বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা আইন, ২০১৮
Bangladesh Sangbad Sangstha Ordinance, 1979 রহিতক্রমে উহার বিধানাবলি বিবেচনাক্রমে সময়ের চাহিদার প্রতিফলনে নূতন আইন প্রণয়নকল্পে প্রণীত আইন
Bangladesh Sangbad Sangstha Ordinance, 1979 রহিতক্রমে উহার বিধানাবলি বিবেচনাক্রমে সময়ের চাহিদার প্রতিফলনে নূতন আইন প্রণয়নকল্পে প্রণীত আইন যেহেতু সংবিধান (পঞ্চদশ সংশোধন) আইন, ২০১১ (২০১১ সনের ১৪ নং আইন) দ্বারা ১৯৭৫ সনের ১৫ আগস্ট হইতে ১৯৭৯ সনের ৯ এপ্রিল পর্যন্ত সময়ের মধ্যে সামরিক ফরমান দ্বারা জারিকৃত অধ্যাদেশসমূহের অনুমোদন ও সমর্থন সংক্রান্ত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ তপশিলের ৩ক ও ১৮ অনুচ্ছেদ বিলুপ্ত হওয়ায় এবং সিভিল পিটিশন ফর লিভ টু আপিল নং ১০৪৪-১০৪৫/২০০৯ এ সুপ্রীমকোর্টের আপিল বিভাগ কর্তৃক প্রদত্ত রায়ে সামরিক আইনকে অসাংবিধানিক ঘোষণাপূর্বক উহার বৈধতা প্রদানকারী সংবিধান (পঞ্চম সংশোধন) আইন, ১৯৭৯ (১৯৭৯ সনের ১ নং আইন) বাতিল ঘোষিত হওয়ায় উক্ত অধ্যাদেশসমূহের কার্যকারিতা লোপ পায়; এবং যেহেতু ২০১৩ সনের ৬ নং আইন দ্বারা উক্ত অধ্যাদেশসমূহের মধ্যে কতিপয় অধ্যাদেশ কার্যকর রাখা হয়; এবং যেহেতু উক্ত অধ্যাদেশসমূহের আবশ্যকতা ও প্রাসঙ্গিকতা পর্যালোচনা করিয়া আবশ্যক বিবেচিত অধ্যাদেশসমূহ সকল স্টেক-হোল্ডার ও সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মতামত গ্রহণ করিয়া প্রয়োজনীয় সংশোধন ও পরিমার্জনক্রমে বাংলায় নূতন আইন প্রণয়ন করিবার জন্য সরকার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিয়াছে; এবং যেহেতু সরকারের উপরি-বর্ণিত সিদ্ধান্তের আলোকে, Bangladesh Sangbad Sangstha Ordinance, 1979 (Ordinance No. XX of 1979) রহিতক্রমে উহার বিধানাবলি বিবেচনাক্রমে সময়ের চাহিদার প্রতিফলনে নূতন আইন প্রণয়ন করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়; সেহেতু এতদ্দ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইল:-
Section ১. সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন
(১) এই আইন বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা আইন, ২০১৮ নামে অভিহিত হইবে। (২) ইহা অবিলম্বে কার্যকর হইবে।
Section ২. সংজ্ঞা
বিষয় বা প্রসঙ্গের পরিপন্থি কোনো কিছু না থাকিলে, এই আইনে,-
Section ৩. সংস্থা প্রতিষ্ঠা
(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে Bangladesh Sangbad Sangstha Ordinance, 1979 (Ordinance No. XX of 1979) এর অধীন প্রতিষ্ঠিত Bangladesh Sangbad Sangstha (বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা) এমনভাবে বহাল থাকিবে যেন উহা এই আইনের অধীন প্রতিষ্ঠিত হইয়াছে। (২) সংস্থা একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা হইবে এবং উহার স্থায়ী ধারাবাহিকতা ও একটি সাধারণ সিলমোহর থাকিবে এবং এই আইনের বিধানাবলি সাপেক্ষে উহার স্থাবর ও অস্থাবর উভয় প্রকার সম্পত্তি অর্জন করিবার, অধিকারে রাখিবার ও হস্তান্তর করিবার ক্ষমতা থাকিবে এবং উহা স্বীয় নামে মামলা দায়ের করিতে পারিবে এবং উক্ত নামে উহার বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করা যাইবে।
