চার্টার্ড সেক্রেটারী পেশার উন্নয়ন, বিকাশ ও নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে প্রণীত আইন যেহেতু চার্টার্ড সেক্রেটারী পেশার উন্নয়ন, বিকাশ ও নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে বিধান করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়; সেহেতু এতদ্দ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইল :-
(১) এই আইন চার্টার্ড সেক্রেটারীজ আইন, ২০১০ নামে অভিহিত হইবে ।
(২) ইহা অবিলম্বে কার্যকর হইবে।
বিষয় বা প্রসঙ্গের পরিপন্থী কিছু না থাকিলে, এই আইনে-
(১) "ইনস্টিটিউট" অর্থ ধারা ৩ এর অধীন প্রতিষ্ঠিত ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড সেক্রেটারীজ অব বাংলাদেশ (আইসিএসবি);
(২) "এসোসিয়েট" অর্থ ধারা ১৪ তে উল্লিখিত কোন এসোসিয়েট সদস্য;
(৩) "কাউন্সিল" অর্থ ধারা ৫ এ উল্লিখিত চার্টার্ড সেক্রেটারীজ কাউন্সিল;
(৪) "কমিটি" অর্থ ধারা ১৩ এর অধীন গঠিত স্থায়ী কমিটি বা, ক্ষেত্রমত, সাব-কমিটি;
(৫) "কোম্পানী আইন" অর্থ কোম্পানী আইন, ১৯৯৪ (১৯৯৪ সনের ১৮ নং আইন);
(৬) "চার্টার্ড সেক্রেটারী" অর্থ রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্ত কোন সদস্য;
(৭) "তহবিল" অর্থ ধারা ২৪ এর অধীন গঠিত তহবিল;
(৮) "নির্ধারিত" অর্থ প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত;
(৯) "পেশা" অর্থ চার্টার্ড সেক্রেটারীজ পেশা, যাহা একজন কোম্পানী সেক্রেটারী কোম্পানী আইন, সিকিউরিটিজ আইন এবং অন্যান্য প্রচলিত আইন অনুসারে করিয়া থাকেন;
(১০) "প্রবিধান" অর্থ এই আইনের অধীন প্রণীত প্রবিধান;
(১১) "প্রাইভেট প্র্যাকটিস" অর্থ ধারা ১৯ এর উপ-ধারা (৮) এ উল্লিখিত কোন কার্য;
(১২) "প্রেসিডেন্ট" অর্থ কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এবং প্রেসিডেন্ট হিসাবে দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তিও উহার অন্তর্ভুক্ত হইবে;
(১৩) "পেশাগত অসদাচরণ" অর্থ ধারা ২০ এ উল্লিখিত পেশাগত অসদাচরণ;
(১৪) "ফেলো" অর্থ ধারা ১৪ তে উল্লিখিত কোন ফেলো সদস্য;
(১৫) "বিলুপ্ত ইনস্টিটিউট" অর্থ ধারা ৩৫ এর বিধান অনুসারে বিলুপ্তকৃত Institute of Chartered Secretaries and Managers of Bangladesh;;
(১৬) "রেজিস্টার" অর্থ ধারা ১৮ তে উল্লিখিত রেজিস্টার;
(১৭) "সদস্য" অর্থ রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্ত কোন ব্যক্তি;
(১৮) "সিকিউরিটিজ আইন" অর্থ Securities and Exchange Ordinance, 1969 (Ordinance No. XVII of 1969)।
(১) এই আইন বলবৎ হইবার পর, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সরকার সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড সেক্রেটারীজ অব বাংলাদেশ (আইসিএসবি) নামে একটি ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করিবে।
(২) ইনস্টিটিউট একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা হইবে এবং ইহার স্থায়ী ধারাবাহিকতা ও একটি সাধারণ সীলমোহর থাকিবে এবং, এই আইনের বিধানাবলী সাপেক্ষে, ইহার স্থাবর ও অস্থাবর উভয় প্রকার সম্পত্তি অর্জন করিবার, অধিকারে রাখিবার ও হস্তান্তর করিবার ক্ষমতা থাকিবে এবং ইনস্টিটিউট ইহার স্বীয় নামে মামলা দায়ের করিতে পারিবে এবং উক্ত নামে ইহার বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করা যাইবে।
ইনস্টিটিউটের প্রধান কার্যালয় ঢাকায় থাকিবে এবং ইহা, প্রয়োজনবোধে, বাংলাদেশের যে কোন স্থানে শাখা কার্যালয় স্থাপন করিতে পারিবে।
(১) ইনস্টিটিউটের ব্যবস্থাপনা ও প্রশাসনিক কার্যাবলী পরিচালনার জন্য উহার একটি কাউন্সিল থাকিবে, যাহা চার্টার্ড সেক্রেটারীজ কাউন্সিল নামে অভিহিত হইবে।
