বাংলাদেশের সমগ্র ভূখণ্ড, নির্ধারিত সমুদ্রসীমা ও ইহার অর্থনৈতিক অঞ্চলের প্রাকৃতিক গ্যাস ও উহার সহজাত তরল হাইড্রোকার্বন (associated liquid hydrocarbon) সঞ্চালন,বিতরণ, বিপণন, সরবরাহ ও মজুদের উদ্দেশ্যে এবং উহাদের যথার্থ ও সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিতকরণ এবং এতদ্সংক্রান্ত বিষয়ে বিধান প্রণয়নের লক্ষ্যে প্রণীত আইন। যেহেতু বাংলাদেশের সমগ্র ভূখন্ড, নির্ধারিত সমুদ্রসীমা ও ইহার অর্থনৈতিক অঞ্চলে প্রাকৃতিক গ্যাস ও উহার সহজাত তরল হাইড্রোকার্বন (associated liquid hydrocarbon) এর সঞ্চালন, বিতরণ, বিপণন, সরবরাহ ও মজুদের উদ্দেশ্যে এবং উহাদের যথার্থ ও সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিতকরণ এবং এতদ্সংক্রান্ত বিষয়ে বিধান প্রণয়ন করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়; এবং যেহেতু প্রাকৃতিক গ্যাস ও উহার সহজাত তরল হাইড্রোকার্বন এর বিক্রয় এবং হিসাব বহির্ভুত গ্যাসের (unaccounted for gas) উপর কার্যকর নিয়ন্ত্রণ এবং সময়মত গ্যাস বিক্রয়লব্দ রাজস্ব আদায় নিশ্চিতকরণ এবং বেসরকারি খাত ও ব্যক্তিগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে প্রতিযোগিতামূলক বাজার সৃষ্টির লক্ষ্যে বিধান প্রণয়ন করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়; সেহেতু এতদ্দ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইল :
(১) এই আইন বাংলাদেশ গ্যাস আইন, ২০১০ নামে অভিহিত হইবে।
(২) ইহা অবিলম্বে কার্যকর হইবে।
বিষয় বা প্রসঙ্গের পরিপন্থী কোন কিছু না থাকিলে, এই আইনে-
(১) "অধিকারভুক্ত এলাকা" অর্থ গ্যাস বিতরণ ও বিপণনের জন্য লাইসেন্সধারীকে অর্পিত ভৌগোলিক এলাকা;
(২) "এনজিএল" অর্থ গ্যাসের অংশবিশেষ, যাহা ভূ-উপরিতলে পৃথকীকরণ যন্ত্র (সেপারেটরস) দ্বারা, গ্যাস ক্ষেত্রের বলবৎ সুবিধাদি দ্বারা অথবা গ্যাস প্রক্রিয়াকরণ প্ল্যান্ট দ্বারা তরলীকৃত অবস্থায় সংগ্রহ করা হয়;
(৩) "এলএনজি" অর্থ পরিবহন এবং মজুদকরণের সুবিধার্থে (Cryogenic) পদ্ধতির মাধ্যমে প্রাকৃতিক গ্যাসের তরল অবস্থা;
(৪) "এসএনজি" অর্থ নির্দিষ্ট আনুপাতিক হারে বাতাসের সহিত এলপিজি মিশ্রিত করিয়া প্রস্তুতকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের এক প্রকার বিকল্প;
(৫) "কনডেনসেট" অর্থ প্রাকৃতিক গ্যাসের সহজাত তরল হাইড্রোকার্বন;
(৬) "কমিশন" অর্থ বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরী কমিশন আইন, ২০০৩ (২০০৩ সালের ১৩ নং আইন) এর ধারা ৪ এর অধীন প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরী কমিশন;
(৭) "কমিশন আইন" অর্থ বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরী কমিশন আইন, ২০০৩ (২০০৩ সালের ১৩ নং আইন);
(৮) "করপোরেশন" অর্থ-
(৯) "কোম্পানী" অর্থ কোম্পানী আইন, ১৯৯৪ (১৯৯৪ সনের ১৮ নং আইন) এর অধীন গঠিত এবং নিবন্ধিত কোন কোম্পানী;
