বাংলাদেশ ফলিত পুষ্টি গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট আইন, ২০১২
জনগণের পুষ্টির স্তর উন্নয়নের লক্ষ্যে নিরাপদ ও প্রয়োজনীয় সুষম খাদ্য নিশ্চিতকরণপূর্বক জনস্বাস্থ্য উন্নয়নের জন্য খাদ্যভিত্তিক পুষ্টি (ফলিত পুষ্টি) গবেষণা ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা ও বাস্তবায়নকল্পে বাংলাদেশ ফলিত পুষ্টি গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট নামে একটি ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রণীত আইন
জনগণের পুষ্টির স্তর উন্নয়নের লক্ষ্যে নিরাপদ ও প্রয়োজনীয় সুষম খাদ্য নিশ্চিতকরণপূর্বক জনস্বাস্থ্য উন্নয়নের জন্য খাদ্যভিত্তিক পুষ্টি (ফলিত পুষ্টি) গবেষণা ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা ও বাস্তবায়নকল্পে বাংলাদেশ ফলিত পুষ্টি গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট নামে একটি ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রণীত আইন যেহেতু নিরাপদ ও প্রয়োজনীয় সুষমখাদ্য নিশ্চিতকরণপূর্বক জনগণের পুষ্টির স্তর উন্নয়নে খাদ্যভিত্তিক পুষ্টি (ফলিত পুষ্টি) গবেষণা ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা ও বাস্তবায়নকল্পে বাংলাদেশ ফলিত পুষ্টি গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট নামে একটি ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার জন্য বিধান করা প্রয়োজন ও সমীচীন; সেহেতু এতদ্দ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইলঃ-
Section ১. সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন
(১) এই আইন বাংলাদেশ ফলিত পুষ্টি গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট আইন, ২০১২ নামে অভিহিত হইবে।
(২) ইহা অবিলম্বে কার্যকর হইবে।
Section ২. সংজ্ঞা
বিষয় বা প্রসংগের পরিপন্থী কোন কিছু না থাকিলে, এই আইনে-
(১) “ইনস্টিটিউট” অর্থ ধারা ৩ এর অধীন প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ ফলিত পুষ্টি গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট;
(২) “কর্মচারী” অর্থ ইনস্টিটিউটের কর্মকর্তা ও কর্মচারী;
(৩) “পরিচালনা বোর্ড” অর্থ ধারা ৬ এর অধীন গঠিত ইনস্টিটিউটের পরিচালনা বোর্ড;
(৪) “চেয়ারম্যান” অর্থ পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যান;
(৫) “নির্বাহী পরিচালক” অর্থ ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক;
(৬) “বিধি” অর্থ এই আইনের অধীন প্রণীত বিধি; এবং
(৭) “প্রবিধান” অর্থ এই আইনের অধীন প্রণীত প্রবিধান।
Section ৩. ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা
(১) এই আইন কার্যকর হইবার পর যতশীঘ্র সম্ভব সরকার, এই আইনের উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা এবং তদতিরিক্ত ঐচ্ছিকভাবে ইলেকট্রনিক গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা বাংলাদেশ ফলিত পুষ্টি গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট নামে একটি ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করিবে।
(২) ইনস্টিটিউট একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা হইবে এবং উহার স্থায়ী ধারাবাহিকতা ও একটি সাধারণ সীলমোহর থাকিবে এবং এই আইনের বিধানাবলী সাপেক্ষে, ইহার স্থাবর ও অস্থাবর উভয় প্রকার সম্পদ অর্জন করিবার, সংরক্ষণ ও হস্তান্তর করিবার ক্ষমতা থাকিবে এবং ইনস্টিটিউট ইহার নামে মামলা দায়ের করিতে পারিবে এবং ইহার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাইবে।