Section ৪. সংস্থার কার্যালয়
(১) সংস্থার প্রধান কার্যালয় থাকিবে ঢাকায়। (২) সংস্থা, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, যে কোনো স্থানে উহার শাখা কার্যালয় স্থাপন করিতে পারিবে।
Section ৫. সংস্থার দায়িত্ব ও কার্যাবলি
সংস্থার দায়িত্ব ও কার্যাবলি হইবে নিম্নরূপ, যথা:-
Section ৬. সংস্থার পরিচালনা ও প্রশাসন
(১) সংস্থার পরিচালনা ও প্রশাসন একটি পরিচালনা বোর্ডের উপর ন্যস্ত থাকিবে এবং সংস্থা যে সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কার্য সম্পাদন করিতে পারিবে বোর্ডও সেই সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কার্য সম্পাদন করিতে পারিবে। (২) বোর্ড উহার কার্যাবলি সম্পাদনের ক্ষেত্রে জনস্বার্থের প্রতি লক্ষ্য রাখিবে এবং, সময় সময়, সরকার কর্তৃক প্রদত্ত সাধারণ বা বিশেষ নির্দেশ দ্বারা পরিচালিত হইবে।
Section ৭. বোর্ডের গঠন
(১) পরিচালনা বোর্ড নিম্নরূপভাবে গঠিত হইবে, যথা:-
Section ৮. চেয়ারম্যান ও পরিচালক নিয়োগ, মেয়াদ, ইত্যাদি
(১) চেয়ারম্যান সরকার কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন এবং সরকার কর্তৃক স্থিরীকৃত শর্তাধীনে নিয়োগের তারিখ হইতে ৩(তিন) বৎসর পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন: তবে শর্ত থাকে যে, মেয়াদ শেষ হওয়া সত্ত্বেও পরবর্তী চেয়ারম্যান কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত, তিনি স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন। (২) ধারা ৭ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (গ) তে উল্লিখিত পরিচালকগণ তাহাদের মনোনয়নের তারিখ হইতে ৩(তিন) বৎসরের জন্য উক্ত পদে বহাল থাকিবেন। (৩) চেয়ারম্যান ও পরিচালকগণ মেয়াদ অবসানের পর পুনরায় স্বীয় পদে নিয়োগ লাভের যোগ্য হইবেন: তবে শর্ত থাকে যে, চেয়ারম্যান ও পরিচালকগণ একাদিক্রমে দুই মেয়াদের বেশি নিয়োগ লাভের যোগ্য হইবেন না। (৪) সরকার, প্রয়োজনবোধে, চেয়ারম্যান এবং ধারা ৭ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (গ) তে উল্লিখিত কোনো পরিচালককে, মেয়াদ পূর্তির পূর্বে যে কোনো সময়, সংশ্লিষ্ট পদ হইতে অব্যাহতি প্রদান করিতে পারিবে। (৫) উপ-ধারা (৪) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, চেয়ারম্যান এবং ধারা ৭ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (গ) তে উল্লিখিত কোনো পরিচালক, মেয়াদ পূর্তির পূর্বে যে কোনো সময়, সরকারের উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন। (৬) ধারা ৭ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (খ) তে উল্লিখিত কোনো পরিচালক যে মন্ত্রণালয় বা বিভাগ হইতে পরিচালক হিসাবে মনোনীত হইয়াছিলেন, সেই মন্ত্রণালয় বা বিভাগে কর্মরত না থাকিলে তিনি পরিচালক হিসাবে থাকিতে পারিবেন না। (৭) চেয়ারম্যান বা সরকার কর্তৃক মনোনীত কোনো পরিচালকের পদ শূন্য হইলে সরকার অনতিবিলম্বে অবশিষ্ট মেয়াদের জন্য শূন্য পদে নূতন চেয়ারম্যান নিয়োগ বা, ক্ষেত্রমতে, পরিচালক মনোনীত করিতে পারিবে।