(২) ইনস্টিটিউটের ব্যবস্থাপনা ও প্রশাসনিক কার্যাবলী পরিচালনা পদ্ধতি প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত হইবে, তবে এতদুদ্দেশ্যে প্রবিধান প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত, কাউন্সিল কর্তৃক গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ইনস্টিটিউটের কর্মকান্ড পরিচালনা করা যাইবে।
(১) নিম্নবর্ণিত সদস্যগণের সমন্বয়ে কাউন্সিল গঠিত হইবে, যথাঃ-
(২) প্রেসিডেন্ট কাউন্সিলের প্রধান হইবেন।
(৩) প্রেসিডেন্ট এর পদ শূন্য হইলে বা তাঁহার অনুপস্থিতি, অসুস্থতা বা অন্য কোন কারণে তিনি তাহার দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হইলে, উক্ত শূন্য পদে নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত কিংবা প্রেসিডেন্ট পুনরায় স্বীয় দায়িত্ব পালনে সমর্থ না হওয়া পর্যন্ত সিনিয়র ভাইস-প্রেসিডেন্ট এবং সিনিয়র ভাইস-প্রেসিডেন্ট এর অবর্তমানে ভাইস-প্রেসিডেন্ট, প্রেসিডেন্টের যাবতীয় দায়িত্ব পালন করিবেন।
(১) কাউন্সিলের মেয়াদ হইবে উহার প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে তিন বৎসর।
(২) কাউন্সিলের নির্বাচিত সদস্যগণ, পদত্যাগ না করিলে, কাউন্সিলের মেয়াদ উত্তীর্ণ না হওয়া পর্যন্ত স্ব-স্ব পদে বহাল থাকিবেন এবং তাহারা পুনঃনির্বাচনের জন্য অযোগ্য হইবেন না।
(৩) উপ-ধারা (১) ও (২) তে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ক্ষেত্রমত, কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট, সিনিয়র ভাইস-প্রেসিডেন্ট ও ভাইস-প্রেসিডেন্ট, তাঁহাদের উত্তরাধিকারী কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত, স্বীয় পদে বহাল রহিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।
(১) কোন কাউন্সিলের মেয়াদ অবসানের পূর্ববর্তী ষাট দিনের মধ্যে, পরবর্তী কাউন্সিল গঠনের উদ্দেশ্যে, উহার সদস্যগণের নির্বাচন ও, ক্ষেত্রমত, মনোনয়ন সম্পন্ন করিতে হইবে।
(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইন কার্যকর হইবার অনধিক নব্বই দিনের মধ্যে নির্বাচন ও, ক্ষেত্রমত, মনোনয়ন সম্পন্ন করিয়া কাউন্সিল গঠন করিতে হইবে।
(৩) কাউন্সিলের প্রথম সভায় উহার প্রেসিডেন্ট, সিনিয়র ভাইস-প্রেসিডেন্ট ও ভাইস-প্রেসিডেন্ট এর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে।
(৪) কাউন্সিলের সদস্য পদে মনোনয়নের ক্ষেত্রে, মনোনয়ন প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ বা সংস্থা, যে কোন সময়, সংশ্লিষ্ট মনোনয়ন বাতিলপূর্বক নূতন মনোনয়ন প্রদান করিতে পারিবে।
(৫) উপ-ধারা (১) ও (২) এ উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে কাউন্সিল গঠন করা না হইলে, সরকার কাউন্সিলের মেয়াদ শেষে একজন প্রশাসক নিয়োগ করিবে এবং প্রশাসক, যথাশীঘ্র সম্ভব, কাউন্সিল গঠন করিবার ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।
(৬) কাউন্সিলের নির্বাচন প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হইবে।
(৭) কাউন্সিলের কোন নির্বাচনকে কেন্দ্র করিয়া কোন বিরোধ দেখা দিলে উক্ত বিরোধ নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল কতৃর্ক নিষ্পত্তি হইবে।
(৮) কাউন্সিল কতৃর্ক কাউন্সিলের ফেলো সদস্যগণের মধ্য হইতে একজন জ্যেষ্ঠ সদস্যকে চেয়ারম্যান এবং কাউন্সিলের অপর দুইজন সদস্যকে সদস্য করিয়া নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল গঠিত হইবে এবং কাউন্সিলের নির্বাচন সংক্রান্ত বিরোধের ক্ষেত্রে উক্ত ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলিয়া গণ্য হইবে।