Section ৪. ইনস্টিটিউটের প্রধান কার্যালয়
ইনস্টিটিউট এর প্রধান কার্যালয় নারায়ণগঞ্জে থাকিবে এবং প্রয়োজনবোধে, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, দেশের যে কোন স্থানে উহার আঞ্চলিক কার্যালয় স্থাপন করিতে পারিবে।
Section ৫. পরিচালনা ও প্রশাসন
(১) ইনস্টিটিউটের পরিচালনা ও প্রশাসনের দায়িত্ব একটি পরিচালনা বোর্ডের উপর ন্যস্ত থাকিবে এবং ইনস্টিটিউট যে সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কার্যসম্পাদন করিতে পারিবে, পরিচালনা বোর্ডও সেই সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কার্যসম্পাদন করিতে পারিবে।
(২) পরিচালনা বোর্ড উহার দায়িত্ব পালন ও কার্যসম্পাদনের ক্ষেত্রে এই আইন, তদধীন প্রণীত বিধি, প্রবিধান ও সরকার কর্তৃক সময় সময় প্রদত্ত ও জারীকৃত আদেশ ও নির্দেশনা অনুসরণ করিবে।
Section ৬. পরিচালনা বোর্ড ও উহার গঠন
(১) এই আইনের উদ্দেশ্যপূরণকল্পে নিম্নবর্ণিত সদস্য সমন্বয়ে ইনস্টিটিউট এর একটি পরিচালনা বোর্ড গঠিত হইবে, যথাঃ-
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন সরকার কর্তৃক মনোনীত সদস্যগণের সদস্য পদের মেয়াদ হইবে তাহাদের মনোনয়নের তারিখ হইতে পরবর্তী তিন বৎসরঃ
তবে শর্ত থাকে যে, সরকার, উক্ত মেয়াদ শেষ হইবার পূর্বে, যে কোন সময় কারণ দর্শানো ব্যতিরেকে উক্তরূপ মনোনীত কোন সদস্যকে তাহার পদ হইতে অব্যাহতি প্রদান করিতে পারিবেঃ
আরও শর্ত থাকে যে, কোন মনোনীত সদস্য সরকারের উদ্দেশ্যে স্বীয় স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে পদত্যাগ করিতে পারিবেন।
Section ৭. পরিচালনা বোর্ডের সভা
(১) পরিচালনা বোর্ড প্রতি বৎসর অন্যূন দুইবার সভায় মিলিত হইবে এবং সভার তারিখ, সময় ও স্থান চেয়ারম্যান কর্তৃক নির্ধারিত হইবে।
(২) পরিচালনা বোর্ডের সভা, চেয়ারম্যান এর সম্মতিক্রমে পরিচালনা বোর্ডের সদস্য সচিবের স্বাক্ষরিত লিখিত নোটিশ দ্বারা আহুত হইবে।
(৩) চেয়ারম্যান বোর্ডের সভায় সভাপতিত্ব করিবেন, তবে তাহার অনুপস্থিতিতে সভায় উপস্থিত অন্যান্য সদস্যগণ কর্তৃক মনোনীত যেকোন সদস্য সভায় সভাপতিত্ব করিতে পারিবেন।
(৪) পরিচালনা বোর্ডের সভার কোরামের জন্য উহার মোট সদস্য সংখ্যার অন্যূন এক-তৃতীয়াংশ সদস্যের উপস্থিতির প্রয়োজন হইবে, তবে মুলতবী সভার ক্ষেত্রে কোন কোরামের প্রয়োজন হইবে না।
(৫) পরিচালনা বোর্ড সভায় উপস্থিত প্রত্যেক সদস্যের একটি করিয়া ভোট থাকিবে এবং সংখ্যা গরিষ্ঠ ভোটের ভিত্তিতে সভায় সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে, তবে প্রদত্ত ভোটের সমতার ক্ষেত্রে সভার সভাপতি দ্বিতীয় বা নির্ণায়ক ভোট প্রদান করিতে পারিবেন।
(৬) শুধুমাত্র কোন সদস্য পদে শূন্যতা বা পরিচালনা বোর্ড গঠনে ত্রুটি থাকিবার কারণে বোর্ডের কার্য বা কার্যধারা অবৈধ হইবে না এবং তদ্সম্পর্কে কোন প্রশ্নও উত্থাপন করা যাইবে না।
Section ৮. ইনস্টিটিউট এর কার্যাবলী
এই আইনের উদ্দেশ্যপূরণকল্পে ইনস্টিটিউট নিম্নবর্ণিত কার্যাবলী সম্পাদন করিবে, যথাঃ-
Section ৯. নির্বাহী পরিচালক
(১) ইনস্টিটিউট এর একজন নির্বাহী পরিচালক থাকিবে।
(২) নির্বাহী পরিচালক সরকার কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন এবং তাহার চাকুরীর শর্তাদি সরকার কর্তৃক নির্ধারিত হইবে।