Section ৯. বোর্ডের সভা
(১) ব্যবস্থাপনা পরিচালক, চেয়ারম্যানের সহিত পরামর্শক্রমে নির্ধারিত তারিখ, সময় ও স্থানে বোর্ডের সভা আহবান করিবেন। (২) চেয়ারম্যানসহ ৬(ছয়) জন পরিচালকের সমন্বয়ে বোর্ডের সভার কোরাম গঠিত হইবে, তবে মুলতবি সভার ক্ষেত্রে কোনো কোরামের প্রয়োজন হইবে না। (৩) চেয়ারম্যান বোর্ডের সকল সভায় সভাপতিত্ব করিবেন এবং তাহার অনুপস্থিতিতে উপস্থিত পরিচালকগণ কর্তৃক, তাহাদের মধ্য হইতে, মনোনীত একজন পরিচালক সভায় সভাপতিত্ব করিবেন। (৪) বোর্ড সভার সভাপতিসহ উপস্থিত পরিচালকগণের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে বোর্ডের সভার সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে। (৫) বোর্ডের সভায়, উক্ত সভার সভাপতি ও উপস্থিত পরিচালকগণের একটি করিয়া ভোটাধিকার থাকিবে, তবে ভোটের সমতার ক্ষেত্রে সভাপতির দ্বিতীয় অথবা নির্ণায়ক ভোট প্রদানের ক্ষমতা থাকিবে। (৬) কেবল কোনো পদের শূন্যতা অথবা বোর্ড গঠনে কোনো ত্রুটি থাকিবার কারণে বোর্ডের কোনো কার্য বা কার্যধারা অবৈধ হইবে না এবং তৎসম্পর্কে কোনো প্রশ্নও উত্থাপন করা যাইবে না।
Section ১০. ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক
(১) সরকার, তৎকর্তৃক নির্ধারিত মেয়াদ ও শর্তে, সাংবাদিকতায় ন্যূনতম ১৮ (আঠারো) বৎসরের অভিজ্ঞতা রহিয়াছে এইরূপ কোনো সাংবাদিককে ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসাবে নিযুক্ত করিবে, যিনি সংস্থার প্রধান সম্পাদকও হইবেন। (২) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ১ (এক) জন সার্বক্ষণিক কর্মচারী এবং সংস্থার প্রধান প্রশাসনিক কর্মচারী হইবেন এবং এই আইনের বিধানাবলি সাপেক্ষে, তিনি-
Section ১১. কর্মচারী নিয়োগ, ইত্যাদি
(১) সংস্থা, উহার কার্যাবলি সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের উদ্দেশ্যে, সরকার কর্তৃক অনুমোদিত সাংগঠনিক কাঠামো সাপেক্ষে, প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মচারী নিয়োগ করিতে পারিবে। (২) কর্মচারীদের নিয়োগ ও চাকরির শর্তাবলি প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত হইবে।
Section ১২. ক্ষমতা অর্পণ
বোর্ড, লিখিত আদেশ দ্বারা, তৎকর্তৃক নির্ধারিত শর্তে, এই আইন এবং বিধি বা প্রবিধানের অধীন উহার সকল বা যে কোনো ক্ষমতা কোনো পরিচালক বা সংস্থার কোনো কর্মচারীকে অর্পণ করিতে পারিবে।
Section ১৩. সংস্থার তহবিল
(১) সংস্থার একটি তহবিল থাকিবে, যাহাতে নিম্নবর্ণিত উৎস হইতে প্রাপ্ত অর্থ জমা হইবে, যথা:-
Section ১৪. বাজেট
সংস্থা, প্রতি বৎসর সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে, সম্ভাব্য আয়-ব্যয়সহ পরবর্তী অর্থ-বৎসরের বাৎসরিক বাজেট বিবরণী সরকারের নিকট পেশ করিবে, যাহাতে উক্ত অর্থ-বৎসরে সরকারের নিকট হইতে সম্ভাব্য কি পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন হইবে উহার উল্লেখ থাকিবে।
Section ১৫. হিসাবরক্ষণ ও নিরীক্ষা