(১) ধারা ৬ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (ক) তে উল্লিখিত কাউন্সিলের কোন নির্বাচিত সদস্য যুক্তিসঙ্গত কোন কারণ ব্যতীত পরপর তিনটি সভায় অনুপস্থিত থাকিলে, পদত্যাগ করিলে বা কোন কারণে রেজিস্টার হইতে তাহার নাম অপসারিত হইলে কাউন্সিলে তাহার পদ শূন্য হইয়া যাইবে।
(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত কোন কারণে কাউন্সিলের নির্বাচিত কোন সদস্যের পদ শূন্য হইলে, উক্তরূপ শূন্য হইবার তারিখ হইতে অনধিক নব্বই দিনের মধ্যে, নির্ধারিত পদ্ধতিতে, নূতন নির্বাচনের মাধ্যমে উক্ত শূন্য পদ পূরণ করা হইবে এবং উক্তরূপে নির্বাচিত সদস্য তাহার পূর্বসূরীর মেয়াদের অবশিষ্ট সময়কাল পর্যন্ত কাউন্সিলের সদস্য পদে বহাল থাকিবেন।
(৩) উপ-ধারা (২) তে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কাউন্সিলের মেয়াদ অবসানের পূর্ববর্তী ছয় মাসের মধ্যে কোন পদ শূন্য হইলে, উক্ত পদের জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠান না করিয়া কাউন্সিল উহার সদস্য হইবার যোগ্য কোন ফেলো বা এসোসিয়েটকে সাময়িকভাবে, অবশিষ্ট মেয়াদের জন্য, উক্ত শূন্য পদে নিয়োগ করিতে পারিবে।
[ ব্যাখ্যা : এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট, সিনিয়র ভাইস-প্রেসিডেন্ট ও ভাইস-প্রেসিডেন্ট কাউন্সিলের সদস্য হিসাবে গণ্য হইবেন।]
(১) সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট বা, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্টের পদ শূন্য থাকিলে, ভাইস প্রেসিডেন্টের নিকট স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে প্রেসিডেন্ট এবং প্রেসিডেন্টের নিকট স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে সিনিয়র ভাইস-প্রেসিডেন্ট, ভাইস-প্রেসিডেন্ট ও কাউন্সিলের নির্বাচিত সদস্যগণ পদত্যাগ করিতে পারিবেন।
(২) পদত্যাগপত্র গৃহীত হইবার তারিখ হইতে উহা কার্যকর হইবে এবং কাউন্সিলে সংশ্লিষ্ট পদটি শূন্য হইবে।
(১) প্রেসিডেন্ট কতৃর্ক নির্ধারিত স্থান ও সময়ে কাউন্সিলের সভা অনুষ্ঠিত হইবে এবং প্রেসিডেন্ট এর নির্দেশে সচিব কর্তৃক উক্ত সভা আহবান করা হইবে।
(২) প্রেসিডেন্ট কাউন্সিলের সকল সভায় সভাপতিত্ব করিবেন এবং তাহার অনুপস্থিতিতে সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং উভয়ের অনুপস্থিতিতে ভাইস-প্রেসিডেন্ট সভাপতিত্ব করিবেন।
(৩) উপ-ধারা (২) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, মেয়াদোত্তীর্ণ কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট নবগঠিত কাউন্সিলের প্রথম সভায় সভাপতিত্ব করিবেন।
(৪) কাউন্সিলের মেয়াদ অবসানের পর, অনধিক ত্রিশ দিনের মধ্যে, নবগঠিত কাউন্সিলের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হইবে।
(৫) উপ-ধারা (৪) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ধারা ৮ এর উপ-ধারা (২) এর বিধান অনুসারে কোন কাউন্সিল গঠিত হইলে উক্তরূপ গঠনের পর অনধিক ত্রিশ দিনের মধ্যে কাউন্সিলের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হইবে।
(৬) শুধুমাত্র কাউন্সিলের কোন সদস্যপদে শূন্যতা বা কাউন্সিল গঠনে কোন ত্রুটি থাকিবার কারণে কাউন্সিলের কোন কার্য বা কার্যধারা অবৈধ হইবে না এবং তৎসম্পর্কে কোন প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।
(৭) ন্যূনতম পাঁচ জন সদস্য সমন্বয়ে কাউন্সিলের সভার কোরাম হইবে।
(৮) কাউন্সিলের প্রত্যেক সদস্যের একটি করিয়া ভোট থাকিবে এবং ভোটের সমতার ক্ষেত্রে সভায় সভাপতিত্বকারী ব্যক্তির দ্বিতীয় বা নির্ণায়ক (casting) ভোট প্রদানের ক্ষমতা থাকিবে.