(১০) "গ্যাস" অর্থ প্রাকৃতিক গ্যাস (এনজি), প্রাকৃতিক তরল গ্যাস (এনজিএল),তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি), সংকুচিত প্রাকৃতিক গ্যাস (সিএনজি), কৃত্রিম প্রাকৃতিক গ্যাস (এসএনজি), তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি), কোল বেড মিথেন (সিবিএম), ভূ-গর্ভস্থ কয়লা গ্যাসে রূপান্তর (ইউসিজি), অথবা স্বাভাবিক তাপমাত্রা ও চাপে গ্যাসীয় উপাদানে রূপান্তরিত হয় এমন প্রাকৃতিক হাইড্রোকার্বনের মিশ্রণ;
(১১) "গ্যাস অপারেটর" অর্থ কমিশন আইন কার্যকর হইবার অব্যবহিত পূর্বে অথবা পরে গ্যাস সংক্রান্ত ব্যবসায় নিয়োজিত যে কোন সরকারী এজেন্সী অথবা কোম্পানী অথবা বেসরকারী এজেন্সী অথবা কোম্পানী অথবা ব্যক্তি;
(১২) "গ্যাস কার্যক্রম পরিচালন" অর্থ কমিশন আইনের অধীন গ্যাসের সঞ্চালন, মজুদকরণ, বিতরণ, সরবরাহ ও বিপণন সংক্রান্ত যে কোন কর্মকান্ড
(১৩) "গ্যাস পরিদর্শক" অর্থ গ্যাস বিতরণ ও বিপণনের লক্ষ্যে পরিদর্শনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি;
(১৪) "গ্যাস বিতরণকারী বা সরবরাহকারী" অর্থ গ্যাস বিতরণ বা সরবরাহের জন্য লাইসেন্সপ্রাপ্ত ব্যক্তি;
(১৫) "গ্যাস শিল্প" অর্থ গ্যাস সম্পর্কিত কর্মকান্ড, যাহাতে গ্যাসের সঞ্চালন, মজুদকরণ, বিতরণ, সরবরাহ ও গ্রাহকের নিকট গ্যাস বিপণন কর্মকান্ড অন্তর্ভুক্ত
(১৬) "গ্যাস সরবরাহ" অর্থ পাইপলাইন, সিলিন্ডার, যানবাহন, বার্জ, জলযান আধার (ভেসেল) অথবা অন্য কোন মাধ্যম দ্বারা গ্রাহকের জন্য গ্যাস বিতরণ বা খুচরা সরবরাহ;
(১৭) "গ্যাস সরবরাহ চুক্তি" অর্থ গ্যাস বিতরণকারী কিংবা সরবরাহকারী কিংবা বিপণনকারী কিংবা বিক্রেতা এবং ক্রেতা কিংবা গ্রাহকের দ্বারা ও তাহাদের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি চুক্তি;
(১৮) "গ্যাস ক্ষেত্র" অর্থ কোন নির্ধারিত ভূতাত্ত্বিক গঠন অথবা বৈশিষ্ট্যের অন্তর্ভুক্ত কোন প্রাকৃতিক গ্যাসাধার অথবা প্রাকৃতিক গ্যাসাধারসমূহের সমষ্টি;
(১৯) "গ্রাহক" অর্থ গ্যাস বিতরণকারী অথবা সরবরাহকারী কোন ব্যক্তির সহিত চুক্তিতে বর্ণিত শর্তসাপেক্ষে গ্যাস ক্রয় করিবার উদ্দেশ্যে কোন চুক্তি সম্পাদনকারী ব্যক্তি অথবা প্রতিষ্ঠান অথবা চুক্তি সম্পাদনকারীর ভাড়াটিয়া হিসাবে গ্যাস ব্যবহারকারী অথবা অন্য কোনভাবে প্রকৃত গ্যাস ব্যবহারকারীও ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবে;
(২০) "তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি)" অর্থ আবদ্ধ পাত্রে চাপের সাহায্যে তরলাকারে সংরক্ষিত যাহা প্রোপেন অথবা বিউটেনের প্রাধান্যসম্পন্ন এবং উহাদের যে কোন একটি অথবা উভয়ের মিশ্রণ;
(২১) "ধ্বংসাত্মক অথবা নাশকতামূলক কার্যকলাপ" অর্থ ইচ্ছাকৃত যে কোনভাবে গ্যাস শিল্পের ও সম্পদের ক্ষতিসাধন অথবা স্বাভাবিক গ্যাস পরিচালন কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করা অথবা এইরূপ যে কোন প্রচেষ্টা;
(২২) "নির্ধারিত" অর্থ বিধি বা প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত;
