Bangladesh Handloom Board Ordinance, 1977 রহিতক্রমে উহা পুন: প্রণয়েনর উদ্দেশ্যে প্রণীত আইন যেহেতু হস্তচালিত তাঁত শিল্পের উন্নয়ন, সম্পসারণ ও তাঁতীদের কল্যাণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে Bangladesh Handloom Board Ordinance, 1977 ( Ordinance No. LXIII of 1977) রহিতক্রমে উহা পুন:প্রণয়ন করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়; সেহেতু, এতদ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইল:-
(১) এই আইন বাংলাদেশ তাঁত বোর্ড আইন, ২০১৩ নামে অভিহিত হইবে।
(২) ইহা অবিলম্বে কার্যকর হইবে।
বিষয় বা প্রসঙ্গের পরিপন্থী কোন কিছু না থাকিলে, এই আইনে,-
(১) ‘‘চেয়ারম্যান’’ অর্থ বোর্ডের চেয়ারম্যান;
(২) ‘‘তাঁতী সমিতি’’ অর্থ এই আইনের ধারা ১১ এর অধীন নিবন্ধিত কোন তাঁতী সমিতি;
(৩) ‘‘প্রবিধান’’ অর্থ এই আইনের অধীন প্রণীত প্রবিধান;
(৪) ‘‘বিধি’’ অর্থ এই আইনের অধীন প্রণীত বিধি;
(৫) ‘‘বোর্ড ’’ অর্থ এই আইনের ধারা ৩ এর অধীন প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ তাঁত বোর্ড;
(৬) ‘‘সদস্য’’ অর্থ সার্বক্ষনিক সদস্য ব্যতীত বোর্ডের খণ্ডকালীন কোন সদস্য;
(৭) ‘‘সার্বক্ষনিক সদস্য’’ অর্থ এই আইনের ধারা ৫ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (ক) ও (খ) তে উল্লিখিত কোন সদস্য; এবং
(৮) ‘‘হস্তচালিত তাঁত’’ অর্থে কায়িক শ্রম দ্বারা বস্ত্র প্রস্তুতের জন্য কোন বস্ত্রবয়ন যন্ত্র, এবং নিম্নবির্ণত তাঁতও উহার অন্তর্ভুক্ত হইবে; যথা:-
(১) এই আইন কার্যকর হইবার পর, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, “বাংলাদেশ তাঁত বোর্ড” নামে একটি বোর্ড প্রতিষ্ঠা করিবে।
(২) বোর্ড একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা হইবে এবং ইহার একটি স্থায়ী ধারাবাহিকতা ও একটি সাধারণ সীলমোহর থাকিবে এবং এই আইনের বিধান সাপেক্ষে, ইহার স্থাবর ও অস্থাবর উভয় প্রকার সম্পত্তি অর্জন করিবার, অধিকারে রাখিবার এবং হস্তান্তর করিবার ক্ষমতা থাকিবে এবং বোর্ড ইহার নিজ নামে মামলা দায়ের করিতে পারিবে এবং ইহার বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করা যাইবে।
(১) বোর্ডের প্রধান কার্যালয় ঢাকায় থাকিবে।
(২) বোর্ড, প্রয়োজনবোধে, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, বাংলাদেশের যে কোন স্থানে উহার শাখা কার্যালয় স্থাপন করিতে পারিবে।
(১) নিম্নবর্ণিত সদস্য সমন্বয়ে বোর্ড গঠিত হইবে, যথা:-
সার্বক্ষনিক সদস্য
খণ্ডকালীন সদস্য
(২) উপ-ধারা (১) এর দফা (গ), (ছ), (ঝ),ও (ঞ) তে বর্ণিত ব্যক্তিগণ পদাধিকারলে অন্তর্ভুক্ত হইবেন।
(৩) উপ-ধারা (১) এর দফা (ট) তে বর্ণিত সদস্যগণ নিযুক্তির তারিখ হইতে ৩(তিন) বৎসরের জন্য নিযুক্ত হইবেন, তবে যে কোন সময় সরকারের উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ হইতে পদত্যাগ করিতে পারিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, সরকার কর্তৃক পদত্যাগপত্র গৃহীত না হওয়া পর্যন্ত উক্ত পদত্যাগ কার্যকর হইবে না।