কাউন্সিলের দায়িত্ব ও কার্যাবলী হইবে নিম্নরূপ, যথা ঃ-
(১) চার্টার্ড সেক্রেটারী পেশার মান উন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা;
(২) সদস্য পদের জন্য আবেদন বিবেচনা করা এবং উহা অনুমোদন বা অননুমোদন করা;
(৩) ছাত্র ভর্তি এবং ছাত্রদের শিক্ষা প্রদানের ব্যবস্থা করা ;
(৪) প্রশি্ক্ষণের পাঠ্যক্রম প্রণয়ন এবং উহার উন্নয়ন করা ;
(৫) রেজিস্টারে নাম অন্তর্ভুক্তির জন্য পরীক্ষা পরিচালনা করা এবং উক্ত পরী্ক্ষার ফিস নির্ধারণ করা;
(৬) ছাত্রদের রেজিস্ট্রেশন, প্রশিক্ষণ ও এতদ্সংক্রান্ত নীতি নির্ধারণ করা;
(৭) রেজিস্টারে নাম অন্তর্ভুক্তির জন্য যোগ্যতা নির্ধারণ করা ;
(৮) রেজিস্টারে নাম অন্তর্ভুক্তির জন্য বিদেশীদের যোগ্যতা নির্ধারণ করা;
(৯) এই আইনের অধীন প্রাইভেট প্র্যাকটিস সনদ মঞ্জুর বা না-মঞ্জুর করা;
(১০) যোগ্য ব্যক্তিদের সনদ ও ডিপ্লোমা প্রদান করা ;
(১১) সদস্য, ছাত্র, পরীক্ষার্থী এবং প্রশিক্ষণ প্রার্থীদের ফিস নির্ধারণ, পরিবর্তন এবং আদায় করা;
(১২) রেজিস্টার হইতে নাম অপসারণজনিত বিষয়ে সিদ্ধান্ত প্রদান এবং অপসারিত নাম পুনর্বহাল করা;
(১৩) পাঠাগার সংরক্ষণ ও পরিচালনা করা;
(১৪) কোম্পানী ব্যবস্থাপনা এবং প্রাসংগিক প্রফেশনাল বিষয়ে সাময়িকী প্রকাশ করা;
(১৫) ছাত্রদের আর্থিক ও অন্যান্য সহযোগিতা প্রদান করা;
(১৬) শৃংখলা সম্পর্কিত নির্ধারিত ক্ষমতা প্রয়োগ করা;
(১৭) ইনস্টিটিউটের জন্য স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জন এবং নূতন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করা;
(১৮) ইনস্টিটিউটের অফিস স্থাপন এবং ইহার ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনা করা;
(১৯) ইনস্টিটিউটের কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ করা;
(২০) কাউন্সিলের নির্বাচন অনুষ্ঠান করা; এবং
(২১) দফা (১)-(২০) এ উল্লিখিত কার্যাদির সম্পূরক কার্য-সম্পাদন করা এবং এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে প্রয়োজনীয় যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
(১) কাউন্সিল, উহার উপর অর্পিত দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করিবার লক্ষ্যে প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, এক বা একাধিক স্থায়ী কমিটি গঠন ও পরিচালনা করিতে পারিবে।
(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত যে কোন স্থায়ী কমিটির উপর অর্পিত দায়িত্ব পালনে সহায়তা প্রদানের জন্য কাউন্সিল, প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, এক বা একাধিক সাব-কমিটি গঠন ও পরিচালনা করিতে পারিবে।
(৩) স্থায়ী কমিটি এবং সাব-কমিটির দায়িত্ব ও কার্যাবলী প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত হইবে।
(১) সদস্যপদ নিম্নরূপ দুই শ্রেণীতে বিভক্ত থাকিবে, যথা :-
(২) বিলুপ্ত ইনস্টিটিউটের ফেলো ও এসোসিয়েটগণ এই ইনস্টিটিউটের ফেলো ও এসোসিয়েট হিসাবে গণ্য হইবেন এবং তাহাদের নাম ফেলো ও এসোসিয়েট হিসাবে রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্ত হইবে।
(৩) ইনস্টিটিউটের কোন সদস্যের নাম প্রথম বার রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্ত হইলে তিনি ইনস্টিটিউটের একজন এসোসিয়েট হিসাবে গণ্য হইবেন এবং যতদিন তাহার নাম রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্ত থাকিবে, ততদিন তিনি তাহার নামের পর এসোসিয়েট অব চার্টার্ড সেক্রেটারীজ(এসিএস) উপাধি ব্যবহার করিবার অধিকারী হইবেন।
