Cost and Management Accountants Ordinance, 1977 রহিতক্রমে উহার বিধানাবলি বিবেচনাক্রমে সময়ের চাহিদার প্রতিফলনে নূতন আইন প্রণয়নকল্পে প্রণীত আইন যেহেতু সংবিধান (পঞ্চদশ সংশোধন) আইন, ২০১১ (২০১১ সনের ১৪ নং আইন) দ্বারা ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট হইতে ১৯৭৯ সালের ৯ এপ্রিল পর্যন্ত এবং ২৪ মার্চ ১৯৮২ হইতে ১১ নভেম্বর ১৯৮৬ সময়ের মধ্যে সামরিক ফরমান দ্বারা জারিকৃত অধ্যাদেশসমূহের অনুমোদন ও সমর্থন সংক্রান্ত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ তপশিলের ৩ক ও ১৮ অনুচ্ছেদ বিলুপ্ত হয় এবং সিভিল পিটিশন ফর লিভ টু আপিল নং ১০৪৪-১০৪৫/২০০৯ এ সুপ্রীম কোর্টের আপিল বিভাগ কর্তৃক প্রদত্ত রায়ে সামরিক আইনকে অসাংবিধানিক ঘোষণাপূর্বক উহার বৈধতা প্রদানকারী সংবিধান (পঞ্চম সংশোধন) আইন, ১৯৭৯ (১৯৭৯ সনের ১ নং আইন) বাতিল ঘোষিত হওয়ায় উক্ত অধ্যাদেশসমূহের কার্যকারিতা লোপ পায়; এবং যেহেতু ২০১৩ সনের ৬নং আইন দ্বারা উক্ত অধ্যাদেশসমূহের মধ্যে কতিপয় অধ্যাদেশ কার্যকর রাখা হয়; এবং যেহেতু উক্ত অধ্যাদেশসমূহের আবশ্যকতা ও প্রাসঙ্গিকতা পর্যালোচনা করিয়া আবশ্যক বিবেচিত অধ্যাদেশসমূহ সকল স্টেক-হোল্ডার ও সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মতামত গ্রহণ করিয়া প্রয়োজনীয় সংশোধন ও পরিমার্জনক্রমে বাংলায় নূতন আইন প্রণয়ন করিবার জন্য সরকার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিয়াছে; এবং যেহেতু কস্ট এন্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্ট পেশা ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রণ এবং উক্ত পেশা সংক্রান্ত শিক্ষাদান, পাঠদান, প্রশিক্ষণ ও পরীক্ষা এবং এতদ্সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কার্যাবলী সম্পাদনের উদ্দেশ্যে কস্ট এন্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ নামীয় একটি ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা এবং এতদ্সংশ্লিষ্ট আনুষঙ্গিক বিষয়ে বিধান করা প্রয়োজন; এবং যেহেতু সরকারের উপরি-বর্ণিত সিদ্ধান্ত ও উদ্দেশ্যের আলোকে, Cost and Management Accountants Ordinance, 1977 (Ordinance No. LIII of 1977) রহিতক্রমে উহার বিধানাবলি বিবেচনাক্রমে সময়ের চাহিদার প্রতিফলনে নূতন আইন প্রণয়ন করা সমীচীন ও প্রয়োজন; সেহেতু এতদ্দ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইল:-
(১) এই আইন কস্ট এন্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস আইন, ২০১৮ নামে অভিহিত হইবে।
(২) ইহা অবিলম্বে কার্যকর হইবে।
(১) বিষয় বা প্রসঙ্গের পরিপন্থি কোনো কিছু না থাকিলে, এই আইনে-
(২) ‘পেশায় নিয়োজিত সদস্য’ অর্থ এইরূপ সদস্য যিনি এই আইনের অধীন নির্ধারিত যোগ্যতা অর্জন করিয়া একক ব্যক্তিরূপে অথবা পেশায় নিয়োজিত ইনস্টিটিউটের এক বা একাধিক সদস্যের অংশগ্রহণে গঠিত কস্ট এন্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্ট ফার্মের অংশীদাররূপে প্রাপ্ত বা প্রাপ্তব্য পারিশ্রমিকের বিনিময়ে-
ব্যাখ্যা: এই উপ-ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে ‘‘পেশায় নিয়োজিত সদস্য’’ অর্থে যে কোনো ব্যক্তির অধীনে সার্বক্ষণিক বেতনভুক্ত একজন অ্যাসোসিয়েট বা ফেলো সদস্য অন্তর্ভুক্ত হইবেন না।
(১) Cost and Management Accountants Ordinance, 1977 (Ordinance No. LIII of 1977) এর অধীন গঠিত ইনস্টিটিউট অব কস্ট এন্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ এমনভাবে বহাল থাকিবে যেন উহা এই আইনের অধীন প্রতিষ্ঠিত হইয়াছে।