বোর্ডের কার্যাবলী হইবে নিম্নরূপ, যথাঃ-
(ছ)তাঁতী সমিতিসমূহের মাধ্যমে তাঁতীগণকে বস্ত্র রসায়ন, খুচরা যন্ত্রাংশ, সুতা, ইত্যাদি ব্যবহারযোগ্য দ্রব্যাদি ন্যায্যমূল্যে সরববাহের ব্যবস্থা গ্রহণ;
(১) সার্বক্ষণিক সদস্যগণ সরকার কর্তৃক নিযুক্ত ও মনোনীত হইবেন এবং তাহারা বোর্ডের সার্বক্ষণিক কর্মকর্তা হইবেন।
(২) চেয়ারম্যান বোর্ডের প্রধান নির্বাহী হইবেন।
(৩) চেয়ারম্যান পদের মেয়াদ , বেতন-ভাতা, মর্যাদা এবং চাকুরীর অন্যান্য শর্তাদি সরকার কর্তৃক স্থিরীকৃত হইবে।
(৪) সার্বক্ষণিক সদস্যগণ এই আইন বা বিধি দ্বারা নির্ধারিত এবং বোর্ড কর্তৃক গৃহীত সিদ্ধান্ত, অর্পিত বা ন্যাস্তকৃত ক্ষমতা প্রয়োগ ও কার্যাবলী সম্পাদন এবং দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করিবেন।
(১) কোন ব্যক্তি বোর্ডের সদস্য হইবার যোগ্য হইবেন না বা সদস্য থাকিতে পারিবেন না, যদি তিনি-
(২) ধারা ৫ এর উপ-ধারা (৩) এর বিধানসত্ত্বেও, সরকার লিখিত আদেশ দ্বারা সার্বক্ষণিক সদস্য বা কোন সদস্যকে তাহার পদ হইতে অপসারণ করিতে পারিবে, যদি তিনি-
(১) এই ধারার অন্যান্য বিধান সাপেক্ষে, বোর্ড উহার সভার কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করিতে পারিবে।
(২) চেয়ারম্যান কর্তৃক নির্ধারিত তারিখ, স্থান ও সময়ে উহার সভা অনুষ্ঠিত হইবে।
(৩) প্রতি ২ (দুই) মাসে বোর্ডের অন্যূন একটি সভা অনুষ্ঠিত হইবে।
(৪) চেয়ারম্যান বোর্ডের সকল সভায় সভাপতিত্ব করিবেন এবং তাহার অনুপস্থিতিতে চেয়ারম্যান কর্তৃক মনোনীত উহার একজন সদস্য সভায় সভাপতিত্ব করিবেন।
(৫) বোর্ডের প্রত্যেক সদস্যের একটি করিয়া ভোট থাকিবে এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সভার সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে, তবে ভোটের সমতার ক্ষেত্রে সভায় সভাপতিত্বকারী ব্যক্তির একটি দ্বিতীয় বা নির্ণায়ক ভোট প্রদানের ক্ষমতা থাকিবে।
(৬) বোর্ডের সভায় কোরাম পূরণের জন্য উহার মোট সদস্য সংখ্যার অন্যূন এক-তৃতীয়াংশ সদস্যের উপস্থিতির প্রয়োজন হইবে, তবে মূলতবি সভার ক্ষেত্রে কোন কোরামের প্রয়োজন হইবে না।
(৭) শুধুমাত্র কোন সদস্য পদের শূন্যতা বা বোর্ড গঠনে ক্রুটি থাকিবার কারণে উহার কোন কার্য বা কার্যধারা অবৈধ হইবে না বা তৎসম্পর্কে কোন প্রশ্নও উত্থাপন করা যাইবে না।
বোর্ডের সভায় উপস্থিতির জন্য প্রত্যেক সার্বক্ষণিক সদস্য ও অন্যান্য সদস্যগণ বোর্ড কর্তৃক, সরকারের অনুমোদনক্রমে, নির্ধারিত হারে সম্মানী প্রাপ্য হইবেন।
(১) তাঁত শিল্পের উন্নয়ন ওতাঁতীদের কল্যাণার্থে তাঁতী সমিতি গঠন করা যাইবে।
(২) তাঁতী সমিতি গঠন এবং উহার শ্রেণীবিন্যাস, নিবন্ধন, পরিদর্শন, নিরীক্ষা ও নিয়ন্ত্রণ, ইত্যাদি বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতি ও, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে, ফি প্রদান সাপেক্ষে হইবে।
(১) বোর্ডের একজন সচিব থাকিবেন এবং তিনি সরকার কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন।