(৪) কোন এসোসিয়েট তাহার সদস্যভুক্তির তারিখ হইতে একাদিক্রমে পাঁচ বৎসর চার্টার্ড সেক্রেটারী পেশায় বা তৎসংক্রান্ত চাকুরীতে নিয়োজিত থাকিলে, ফেলো সদস্যভুক্তির আবেদন ও ফি প্রদান সাপেক্ষে, কাউন্সিল কর্তৃক যোগ্য বিবেচিত হইলে, আবেদনের তারিখ হইতে তিনি ইনস্টিটিউটের ফেলো হিসাবে গণ্য হইবেন।
(৫) ফেলো হিসাবে কোন ব্যক্তির নাম রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্ত থাকিলে, যতদিন তাহার নাম রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্ত থাকিবে, ততদিন তিনি তাহার নামের পর ফেলো অব চার্টার্ড সেক্রেটারীজ (এফসিএস) উপাধি ব্যবহার করিবার অধিকারী হইবেন।
(১) নিম্নবর্ণিত ব্যক্তিগণ সদস্য হইবার যোগ্য হইবেন, যথা :-
(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, উক্ত উপ-ধারার অধীন সদস্য হইবার যোগ্য কোন ব্যক্তি যদি বাংলাদেশে স্থায়ীভাবে বসবাস না করেন, তাহা হইলে তাহার সদস্য হইবার বা সদস্য পদ বহাল রাখিবার বিষয়ে কাউন্সিল বিশেষ শর্ত আরোপ করিতে পারিবে।
ধারা ১৫ তে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন ব্যক্তি সদস্য হইবার যোগ্য হইবেন না, যদি-
(১) কোন ব্যক্তি সদস্য হইতে ইচ্ছুক হইলে, তাহাকে নির্ধারিত ফিসসহ নির্ধারিত ফরমে, সচিবের নিকট আবেদন করিতে হইবে।
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন আবেদন প্রাপ্তির পর সচিব উহা কাউন্সিলে উপস্থাপন করিবেন এবং কাউন্সিল, নির্ধারিত পদ্ধতিতে, উক্ত আবেদন মঞ্জুর বা নামঞ্জুর করিতে পারিবে।
(৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন কোন আবেদন নামঞ্জুর করা হইলে উক্তরূপ নামঞ্জুরের ত্রিশ দিনের মধ্যে কাউন্সিলের নিকট বিষয়টি পুনঃবিবেচনার জন্য আবেদন করা যাইবে এবং কাউন্সিল উক্তরূপ আবেদনের পঁয়তাল্লিশ দিনের মধ্যে, নির্ধারিত পদ্ধতিতে, সংশ্লিষ্ট আবেদন নিষ্পত্তি করিবে।
(৪) উপ-ধারা (২) বা, ক্ষেত্রমত, উপ-ধারা (৩) এর অধীন কোন আবেদন মঞ্জুর করা হইলে উক্ত নাম রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্ত করা হইবে।
(৫) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, বিলুপ্ত ইনস্টিটিউটের সদস্যগণকে আবেদন বা ফি প্রদান ব্যতিরেকে ইনস্টিটিউটের সদস্য হিসাবে রেজিস্টারে নাম অন্তর্ভুক্ত করা হইবে।
(১) সচিব, নিম্নবর্ণিত তথ্যাদি উল্লেখপূর্বক, নির্ধারিত পদ্ধতিতে, সদস্যগণের নাম রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্ত ও সংরক্ষণ করিবেন, যথাঃ-
(২) কোন ব্যক্তির নাম রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্ত থাকিলে তিনি ইনস্টিটিউটের সদস্য হইবেন এবং চার্টার্ড সেক্রেটারী নামে অভিহিত হইবেন।
(৩) প্রতি বৎসর জানুয়ারি মাসের এক তারিখে বা তৎপূর্বে, নির্ধারিত পদ্ধতিতে, ইনস্টিটিউট উহার সদস্যগণের তালিকা প্রকাশ করিবে।
(৪) উপ-ধারা (৩) এর অধীন প্রকাশিত তালিকার কপি সদস্যগণ, নির্ধারিত ফি প্রদান সাপেক্ষে, ইনস্টিটিউট হইতে সংগ্রহ করিতে পারিবেন।
(৫) প্রত্যেক সদস্যকে, নির্ধারিত পদ্ধতিতে, বাৎসরিক সদস্য-ফি প্রদান করিতে হইবে।
(১) ইনস্টিটিউট প্রদত্ত সনদপত্রের অধিকারী না হইলে কোন সদস্য বাংলাদেশের কোথাও প্রাইভেট প্র্যাকটিস করিতে পারিবেন না।
(২) কোন সদস্য প্রাইভেট প্র্যাকটিস করিতে আগ্রহী হইলে তাহাকে, নির্ধারিত ফিসহ নির্ধারিত ফরমে, সচিবের নিকট আবেদন করিতে হইবে।
(৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন আবেদন প্রাপ্তির পর সচিব উহা কাউন্সিলে উপস্থাপন করিবেন এবং কাউন্সিল, নির্ধারিত পদ্ধতিতে, উক্ত আবেদন মঞ্জুর বা নামঞ্জুর করিতে পারিবে।
(৪) উপ-ধারা (৩) এর অধীন কোন আবেদন নামঞ্জুর করা হইলে উক্তরূপ নামঞ্জুরে ত্রিশ দিনের মধ্যে কাউন্সিলের নিকট বিষয়টি পুনঃবিবেচনার জন্য আবেদন করা যাইবে এবং কাউন্সিল উক্তরূপ আবেদনের পঁয়তাল্লিশ দিনের মধ্যে, নির্ধারিত পদ্ধতিতে, সংশ্লিষ্ট আবেদন নিষ্পত্তি করিবে।
(৫) উপ-ধারা (৩) বা, ক্ষেত্রমত, উপ-ধারা (৪) এর অধীন কোন আবেদন মঞ্জুর করা হইলে সচিব, ইনস্টিটিউটের পক্ষে, সংশ্লিষ্ট সদস্যের অনুকূলে প্রাইভেট প্র্যাকটিস সনদ ইস্যু করিবেন।
(৬) প্রাইভেট প্র্যাকটিস সনদধারী প্রত্যেক সদস্যকে, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে, নির্ধারিত বাৎসরিক ফি প্রদান করিতে হইবে।
(৭) প্রাইভেট প্র্যাকটিসরত কোন চার্টার্ড সেক্রেটারী কোন কোম্পানীতে সার্বক্ষণিক চাকুরীতে নিয়োজিত হইতে পারিবেন না এবং কোন কোম্পানীতে সার্বক্ষণিক চাকুরীতে নিয়োজিত কোন চার্টার্ড সেক্রেটারী প্রাইভেট প্র্যাকটিস করিতে পারিবেন না।
(৮) এই আইনে ভিন্নরূপ কিছু না থাকিলে, কোন সদস্য চার্টার্ড সেক্রেটারী পেশায় সার্বক্ষণিক চাকুরীতে নিয়োজিত না হইয়া ব্যক্তিগতভাবে নিম্নরূপ কোন কার্যাদির সহিত সম্পৃক্ত থাকিলে তিনি প্রাইভেট প্র্যাকটিস করেন বলিয়া গণ্য হইবে, যদি তিনি,-
(৯) এই আইনে ভিন্নরূপ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইন কার্যকর হইবার অব্যবহিত পূর্বে কর্মরত কোন কোম্পানী সেক্রেটারীর চাকুরী অব্যাহত থাকিবার ক্ষেত্রে চার্টার্ড সেক্রেটারী সনদ বা প্রাইভেট প্র্যাকটিস সনদ কোন বাধা হইবে না।
(১) কোন চার্টার্ড সেক্রেটারী পেশাগত অসদাচরণ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে, যদি তিনি-
(২) প্রাইভেট প্র্যাকটিস না করিয়া বা চার্টার্ড সেক্রেটারী হিসাবে কর্মরত না থাকিয়া অন্য কোন চাকুরীতে নিয়োজিত আছেন বা থাকেন, এমন কোন সদস্য অসদাচরণ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে, যদি তিনি,-
(৩) কোন সদস্য, পেশাগত অসদাচরণ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে, যদি তিনি-
(৪) প্রাইভেট প্র্যাকটিসরত কোন চার্টার্ড সেক্রেটারী পেশাগত অসদাচরণ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে, যদি তিনি-
(১) কোন তথ্য বা অভিযোগের ভিত্তিতে বা কাউন্সিল নিজ উদ্যোগে যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, কোন সদস্য পেশাগত বা অন্য কোনভাবে ধারা ২০ এর অধীন কোন অসদারচরণে লিপ্ত বা অসদাচরণের দায়ে অভিযুক্ত, তাহা হইলে কাউন্সিল বিষয়টি তদন্ত করিবার জন্য শৃঙ্খলা কমিটি গঠন করিতে পারিবে এবং শৃঙ্খলা কমিটি, নির্ধারিত পদ্ধতিতে, তদন্তপূর্বক উহার তদন্তের প্রতিবেদন কাউন্সিলের নিকট পেশ করিবে।
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর কাউন্সিল যদি এই মর্মে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে যে, সংশ্লিষ্ট সদস্য কোন পেশাগত অসদাচণের দায়ে দোষী নহেন, তাহা হইলে অভিযোগটি খারিজ করিয়া দিবে।
(৩) উপ-ধারা (১) এর অধীন প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর যদি কাউন্সিল মনে করে যে, সংশ্লিষ্ট সদস্য কোন পেশাগত অসদাচরণের দায়ে দোষী, তাহা হইলে কাউন্সিল তাহাকে যুক্তিসঙ্গত শুনানীর সুযোগ প্রদানপূর্বক নিম্নবর্ণিত ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারিবে, যথা :-
(৪) উপ-ধারা (৩) এর অধীন কোন আদেশ প্রদান করা হইলে উক্ত আদেশ প্রাপ্তির তারিখ হইতে ত্রিশ দিনের মধ্যে সংক্ষুব্ধ সদস্য সরকারের নিকট আপীল করিতে পারিবে এবং সরকার উক্ত আপীল দায়েরের তারিখ হইতে নব্বই দিনের মধ্যে আপীলটি নিষ্পত্তি করিবে এবং এই ক্ষেত্রে সরকারের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে।