(২৩) "পাইপলাইন" অর্থ গ্যাস সঞ্চালন, বিতরণ, সরবরাহ, বিপণনের লক্ষ্যে অনুমোদিত পাইপলাইন এবং কমপ্রেসার, যোগাযোগ যন্ত্রপাতি, মিটার, চাপ নিয়ন্ত্রক, পাম্প, ভালভ এবং উহা পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় অন্যান্য সরঞ্জামাদি ও যন্ত্রাংশও ইহার অন্তর্ভুক্ত;
(২৪) "প্রাকৃতিক গ্যাস" অর্থ প্রাকৃতিকভাবে গ্যাসীয় অবস্থায় প্রাপ্ত হাইড্রোকার্বন, হাইড্রোকার্বনের মিশ্রণ অথবা তরল, বাষ্পীভূত অথবা সংযুক্ত অবস্থায় প্রাপ্ত গ্যাস, যাহার সহিত নিম্নবর্ণিতসহ অন্যান্য অজৈব এক বা একাধিক পদার্থ মিশ্রিত থাকিতে পারে অথবা নাও থাকিতে পারে, যথা :-
(২৫) "ফৌজদারী কার্যবিধি" অর্থ Code of Criminal Procedure, 1898 (Act V of 1898);
(২৬) "ব্যক্তি" অর্থ ব্যক্তি, কোম্পানী, সমিতি ও সংবিধিবদ্ধ অথবা অন্যবিধ অংশীদারী কারবারী সংস্থা অথবা উহাদের প্রতিনিধি এবং সরকারী প্রতিষ্ঠানও ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবে;
(২৭) "বিল" অর্থ বিক্রয় মূল্য এবং চার্জসহ বিক্রিত গ্যাসের পরিমাণ, সেবা অথবা কার্যসম্পাদনের বিনিময়ে ধার্য টাকার নিমিত্ত বিবরণ;
(২৮) "মজুদকরণ (Storage)" অর্থ সুষ্ঠুভাবে ও নিরাপদে গ্যাস বিতরণের উদ্দেশ্যে যথোপযুক্ত অবস্থায় গ্যাস পুঞ্জিভূতকরণ বা সঞ্চয়করণ এবং ধারণকরণ;
(২৯) "মিটারধারী" অর্থ এইরূপ গ্রাহক অথবা গ্রাহক শ্রেণী যাহার গ্যাস সরবরাহ মিটারের মাধ্যমে নির্ণীত হয় এবং তদনুযায়ী বিল প্রদেয় হয়;
(৩০) "লাইসেন্স" অর্থ কমিশন আইনের অধীন এবং এই আইনের অধীন ইস্যুকৃত কোন লাইসেন্স;
(৩১) "লাইসেন্সী" অর্থ গ্যাস ও ইহার সহযোগী তরল হাইড্রোকার্বন (associated liquid hydrocarbon) এর সঞ্চালন, বিপণন ও বিতরণ, মজুদকরণ এবং সরবরাহের লক্ষ্যে কমিশন আইন অথবা এই আইনের অধীন লাইসেন্সপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান;
(৩২) "সঞ্চালন" অর্থ উচ্চ-চাপবিশিষ্ট গ্যাস পাইপলাইনের মাধ্যমে নির্ধারিত চাপে অথবা কমিশন কর্তৃক নির্ধারিত উচ্চ চাপে এক স্থান হইতে অন্য স্থানে প্রাকৃতিক গ্যাস স্থানান্তর;
(৩৩) "সিএনজি" অর্থ নির্দিষ্ট চাপ ও তাপমাত্রায় সংকুচিত প্রাকৃতিক গ্যাস;
(৩৪) "হুইলিং চার্জ" অর্থ সঞ্চালন ব্যবস্থা ব্যবহারের জন্য বিধিবদ্ধ চার্জ;
(৩৫) "হিসাব-বহির্ভুত গ্যাস (unaccounted for gas-UFG)" অর্থ একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য কোন পাইপলাইন সিস্টেমে ধারণকৃত গ্যাসের পরিমাণের উপর গ্রহণযোগ্য মাত্রার পার্থক্য অথবা পরিবর্তন ব্যতীত এবং মিটারবিহীন গ্রাহকদের ব্যবহৃত চুলা বা সরঞ্জাম ফ্লাটরেইট অনুযায়ী নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে অতিরিক্ত গ্যাস ব্যবহার ব্যতীত উক্ত পাইপলাইন সিস্টেমে মিটারে রিডিংভুক্ত হইয়া আগত ও মিটারে রিডিংভুক্ত হইয়া বহির্গত গ্যাসের মধ্যে যে পরিমাণগত পার্থক্য অথবা পরিবর্তন পরিলক্ষিত হয়।
