং ধারা ৪২ এর বিধানাবলী সাপেক্ষে, ধারা ৫১ এর অধীন দাখিলকৃত আবেদনসহ নিবন্ধন বহিতে নিবন্ধিত ট্রেডমার্ক সংক্রান্ত সকল আইনগত কার্যধারায়, ট্রেডমার্কের মূল নিবন্ধনের তারিখ হইতে ৭ (সাত) বৎসর অতিবাহিত হইবার পর সকল ক্ষেত্রে উহা বৈধ বলিয়া গণ্য হইবে, যদি না ইহা প্রমাণিত হয় যে, উক্ত নিবন্ধন-
এই আইনের কোন কিছুই নিবন্ধিত ট্রেডমার্ক বা সুপরিচিত মার্কের স্বত্বাধিকারী বা নিবন্ধিত ব্যবহারকারীকে উক্তরূপ ট্রেডমার্ক বা অভিন্ন বা প্রায়-অভিন্ন ট্রেডমার্ক কোন পণ্য বা সেবা অন্য কোন ব্যক্তি বা তাহার স্বত্বের পূর্বসূরী কর্তৃক অব্যাহতভাবে ব্যবহৃত হইয়া থাকিলে, উহাতে হস্তক্ষেপ করিবার বা বাঁধা সৃষ্টি করিবার অধিকারী করিবে না, যদি উক্তরূপ ব্যবহার এমন তারিখ হইতে হয়, যাহা প্রথমোক্ত নিবন্ধিত ট্রেডমার্ক বা সুপরিচিত মার্ক নিবন্ধন বা ব্যবহারের পূর্ববর্তী হয়, এবং উক্ত ক্ষেত্রে, নিবন্ধক শেষোক্ত ট্রেডমার্কের নিবন্ধন কেবল এই কারণে প্রত্যাখ্যান করিবেন না যে, প্রথমোক্ত ট্রেডমার্ক ইতোমধ্যে নিবন্ধিত হইয়াছে।
এই আইনের কোন কিছুই কোন ট্রেডমার্ক বা সুপরিচিত নিবন্ধিত স্বত্বাধিকারী বা নিবন্ধিত ব্যবহারকারী অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক সৎ উদ্দেশ্যে নিজ নাম বা ব্যবসায় পরিচালনার স্থানের নাম বা তাহার পূর্বসূরীর নাম বা ব্যবসায়ের স্থানের নাম ব্যবহারের বিষয়ে, বা অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক সৎ উদ্দেশ্যে পণ্য বা সেবার বৈশিষ্ট্য বা গুণাগুণের নাম ব্যবহারের ক্ষেত্রে, হস্তক্ষেপ করিবার অধিকারী করিবে না।
(১) কোন ট্রেডমার্ক নিবন্ধনের তারিখের পর উহার সহিত সংশ্লিষ্ট পণ্যদ্রব্য, উপাদান বা সেবার নাম বা বর্ণনা বা উহাদের সমন্বয়ে গঠিত এমন কোন শব্দ বা শব্দাবলী ব্যবহারের কারণে উক্ত ট্রেডমার্কের নিবন্ধন অকার্যকর বলিয়া গণ্য হইবে নাঃ
তবে শর্ত থাকে যে, নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে উপ-ধারা (২) এর বিধান প্রযোজ্য হইবে, যদি এইরূপ প্রমাণিত হয় যে,-
(২) যদি কোন শব্দের বা শব্দাবলীর ক্ষেত্রে, উপ-ধারা (১) এর দফা (ক) ও দফা (খ) তে বর্ণিত বিষয় প্রমাণিত হয়, তাহা হইলে-
তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ না-দাবি সত্ত্বেও, না-দাবির অংশ ব্যতীত, ট্রেডমার্ক নিবন্ধন হইতে উদ্ভূত অন্য কোন অধিকার ক্ষুণ্ন হইবে না;
যে তারিখে উপ-ধারা (১)এর দফা (ক) অনুযায়ী সুপরিচিত বা প্রতিষ্ঠিত অথবা উপ-ধারা (১) এর দফা (খ) এ উল্লিখিত ২ (দুই) বৎসর যে তারিখে অতিক্রান্ত হইয়াছে, সেই তারিখে পরিসমাপ্তি ঘটিয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।
এই আইনের বিধানাবলী এবং নিবন্ধন বহি হইতে অনুমিত অন্য কোন ব্যক্তিকে অর্পিত অধিকার সাপেক্ষে, কোন ট্রেডমার্কের স্বত্বাধিকারী তাহার ট্রেডমার্কের স্বত্বনিয়োগ এবং উহার বিনিময়ে প্রাপ্ত মূল্যের রসিদ প্রদান করিবার অধিকারী হইবেন ।
অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই অধ্যায়ের বিধানাবলী সাপেক্ষে, কোন নিবন্ধিত ট্রেডমার্ক, ব্যবসায়ের সুনামসহ বা ব্যতীত, এবং উহা যে সকল পণ্য বা ক্ষেত্রমত সেবার বিষয়ে নিবন্ধিত হইয়াছে সেই সকল পণ্য বা সেবার স্বত্বনিয়োগ ও হস্তান্তর করা যাইবে।
(১) সংশ্লিষ্ট ব্যবসার সুনাম ব্যতীত, কোন অনিবন্ধিত ট্রেডমার্কের স্বত্বনিয়োগ ও হস্তান্তর করা যাইবে না।
(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ের সুনাম ব্যতীত, কোন অনিবন্ধিত ট্রেডমার্কের স্বত্বনিয়োগ ও হস্তান্তর করা যাইবে, যদি-
(১) ধারা ৩৪ ও ৩৫ এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, যেক্ষেত্রে স্বত্বনিয়োগ ও হস্তান্তরের ফলে এই [আইন] অথবা অন্য কোন আইনের অধীন একই পণ্য বা সেবার বিষয়ে একাধিক ব্যক্তির ক্ষেত্রে নিরঙ্কুশ অধিকার সৃষ্টি হয় এবং ট্রেডমার্ক একটি অপরটির সহিত অভিন্ন বা সাদৃশ্যপূর্ণ হয়, যাহার ফলে জনগণের বিভ্রান্ত বা প্রতারিত হইবার আশংকা থাকে, সেক্ষেত্রে ট্রেডমার্কের স্বত্বনিয়োগ ও হস্তান্তর করা যাইবে নাঃ
তবে শর্ত থাকে যে, উক্তরূপ স্বত্বনিয়োগ ও হস্তান্তর অবৈধ বলিয়া গণ্য হইবে না, যদি নিরঙ্কুশ অধিকারে সীমাবদ্ধতার ফলে পণ্য বা সেবার ট্রেডমার্ক বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বিক্রয় বা বাংলাদেশের বাহিরে একই বাজারে রপ্তানির নিমিত্ত পণ্য বা সেবার অধিকারপ্রাপ্ত ব্যক্তিগণ তাহাদের অধিকার প্রয়োগ করিতে না পারেন।
(২) কোন নিবন্ধিত ট্রেডমার্কের স্বত্বাধিকারী স্বত্বনিয়োগ করিবার প্রস্তাব করিলে, তিনি নিবন্ধকের নিকট, নির্ধারিত পদ্ধতিতে, বিষয়টি সম্পর্কে একটি লিখিত বিবৃতি দাখিল করিবেন এবং নিবন্ধক সংশ্লিষ্ট পণ্য বা সেবা এবং ট্রেডমার্কের অভিন্নতা বিবেচনা করিয়া উপ-ধারা (১) এর অধীন স্বত্বনিয়োগ বৈধ না অবৈধ সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণপূর্বক স্বত্বাধিকারীর নিকট একটি প্রত্যয়নপত্র জারী করিবেন।
(৩) যদি এই মর্মে প্রতীয়মান হয় যে, উপ-ধারা (২) এর অধীন জারীকৃত প্রত্যয়নপত্র প্রতারণা বা মিথ্যা বর্ণনা দ্বারা অর্জিত হয় নাই, তাহা হইলে, আপীল সাপেক্ষে, উহা চূড়ান্ত বলিয়া গণ্য হইবে :
তবে শর্ত থাকে যে, প্রত্যয়নপত্র জারী হইবার ৬ (ছয়) মাসের মধ্যে যদি স্বত্বাধিকারী ধারা ৪০ এর অধীন তাহার স্বত্ব নিবন্ধনের জন্য আবেদন দাখিল না করেন, তাহা হইলে উক্ত প্রত্যয়নপত্র চূড়ান্ত বলিয়া গণ্য হইবে না।
(১) ধারা ৩৪ এবং ধারা ৩৫ এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, যেক্ষেত্রে স্বত্বনিয়োগ ও হস্তান্তরের ফলে এই [আইন] বা অন্য কোন আইনের অধীন একই পণ্য বা সেবার বিষয়ে একাধিক ব্যক্তির ক্ষেত্রে নিরঙ্কুশ অধিকার সৃষ্টি করা হয় এবং ট্রেডমার্কসমূহ একটি অপরটির সহিত অভিন্ন বা সাদৃশ্যপূর্ণ হয় এবং উহাতে সীমাবদ্ধতা আরোপের ফলে উক্ত ট্রেডমার্ক বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ব্যবহৃত হয়, সেক্ষেত্রে ট্রেডমার্কের স্বত্বনিয়োগ ও হস্তান্তর করা যাইবে না ।
(২) ট্রেডমার্কের স্বত্বাধিকারী, যিনি স্বত্বনিয়োগের প্রস্তাব করিয়াছেন বা যে ব্যক্তি দাবি করেন যে, তাহার নিকট স্বত্বনিয়োগ করা হইয়াছে বা এই আইন কার্যকর হইবার সময় হইতে তাহার পূর্বসূরীর নিকট স্বত্বনিয়োগ করা হইয়াছে, এইরূপ স্বত্বাধিকারী বা ব্যক্তি কর্তৃক নিবন্ধকের নিকট আবেদনের প্রেক্ষিতে যদি প্রতীয়মান হয় যে, উপ-ধারা (১) এর অধীন স্বত্বনিয়োগ ও হস্তান্তর জনস্বার্থ বিরোধী নহে, তাহা হইলে নিবন্ধক, ট্রেডমার্কের স্বত্বনিয়োগ ও উহার হস্তান্তর এই ধারা বা ধারা ৩৬ এর অধীন অবৈধ বলিয়া ঘোষণা করিতে পারিবেন না।
(৩) যেক্ষেত্রে উপ-ধারা (২) এর অধীন নিবন্ধক কতৃক স্বত্বনিয়োগ ও হস্তান্তরকে অবৈধ বলিয়া ঘোষণা না করার পর ধারা ৪০ এর বিধান অনুযায়ী নিবন্ধনের জন্য নিবন্ধকের নিকট আবেদন করা হয় এবং প্রমাণিত হয় যে, উহা প্রতারণা বা মিথ্যা বর্ণনা দ্বারা অর্জিত হয় নাই, সেক্ষেত্রে, উক্ত স্বত্বনিয়োগ ও উহার হস্তান্তর এই ধারা বা ধারা ৩৬ এর অধীন অবৈধ বলিয়া গণ্য হইবে না।
(১) যেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ের সুনাম ব্যতীত নিবন্ধিত বা অনিবন্ধিত কোন ট্রেডমার্কের স্বত্বনিয়োগ করা হয় সেক্ষেত্রে-
(২) এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ের সুনাম ব্যতীত কোন ট্রেডমার্কের স্বত্বনিয়োগ করা হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে না, যথাঃ-
(১) নিম্নবর্ণিত শর্ত সাপেক্ষে, কোন সার্টিফিকেশন ট্রেডমার্ক হস্তান্তর করা যাইবে-
(২) সহযোগী ট্রেডমার্কের স্বত্বনিয়োগ কেবল সম্পূর্ণরূপে করা যাইবে, আংশিকভাবে নহে, তবে এই আইনের বিধানাবলী সাপেক্ষে, উক্ত সহযোগী ট্রেডমার্ক, অন্য কোন উদ্দেশ্যে, পৃথকভাবে নিবন্ধিত হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।
(১) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি স্বত্বনিয়োগ বা হস্তান্তরের মাধ্যমে কোন নিবন্ধিত ট্রেডমার্কের স্বত্বাধিকারী হন, সেক্ষেত্রে তিনি তাহার স্বত্ব নিবন্ধনের জন্য, নির্ধারিত পদ্ধতিতে, নিবন্ধকের নিকট আবেদন করিবেন এবং নিবন্ধক আবেদনকারীর স্বত্বের সন্তোষজনক প্রমাণ পাইবার পর যে পণ্য বা সেবার বিষয়ে উক্ত স্বত্বনিয়োগ বা হস্তান্তর কার্যকর হইয়াছে, উহার স্বত্বাধিকারী হিসাবে তাহার নাম এবং উক্ত স্বত্বনিয়োগ বা হস্তান্তর সংক্রান্ত তথ্যাদি নিবন্ধন বহিতে লিপিবদ্ধ করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, যদি স্বত্বনিয়োগ বা হস্তান্তরের বৈধতা সম্পর্কে পক্ষগণের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়, তাহা হইলে উপযুক্ত আদালত কর্তৃক পক্ষগণের বিরোধ নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত, নিবন্ধক উক্ত স্বত্বনিয়োগ বা হস্তান্তর নিবন্ধন করিতে অস্বীকার করিতে পারিবেন।
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন নিবন্ধকের নিকট আবেদন বা অনুরূপ আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপীল অথবা ধারা ৫১ এর অধীন আবেদন বা অনুরূপ আবেদনের উপর আপীলের ক্ষেত্রে ব্যতীত, উপ-ধারা (১) এর অধীন কোন দলিল বা প্রমাণপত্র নিবন্ধন বহিতে লিপিবদ্ধ করা না হইলে, অনুরূপ দলিল বা প্রমাণপত্র নিবন্ধক বা কোন আদালত কর্তৃক স্বত্বনিয়োগ বা হস্তান্তরের মাধ্যমে স্বত্বের প্রমাণ হিসাবে গৃহীত হইবে না, যদি না নিবন্ধক বা ক্ষেত্রমত, আদালত ভিন্নরূপ নির্দেশ প্রদান করেন।