(৫) সরকার উপ-ধারা (৪) এর উল্লিখিত সময়ের মধ্যে আপীলটি নিষ্পত্তি করিতে না পারিলে উহা মঞ্জুর হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।
(১) কোন সদস্য,-
(২) কাউন্সিল, উপ-ধারা (১) এর অধীন, কোন সদস্যের নাম রেজিস্টার হইতে অপসারণের নির্দেশ প্রদান করিলে, সচিব উক্ত সদস্যের নাম রেজিস্টার হইতে অপসারণ করিবেন।
(১) কাউন্সিল, ইনস্টিটিউটের কার্যাবলী সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের উদ্দেশ্যে, একজন সচিবসহ প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ করিতে পারিবে এবং উক্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণের চাকুরীর শর্তাবলী প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত হইবে।
(২) সচিব ইনস্টিটিউটের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হইবেন এবং তিনি, কাউন্সিলের সার্বিক তত্ত্বাবধানে, ইনস্টিটিউটের প্রশাসন পরিচালনার জন্য দায়ী থাকিবেন।
(৩) সচিবের পদ শূন্য হইলে কিংবা অনুপস্থিতি বা অন্য কোন কারণে সচিব তাহার দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হইলে শূন্য পদে নব নিযুক্ত সচিব কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত কিংবা সচিব পুনরায় স্বীয় দায়িত্ব পালনে সমর্থ না হওয়া পর্যনত্দ ইনস্টিটিউটে কর্মরত কর্মকর্তাগণের মধ্য হইতে জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা সচিব হিসাবে দায়িত্ব পালন করিবেন।
(১) ইনস্টিটিউটের একটি তহবিল থাকিবে এবং উহাতে নিম্নবর্ণিত অর্থ জমা হইবে, যথা :-
(২) তহবিল, কাউন্সিলের অনুমোদক্রমে, এক বা একাধিক তফসিলি ব্যাংকে জমা রাখা হইবে এবং, প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, উক্ত তহবিল হইতে অর্থ উত্তোলন করা যাইবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, প্রবিধান প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত কাউন্সিল কতৃর্ক গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুসারে তহবিল হইতে অর্থ উত্তোলন করা যাইবে।
(৩) তহবিল হইতে, প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, ইনস্টিটিউটের প্রয়োজনীয় ব্যয় নির্বাহ করা হইবে।
(১) ইনস্টিটিউট তহবিলের সঠিক ও যথাযথ হিসাব সংরক্ষণ করিবে এবং আয়-ব্যয়ের হিসাব নির্ধারিত পদ্ধতিতে চার্টার্ড একাউন্টেন্টস ফার্ম দ্বারা নিরীক্ষা করাইবে।
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন নিয়োগকৃত চার্টার্ড একাউন্টেন্টস ফার্ম ইনস্টিটিউটের হিসাব সংক্রান্ত যাবতীয় বই ও অন্যান্য দলিল পরীক্ষা-নিরীক্ষা করিতে পারিবে এবং প্রয়োজনবোধে কাউন্সিলের যে কোন সদস্য এবং ইনস্টিটিউটের যে কোন কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করিতে পারিবে।
(৩) হিসাব নিরীক্ষার পর চার্টার্ড একাউন্টেন্ট্স ফার্ম ইনস্টিটিউটের নিকট নিরীক্ষা প্রতিবেদন পেশ করিবে এবং নিরীক্ষা প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর ইনস্টিটিউট উহা প্রকাশ করিবে এবং উহার একটি কপি সরকার ও কাউন্সিলের প্রত্যেক সদস্যের নিকট প্রেরণ করিবে।
(১) তহবিল পরিচালনা ও রক্ষণের জন্য একজন ট্রেজারার থাকিবেন।
(২) ট্রেজারার কাউন্সিল কর্তৃক , উহার নির্বাচিত সদস্যগণের মধ্য হইতে, নিযুক্ত হইবেন এবং তাহার দায়িত্ব ও কার্যাবলী প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত হইবে।
যদি কোন ব্যক্তি-