(২) ইনস্টিটিউট একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা হইবে এবং উহার স্থায়ী ধারাবাহিকতা ও একটি সাধারণ সিলমোহর থাকিবে এবং উহার স্থাবর ও অস্থাবর উভয় প্রকার সম্পত্তি অর্জন করিবার, অধিকারে রাখিবার ও হস্তান্তর করিবার ক্ষমতা থাকিবে এবং ইনস্টিটিউট ইহার স্বীয় নামে মামলা দায়ের করিতে পারিবে এবং উক্ত নামে ইহার বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করা যাইবে।
(১) ইনস্টিটিউটের প্রধান কার্যালয় ঢাকায় থাকিবে।
(২) ইনস্টিটিউট উহার কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার স্বার্থে বাংলাদেশের যে কোনো স্থানে উহার শাখা কার্যালয় স্থাপন করিতে পারিবে।
(১) ইনস্টিটিউটের ব্যবস্থাপনা এবং প্রশাসনিক কার্যাবলী পরিচালনার জন্য ইনস্টিটিউটের একটি কাউন্সিল থাকিবে।
(২) কাউন্সিল নিম্নবর্ণিত সদস্য সমন্বয়ে গঠিত হইবে, যথা:-
(৩) ইনস্টিটিউটের কোনো কর্মচারী কাউন্সিলের সদস্যরূপে নির্বাচিত হইবার জন্য যোগ্য হইবেন না।
(১) ধারা ৫ এর উপ-ধারা (২) এর দফা (ক) এ বর্ণিত আঞ্চলিক প্রতিনিধিসহ কাউন্সিলের সদস্যগণের নির্বাচন বিদ্যমান কাউন্সিলের মেয়াদ পূর্ণ হইবার পূর্বে প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হইবে।
(২) নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা, নির্বাচনী বিরোধ নিষ্পত্তি ও নির্বাচন সংক্রান্ত আনুষঙ্গিক বিষয়াদি প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত হইবে।
কাউন্সিলের মেয়াদ হইবে উহার প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে ৩ (তিন) বৎসর।
(১) কাউন্সিলের নির্বাচিত সদস্যগণ একটি বিশেষ সভায় উহার নির্বাচিত সদস্যগণের মধ্য হইতে নিম্নবর্ণিত পদাধিকারী নির্বাচন করিবেন, যথা:-
(২) প্রেসিডেন্ট, ভাইস প্রেসিডেন্ট, সচিব ও কোষাধ্যক্ষ নির্বাচন করিবার উদ্দেশ্যে বিদায়ী কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট বিশেষ সভা আহ্বান এবং উহাতে সভাপতিত্ব করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, বিদায়ী কাউন্সিলের প্রেসিডেন্টের অনুপস্থিতিতে ভাইস প্রেসিডেন্টগণের মধ্য হইতে জ্যেষ্ঠ ভাইস প্রেসিডেন্ট উক্ত সভা আহ্বান এবং উহাতে সভাপতিত্ব করিবেন।
ব্যাখ্যা ।- এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, ‘‘জ্যেষ্ঠ’’ অর্থে সদস্যভুক্তির জ্যেষ্ঠতার ক্রম বুঝাইবে।
(৩) উপ-ধারা (১) এর অধীন নির্বাচিত ভাইস প্রেসিডেন্টগণের মধ্য হইতে একজন শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ এবং একজন পরীক্ষা বিষয়ক কার্যাবলি তদারকির দায়িত্ব পালন করিবেন।
(৪) প্রেসিডেন্ট, ভাইস প্রেসিডেন্ট, সচিব ও কোষাধ্যক্ষ এর মেয়াদ হইবে ১ (এক) বৎসর।
(৫) প্রেসিডেন্ট, ভাইস প্রেসিডেন্ট, সচিব ও কোষাধ্যক্ষ এর মেয়াদ শেষ হওয়া সত্ত্বেও উত্তরাধিকারী নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত তাহারা স্বীয় দায়িত্ব পালন করিবেন।
(৬) প্রেসিডেন্ট, ভাইস প্রেসিডেন্ট, সচিব ও কোষাধ্যক্ষ এর পদত্যাগ বা কাউন্সিলে তাহার সদস্যপদ অবসানের কারণে পদ শূন্য হইলে কাউন্সিল উক্ত পদ শূন্যতার তারিখ হইতে ১ (এক) মাসের মধ্যে অবশিষ্ট মেয়াদের জন্য বাকি সদস্যগণের মধ্য হইতে, প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, একজনকে প্রেসিডেন্ট বা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ভাইস প্রেসিডেন্ট, সচিব ও কোষাধ্যক্ষ নির্বাচন করিবে।
কাউন্সিলের ক্ষমতা ও কার্যাবলি হইবে নিম্নরূপ, যথা:-
(১) এই ধারার অন্যান্য বিধানাবলী সাপেক্ষে কাউন্সিলের সভা প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হইবে।
(২) সভার তারিখ, সময় ও স্থান প্রেসিডেন্ট কর্তৃক নির্ধারিত হইবে।