(১) যদি নিবন্ধক এই মর্মে সন্তুষ্ট হন যে, কোন পণ্য বা সেবার ট্রেডমার্ক নিবন্ধনের আবেদনকারী এমন কোন কোম্পানীর নিকট উক্ত পণ্য বা সেবায় ট্রেডমার্কের স্বত্বনিয়োগ করিতে চাহেন যাহা কোম্পানী আইন, ১৯৯৪ (১৯৯৪ সনের ১৮ নং আইন) এর অধীন গঠিত ও নিবন্ধিত হইবার প্রক্রিয়াধীন, তাহা হইলে শুধুমাত্র উক্ত কারণে উক্ত ট্রেডমার্ক নিবন্ধনের আবেদন প্রত্যাখান বা নিবন্ধনের অনুমোদন প্রদানে অস্বীকার করা যাইবে না যে, আবেদনকারী উক্ত পণ্য বা সেবা ব্যবহার বা ব্যবহারের প্রস্তাব করেন নাই।
(২) যেক্ষেত্রে উপ-ধারা (১) এর বিধান প্রযোজ্য হয়, সেক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল আবেদনকারীকে উক্ত আবেদনের বিরোধিতা বা আপীলের প্রয়োজনীয় খরচ বাবদ অর্থ জামানত প্রদানের নির্দেশ দিতে পারিবে এবং আবেদনকারী উক্ত জামানত প্রদানে ব্যর্থ হইলে আবেদনটি প্রত্যাখ্যান করা হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।
(৩) যদি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোন কোম্পানীর নিকট পণ্য বা সেবার ট্রেডমার্কের স্বত্বনিয়োগ করা হয়, তাহা হইলে উক্ত পণ্য বা সেবার ট্রেডমার্কের স্বত্বাধিকারী হিসাবে নিবন্ধনের জন্য, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে, নিবন্ধকের নিকট আবেদন করিতে হইবে।
(৪) উপ-ধারা (৩) এর অধীন কোন আবেদন করা হইলে, নিবন্ধক উক্ত কোম্পানীকে পণ্য বা সেবার স্বত্ব নিয়োগকৃত ট্রেডমার্কের স্বত্বাধিকারী হিসাবে নিবন্ধন করিতে পারিবেন এবং উক্ত সময়ের মধ্যে আবেদন করা না হইলে, নিবন্ধনটির পরিসমাপ্তি ঘটিবে এবং নিবন্ধক তদনুযায়ী নিবন্ধন বহি সংশোধন করিবেন।
(১) যদি কোন সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি নিম্নবর্ণিত কোন কারণে হাইকোর্ট বিভাগে বা নিবন্ধকের নিকট, নির্ধারিত পদ্ধতিতে, আবেদন করেন, তাহা হইলে সংশ্লিষ্ট পণ্য বা সেবার নিবন্ধিত ট্রেডমার্ক নিবন্ধন বহি হইতে কর্তন করা যাইবে-
২) নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রসমূহ ব্যতীত, ট্রাইব্যুনাল উপ-ধারা (১) এর অধীন দাখিলকৃত কোন আবেদন প্রত্যাখান করিবে না, যদি-
(৩) যদি কোন সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি নিম্নবর্ণিত কোন কারণে হাইকোর্ট বিভাগে বা নিবন্ধকের নিকট, নির্ধারিত পদ্ধতিতে, আবেদন করেন, তাহা হইলে ট্রাইব্যুনাল সংশ্লিষ্ট পণ্য বা সেবার নিবন্ধিত ট্রেডমার্কের ব্যবহার বন্ধ করিবার লক্ষ্যে সীমাবদ্ধতা আরোপ করিতে পারিবে-
(৪) উপ-ধারা (১) এর দফা (খ) বা উপ-ধারা (২) এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, আবেদনকারী কর্তৃক ট্রেডমার্কের ব্যবহার না করাকে এইরূপ যুক্তি হিসাবে উত্থাপন করা যাইবে না, যাহা-
(১) যেক্ষেত্রে কোন পণ্য বা সেবায় কোন উদ্ভাবিত শব্দ-সম্বলিত ট্রেডমার্ক ব্যবহারের ফলে সুপরিচিতি লাভ করে এবং যাহা উক্তরূপ পণ্য বা সেবার ট্রেডমার্ক হিসাবে নিবন্ধন করা হয়, কিন্তু পরবর্তী সময়ে অন্য কোন পণ্য বা সেবায় উক্ত ট্রেডমার্ক ব্যবহৃত হওয়ায় উক্তরূপ পণ্য বা সেবার সহিত প্রথমোক্ত ব্যক্তির সম্পর্কে রহিয়াছে মর্মে বিভ্রান্তির সৃষ্টি করে, সেক্ষেত্রে প্রথমোক্ত পণ্য বা সেবার স্বত্বাধিকারী উক্ত ট্রেডমার্ক ব্যবহার না করিলে বা ব্যবহার না করিবার প্রস্তাব করিলে, ধারা ৪২ এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, উক্ত স্বত্বাধিকারী, নির্ধারিত পদ্ধতিতে, আবেদন করা সাপেক্ষে, নিবন্ধক তাহাকে উক্ত সুপরিচিত ট্রেডমাকের্র স্বত্বাধিকারী হিসাবে নিবন্ধন করিতে পারিবেন এবং উক্ত ধারার অধীন অনুরূপ পণ্য বা সেবার সহিত সম্পর্কিত ট্রেডমার্ক নিবন্ধন বহি হইতে কর্তনযোগ্য হইবে না।
(২) কোন ট্রেডমার্কের নিবন্ধিত স্বত্বাধিকারী উক্ত ট্রেডমার্ককে প্রতিরক্ষামূলক ট্রেডমার্ক হিসাবে নিবন্ধনের জন্য আবেদন করিতে পারিবেন, যদিও উহা অন্যভাবে তাহার নামে পূর্ব হইতে নিবন্ধিত থাকে।
(৩) কোন নিবন্ধিত প্রতিরক্ষামূলক ট্রেডমার্ক অন্যভাবে একই স্বত্বাধিকারীর নামে ভিন্ন ভিন্ন পণ্য বা সেবার বিষয়ে নিবন্ধিত হইলে, উহা সহযোগী ট্রেডমার্ক হিসাবে গণ্য হইবে।
(৪) হাইকোর্ট বিভাগে বা নিবন্ধকের নিকট, নির্ধারিত পদ্ধতিতে, কোন সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রতিরক্ষামূলক ট্রেডমার্কের নিবন্ধন বাতিল করা যাইবে, যদি-
(৫) নিবন্ধক, যে কোন সময়, একই স্বত্বাধিকারীর নামে নিবন্ধিত কোন ট্রেডমার্কের প্রতিরক্ষামূলক ট্রেডমার্কের নিবন্ধন না থাকিবার কারণে উহা বাতিল করিতে পারিবেন।
(৬) এই ধারায় সুস্পষ্ট ভিন্নরূপ কোন বিধান না থাকিলে, এই আইনের বিধানাবলী অন্যান্য ট্রেডমার্কের ক্ষেত্রে যেভাবে প্রযোজ্য হয়, সেভাবে প্রতিরক্ষামূলক ট্রেডমার্কের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হইবে।
(১) ধারা ৪৫ এর বিধানাবলী সাপেক্ষে, ট্রেডমার্কের নিবন্ধিত স্বত্বাধিকারী ব্যতীত অন্য যে কোন ব্যক্তি, প্রতিরক্ষামূলক ট্রেডমার্ক যে সকল পণ্য বা সেবার জন্য নিবন্ধিত হইয়াছে সে সকল পণ্য বা সেবা ব্যতীত, অন্য সকল পণ্য বা সেবা বা উহার যে কোন একটির জন্য, নিবন্ধিত ব্যবহারকারী হিসাবে, শর্তযুক্ত বা শর্তহীনভাবে, নিবন্ধিত হইতে পারিবে :
তবে শর্ত থাকে যে, পক্ষগণের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তিতে ট্রেডমার্ক পাচাররোধমূলক নিয়মাবলী প্রতিপালনের শর্ত সন্নিবেশিত না থাকিলে, নিবন্ধনের কোন আবেদন গ্রহণ না করিবার বিষয়ে সরকার বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবে।
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন অনুমোদিত কোন ট্রেডমার্কের ব্যবহার উহার স্বত্বাধিকারী কর্তৃক ব্যবহৃত হইতেছে বলিয়া গণ্য হইবে।
(১) কোন ব্যক্তিকে ট্রেডমার্কের নিবন্ধিত ব্যবহারকারী হিসাবে নিবন্ধনের অনুমতি প্রদান করিবার প্রস্তাব করা হইলে, নিবন্ধিত স্বত্বাধিকারী এবং প্রস্তাবিত নিবন্ধিত ব্যবহারকারীকে যৌথভাবে নিবন্ধকের নিকট, নির্ধারিত পদ্ধতিতে, আবেদন করিতে হইবে, এবং উক্তরূপ আবেদনপত্রের সহিত নিম্নবর্ণিত তথ্য ও বিবরণ সংযোজন করিতে হইবে, যথাঃ-
(২) নির্ধারিত শর্ত সাপেক্ষে, নিবন্ধিত ব্যবহারকারী কোন ব্যক্তিকে নিবন্ধিত করা যাইবে, যদি-
(৩) নিবন্ধকের নিকট যদি এই মর্মে প্রতীয়মান হয় যে, এই ধারার অধীন কোন আবেদন মঞ্জুর করা হইলে উক্ত ট্রেডমার্কের মাধ্যমে কোন পণ্য বা সেবা পাচারের পরিমাণ বৃদ্ধি পাইবে, তাহা হইলে তিনি এই অধ্যাদেশের অন্যান্য বিধান সাপেক্ষে, উক্ত আবেদনসহ এই ধারার অধীন যে কোন আবেদন প্রত্যাখ্যান করিতে পারিবেন।
(৪) আবেদনকারীকে শুনানীর সুযোগ প্রদান না করিয়া, নিবন্ধক কর্তৃক এই ধারার অধীন কোন আবেদন প্রত্যাখ্যান বা, শর্তযুক্তভাবে গ্রহণ করা যাইবে না।
(৫) নিবন্ধক, কোন আবেদনকারীর অনুরোধক্রমে, এই ধারার অধীন কোন আবেদনের সহিত প্রদত্ত তথ্য, নিবন্ধন বহিতে লিপিবদ্ধ বিষয়াদি ব্যতীত, তাহার ব্যবসায়িক প্রতিপক্ষের নিকট যাহাতে প্রকাশিত না হইয়া পড়ে, উহা নিশ্চিত করিবেন।
(৬) নিবন্ধিত ব্যবহারকারী হিসাবে কোন ব্যক্তিকে নিবন্ধন করা হইলে, নিবন্ধক তৎসংক্রান্ত বিষয়াদি ট্রেডমার্কের অন্যান্য নিবন্ধিত ব্যবহারকারীকে, যদি থাকে, নির্ধারিত পদ্ধতিতে, অবহিত করিবেন।
(১) পক্ষগণের মধ্যে চুক্তি বিদ্যমান থাকা সাপেক্ষে, ট্রেডমার্কের কোন নিবন্ধিত ব্যবহারকারী উক্ত ট্রেডমার্কের লঙ্ঘন রোধকল্পে মামলা দায়ের করিবার জন্য উহার স্বত্বাধিকারীকে অনুরোধ জানাইতে পারিবে এবং স্বত্বাধিকারী যদি উক্ত অনুরোধ জানাইবার ৩ (তিন) মাসের মধ্যে মামলা করিতে অস্বীকার করেন অথবা মামলা দায়ের করিতে অবহেলা করেন, তাহা হইলে নিবন্ধিত ব্যবহারকারী স্বত্বাধিকারীকে বিবাদী করিয়া নিজ নামে অনুরূপ মামলা এইভাবে দায়ের করিতে পারিবেন, যেন তিনি নিজেই উহার স্বত্বাধিকারী ।
(২) উক্তরূপে বিবাদী হিসাবে অন্তর্ভুক্ত স্বত্বাধিকারী মামলার কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করিলে, তিনি উক্ত মামলা হইতে উদ্ভূত কোন খরচের জন্য দায়ী হইবেন না।
(১) ধারা ৫১ এর বিধানাবলীকে ক্ষুণ্ন না করিয়া, নিবন্ধক, -
(২) ট্রেডমার্কের নিবন্ধিত স্বত্বাধিকারী এবং প্রত্যেক নিবন্ধিত ব্যবহারকারীগণকে নির্ধারিত পদ্ধতিতে নোটিশ প্রদান না করিয়া নিবন্ধক এই ধারার অধীন দাখিলকৃত প্রত্যেকটি আবেদন সম্পর্কে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিতে পারিবেন না।
এই আইনের কোন কিছুই নিবন্ধিত ব্যবহারকারীকে ট্রেডমার্ক ব্যবহারের স্বত্বনিয়োগ বা হস্তান্তর করিবার অধিকার প্রদান করিবে না ।
ব্যাখ্যা।- নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে এই ধারার অধীন নিবন্ধিত ব্যবহারকারী কর্তৃক ট্রেডমার্ক ব্যবহারের স্বত্ব নিয়োগ করা হয় নাই বলিয়া গণ্য হইবে, যথাঃ-
(১) এই আইনের অধীন কোন নিবন্ধিত ট্রেডমার্কের সম্পূর্ণ ব্যবহার অন্য কোন উদ্দেশ্যে প্রমাণ করিবার জন্য আবশ্যক হইলে, ট্রাইব্যুনাল, উপযুক্ত মনে করিলে, কোন নিবন্ধিত সহযোগী ট্রেডমার্কের ব্যবহার নিবন্ধিত ট্রেডমার্কের সমার্থক হিসাবে, অথবা ট্রেডমার্কের মৌলিক পরিচিতিকে ক্ষুণ্ন না করিয়া, সংযোজন বা পরিবর্তন সহকারে, গ্রহণ করিতে পারিবে।
(২) এই আইনে নিবন্ধিত কোন ট্রেডমার্কের সম্পূর্ণ ব্যবহার অর্থে ধারা ১২(১) এর অধীন একই স্বত্বাধিকারীর নামে নিবন্ধিত অন্য কোন ট্রেডমার্কের ব্যবহারও, যাহা প্রথমোক্ত ট্রেডমার্কের অংশবিশেষ, অন্তর্ভুক্ত হইবে।
