Bangladesh Bridge Authority Ordinance, 1985 এর বিষয়বস্তু বিবেচনাক্রমে উহা পরিমার্জনপূর্বক নূতনভাবে আইন প্রণয়নকল্পে পণীত আইন যেহেতু সংবিধান (পঞ্চদশ সংশোধন) আইন, ২০১১ (২০১১ সনের ১৪ নং আইন) দ্বারা ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ হইতে ১৯৮৬ সালের ১০ নভেম্বর পর্যন্ত সময়ের মধ্যে সামরিক আদেশ দ্বারা জারীকৃত অধ্যাদেশসমূহের অনুমোদন ও সমর্থন সংক্রান্ত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ তফসিলের ১৯ অনুচ্ছেদ বিলুপ্ত হওয়ায় এবং সিভিল আপীল নং ৪৮/২০১১ তে সুপ্রীমকোর্টের আপীল বিভাগ কর্তৃক প্রদত্ত রায়ে সামরিক আইনকে অসাংবিধানিক ঘোষণাপূর্বক উহার বৈধতা প্রদানকারী সংবিধান (সপ্তম সংশোধন) আইন, ১৯৮৬ (১৯৮৬ সনের ১ নং আইন) বাতিল ঘোষিত হওয়ায় উক্ত অধ্যাদেশসমূহের কার্যকারিতা লোপ পায়; এবং যেহেতু ২০১৩ সনের ৭নং আইন দ্বারা উক্ত অধ্যাদেশসমূহের মধ্যে কতিপয় অধ্যাদেশ কার্যকর রাখা হয়; এবং যেহেতু উক্ত অধ্যাদেশসমূহের আবশ্যকতা ও প্রাসঙ্গিকতা পর্যালোচনা করিয়া আবশ্যক বিবেচিত অধ্যাদেশসমূহ সকল স্টেক-হোল্ডার ও সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মতামত গ্রহণ করিয়া প্রয়োজনীয় সংশোধন ও পরিমার্জনক্রমে বাংলায় নূতন আইন প্রণয়ন করিবার জন্য সরকার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিয়াছে; এবং যেহেতু সরকারের উপরি-বর্ণিত সিদ্ধান্তের আলোকে Bangladesh Bridge Authority Ordinance, 1985 (Ordinance No XXXIV of 1985) এর বিষয়বস্তু বিবেচনাপূর্বক রহিতক্রমে উহা পুনঃপ্রণয়ন করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়; সেহেতু এতদ্দ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইল :-
(১) এই আইন বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ আইন, ২০১৬ নামে অভিহিত হইবে।
(২) ইহা অবিলম্বে কার্যকর হইবে।
বিষয় বা প্রসঙ্গের পরিপন্থি কোন কিছু না থাকিলে, এই আইনে-
(১) ‘‘এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে’’ অর্থ ভূ-পৃষ্ঠ হইতে উপরে নির্মিত ১৫০০ মিটার ও তদূর্ধ্ব দৈর্ঘ্যের স্বতন্ত্র এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে;
(২) ‘‘কজওয়ে’’ অর্থ সেতু, টানেল ও এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে সংশ্লিষ্ট নিচু বা জলাভূমি অথবা বালুরাশি অতিক্রম করিবার জন্য নির্মিত সড়ক;
(৩) ‘‘কর্তৃপক্ষ’’ অর্থ ধারা ৪ এর অধীন প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ;
(৪) ‘‘চেয়ারম্যান’’ অর্থ বোর্ডের চেয়ারম্যান;
(৫) ‘‘টানেল’’ অর্থ ১৫০০ (এক হাজার পাঁচশত) মিটার ও তদূর্ধ্ব দৈর্ঘ্যের টানেল;
(৬) ‘‘ধারা’’ অর্থ এই আইনের ধারা;
(৭) ‘‘নদীশাসন কার্যক্রম’’ অর্থ যে কোন সেতু বা টানেল বা অন্য কোন স্থাপনা রক্ষার জন্য গাইড বাঁধ, হার্ডপয়েন্ট, বেড়িবাঁধ, সংরক্ষিত নদীর পাড়, ভরাটকৃত এলাকা এবং অন্যান্য রক্ষামূলক কার্যসমূহ;
(৮) ‘‘নির্বাহী পরিচালক’’ অর্থ ধারা ১১ এ উল্লিখিত নির্বাহী পরিচালক;
(৯) ‘‘প্রবিধান’’ অর্থ এই আইনের অধীন প্রণীত প্রবিধান;
(১০) ‘‘ফ্লাইওভার’’ অর্থ সেতু, টানেল ও এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে সংশ্লিষ্ট দুই বা ততোধিক সড়কের সংযোগস্থলে একটি আরেকটির উপর দিয়া অতিক্রম করিবার জন্য নির্মিত সেতু;
(১১) ‘‘বোর্ড’’ অর্থ ধারা ৭ এর অধীন গঠিত বোর্ড;
(১২) ‘‘বিধি’’ অর্থ এই আইনের অধীন প্রণীত বিধি;