(৩) নির্বাহী পরিচালকের পদ শূন্য হইলে কিংবা অনুপস্থিতি, অসুস্থতা, বা অন্য কোন কারণে নির্বাহী পরিচালক তাহার দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হইলে, শূন্য পদে নবনিযুক্ত নির্বাহী পরিচালক কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত কিংবা নির্বাহী পরিচালক পুনরায় স্বীয় দায়িত্ব পালনে সমর্থ না হওয়া পর্যন্ত সরকার কর্তৃক মনোনীত কোন ব্যক্তি নির্বাহী পরিচালকরূপে দায়িত্ব পালন করিবেন।
(৪) নির্বাহী পরিচালক কর্তৃপক্ষের সার্বক্ষণিক মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা হইবেন এবং তিনি-
Section ১০. কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ
ইনস্টিটিউট উহার দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে পালনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ করিতে পারিবে এবং তাহাদের চাকুরীর শর্তাবলী প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত হইবে।
Section ১১. তহবিল
(১) ইনস্টিটিউট এর একটি তহবিল থাকিবে এবং উহাতে নিম্নবর্ণিত উৎস হইতে অর্থ জমা হইবে, যথাঃ-
(২) তহবিলের সকল অর্থ কোন তফসিলি ব্যাংকে ইনস্টিটিউটের নামে রাখা হইবে এবং বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে তহবিল পরিচালনা করা হইবে।
ব্যাখ্যা।–“তফসিলি ব্যাংক” বলিতে Bangladesh Bank Order, 1972(P.O 127 of 1972) এর Article 2(j) তে সংজ্ঞায়িত Scheduled Bank কে বুঝাইবে।
(৩) তহবিল হইতে সরকারের নিয়ম-নীতি, বিধি-বিধান অনুসরণক্রমে ইনস্টিটিউটের প্রয়োজনীয় ব্যয় নির্বাহ করা যাইবে।
Section ১২. বাজেট
ইনস্টিটিউট প্রতি বৎসর সরকার কর্তৃক নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সম্ভাব্য আয়-ব্যয়সহ পরবর্তী অর্থ বৎসরের বাৎসরিক বাজেট বিবরণী সরকারের নিকট পেশ করিবে এবং উহাতে উক্ত বৎসরে সরকারের নিকট হইতে ইনস্টিটিউটের কি পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন হইবে উহারও উল্লেখ থাকিবে।
Section ১৩. হিসাবরক্ষণ ও নিরীক্ষা
(১) ইনস্টিটিউট যথাযথভাবে উহার হিসাব রক্ষণ করিবে এবং হিসাবের বার্ষিক বিবরণী প্রস্তুত করিবে।
(২) বাংলাদেশের মহা-হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, অতঃপর মহা-হিসাব নিরীক্ষক নামে অভিহিত, প্রতি বৎসর ইনস্টিটিউটের হিসাব নিরীক্ষা করিবেন এবং নিরীক্ষা রিপোর্টের একটি করিয়া অনুলিপি সরকার ও ইনস্টিটিউটের নিকট প্রেরণ করিবেন।
(৩) উপ-ধারা (২) মোতাবেক হিসাব নিরীক্ষার উদ্দেশ্যে মহা-হিসাব নিরীক্ষক কিংবা তাহার নিকট হইতে এতদু্দ্দেশ্যে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি ইনস্টিটিউটের এতদ্সংক্রান্ত সকল রেকর্ড, দলিল-দস্তাবেজ, নগদ বা ব্যাংকে গচ্ছিত অর্থ, জামানত ভাণ্ডার এবং অন্যবিধ সম্পত্তি পরীক্ষা করিয়া দেখিতে পারিবেন এবং ইনস্টিটিউটের যে কোন কর্মকর্তা বা কর্মচারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করিতে পারিবেন।
Section ১৪. প্রতিবেদন
(১) প্রতি অর্থ বৎসর শেষ হইবার পরবর্তী ৩(তিন) মাসের মধ্যে ইনস্টিটিউট তদ্কর্তৃক উক্ত অর্থ বৎসরে সম্পাদিত কার্যাবলীর বিবরণ সম্বলিত একটি বার্ষিক প্রতিবেদন সরকারের নিকট পেশ করিবে।
(২) সরকার, প্রয়োজনবোধে, ইনস্টিটিউটের নিকট হইতে যে কোন সময় ইনস্টিটিউটের যে কোন বিষয়ের উপর প্রতিবেদন এবং বিবরণী আহবান করিতে পারিবে এবং ইনস্টিটিউট উহা সরকারের নিকট সরবরাহ করিতে বাধ্য থাকিবে।
(৩) সরকার যে কোন সময় ইনস্টিটিউটের কর্মকাণ্ড অথবা যে কোন প্রকার অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত অনুষ্ঠানের নির্দেশ দিতে পারিবে।
Section ১৫. কমিটি