(১) যদি বাংলাদেশ হইতে রপ্তানিযোগ্য পণ্য বা সেবায় বাংলাদেশে কোন ট্রেডমার্ক ব্যবহার করা হয় বা অনুরূপ রপ্তানিযোগ্য পণ্য বা সেবা সম্পর্কিত এমন কোন কার্য সাধিত হয়, যাহা বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বিক্রয় বা অন্যভাবে ব্যবসায় ট্রেডমার্কের ব্যবহার বলিয়া গণ্য হইত, তাহা হইলে উক্তরূপ যে কোন উদ্দেশ্যে উক্ত পণ্য বা সেবার ক্ষেত্রে ট্রেডমার্কের ব্যবহার, এই আইন বা অন্য কোন আইনের অধীন হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।
(২) পণ্য বা সেবার ক্ষেত্রে নিবন্ধিত ট্রেডমার্কের ব্যবহার এবং মার্ক ব্যবহারকারী ব্যক্তির মধ্যে ব্যবসায় চলাকালীন সময় কোন প্রকার সম্পর্ক বিদ্যমান থাকিলে, উক্তরূপ ব্যবহার কেবল এই কারণে প্রতারণা বা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করিবে বলিয়া গণ্য হইবে না যে, যে পণ্য বা সেবার ক্ষেত্রে ট্রেডমার্কটি ব্যবহৃত হইয়াছে বা হইতেছে, উক্ত পণ্য বা সেবা এবং মার্ক ব্যবহারকারী ব্যক্তি বা তাহার ব্যবসায়িক পূর্বসূরীর মধ্যে ভিন্নতর সম্পর্ক বিদ্যমান ছিল বা রহিয়াছে।
(১) কোন সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি, নির্ধারিত পদ্ধতিতে, হাইকোর্ট বিভাগে বা নিবন্ধকের নিকট আবেদন করিলে, ট্রাইব্যুনাল, নিবন্ধন বহিতে লিপিবদ্ধ কোন শর্ত লঙ্ঘন বা শর্ত পালনে ব্যর্থতার কারণে, নিবন্ধিত ট্রেডমার্কের নিবন্ধন বাতিল বা পরিবর্তন করিবার জন্য উপযুক্ত আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।
(২) নিবন্ধন বহিতে কোন তথ্য লিপিবদ্ধ না থাকিলে বা পর্যাপ্ত কারণ ব্যতীত কোন এন্ট্রি অন্তর্ভুক্ত থাকিলে বা ভুলক্রমে কিছু লেখা থাকিলে বা অন্য কোন ত্রুটির কারণে কোন ব্যক্তি সংক্ষুব্ধ হইয়া, নির্ধারিত পদ্ধতিতে, হাইকোর্ট বিভাগে অথবা নিবন্ধকের নিকট আবেদন করিলে, উক্ত আবেদনের প্রেক্ষিতে ট্রাইব্যুনাল প্রয়োজনীয় তথ্য লিপিবদ্ধ করিবার বা কোন এন্ট্রি বিলুপ্ত করিবার বা পরিবর্তন করিবার উদ্দেশ্যে যেরূপ উপযুক্ত মনে করিবে, সেরূপ আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।
(৩) ট্রাইব্যুনাল এই ধারার অধীন কোন কার্যধারায় নিবন্ধন বহিতে প্রয়োজনীয় ও সমীচীন কোন সংশোধন সম্পর্কিত যে কোন বিরোধ বা প্রশ্ন নিষ্পত্তি করিতে পারিবে।
(৪) হাইকোর্ট বিভাগ বা নিবন্ধক স্ব-উদ্যোগে সংশ্লিষ্ট পক্ষগণকে, নির্ধারিত পদ্ধতিতে, নোটিশ প্রদান ও শুনানীর সুযোগ দান করিয়া উপ-ধারা (১) বা (২) এ উল্লিখিত যে কোন আদেশ প্রদান করিতে পারিবেন।
(৫) হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক নিবন্ধন বহি সংশোধনমূলক কোন আদেশে এই মর্মে নির্দেশ থাকিবে যে, উক্ত সংশোধনমূলক নোটিশ নিবন্ধকের নিকট, নির্ধারিত পদ্ধতিতে, জারী করিতে হইবে এবং উক্তরূপে কোন নোটিশ জারী করা হইলে, নিবন্ধক উক্ত নোটিশের নির্দেশানুযায়ী নিবন্ধন বহি সংশোধন করিবেন।
(১) নিবন্ধিত স্বত্বাধিকারী কর্তৃক, নির্ধারিত পদ্ধতিতে, আবেদনের প্রেক্ষিতে নিবন্ধন বহিতে -
নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবেন।
(২) কোন ট্রেডমার্কের নিবন্ধিত ব্যবহারকারী, নির্ধারিত পদ্ধতিতে, নিবন্ধকের নিকট আবেদন করিলে, নিবন্ধক নিবন্ধন বহিতে উক্ত নিবন্ধিত ব্যবহারকারীর নাম, ঠিকানা বা বর্ণনার কোন ক্রটি সংশোধন বা পরিবর্তন করিতে পারিবেন।
(১) কোন নিবন্ধিত স্বত্বাধিকারী, ট্রেডমার্কের মৌলিক পরিবর্তন না করিয়া, উক্ত ট্রেডমার্কে কোন কিছু সংযোজন বা পরিবর্তন করিবার জন্য নিবন্ধকের নিকট, নির্ধারিত পদ্ধতিতে, আবেদন করিতে পারিবে এবং নিবন্ধক উক্ত আবেদন প্রত্যাখান বা, শর্ত সাপেক্ষে, মঞ্জুর করিতে পারিবেন।
(২) নিবন্ধক এই ধারার অধীন দাখিলকৃত কোন আবেদন বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে প্রকাশ করা সমীচীন বলিয়া মনে করিলে, নির্ধারিত পদ্ধতিতে, বিজ্ঞাপন জারী করিতে পারিবেন এবং উক্ত বিজ্ঞাপন জারী করা হইলে, যদি কোন ব্যক্তি বিজ্ঞাপন জারীর তারিখ হইতে পক্ষগণকে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে, নির্ধারিত পদ্ধতিতে, উক্ত আবেদনের বিরোধিতা করিয়া নোটিশ প্রদান করেন, তাহা হইলে নিবন্ধক পক্ষগণের শুনানী প্রদান করিয়া বিষয়টি নিষ্পত্তি করিতে পারিবেন।
(৩) এই ধারার অধীন কোন আবেদন মঞ্জুর করা হইলে, পরিবর্তিত ট্রেডমার্ক ইতোমধ্যে উপ-ধারা (২) এর অধীন বিজ্ঞাপিত না হইয়া থাকিলে, নির্ধারিত পদ্ধতিতে, বিজ্ঞাপন জারী করিতে হইবে।
(১) নিবন্ধক কর্তৃক নিবন্ধন বহিতে এইরূপ কোন সংশোধন করা যাইবে না, যাহাতে উক্তরূপ সংশোধনের অব্যবহিত পূর্বে নিবন্ধিত কোন ট্রেডমার্ক সংশ্লিষ্ট পণ্য বা পণ্যশ্রেণী অথবা সেবা বা সেবাশ্রেণীর সহিত অন্য কোন পণ্য বা পণ্যশ্রেণী বা সেবা বা সেবাশ্রেণী যুক্ত হইয়া পড়ে অথবা কোন পণ্য বা সেবার ট্রেডমার্কের নিবন্ধনের তারিখ পূর্ববর্তী নিবন্ধনের তারিখের অগ্রবর্তী হয়।
(২) নিবন্ধকের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, উক্ত সংশোধনের ফলে উক্তরূপ যুক্ত হওয়া বা পূর্ব-তারিখিকরণের কারণে অযথা জটিলতা সৃষ্টি বা উল্লেখযোগ্য পরিমাণ পণ্য বা সেবা ক্ষতিগ্রস্ত বা কোন ব্যক্তির অধিকার ক্ষুণ্ন করিবে না, তাহা হইলে উক্ত ক্ষেত্রে উপ-ধারা (১) এর বিধান প্রযোজ্য হইবে না।
(৩) যেক্ষেত্রে নিবন্ধন বহি সংশোধনের প্রস্তাব করা হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত সংশোধন দ্বারা যে নিবন্ধিত স্বত্বাধিকারী ক্ষতিগ্রস্ত হইবেন বা হইতে পারেন, তাহাকে, নির্ধারিত পদ্ধতিতে, নোটিশ প্রদান করিতে হইবে এবং প্রস্তাবিত সংশোধন দ্বারা উপ-ধারা (১) এর বিধানাবলী লঙ্ঘিত হইলে, যে কোন সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি উক্ত প্রস্তাবের বিরোধিতা করিয়া নিবন্ধকের নিকট আবেদন করিতে পারিবেন।
এই আইনের নিম্নলিখিত বিধানসমূহ সার্টিফিকেশন ট্রেডমার্কের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না, যথা:-
কোন ব্যক্তি প্রত্যয়িত ধরনের পণ্য বা সেবার ব্যবসায় পরিচালনা করিলে, তাহার নামে কোন মার্ক সার্টিফিকেশন ট্রেডমার্ক হিসাবে নিবন্ধনযোগ্য হইবে না।
কোন মার্ক ধার ২(২৮) এ সংজ্ঞায়িত সার্টিফিকেশন ট্রেডমার্ক হইতে ভিন্নতর বৈশিষ্ট্যপূর্ণ হিসাবে অভিযোজিত কিনা, উহা নিরূপণের ক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল লক্ষ্য রাখিবে যে-
(১)সার্টিফিকেশন ট্রেডমার্কের স্বত্বাধিকারী হিসাবে নিবন্ধনের জন্য প্রস্তাবিত ব্যক্তিকে, নির্ধারিত পদ্ধতিতে, এই আইনের ধারা ৬১ তে বর্ণিত প্রবিধানের খসড়া সহকারে, নিবন্ধকের নিকট লিখিতভাবে আবেদন করিতে হইবে।
(২) ধারা ১৫ এর উপ-ধারা (১), (২), (৩), (৪) ও (৬) এবং ধারা ১৬ ও ১৯ এর বিধানাবলী, ধারা ৫৬ এবং ৫৭ এর বিধানাবলী সাপেক্ষে, এই ধারার অধীন আবেদন বিবেচনার ক্ষেত্রে এইরূপে প্রযোজ্য হইবে যেইরূপে ধারা ১৫ এর অধীন আবেদনের ক্ষেত্রে উক্ত বিধানাবলী প্রযোজ্য হয় :
তবে শর্ত থাকে যে, কোন আবেদন গ্রহণের ক্ষেত্রে উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত বিধানাবলীর বরাতসমূহ, এই ধারার অধীন আবেদন সম্পর্কে কার্যক্রম গ্রহণের ক্ষমতা হিসাবে ব্যাখ্যা করা যাইবে না।
(৩) এই ধারার অধীন কোন আবেদনপত্রকে উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত বিধানাবলীর আলোকে বিবেচনাকালে ট্রাইব্যুনাল প্রযোজ্য ক্ষেত্রে উহাকে, ধারা ১৫ এর অধীন দাখিলকৃত আবেদন যেরূপে বিবেচনা করিতেন, সেরূপ বিবেচনা এবং এই ধারার অধীন আবেদনপত্রের সহিত অন্য কোন বিবেচনা, যাহা ধারা ৫৯ এ সরকারের আওতাধীন নহে, সম্পৃক্ত থাকিলে উহাসহ সার্টিফিকেশন ট্রেডমার্কের স্বাতন্ত্র্য নিশ্চিতরূপে বজায় রাখিবার বিষয়ও অনুরূপ বিবেচনার অন্তর্ভুক্ত করিবেন।
ধারা ৫৮ এর অধীন কোন আবেদন সম্পর্কে কার্যক্রম গ্রহণের কর্তৃত্ব প্রদান করা হইলে, নিবন্ধক উক্ত আবেদন সরকারের নিকট প্রেরণ করিবেন এবং সরকার নিম্নলিখিত বিষয়ের উপর ভিত্তি করিয়া, উক্ত আবেদন বিবেচনা করিবে-
(২) উপ-ধারা (১) এ বর্ণিত বিষয়াবলীর আলোকে কোন আবেদনপত্র বিবেচনার পর, সরকার -
তবে শর্ত থাকে যে, পরিমার্জন বা শর্তহীনভাবে আবেদন গ্রহণ এবং অনুমোদনের ক্ষেত্র ব্যতীত, সরকার আবেদনকারীকে শুনানীর সুযোগ প্রদান না করিয়া তৎসম্পর্কে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিবেন না:
তবে আরও শর্ত থাকে যে, যদি আবেদনপত্র বা খসড়া প্রবিধানে পরবর্তীতে কোন সংশোধন বা পরিমার্জন সাধিত হয়, তাহা হইলে নিবন্ধকের মাধ্যমে আবেদনকারী অনুরোধ জানাইলে, আবেদনপত্র সম্পর্কে কার্যক্রম গ্রহণের ক্ষমতা প্রদানের পূর্বেই, উপরিউক্ত যে কোন বিষয়ে এই দফার অধীনে প্রদত্ত পূর্ববর্তী যে কোন সিদ্ধান্ত সরকার পুণর্বিবেচনা করিতে পারিবে।
(১) সার্টিফিকেশন ট্রেডমার্কের কোন আবেদন গৃহীত হইলে, নিবন্ধক, যথাশীঘ্র সম্ভব, উক্ত আবেদন, নির্ধারিত পদ্ধতিতে, বিজ্ঞাপ্তিত করিবেন এবং এই ক্ষেত্রে ধারা ১৮ এর বিধান এইরূপে প্রযোজ্য হইবে, যেন ইহা ধারা ১৫ এর অধীন একটি আবেদন।
(২) নিবন্ধনের আবেদন সম্পর্কে বিরোধিতার নোটিশ দেওয়া হইলে, সরকার, পক্ষগণের শুনানী গ্রহণপূর্বক কোন প্রমাণ থাকিলে উহা বিবেচনা করিবার পর, নিবন্ধককে উহা-
(৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন সরকার কর্তৃক প্রদত্ত নির্দেশ প্রদান করা হইলে নিবন্ধক উক্ত নির্দেশানুসারে বিষয়টি নিষ্পত্তি করিবেন।