আপাতত বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের বিধানাবলী কার্যকর থাকিবে :
তবে বাংলাদেশ এনার্জী রেগুলেটরী কমিশন আইন, ২০০৩ (২০০৩ সালের ১৩ নং আইন) এর বিধানাবলী এই আইনের ক্ষেত্রে, যতটুকু প্রয়োজন, প্রযোজ্য হইবে।
কমিশন আইনের ধারা ২৭ এর বিধান মোতাবেক লাইসেন্স দ্বারা ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান নিম্নবর্ণিত ব্যবসা ও তদসংশ্লিষ্ট কার্যক্রম পরিচালনা করিতে পারিবে, যথা:-
(১) কমিশন কর্তৃক লাইসেন্স দ্বারা ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি গ্যাস সঞ্চালন, বিতরণ, সরবরাহ ও মজুদকরণের নিমিত্ত পাইপলাইন নির্মাণ অথবা স্থাপন করিতে পারিবে এবং প্রত্যেক লাইসেন্সী উহার অধিকারভুক্ত এলাকার নিজস্ব শ্রেণীর বিদ্যমান পাইপ লাইনের কর্তৃত্বসম্পন্ন বলিয়া গণ্য হইবে।
(২) পাইপলাইন নির্মাণ বা স্থাপনের জন্য নিম্নলিখিত বিষয়গুলি বিবেচনা করিতে হইবে, যথাঃ-
(৩) পাইপ লাইন নির্মাণ, স্থাপন ও রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষেত্রে প্রচলিত আইন এবং উক্ত আইনের অধীন প্রণীত বিধিমালা অনুসরণ করা হইবে।
(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে গ্যাস ব্যবহারের প্রকৃতি অনুযায়ী গ্যাস ব্যবহারকারীগণের শ্রেণীবিন্যাস হইবে নিম্নরূপ, যথা :-
(২) এই আইনের উদ্দেশ্যের সাথে সংগতি রাখিয়া সরকার, প্রয়োজনে, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত গ্রাহক শ্রেণী পুনঃবিন্যাস এবং নূতন গ্রাহক শ্রেণী প্রবর্তন ও পুরাতন গ্রাহক শ্রেণী বিলুপ্ত করিতে পারিবে।
(১) লাইসেন্সপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান গ্যাস বিতরণ ব্যবসা পরিচালনা করিতে পারিবে।
(২) গ্যাস বিতরণকারী লাইসেন্সীর দায়িত্ব হইবে, নিম্নরূপ, যথা :-
(৩) নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে গ্যাস সরবরাহ সীমিত অথবা স্থগিত করিবার অথবা গ্রাহকদের গ্যাস ব্যবহারের উপর সীমাবদ্ধতা আরোপ করিবার অথবা গ্যাস লাইন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করিবার ক্ষমতা লাইসেন্সীর থাকিবে, যদি-
(১) এই আইনের অধীনে কোন ব্যক্তি নিম্নবর্ণিত শর্তপূরণ সাপেক্ষে এবং নির্ধারিত পদ্ধতিতে সিএনজি রিফুয়েলিং স্টেশন অথবা যানবাহন সিএনজিতে রূপান্তরকরণ কারখানা, তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) এর ব্যবসা শুরু এবং পরিচালনা করিতে পারিবে, যথাঃ-
(২) নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে সিএনজি, এলপিজি ও এলএনজি সরবরাহ সীমিত, স্থগিত কিংবা সীমাবদ্ধতা আরোপ করিবার ক্ষমতা কমিশনের থাকিবে, যদি-
(৩) নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে সিএনজি সরবরাহ সীমিত, স্থগিত কিংবা সীমাবদ্ধতা আরোপ করিবার ক্ষমতা গ্যাস বিতরণকারীর থাকিবে, যদি-