ইনস্টিটিউট উহার দায়িত্ব পালনে সহায়তাদানের জন্য এক বা একাধিক কমিটি গঠন করিতে পারিবে।
Section ১৬. বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা
সরকার এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবে।
Section ১৭. প্রবিধান প্রণয়নের ক্ষমতা
এই আইনের উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, ইনস্টিটিউট সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে এবং সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইন বা বিধির সহিত অসামঞ্জস্যপূর্ণ না হয় এইরূপ প্রবিধানমালা প্রণয়ন করিতে পারিবে।
Section ১৮. আইনের ইংরেজী অনুবাদ প্রকাশ
এই আইন প্রবর্তনের পর সরকার, যথাশীঘ্র সম্ভব, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের বাংলা পাঠের ইংরেজীতে অনূদিত একটি নির্ভরযোগ্য পাঠ (Authentic English Text) প্রকাশ করিবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, বাংলা ও ইংরেজী পাঠের মধ্যে বিরোধের ক্ষেত্রে বাংলা পাঠ প্রাধান্য পাইবে।
Section ১৯. রহিতকরণ ও হেফাজত
(১) এই আইন কার্যকর হইবার সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশ ফলিত পুষ্টি ও মানবসম্পদ উন্নয়ন বোর্ড (বাফমাউব) গঠন সংক্রান্ত ৩০ ডিসেম্বর, ২০০১ ইং তারিখের রিজুলিউশন নং-কৃষি-৪/বারটান-১/২০০০/৫৬৩ এতদ্দ্বারা রহিত হইবে এবং রহিতকৃত রিজুলিউশনের অধীন প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ ফলিত পুষ্টি ও মানবসম্পদ উন্নয়ন বোর্ড (বাফমাউব), অতঃপর “বিলুপ্ত বোর্ড” বলিয়া উল্লিখিত, বিলুপ্ত হইবে।
(২) বিলুপ্ত বোর্ড এর সকল স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি, নগদ ও ব্যাংকে গচ্ছিত অর্থ এবং এতদ্সংক্রান্ত সকল দাবী ও অধিকার ইনস্টিটিউটের নিকট হস্তান্তরিত হইবে এবং ইনস্টিটিউট উহার অধিকারী হইবে।
(৩) বিলুপ্ত বোর্ড এর সকল ঋণ, দায় ও দায়িত্ব এবং উহার দ্বারা, উহার পক্ষে বা উহার সহিত সম্পাদিত সকল চুক্তি যথাক্রমে ইনস্টিটিউটের ঋণ, দায় ও দায়িত্ব এবং উহার দ্বারা, উহার পক্ষে বা উহার সহিত সম্পাদিত চুক্তি বলিয়া গণ্য হইবে।
(৪) বিলুপ্ত বোর্ড কর্তৃক বা উহার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত কোন মামলা বা সূচীত কোন আইনগত কার্যধারা ইনস্টিটিউট কর্তৃক বা উহার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা বা সূচীত কার্যধারা বলিয়া গণ্য হইবে।
(৫) বিলুপ্ত বোর্ড এর সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারী, ইনস্টিটিউটের কর্মকর্তা ও কর্মচারী হিসাবে ইনস্টিটিউটে ন্যস্ত হইয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন এবং তাহাদের চাকুরী ইনস্টিটিউটের কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণের চাকুরীর শর্তাবলী দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হইবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, ইনস্টিটিউট কর্তৃক ইহার কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের চাকুরীর শর্তাবলী নির্ধারিত না হওয়া পর্যন্ত ইনস্টিটিউটে ন্যস্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের চাকুরী এইরূপে নিয়ন্ত্রিত হইবে যেইরূপে বিলুপ্ত বোর্ড দ্বারা পূর্বে নিয়ন্ত্রিত হইত।
(৬) উপ-ধারা (১) এর অধীন রহিতকরণ সত্ত্বেও রহিত রিজুলিউশনের অধীন কৃত সকল কাজকর্ম বা গৃহীত ব্যবস্থা এই আইনের অধীন কৃত বা গৃহীত হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।