(১) সার্টিফিকেশন মার্ক হিসাবে নিবন্ধিত প্রত্যেকটি মার্কের ব্যবহার সংক্রান্ত বিষয়াদি ও সরকার অনুমোদিত প্রবিধান নিবন্ধন অফিসে জমা করিতে হইবে, এবং উক্ত প্রবিধান নিবন্ধিত স্বত্বাধিকারী যে সকল পণ্য বা সেবার বিষয়ে সার্টিফিকেশন ট্রেডমার্কের ব্যবহার করিবার অধিকার প্রদান করে, সে সকল পণ্য বা সেবা এবং সরকার, সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা, যে সকল বিধান সন্নিবেশ করিবার নির্দেশ প্রদান করে সে সকল বিধান, অন্তর্ভুক্ত থাকিবে।
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন জমাকৃত প্রবিধান নিবন্ধন বহির ন্যায় পরিদর্শন করিবার জন্য উন্মুক্ত থাকিবে।
(৩) নিবন্ধক, সরকারের অনুমতি সাপেক্ষে, জমাকৃত প্রবিধান নিবন্ধিত স্বত্বাধিকারীর আবেদনের ভিত্তিতে পরিবর্তন করিতে পারিবেন।
(৪) সরকার সমীচীন মনে করিলে, উক্ত আবেদন সম্পর্কে এই আইনের বিধান অনুসারে বিজ্ঞাপন জারী করিতে পারিবে এবং বিজ্ঞাপনে উল্লিখিত সময়ের মধ্যে কোন ব্যক্তি উক্ত আবেদনের বিরোধিতা করিয়া নোটিশ প্রদান করিলে, সরকার সংশ্লিষ্ট পক্ষগণকে শুনানী প্রদান ব্যতীত, আবেদনটি নিষ্পত্তি করিবে না।
(১) ধারা ৩০, ৩১ এবং ৬৪ এর বিধান সাপেক্ষে, কোন পণ্য বা সেবার বিষয়ে কোন ব্যক্তি সার্টিফিকেশন ট্রেডমার্কের স্বত্বাধিকারী হিসাবে বৈধভাবে নিবন্ধিত হইলে, তিনি উক্ত পণ্য বা সেবা সম্পর্কিত ট্রেডমার্ক ব্যবহারের নিরঙ্কুশ অধিকারী হইবেন।
(২) যে সকল শর্ত ও সীমাবদ্ধতা সাপেক্ষে, সার্টিফিকেশন ট্রেডমার্ক নিবন্ধিত হইয়াছে, সে সকল শর্ত এবং সীমাবদ্ধতা সাপেক্ষে, উপ-ধারা (১) এর অধীন প্রদত্ত নিরঙ্কুশ অধিকার কার্যকর হইবে।
ধারা ৬২ এর অধীন অর্পিত অধিকার কোন ব্যক্তি কর্তৃক লঙ্ঘিত হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে, যদি তিনি সার্টিফিকেশন ট্রেডমার্কের নিবন্ধিত স্বত্বাধিকারী না হইয়া বা স্বত্বাধিকারী কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত না হইয়া ব্যবসায় এমন কোন মার্ক ব্যবহার করেন, যাহা সাটিফিকেশন ট্রেডমার্কের সহিত সাদৃশ্যপূর্ণ বা প্রতারণামূলকভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ এবং যাহার ফলে উক্ত মার্কে বৈধ ট্রেডমার্ক বলিয়া মনে করিবার যথেষ্ট কারণ থাকে।
(১) এই আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে কোন নিবন্ধিত সার্টিফিকেশন ট্রেডমার্ক ব্যবহারের অধিকার লঙ্ঘিত হইবে না-
(২) উপ-ধারা (১) এর দফা (খ) তে বর্ণিত পণ্য বা সেবার অনুরূপ হওয়া সত্ত্বেও, উক্ত উপ-ধারার বিধান এমন পণ্য বা সেবার ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না, যাহার সার্টিফিকেশন ট্রেডমার্ক নিবন্ধনের আবেদন পত্র উক্ত দফায় বর্ণিত বিধানের পরিপন্থী।
(৩) কোন সার্টিফিকেশন ট্রেডমার্ক এই আইনের অধীন নিবন্ধিত দুই বা ততোধিক ট্রেডমার্কের অনুরূপ বা সাদৃশ্যপূর্ণ হইলে, উক্ত সার্টিফিকেশন ট্রেডমার্কের কারণে উক্তরূপ নিবন্ধিত ট্রেডমার্কের যে কোনটির ব্যবহার সম্পর্কিত অধিকার লঙ্ঘিত হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে না।
(১) সরকার, কোন সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি কর্তৃক, নির্ধারিত পদ্ধতিতে, আবেদনের ভিত্তিতে বা নিবন্ধকের সুপারিশক্রমে, স্বত্বাধিকারীকে উক্ত আবেদনের বা সুপারিশের বিরোধিতা করিবার যুক্তিসঙ্গত সুযোগ প্রদান করিবার পর, সার্টিফিকেশন ট্রেডমার্ক সংক্রান্ত নিবন্ধন বহির কোন এন্ট্রি বাতিল বা পরিবর্তন অথবা নিম্নবর্ণিত কোন কারণে দাখিলকৃত প্রবিধান পরিবর্তন করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে-
(২) উপ-ধারা (১) এ বর্ণিত কারণে ধারা ৫১ এর অধীন হাইকোর্ট বিভাগ বা নিবন্ধক কোন আদেশ প্রদান করিতে পারিবে না।
(৩) উপ-ধারা (১) এর অধীন প্রদত্ত কোন আদেশ কার্যকর করিবার উদ্দেশ্যে, নিবন্ধক প্রয়োজনে নিবন্ধন-বহি এবং দাখিলকৃত প্রবিধান সংশোধন করিতে পারিবেন।
আর্ন্তজাতিক শ্রেণীবিন্যাসের অধীন সরকার কর্তৃক নির্ধারিত পণ্যের, অতঃপর এই অধ্যায়ে ''বস্ত্রপণ্য" বলিয়া উল্লিখিত, ট্রেডমার্কের ক্ষেত্রে এই অধ্যায়ের বিধানাবলী প্রযোজ্য হইবে, এবং এই আইনের অন্যান্য বিধানাবলী অন্যান্য শ্রেণীর পণ্যের ট্রেডমার্কের ক্ষেত্রে যেরূপে প্রযোজ্য হয়, সেরূপে এই শ্রেণীর পণ্যের ট্রেডমার্কের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হইবে।
(১) বস্ত্রপণ্যকে টুকরা পণ্য হিসাবে গণ্য করিবার ক্ষেত্রে-
(২) কোন বস্ত্রপণ্য সম্পর্কিত অক্ষর বা সংখ্যা বা সমন্বিতভাবে উভয়ের নিবন্ধন, নির্ধারিত শর্ত এবং সীমাবদ্ধতা সাপেক্ষে, হইবে।
(১) সাধারণত দৈর্ঘ্য অনুযায়ী বা টুকরা হিসাবে বিক্রয় হয় এমন টুকরা পণ্য যাহা বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ (২০০৬ সনের ৪২ নং আইন) এর বিধান অনুযায়ী কারখানা প্রাঙ্গনে উৎপাদন করা, ব্লিচ করা, রং করা, ছাপ দেওয়া বা সম্পন্ন (finish) করা হয়, তাহা প্রাঙ্গন হইতে সরাইয়া লইয়া যাইবার পূর্বে বাংলা বা ইংরেজী সংখ্যা দ্বারা মানসম্পন্ন মিটারের দৈর্ঘ্যের মাপ অনুযায়ী সুস্পষ্টভাবে ছাপ দিতে হইবে, তবে উক্ত পণ্য উৎপাদনকারী বা উক্ত পণ্য চূড়ান্ত পর্যায়ে যে প্রাঙ্গনে প্রক্রিয়াকরণ করা হয় উহার স্বত্বাধিকারী বা বাংলাদেশে উক্ত পণ্য পাইকারীভাবে ক্রয়কারী ব্যক্তির নামসহ সুস্পষ্ট ছাপ ব্যতীত, কারখানা হইতে সরাসরি অন্য কোন দেশে রপ্তানির উদ্দেশ্যে বিক্রয় করা হইলে, অনুরূপ ছাপ প্রদান করিতে হইবে না।
(২) তুলার পাকানো সুতা যাহা গাটরী আকারে বিক্রয় হয় এবং তুলাজাত সুতা যাহা সেলাই, রিপু কর্ম, কুরশীবুনন বা হস্তশিল্পে ব্যবহৃত হয় এবং যেগুলি কারখানা প্রাঙ্গনে উৎপাদন করা, ব্লিচ করা, রং করা বা সম্পন্ন করা হয় এবং যাহা ধারা ৭০ এর অধীন প্রণীত বিধির দ্বারা অব্যাহতিপ্রাপ্ত নহে, সেগুলি উক্তরূপ প্রাঙ্গন হইতে বিক্রয়ার্থ অপসারণ করা যাইবে না, যদি না উক্ত বিধি অনুসরণপূর্বক -
তবে শর্ত থাকে যে, যে সকল প্রাঙ্গনে সর্বোচ্চ দশ জন কর্মচারীর সহায়তা লইয়া বা বিনা সহায়তায় পরিবারের সদস্যগণ কাজ করেন, এবং কোন সমবায় সমিতি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত যে সকল প্রাঙ্গণে নিয়োজিত শ্রমিকের সংখ্যা "সর্বোচ্চ" বিশ জন, সে সকল প্রাঙ্গনের ক্ষেত্রে উক্ত বিধির কার্যকরতার আওতা-বহির্ভূত থাকিবে।
ধারা ৬৮ এবং Customs Act, 1969 (Act IV of 1969) এর section 15 এর clause (I) (ও) এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, যে সকল পণ্য দৈর্ঘ্যের হিসাবে বা টুকরা হিসাবে বিক্রয় হয়, সেগুলিকে সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, "টুকরা পণ্য" হিসাবে ঘোষণা করিতে পারিবে।
(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, নিম্নলিখিত বিষয়ে বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবে,-
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন প্রণীত বিধিতে যে সকল পণ্য বাছাই এবং নমুনা পরীক্ষাকল্পে বিধান করা হয় নাই, সে সকল পণ্যের সংখ্যা, পরিমাণ, মাপ, গেজ বা ওজন নিরূপণের ব্যবস্থা করিয়া আদালত বা শুল্ক বিভাগীয় কর্মকর্তা, লিখিত আদেশ দ্বারা, বাছাই ও পরীক্ষণীয় নমুনা সংখ্যা এবং নমুনা বাছাই পদ্ধতি নিরূপণ করিয়া দিতে পারিবেন।
(৩) উপ-ধারা (১) এর অধীন প্রণীত বিধি অনুসারে অথবা উপ-ধারা (২) এর অধীন প্রদত্ত আদেশ অনুসারে নমুনা পরীক্ষার গড় ফলাফল উক্ত পণ্যের সংখ্যা, পরিমাণ, মাপ, গেজ বা ওজন এর বিষয়ে প্রাথমিক প্রমাণ হিসাবে গণ্য হইবে।
(৪) উপ-ধারা (১) এর অধীন প্রণীত বিধি বা উপ-ধারা (২) এর অধীন প্রদত্ত আদেশ অনুসারে যে সকল পণ্য বাছাই ও নমুনা পরীক্ষা করা হইয়াছে, সেগুলির দাবি করিয়া কোন ব্যক্তি উহাদের অধিকতর বাছাই বা পরীক্ষা করিবার নিমিত্ত আদালত বা শুল্ক বিভাগের কর্মকর্তা কর্তৃক, সময় সময় যে খরচ নির্ধারণ করা হয়, তাহা অগ্রিম জমা দিয়া, নির্ধারিত পদ্ধতিতে, উক্ত আদালত বা শুল্ক বিভাগের কর্মকর্তা বরাবর লিখিত আবেদন করিলে, সরকার অথবা শুল্ক বিভাগের কর্মকর্তা, প্রণীত বিধি মোতাবেক উক্ত পণ্য বাছাই বা পরীক্ষা করিবেন অথবা যে সকল পণ্য সম্পর্কে এইরূপ বিধিতে কোন বিধান করা হয় নাই, সে ক্ষেত্রে আদালত বা, ক্ষেত্রমত, শুল্ক বিভাগের কর্মকর্তা, অবস্থাদৃষ্টে যেরূপ যুক্তিসঙ্গত মনে করিবেন, সেরূপ পদ্ধতিতে উপ-ধারা (১) বা (২) এর অধীন নমুনা বাছাই করিবার সিদ্ধান্ত প্রদান করিবেন।
(৫) উপ-ধারা (৩) এ উল্লিখিত নমুনা পরীক্ষা এবং উপ-ধারা (৪) এর অধীন অধিকতর নমুনা পরীক্ষার গড় ফলাফল উক্ত পণ্যের সংখ্যা, পরিমাণ, মাপ, গেজ বা ওজন সংক্রান্ত চূড়ান্ত প্রমাণ বলিয়া গণ্য হইবে।
(১) কোন পণ্য বা সেবার ক্ষেত্রে, ট্রেডমার্ক, মার্ক বা ট্রেড বর্ণনা ব্যবহৃত হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে, যদি কোন ব্যক্তি -
(২) কোন ট্রেডমার্ক, মার্ক বা ট্রেড বর্ণনা পণ্য বা সেবার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে, যদি উহা বুননকৃত, ছাপযুক্ত বা অন্য কোন প্রকারে উহাতে সংযোজিত বা সংলগ্ন করা হয়।
(১) কোন ব্যক্তি কোন ট্রেডমার্ক মিথ্যা প্রতিপন্ন করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে, যদি তিনি ট্রেডমার্কের স্বত্বাধিকারীর অনুমতি ব্যতীত,-
(২) কোন ব্যক্তি ট্রেডমার্ক মিথ্যাভাবে ব্যবহার করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন, যদি তিনি ট্রেডমার্কের স্বত্বাধিকারীর অনুমতি ব্যতীত,-