লাইসেন্সপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান নিম্নবর্ণিত শর্তপূরণ সাপেক্ষে গ্যাসের সরবরাহ ও মজুদকরণ (Supply and Storage) ব্যবসা শুরু এবং পরিচালনা করিতে পারিবে, যথাঃ-
ব্যাখা : এই ধারায় উৎপাদন বন্টন চুক্তি (পিএসসি) বলিতে গ্যাস ও কনডেনসেট উৎপাদন চুক্তি বা গ্যাস সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনার উদ্দেশ্যে সম্পাদিত যে কোন চুক্তিকে বুঝাইবে।
(১) কোন গৃহস্থালী গ্রাহক অথবা বাণিজ্যিক গ্রাহক অথবা শিল্প, মৌসুমী বা ক্যাপটিভ পাওয়ার বা সিএনজি স্টেশন বা চা বাগান শ্রেণীভুক্ত গ্রাহক অথবা বিদ্যুৎ ও সার শ্রেণীভুক্ত গ্রাহকের নিম্নবর্ণিত যে কোন কাজ হইবে একটি অপরাধ, যথাঃ-
(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত কোন অপরাধের দায়ে-
অনধিক ১০ (দশ) হাজার টাকা অর্থদন্ডে বা উভয় দন্ডে দন্ডনীয় হইবেন এবং একই অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটিলে উক্ত ব্যক্তি অন্যূন ৩ (তিন) মাস এবং অনধিক ৬ (ছয়) মাস কারাদন্ডে এবং অনধিক ২০ (বিশ) হাজার টাকা অর্থ দন্ডে দন্ডনীয় হইবেন;
অনধিক ২০ (বিশ) হাজার টাকা অর্থদন্ডে বা উভয় দন্ডে দন্ডনীয় হইবেন এবং একই অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটিলে তিনি অন্যুন ৬ (ছয়) মাস এবং অনধিক ১ (এক) বৎসর কারাদন্ডে এবং অনধিক ৪০ (চল্লিশ) হাজার টাকা অর্থদন্ডে দন্ডনীয় হইবেন;
গ্রাহক দোষী সাব্যস্ত হইলে, তিনি অনধিক ১ (এক) বৎসর কারাদন্ডে বা অনধিক ১ (এক) লক্ষ্য টাকা অর্থদন্ডে বা উভয় দন্ডে দন্ডনীয় হইবেন এবং একই অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটিলে তিনি অন্যূন ১ (এক) বৎসর এবং অনধিক ৩ (তিন) বৎসর কারাদন্ডে এবং অনধিক ২ (দুই) লক্ষ্য টাকা অর্থদন্ডে দন্ডনীয় হইবেন; এবং
(১) কোন গৃহস্থালী গ্রাহক তাহার গৃহস্থালী সংযোগ হইতে অননুমোদিত বা অবৈধভাবে বাণিজ্যিক কাজে বা শিল্প প্রতিষ্ঠানে গ্যাস ব্যবহার করিলে, তিনি অনধিক ৩ (তিন) মাস কারাদন্ডে বা অনধিক ২৫ (পঁচিশ) হাজার টাকা অর্থদন্ডে বা উভয় দন্ডে দন্ডনীয় হইবেন এবং একই অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটিলে তিনি অন্যূন ৩ (তিন) মাস এবং অনধিক ৬ (ছয়) মাস কারাদন্ডে এবং অনধিক ৫০ (পঞ্চাশ) হাজার টাকা অর্থদন্ডে দন্ডনীয় হইবেন।
(২) কোন-
(১) কোন ব্যক্তি কোন লাইসেন্সীর কোন গ্যাস বিতরণ নেটওয়ার্ক হইতে তাহার লিখিত সম্মতি ব্যতিরেকে অবৈধ পন্থায় গ্যাস আহরণের নিমিত্ত কোন লাইন স্থাপন বা গ্যাস সংযোগ গ্রহণ করিলে, তিনি অনধিক ১ (এক) বৎসর কারাদন্ডে বা অনধিক ১ (এক) লক্ষ টাকা অর্থদন্ডে বা উভয় দন্ডে দন্ডনীয় হইবেন এবং একই অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটিলে তিনি অন্যুন ১ (এক) বৎসর এবং অনধিক ২ (দুই) বৎসর কারাদন্ডে এবং অনধিক ২ (দুই) লক্ষ টাকা অর্থদন্ডে দন্ডনীয় হইবেন।