(১৩) ‘‘রিং রোড’’ অর্থ সেতু, টানেল ও এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে সংশ্লিষ্ট সড়ক;
(১৪) ‘‘সদস্য’’ অর্থ বোর্ডের সদস্য;
(১৫) ‘‘সরকারি সংস্থা’’ অর্থ সরকারের কোন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, দপ্তর বা সংস্থা এবং তৎসহ আপাতত বলবৎ অন্য কোন আইন দ্বারা প্রতিষ্ঠিত বা সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত কর্পোরেশন, সংস্থা বা কর্তৃপক্ষ;
(১৬) ‘‘সংরক্ষিত এলাকা’’ অর্থ কর্তৃপক্ষের স্থাপনা সংলগ্ন এলাকা বা এলাকাসমূহ যাহা কর্তৃপক্ষ কর্তৃক সংরক্ষিত এলাকা হিসাবে নির্ধারিত;
(১৭) ‘‘সেতু’’ অর্থ ১৫০০ (এক হাজার পাঁচশত) মিটার অথবা তদূর্ধ্ব দৈর্ঘ্যের যে কোন সেতু এবং নিম্নবর্ণিত স্থাপনাও ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবে-
আপাতত বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের বিধানাবলী প্রাধান্য পাইবে।
(১) Bangladesh Bridge Authority Ordinance, 1985 (Ordinance No XXXIV of 1985) এর অধীন প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ এমনভাবে বহাল থাকিবে যেন উহা এই আইনের অধীন প্রতিষ্ঠিত হইয়াছে।
(২) কর্তৃপক্ষ একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা হইবে এবং উহার স্থায়ী ধারাবাহিকতা ও একটি সাধারণ সীলমোহর থাকিবে এবং উহার স্থাবর ও অস্থাবর উভয় প্রকার সম্পত্তি অর্জন করিবার, অধিকারে রাখিবার ও হস্তান্তর করিবার ক্ষমতা থাকিবে এবং উহা স্বীয় নামে মামলা দায়ের করিতে পারিবে এবং উহার বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করা যাইবে।
কর্তৃপক্ষের প্রধান কার্যালয় ঢাকায় থাকিবে এবং কর্তৃপক্ষ, প্রয়োজনবোধে, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, বাংলাদেশের যে কোন স্থানে উহার শাখা কার্যালয় স্থাপন করিতে পারিবে।
(১) কর্তৃপক্ষের কার্যক্রম পরিচালনা ও প্রশাসন বোর্ডের উপর ন্যস্ত থাকিবে।
(২) বোর্ড উহার কার্যাবলী সম্পাদনের ক্ষেত্রে, সরকার কর্তৃক, সময় সময়, প্রদত্ত নির্দেশনা অনুসরণ করিবে।
নিম্ন-বর্ণিত ১৫ (পনেরো) সদস্য সমন্বয়ে বোর্ড গঠিত হইবে, যথা:-
(১) এই ধারার অন্যান্য বিধানাবলী সাপেক্ষে, বোর্ড উহার সভার কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করিতে পারিবে।
(২) বোর্ডের সভা, চেয়ারম্যানের সম্মতিক্রমে এবং তদ্কর্তৃক নির্ধারিত তারিখ, সময় ও স্থানে নির্বাহী পরিচালক কর্তৃক আহূত হইবে।
(৩) চেয়ারম্যান বোর্ডের সকল সভায় সভাপতিত্ব করিবেন, তবে তাহার অনুপস্থিতিতে ভাইস-চেয়ারম্যান সভাপতিত্ব করিবেন।
(৪) অন্যূন এক-তৃতীয়াংশ সদস্যের উপস্থিতিতে সভার কোরাম হইবে, তবে মুলতবি সভার ক্ষেত্রে কোরামের প্রয়োজন হইবে না।
(৫) বোর্ডের সভায় প্রত্যেক সদস্যের একটি করিয়া ভোট থাকিবে, তবে ভোটের সমতার ক্ষেত্রে, সভাপতিত্বকারী ব্যক্তির দ্বিতীয় বা নির্ণায়ক ভোট থাকিবে।
(৬) সদস্য পদের কোন শূন্যতা অথবা বোর্ড গঠনে কোন ত্রুটির কারণে বোর্ডের কোন কার্য বা সিদ্ধান্ত অবৈধ হইবে না অথবা কোন প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।
কর্তৃপক্ষের ক্ষমতা ও কার্যাবলী হইবে নিম্নরূপ, যথা:-
কর্তৃপক্ষ, উহার কার্যে সহায়তার জন্য, আদেশবলে, সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিশেষজ্ঞগণের সমন্বয়ে এক বা একাধিক বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করিতে পারিবে এবং উক্ত আদেশে কমিটির কার্যপরিধি, দায়িত্ব, মেয়াদ, সম্মানী এবং অন্যান্য শর্তাবলিও নির্ধারণ করিয়া দিতে পারিবে।