(৩) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত ট্রেডমার্ক মিথ্যা প্রতিপন্ন বা উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত ব্যবহারকৃত ট্রেডমার্ক, এই আইনে মিথ্যা ট্রেডমার্ক হিসাবে অভিহিত হইবে।
(৪) ট্রেডমার্ক মিথ্যা প্রতিপন্ন হইয়াছে অথবা পণ্য বা সেবার ক্ষেত্রে উহা মিথ্যাভাবে ব্যবহার করা হইয়াছে, এই সম্পর্কিত মামলায় ট্রেডমার্কের স্বত্বাধিকারীর সম্মতি থাকিবার বিষয়ে প্রমাণের দায়িত্ব অভিযুক্ত ব্যক্তির উপর বর্তাইবে।
যদি কোন ব্যক্তি-
তাহা হইলে, এই আইনের বিধানাবলী সাপেক্ষে, তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসর কিন্তু অন্যূন ৬ (ছয়) মাসের কারাদণ্ড বা অনধিক ২ (দুই) লক্ষ কিন্তু অন্যূন ৫০ (পঞ্চাশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন, এবং দ্বিতীয়বার বা পরবর্তী সময়ে একই দোষে দোষী সাব্যস্ত হইলে, অনধিক তিন বৎসর কিন্তু অন্যূন ১ (এক) বৎসরের কারাদণ্ড বা অনধিক ৩ (তিন) লক্ষ কিন্তু অন্যূন ১ (এক) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।
(১) যদি কোন ব্যক্তি ধারা ১০৮ এর বিধান লঙ্ঘন করিয়া পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান বা রাষ্ট্র বা স্থানের নাম ব্যবহার না করেন অথবা পণ্য বা বস্তু বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে উন্মুক্ত রাখেন বা বাণিজ্য বা উৎপাদনের উদ্দেশ্যে দখলে রাখেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসর কিন্তু অন্যূন ৬ (ছয়) মাসের কারাদণ্ড বা অনধিক ২ (দুই) লক্ষ কিন্তু অন্যূন ৫০ (পঞ্চাশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন, এবং দ্বিতীয়বার বা পরবর্তী সময়ে একই দোষে দোষী সাব্যস্ত হইলে, অনধিক তিন বৎসর কিন্তু অন্যূন ১ (এক) বৎসরের কারাদণ্ড বা অনধিক ৩ (তিন) লক্ষ কিন্তু অন্যূন ১ (এক) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন, যদি না তিনি এই মর্মে প্রমাণ করিতে পারেন যে, -
যদি কোন ব্যক্তি ধারা ৬৮ এ উল্লিখিত কারখানা প্রাঙ্গণ হইতে মার্কযুক্ত নহে এমন কোন টুকরা পণ্য বা পাকানো তুলার সুতা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে সরাইয়া ফেলেন বা সরাইবার কাজে সহায়তা করেন বা সরাইবার উদ্যোগ গ্রহণ অথবা বিক্রয় করেন বা বিক্রয়ের জন্য উন্মুক্ত রাখেন বা বাণিজ্য অথবা উৎপাদনের উদ্দেশ্যে নিজ দখলে রাখেন, তাহা হইলে অনুরূপ সকল টুকরা বা পাকানো সুতা বা তুলা বা সুতার গাইট এবং উহা মোড়কবদ্ধ করিবার কাজে ব্যবহৃত সকল বস্তু সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত হইবে এবং তিনি অনুধিক ৫ (পাঁচ) হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।
(১) যদি কোন ব্যক্তি-
তাহা হইলে তিনি অনধিক ১ (এক) বৎসর কিন্তু অন্যূন ৬ (ছয়) মাসের কারাদণ্ড বা অনধিক ১ (এক) লক্ষ কিন্তু অন্যূন ৫০ (পঞ্চাশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।
(২) এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, বাংলাদেশে কোন ট্রেডমার্কের ক্ষেত্রে "নিবন্ধিত" শব্দ বা উক্ত শব্দসংক্রান্ত কোন, প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ, বরাতমূলক অভিব্যক্তি, নিবন্ধন বহিতে নিবন্ধন সংক্রান্ত বরাত বলিয়া গণ্য হইবে, তবে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে উহা প্রযোজ্য হইবে না-
যদি কোন ব্যক্তি তাহার ব্যবসায়ের স্থানে বা তৎকর্তৃক জারীকৃত কোন দলিলের উপর বা অন্য কোনভাবে এইরূপ শব্দাবলী ব্যবহার করেন, যাহার দ্বারা যুক্তিসঙ্গতভাবে এইরূপ বিশ্বাস করিবার কারণ থাকে যে, তাহার ব্যবসায়ের স্থানই ট্রেডমার্ক রেজিস্ট্রির সহিত সম্পর্কযুক্ত, তাহা হইলে তিনি অনধিক এক বৎসর কিন্তু অন্যূন ৬ (ছয়) মাসের কারাদণ্ড বা অনধিক ১ (এক) লক্ষ কিন্তু অন্যূন ৫০ (পঞ্চাশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।
যদি কোন ব্যক্তি নিবন্ধন বহিতে কোন অসত্য বিবরণ লিপিবদ্ধ করেন বা করিবার ব্যবস্থা করেন অথবা নিবন্ধন বহির এন্ট্রির নকল বুঝাইবার উদ্দেশ্যে মিথ্যা কিছু লেখেন বা লিখিবার ব্যবস্থা করেন অথবা উক্ত এন্ট্রি বা লেখাকে অসত্য জানিয়াও উহাকে সাক্ষ্য হিসাবে পেশ করেন বা করিবার ব্যবস্থা করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক এক বৎসর কিন্তু অন্যূন ৬ (ছয়) মাসের কারাদণ্ড বা অনধিক ১ (এক) লক্ষ কিন্তু অন্যূন ৫০ (পঞ্চাশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।
(১) যদি কোন ব্যক্তি ধারা ৭৩ বা ধারা ৭৪ এর অধীন দোষী সাব্যস্ত হন অথবা ধারা ৭৩ এর অধীন প্রতারণা করিবার উদ্দেশ্যে কাজ করেন নাই বলিয়া প্রমাণিত হইবার পর অপরাধ হইতে অব্যাহতিপ্রাপ্ত হন, অথবা ধারা ৭৪ (১) এর দফা (ক), (খ) এবং (গ) এ উল্লিখিত বিষয়াদি সম্পর্কে প্রমাণ করিয়া অব্যাহতিপ্রাপ্ত হন, তাহা হইলে সংশ্লিষ্ট আদালত, যে সকল পণ্য বা বস্তু সংক্রান্ত অপরাধ সংঘটিত হইয়াছে, সে সকল পণ্য বা বস্তু সরকারের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করিবার নির্দেশ দিতে পারিবে।
(২) কোন পণ্য বা বস্তু বাজেয়াপ্তির আদেশ দেওয়া হইলে, উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যাইবে।
(৩) অব্যাহতির ফলে কোন পণ্য বা বস্তু বাজেয়াপ্তির নির্দেশ দেওয়া হইলে এবং উক্ত নির্দেশাধীন পণ্য বা বস্তুর মূল্য ৫(পাঁচ) হাজার টাকার অধিক হইলে, আদালতের নির্দেশ প্রদানের তারিখ হইতে ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে উক্ত বাজেয়াপ্তির আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যাইবে।
(৪) দোষী সাব্যস্ত হইবার কারণে কোন পণ্য বা বস্তু বাজেয়াপ্তির নির্দেশ দেওয়া হইলে, সংশ্লিষ্ট আদালত বাজেয়াপ্তকৃত পণ্য বা বস্তু ধ্বংস অথবা অন্যভাবে নিষ্পত্তি করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।
কোন ব্যক্তি ধারা ৭৩ এর অধীন কোন অপরাধে অভিযুক্ত হইয়া যদি প্রমাণ করিতে পারেন যে, -
তাহা হইলে আদালত উক্ত ব্যক্তিকে উক্ত অভিযোগ হইতে অব্যাহতি প্রদান করিতে পারিবে।
(১) ধারা ৭৩ বা ধারা ৭৪ এর অধীন কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি যদি আত্মপক্ষ সমর্থন করিয়া দাবী করেন যে, সংশ্লিষ্ট ট্রেডমার্কের নিবন্ধন অবৈধ, তাহা হইলে নিম্নবর্ণিত পদ্ধতি অনুসরণ করিতে হইবে-
(২) ধারা ৭৩ বা ধারা ৭৪ এ উল্লিখিত কোন অপরাধ সম্পর্কিত অভিযোগ দায়ের হওয়ার পূর্বে, ট্রেডমার্ক সম্পর্কিত নিবন্ধন অবৈধ বিধায় উহা সংশোধনকল্পে কোন আবেদন ইতোপূর্বে যথাযথভাবে পেশ করা হইলে এবং উহা ট্রাইব্যুনালে অনিষ্পন্ন থাকিলে, সংশ্লিষ্ট আদালত উক্ত আবেদন নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত মামলার কার্যক্রম স্থগিত রাখিতে পারিবে এবং উক্ত সংশোধনীর আবেদনের ফলাফলের সহিত সামঞ্জস্য রাখিয়া অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ (charge) নির্ধারণ করিবেন।
(১) কোম্পানী পরিচালনার কাজে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি যদি এই আইনের অধীন উহার ব্যবসা পরিচালনাকালীন কোন অপরাধ সংঘটন করিয়া থাকেন, তাহা হইলে উক্ত অপরাধ কোম্পানী কর্তৃক সংঘটিত হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে এবং এই অপরাধের জন্য উক্ত কোম্পানী পরিচালনার কাজে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিগণের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ ও শাস্তি প্রদান করা যাইবে।
(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোম্পানী পরিচালনার কাজে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি যদি প্রমাণ করিতে পারেন যে, উক্ত অপরাধ তাহার অজ্ঞাতসারে সংঘটিত হইয়াছে এবং উহার সংঘটন রোধকল্পে তিনি যথাসাধ্য চেষ্টা করিয়াছেন, তাহা হইলে তাহার বিরুদ্ধে কোন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাইবে না।
(৩) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, যদি কোন কোম্পানী এই আইনের অধীন কোন অপরাধ করে এবং ইহা প্রমাণিত হয় যে, উক্ত অপরাধ কোম্পানীর কোন পরিচালক, ব্যবস্থাপক, সচিব বা অন্য কোন কর্মকর্তার প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্মতিতে সংঘটিত হইয়াছে বা তাহাদের অবহেলার ফলে সংঘটিত হইয়াছে, তাহা হইলে উক্ত পরিচালক, ব্যবস্থাপক, সচিব বা অন্য কোন কর্মকর্তা উক্ত অপরাধের জন্য অপরাধী বলিয়া গণ্য হইবেন এবং তদনুযায়ী তাহাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ ও শাস্তি প্রদান করা যাইবে।
ব্যাখ্যা।- এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে,-
(১) নিবন্ধক অথবা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি কর্তৃক লিখিত অভিযোগ ব্যতীত, কোন আদালত ধারা ৭৬, ৭৭ বা ৭৮ এর অধীন কোন অপরাধ আমলে লইবেন না ।
(২) মেট্রোপলিটান ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিট্রেট আদালত ব্যতীত, অন্য কোন আদালত এই আইনের অধীন কোন অপরাধের বিচার করিতে পারিবে না।
(৩) Code of Criminal Procedure, 1898 (Act V of 1898) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন ব্যক্তির উপর এই আইনের অধীন অর্থদণ্ড আরোপের ক্ষেত্রে, মেট্রোপলিটান ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট এই আইনে উল্লিখিত অর্থদণ্ড আরোপ করিতে পারিবেন।