(২) কোন গ্রাহক লাইসেন্সীর লিখিত সম্মতি ব্যতিরেকে যে উদ্দেশ্যে গ্যাস সংযোগ প্রদান করা হইয়াছে সে উদ্দেশ্য ব্যতীত অন্য কোন উদ্দেশ্যে গ্যাস ব্যবহার করিলে বা অনুমোদিত গ্যাস স্থাপনার মাধ্যমে নির্ধারিত মাসিক লোড হইতে বেশী হারে গ্যাস ব্যবহার করিলে, তিনি অনধিক ১ (এক) বৎসর কারাদন্ডে বা অনধিক ১ (এক) লক্ষ টাকা অর্থদন্ডে বা উভয় দন্ডে দন্ডনীয় হইবেন এবং একই অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটিলে তিনি অন্যূন ১ (এক) বৎসর এবং অনধিক ২ (দুই) বৎসর পর্যন্ত কারাদন্ডে এবং অনধিক ২ (দুই) লক্ষ টাকা অর্থদন্ডে দন্ডনীয় হইবেন।
(৩) কোন ব্যক্তি কনডেনসেট পাইপ লাইনে অবৈধ হস্তক্ষেপের মাধ্যমে বা অন্য কোন ভাবে কনডেনসেট চুরি করিলে, তিনি অনধিক ১ (এক) বৎসর কারাদন্ডে বা অনধিক ১ (এক) লক্ষ টাকা অর্থদন্ডে বা উভয় দন্ডে দন্ডনীয় হইবেন এবং একই অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটিলে তিনি অন্যুন ১ (এক) বৎসর এবং অনধিক ২ (দুই) বৎসর কারাদন্ডে এবং অনধিক ২ (দুই) লক্ষ টাকা অর্থদন্ডে দন্ডনীয় হইবেন।
কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান লাইসেন্স ব্যতিরেকে-
উক্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের স্বত্তাধিকারী অনধিক ১ (এক) বৎসর কারাদন্ডে বা অনধিক ১ (এক) লক্ষ টাকা অর্থদন্ডে বা উভয় দন্ডে দন্ডনীয় হইবেন এবং একই অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটিলে তিনি অনূ্যন ১ (এক) বৎসর এবং অনধিক ২ (দুই) বৎসর কারাদন্ডে এবং অনধিক ২ (দুই) লক্ষ টাকা অর্থদন্ডে দন্ডনীয় হইবেন।
কোন সিএনজি রিফুয়েলিং স্টেশন সরকার কর্তৃক নির্ধারিত চাপের অধিক চাপে অথবা মিটার টেম্পারিং করিয়া সিএনজি বিক্রয় করিলে, রিফুয়েলিং স্টেশনের স্বত্তাধিকারী বা সংশিস্নষ্ট দায়ী ব্যক্তি অনধিক ১ (এক) বৎসর কারাদন্ডে বা ১ (এক) লক্ষ টাকা অর্থদন্ডে বা উভয় দন্ডে দন্ডনীয় হইবেন এবং একই অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটিলে তিনি অনূ্যন ১ (এক) বৎসর এবং অনধিক ২(দুই) বৎসর পর্যন্ত কারাদন্ডে এবং অনধিক ২(দুই) লক্ষ টাকা অর্থদন্ডে দন্ডনীয় হইবেন।
কোন ব্যক্তি কনডেনসেট, সিএনজি, এলপিজি শিল্প প্রতিষ্ঠানে বা গ্যাস সিস্টেম পরিচালন ব্যবস্থায় বা গ্যাস শিল্পের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কোন ধ্বংসাত্মক বা নাশকতামূলক কার্য সংঘটন করিলে, তিনি অনধিক ৩(তিন) বৎসর কারাদন্ডে বা অনধিক ৫(পাঁচ) লক্ষ টাকা অর্থদন্ডে বা উভয় দন্ডে দন্ডনীয় হইবেন এবং একই অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটিলে অন্যুন ৩(তিন) বৎসর এবং অনধিক ৫(পাঁচ) বৎসর পর্যন্ত কারাদন্ডে এবং অনধিক ১০ (দশ) লক্ষ টাকা অর্থদন্ডে দন্ডনীয় হইবেন।
