Bangladesh Unnayan Gobeshona Protishthan Act, 1974 রহিতক্রমে পরিমার্জনপূর্বক সময়োপযোগী করিয়া উহা পুনঃপ্রণয়নের উদ্দেশ্যে প্রণীত আইন যেহেতু উন্নয়ন অর্থনীতি, জনসংখ্যাতত্ত্ব ও অন্যান্য সামাজিক বিজ্ঞান এবং প্রাসঙ্গিক বিষয়ে অনুসন্ধান, গবেষণা পরিচালনা ও জ্ঞান বিস্তারের জন্য একটি প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা এবং তদ্সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিধান প্রণয়ন করিবার লক্ষ্যে Bangladesh Unnayan Gobeshona Protishthan Act, 1974 (Act No. XXIX of 1974) রহিতক্রমে পরিমার্জনপূর্বক সময়োপযোগী করিয়া উহা পুনঃপ্রণয়ন করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়; সেহেতু এতদ্দ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইল:-
(১) এই আইন বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইন, ২০১৭ নামে অভিহিত হইবে।
(২) ইহা অবিলম্বে কার্যকর হইবে।
বিষয় বা প্রসঙ্গের পরিপন্থি কোন কিছু না থাকিলে, এই আইনে-
(১) ‘‘কমিটি’’ অর্থ এই আইনের ধারা ১২ এর অধীন গঠিত কোন কমিটি;
(২) ‘‘চেয়ারম্যান’’ অর্থ বোর্ডের চেয়ারম্যান;
(৩) ‘‘প্রতিষ্ঠান’’ অর্থ ধারা ৩ এর অধীন প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান;
(৪) ‘‘প্রবিধান’’ অর্থ এই আইনের অধীন প্রণীত প্রবিধান;
(৫) ‘‘বিধি’’ অর্থ এই আইনের অধীন প্রণীত বিধি;
(৬) ‘‘বোর্ড’’ অর্থ ধারা ৭ এর অধীন গঠিত বোর্ড;
(৭) ‘‘মহাপরিচালক’’ অর্থ ধারা ৯ এ উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানের মহাপরিচালক;
(৮) ‘‘তহবিল’’ অর্থ ধারা ২০ এ উল্লিখিত তহবিল;
(৯) ‘‘সচিব’’ অর্থ ধারা ১০ এ উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানের সচিব;
(১০) ‘‘সভাপতি’’ অর্থ সংশ্লিষ্ট কমিটির সভাপতি; এবং
(১১) ‘‘সিনিয়র ফেলো’’ অর্থ ধারা ১৯ এ উল্লিখিত সিনিয়র ফেলো।
(১) Bangladesh Unnayan Gobeshona Protishthan Act, 1974 (Act No. XXIX of 1974) এর অধীন প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান এমনভাবে বহাল থাকিবে যেন উহা এই আইনের অধীন প্রতিষ্ঠিত হইয়াছে।
(২) প্রতিষ্ঠান একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা হইবে এবং উহার স্থায়ী ধারাবাহিকতা ও একটি সাধারণ সীলমোহর থাকিবে এবং উহার স্থাবর ও অস্থাবর উভয় প্রকার সম্পত্তি অর্জন করিবার, অধিকারে রাখিবার ও হস্তান্তর করিবার ক্ষমতা থাকিবে এবং উহা স্বীয় নামে মামলা দায়ের করিতে পারিবে এবং উহার বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করা যাইবে।
প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয় ঢাকায় থাকিবে এবং প্রতিষ্ঠান, প্রয়োজনবোধে, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, বাংলাদেশের যে কোন স্থানে উহার শাখা কার্যালয় স্থাপন করিতে পারিবে।