সমুদ্রপথে বাংলাদেশে পণ্য আনয়ন করা হইলে অথবা Customs Act, 1969 (Act IV of 1969) এর section 15 এর অধীন সংঘটিত কোন অপরাধের জন্য উক্ত পণ্য সম্পর্কে কোন অভিযোগ দায়ের করা হইলে, উক্ত পণ্য যে দেশে বা স্থানে প্রস্তুত করা হইয়াছে সে বিষয়ে পণ্য জাহাজীকরণ বন্দর কর্তৃক প্রদত্ত পণ্য জাহাজীকরণ সংক্রান্ত কাগজপত্র প্রাথমিক প্রমাণ হিসাবে গ্রহণযোগ্য হইবে।
(১) এই আইনের অধীন কোন মামলায় আদালত, মামলার পরিস্থিতি ও পক্ষগণের আচরণ বিবেচনা করিয়া, যেরূপ যুক্তিসঙ্গত মনে করিবেন সেরূপ খরচ, অভিযুক্ত ব্যক্তি কর্তৃক অভিযোগকারীকে অথবা অভিযোগকারী কর্তৃক অভিযুক্ত ব্যক্তিকে পরিশোধ করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।
(২) উক্ত খরচ এমনভাবে আদায়যোগ্য হইবে যেন উহা Code of Criminal Procedure, 1898 (Act V of 1898) এর section 380 এর অধীন আদায়যোগ্য কোন জরিমানা।
এই আইনের অধীন কোন অপরাধের জন্য মামলা দায়ের করা যাইবে না, যদি না অপরাধ সংঘটিত হইবার অনধিক ৩ (তিন) বৎসরের মধ্যে, অথবা মামলা-সংশ্লিষ্ট তথ্য বাদী কর্তৃক উদঘাটিত হইবার অনধিক ২ (দুই) বৎসরের মধ্যে, যাহা প্রথমে ঘটে, অভিযোগ করা হয়।
এই আইনের বিধান প্রয়োগ করিবার দায়িত্বে নিয়োজিত কোন সরকারী কর্মকর্তাকে এই অধ্যাদেশের অধীন অপরাধ সংঘটিত হইবার তথ্য কোথা হইতে প্রাপ্ত হইয়াছেন, উহা আদালতে সরবরাহ করিতে বাধ্য করা যাইবে না।
যদি কোন ব্যক্তি বাংলাদেশে অবস্থান করিয়া বাংলাদেশের বাহিরে সংঘটিত কোন কাজে এইরূপে প্ররোচনা দেন যে, উক্ত কাজ বাংলাদেশে সংঘটিত হইলে, উহা এই আইনের অধীন অপরাধ বলিয়া গণ্য হইত, তাহা হইলে তাহাকে বাংলাদেশের যে স্থানে পাওয়া যাইবে সে স্থানেই উক্তরূপ প্ররোচনা প্রদানের দায়ে বিচার করা যাইবে এবং উক্তরূপ অপরাধের জন্য যে দণ্ড প্রাপ্ত হইতেন সেই দণ্ড প্রদান করা যাইবে।
(১) ফৌজদারী আদালত কর্তৃক এই আইনের কোন বিধান কার্যকর করিবার উদ্দেশ্যে সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করিতে পারিবে।
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন জারীকৃত নির্দেশনায়, অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে ফৌজদারী আদালত কর্তৃক পণ্য বা সেবার ক্ষেত্রে স্বীকৃত সংখ্যা, পরিমাণ, দৈর্ঘ্য, গেজ ও ওজন সম্পর্কিত বিচ্যুতির সীমাও অন্তর্ভুক্ত করা যাইবে।
যদি-
তাহা হইলে বিক্রেতা এই মর্মে নিশ্চয়তা প্রদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে যে, উক্ত মার্ক প্রকৃত মার্ক, নকল মার্ক নয় অথবা উক্ত ট্রেড বর্ণনা ধারা ২(৮) এ সংজ্ঞায়িত কোন মিথ্যা ট্রেড বর্ণনা নয়।
ব্যাখ্যা।- এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, "নকল ট্রেডমার্ক" অর্থ ক্ষমতা বহির্ভূত কোন ট্রেডমার্ক-
(১) এই আইনের অধীন দায়েরকৃত সকল কার্যধারায় সাক্ষ্য গ্রহণ, শপথ পরিচালনা, সাক্ষীর উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ, দলিলাদি উদ্ধার ও উপস্থাপন এবং সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য কমিশন প্রেরণের ক্ষেত্রে নিবন্ধকের একটি দেওয়ানী আদালতের ক্ষমতা থাকিবে।
(২) এই আইনের অধীন নিবন্ধকের নিকট উত্থাপিত সকল কার্যধারায় হলফনামার মাধ্যমে সাক্ষ্য প্রদান করিতে হইবে, তবে নিবন্ধক, উপযুক্ত মনে করিলে, হলফনামার মাধ্যমে সাক্ষ্য গ্রহণের পরিবর্তে বা গৃহীত সাক্ষ্যের অতিরিক্ত হিসাবে মৌখিক সাক্ষ্য গ্রহণ করিতে পারিবে।
(৩) ধারা ৯৩ এর বিধান সাপেক্ষে, নিবন্ধক এই আইন ও বিধি দ্বারা অর্পিত ক্ষমতা, পক্ষগণকে শুনানীর সুযোগ প্রদান ব্যতীত, প্রয়োগ করিতে পারিবেন না এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে, তৎকর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লিখিত নোটিশ প্রদান করিতে হইবে।
(৪) নিবন্ধক, এই আইন বা প্রকাশ্যভাবে বিধিতে সুস্পষ্টভাবে ভিন্নরূপ কোন বিধান না থাকিলে, যেরূপ যুক্তিসংগত বিবেচনা করিবেন, সেরূপ আদেশ প্রদান করিতে পারিবেন এবং উক্তরূপ আদেশ দেওয়ানী আদালতের কোন ডিক্রীর ন্যায় কার্যকর হইবে।
(৫) যদি নিবন্ধকের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, এই ধারার অধীন গৃহীত কার্যধারায় আদেশ প্রদানের সময় সাক্ষ্য সম্পর্কে কিছু নূতন ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উদঘাটিত হইয়াছে বা উপস্থাপিত সাক্ষ্য প্রমাণে কিছু ভুলত্রুটি রহিয়াছে, তাহা হইলে, নির্ধারিত পদ্ধতিতে, দাখিলকৃত আবেদনের ভিত্তিতে অথবা নিজ উদ্যোগে নিবন্ধক তাহার সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করিতে পারিবেন।
যদি এই আইনের অধীন কোন কার্যধারা বিচারাধীন থাকা অবস্থায় কোন পক্ষ মারা যান, তাহা হইলে নিবন্ধক সংশ্লিষ্ট কোন পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে মৃত ব্যক্তির স্বার্থ অন্য কোন ব্যক্তির উপর বর্তাইয়াছে মর্মে নিশ্চিত হইবার পর উক্ত ব্যক্তিকে মৃত ব্যক্তির স্বার্থবান উত্তরাধিকারী হিসাবে প্রতিস্থাপন করিতে পারিবেন অথবা যেক্ষেত্রে মামলার জীবিতপক্ষ মৃত ব্যক্তিকে যথাযথভাবে প্রতিনিধিত্ব করিতে পারে, সেক্ষেত্রে কোনরূপ প্রতিস্থাপন ব্যতীত উক্ত মামলা চালাইয়া যাইবার অনুমতি প্রদান করিতে পারিবেন।
(১) সংশ্লিষ্ট কোন পক্ষের নির্ধারিত পদ্ধতিতে আবেদনের প্রেক্ষিতে, কোন কার্যধারা নিষ্পত্তির জন্য সময় বর্ধিত করিবার যথেষ্ট কারণ রহিয়াছে বিবেচনায় নিবন্ধক, মামলার খরচ বা অন্য কোন শর্ত আরোপ সাপেক্ষে, প্রয়োজনীয় সময় বর্ধিত করিতে পারিবেন, উক্তরূপে কোন সময় বর্ধিত করা হইলে তৎসম্পর্কে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে এবং পক্ষগণকে নোটিশ প্রদান করিতে হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, এই আইন বা বিধিতে কার্য-নিষ্পত্তির সময়সীমা নির্ধারিত থাকিলে, উক্ত সময়সীমা বৃদ্ধি করা যাইবে না।
(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, নির্ধারিত পদ্ধতিতে কোন সংক্ষুব্ধ পক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে, নিবন্ধক তাহার সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করিতে পারিবেন।
(৩) এই ধারার অধীন নিবন্ধক কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশের বিরুদ্ধে কোন আপীল করা যাইবে না।
এই আইনের অধীন দাখিলকৃত আবেদনে কোন ভুলত্রুটি থাকিলে, নিবন্ধক, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে, উক্ত ভুলত্রুটি সংশোধনের জন্য আবেদনকারীকে নির্দেশ দিতে পারিবেন এবং উক্তরূপ নির্দেশ সত্ত্বেও উক্ত সময়ের মধ্যে যদি উক্ত ভুলত্রুটি সংশোধন করা না হয়, তাহা হইলে নিবন্ধক উক্ত আবেদন বাতিল করিবার জন্য আদেশ প্রদান করিতে পারিবেন।
এই আইনের অধীন সরকার কর্তৃক পরিচালিত কার্যধারার ক্ষেত্রে, হলফনামার মাধ্যমে সাক্ষ্য প্রদান করিতে হইবে, তবে সরকার, উপযুক্ত মনে করিলে, হলফনামার পরিবর্তে, বা হলফনামার অতিরিক্ত, মৌখিক সাক্ষ্য গ্রহণ করিতে পারিবে।
নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে জেলা জজ আদালতের অধঃস্তন কোন আদালতে কোন মামলা দায়ের করা যাইবে না-
(১) ধারা ৯৬ এ বর্ণিত ট্রেডমার্ক লঙ্ঘন বা ট্রেডমার্ক চালাইয়া দেয়া সংক্রান্ত মামলায় আদালত প্রতিকার হিসাবে নিষেধাজ্ঞা এবং বাদীর অভিপ্রায় অনুসারে ক্ষতিপূরণ বা মুনাফার অংশ প্রদানের আদেশ দিতে পারিবে এবং লঙ্ঘন কাজে ব্যবহৃত লেবেল ও মার্কসমূহ বিনষ্ট বা মুছিয়া ফেলা বা সরাইয়া নেওয়া বা না নেওয়ার আদেশও ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবে।
(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, আদালত নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ বা মুনাফার অংশ প্রদানের আদেশ দিতে পারিবে না-
(১) যেক্ষেত্রে নিবন্ধিত ট্রেডমার্ক লঙ্ঘনের মামলায় বিবাদী বাদীর ট্রেডমার্ক নিবন্ধনের বৈধতা সম্পর্কে প্রশ্ন উত্থাপন করেন, বা বাদী বিবাদীর ট্রেডমার্ক নিবন্ধনের বৈধতা সম্পর্কে প্রশ্ন উত্থাপন করেন, সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ট্রেডমার্ক নিবন্ধনের বৈধতার বিষয়টি নিবন্ধন বহি সংশোধনের নিমিত্ত দাখিলকৃত আবেদনের ভিত্তিতে নিষ্পত্তি করিতে হইবে।
(২) ধারা ৪২, ৪৩ (৪) বা ৫১ এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, উপ-ধারা (১) এর অধীন প্রতিটি আবেদন হাইকোর্ট বিভাগে দাখিল করিতে হইবে।
(৩) উপ-ধারা (১) ও (২) এর বিধানাবলী সাপেক্ষে, নিবন্ধন বহি সংশোধনের কোন আবেদন ধারা ৪২,৪৩ (৪) বা ৫১ এর অধীন নিবন্ধকের নিকট দাখিল করা হইলে, নিবন্ধক উক্ত আবেদন হাইকোর্ট বিভাগে প্রেরণ করিতে পারিবেন।
(১) নিবন্ধন বহি সংশোধনের জন্য আবেদন নির্ধারিত ফরমে, সংশ্লিষ্ট বিবরণসহ, হাইকোর্ট বিভাগে দাখিল করিতে হইবে।
(২) এই ধারার অধীন হাইকোর্ট বিভাগে দাখিলকৃত আবেদন এবং আপীলের ক্ষেত্রে এই আইন ও বিধির বিধানাবলী সাপেক্ষে, দেওয়ানী কার্যবিধির বিধানাবলী প্রযোজ্য হইবে।
(৩) এই ধারার অধীন নিবন্ধিত ট্রেডমার্ক সম্পর্কে হাইকোর্ট বিভাগ বা আপীল বিভাগের রায়ের প্রত্যয়িত অনুলিপি নিবন্ধক বরাবরে প্রেরিত হইবে এবং নিবন্ধক নিবন্ধন বহির এন্ট্রি সংশোধনপূর্বক উক্ত আদেশ কার্যকর করিবেন।
(১) এই আইনের অধীন সরকার কর্তৃক প্রদত্ত কোন সিদ্ধান্ত বা জারীকৃত আদেশ বা নির্দেশনা এবং উক্ত সিদ্ধান্ত, আদেশ বা নির্দেশনা কার্যকর করিবার উদ্দেশ্যে নিবন্ধক কর্তৃক কৃত কোন কার্য বা প্রদত্ত কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যাইবে না।
