বরেন্দ্র এলাকার সার্বিক উন্নয়ন এবং তদ্সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি সম্পর্কে পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নসহ আনুষঙ্গিক অন্যান্য কার্য সম্পন্ন করিবার লক্ষ্যে একটি কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠাকল্পে প্রণীত আইন যেহেতু বরেন্দ্র এলাকার সার্বিক উন্নয়ন এবং তদসংশ্লিষ্ট বিষয়াদি সম্পর্কে পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নসহ আনুষঙ্গিক অন্যান্য কার্য সম্পন্ন করিবার লক্ষ্যে একটি কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠা করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়; সেহেতু এতদ্দ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইল:-
(১) এই আইন বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০১৮ নামে অভিহিত হইবে।
(২) ইহা বরেন্দ্র এলাকার জন্য প্রযোজ্য হইবে।
(৩) ইহা অবিলম্বে কার্যকর হইবে।
বিষয় বা প্রসঙ্গের পরিপন্থি কোনো কিছু না থাকিলে, এই আইনে-
(১) ‘‘উপদেষ্টা পরিষদ’’ অর্থ ধারা ৮ এর অধীন গঠিত উপদেষ্টা পরিষদ;
(২) ‘‘কর্তৃপক্ষ’’ অর্থ ধারা ৩ এর অধীন প্রতিষ্ঠিত বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ;
(৩) ‘‘চেয়ারম্যান’’ অর্থ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান;
(৪) ‘‘নির্বাহী পরিচালক’’ অর্থ কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক;
(৫) ‘‘পরিচালনা বোর্ড’’ অর্থ ধারা ১০ এর অধীন গঠিত পরিচালনা বোর্ড;
(৬) ‘‘প্রবিধান’’ অর্থ এই আইনের অধীন প্রণীত প্রবিধান;
(৭) ‘‘বরেন্দ্র এলাকা’’ অর্থ রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের সকল জেলা এবং ধারা ৫ এর অধীন ঘোষিত বরেন্দ্র এলাকা;
(৮) ‘‘বিধি’’ অর্থ এই আইনের অধীন প্রণীত বিধি।
(১) এই আইন কার্যকর হইবার সঙ্গে সঙ্গে, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ নামে একটি কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠিত হইবে।
(২) কর্তৃপক্ষ একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা হইবে এবং ইহার স্থায়ী ধারাবাহিকতা ও একটি সাধারণ সিলমোহর থাকিবে এবং এই আইনের বিধানাবলি সাপেক্ষে, ইহার স্থাবর ও অস্থাবর উভয় প্রকার সম্পত্তি অর্জন করিবার, অধিকারে রাখিবার ও হস্তান্তর করিবার ক্ষমতা থাকিবে এবং কর্তৃপক্ষ ইহার নিজ নামে মামলা দায়ের করিতে পারিবে ও উক্ত নামে ইহার বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করা যাইবে।
(১) কর্তৃপক্ষের প্রধান কার্যালয় রাজশাহীতে থাকিবে।
(২) কর্তৃপক্ষ, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, বরেন্দ্র এলাকার যে কোনো স্থানে উহার শাখা কার্যালয় স্থাপন করিতে পারিবে।
এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, যে কোনো এলাকাকে বরেন্দ্র এলাকা হিসাবে ঘোষণা করিতে পারিবে।
কর্তৃপক্ষের সাধারণ পরিচালনা ও প্রশাসন পরিচালনা বোর্ডের উপর ন্যস্ত থাকিবে এবং কর্তৃপক্ষ যে সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কার্য সম্পাদন করিতে পারিবে পরিচালনা বোর্ডও সেই সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কার্য সম্পাদন করিতে পারিবে।
এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব ও কার্যাবলি হইবে নিম্নরূপ, যথা:-
(১) সেচ কার্যের উদ্দেশ্যে ভূপরিস্থ ও ভূগর্ভস্থ পানি সম্পদের উন্নয়ন এবং যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিতকরণ;
(২) কৃষি যান্ত্রিকীকরণ, বীজ উৎপাদন ও সরবরাহ এবং শস্যের বহুমুখীকরণ;
(৩) পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার্থে বৃক্ষ রোপণ ও সংরক্ষণ;
(৪) কৃষি পণ্য বাজারজাতকরণে সীমিত আকারে সংযোগ সড়ক নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ;
(৫) সেচযন্ত্র স্থাপন এবং লোকালয়ে বিশুদ্ধ খাবার পানি সরবরাহকরণ;
(৬) সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, চুক্তি সম্পাদন;
(৭) গবেষণা ও প্রশিক্ষণ প্রদান;
(৮) সরকার কর্তৃক নির্ধারিত অন্যান্য দায়িত্ব পালন।
(১) কর্তৃপক্ষের একটি উপদেষ্টা পরিষদ থাকিবে এবং উহা নিম্নবর্ণিত সদস্য সমন্বয়ে গঠিত হইবে, যথা:-
(২) উপ-ধারা (১) এর দফা (ক) ও (খ) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, মন্ত্রী না থাকিলে এবং প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রী থাকিলে প্রতিমন্ত্রী সভাপতি ও উপ-মন্ত্রী সহসভাপতি হইবেন এবং মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী না থাকিলে উপ-মন্ত্রী সভাপতি হইবেন।
(৩) উপদেষ্টা পরিষদ কর্তৃপক্ষের কার্যক্রম পর্যালোচনা এবং পরিচালনা বোর্ডকে দিক নির্দেশনা ও উপদেশ প্রদান করিবে।
(১) উপদেষ্টা পরিষদ উহার সভার কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করিতে পারিবে।
(২) প্রতি বৎসর উপদেষ্টা পরিষদের অন্যূন একটি সভা অনুষ্ঠিত হইবে এবং সভার তারিখ, সময় ও স্থান উপদেষ্টা পরিষদের সভাপতি কর্তৃক নির্ধারিত হইবে।
(১) কর্তৃপক্ষের একটি পরিচালনা বোর্ড থাকিবে এবং উহা নিম্নবর্ণিত সদস্য সমন্বয়ে গঠিত হইবে, যথা:-
(২) উপ-ধারা (১) এর দফা (ঝ) এর অধীন মনোনীত সদস্যগণ তাহাদের মনোনয়নের তারিখ হইবে পরবর্তী ২ (দুই) বৎসর মেয়াদে সদস্য পদে অধিষ্ঠিত থাকিবেন :
তবে শর্ত থাকে যে, সরকার উক্ত মেয়াদ শেষ হইবার পূর্বে যে কোনো সময়, কারণ দর্শানো ব্যতিরেকে, উক্তরূপ মনোনীত কোনো সদস্যকে সদস্য পদ হইতে অব্যাহতি প্রদান করিতে পারিবে এবং মনোনীত কোনো সদস্যও সরকারের উদ্দেশ্যে স্বীয় স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে পদত্যাগ করিতে পারিবেন।
এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে পরিচালনা বোর্ডের দায়িত্ব ও কার্যাবলি হইবে নিম্নরূপ, যথা:-
(১) কর্তৃপক্ষের কার্যাবলি পরিচালনা, ব্যবস্থাপনা ও তত্ত্বাবধান;
(২) উপদেষ্টা পরিষদের সিদ্ধান্ত ও সুপারিশ বাস্তবায়ন; এবং
(৩) সরকার কর্তৃক নির্ধারিত অন্যান্য দায়িত্ব পালন।
(১) এই ধারার অন্যান্য বিধানাবলি সাপেক্ষে, পরিচালনা বোর্ড উহার সভার কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করিতে পারিবে।
(২) প্রতি ৩ (তিন) মাসে পরিচালনা বোর্ডের অন্যূন একটি সভা অনুষ্ঠিত হইবে এবং সভার তারিখ, সময় ও স্থান সভাপতি কর্তৃক নির্ধারিত হইবে।
(৩) পরিচালনা বোর্ডের সভার কোরামের জন্য উহার মোট সদস্য সংখ্যার অন্যূন এক-তৃতীয়াংশ সদস্যের উপস্থিতির প্রয়োজন হইবে, তবে মুলতবি সভার ক্ষেত্রে কোনো কোরামের প্রয়োজন হইবে না।
(৪) পরিচালনা বোর্ডের সভায় উপস্থিত প্রত্যেক সদস্যের একটি করিয়া ভোট থাকিবে এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের ভোটের ভিত্তিতে সভায় সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে, তবে প্রদত্ত ভোটের সমতার ক্ষেত্রে পরিচালনা বোর্ডের সভাপতির নির্ণায়ক ভোট প্রদানের অধিকার থাকিবে।
(৫) শুধু কোনো সদস্য পদে শূন্যতা বা বোর্ড গঠনে ক্রুটি থাকিবার কারণে বোর্ডের কোনো কার্য বা কার্যধারা অবৈধ হইবে না এবং তৎসম্পর্কে প্রশ্নও উত্থাপন করা যাইবে না।
(১) কর্তৃপক্ষের একজন চেয়ারম্যান থাকিবে।
(২) চেয়ারম্যান সরকার কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন এবং তাহার চাকরির মেয়াদ ও শর্তাবলি সরকার কর্তৃক স্থিরীকৃত হইবে।
(৩) চেয়ারম্যানের পদ শূন্য হইলে কিংবা অনুপস্থিতি, অসুস্থতা বা অন্য কোনো কারণে চেয়ারম্যান তাহার দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হইলে, শূন্য পদে নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত বা তিনি পুনরায় স্বীয় দায়িত্ব পালনে সমর্থ না হওয়া পর্যন্ত সরকার কর্তৃক নিযুক্ত কোনো ব্যক্তি চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করিবেন।
(১) কর্তৃপক্ষের একজন নির্বাহী পরিচালক থাকিবে।
(২) নির্বাহী পরিচালক সরকার কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন এবং তাহার চাকরির মেয়াদ ও শর্তাবলি সরকার কর্তৃক স্থিরীকৃত হইবে।
(৩) নির্বাহী পরিচালক কর্তৃপক্ষের প্রধান নির্বাহী হইবেন, এবং তিনি-
কর্তৃপক্ষের একজন সচিব থাকিবে, যিনি সরকারের উপসচিব বা সমপদমর্যাদাধারীগণের মধ্য হইতে সরকার কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন।
কর্তৃপক্ষ উহার কার্যাবলি সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের জন্য, সরকার কর্তৃক অনুমোদিত সাংগঠনিক কাঠামো সাপেক্ষে, প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মচারী নিয়োগ করিতে পারিবে এবং তাহাদের চাকরির শর্তাবলি প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত হইবে।
(১) কর্তৃপক্ষের একটি তহবিল থাকিবে, যাহাতে নিম্নবর্ণিত উৎস হইতে অর্থ জমা হইবে, যথা:-
(২) তহবিলের সকল অর্থ কোনো তপশিলি ব্যাংকে কর্তৃপক্ষের নামে জমা রাখিতে হইবে এবং বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে তহবিল পরিচালনা করা হইবে, তবে বিধি প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত সরকারের বিধি-বিধান অনুসরণক্রমে উক্ত তহবিল পরিচালনা করা যাইবে।
ব্যাখ্যা।- ‘‘তপশিলি ব্যাংক’’ বলিতে Bangladesh Bank Order, 1972(President’s Order No. 127 of 1972) এর Article 2(j) তে সংজ্ঞায়িত Scheduled Bank কে বুঝাইবে।
(৩) তহবিলের অর্থ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত খাতে বিনিয়োগ করা যাইবে।
কর্তৃপক্ষ প্রতি বৎসর সরকার কর্তৃক নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সম্ভাব্য আয়-ব্যয়সহ পরবর্তী অর্থ বৎসরের বার্ষিক বাজেট বিবরণী সরকারের নিকট পেশ করিবে এবং উহাতে উক্ত বৎসরে সরকারের নিকট হইতে কর্তৃপক্ষের কি পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন হইবে উহার উল্লেখ থাকিবে।
(১) সরকার কর্তৃক নির্ধারিত পদ্ধতিতে কর্তৃপক্ষ উহার হিসাব রক্ষণ করিবে এবং হিসাবের বার্ষিক বিবরণী প্রস্তুত করিবে।
(২) বাংলাদেশের মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক প্রতি বৎসর কর্তৃপক্ষের হিসাব নিরীক্ষা করিবেন এবং নিরীক্ষা প্রতিবেদনের একটি করিয়া অনুলিপি সরকার ও কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ করিবেন।
(৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন হিসাব নিরীক্ষার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশের মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক কিংবা তাহার নিকট হইতে এতদুদ্দেশ্যে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তি কর্তৃপক্ষের সকল রেকর্ড, দলিল-দস্তাবেজ, নগদ বা ব্যাংকে গচ্ছিত অর্থ, জামানত, ভাণ্ডার এবং অন্যবিধ সম্পত্তি পরীক্ষা করিয়া দেখিতে পারিবেন এবং পরিচালনা বোর্ডের যে কোনো সদস্য বা কর্তৃপক্ষের যে কোনো কর্মচারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করিতে পারিবেন।
(৪) উপ-ধারা (২) এর অধীন হিসাব নিরীক্ষা ছাড়াও Bangladesh Chartered Accountants Order, 1973(President’s Order No. 2 of 1973) এর Article 2(1) (b) তে সংজ্ঞায়িত চার্টার্ড অ্যাকাউনটেণ্ট দ্বারা কর্তৃপক্ষের হিসাব নিরীক্ষা করিতে হইবে এবং এতদুদ্দেশ্যে কর্তৃপক্ষ এক বা একাধিক চার্টার্ড অ্যাকাউনটেণ্ট নিয়োগ করিতে পারিবে।
(৫) কর্তৃপক্ষ, যথাশীঘ্র সম্ভব, নিরীক্ষা প্রতিবেদনে চিহ্নিত কোনো ত্রুটি বা অনিয়ম প্রতিকার করিবার জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করিবে।
(১) প্রতি অর্থ বৎসর শেষ হইবার পরবর্তী ৩ (তিন) মাসের মধ্যে কর্তৃপক্ষ উক্ত বৎসরের সম্পাদিত কার্যাবলির উপর একটি বার্ষিক প্রতিবেদন সরকারের নিকট দাখিল করিবে।
(২) সরকার, প্রয়োজনে, কর্তৃপক্ষের নিকট হইতে যে কোনো সময় কর্তৃপক্ষের যে কোনো বিষয়ের উপর প্রতিবেদন ও বিবরণী আহবান করিতে পারিবে এবং কর্তৃপক্ষ উহা সরকারের নিকট সরবরাহ করিবে।
পরিচালনা বোর্ড, প্রয়োজনে, উহার কোনো ক্ষমতা, লিখিত আদেশ দ্বারা ও নির্ধারিত শর্ত সাপেক্ষে, চেয়ারম্যান, নির্বাহী পরিচালক বা কর্তৃপক্ষের কোনো কর্মচারীকে অর্পণ করিতে পারিবে।
কর্তৃপক্ষ উহার দায়িত্ব পালনে সহায়তা প্রদানের জন্য এক বা একাধিক কমিটি গঠন করিতে পারিবে এবং এইরূপ কমিটির দায়িত্ব ও কার্যাবলি নির্ধারণ করিতে পারিবে।
এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, কর্তৃপক্ষ, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, প্রয়োজনে ঋণ গ্রহণ করিতে পারিবে।
এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবে।
এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে কর্তৃপক্ষ, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইন বা বিধির সহিত অসামঞ্জস্যপূর্ণ নহে এইরূপ প্রবিধান প্রণয়ন করিতে পারিবে।
(১) ১লা মাঘ, ১৩৯৮ বাং/১৫ই জানুয়ারি, ১৯৯২ ইং তারিখের রিজলিউশন নং পিএমইউ (সেচ)-প্রকল্প-২১(৪)/৯০/১৫, অতঃপর উক্ত রিজলিউশন বলিয়া উল্লিখিত, এতদ্দ্বারা রহিত করা হইল।
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন রহিতকরণ সত্ত্বেও, উক্ত রিজলিউশন এর অধীন-
(৩) উক্ত রিজলিউশন রহিত হইবার সঙ্গে সঙ্গে উক্ত রিজলিউশন এর অধীন গঠিত বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিলুপ্ত হইবে এবং বিলুপ্ত কর্তৃপক্ষের-
(১) এই আইন কার্যকর হইবার পর সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের মূল বাংলা পাঠের ইংরেজিতে অনূদিত একটি নির্ভরযোগ্য পাঠ (Authentic English Text) প্রকাশ করিবে।
(২) এই আইন ও ইংরেজি পাঠের মধ্যে বিরোধের ক্ষেত্রে বাংলা পাঠ প্রাধান্য পাইবে।