(৩) সভা আহ্বান, সভার কোরাম, সভায় উপস্থিতি, ভোটাধিকার, ইত্যাদি বিষয়াদি প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত হইবে।
(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে কাউন্সিল উহার কার্যাবলি সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের নিমিত্তে, প্রয়োজনে, এক বা একাধিক কমিটি গঠন ও উহার কর্মপরিধি ও সদস্য সংখ্যা নির্ধারণ করিতে পারিবে।
(২) উপ-ধারা (১) এর প্রাসংগিকতাকে ক্ষুণ্ণ না করিয়া কাউন্সিলের নিম্নরূপ স্থায়ী কমিটি থাকিবে, যথা:-
(৩) কার্যনির্বাহী কমিটি নিম্নবর্ণিত সদস্য সমন্বয়ে গঠিত হইবে, যথা:-
(৪) শিক্ষা কমিটি নিম্নবর্ণিত সদস্য সমন্বয়ে গঠিত হইবে, যথা:-
(৫) পরীক্ষা কমিটি নিম্নবর্ণিত সদস্য সমন্বয়ে গঠিত হইবে, যথা:-
(৬) গবেষণা এবং উন্নয়ন কমিটি নিম্নবর্ণিত সদস্য সমন্বয়ে গঠিত হইবে, যথা:-
(৭) শৃঙ্খলা কমিটি নিম্নবর্ণিত সদস্য সমন্বয়ে গঠিত হইবে, যথা:-
(৮) প্রেসিডেন্ট যে সকল কমিটিতে সদস্য হইবেন এইরূপ প্রত্যেক কমিটিতে তিনি চেয়ারম্যান হইবেন এবং প্রেসিডেন্ট ব্যতীত গঠিত কমিটিতে ভাইস প্রেসিডেন্ট উক্ত কমিটির চেয়ারম্যান হইবেন।
(৯) স্থায়ী কমিটির দায়িত্ব ও কার্যাবলি প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত হইবে।
(১) প্রেসিডেন্ট সরকার বরাবর লিখিত আবেদনক্রমে তাহার পদ হইতে পদত্যাগ করিতে পারিবেন এবং সরকার কর্তৃক তাহার পদত্যাগপত্র গৃহীত হইবার তারিখ হইতে প্রেসিডেন্টের পদ শূন্য হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।
(২) ভাইস প্রেসিডেন্ট, সচিব ও কোষাধ্যক্ষ প্রেসিডেন্ট বরাবর লিখিত আবেদনক্রমে তাহার পদ হইতে পদত্যাগ করিতে পারিবেন এবং প্রেসিডেন্ট কর্তৃক তাহার পদত্যাগপত্র গৃহীত হইবার তারিখ হইতে তাহার পদ শূন্য হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।
(৩) কাউন্সিলের কোনো সদস্য প্রেসিডেন্ট বরাবর লিখিত আবেদনক্রমে সদস্যপদ হইতে পদত্যাগ করিতে পারিবেন এবং প্রেসিডেন্ট কর্তৃক তাহার পদত্যাগপত্র গ্রহণের তারিখ হইতে তাহার পদ শূন্য হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।
(৪) কাউন্সিলের মনোনীত কোনো সদস্য ব্যতিরেকে অন্য কোনো সদস্য, প্রেসিডেন্টের অনুমতি ব্যতীত, কাউন্সিলের পর পর ৩ (তিন) টি সভায় অনুপস্থিত থাকেন অথবা তাহার নাম কোনো কারণে ধারা ১৯ এর অধীন সদস্য-রেজিস্টার হইতে অপসারিত হয় অথবা তিনি একনাগাড়ে ১ (এক) বৎসরের অধিককাল যাবৎ বাংলাদেশের বাহিরে অবস্থান করেন, তাহা হইলে তাহার পদ শূন্য হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।
(৫) কাউন্সিলের পদশূন্যতা নির্বাচনের মাধ্যমে পূরণ করা হইলে উক্ত নির্বাচিত ব্যক্তি কাউন্সিলের অবশিষ্ট মেয়াদ পর্যন্ত উক্ত পদে অধিষ্ঠিত থাকিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, কাউন্সিলের মেয়াদ অবসানের তারিখের পূর্ববর্তী ৬ (ছয়) মাসের মধ্যে সংঘটিত একটি নৈমিত্তিক পদশূন্যতা পূরণের উদ্দেশ্যে কোনো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে না, তবে উক্ত শূন্যপদ কাউন্সিল কর্তৃক উহার সদস্যগণের মধ্য হইতে কো-অপ্টের মাধ্যমে পূরণ করা যাইবে।
(৬) কাউন্সিলের কোনো সদস্যপদে শূন্যতা বা কাউন্সিল গঠনে ত্রুটি থাকিবার কারণে কাউন্সিলের কোন কার্য বা কার্যধারা অবৈধ হইবেনা বা তৎসম্পর্কে কোনো প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।
শাখা কার্যালয়সমূহের কার্যাবলি সম্পাদনের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সংখ্যক ব্রাঞ্চ কাউন্সিল গঠন করা যাইবে এবং উহাদের গঠন, সদস্য সংখ্যা, কার্যাবলি, সভা, আয়-ব্যয় ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক বিষয়াদি প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত হইবে।