(২) উপ-ধারা (১) বা এই আইনে সুস্পষ্টভাবে ভিন্নরূপ কোন বিধান না থাকিলে, এই আইনের অধীন বা বিধি অনুযায়ী নিবন্ধক কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশ বা সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপীল করা যাইবে।
(৩) উক্তরূপ আপীল নির্ধারিত পদ্ধতিতে দাখিল করিতে হইবে।
(৪) এই ধারার অধীন আপীল নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে, নিবন্ধক যেরূপ আদেশ দিতে পারিতেন, হাইকোর্ট বিভাগও সেরূপ আদেশ দিতে পারিবে।
(৫) ধারা ১৪, ১৫ বা ১৮ এর অধীন নিবন্ধন সম্পর্কিত কোন বিষয়ে নিবন্ধকের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কোন আবেদনকারী আপীল করিলে, আদালতের সুষ্পষ্ট অনুমতি ব্যতীত নিবন্ধক বা আপীলের বিরোধী পক্ষ, উক্ত সিদ্ধান্তে রেকর্ডকৃত যুক্তি বা ক্ষেত্রমত, নিবন্ধকের নিকট বিবেচনাধীন থাকাকালে সংশ্লিষ্ট পক্ষ কর্তৃক নিবন্ধকের নিকট প্রদর্শিত যুক্তি ব্যতিরেকে, অন্য কোন যুক্তি প্রদর্শন করিতে পারিবেন না, এবং কোন অতিরিক্ত যুক্তি প্রদর্শন করা হইলে, নিবন্ধনের জন্য আবেদনকারী তাহার নিবন্ধনের আবেদন, নির্ধারিত পদ্ধতিতে, নোটিশ প্রদান করিয়া প্রত্যাহার করিতে পারিবেন এবং তজ্জন্য আবেদনকারী কোন পক্ষকে কোনরূপ খরচ দিতে বাধ্য থাকিবেন না।
(৬) হাইকোর্ট বিভাগে বিচার্য আপীলের ক্ষেত্রে, এই আইন ও বিধির বিধানাবলী সাপেক্ষে, দেওয়ানী কার্যবিধির বিধানাবলী প্রযোজ্য হইবে।
ব্যাখ্যা।- উপ-ধারা (২) এর অধীন নিবন্ধকের "আদেশ" বা "সিদ্ধান্ত" অর্থ এইরূপ আদেশ বা সিদ্ধান্ত যাহার দ্বারা পক্ষগণের অধিকার চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি হয়।
হাইকোর্ট বিভাগ, এই আইনের সহিত সামঞ্জস্য রাখিয়া মামলা পরিচালনা এবং পদ্ধতিগত বিষয়ে বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবে।
(১) যেক্ষেত্রে ট্রেডমার্ক লঙ্ঘনজনিত মামলায় বিবাদী যুক্তি দেখান যে, বাদীর ট্রেডমার্ক অবৈধ বা বাদী বিবাদীর ট্রেডমার্ক নিবন্ধনের অবৈধতা সম্পর্কে যুক্তি প্রদর্শন করেন, সেক্ষেত্রে মামলা পরিচালনাকারী আদালত, অতঃপর উক্ত আদালত বলিয়া উল্লিখিত-
(২) যদি মামলার সংশ্লিষ্ট পক্ষ আদালতে প্রমাণ করিতে পারেন যে, উপ-ধারা (১)(খ) অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বা উক্ত আদালত কর্তৃক মঞ্জুরকৃত অতিরিক্ত সময়ের মধ্যে উক্তরূপ আবেদন দাখিল করিয়াছেন, তাহা হইলে উক্ত সংশোধনীর আবেদন চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত, আদালত উক্ত মামলার কার্যক্রম স্থগিত রাখিতে পারিবে।
(৩) যদি অনুরূপ আবেদন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাখিল করা না হইয়া থাকে, তাহা হইলে উক্ত ট্রেডমার্ক নিবন্ধনের বৈধতার বিষয়টি পরিত্যক্ত হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত আদালত মামলার অন্যান্য বিষয় সম্পর্কে কার্যক্রম গ্রহণের উদ্যোগ গ্রহণ করিবেন।
(৪) উপ-ধারা (১) বা (২) এর অধীন কোন সংশোধনী কার্যধারায় প্রদত্ত চূড়ান্ত আদেশ পক্ষগণের জন্য বাধ্যতামূলক হইবে এবং এই আদেশের সহিত সামঞ্জস্য রাখিয়া আদালত উক্ত মামলা নিষ্পত্তি করিবেন।
(৫) এই ধারার অধীন ট্রেডমার্ক লঙ্ঘনের মামলায় কোন আদালতকে কোন মামলার স্থগিতাদেশ প্রদান, অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর, হিসাব রক্ষণের নির্দেশ, রিসিভার নিয়োগ বা সম্পত্তি ক্রোকাদেশ প্রদান করা হইতে নিবৃত্ত করিবে না।
(১) নিবন্ধন বহি পরিবর্তন বা সংশোধনসহ প্রতিকারের দাবি বা ট্রেডমার্ক নিবন্ধন সম্পর্কিত মামলায় নিবন্ধকের আদালতে হাজির হইবার এবং শুনানীর অধিকার থাকিবে।
(২) ট্রেডমার্ক নিবন্ধন সম্পর্কিত আবেদনের বিষয়ে নিবন্ধক কর্তৃক প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপীল করা হইলে, নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে নিবন্ধকের উপস্থিত থাকিবার এবং শুনানীর অধিকার থাকিবে-
(৩) হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক ভিন্নরূপ নির্দেশ দেওয়া না হইলে, নিবন্ধক আদালতে হাজির হইবার পরিবর্তে বিচার্য বিষয় সংক্রান্ত নির্দিষ্ট তথ্য বা উক্ত বিষয়ে তিনি যে সিদ্ধান্ত দিয়াছেন উহার কারণসমূহ, বা ট্রেডমার্ক নিবন্ধনের প্রথা বা বিচার্য বিষয়ের প্রাসঙ্গিক অন্যান্য বিষয় সংক্রান্ত তথ্য যাহা তিনি নিবন্ধক হিসাবে জ্ঞাত আছেন, সম্পর্কিত একটি বিবৃতি দাখিল করিতে পারিবেন, যাহা সংশ্লিষ্ট মামলার কার্যধারায় সাক্ষ্য হিসাবে গণ্য হইবে।
এই আইনের অধীন হাইকোর্ট বিভাগের কার্যধারা পরিচালনায় নিবন্ধক কর্তৃক ব্যয়িত খরচ হাইকোর্ট বিভাগ নির্ধারণ করিতে পারিবে, তবে মামলার কোন পক্ষের খরচ পরিশোধের জন্য নিবন্ধককে কোন আদেশ দেওয়া যাইবে না।
(১) এই আইনের সপ্তম অধ্যায় বা ধারা ১০০ এর অধীন কোন মামলায় বা আপীলে কোন ট্রেডমার্কের নিবন্ধিত ব্যবহারকারী পক্ষভুক্ত না হইলে, উক্ত ব্যবহারকারীকে মামলায় বা আপীলে পক্ষভুক্ত করিতে হইবে।
(২) আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন নিবন্ধিত ব্যবহারকারীকে উপ-ধারা (১) অনুযায়ী মামলা বা আপীলে পক্ষভুক্ত করা হইলে, তিনি মামলার কোন খরচ প্রদান করিতে বাধ্য থাকিবেন না, যদি তিনি উক্ত মামলা বা আপীলের কার্যধারায় হাজিরা দেন এবং অংশগ্রহণ করেন।
(১) ধারা ১১৬(১) এ উল্লেখিত নিবন্ধন বহি বা কোন দলিলের এন্ট্রির ছাপানো বা লিখিত অনুলিপি, নিবন্ধক কর্তৃক সত্যায়িত এবং ট্রেডমার্ক রেজিস্ট্রি কর্তৃক মোহরাঙ্কিত হইলে, উহা এই আইনের অধীন দায়েরকৃত বা গৃহীত সকল মামলা বা কার্যধারায় সাক্ষ্য হিসাবে গৃহীত হইবে।
(২) এই আইন বা বিধি দ্বারা ক্ষমতাপ্রাপ্ত হইয়া নিবন্ধক কর্তৃক প্রত্যয়িত কোন এন্ট্রি বা বিষয়, উহাতে অন্তর্ভুক্ত বিষয় সম্পর্কে চূড়ান্ত প্রমাণ বলিয়া গণ্য হইবে।
নিবন্ধক বা ট্রেডমার্ক রেজিস্ট্রির অন্য কোন কর্মকর্তা কোন মামলা বা কার্যধারায় পক্ষ না হইলে, উক্ত মামলা বা কার্যধারায় তাহার হেফাজতে রক্ষিত নিবন্ধন বহি বা অন্য কোন দলিল, যাহার বিষয়বস্তু এই আইনের অধীন জারীকৃত প্রত্যয়িত কপি দ্বারা প্রমাণ করা যায়, পেশ করিতে বাধ্য করা যাইবে না, অথবা আদালত কর্তৃক বিশেষ কোন কারণে আদিষ্ট না হইলে, উক্ত দলিলে অন্তর্ভুক্ত বিষয়বস্তু প্রমাণ করিবার জন্য সাক্ষী হিসাবে হাজির হইতে বাধ্য করা যাইবে না।
(১) সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই মর্মে নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে যে-
উক্ত প্রজ্ঞাপন দ্বারা নির্দিষ্টকৃত তারিখে, যাহা প্রজ্ঞাপন জারীর তারিখ হইতে ৩(তিন) মাসের কম হইবে না, উক্ত পণ্য বা সেবার উপর ব্যবহার করিতে হইবে।
(২) উক্ত প্রজ্ঞাপনে উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত নির্দেশনা ব্যবহারের পদ্ধতি, সময়, উপলক্ষ্য বা উহার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কিত বিষয়াদি নির্দিষ্ট করা যাইবে।
(৩) নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে এই ধারার অধীন কোন প্রজ্ঞাপন জারী করা যাইবে না, যদি-
(৪) General Clauses Act, 1897 (Act X of 1897) এর section 23 এর বিধানাবলী অনুসরণ ব্যতিরেকে এই ধারার অধীন কোন প্রজ্ঞাপন জারী করা যাইবে না।
(৫) এই ধারার অধীন কোন প্রজ্ঞাপন বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমার বাহিরে প্রস্তুতকৃত বা উৎপাদিত পণ্য বা সেবা এবং বাংলাদেশে আমদানিকৃত পণ্য বা সেবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না, যদি উক্ত পণ্য বা সেবা বাংলাদেশের প্রবেশ বন্দরে এখতিয়ার প্রয়োগকারী শুল্ক বিভাগের কমিশনার পণ্য রপ্তানিকালে এই মর্মে নিশ্চিত হন যে, উক্ত পণ্য বা সেবা বাংলাদেশে খালাস হইবার পর পুনঃজাহাজীকরণের মাধ্যমে বা বাংলাদেশের মধ্য দিয়া পরিবহনের মাধ্যমে রপ্তানির জন্য নির্দিষ্ট রহিয়াছে।
(১) যেক্ষেত্রে Customs Act, 1969 (Act IV of 1969) এর section 15 এর clause (d), (e)এবং (f) এর অধীন বাংলাদেশে পুনঃআমদানি করা নিষিদ্ধ এবং আটক ও বাজেয়াপ্তিযোগ্য কোন পণ্য আমদানি করা হয়, সেক্ষেত্রে পণ্যের বাংলাদেশে প্রবেশ বন্দরে এখতিয়ার প্রয়োগকারী শুল্ক বিভাগের কমিশনার যদি কাহারো আবেদন প্রাপ্তির পর যুক্তিসঙ্গত কারণে বিশ্বাস করেন যে, উক্ত ট্রেডমার্ক একটি মিথ্যা ট্রেডমার্ক হিসাবে ব্যবহৃত হইতেছে, তাহা হইলে তিনি উক্ত পণ্যের আমদানিকারক বা তাহার প্রতিনিধিকে উক্ত পণ্য সংক্রান্ত দলিলাদি এবং উক্ত পণ্য প্রেরণকারী ও প্রাপকের নাম ও ঠিকানা দাখিলের নির্দেশ দিতে পারিবেন।
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন কমিশনারের আদেশ প্রাপ্তির তারিখ হইতে ১৪ (চৌদ্দ) দিনের মধ্যে আমদানিকারক বা তাহার প্রতিনিধি উহা দাখিল করিতে ব্যর্থ হইলে তিনি অনধিক ৫ (পাঁচ) হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।
(৩) উক্ত শুল্ক-কমিশনার আমদানিকারক বা তাহার প্রতিনিধির নিকট হইতে প্রাপ্ত মিথ্যা ট্রেডমার্ক ব্যবহার সংক্রান্ত তথ্য ট্রেডমার্কের নিবন্ধিত স্বত্বাধিকারী বা নিবন্ধিত ব্যবহারকারীকে জানাইয়া দিতে পারিবেন।
যদি এই আইনের অধীন পরিচালিত কোন কার্যধারায় ট্রেডমার্ক নিবন্ধনের বৈধতার প্রশ্ন উত্থাপিত হয় এবং ট্রেডমার্কের স্বত্বাধিকারীর অনুকূলে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়, তাহা হইলে ট্রাইব্যুনাল উক্ত স্বত্বাধিকারী বরাবর প্রত্যয়নপত্র প্রদান করিতে পারিবে এবং উক্তরূপে কোন প্রত্যয়নপত্র প্রদান করা হইলে, পরবর্তীতে অন্য কোন কার্যধারায় উক্ত স্বত্বাধিকারী তাহার অনুকূলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত লাভ করিবার পর আইনজীবীর খরচ ও অন্যান্য ব্যয় পাইবার অধিকারী হইবেন।