কোন গ্রাহক গ্যাস বিতরণকারী বা সরবরাহকারী কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি হিসাবে কর্তব্যরত কোন কর্মকর্তা বা কর্মচারীকে গ্রাহক আঙ্গীনায় প্রবেশে বাধা প্রদান করিলে বা গ্যাস সংযোগ স্থান বা উহার সরঞ্জামাদি পরিদর্শনে বাধা প্রদান করিলে বা গ্রাহক আঙ্গীনায় তাহাকে আটকাইয়া রাখিলে, তিনি অনধিক ১(এক) বৎসর কারাদন্ডে বা অনধিক ১(এক) লক্ষ টাকা অর্থদন্ডে বা উভয় দন্ডে দন্ডনীয় হইবেন এবং একই অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটিলে তিনি অন্যূন ১(এক) বৎসর এবং অনধিক ২(দুই) বৎসর পর্যন্ত কারাদন্ডে এবং অনধিক ২(দুই) লক্ষ টাকা অর্থদন্ডে দন্ডনীয় হইবেন।
কোন ব্যক্তি গ্যাস সঞ্চালন, বিতরণ এবং সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন পাইপলাইন, মিটার, রেগুলেটর বা অন্য কোন সামগ্রী চুরি বা ইচ্ছাকৃতভাবে উহাদের কোন ক্ষতিসাধন করিলে, তিনি অনধিক ১ (এক) বৎসর কারাদন্ডে বা অনধিক ১ (এক) এক লক্ষ টাকা অর্থদন্ডে বা উভয় দন্ডে দন্ডনীয় হইবেন এবং একই অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটিলে তিনি অন্যুন ১ (এক) বৎসর এবং অনধিক ৩ (তিন) বৎসর কারাদন্ডে এবং অনধিক ২ (দুই) লক্ষ টাকা অর্থদন্ডে দন্ডনীয় হইবেন।
কোন ব্যক্তি গ্যাস পাইপলাইন, মিটার, রেগুলেটর বা অন্য কোন সামগ্রী চুরিকৃত জানিয়া বা উহা চুরি করা হইয়াছে বলিয়া বিশ্বাস করিবার যথেষ্ট কারণ থাকা সত্ত্বেও উহা ক্রয়-বিক্রয় বা উহা দখলে রাখিলে, তিনি অনধিক ১ (এক) বৎসর কারাদন্ডে বা অনধিক ১ (এক) লক্ষ টাকা অর্থদন্ডে বা উভয় দন্ডে দন্ডনীয় হইবেন এবং একই অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটিলে তিনি অন্যূন ১ (এক) বৎসর এবং অনধিক ৩(তিন) বৎসর কারাদন্ডে এবং অনধিক ২ (দুই) লক্ষ টাকা অর্থদন্ডে দন্ডনীয় হইবেন।
কোন ব্যক্তি এই আইনের অধীন যে কোন অপরাধ সংঘটনে, প্রত্যক্ষ বা পরো্ক্ষ, সহায়তা করিলে, বা উক্ত অপরাধ সংঘটনে প্ররোচনা বা ষড়যন্ত্র করিলে এবং উক্ত সহায়তা বা ষড়যন্ত্র বা প্ররোচনার ফলে অপরাধটি সংঘটিত হইলে, উক্ত সহায়তাকারী, ষড়যন্ত্রকারী বা প্ররোচনাকারী তাহার সহায়তা, ষড়যন্ত্র বা প্ররোচনা দ্বারা সংঘটিত অপরাধের জন্য নির্ধারিত দন্ডে দন্ডনীয় হইবেন।
(১) এই আইনের অধীন কোন অপরাধে দন্ডিত হইবার কারণে কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নিকট গ্যাস বিতরণকারী বা সরবরাহকারী কর্তৃক দাবীকৃত পাওনা অর্থ পরিশোধের দায়-দায়িত্ব ব্যাহত বা ক্ষুন্ন করিবে না।
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন পাওনা অর্থ আদায়ের লক্ষ্যে গ্যাস বিতরণকারী অথবা সরবরাহকারী সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রতিকার দাবী করিয়া দেওয়ানী আদালতে মামলা দায়ের অথবা Public Demands Recovery Act, 1913(Act No.III of 1913) এর অধীন সার্টিফিকেট মামলা দায়ের করা যাইবে।
(১) ফৌজদারী কার্যবিধিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন অপরাধসমূহ প্রথম শ্রেণীর জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটান ম্যাজিস্ট্রেট কতৃর্ক বিচার্য হইবে।