(১) সংস্থা, সরকার কর্তৃক হিসাব নির্ধারিত পদ্ধতিতে, উহার হিসাবরক্ষণ করিবে এবং হিসাবের বাৎসরিক বিবরণী প্রস্তুত করিবে। (২) বাংলাদেশের মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, অতঃপর মহা হিসাব-নিরীক্ষক নামে অভিহিত, প্রতি বৎসর সংস্থার হিসাব নিরীক্ষা করিবেন এবং নিরীক্ষা প্রতিবেদনের প্রয়োজনীয় সংখ্যক অনুলিপি সরকার ও সংস্থার নিকট পেশ করিবেন। (৩) উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত হিসাব নিরীক্ষা প্রতিবেদনের উপর কোনো আপত্তি উত্থাপিত হইলে উহা নিষ্পত্তির জন্য সংস্থা অবিলম্বে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করিবে। (৪) উপ-ধারা (২) এ উলিস্নখিত হিসাব নিরীক্ষা ছাড়াও Bangladesh Chartered Accountants Order, 1973(P.O.No. 2 of 1973) এর Article 2(1) (b)-তে সংজ্ঞায়িত চার্টার্ড একাউনটেন্ট দ্বারা সংস্থার হিসাব নিরীক্ষা করা যাইবে। (৫) উপ-ধারা ৪ এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে সংস্থা এক বা একাধিক চার্টার্ড একাউনটেন্ট নিয়োগ করিতে পারিবে এবং এইরূপ নিয়োগকৃত চার্টার্ড একাউনটেন্টকে, বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নির্ধারিত হারে পারিশ্রমিক প্রদান করা যাইবে। (৬) সংস্থার হিসাব নিরীক্ষার উদ্দেশ্যে মহা হিসাব-নিরীক্ষক কিংবা তাহার নিকট হইতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তি অথবা উপ-ধারা (৪) এর অধীন নিয়োগকৃত চার্টার্ড একাউনটেন্ট, সংস্থার সকল রেকর্ড, দলিলাদি, বাৎসরিক ব্যালেন্স সিট, নগদ বা ব্যাংকে গচ্ছিত অর্থ, জামানত, ভাণ্ডার বা অন্যবিধ সম্পত্তি পরীক্ষা করিয়া দেখিতে পারিবেন এবং চেয়ারম্যান, পরিচালক বা সংস্থার যে কোনো কর্মচারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করিতে পারিবেন।
Section ১৬. প্রতিবেদন
(১) সংস্থা প্রতিবৎসর তদকর্তৃক উহার পূর্ববর্তী বৎসরের সম্পাদিত কার্যাবলির বিবরণ সংবলিত একটি প্রতিবেদন পরবর্তী বৎসরের ৩১ জানুয়ারির মধ্যে সরকারের নিকট পেশ করিবে। (২) সরকার, প্রয়োজনবোধে, যে কোনো সময়, সংস্থার নিকট হইতে উহার যে কোনো বিষয়ের উপর প্রতিবেদন, বিবরণী বা রিটার্ন যাচাই করিতে পারিবে এবং সংস্থা উহা সরকারের নিকট সরবরাহ করিতে বাধ্য থাকিবে।
Section ১৭. বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা
সরকার, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবে।
Section ১৮. প্রবিধান প্রণয়নের ক্ষমতা
সংস্থা, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে এবং সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইন বা বিধির সহিত অসামঞ্জস্যপূর্ণ নহে এইরূপ প্রবিধান প্রণয়ন করিতে পারিবে।
Section ১৯. রহিতকরণ ও হেফাজত
(১) এই আইন কার্যকর হইবার সঙ্গে সঙ্গে Bangladesh Sangbad Sangstha Ordinance, 1979 (Ordinance No XX of 1979), অতঃপর উক্ত Ordinance বলিয়া উল্লিখিত, রহিত হইবে। (২) উপ-ধারা (১) এর অধীন রহিতকরণ সত্ত্বেও, উক্ত Ordinance এর অধীন-
Section ২০. ইংরেজিতে অনূদিত পাঠ প্রকাশ
(১) এই আইন প্রবর্তনের পর, সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের ইংরেজিতে অনূদিত একটি নির্ভরযোগ্য পাঠ (Authentic English Text) প্রকাশ করিতে পারিবে। (২) এই আইনের বাংলা ও ইংরেজি পাঠের মধ্যে বিরোধের ক্ষেত্রে বাংলা পাঠ প্রাধান্য পাইবে।