আবেদন বা বিরোধিতা নোটিশে উল্লেখিত ঠিকানাই আবেদনকারী বা বিরোধিতাকারীর ঠিকানা বলিয়া গণ্য হইবে এবং আবেদন বা বিরোধিতা সম্পর্কিত সকল দলিল আবেদনকারী বা বিরোধিতাকারীর ঠিকানায় ব্যক্তিগতভাবে বা রেজিস্ট্রি ডাকযোগে প্রেরণের মাধ্যমে জারী করা যাইবে।
ট্রেডমার্ক সংশ্লিষ্ট মামলায় বা ট্রেডমার্ক সংশ্লিষ্ট অন্য কোন কার্যধারায়, ট্রাইব্যুনাল সংশ্লিষ্ট ব্যবসায় প্রচলিত প্রথা এবং অন্যান্য ব্যক্তি কর্তৃক বৈধভাবে ব্যবহৃত কোন প্রাসঙ্গিক ট্রেডমার্ক বা অঙ্গসজ্জাকে সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণ করিতে পারিবেন।
এই আইনের অধীন হলফনামা ব্যতীত কোন ব্যক্তি কর্তৃক কোন কার্য করণীয় হইলে, উক্ত কার্য এতদুদ্দেশ্যে প্রণীত বিধি সাপেক্ষে, উক্ত ব্যক্তি কর্তৃক সম্পাদিত হইবার পরিবর্তে অন্য কোন কর্তৃত্বপ্রাপ্ত প্রতিনিধি কর্তৃক সম্পাদন করা যাইবে, যিনি একজন আইনজীবী বা নির্ধারিত পদ্ধতিতে ট্রেডমার্ক প্রতিনিধি হিসাবে নিবন্ধিত বা নিবন্ধিত স্বত্বাধিকারীর নিয়মিত চাকুরীতে নিয়োজিত।
নিবন্ধকের নির্দেশ ও তত্ত্বাবধানে নিম্নবর্ণিত বিষয়ের সূচিপত্র সংরক্ষণ করিতে হইবে-
(১) ধারা ৪৫(৬) এ ভিন্নরূপ কোন কিছু না থাকিলে, নিম্নলিখিত দলিলাদি, নির্ধারিত শর্ত-সাপেক্ষে, নিবন্ধন অফিসে জনসাধারণের পরিদর্শনের জন্য উন্মুক্ত থাকিবে-
(২) কোন ব্যক্তি নির্ধারিত পদ্ধতিতে এবং নির্ধারিত ফি জমাপূর্বক নিবন্ধকের নিকট আবেদন করিয়া, নিবন্ধন বহির কোন এন্ট্রির প্রত্যয়িত নকল বা উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত কোন দলিল উঠাইতে পারিবেন।
(১) এই আইনের অধীন আবেদন ও নিবন্ধনসহ অন্যান্য বিষয়ে সরকার, নির্ধারিত পদ্ধতিতে ফি আদায় করিতে পারিবে।
(২) নিবন্ধক কর্তৃক কোন কার্য সম্পাদনের জন্য ফি প্রযোজ্য হইলে, তাহা পরিশোধ না করা পর্যন্ত, নিবন্ধক উক্ত কার্য সম্পাদন করিবেন না।
(৩) ট্রেডমার্ক রেজিস্ট্রিতে কোন দলিল দাখিল বাবদ ফি প্রযোজ্য হইলে, উক্ত ফি পরিশোধ না করা পর্যন্ত, অনুরূপ দলিল দাখিল করা হয় নাই বলিয়া গণ্য হইবে।
(১) এই আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, বাংলাদেশে বসবাসকারী মালিকের কোন কর্মচারী মালিকের নির্দেশানুযায়ী সরল বিশ্বাসে কোন কাজ করিলে এবং বাদী বা তাহার পক্ষে কার্যরত ব্যক্তির চাহিদা মোতাবেক উক্ত মালিক ও তাহার নির্দেশাবলী সম্পর্কে তথ্য প্রদান করিলে, তাহাকে কোন মামলা বা কার্যধারায় দণ্ডিত করা যাইবে না।
(২) এই আইন কোন ব্যক্তিকে এমন কোন মামলা বা অন্য কোন কার্যধারা হইতে অব্যাহতি প্রদান করিবে না, যাহা এই অধ্যাদেশ প্রণীত না হইলে, তাহার বিরুদ্ধে রুজু করা যাইত।
(৩) এই আইনের কোন কিছুই কোন ব্যক্তিকে কোন তথ্য উদঘাটন বা কোন মামলা বা অন্যবিধ কার্যধারায় কোন প্রশ্নের জবাব প্রদান না করিবার অধিকার প্রদান করিবে না, কিন্তু এইরূপ তথ্য বা জবাব প্রদান এই আইনের দশম অধ্যায়ের অধীন অথবা Customs Act, 1969 (Act IV of 1969) এর section 15 এর clause (d), (e) এবং (f) এর অধীন কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য হইবে না।
প্যারিস কনভেনশন বা বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সদস্যভুক্ত কোন রাষ্ট্র ট্রেডমার্ক নিবন্ধন এবং উহা সংরক্ষণে উহাদের নাগরিকদের জন্য যে সুবিধা প্রদান করে, সে রকম সুবিধা বাংলাদেশের কোন নাগরিককে প্রদান করিলে, উক্তরূপ রাষ্ট্রের সহিত সম্পাদিত চুক্তি, কনভেনশন বা সমঝোতা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে উক্তরূপ রাষ্ট্র কনভেনশন রাষ্ট্র হিসাবে গণ্য হইবে।
(১) যদি প্যারিস কনভেনশন অথবা বিশ্ববাণিজ্য সংস্থাভুক্ত কোন রাষ্ট্রে ট্রেডমার্ক নিবন্ধনের জন্য আবেদনকারী কোন ব্যক্তি বা তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি, উক্ত আবেদনের ৬ (ছয়) মাসের মধ্যে, উহার পূর্ণবিবরণ এবং অগ্রাধিকার আবেদনের সত্যায়িত কপিসহ, বাংলাদেশে উক্ত ট্রেডমার্ক নিবন্ধনের জন্য আবেদন করেন এবং উক্ত ট্রেডমার্ক এই [আইনের] অধীন নিবন্ধন করা হয়, তাহা হইলে যে তারিখে কনভেনশনভুক্ত রাষ্ট্রে তিনি ট্রেডমার্ক নিবন্ধনের আবেদন করিয়াছিলেন, সে তারিখ হইতে উক্ত নিবন্ধন কার্যকর হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।
(২) যদি দুই বা ততোধিক কনভেনশনভুক্ত রাষ্ট্রে ট্রেডমার্ক নিবন্ধনের আবেদন করা হয়, তাহা হইলে উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত ৬ (ছয়) মাস, প্রথম আবেদনের তারিখ হইতে গণনা করিতে হইবে।
(৩) এই আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন ট্রেডমার্কের স্বত্বাধিকারী এই আইনের অধীন নিবন্ধনের জন্য আবেদন দাখিলের পূর্বে অর্জিত অধিকার লঙ্ঘনের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করিতে পারিবেন না।
ধারা ১১৯ এর অধীন কোন রাষ্ট্রকে কনভেনশন রাষ্ট্র হিসাবে গণ্য করা হইলে উক্ত রাষ্ট্র ট্রেডমার্ক নিবন্ধন ও সংরক্ষণের জন্য উহার নাগরিকদের যে সুবিধা প্রদান করে, উহা যদি বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য প্রদান না করে, তাহা হইলে উক্ত দেশের কোন নাগরিক বাংলাদেশের কোন ব্যক্তির সহিত এককভাবে বা যৌথভাবে-
এই আইন অথবা আপাতত: বলবৎ অন্য কোন আইনে ভিন্নরূপ সুস্পষ্ট বিধান না থাকিলে, এই আইনের বিধানাবলী, যতদূর সম্ভব, সমষ্টিগত মার্কের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে।
(১) এই আইনের অধীন সকল নোটিশ, বিজ্ঞাপন, আদেশ, নির্দেশনাসহ জারীতব্য অন্যান্য বিষয়াদি ইলেকট্রনিক গেজেটে প্রকাশ করা যাইবে, এবং ধারা ১১৬ এর অধীন সর্বসাধারণের জন্য যে সকল দলিল উন্মুক্ত রাখিবার বিধান রহিয়াছে, সে সকল দলিল ইলেকট্রনিক পরিচালন পদ্ধতিতে উন্মুক্ত করা যাইবে এবং উক্তরূপ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নিবন্ধক, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করিতে পারিবে।
(২) ইলেকট্রনিক গেজেট, ইলেকট্রনিক পরিচালন পদ্ধতি ও তৎসংশ্লিষ্ট নীতিমালা সরকার কর্তৃক নির্ধারিত হইবে।
ব্যাখ্যা।- এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, 'ইলেকট্রনিক পরিচালন পদ্ধতি' অর্থ ওয়েবসাইটে সরাসরি (online) তথ্য প্রক্রিয়াকরণ।
(৩) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির প্রয়োগ ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে, যতদূর সম্ভব তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ (২০০৬ সনের ৩৯ নম্বর আইন) এবং উক্ত আইনের অধীন প্রণীত বিধি ও প্রবিধান অনুসরণ করিতে হইবে।
(১) সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবে।
(২) বিশেষ করিয়া এবং উপ-ধারা (১) এর সামগ্রিকতাকে ক্ষুণ্ন না করিয়া, উক্তরূপ বিধিতে নিম্নবর্ণিত বিষয়ে বিধান করা যাইবে, যথা:-
সরকার, পূর্ববর্তী বৎসরের ডিসেম্বর মাসের ৩১ তারিখ পর্যন্ত সম্পাদিত ট্রেডমার্ক বিষয়ক কার্যাবলী সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রত্যেক বৎসর মার্চ মাসের ৩১ তারিখের মধ্যে সংসদে উপস্থাপনের ব্যবস্থা করিবে।
(১) এই আইন প্রবর্তনের পর সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের বাংলা পাঠের ইংরেজীতে অনুদিত একটি নির্ভরযোগ্য পাঠ প্রকাশ করিবে, যাহা এই আইনের নির্ভরযোগ্য ইংরেজী পাঠ (Authentic English Text) হিসাবে অভিহিত হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, বাংলায় প্রণীত পাঠ ও ইংরেজী পাঠের মধ্যে বিরোধের ক্ষেত্রে বাংলা পাঠ প্রাধান্য পাইবে।
(১) Merchandise Marks Act, 1889 (Act IV of 1889) এবং Trade Marks Act, 1940 (Act V of 1940), অতঃপর রহিতকৃত আইন বলিয়া উল্লিখিত, এতদ্বারা রহিত করা হইল।
(২) উক্তরূপ রহিতকরণ সত্ত্বেও রহিতকৃত কোন আইনের অধীন কৃত কোন কাজ-কর্ম বা প্রণীত কোন বিধি, বা জারীকৃত কোন আদেশ, নোটিশ, বিজ্ঞপ্তি বা প্রজ্ঞাপন বা নিষ্পন্নাধীন কোন ট্রেডমার্ক নিবন্ধনের আবেদন বা মঞ্জুরীকৃত নিবন্ধন, অথবা গৃহীত বা শুরুকৃত অন্য কোন ব্যবস্থা বা কার্যধারা, এই আইনের বিধানাবলীর সহিত সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া সাপেক্ষে, রহিত বা সংশোধিত না হওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকিবে, এবং এই আইনের সংশ্লিষ্ট ধারার অধীন কৃত, প্রণীত বা জারীকৃত, নিবন্ধন, ব্যবস্থা, কার্যধারা বা আবেদন মঞ্জুর, গৃহীত বা শুরু হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে;
(১) ট্রেডমার্ক অধ্যাধেশ, ২০০৮ (২০০৮ সনের ২নং অধ্যাদেশ) এবং ট্রেডমার্ক অধ্যাদেশ, ২০০৯ (২০০৯ সনের ৫নং অধ্যাদেশ), অতঃপর উক্ত অধ্যাদেশদ্বয় বলিয়া উল্লিখিত, এর অধীন কৃত কাজকর্ম বা গৃহীত ব্যবস্থা এই আইনের অধীন কৃত বা গৃহীত হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।
(২) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৯৩ এর দফা (২) এর বিধান অনুসারে উক্ত অধ্যাদেশদ্বয়ের কার্যকারিতা লোপ পাওয়া সত্ত্বেও অনুরুপ লোপ পাইবার পর উহার ধারাবাহিকতায় বা বিবেচিত ধারাবচাহিকতায় কোন কাজকর্ম কৃত বা ব্যবস্থা গৃহীত হইয়া থাকিলে উহা এই আইনের অধীনেই কৃত গৃহীত হইয়াছে বলিয়াও গণ্য হইবে।