(২) এই আইনে ভিন্নতর কিছু না থাকিলে, এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধের বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হইবে এবং এতদুদ্দেশ্যে ফৌজদারী কার্যবিধির Chapter XXII তে বর্ণিত পদ্ধতি, প্রযোজ্য হইবে।
এই আইন এবং উহার অধীন প্রণীত বিধি ও প্রবিধান সাপেক্ষে, এই আইনে বর্ণিত যে কোন অপরাধের তদন্ত, বিচার, আপীল এবং আনুষঙ্গিক সকল বিষয়ে ফৌজদারী কার্যবিধি প্রযোজ্য হইবে।
ফৌজদারী কার্যবিধিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন কোন প্রথম শ্রেণীর জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটান ম্যাজিস্ট্রেট দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিকে সংশ্লিষ্ট অপরাধের জন্য এই আইনে অনুমোদিত যে কোন দন্ড আরোপ করিতে পারিবে।
এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধসমূহ আমলযোগ্য, জামিনযোগ্য ও আপোষযোগ্য হইবে।
এই আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, লাইসেন্সীদের মধ্যে অথবা গ্রাহক ও লাইসেন্সীর মধ্যে কোন বিরোধের উদ্ভব হইলে, সালিশ আইন, ২০০১ (২০০১ সনের ১নং আইন) অথবা পক্ষগণের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তির বিধান অনুযায়ী কমিশন উহা নিষ্পত্তি করিতে পারিবে।
এই আইনের অধীন ব্যবসায় নিয়োজিত সকল লাইসেন্সী উহার সম্পদ, প্রাপ্ত এবং ব্যয়িত সকল অর্থের হিসাব সংরক্ষণ করিবে এবং প্রতি অর্থ বৎসর শেষ হইবার তারিখ হইতে পরবর্তী একশত আশি দিনের মধ্যে-
এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে সরকার, কমিশনের সহিত আলোচনাক্রমে, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবে।
(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে কমিশন, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা প্রবিধান প্রণয়ন করিতে পারিবে।
(২) উপরি-উক্ত ক্ষমতার সামগ্রিকতাকে ক্ষুন্ন না করিয়া নিম্নবর্ণিত সকল বা যে কোন বিষয়ে উক্তরূপ বিধান প্রণয়ন করা যাইবে, যথা-
(৩) এই ধারার অধীন প্রণীতব্য সকল প্রবিধানের প্রাক-প্রকাশনার মাধ্যমে উহার উপর আপত্তি বা পরামর্শ আহবান করিয়া প্রাপ্ত আপত্তি বা পরামর্শ বিবেচনাক্রমে কমিশন প্রবিধান প্রণয়ন করিবে।
(৪) এই ধারার অধীন কোন বিষয়ে প্রবিধান প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত উক্ত বিষয়ে বিদ্যমান অফিস আদেশ, প্রজ্ঞাপন, সার্কুলার ইত্যাদি এই আইনের সহিত অসঙ্গতিপূর্ণ না হওয়া সাপেক্ষে বহাল থাকিবে।
এই আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, সরকার, প্রয়োজনে, ব্যবসা পুনঃগঠন করিতে পারিবে এবং গ্যাস সঞ্চালন, বিতরণ ও সরবরাহের দায়িত্বে নিয়োজিত লাইসেন্সীর এলাকা পুনঃনির্ধারণ করিতে পারিবে।
(১) এই আইন প্রবর্তনের পর সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের ইংরেজীতে অনূদিত একটি নির্ভরযোগ্য পাঠ প্রকাশ করিবে।
(২) বাংলা ও ইংরেজী পাঠের মধ্যে বিরোধের ক্ষেত্রে বাংলা পাঠ প্রাধান্য পাইবে।