প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা ও প্রশাসন বোর্ডের উপর ন্যস্ত থাকিবে এবং প্রতিষ্ঠান যে সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কার্য সম্পাদন করিতে পারিবে বোর্ডও সেই সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কার্য সম্পাদন করিতে পারিবে।
প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতা ও কার্যাবলী হইবে নিম্নরূপ, যথা:-
(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে নিম্নবর্ণিত সদস্য সমন্বয়ে বোর্ড গঠিত হইবে, যথা :-
(২) উপ-ধারা (১) এর দফা (ঞ) ও (ট) তে বর্ণিত সদস্য ৩ (তিন) বৎসরের জন্য মনোনীত হইবে।
(১) এই ধারার অন্যান্য বিধানাবলী সাপেক্ষে, বোর্ড উহার সভার কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করিতে পারিবে।
(২) বোর্ডের সভার আলোচ্যসূচী, তারিখ, সময় ও স্থান চেয়ারম্যান কর্তৃক নির্ধারিত হইবে এবং চেয়ারম্যানের অনুমতিক্রমে মহাপরিচালক সকল সভা আহবান করিবেন।
(৩) চেয়ারম্যান বোর্ডের সকল সভায় সভাপতিত্ব করিবেন এবং যদি কোন কারণে চেয়ারম্যানের পদ শূন্য হয় অথবা চেয়ারম্যান বোর্ড সভায় উপস্থিত থাকিতে অক্ষম হন, তাহা হইলে সভায় উপস্থিত সদস্যগণ কর্তৃক তাহাদের মধ্য হইতে মনোনীত সদস্য সভাপতিত্ব করিবেন।
(৪) বোর্ডের সভায় প্রত্যেক সদস্যের একটি করিয়া ভোট থাকিবে এবং ভোটের সমতার ক্ষেত্রে, সভাপতিত্বকারীর দ্বিতীয় বা নির্ণায়ক ভোট থাকিবে।
(৫) অন্যূন ৫(পাঁচ) জন সদস্যের উপস্থিতিতে সভার কোরাম হইবে, তবে মুলতবি সভার ক্ষেত্রে কোরামের প্রয়োজন হইবে না।
(৬) প্রতি ৬(ছয়) মাসে বোর্ডের কমপক্ষে একটি সভা অনুষ্ঠিত হইবে।
(৭) সদস্য পদে কোন শূন্যতা অথবা বোর্ড গঠনে কোন ত্রুটির কারণে বোর্ডের কোন কার্য বা কার্যধারা অবৈধ হইবে না অথবা তদ্সম্পর্কে কোন প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।
(১) প্রতিষ্ঠানের একজন মহাপরিচালক থাকিবেন, যিনি বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত শর্তে ৩ (তিন) বৎসরের জন্য নিযুক্ত হইবেন: তবে তিনি অতিরিক্ত আরো ১(এক) মেয়াদের জন্য পুনঃনিয়োগের যোগ্য হইবেন।
(২) মহাপরিচালক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী হইবে এবং তিনি -
(৩) মহাপরিচালকের পদ শূন্য হইলে কিংবা অনুপস্থিতি, অসুস্থতা বা অন্য কোন কারণে মহাপরিচালক তাহার দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হইলে উক্ত শূন্য পদে নব নিযুক্ত মহাপরিচালক কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত কিংবা মহাপরিচালক পুনরায় স্বীয় দায়িত্ব পালনে সমর্থ না হওয়া পর্যন্ত, বোর্ড, মহাপরিচালকের দায়িত্ব পালনের লক্ষ্যে তদ্বিবেচনায় যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করিবে।
(১) প্রতিষ্ঠানের একজন সচিব থাকিবে যিনি বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত শর্তে নিযুক্ত হইবেন।
(২) সচিব তাহার কর্মকাণ্ডের জন্য মহাপরিচালক এর নিকট দায়ী থাকিবেন এবং মহাপরিচালক ও কমিটিসমূহকে তাহাদের দায়িত্ব পালনে সহায়তা করিবেন।
(৩) সচিব বোর্ড বা মহাপরিচালক কর্তৃক সময় সময় প্রদত্ত দায়িত্বও পালন করিবেন।
প্রতিষ্ঠান, ইহার কার্যাবলী সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের উদ্দেশ্যে, সরকার কর্তৃক অনুমোদিত সাংগঠনিক কাঠামো সাপেক্ষে, প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মচারী নিয়োগ করিতে পারিবে এবং তাহাদের চাকরির শর্তাবলী প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত হইবে।
এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে প্রতিষ্ঠান নিম্নবর্ণিত কমিটিসমূহ গঠন করিতে পারিবে, যথা:-
(১) নীতি সমন্বয় কমিটি নিম্নলিখিত সদস্যবৃন্দের সমন্বয়ে গঠিত হইবে, যথা:-
(২) উপ-ধারা (১) এর দফা (ছ) এ বর্ণিত সদস্যগণের মেয়াদ হইবে মনোনয়নের তারিখ হইতে ১ (এক) বৎসর, তবে পুনরায় নূতন সদস্য মনোনীত না হওয়া পর্যন্ত তাহারা উক্ত সদস্যপদে বহাল থাকিবেন।
(৩) নীতি সমন্বয় কমিটি―
(১) গবেষণার জন্য তহবিল হইতে অর্থ বরাদ্দকরণ;
(২) শিক্ষাবৃত্তি ও ফেলোশীপ প্রদান;
(৩) সেমিনার, কর্মশালা এবং অন্যান্য পেশাগত কর্মকাণ্ডে প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিত্বকারীদিগকে মনোনয়নদান;
(৪) প্রকল্পসমূহের নিয়ন্ত্রণ, ব্যবস্থাপনা এবং প্রশাসন; এবং
(৫) প্রশাসন বিষয়ক কমিটি এবং অর্থ বিষয়ক কমিটির সদস্যগণের মনোনয়নদান।
(৪) নীতি সমন্বয় কমিটি ইহার কর্মকাণ্ড পরিচালনার ক্ষেত্রে সহায়তাদানের জন্য বিভিন্ন উপ-কমিটি গঠন করিতে পারিবে।
(১) প্রশাসন বিষয়ক কমিটি নিম্নরূপ সদস্যগণের সমন্বয়ে গঠিত হইবে, যথা: -
(২) পদাধিকারবলে অন্তর্ভুক্ত সদস্য ব্যতীত, অন্য যে কোন সদস্যের মেয়াদকাল হইবে ০১ (এক) বৎসর, তবে তাহাদের উত্তরসূরি স্থলাভিষিক্ত না হওয়া পর্যন্ত স্বপদে বহাল থাকিবেন।
(৩) প্রশাসন বিষয়ক কমিটি নিম্নলিখিত বিষয়াদি সম্পর্কে মহাপরিচালকের নিকট সুপারিশ করিবে, যথা:-
(১) অর্থ বিষয়ক কমিটি নিম্নলিখিত সদস্যগণের সমন্বয়ে গঠিত হইবে, যথা: -
(২) পদাধিকারবলে অন্তর্ভুক্ত সদস্য ব্যতীত, অন্য যে কোন সদস্যের মেয়াদকাল হইবে ০১ (এক) বৎসর, তবে তাহাদের উত্তরসূরি স্থলাভিষিক্ত না হওয়া পর্যন্ত স্বপদে বহাল থাকিবেন।
(৩) অর্থ বিষয়ক কমিটি -
এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে প্রতিষ্ঠান, বোর্ডের অনুমোদনক্রমে, সদস্য সংখ্যা, দায়িত্ব নির্ধারণপূর্বক, আনুষঙ্গিক অন্যান্য কমিটি গঠন করিতে পারিবে।
(১) কমিটির সভা সংশ্লিষ্ট কমিটির সভাপতি কর্তৃক নির্ধারিত তারিখ, সময় ও স্থানে অনুষ্ঠিত হইবে।
(২) সভাপতিসহ এক-তৃতীয়াংশ সদস্যের উপস্থিতিতে কমিটির সভার কোরাম হইবে, তবে মূলতবী সভার ক্ষেত্রে কোরামের প্রয়োজন হইবে না।
(৩) কমিটির সভায় প্রত্যেক সদস্যের একটি করিয়া ভোট থাকিবে এবং ভোটের সমতার ক্ষেত্রে, সভাপতির দ্বিতীয় বা নির্ণায়ক ভোট থাকিবে।
(৪) সভাপতি কমিটির সকল সভায় সভাপতিত্ব করিবেন, তবে তাহার অনুপস্থিতিতে তদ্কর্তৃক মনোনীত সদস্য সভাপতিত্ব করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, মনোনীত সদস্য অনুপস্থিত থাকিলে উপস্থিত কমিটির সদস্যগণ কর্তৃক তাহাদের মধ্য হইতে এতদুদ্দেশ্যে নির্বাচিত সদস্য সভায় সভাপত্বি করিবেন।
কোন বিষয়ে কমিটিসমূহের মধ্যে মতপার্থক্য দেখা দিলে অথবা কোন কমিটি এবং মহাপরিচালকের মধ্যে মতানৈক্য দেখা দিলে সিদ্ধান্তের জন্য বিষয়টি বোর্ডে প্রেরণ করিতে হইবে এবং সেক্ষেত্রে বোর্ডের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হইবে।
(১) প্রতিষ্ঠানে অন্যূন ১২ (বারো) জন সিনিয়র ফেলো থাকিবে।
(২) উচ্চ পেশাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার দ্বারা উন্নয়ন অর্থনীতি, জনসংখ্যাতত্ত্ব ও অন্যান্য সামাজিক বিজ্ঞান বিষয়ে খ্যাতি অর্জন করিয়াছেন এবং কোন প্রকার সম্মানী ব্যতিরেকেই প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য অর্জনে কাজ করিতে আগ্রহী, এইরূপ ব্যক্তিগণের মধ্য হইতে প্রতিষ্ঠান কর্তৃক সিনিয়র ফেলো নিযুক্ত হইবে।
(৩) সিনিয়র ফেলো ০৩ (তিন) বৎসর মেয়াদের জন্য নিযুক্ত হইবে এবং পুনঃনিয়োগের জন্য যোগ্য হইবে।
(৪) সিনিয়র ফেলোগণ গবেষণা, প্রশিক্ষণ, প্রকাশনা ও অন্যান্য পেশাগত কর্মসূচি প্রণয়ন ও সম্পাদন করিবার জন্য প্রতিষ্ঠানকে পরামর্শ প্রদান ও সহায়তা করিবে।
(৫) কোন সিনিয়র ফেলো পর পর ০৩ (তিন) বা ততোধিকবার সিনিয়র ফেলোদের সভায় উপস্থিত হইতে ব্যর্থ হইলে তিনি সিনিয়র ফেলো হিসেবে পদত্যাগ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন এবং প্রতিষ্ঠান উহার আদেশ দ্বারা উক্ত পদত্যাগের বিষয়টি কার্যকর করিবে।
(১) প্রতিষ্ঠানের একটি তহবিল থাকিবে এবং উহাতে নিম্নবর্ণিত অর্থ জমা হইবে, যথা: -
(২) তহবিলের সকল অর্থ প্রতিষ্ঠানের নামে কোন তফসিলি ব্যাংকে জমা রাখিতে হইবে এবং উক্তরূপ অর্থ হইতে প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের বেতন ও ভাতাদি পরিশোধসহ প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় ব্যয় নির্বাহ করা হইবে।
ব্যাখ্যা। - ‘‘তফসিলি ব্যাংক’’ অর্থ Bangladesh Bank Order, 1972(P. O. 127 of 1972) এর Article 2(j) তে সংজ্ঞায়িত Scheduled Bank ।
(৩) বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে তহবিল পরিচালিত হইবে।
(৪) সংশ্লিষ্ট অর্থ বৎসরে প্রতিষ্ঠানের ব্যয় নির্বাহের পর প্রতিষ্ঠানের তহবিলে কোন অর্থ উদ্বৃত্ত থাকিলে সরকারের নির্দেশ অনুসারে উহার সম্পূর্ণ বা অংশ বিশেষ সরকারের কোষাগারে জমা করিতে হইবে।
প্রতিষ্ঠান প্রতি বৎসর সরকার কর্তৃক নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পরবর্তী অর্থ বৎসরের বার্ষিক বাজেট বিবরণী অনুমোদনের জন্য সরকারের নিকট পেশ করিবে এবং উহাতে উক্ত বৎসরে সরকারের নিকট হইতে কি পরিমাণ অর্থ প্রয়োজন হইবে উহার উল্লেখ থাকিবে।
(১) প্রতিষ্ঠান উহার আয়-ব্যয়ের যথাযথ হিসাবরক্ষণ করিবে এবং হিসাবের বার্ষিক বিবরণী প্রস্তুত করিবে।
(২) বাংলাদেশের মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, অতঃপর মহা হিসাব-নিরীক্ষক বলিয়া উল্লিখিত, প্রতি বৎসর প্রতিষ্ঠানের হিসাব নিরীক্ষা করিবেন এবং নিরীক্ষা প্রতিবেদনের একটি করিয়া অনুলিপি সরকার ও কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ করিবেন।
(৩) উপ-ধারা (২) অনুযায়ী হিসাব নিরীক্ষার উদ্দেশ্যে মহা হিসাব-নিরীক্ষক কিংবা তাহার নিকট হইতে এতদুদ্দেশ্যে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানের সকল রেকর্ড, দলিল-দস্তাবেজ, নগদ বা ব্যাংকে গচ্ছিত অর্থ, জামানত, ভাণ্ডার এবং অন্যবিধ সম্পত্তি পরীক্ষা করিয়া দেখিতে পারিবেন এবং প্রতিষ্ঠানের যে কোন সদস্য, কর্মচারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করিতে পারিবেন।
(১) প্রতি অর্থ বৎসর সমাপ্তির ৯০ (নববই) দিনের মধ্যে প্রতিষ্ঠান তদ্কর্তৃক সম্পাদিত কার্যাবলীর বিবরণ সম্বলিত একটি বার্ষিক প্রতিবেদন সরকারের নিকট পেশ করিবে।
(২) সরকার, প্রয়োজনে, প্রতিষ্ঠানের নিকট হইতে উহার কার্যাবলী বা ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত যে কোন তথ্য, রিটার্ন, বিররণী, প্রাক্কলন, পরিসংখ্যান অথবা অন্য কোন তথ্য চাহিতে পারিবে এবং প্রতিষ্ঠান উহা সরবরাহ করিতে বাধ্য থাকিবে।
সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবে।
বোর্ড, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইন ও তদধীন প্রণীত বিধির সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ নহে এইরূপ প্রবিধান প্রণয়ন করিতে পারিবে।
(১) এই আইন কার্যকর হইবার সংগে সংগে The Bangladesh Unnayan Gobeshona Protishthan Act, 1974 (Act No. XXIX of 1974), অতঃপর উক্ত Act বলিয়া উল্লিখিত, রহিত হইবে।
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন রহিত হওয়া সত্ত্বেও, উক্ত Act এর অধীন -
(১) এই আইন কার্যকর হইবার পর সরকার, প্রয়োজনবোধে, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা এই আইনের ইংরেজিতে অনূদিত একটি নির্ভরযোগ্য পাঠ (Authentic English Text) প্রকাশ করিতে পারিবে।
(২) বাংলা ও ইংরেজি পাঠের মধ্যে বিরোধের ক্ষেত্রে বাংলা পাঠ প্রাধান্য পাইবে।