(১) কর্তৃপক্ষের একজন নির্বাহী পরিচালক থাকিবে যিনি সরকার কর্তৃক নির্ধারিত শর্তে ও পদ্ধতিতে নিযুক্ত হইবেন।
(২) নির্বাহী পরিচালক কর্তৃপক্ষের সার্বক্ষণিক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হইবেন এবং তিনি-
(৩) নির্বাহী পরিচালকের পদ শূন্য হইলে কিংবা অনুপস্থিতি, অসুস্থতা বা অন্য কোন কারণে নির্বাহী পরিচালক তাহার দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হইলে উক্ত শূন্য পদে নব নিযুক্ত নির্বাহী পরিচালক কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত কিংবা নির্বাহী পরিচালক পুনরায় স্বীয় দায়িত্ব পালনে সমর্থ না হওয়া পর্যন্ত সরকার কর্তৃক মনোনীত কোন যোগ্য ব্যক্তি নির্ধারিত শর্ত সাপেক্ষে নির্বাহী পরিচালকরূপে দায়িত্ব পালন করিবেন।
(১) কর্তৃপক্ষের উহার কার্যাবলি সম্পাদনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ করিতে পারিবে।
(২) কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিয়োগ পদ্ধতি এবং চাকরির শর্তাবলি প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত হইবে।
(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে কর্তৃপক্ষের কোন ভূমি প্রয়োজন হইলে উহা জনস্বার্থে প্রয়োজন বলিয়া বিবেচিত হইবে এবং এতদুদ্দেশ্যে উহা Acquisition and Requisition of Immovable Property Ordinance, 1982 (Ordinance No. II of 1982) এর বিধান মোতাবেক অধিগ্রহণ করা যাইবে।
(২) কর্তৃপক্ষ কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নিকট অধিগ্রহণকৃত কোন ভূমি ইজারা প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিলে, এতদ্সংক্রান্ত আইন, বিধিমালা, নীতিমালা বা নির্দেশিকা অনুসরণে অস্থায়ী ভিত্তিতে ইজারা প্রদান করিতে পারিবে।
(১) নির্বাহী পরিচালক অথবা কর্তৃপক্ষের কোন কর্মকর্তা বা এতদুদ্দেশ্যে তদ্কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, প্রয়োজনীয় সংখ্যক জনবলসহ বা ব্যতীত কোন ভূমিতে প্রবেশ করিতে অথবা কোন প্রকার পরিদর্শন, জরিপ, পরীক্ষা অথবা তদন্তের আদেশ প্রদান অথবা খুঁটি নির্মাণ, গর্ত খনন বা অন্য কোন কাজ করিতে পারিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, ভূমির মালিক অথবা দখলদারকে অন্যূন ৩(তিন) দিন পূর্বে এইরূপ প্রবেশের অভিপ্রায় সংক্রান্ত প্রাক-বিজ্ঞপ্তি প্রদান ব্যতিরেকে উক্তরূপ ভূমিতে প্রবেশ করা যাইবে না।
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন গৃহীত ব্যবস্থার কারণে উক্ত ভূমির কোন ক্ষতি সাধিত হইলে কর্তৃপক্ষ তদ্কর্তৃক নির্ধারিত হারে ও পদ্ধতিতে উহার ক্ষতিপূরণ প্রদান করিবে।
(১) কর্তৃপক্ষের একটি তহবিল থাকিবে এবং উহাতে নিম্নবর্ণিত অর্থ জমা হইবে, যথা:-
(২) তহবিলের সকল অর্থ কর্তৃপক্ষের নামে কোন তফসিলি ব্যাংকে জমা রাখিতে হইবে এবং উক্তরূপ অর্থ হইতে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন ও ভাতাদি পরিশোধসহ কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় ব্যয় নির্বাহ করা হইবে।
ব্যাখ্যা। এই ধারায় উল্লিখিত ‘‘তফসিলি ব্যাংক’’ অর্থ Bangladesh Bank Order, 1972(P.O. 127 of 1972) এর Article 2(j) তে সংজ্ঞায়িত Scheduled Bank কে বুঝাইবে।
(৩) বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে তহবিল পরিচালিত হইবে।
(৪) কর্তৃপক্ষ তহবিলের অর্থ বা উহার অংশবিশেষ বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত লাভজনক খাতে বিনিয়োগ করিতে পারিবে।