(২) সচিব বোর্ডের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য দায়ী থাকিবেন এবং চেয়ারম্যানের নির্দেশ মোতাবেক তিনি বোর্ডের কার্য সম্পাদন করিবেন।
(৩) উপ-ধারা (১) এর অধীন সচিব নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের মধ্য হইতে মনোনীত কোন কর্মকর্তা সচিবের দায়িত্ব পালন করিবেন।
- ধারা ১২ তে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, বোর্ড কার্যাবলী সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের উদ্দেশ্যে, চেয়ারম্যান সরকার কর্তৃক অনুমোদিত সাংগঠনিক কাঠামো অনুযায়ী, প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ করিতে পারিবে এবং তাহাদের চাকুরির শর্তাবলী প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত হইবে।
(১) বোর্ডের একটি তহবিল থাকিবে এবং উহাতে নিম্নবর্ণিত অর্থ জমা হইবে, যথা:-
(২) বোর্ডের তহবিল হইতে, সরকার কর্তৃক অনুমোদিত বাজেট অনুযায়ী, সরকারি নিয়মে বোর্ডের প্রয়োজনীয় ব্যয় নির্বাহ করা হইবে।
(৩) বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত কোন তফসিলি ব্যাংকে তহবিলের অর্থ জমা রাখিতে হইবে।
(৪) তহবিলের অর্থ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত খাতে বিনিয়োগ করা যাইবে।
(৫) সচিব এবং চেয়ারম্যান কর্তৃক মনোনীত অন্য একজন কর্মকর্তার যৌথ স্বাক্ষরে তহবিলের হিসাব পরিচালিত হইবে।
ব্যাখ্যা:- এই ধারায় “তফসিলি ব্যাংক” বলিতে Bangladesh Bank Order, 1972(P.O. 127 of 1972) এর article 2 (j) তে সংজ্ঞায়িত “Scheduled Bank” কে বুঝাইবে।
বোর্ড প্রতি বৎসর সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরবর্তী অর্থ বৎসরের বার্ষিক উন্নয়ন বাজেট এবং রাজস্ব বাজেট বিবরণী সরকারের নিকট পেশ করিবে এবং উহাতে উক্ত অর্থ বৎসরে সরকারের নিকট হইতে কি পরিমাণ অর্থ, বোর্ডের তহবিল হইতে ব্যয় নির্বাহকরণ সাপেক্ষে, প্রয়োজন হইবে উহার উল্লেখ করিবে।
(১) সরকার কর্তৃক নির্দেশিত পদ্ধতিতে বোর্ড প্রতি অর্থ বৎসরের হিসাব যথাযথভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করিবে এবং হিসাবের বার্ষিক আর্থিক বিবরণী প্রস্তুত করিবে।
(২) বাংলাদেশের মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, অতঃপর মহা-হিসাব নিরীক্ষক বলিয়া অভিহিত, প্রতি বৎসর বোর্ডের হিসাব নিরীক্ষা করিবেন এবং নিরীক্ষা প্রতিবেদনের একটি করিয়া অনুলিপি সরকার ও বোর্ডের নিকট প্রেরণ করিবেন।
(৩) উপ-ধারা (২) অনুযায়ী হিসাব নিরীক্ষার উদ্দেশ্যে মহাহিসাব নিরীক্ষক কিংবা তাহার নিকট হইতে এতদদ্দুশ্যে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি বোর্ডের সকল রেকর্ড, দলিল-দস্তাবেজ, নগদ বা ব্যাংকে গচ্ছিত অর্থ, জামানত, ভাণ্ডার এবং অন্যবিধ সম্পত্তি পরীক্ষা করিয়া দেখিতে পারিবেন এবং বোর্ডের যে কোন সদস্য, কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করিতে পারিবেন।