ইনস্টিটিউটের একজন নির্বাহী পরিচালক থাকিবেন, যিনি ইনস্টিটিউটের প্রধান নির্বাহী হিসাবে দায়িত্ব পালন করিবেন।
(১) ইনস্টিটিউট উহার কার্যাবলী সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের নিমিত্ত নির্বাহী পরিচালক ও প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মচারী নিয়োগ করিতে পারিবে।
(২) ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক ও কর্মচারীগণের নিয়োগ পদ্ধতি ও চাকরির শর্তাবলী প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত হইবে।
(১) কাউন্সিল প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে ইনস্টিটিউটের সদস্যগণের নাম ও তথ্য সম্বলিত সদস্য-রেজিস্টার নামীয় দুইটি পৃথক রেজিস্টার সংরক্ষণ করিবে।
(২) সদস্য-রেজিস্টারে ইনস্টিটিউটের প্রত্যেক সদস্যের নিম্নবর্ণিত তথ্যাদি অন্তর্ভুক্ত থাকিবে, যথা:-
(৩) কাউন্সিল প্রতিবৎসর ইনস্টিটিউটের সদস্যদের নামের একটি হালনাগাদ তালিকা প্রকাশের ব্যবস্থা করিবে এবং উহার কপি ইনস্টিটিউটের প্রত্যেক সদস্যের নিকট প্রেরণ করিবে।
(৪) সদস্য-রেজিস্টারে নাম অন্তর্ভুক্তির পর ইনস্টিটিউটের প্রত্যেক সদস্য প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত বার্ষিক সদস্য ফি এবং অন্যান্য ফি পরিশোধ করিবেন।
(১) নিম্নবর্ণিত ব্যক্তিগণ সদস্য-রেজিস্টারে নাম অন্তর্ভুক্তির জন্য যোগ্য হইবেন, যথা:-
তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে কাউন্সিল কর্তৃক উপযুক্ত বলিয়া নির্ধারিত অন্য কোনো শর্ত আরোপ করা হইলে উহা পূরণ করিতে হইবে।
(২) উপ-ধারা (১) এর বিধান অনুযায়ী যোগ্য ব্যক্তিগণ প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতি ও ফরমে এবং ফি প্রদান সাপেক্ষে সদস্য রেজিস্টারে নাম অন্তর্ভুক্তির জন্য কাউন্সিলের নিকট আবেদন করিতে পারিবেন এবং কাউন্সিলের অনুমোদন সাপেক্ষে সদস্য-রেজিস্টারে তাহাদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হইবে।
(৩) কাউন্সিল প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে উপ-ধারা (২) এর অধীন দাখিলকৃত আবেদন মঞ্জুর বা নামঞ্জুর করিতে পারিবে।
(৪) কাউন্সিল উপ-ধারা (৩) এর অধীন সদস্য-রেজিস্টারে নাম অন্তর্ভুক্তির আবেদন নামঞ্জুর করিলে আবেদনকারী উক্ত সিদ্ধান্ত সম্পর্কে অবগত হইবার ৩০ (ত্রিশ) কার্য দিবসের মধ্যে কাউন্সিলের নিকট পুনর্বিবেচনার জন্য আবেদন করিতে পারিবেন এবং উক্ত বিষয়ে কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে।
ধারা ১৭ এর বিধান সত্ত্বেও কোনো ব্যক্তি তাহার নাম সদস্য-রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্ত করিবার অধিকারী হইবেন না, যদি তিনি-
তবে শর্ত থাকে যে, কোনো ব্যক্তিকে কোনো নির্ধারিত মেয়াদের জন্য ইনস্টিটিউট এর সদস্য পদ হইতে অপসারণ করা হইলে তিনি উক্ত মেয়াদ পূর্ণ হইবার পূর্বে তাহার নাম সদস্য-রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্ত করাইবার অধিকারী হইবেন না।
(১) কাউন্সিল নিম্নবর্ণিত কারণে কোনো সদস্যের নাম সদস্য-রেজিস্টার হইতে অপসারণ করিতে পারিবে, যথা:-
যদি তিনি-
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন সদস্য-রেজিস্টার হইতে কোনো সদস্যের নাম অপসারিত হইলে তিনি উক্ত সিদ্ধান্ত সম্পর্কে অবগত হইবার ৩০ (ত্রিশ) কার্য দিবসের মধ্যে সরকারের নিকট আপিল করিতে পারিবেন এবং উক্ত বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে।
(১) এই আইনের অধীন ইনস্টিটিউটের কোনো সদস্যকে আদালত কর্তৃক দোষী সাব্যস্ত করিয়া আদেশ প্রদান করা হইলে সদস্য-রেজিস্টারে উক্ত সদস্যের নামের বিপরীতে দণ্ড সম্পর্কিত তথ্যাদি অন্তর্ভুক্ত করিতে হইবে।
(২) ধারা ১৯ এর বিধান অনুযায়ী কোনো সদস্যের নাম সদস্য-রেজিস্টার হইতে অপসারিত হইলে তাহার অনুকূলে প্রদত্ত অ্যাসোসিয়েট বা ফেলো সদস্য এবং পেশা পরিচালনা সংক্রান্ত সনদ প্রত্যাহার বা, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে, বাতিল করিতে হইবে।
(১) ইনস্টিটিউটের সদস্যগণ ফেলো এবং অ্যাসোসিয়েট এই দুই শ্রেণির পদাধিকারী হইবেন।
(২) কোনো ব্যক্তির নাম সদস্য-রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্ত হইলে তিনি একজন অ্যাসোসিয়েট হইবেন এবং অ্যাসোসিয়েট থাকাকালীন মেয়াদ পর্যন্ত তিনি তাহার নামের শেষে এসিএমএ শব্দ সংক্ষেপ ব্যবহারের অধিকারী হইবেন।
(৩) অ্যাসোসিয়েট হিসাবে ৫ (পাঁচ) বৎসর পূর্ণ করিয়াছেন এইরূপ কোনো সদস্য এবং যিনি কাউন্সিল কর্তৃক নির্ধারিত যোগ্যতার অধিকারী তিনি ফেলো হিসাবে অন্তর্ভুক্তির জন্য প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত ফি ও পদ্ধতিতে আবেদন করিতে পারিবেন এবং কাউন্সিল প্রয়োজনীয় যাচাই বাছাইপূর্বক সন্তষ্ট হইলে তাহার নাম একজন ফেলো হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করা হইবে এবং তিনি তাহার নামের শেষে এফসিএমএ শব্দ সংক্ষেপ ব্যবহারের অধিকারী হইবেন।
(৪) উপ-ধারা (৩) এর অধীনে দাখিলকৃত কোনো আবেদন নামঞ্জুর করা হইলে উহা যথাশীঘ্র সম্ভব সংশ্লিষ্ট আবেদনকারীকে অবহিত করিতে হইবে।
(৫) উপ-ধারা (৪) এর অধীন প্রদত্ত সিদ্ধান্তে সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি কাউন্সিলের নিকট প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত সময় ও পদ্ধতিতে উক্তরূপ সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য আবেদন করিতে পারিবেন এবং উক্ত বিষয়ে কাউন্সিল কর্তৃক প্রদত্ত সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলিয়া গণ্য হইবে।
(১) ইনস্টিটিউটের কোনো সদস্য কাউন্সিল কর্তৃক অনুমোদিত পেশা পরিচালনার সনদ প্রাপ্ত হইলে তিনি বাংলাদেশে পেশা পরিচালনার অধিকারী হইবেন।
(২) কাউন্সিল ইনস্টিটিউটের কোনো সদস্যকে, প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত ফরম ও পদ্ধতিতে আবেদন এবং সনদের জন্য নির্ধারিত বার্ষিক ফি পরিশোধ এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় শর্তপূরণ সাপেক্ষে, পেশা পরিচালনা সংক্রান্ত সনদ প্রদান করিবে।
(৩) সনদপ্রাপ্ত প্রত্যেক সদস্য প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতি ও হারে বার্ষিক ফি পরিশোধ করিবেন।
(৪) উপ-ধারা (৩) এর অধীন সনদপ্রাপ্ত সদস্য কোনো আর্থিক বৎসরের নির্ধারিত বার্ষিক ফি পরিশোধে ব্যর্থ হইলে তজ্জন্য তাহার পেশা পরিচালনার সনদ বাতিলযোগ্য হইবে।
(৫) পেশায় নিয়োজিত সদস্যগণের ক্ষমতা, দায়িত্ব এবং কর্তব্যসহ আনুষঙ্গিক অন্যান্য বিষয় প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত হইবে।
(১) প্রত্যেক সদস্য কস্ট এন্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টরূপে পরিচিত হইবেন এবং উক্তরূপ পরিচিতির পদবি ব্যবহার করিতে পারিবেন এবং উহার অতিরিক্ত অথবা প্রতিস্থাপিত কোনো পদবি ব্যবহার করিতে পারিবেন না।