(৫) কর্তৃপক্ষ তহবিলের উদ্বৃত্ত অর্থ যে কোন তফসিলি ব্যাংক বা সকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘমেয়াদি বা স্বল্পমেয়াদি বিভিন্ন সঞ্চয় স্কীমে বিনিয়োগ করিতে পারিবে।
(৬) কোন অর্থ বৎসরে কর্তৃপক্ষের ব্যয় নির্বাহের পর কর্তৃপক্ষের হবিলেত উদ্বৃত্ত অর্থ থাকিলে সরকারের নির্দেশ অনুসারে উহার সম্পূর্ণ বা অংশবিশেষ সরকারের কোষাগারে জমা করিতে হইবে।
কর্তৃপক্ষ, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, কোন ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা কোন সরকারি প্রতিষ্ঠান বা বিদেশি সংস্থা বা দাতা সংস্থা হইতে ঋণ গ্রহণ করিতে পারিবে।
কর্তৃপক্ষ প্রতিবৎসর সরকার কর্তৃক নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পরবর্তী অর্থ বৎসরের বার্ষিক বাজেট বিবরণী অনুমোদনের জন্য সরকারের নিকট পেশ করিবে এবং উহাতে উক্ত বৎসরে সরকারের নিকট হইতে কী পরিমাণ অর্থ প্রয়োজন হইবে উহার উল্লেখ থাকিবে।
(১) কর্তৃপক্ষ উহার আয়-ব্যয়ের যথাযথ হিসাবরক্ষণ করিবে এবং হিসাবের বার্ষিক বিবরণী প্রস্তুত করিবে।
(২) বাংলাদেশের মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, প্রতি বৎসর কর্তৃপক্ষের হিসাব নিরীক্ষা করিবেন এবং নিরীক্ষা প্রতিবেদনের একটি করিয়া অনুলিপি সরকা ও কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ করিবেন।
(৩) উপ-ধারা (২) অনুযায়ী হিসাব নিরীক্ষার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশের মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক কিংবা তাহার নিকট হইতে এতদুদ্দেশ্যে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি কর্তৃপক্ষের সকল রেকর্ড, দলিল-দস্তাবেজ, নগদ বা ব্যাংকে গচ্ছিত অর্থ, জামানত, ভাণ্ডার এবং অন্যবিধ সম্পত্তি পরীক্ষা করিয়া দেখিতে পারিবেন এবং কর্তৃপক্ষের যে কোন সদস্য, কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করিতে পারিবেন।
(৪) উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত নিরীক্ষা ছাড়াও কর্তৃপক্ষ প্রতি বৎসর Bangladesh Chartered Accountants Order, 1973(P.O. No 2 of 1973) এর Article 2(1)(b) তে সংজ্ঞায়িত Chartered Accountant দ্বারা কর্তৃপক্ষের হিসাব নিরীক্ষা করিতে পারিবে।
(১) প্রতি অর্থ বৎসর সমাপ্তির ৯০ (নববই) দিনের মধ্যে কর্তৃপক্ষ তদ্কর্তৃক সম্পাদিত কার্যাবলীর বিবরণ সন্বলিত একটি বার্ষিক প্রতিবেদন সরকারের নিকট পেশ করিবে।
(২) সরকার, প্রয়োজনে, কর্তৃপক্ষের নিকট হইতে উহার কার্যাবলী বা ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত যে কোন তথ্য, রিটার্ন, বিবরণী, প্রাক্কলন, পরিসংখ্যান অথবা অন্য কোন তথ্য চাহিতে পারিবে এবং কর্তৃপক্ষ উহা সরবরাহ করিতে বাধ্য থাকিবে।
কর্তৃপক্ষ উহার দায়িত্ব পালনে সহায়তার জন্য যে কোন সদস্য এবং কর্মকর্তা বা অন্য কোন ব্যক্তি সমন্বয়ে প্রয়োজনীয় সংখ্যক কমিটি গঠন এবং এইরূপ কমিটির দায়িত্ব ও কার্যাবলী নির্ধারণ করিতে পারিবে।
কোন সেতু, টানেল বা কর্তৃপক্ষের আওতাধীন অন্য কোন স্থাপনা অথবা উহার কোন নির্দিষ্ট অংশ ব্যবহারকারী অথবা জনসাধারণের জন্য বিপজ্জনক এবং ব্যবহার করা সম্ভব না হইলে অথবা উহা কোন নির্দিষ্ট শ্রেণির যানবাহন চলাচলের জন্য উপযুক্ত নহে মর্মে কর্তৃপক্ষ মনে করিলে, এইরূপ স্থাপনার উপর অথবা নিকটে স্পষ্টভাবে প্রদর্শিত লিখিত নোটিশ দ্বারা নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে যে, উক্ত স্থাপনা অথবা উহার কোন নির্দিষ্ট অংশ, ব্যবহারকারী বা জনসাধারণ অথবা নির্দিষ্ট কোন শ্রেণির যানবাহন চলাচলের জন্য বন্ধ থাকিবে।
কর্তৃপক্ষের আওতাধীন যে কোন স্থাপনা বা উহার কোন অংশ বিশেষের উপর, নিম্নে, ঊর্ধ্বে বা নিকটে স্থাবর বা অস্থাবর প্রকৃতির অনধিকার প্রবেশ বা বাধা অথবা যে কোন প্রকার প্রতিবন্ধকতা প্রতিরোধের জন্য, বা উহা অপসারণের জন্য, প্রয়োজনীয় বিবেচিত হইলে, কর্তৃপক্ষ বল প্রয়োগ করিবার উদ্যোগসহ অনুরূপ অন্য কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারিবে।
যদি কোন যানবাহন অথবা ব্যক্তির ক্ষেত্রে এইরূপ ধারণা করা হইয়া থাকে যে উক্ত যানবাহন অথবা ব্যক্তি দ্বারা এই আইন, বিধি বা প্রবিধান অথবা তদধীন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত অথবা জারীকৃত কোন নির্দেশ বা আদেশ লঙ্ঘন করা হইয়াছে, সেইক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষ কর্তৃক, এতদুদ্দেশ্যে সাধারণ অথবা বিশেষ আদেশ দ্বারা, উহার পক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ক্ষমতাপ্রাপ্ত যে কোন পুলিশ কর্মকর্তা অথবা কর্তৃপক্ষের কোন কর্মকর্তা, কোন সেতু, টানেল বা কর্তৃপক্ষের আওতাধীন অন্য কোন স্থাপনায় অথবা উহার নিকটে যে কোন যানবাহন থামাইতে, পরিদর্শন এবং তল্লাশি করিতে অথবা এইরূপ যানবাহনের চালক, যাত্রী অথবা ভারপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে পরীক্ষা এবং তল্লাশি করিতে পারিবে।
কোন প্রকার আইনসঙ্গত কারণ এই আইন অথবা কোন বিধি, প্রবিধান বা তদধীন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশ ভঙ্গ করিয়া, কোন যানবাহন কোন সেতু, টানেল বা কর্তৃপক্ষের আওতাধীন অন্য কোন স্থাপনা অতিক্রমের চেষ্টা করিলে অথবা উক্ত বিধানাবলী লঙ্ঘন করিয়া কোন প্রকার যাত্রী বা মালামাল পরিবহন করিলে, উক্ত যানবাহন এবং, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে উহার মালামাল, প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, কর্তৃপক্ষ কর্তৃক, অপসারণ বা, ক্ষেত্রমত, বাজেয়াপ্ত করা যাইবে।
(১) এই আইনের অন্যান্য বিধানে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, জনস্বার্থে প্রয়োজনীয় বিবেচিত হইলে, কর্তৃপক্ষ, সরকারের পূর্বানুমতি সাপেক্ষে, কোন সেতু, টানেল বা কর্তৃপক্ষের আওতাধীন অন্য কোন স্থাপনার নির্মাণ সমাপ্তির পর, উহার মালিকানা, প্রশাসন, ব্যবস্থাপনা, পরিচালনা এবং রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে তদ্কর্তৃক নির্ধারিত শেয়ার মূলধন সন্বলিত এক বা একাধিক কোম্পানি গঠন করিতে পারিবে।
(২) কর্তৃপক্ষ অনুরূপ কোম্পানির সকল বা যে কোন সংখ্যক শেয়ারের মালিক এবং অধিকারী হইবে।
(৩) সরকারের পূর্বানুমতি সাপেক্ষে, কর্তৃপক্ষ অনুরূপ কোম্পানিতে উহার মালিকানাধীন অথবা অধিকারী সকল বা যে কোন সংখ্যক শেয়ার জনসাধারণ, কোন সংস্থা অথবা কোন প্রতিষ্ঠানের নিকট হস্তান্তর করিতে পারিবে।
(১) ধারা ২৫ অনুযায়ী কোন কোম্পানি গঠন করা হইলে, কর্তৃপক্ষ উক্ত সেতু, টানেল বা উহার আওতাধীন অন্য কোন স্থাপনার জন্য কর্তৃপক্ষের দায়, ঋণ এবং বাধ্যবাধকতাসহ উহার মালিকানা, অধিকার, স্বার্থ, ক্ষমতা এবং দখল উক্ত কোম্পানি এবং কর্তৃপক্ষের মধ্যে পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে নির্ধারিত পদ্ধতিতে ও শর্তে এবং বিনিময়ে, উক্ত কোম্পানির নিকট হস্তান্তরিত হইবে।
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন হস্তান্তরের পর, উক্ত কোম্পানি লগ্নীকৃত বিনিয়োগ, নির্বাহ ব্যয়, উহা প্রতিষ্ঠা অথবা নির্মাণের উদ্দেশ্যে এবং জনসাধারণের স্বার্থ বিবেচনায় রাখিয়া দক্ষতার সহিত এবং ব্যবসায়িকভাবে, হস্তান্তরিত সেতু, টানেল বা কর্তৃপক্ষের আওতাধীন অন্য কোন স্থাপনার প্রশাসন, ব্যবস্থাপনা, পরিচালনা এবং রক্ষণাবেক্ষণ অব্যাহত রাখিবে।
(৩) উপ-ধারা (১) এর অধীন কোন সেতু, টানেল এবং কর্তৃপক্ষের আওতাধীন অন্য কোন স্থাপনা হস্তান্তর করা সত্ত্বেও উক্ত সেতু, টানেল বা অন্য কোন স্থাপনার ক্ষেত্রে এই আইন, বিধি ও প্রবিধানের বিধানাবলীর প্রয়োগ অব্যাহত থাকিবে এবং এই আইন, বিধি ও প্রবিধানের অধীন আদেশ বা নির্দেশ প্রদানের ক্ষমতাসহ, অনুরূপ সেতু, টানেল বা কর্তৃপক্ষের আওতাধীন অন্য কোন স্থাপনার প্রশাসন, ব্যবস্থাপনা, পরিচালনা এবং রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষের সকল অধিকার এবং ক্ষমতা উক্ত কোম্পানি এইরূপে প্রয়োগ করিতে পারিবে যেন উহাই কর্তৃপক্ষ।
(১) কর্তৃপক্ষ, যথাযথ মনে করিলে, প্রশাসন, ব্যবস্থাপনা, পরিচালনা এবং রক্ষণাবেক্ষণের উদ্দেশ্যে, কোন সেতু, টানেল বা কর্তৃপক্ষের আওতাধীন অন্য কোন স্থাপনা তদ্কর্তৃক নির্ধারিত শর্তে এবং সময়ের জন্য কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নিকট ইজারা প্রদান করিতে পারিবে।
(২) কর্তৃপক্ষ উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে, প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, ইজারা গ্রহীতা নির্বাচন করিবে।
(৩) এই ধারার অধীন প্রদত্ত ইজারা দলিলে উক্ত ইজারা বাতিল করিবার ব্যবস্থা থাকিবে এবং ইজারা গ্রহীতার পক্ষে ইজারা দলিলের শর্তাবলি পূরণে ব্যর্থতার ক্ষেত্রে ইজারা গ্রহীতা কর্তৃক ক্ষতিপূরণ প্রদানের ব্যবস্থা থাকিবে।
(৪) কোন ইজারা গ্রহীতা তাহার নিকট ইজারা প্রদত্ত সেতু, টানেল অথবা কর্তৃপক্ষের আওতাধীন অন্য যে কোন স্থাপনা এবং প্রশাসন, ব্যবস্থাপনা, পরিচালনা এবং রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষের সকল অধিকার এবং ক্ষমতা লাভ করিবে এবং ইজারা গ্রহীতা এই আইন, বিধি ও প্রবিধানের অধীন উক্ত ক্ষমতা এবং অধিকার প্রয়োগ করিতে পারিবে।
(৫) ইজারা গ্রহীতার নিকট কর্তৃপক্ষের সকল বকেয়া পাওনা সরকারি পাওনা হিসাবে আদায়যোগ্য হইবে।
কোন ব্যক্তি আইনসঙ্গত কারণ ব্যতিরেকে ইচ্ছাকৃতভাবে-
যে সকল ক্ষেত্রে এই আইনে কোন জরিমানা আরোপের বিধান নাই, সেই সকল ক্ষেত্রে কোন বিধি বা প্রবিধানে এই মর্মে বিধান করা যাইবে যে, উক্ত বিধি বা প্রবিধান লঙ্ঘন বা ভঙ্গ করা হইলে অথবা উক্ত বিধি বা প্রবিধানের অধীন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক জারীকৃত বা প্রদত্ত কোন আদেশ অমান্য করা হইলে, অনধিক ৫ (পাঁচ) হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা আরোপ করা যাইবে।
(১) কোন পুলিশ কর্মকর্তা অথবা এতদুদ্দেশ্যে কর্তৃপক্ষের নিকট হইতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কোন সেতু, টানেল বা কর্তৃপক্ষের আওতাধীন অন্য কোন স্থাপনায় কোন ব্যক্তিকে ধারা ২৮ এর অধীন কোন অপরাধ সংঘটন অথবা কোন বিধি বা প্রবিধানের কোন দণ্ডযোগ্য বিধান লঙ্ঘন অথবা কর্তৃপক্ষ কর্তৃক জারীকৃত কোন আদেশ অমান্য করিতে দেখিলে, পরওয়ানা ব্যতিরেকে তাহাকে গ্রেপ্তার করিতে পারিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, সেতু, টানেল বা কর্তৃপক্ষের আওতাধীন যে কোন স্থাপনায় যাহাই হউক না কেন, যদি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে উহা হইতে কেবল অপসারণ করাই যথেষ্ট বিবেচিত হয় এবং সংশ্লিষ্ট ঘটনার প্রেক্ষাপটে ইহার অধিক অন্য কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজনীয় বিবেচিত না হয়, সেইক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার না করিয়া, উক্ত স্থাপনা হইতে তাহাকে অপসারণ করিবার জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি প্রয়োগ করিয়া তাহাকে অপসারণ করা যাইবে।
(২) উপ-ধারা (১) অধীন গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি যদি চাহিবা মাত্র তাহার নাম ও ঠিকানা প্রদান করেন এবং এইরূপ বিশ্বাসযোগ্য হয় যে, তাহার প্রদত্ত নাম ও ঠিকানা সঠিক অথবা যদি তাহার প্রকৃত নাম ও ঠিকানা নিশ্চিত করা যায়, তাহা হইলে প্রয়োজনে হাজির হইবেন মর্মে মুচলেকা প্রদান সাপেক্ষে, কোন প্রকার জামানত ব্যতীত, তাহাকে মুক্তি প্রদান করা যাইবে।
(৩) উপ-ধারা (১) এর অধীন গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে যদি উপ-ধারা(২) এর অধীন মুক্তি প্রদান করা না যায়, তাহা হইলে তাহার বিষয়ে আইনসঙ্গত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাহাকে তৎক্ষণাৎ নিকটতম পুলিশ স্টেশনে সোপর্দ করিতে হইবে।
(৪) এই ধারার অধীন মুচলেকা প্রদানের ক্ষেত্রে The Code of Criminal Procedure, 1898 (Act No. V of 1898) এর Chapter XLΙΙ এর বিধানসমূহ প্রযোজ্য হইবে।
(১) এই আইন অথবা বিধি বা প্রবিধানের অধীন সংঘটিত কোন অপরাধ কোন আদালত কর্তৃক বিচারার্থে গৃহীত হইলে উক্ত আদালত কর্তৃক অভিযুক্ত ব্যক্তির নামে জারীতব্য সমনে এইমর্মে উল্লেখ থাকিবে যে, তিনি-
(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত অভিযুক্ত ব্যক্তি তাহার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের অপরাধ সংঘটন করিয়াছেন বলিয়া স্বীকার করিলে এবং সমনে উল্লিখিত পরিমাণ টাকা প্রদান অথবা প্রেরণ করিয়া থাকিলে উক্ত অপরাধের জন্য তাহার বিরুদ্ধে তদ্তিরিক্ত কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাইবে না।
(৩) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত অভিযুক্ত ব্যক্তি তাহার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করিলে এবং সমনে উল্লিখিত পরিমাণ টাকা সমনে উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে প্রদান অথবা প্রেরণ না করিলে তাহার বিরুদ্ধে উক্ত অভিযোগের ক্ষেত্রে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাইবে।
(১) এই আইনের অন্য কোন বিধানে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, যদি সাব-ইন্সপেক্টর বা সার্জেন্ট পদের নিম্নে নহে এইরূপ কোন পুলিশ কর্মকর্তা অথবা সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা কর্তৃপক্ষ কর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তা যদি দেখিতে পান যে, কোন সেতু, টানেল, টোল সড়ক বা কর্তৃপক্ষের আওতাধীন অন্য কোন স্থাপনায় অথবা উহার কোন সংরক্ষিত এলাকায়, কোন ব্যক্তি বিধি বা প্রবিধানের অধীন অনধিক ০১(এক) হাজার টাকা জরিমানাযোগ্য কোন অপরাধ করিয়াছেন অথবা করিতেছেন, তাহা হইলে উক্ত কর্মকর্তা উক্ত ব্যক্তিকে ঘটনাস্থলেই জরিমানা আরোপ করিতে পারিবেন।
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনা জরিমানা আরোপ করিবার পূর্বে, অভিযুক্ত ব্যক্তিকে প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিতরূপে নিম্নোক্ত বিষয়সমূহ অন্তর্ভুক্ত করিয়া একটি নোটিশ হাতে হাতে প্রদান করিতে হইবে, যথা:-
(৩) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত অভিযুক্ত ব্যক্তি উক্ত অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া স্বীকার করিলে এবং উক্ত নোটিশে উল্লিখিত জরিমানা পরিশোধে সম্মত থাকিলে তাহা নোটিশে লিপিবদ্ধ করিয়া উহাতে অভিযুক্ত ব্যক্তির স্বাক্ষর গ্রহণ করিতে হইবে।
(৪) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত অভিযুক্ত ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত জরিমানা উক্ত নোটিশে নির্ধারিত পদ্ধতিতে এবং সময়সীমার মধ্যে পরিশোধ করিতে ব্যর্থ হইলে উক্ত জরিমানা তাহার নিকট হইতে সরকারি পাওনা হিসাবে আদায়যোগ্য হইবে।
(৫) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত অভিযুক্ত ব্যক্তি অপরাধ করিয়াছেন মর্মে অস্বীকার করিলে এবং উক্ত নোটিশে বর্ণিত জরিমানা প্রদানে সম্মত না হইলে তাহার বিরুদ্ধে উক্ত অপরাধের জন্য আদালতে মামলা দায়ের করা যাইবে।
(১) সাব-ইন্সপেক্টর বা সার্জেন্ট পদমর্যাদার নিম্নে নহেন এইরূপ কোন পুলিশ কর্মকর্তা অথবা কর্তৃপক্ষের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তা কর্তৃক লিখিত কোন প্রতিবেদন ব্যতিরেকে, এই আইনের অধীন কোন অপরাধ আদালত বিচারার্থ গ্রহণ করিবে না।
(২) এই আইনের অধীন অপরাধ The Code of Criminal Procedure, 1898 (Act No. V of 1898) এর Chapter XXΙΙ এ বর্ণিত পদ্ধতিতে সংক্ষিপ্তভাবে বিচার করা যাইবে।
কর্তৃপক্ষ প্রশাসনিক আদেশ দ্বারা এই মর্মে নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে যে, এই আইন দ্বারা কর্তৃপক্ষের উপর ন্যস্ত বা আরোপিত যে কোন ক্ষমতা অথবা দায়িত্ব আদেশে নির্ধারিত পদ্ধতিতে এবং শর্তে, যদি থাকে, বোর্ড চেয়ারম্যান অথবা কোন সদস্য অথবা নির্বাহী পরিচালক অথবা অন্য যে কোন কর্মকর্তা দ্বারা প্রয়োগ বা পালন করা যাইবে।
The Insurance Corporation Act, 1973 (Act No. VI of 1973) এর Section 23 এবং Section 23A এর বিধানাবলী যে কোন সেতু, টানেল অথবা অন্য কোন অবকাঠামো নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় যে কোন কাজ সংশ্লিষ্ট বীমার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে।
এই আইনের অধীন কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নিকট হইতে কর্তৃপক্ষের পাওনা অনাদায়ী হিসাবে The Public Demands Recovery Act, 1913(Ben. Act No. ΙΙΙ of 1913) এর অধীন সরকারি পাওনা হিসাবে আদায়যোগ্য হইবে।
সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবে
(১) কর্তৃপক্ষ, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইন ও বিধির সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ নহে এইরূপ প্রবিধান প্রণয়ন করিতে পারিবে।
(২) বিশেষত এবং পূর্বোক্ত ক্ষমতার সামগ্রিকতা ক্ষুণ্ণ না করিয়া, নিম্নবর্ণিত বিষয়াদির যে কোনটি এবং উহার সহিত সংশ্লিষ্ট এবং সম্পূরক সকল বিষয়ে প্রবিধান প্রণয়ন করিতে পারিবে, যথা:-
(১) এই আইন কার্যকর হইবার পর সরকার, প্রয়োজনবোধে, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা এই আইনের ইংরেজিতে অনূদিত একটি নির্ভরযোগ্য পাঠ (Authentic English Text) প্রকাশ করিতে পারিবে।
(২) বাংলা ও ইংরেজি পাঠের মধ্যে বিরোধের ক্ষেত্রে বাংলা পাঠ প্রাধান্য পাইবে।
(১) এই আইন কার্যকর হইবার সংগে সংগে Bangladesh Bridge Authority Ordinance, 1985 (Ordinance No XXXΙV of 1985), অতঃপর উক্ত Ordinance বলিয়া উল্লিখিত, রহিত হইবে।
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন রহিত হওয়া সত্ত্বেও, উক্ত Ordinance এর অধীন-