তাহা হইলে তিনি প্রথমবার দোষী সাব্যস্ত হইলে অনধিক ছয় মাস কারাদন্ডে বা অনধিক পঁচিশ হাজার টাকা অর্থদন্ডে বা উভয় দন্ডে এবং পরবর্তীতে একই অপরাধের জন্য পুনরায় দোষী সাব্যস্ত হইলে প্রতিবারের জন্য অনধিক এক বৎসর কারাদন্ড বা অনধিক এক লক্ষ টাকা অর্থদন্ডে বা উভয় দন্ডিত হইবেন।
(১) এই আইনে ভিন্নতর কিছু না থাকিলে, কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান-
(২) কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান উপ-ধারা (১) এর বিধান লঙ্ঘন করিলে তিনি অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য প্রথমবার দোষী সাব্যস্ত হইলে অনধিক ছয় মাস কারাদন্ডে বা অনধিক পঁচিশ হাজার টাকা অর্থদন্ডে বা উভয় দন্ডে এবং পরবর্তীতে একই অপরাধের জন্য পুনরায় দোষী সাব্যস্ত হইলে প্রতিবারের জন্য অনধিক এক বৎসর কারাদন্ড বা অনধিক এক লক্ষ টাকা অর্থদন্ড বা উভয় দন্ডে দন্ডিত হইবেন।
(১) কোন লিমিটেড কোম্পানী, বাংলাদেশে নিবন্ধিত হউক বা না হউক, চার্টার্ড সেক্রেটারী হিসাবে প্র্যাকটিস করিতে পারিবে না।
(২) উপ-ধারা (১) এর বিধান লঙ্ঘনকারী কোন কোম্পানী প্র মবার দোষী সাব্যস্ত হইলে অনধিক পঞ্চাশ হাজার টাকা অর্থদন্ড এবং পরবর্তীতে একই অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার ক্ষেত্রে অনধিক এক লক্ষ টাকা অর্থদন্ডে দন্ডিত হইবে।
(৩) এই আইনের অধীন কোন বিধান লংঘনকারী ব্যক্তি যদি কোম্পানী হয়, তাহা হইলে উক্ত কোম্পানীর মালিক, পরিচালক, ম্যানেজার, সচিব বা অন্য কোন কর্মকর্তা বা প্রতিনিধি বিধানটি লঙ্ঘন করিয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে, যদি না তিনি প্রমাণ করিতে পারেন যে, উক্ত লঙ্ঘন তাহার অজ্ঞাতসারে হইয়াছে অথবা উক্ত লঙ্ঘন রোধ করিবার জন্য তিনি যথাসাধ্য চেষ্টা করিয়াছেন।
ব্যাখ্যা : এই ধারায়-
ইনস্টিটিউট, কাউন্সিলের কোন সদস্য অথবা ইনস্টিটিউটের নিকট হইতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তির লিখিত অভিযোগ ব্যতীত কোন আদালত এই আইনের অধীন কোন অপরাধ বিচারের জন্য গ্রহণ করিবে না।
এই আইনের অধীন কৃত অপরাধের জন্য কোন অভিযোগ দাখিল, তদন্ত, শুনানী, আপীল দায়ের ও নিষ্পত্তি এবং বিচারের ক্ষেত্রে Code of Criminal Procedure, 1898 (Act V of 1898) এর বিধানাবলী অনুসরণ করা হইবে।
এই আইনের অধীনে কোন আদালত কর্তৃক প্রদত্ত কোন রায় বা আদেশ দ্বারা কোন ব্যক্তি সংক্ষুব্দ হইলে তিনি উক্ত রায় বা আদেশ প্রদত্ত হইবার তারিখ হইতে ত্রিশ দিনের মধ্যে এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতে আপীল দায়ের করিতে পারিবেন।
এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে ইনস্টিটিউট, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, প্রবিধান প্রণয়ন করিতে পারিবে।
(১) এই আইন প্রবর্তনের পর সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের ইংরেজীতে অনূদিত একটি নির্ভরযোগ্য পাঠ প্রকাশ করিবে।
(২) বাংলা ও ইংরেজী পাঠের মধ্যে বিরোধের ক্ষেত্রে বাংলা পাঠ প্রাধান্য পাইবে।
(১) কোম্পানী আইন, ১৯৯৪ (১৯৯৪ সনের ১৮ নং আইন) এর অধীন প্রতিষ্ঠিত Institute of Chartered Secretaries and Managers of Bangladesh , এতদ্বারা বিলুপ্ত করা হইল।
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন, Institute of Chartered Secretaries and Managers of Bangladesh , বিলুপ্ত হইবার সংগে সংগে-
(৩) উপ-ধারা (২) এর বিধান কার্যকর করিবার ক্ষেত্রে কোন অসুবিধা দেখা দিলে, উক্ত অসুবিধা দূরীকরণার্থে সরকার, লিখিত আদেশ দ্বারা, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারিবে।