জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন এবং তদ্সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়ে বিধানাবলী প্রণয়নকল্পে প্রণীত আইন যেহেতু জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন এবং তদ্সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়ে বিধানাবলী প্রণয়ন করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়; সেহেতু এতদ্দ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইল :
(১) এই আইন জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন আইন, ২০১০ নামে অভিহিত হইবে।
(২) ইহা অবিলম্বে কার্যকর হইবে।
২৷ বিষয় বা প্রসঙ্গের পরিপন্থী কোন কিছু না থাকিলে, এই আইনে-
(১) "কমিশন" অর্থ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১১৮ এর অধীন প্রতিষ্ঠিত নির্বাচন কমিশন;
(২) "জাতীয় পরিচয়পত্র" অর্থ কমিশন কর্তৃক কোন নাগরিক বরাবরে প্রদত্ত জাতীয় পরিচয়পত্র;
(৩) "জাতীয় পরিচিতি নম্বর [National Identification Number (NID)]”অর্থ জাতীয় পরিচয়পত্রে কমিশন কর্তৃক প্রদত্ত পরিচিতি নম্বর;
(৪) "তথ্য-উপাত্ত" অর্থ জাতীয় পরিচয় নিবন্ধনের উদ্দেশ্যে ভোটার তালিকা আইন, ২০০৯ (২০০৯ সনের ৬ নং আইন) অনুযায়ী ভোটার তালিকা প্রণয়ন, সংশোধন বা হালনাগাদকরণ কালে সংগৃহীত তথ্য-উপাত্ত বা কোন নাগরিকের নিকট হইতে সংগৃহীত এক বা একাধিক তথ্য-উপাত্ত এবং উক্ত নাগরিকের বায়োমেট্রিকস ফিচারও ইহার অন্তর্ভূক্ত হইবে;
(৫) "নাগরিক" অর্থ প্রচলিত আইনের অধীন বাংলাদেশের কোন নাগরিক;
(৬) "নির্ধারিত" অর্থ বিধি বা প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত;
(৭) "প্রবিধান" অর্থ এই আইনের অধীন প্রণীত প্রবিধান;
(৮) "বায়োমেট্রিকস ফিচার (Biometrics feature)” অর্থ কোন নাগরিকের নিম্নবর্ণিত এক বা একাধিক বৈশিষ্ট্য, যথা ;
(৯) "বিধি" অর্থ এই আইনের অধীন প্রণীত বিধি;
(১০) "ব্যক্তি" অর্থে কোন ব্যক্তি, কোম্পানী, সমিতি, অংশীদারী কারবার, সংবিধিবদ্ধ বা অন্যবিধ সংস্থা বা উহাদের প্রতিনিধিও ইহার অর্ন্তভুক্ত হইবে।
(১) জাতীয় পরিচয়পত্র প্রাপ্তির জন্য একজন নাগরিককে পরিচয় নিবন্ধন করিতে হইবে।
(২) পরিচয় নিবন্ধনের জন্য নির্ধারিত পদ্ধতিতে কমিশনের নিকট আবেদন করিতে হইবে।
(৩) এই আইনের অন্যান্য ধারায় যাহা কিছুই থাকুক না কেন, সাধারণভাবে কোন নাগরিককে জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদানের উদ্দেশ্যে তাহার স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে বসবাসরত ঠিকানায় নিবন্ধন করা হইবে এবং উক্ত ঠিকানা অনুযায়ী জাতীয় পরিচিতি নম্বর প্রদান করিতে হইবে।
(৪) উপ-ধারা (৩) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন নাগরিক ইচ্ছা প্রকাশ করিলে তাহাকে যে ঠিকানায় ভোটার হিসাবে তালিকাভুক্ত করা হইয়াছে উক্ত স্থানেই তাহাকে জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদানের উদ্দেশ্যে নিবন্ধন করা যাইবে এবং উক্ত ঠিকানা অনুযায়ী জাতীয় পরিচিতি নম্বর প্রদান করিতে হইবে।
একজন নাগরিককে কমিশন কর্তৃক কেবল একটি জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদান করা যাইবে।
[৫। (১) ভোটার তালিকা আইন, ২০০৯ (২০০৯ সনের ৬ নং আইন) অনুসারে ভোটার হিসাবে তালিকাভুক্ত প্রত্যেক নাগরিক, নির্ধারিত পদ্ধতি ও শর্ত সাপেক্ষে, জাতীয় পরিচয়পত্র পাইবার অধিকারী হইবেন।
(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কমিশন অন্যান্য নাগরিককে, নির্ধারিত পদ্ধতি ও শর্ত সাপেক্ষে, জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদান করিতে পারিবে।]
কমিশন জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন কার্যক্রম পরিচালনা, পরিচয়পত্র প্রস্তুতকরণ, বিতরণ ও রক্ষণাবেক্ষণসহ আনুষাঙ্গিক সকল দায়িত্ব পালন করিবে।
(১) এই আইনের অধীন কোন নাগরিককে প্রদত্ত জাতীয় পরিচয়পত্রের মেয়াদ হইবে উহা প্রদানের তারিখ হইতে পনের বছর।
[(২) জাতীয় পরিচয়পত্রের মেয়াদ উত্তীর্ণ হইবার পূর্বে বা পরে উহা নবায়নের জন্য প্রত্যেক নাগরিককে নির্ধারিত পদ্ধতি ও ফি প্রদান সাপেক্ষে কমিশনের নিকট আবেদন করিতে হইবে।]
(৩) কমিশন উপ-ধারা (২) এর অধীন আবেদন প্রাপ্তির পর নির্ধারিত পদ্ধতিতে ও সময়ে জাতীয় পরিচয়পত্র [নবায়ন] করিবে।
কোন নাগরিকের অনুকূলে যে তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদান করা হইয়াছে-
(ক) উক্ত তথ্য-উপাত্তের সংশোধনের প্রয়োজন হইলে নাগরিক কর্তৃক প্রদত্ত আবেদনের ভিত্তিতে, নির্ধারিত পদ্ধতি ও ফি প্রদান সাপেক্ষে, কমিশন কর্তৃক উহা সংশোধন করা যাইবে; অথবা
(খ) উক্ত তথ্যাদি জাতীয় [পরিচয়পত্র বা তথ্য-উপাত্তে] সঠিকভাবে লিপিবদ্ধ না হইলে উক্ত নাগরিক কর্তৃক প্রদত্ত আবেদনের ভিত্তিতে কমিশন কর্তৃক, কোন রকম ফি প্রদান ব্যতিরেকে, উহা সংশোধন করা যাইবে।
(১) কোন নাগরিকের জাতীয় পরিচয়পত্র হারাইয়া গেলে বা অন্যভাবে নষ্ট হইয়া গেলে তিনি নির্ধারিত পদ্ধতিতে ও ফি প্রদান সাপেক্ষে নূতন জাতীয় পরিচয়পত্রের জন্য আবেদন করিতে পারিবেন।
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন আবেদন প্রাপ্তির পর কমিশন উক্ত নাগরিক বরাবরে নির্ধারিত পদ্ধতিতে ও সময়ে নূতন পরিচয়পত্র প্রদান করিবে।
কোন নাগরিকের নাগরিকত্ব অবসান হইলে তাহার জাতীয় পরিচয়পত্র বাতিল বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত জাতীয় পরিচয়পত্রে প্রদত্ত জাতীয় পরিচিতি নম্বর অন্য কোন নাগরিকের বরাবরে প্রদত্ত জাতীয় পরিচয়পত্রে ব্যবহার করা যাইবে না।
(১) সরকার, সরকারী গেজেটে এবং তদতিরিক্ত ঐচ্ছিকভাবে ইলেকট্রনিক গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, উহাতে উল্লিখিত যে কোন সেবা বা নাগরিক সুবিধা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে, নাগরিকগণকে জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদর্শন ও উহার অনুলিপি দাখিলের ব্যবস্থা চালু করিতে পারিবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, বাংলাদেশের সমগ্র এলাকায় সাধারণভাবে নাগরিকগণের অনুকূলে জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদান কার্যক্রম সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত এইরূপ প্রজ্ঞাপন জারি বা ব্যবস্থা চালু করা যাইবে না।
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন প্রজ্ঞাপন জারি না করা পর্যন্ত, জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদর্শন, কিংবা ক্ষেত্রমত, জাতীয় পরিচয়পত্রের অনুলিপি দাখিল করিবার জন্য কোন নাগরিককে বাধ্য করা যাইবে না এবং জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকিবার কারণে কোন নাগরিককে নাগরিক সুবিধা বা সেবা পাইবার অধিকার হইতে বঞ্চিত করা যাইবে না।
এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে কমিশনের চাহিদা অনুযায়ী যে কোন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা উহাদের নিকট সংরক্ষিত তথ্য-উপাত্ত, ইত্যাদি কমিশনকে প্রদান করিতে বাধ্য থাকিবে এবং কমিশনের দায়িত্ব পালনে কমিশনকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করিবে।
[১৩। (১) কমিশন তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে তথ্য-উপাত্ত সংরক্ষণ করিবে।
(২) কমিশনের নিকট সংরক্ষিত তথ্য-উপাত্ত গোপনীয় বলিয়া বিবেচিত হইবে।
(৩) উপ-ধারা (২) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, নির্ধারিত পদ্ধতি ও শর্তে কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কমিশনের নিকট সংরক্ষিত তথ্য-উপাত্ত পাইবার জন্য আবেদন করিতে পারিবে এবং কমিশন উক্তরূপ চাহিত তথ্য-উপাত্ত, ভিন্নরূপ বিবেচিত না হইলে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে সরবরাহ করিবে।]
[১৩ক। কোন ব্যক্তি নির্ধারিত পদ্ধতি ও সার্ভিস চার্জের বিনিময়ে তথ্য-উপাত্তে সংরক্ষিত তথ্যের সঠিকতা যাচাই করিবার জন্য কমিশনের নিকট আবেদন করিতে পারিবে।]
কোন নাগরিক জাতীয় পরিচয়পত্র প্রাপ্তির লক্ষ্যে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে বা জ্ঞাতসারে কোন মিথ্যা বা বিকৃত তথ্য প্রদান বা তথ্য গোপন করিলে তিনি এই আইনের অধীন অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি অনূর্ধব এক বৎসর কারাদন্ড বা অনধিক বিশ হাজার টাকা অর্থদন্ড বা উভয় দন্ডে দন্ডিত হইবেন।
কোন নাগরিক জ্ঞাতসারে একাধিক জাতীয় পরিচয়পত্র গ্রহণ করিলে তিনি এই আইনের অধীন অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি অনূর্ধ্ব এক বৎসর কারাদন্ড বা অনধিক বিশ হাজার টাকা অর্থদন্ড বা উভয় দন্ডে দন্ডিত হইবেন।
(১) কমিশনের কোন কর্মকর্তা বা কর্মচারী অথবা এই আইন দ্বারা বা ইহার অধীন জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন কার্যক্রম পরিচালনা, পরিচয়পত্র প্রস্তুতকরণ, বিতরণ ও রক্ষণাবেক্ষণ সংক্রান্ত দায়িত্ব পালনরত কোন ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে কমিশনের নিকট সংরক্ষিত জাতীয় পরিচয়পত্র সংক্রান্ত কোন তথ্য-উপাত্ত বিকৃত বা বিনষ্ট করিলে তিনি এই আইনের অধীন অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি অনূর্ধ্ব সাত বৎসরের কারাদন্ড বা অনধিক এক লক্ষ টাকা অর্থদন্ড বা উভয় দন্ডে দন্ডিত হইবেন।
(২) কোন ব্যক্তি অসৎ উদ্দেশ্যে জাতীয় পরিচয়পত্রে উল্লিখিত কোন তথ্য বিকৃত অথবা বিনষ্ট করিলে তিনি এই আইনের অধীন অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি অনূর্ধ্ব দুই বৎসর কারাদন্ড বা অনধিক চল্লিশ হাজার টাকা অর্থদন্ড, বা উভয় দন্ডে দন্ডিত হইবে।
[১৬ক। কোন ব্যক্তি তথ্য-উপাত্তে অননুমোদিতভাবে প্রবেশ করিলে বা বেআইনীভাবে তথ্য-উপাত্ত ব্যবহার করিলে তিনি এই আইনের অধীন অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি অনূর্ধ্ব পাঁচ বৎসর কারাদণ্ড বা অনধিক পঞ্চাশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।]
কমিশনের কোন কর্মকর্তা বা কর্মচারী অথবা এই আইন দ্বারা বা ইহার অধীন জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন কার্যক্রম পরিচালনা, পরিচয়পত্র প্রস্তুতকরণ, বিতরণ ও রক্ষণাবেক্ষণ সংক্রান্ত কোন দায়িত্ব পালনরত কোন ব্যক্তি, কোন যুক্তিসংগত কারণ ছাড়া, দায়িত্বে অবহেলা করিলে তিনি এই আইনের অধীন অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি অনূর্ধ্ব এক বৎসর কারাদন্ড বা অনধিক বিশ হাজার টাকা অর্থদন্ড বা উভয় দন্ডে দন্ডিত হইবেন।
[১৭ক। কমিশনের কোন সদস্য, কর্মকর্তা, কর্মচারী বা উহার প্রতিনিধি অননুমোদিতভাবে তথ্য-উপাত্ত কোন ব্যক্তির নিকট প্রকাশ করিলে তিনি এই আইনের অধীন অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি অনূর্ধ্ব পাঁচ বৎসর কারাদণ্ড বা অনধিক পঞ্চাশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।]
(১) কোন ব্যক্তি জাতীয় পরিচয়পত্র জাল করিলে বা জ্ঞাতসারে উক্তরূপ পরিচয়পত্র বহন করিলে তিনি এই আইনের অধীন অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি অনূর্ধ্ব সাত বৎসর কারাদন্ড এবং অনধিক এক লক্ষ টাকা অর্থদন্ডে দন্ডিত হইবেন।
(২) কোন ব্যক্তি জাতীয় পরিচয়পত্র জাল করিবার কাজে সহায়তা বা উক্তরূপ পরিচয়পত্র বহনে প্ররোচনা করিলে তিনি এই আইনের অধীন অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি অনূর্ধ্ব সাত বৎসর কারাদন্ড এবং অনধিক এক লক্ষ টাকা অর্থদন্ডে দন্ডিত হইবেন।
কোন ব্যক্তি কোন যুক্তিসঙ্গত কারণ ব্যতীত অন্য কোন নাগরিকের জাতীয় পরিচয়পত্র ধারণ বা বহন করিলে তিনি এই আইনের অধীন অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন এবং উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি অনূর্ধ্ব এক বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদন্ড বা অনধিক বিশ হাজার টাকা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ডে দন্ডনীয় হইবেন।
এই আইনে ভিন্নরূপ কিছু না থাকিলে, কোন অপরাধের অভিযোগ দায়ের, তদন্ত, বিচার ও আপীল নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে Code of Criminal Procedure, 1898(Act No. V of 1898) এর বিধানাবলী প্রযোজ্য হইবে।
এই আইনের অধীন অপরাধসমূহ আমলযোগ্য (cognizable), অ-আপোষযোগ্য (non-compoundable) ও জামিনযোগ্য (bailable) হইবে।
কমিশন, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, সরকারী গেজেটে এবং তদতিরিক্ত ঐচ্ছিকভাবে ইলেকট্রনিক গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবে।
কমিশন, সরকারী গেজেটে এবং তদতিরিক্ত ঐচ্ছিকভাবে ইলেকট্রনিক গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে প্রবিধান প্রণয়ন করিতে পারিবে।
এই আইন প্রবর্তনের পর সরকার, যথাশীঘ্র সম্ভব,সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের ইংরেজীতে অনূদিত একটি নির্ভরযোগ্য পাঠ প্রকাশ (Authentic English Text) করিবে।
(২) বাংলা ও ইংরেজী পাঠের মধ্যে বিরোধের ক্ষেত্রে বাংলা পাঠ প্রাধান্য পাইবে।