(৪) উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত নিরীক্ষা ছাড়াও বোর্ড কর্তৃক প্রত্যেক বৎসরে একবার Bangladesh Chartered Accountants Order, 1973(P.O. No. 2 of 1973) এর Article 2(1)(b) তে সংজ্ঞায়িত চার্টার্ড একাউনটেন্ট দ্বারা বোর্ডের হিসাব পরীক্ষিত ও নিরীক্ষিত হইবে।
(৫) প্রত্যেক অর্থ বৎসর সমাপ্তির ৬ (ছয়) মাসের মধ্যে বোর্ডের হিসাব নিরীক্ষা প্রতিবেদন অনুমোদিত হইতে হইবে।
(১) বোর্ড প্রতি অর্থ বৎসরে উহার সম্পাদিত কার্যাবলীর বিবরণ সম্বলিত একটি বার্ষিক প্রতিবেদন পরবর্তী অর্থ বৎসরের ৩১ শে জানুয়ারির মধ্যে সরকারের নিকট দাখিল করিবে।
(২) সরকার, প্রয়োজনমত, বোর্ডের নিকট হইতে যে কোন সময় উহার যে কোন বিষয়ের উপর বিবরণী, রিটার্ণ ও প্রতিবেদন তলব করিতে পারিবে এবং বোর্ড উহা সরকারের নিকট সরবরাহ করিতে বাধ্য থাকিবে।
(১) বোর্ড, এই আইন বা বিধি বা প্রবিধানের অধীন উহার কোন ক্ষমতা, লিখিত আদেশ দ্বারা, চেয়ারম্যান, কোন সার্বক্ষণিক সদস্য বা কোন কর্মকর্তাকে অর্পণ করিতে পারিবে।
(২) চেয়ারম্যান, এই আইন বা বিধি বা প্রবিধান অনুযায়ী, তাহার উপর অর্পিত, উপ-ধারা (১) এর অধীন চেয়ারম্যানকে প্রদত্ত ক্ষমতা ব্যতীত, যে কোন ক্ষমতা বোর্ডের যে কোন সার্বক্ষণিক সদস্য, সদস্য বা কর্মকর্তাকে অর্পণ করিতে পারিবেন।
এই আইনের অধীন কোন কার্য সম্পাদন, ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ (২০০৬ সনের ৩৯ নং আইন) এর বিধান সাপেক্ষে, তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করা যাইবে।
এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবে।
এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে বোর্ড, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইন বা বিধির সহিত অসামঞ্জস্যপূর্ণ নহে এইরূপ প্রবিধানমালা প্রণয়ন করিতে পারিবে।
(১) এই আইন কার্যকর হইবার পর, সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের বাংলা পাঠের ইংরেজিতে অনূদিত একটি নির্ভরযোগ্য পাঠ (Authentic English Text) প্রকাশ করিবে।
(২) বাংলা ও ইংরেজি পাঠের মধ্যে বিরোধের ক্ষেত্রে বাংলা পাঠ প্রাধান্য পাইবে।
(১) এই আইন কার্যকর হইবার সঙ্গে সঙ্গে Bangladesh Handloom Board Ordinance,1977 (Ordinance No. LXIII of 1977), অত:পর ‘‘উক্ত Ordinance ’’ বলিয়া উল্লিখিত, রহিত হইবে।
(২) উক্ত Ordinance রহিত হইবার সঙ্গে সঙ্গে-
(৩) উক্ত Ordinance রহিত হওয়া সত্ত্বেও উহার অধীনে প্রণীত কোন বিধি বা প্রবিধান, জারীকৃত কোন প্রজ্ঞাপন, প্রদত্ত কোন আদেশ, নির্দেশ, অনুমোদন, সুপারিশ, প্রণীত সকল পরিকল্পনা বা কার্যক্রম, অনুমোদিত সকল বাজেট এবং কৃত সকল কাজকর্ম উক্তরূপ রহিতকরণের অব্যবহিত পূর্বে বলবৎ থাকিলে এবং এই আইনের কোন বিধানের সহিত অসামঞ্জস্যপূর্ণ না হওয়া সাপেক্ষে এই আইনের অনুরূপ বিধানের অধীন, প্রণীত, জারীকৃত, প্রদত্ত, অনুমোদিত এবং কৃত বলিয়া গণ্য হইবে এবং মেয়াদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত অথবা এই আইনের অধীনে রহিত বা সংশোধীত না হওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকিবে।