সরকারের পাশাপাশি সামাজিক সংগঠন, বেসরকারি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় দেশের গ্রামীণ জনগণের দোরগোড়ায় প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছানোর উদ্দেশ্যে কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য সহায়তা ট্রাস্ট গঠন ও আনুষঙ্গিক অন্যান্য বিষয়ে বিধান প্রণয়নকল্পে প্রণীত আইন যেহেতু সরকারের পাশাপাশি সামাজিক সংগঠন, বেসরকারি ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় দেশের গ্রামীণ জনগণের দোরগোড়ায় প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছানোর উদ্দেশ্যে কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য সহায়তা ট্রাস্ট গঠন ও আনুষঙ্গিক অন্যান্য বিষয়ে বিধান করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়; সেহেতু এতদ্দ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইল:-
(১) এই আইন কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য সহায়তা ট্রাস্ট আইন, ২০১৮ নামে অভিহিত হইবে।
(২) ইহা অবিলম্বে কার্যকর হইবে।
বিষয় অথবা প্রসঙ্গের পরিপন্থি কোনো কিছু না থাকিলে, এই আইনে-
(১) এই আইন কার্যকর হইবার পর, যথাশীঘ্র সম্ভব, সরকার এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য সহায়তা ট্রাস্ট নামে একটি ট্রাস্ট প্রতিষ্ঠা করিবে।
(২) ট্রাস্ট একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা হইবে এবং ইহার স্থায়ী ধারাবাহিকতা ও একটি সাধারণ সিলমোহর থাকিবে এবং ইহার স্থাবর ও অস্থাবর উভয় প্রকার সম্পত্তি অর্জন করিবার, অধিকারে রাখিবার এবং হস্তান্তর করিবার ক্ষমতা থাকিবে এবং ইহা স্বীয় নামে মামলা দায়ের করিতে পারিবে এবং উক্ত নামে ইহার বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করা যাইবে।
(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, ট্রাস্ট, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, বাংলাদেশের যে কোনো ইউনিয়নে কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন করিতে পারিবে।
(২) এই আইন কার্যকর হইবার সঙ্গে সঙ্গে সরকার কর্তৃক ‘Revitalization of Community Health Care Initiatives in Bangladesh (RCHCIB)’ শীর্ষক প্রকল্প এবং ‘Community Based Health Care’ শীর্ষক অপারেশনাল প্ল্যানের আওতায় স্থাপিত কমিউনিটি ক্লিনিকসমূহ ট্রাস্টের অধীনে ন্যস্ত হইবে।
ট্রাস্টের প্রধান কার্যালয় ঢাকায় থাকিবে এবং ট্রাস্টি বোর্ড, প্রয়োজনবোধে, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, বাংলাদেশের যে কোনো স্থানে উহার শাখা কার্যালয় স্থাপন করিতে পারিবে।
ট্রাস্টের সাধারণ পরিচালনা ও প্রশাসন ট্রাস্টি বোর্ডের উপর ন্যস্ত থাকিবে এবং ট্রাস্ট যে সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কার্য সম্পাদন করিতে পারিবে, ট্রাস্টি বোর্ডও সেই সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কার্য সম্পাদন করিতে পারিবে।
ট্রাস্টের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হইবে নিম্নরূপ, যথা:-
(১) নিম্নবর্ণিত সদস্য সমন্বয়ে ট্রাস্টি বোর্ডের একটি উপদেষ্টা পরিষদ থাকিবে, যথা:-
(২) প্রধানমন্ত্রী প্রয়োজনে কোনো মন্ত্রীকে, যিনি উপদেষ্টা পরিষদেরও সদস্য, উপদেষ্টা পরিষদের সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালনের অনুমতি প্রদান করিতে পারিবেন।
(৩) উপ-ধারা (১) এর অধীন গঠিত উপদেষ্টা পরিষদ প্রয়োজনবোধে, সময় সময়, ট্রাস্টি বোর্ডকে দিক্-নির্দেশনা ও পরামর্শ প্রদান করিবে।
(১) ট্রাস্টি বোর্ড নিম্নবর্ণিত সদস্য সমন্বয়ে গঠিত হইবে, যথা:-
(২) উপ-ধারা (১) এর দফা (ঠ) এর অধীন মনোনীত সদস্যগণ তাহাদের মনোনয়নের তারিখ হইতে ৩ (তিন) বৎসর পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত মেয়াদ শেষ হইবার পূর্বে সরকার, যে কোনো মনোনীত সদস্যকে কোনোরূপ কারণ দর্শানো ব্যতিরেকে তাহার দায়িত্ব হইতে অব্যাহতি প্রদান করিতে পারিবে:
আরও শর্ত থাকে যে, সরকারের উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে উক্তরূপ কোনো সদস্য স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন।
ট্রাস্টি বোর্ডের দায়িত্ব ও কার্যাবলি হইবে নিম্নরূপ, যথা:-
(১) স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য), জেলা সিভিল সার্জন, উপ-পরিচালক পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা এবং উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কার্যালয়ের সহিত সুষ্ঠু সমন্বয়ের মাধ্যমে কমিউনিটি ক্লিনিকসমূহের কার্যক্রম পরিচালিত হইবে।
(২) কমিউনিটি ক্লিনিকসমূহের মাধ্যমে সরকারের স্বাস্থ্য কার্যক্রমসমূহের যথাযথ বাস্তবায়ন নিশ্চিতকরণের জন্য ট্রাস্টের সাংগঠনিক কাঠামোর আওতায় কর্মরত কর্মচারী এবং স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের প্রশাসনিক কাঠামোর আওতায় কর্মরত কর্মচারীগণ কমিউনিটি ক্লিনিক পরিচালনা কার্যক্রমের স্ব স্ব দায়িত্বের জন্য ব্যবস্থাপনা পরিচালকের নিকট দায়বদ্ধ থাকিবে।
(৩) জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারগণ কমিউনিটি ক্লিনিকের কার্যক্রম নিয়মিত তদারকি করিবেন।
(১) ট্রাস্টি বোর্ড উহার কার্যাবলি সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের নিমিত্ত, প্রয়োজনে, এক বা একাধিক কমিটি বা উপকমিটি গঠন এবং উহার কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করিতে পারিবে।
(২) ট্রাস্টি বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত সংখ্যক সদস্য সমন্বয়ে কমিটি ও উপ-কমিটি গঠিত হইবে।
(৩) কমিটি এবং উপ-কমিটিতে স্থানীয় জনগণকে বিশেষ করিয়া কমিউনিটি ক্লিনিক ভবন প্রতিষ্ঠায় সংশ্লিষ্ট জমিদাতা পরিবারের প্রতিনিধিকে অন্তর্ভুক্ত করিতে হইবে।
(১) এই ধারার অন্যান্য বিধানসাপেক্ষে, ট্রাস্টি বোর্ড উহার সভার কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করিতে পারিবে।
(২) ট্রাস্টি বোর্ডের সভা, উহার সভাপতির সম্মতিক্রমে উহার সদস্য-সচিব কর্তৃক আহূত হইবে এবং সভাপতি কর্তৃক নির্ধারিত স্থান ও সময়ে অনুষ্ঠিত হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, প্রতি ৩ (তিন) মাসে বোর্ডের অন্যূন একটি সভা অনুষ্ঠিত হইবে, তবে জরুরি প্রয়োজনে সভাপতি যে কোনো সময় বোর্ডের সভা আহ্বান করিতে পারিবেন।
(৩) সভাপতি বোর্ডের সভায় সভাপতিত্ব করিবেন, সভাপতির অনুপস্থিতিতে সহ-সভাপতি এবং তাহাদের উভয়ের অনুপস্থিতিতে সভায় উপস্থিত সদস্যগণ কর্তৃক তাহাদের মধ্য হইতে মনোনীত কোনো সদস্য বোর্ডের সভায় সভাপতিত্ব করিবেন।
(৪) ট্রাস্টি বোর্ডের সভায় কোরামের জন্য মোট সদস্য সংখ্যার অন্যূন এক-তৃতীয়াংশ সদস্যের উপস্থিতি প্রয়োজন হইবে, তবে মুলতবি সভার ক্ষেত্রে কোরামের প্রয়োজন হইবে না।
(৫) ট্রাস্টি বোর্ডের সভায় উহার প্রত্যেক সদস্যের একটি করিয়া ভোট থাকিবে এবং ভোটের সমতার ক্ষেত্রে সভায় সভাপতিত্বকারীর দ্বিতীয় অথবা নির্ণায়ক ভোট প্রদানের ক্ষমতা থাকিবে।
(৬) ট্রাস্টি বোর্ডের সকল সিদ্ধান্ত সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের সম্মতিতে গৃহিত হইবে।
(৭) সদস্য পদে শুধুমাত্র শূন্যতা বা বোর্ড গঠনে ত্রুটি থাকিবার কারণে বোর্ডের কোনো কার্য বা কার্যধারা অবৈধ হইবে না এবং তৎসম্পর্কে কোনো প্রশ্নও উত্থাপন করা যাইবে না।
(১) ট্রাস্টের একটি তহবিল থাকিবে এবং উহা নিম্নরূপ দুইটি অংশে বিভক্ত থাকিবে, যথা:-
(২) উপ-ধারা (১) এর দফা (ক) এর অধীন গঠিত স্থায়ী তহবিলে নিম্নবর্ণিত উৎস হইতে প্রাপ্ত অর্থ জমা হইবে, যথা:-
(৩) স্থায়ী তহবিলের অর্থ কোনো তপশিলি ব্যাংকে জমা রাখিতে হইবে এবং উক্তরূপ অর্থ ট্রাস্টের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য ব্যয় করা যাইবে এবং ব্যাংকের হিসাব ট্রাস্টি বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সদস্য-সচিবের স্বাক্ষরে পরিচালিত হইবে।
(৪) উপ-ধারা (১) এর দফা (খ) এর অধীন গঠিত চলতি তহবিলে নিম্নরূপ অর্থ জমা হইবে, যথা:-
(৫) ট্রাস্টের দৈনন্দিন ব্যয় ও কর্মচারীদের বেতন-ভাতা চলতি তহবিল হইতে নির্বাহ করা হইবে।
(৬) স্থানীয় পর্যায়ে সংগৃহীত অর্থ চলতি তহবিলে কমিউনিটি ক্লিনিকের নামে স্থানীয় ব্যাংক হিসাবে জমা রাখিতে হইবে এবং এই ব্যাংক হিসাব ট্রাস্টি বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত পদ্ধতিতে পরিচালিত হইবে।
(৭) ট্রাস্টি বোর্ডের সভায় গৃহিত সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে ট্রাস্ট আয়বর্ধনমূলক কর্মসূচি গ্রহণ ও বিনিয়োগ করিতে পারিবে।
(১) ট্রাস্টের ১ (এক) জন ব্যবস্থাপনা পরিচালক থাকিবেন।
(২) সরকারের ১ (এক) জন অতিরিক্ত সচিব ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসাবে নিযুক্ত হইবেন এবং তাহার চাকরির শর্তাদি সরকার কর্তৃক স্থিরীকৃত হইবে।
(৩) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ট্রাস্টের সার্বক্ষণিক মুখ্য নির্বাহী হইবেন এবং তিনি-
(৪) ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদ শূন্য হইলে কিংবা অনুপস্থিতি, অসুস্থতা অথবা অন্য কোনো কারণে ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাহার দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হইলে শূন্যপদে নবনিযুক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত কিংবা ব্যবস্থাপনা পরিচালক পুনরায় স্বীয় দায়িত্ব পালনে সমর্থ না হওয়া পর্যন্ত সরকার কর্তৃক মনোনীত ১ (এক) জন অতিরিক্ত সচিব ব্যবস্থাপনা পরিচালকরূপে দায়িত্ব পালন করিবেন।
(১) ট্রাস্ট ইহার কার্যাবলি সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের উদ্দেশ্যে সরকার কর্তৃক অনুমোদিত সাংগঠনিক কাঠামো অনুযায়ী বিভিন্ন গ্রেডের প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মচারী নিয়োগ করিতে পারিবে।
(২) ট্রাস্টের কর্মচারীদের চাকরির শর্তাবলি প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত হইবে।
ট্রাস্ট প্রতি বৎসর সরকার কর্তৃক নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পরবর্তী অর্থ বৎসরের বার্ষিক বাজেট বিবরণী সরকারের নিকট পেশ করিবে এবং উহাতে উক্ত অর্থ বৎসরে সরকারের নিকট হইতে ট্রাস্টের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের পরিমাণ উল্লেখ থাকিবে।
(১) ট্রাস্ট উহার আয়-ব্যয়ের যথাযথ হিসাবরক্ষণ করিবে এবং হিসাবের বার্ষিক বিবরণী প্রস্তুত করিবে।
(২) বাংলাদেশের মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, অতঃপর মহা হিসাব-নিরীক্ষক বলিয়া উল্লিখিত, প্রতি বৎসর ট্রাস্টের হিসাব নিরীক্ষা করিবেন এবং নিরীক্ষা রিপোর্টের অনুলিপি সরকার ও বোর্ডের নিকট পেশ করিবেন।
(৩) উপ-ধারা (২) অনুযায়ী হিসাব নিরীক্ষার উদ্দেশ্যে মহা হিসাব-নিরীক্ষক কিংবা তাহার নিকট হইতে এতদুদ্দেশ্যে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তি ট্রাস্টের সকল রেকর্ড, দলিল-দস্তাবেজ, নগদ অথবা ব্যাংকে গচ্ছিত অর্থ, জামানত, ভাণ্ডার এবং অন্যবিধ সম্পত্তি পরীক্ষা করিয়া দেখিতে পারিবেন এবং ট্রাস্টের যে কোনো সদস্য ও কর্মচারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করিতে পারিবেন।
(৪) উপ-ধারা (২) এর অধীন হিসাব-নিরীক্ষা ছাড়াও Bangladesh Chartered Accountants Order, 1973(P.O No. 2 of 1973) এর Article 2(1)(b) তে সংজ্ঞায়িত চার্টার্ড একাউনটেন্ট দ্বারা ট্রাস্টের হিসাব নিরীক্ষা করা যাইবে এবং এতদুদ্দেশ্যে এক বা একাধিক চার্টার্ড একাউনটেন্ট নিয়োগ করিতে পারিবে।
(১) প্রত্যেক অর্থ বৎসর শেষ হইবার পরবর্তী বৎসরের ৩০শে জুনের মধ্যে ট্রাস্টি বোর্ড উক্ত অর্থ বৎসরের সম্পাদিত কার্যাবলির বিবরণ সংবলিত একটি বার্ষিক প্রতিবেদন সরকারের নিকট পেশ করিবে।
(২) সরকার, প্রয়োজনে, ট্রাস্টি বোর্ডের নিকট হইতে যে কোনো সময়ে উহার যে কোনো কাজের প্রতিবেদন বা বিবরণী আহ্বান করিতে পারিবে এবং ট্রাস্টি বোর্ড উহা সরকারের নিকট প্রেরণ করিতে বাধ্য থাকিবে।
ট্রাস্টি বোর্ড এই আইন অথবা বিধির অধীন ইহার যে কোনো ক্ষমতা, প্রয়োজনে এবং নির্ধারিত শর্তে, সভাপতি বা অন্য কোনো সদস্য, অথবা ৯ম বা তদুর্ধ্ব গ্রেডভুক্ত অন্য কোনো কর্মচারীর নিকট অর্পণ করিতে পারিবে।
এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবে।
এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, ট্রাস্টি বোর্ড, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে এবং সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইন অথবা বিধির সহিত অসামঞ্জস্যপূর্ণ নহে, এইরূপ প্রবিধান প্রণয়ন করিতে পারিবে।
এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, ট্রাস্টি বোর্ড, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইন, বিধি, প্রবিধান বা সরকারি কোনো বিধি-বিধানের সহিত অসামঞ্জস্যপূর্ণ নহে, এইরূপ নীতিমালা প্রণয়ন করিতে পারিবে।
আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইন, সমঝোতা স্মারক, চুক্তি বা অন্য কোনো দলিলে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইন কার্যকর হইবার সঙ্গে সঙ্গে-
(১) এই আইন কার্যকর হইবার পর সরকার, সরকারি গেজেট প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের ইংরেজিতে অনূদিত একটি নির্ভরযোগ্য পাঠ (Authentic English Text) প্রকাশ করিতে পারিবে।
(২) বাংলা ও ইংরেজি পাঠের মধ্যে বিরোধের ক্ষেত্রে বাংলা পাঠ প্রাধান্য পাইবে।