(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোনো সদস্য বাংলাদেশে অথবা বাংলাদেশের বাহিরে কাউন্সিল কর্তৃক স্বীকৃত কোনো ইনস্টিটিউট অব অ্যাকাউন্ট্যান্সি এর সদস্যপদ নির্দেশক বর্ণনা অথবা পদবিসূচক শব্দ সংক্ষেপ তাহার নামের সহিত যুক্ত করিবার অধিকারী বা যোগ্যতাসম্পন্ন হইলে এবং তিনি অন্য কোনো যোগ্যতা সম্পন্ন হইলে, উহা তাহার নামের সহিত যুক্ত করা হইতে অথবা কোনো ফার্ম যাহার সকল সদস্য ইনস্টিটিউটের সদস্য এবং পেশা পরিচালনারত উহাকে কস্ট এন্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস ফার্ম নামে পরিচিত হওয়া হইতে বারিত করিবে না।
(১) যেক্ষেত্রে একজন কস্ট এন্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্ট অথবা অ্যাকাউন্ট্যান্টগণের কোনো ফার্মের একাধিক কার্যালয় বাংলাদেশে থাকে, সেইক্ষেত্রে এইরূপ কার্যালয়সমূহের প্রত্যেকটি ইনস্টিটিউটের একজন সদস্যের পৃথক দায়িত্বে থাকিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, কাউন্সিল উপযুক্ত ক্ষেত্রে যে কোনো কস্ট এন্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টকে অথবা অ্যাকাউন্ট্যান্টস ফার্মকে এই উপ-ধারার কার্যকারিতা হইতে অব্যাহতি প্রদান করিতে পারিবে।
(২) পেশায় নিয়োজিত প্রত্যেক কস্ট এন্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্ট অথবা অ্যাকাউন্ট্যান্টস ফার্ম, যাহারা একাধিক অফিস পরিচালনা করিতেছেন তাহারা, উক্ত অফিস পরিচালনার দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তিদের নামসহ কার্যালয়সমূহের একটি তালিকা কাউন্সিলের নিকট প্রেরণ করিবেন এবং এতদ্সংক্রান্ত যে কোনো পরিবর্তন সম্পর্কে কাউন্সিলকে অবহিত রাখিবেন।
(১) ইনস্টিটিউটের একটি তহবিল থাকিবে এবং উহাতে নিম্নবর্ণিত উৎস হইতে প্রাপ্ত অর্থ জমা হইবে, যথা:-
(২) কাউন্সিল কর্তৃক নির্ধারিত পদ্ধতিতে তহবিল পরিচালনা করিতে হইবে।
(৩) এই আইনের অধীন সম্পাদিত কোন কার্য সংক্রান্ত ব্যয়সহ অন্যান্য সকল দায় ইনস্টিটিউটের তহবিল হইতে নির্বাহ করা যাইবে।
(৪) উপ-ধারা (১) এর অধীন গঠিত তহবিলের অর্থ কাউন্সিলের অনুমোদনক্রমে কোনো তপশিলি ব্যাংকে জমা রাখিতে হইবে এবং কোনো সরকারি সিকিউরিটি অথবা কাউন্সিল কর্তৃক অনুমোদিত কোনো সিকিউরিটিতে অথবা ব্যাংক হিসাবে বিনিয়োগ করা যাইবে।
(৫) বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে তহবিল হইতে ইনস্টিটিউটের প্রয়োজনীয় ব্যয় নির্বাহ করা যাইবে।
ব্যাখ্যা ।- এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, তপশিলি ব্যাংক অর্থ Bangladesh Bank Order, 1972(P.O. No. 127 of 1972) এর Article 2 (J) তে সংজ্ঞায়িত Scheduled Bank।
(১) ইনস্টিটিউট, যথাযথভাবে উহার হিসাবরক্ষণ এবং হিসাবের বার্ষিক বিবরণী প্রস্তুত করিবে।
(২) ইনস্টিটিউটের হিসাব নিরীক্ষার উদ্দেশ্যে Bangladesh Chartered Accountants Order, 1973(President’s Order No. 2 of 1973) এর Article 2(1)(b) এ সংজ্ঞায়িত ‘chartered accountant’ দ্বারা ইনস্টিটিউটের হিসাব নিরীক্ষা করাইতে হইবে এবং এতদুদ্দেশ্যে ইনস্টিটিউট এক বা একাধিক ‘chartered accountant’ নিয়োগ করিতে পারিবে এবং এইরূপে নিয়োগকৃত ‘chartered accountant’ কাউন্সিল কর্তৃক নির্ধারিত হারে পারিশ্রমিক প্রাপ্য হইবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, কাউন্সিলের কোনো সদস্য অথবা যিনি এইরূপ সদস্যের সহিত একজন অংশীদাররূপে বিদ্যমান এইরূপ কোনো ব্যক্তি এই উপ-ধারার অধীন নিরীক্ষকরূপে নিয়োগের জন্য যোগ্য বলিয়া বিবেচিত হইবেন না।
(৩) ইনস্টিটিউটের হিসাব নিরীক্ষার উদ্দেশ্যে উপ-ধারা (২) এর অধীন নিয়োগকৃত ‘chartered accountant’ ইনস্টিটিউটের সকল রেকর্ড, দলিলাদি, বার্ষিক ব্যালেন্স শিট, নগদ বা ব্যাংকে গচ্ছিত অর্থ, জামানত, ভান্ডার বা অন্যবিধ সম্পত্তি, ইত্যাদি পরীক্ষা করিয়া দেখিতে পারিবেন এবং ইনস্টিটিউটের যে কোনো কর্মচারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করিতে পারিবে।
(৪) হিসাব নিরীক্ষার পর নিয়োগকৃত “chartered accountant” ইনস্টিটিউটের নিকট নিরীক্ষা প্রতিবেদন পেশ করিবে এবং নিরীক্ষা প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর প্রত্যেক আর্থিক বৎসর সমাপ্তির পর যত দ্রুত সম্ভব, কিন্তু পরবর্তী নভেম্বরের ৩০ (ত্রিশ) তম দিবসের পর নহে, এইরূপ সময়ে, ইনস্টিটিউট উহা প্রকাশ করিবে এবং উহার একটি কপি সরকার ও কাউন্সিলের প্রত্যেক সদস্যের এবং, প্রয়োজনে, ইনস্টিটিউটের সকল সদস্যগণের নিকট প্রেরণ করিবে।
ইনস্টিটিউটের কার্যাবলি জনস্বার্থে ফাইনান্সিয়াল রিপোর্র্টিং আইন, ২০১৫ (২০১৫ সনের ১৬ নং আইন) এর ধারা ৪০ অনুসারে ফাইনান্সিয়াল রিপোর্র্টিং কাউন্সিলের তত্ত্বাবধানে থাকিবে, যাহা এই মর্মে নিশ্চিত করিবে যে, ইনস্টিটিউট উচ্চ পেশাগত মানদণ্ড বজায় রাখিয়াছে এবং হিসাববিজ্ঞান পেশার উন্নয়নে উহার দায়িত্বসমূহ পালন করিয়াছে।
ইনস্টিটিউটের সকল সদস্য ফাইনান্সিয়াল রিপোর্টিং আইন, ২০১৫ (২০১৫ সনের ১৬ নং আইন) এর ধারা ৪০ অনুসারে ফাইনান্সিয়াল রিপোর্র্টিং কাউন্সিল কর্তৃক ইস্যুকৃত ফাইনান্সিয়াল রিপোর্র্টিং মানদণ্ডসমূহ এবং নিরীক্ষার মানদণ্ডসমূহ প্রতিপালন করিবে।
(১) কোনো ব্যক্তি যদি-
তাহা হইলে তাহার উক্ত কার্য হইবে এই আইনের অধীন একটি অপরাধ।
(২) কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এ বর্ণিত কোনো অপরাধ সংঘটন করিলে তাহার বিরুদ্ধে অন্যান্য যে সকল কার্যক্রম গ্রহণ করা যায় তাহা ক্ষুণ্ন না করিয়াও, প্রথমবার অপরাধ সংঘটনের জন্য অনধিক ১ (এক) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড এবং পরবর্তীতে একই অপরাধের জন্য পুনরায় দোষী সাব্যস্ত হইলে প্রতিবারের জন্য অনধিক ৬ (ছয়) মাস কারাদণ্ডে বা অনধিক ৩ (তিন) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।
(১) এই আইনে ভিন্নরূপ কোনো বিধান না থাকিলে যদি কোনো ব্যক্তি, সমিতি, ফার্ম বা প্রতিষ্ঠান-
তাহা হইলে তাহার উক্ত কার্য হইবে এই আইনের অধীন একটি অপরাধ।
(২) কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এ বর্ণিত কোনো অপরাধ সংঘটন করিলে, তাহার বিরুদ্ধে অন্যান্য যে সকল শাস্তিমূলক ব্যবস্থা (Proceedings) গ্রহণ করা যায় তাহা ক্ষুণ্ন না করিয়া প্রথমবার অপরাধ সংঘটনের জন্য অনধিক ৫০ (পঞ্চাশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং পরবর্তীতে একই অপরাধের জন্য পুনরায় দোষী সাব্যস্ত হইলে প্রতিবারের জন্য অনধিক ৬ (ছয়) মাস কারাদণ্ডে বা অনধিক ১ (এক) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।
(৩) সরকার যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, ইনস্টিটিউট ব্যতীত অন্য কোনো ব্যক্তি কর্তৃক অনুমোদিত বা প্রদত্ত কোনো ডিপ্লোমা, সনদ অথবা উপাধি যাহা যোগ্যতার দিক হইতে কস্ট এন্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্টিং যোগ্যতার ইঙ্গিতবাহী হইলেও সরকারের মতে যাহাতে কস্ট এন্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস এর জন্য নির্ধারিত যোগ্যতাসমূহের ঘাটতি রহিয়াছে এবং প্রকৃতপক্ষে ইনস্টিটিউটের একজন সদস্যের কস্ট এন্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্টিং পেশায় যেইরূপ শিক্ষাগত অথবা পেশাগত যোগ্যতাসমূহ অথবা উপযুক্ততা থাকা প্রয়োজন সেইরূপ কোনো কিছু বুঝাইতেছে না অথবা ইঙ্গিত করিতেছে না তাহা হইলে সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা এবং শর্ত আরোপ সাপেক্ষে, ঘোষণা করিতে পারিবে যে, উক্তরূপ ডিপ্লোমা, সনদ এবং উপাধি ব্যবহারের ক্ষেত্রে উপ-ধারা (১) এবং (২) এর বিধান প্রযোজ্য হইবে না।
(১) বাংলাদেশে অথবা অন্যত্র যেকোনো স্থানেই নিবন্ধিত হউক না কেন, পেশায় নিয়েজিত সদস্য ব্যতীত অন্য কোনো কোম্পানি কস্ট এন্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টরূপে পেশায় নিয়োজিত হইলে উক্ত কার্য হইবে এই আইনের অধীন একটি অপরাধ।
(২) কোনো কোম্পানি উপ-ধারা (১) এ বর্ণিত কোনো অপরাধ সংঘটন করিলে প্রথমবার অপরাধ সংঘটনের জন্য অনধিক ৫০ (পঞ্চাশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং পরবর্তীতে প্রতিবার অপরাধ সংঘটনের জন্য অনধিক ১ (এক) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।
(১) ইনস্টিটিউটের সদস্য ব্যতীত অন্য কোনো ব্যক্তি একজন কস্ট এন্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্ট ফার্মের পক্ষে তাহার নিজ বা পেশাগত ক্ষমতায় কোনো দলিলে স্বাক্ষর করিতে পারিবেন না এবং উক্তরূপ স্বাক্ষর প্রদান করা হইলে উক্ত কার্য হইবে এই আইনের অধীন একটি অপরাধ।
(২) কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এ বর্ণিত কোনো অপরাধ সংঘটন করিলে প্রথমবার অপরাধ সংঘটনের জন্য অনধিক ১ (এক) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড এবং পরবর্তীতে প্রতিবার অপরাধ সংঘটনের জন্য অনধিক ২ (দুই) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
(১) কোনো কোম্পানি কর্তৃক এই আইনের অধীন কোনো অপরাধ সংঘটিত হইলে, উক্ত অপরাধের সহিত প্রত্যক্ষ সংশ্লিষ্টতা রহিয়াছে উক্ত কোম্পানির এইরূপ মালিক, পরিচালক, নির্বাহী কর্মকর্তা, ব্যবস্থাপক, সচিব, অন্য কোনো কর্মচারী উক্ত অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন, যদি না তিনি প্রমাণ করিতে পারেন যে, উক্তরূপ অপরাধ তাহার অজ্ঞাতসারে সংঘটিত হইয়াছে অথবা উহা রোধ করিবার জন্য তিনি যথাসাধ্য চেষ্টা করিয়াছেন।
(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত কোম্পানি আইনগত ব্যক্তিসত্ত্বা (Body Corporate) হইলে, উক্ত উপ-ধারায় উল্লিখিত ব্যক্তিকে অভিযুক্ত ও দোষী সাব্যস্ত করা হইলেও উক্ত কোম্পানিকে পৃথকভাবে একই কার্যধারায় অভিযুক্ত ও দোষী সাব্যস্ত করা যাইবে, তবে ফৌজদারি মামলায় উহার উপর সংশ্লিষ্ট বিধান অনুসারে কেবল অর্থদণ্ড আরোপ করা যাইবে।
ব্যাখ্যা: এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে-
(১) সরকার, ইনস্টিটিউট অথবা কাউন্সিলের নিকট হইতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি কর্তৃক উত্থাপিত অভিযোগ ব্যতীত এই আইনের অধীনে কোনো মামলা রুজু করা যাইবে না।
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন দায়েরকৃত মামলার ক্ষেত্রে দেশে প্রচলিত আইন অনুসারে তদন্ত ও বিচার অনুষ্ঠিত হইবে।
এই আইনের উদ্দেশ্যে পূরণকল্পে সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবে।
এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে ইনস্টিটিউট, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, এবং, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইন বা এই আইনের অধীন প্রণীত বিধির সহিত অসামঞ্জস্যপূর্ণ নহে এইরূপ প্রবিধান প্রণয়ন করিতে পারিবে।
(১) Cost and Management Accountants Ordinance, 1977 (Ordinance No. LIII of 1977), অতঃপর উক্ত Ordinance বলিয়া উল্লিখিত, এতদ্দ্বারা রহিত করা হইল।
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন রহিতকরণ সত্ত্বেও রহিত Ordinance এর অধীন-
(৩) উপ-ধারা (১) এর অধীন রহিতকরণ সত্ত্বেও, রহিত Ordinance এর অধীন প্রণীত কোনো প্রবিধান, জারিকৃত কোনো প্রজ্ঞাপন, প্রদত্ত কোনো আদেশ, নির্দেশ, অনুমোদন, সুপারিশ, প্রণীত সকল পরিকল্পনা বা কার্যক্রম এবং অনুমোদিত সকল হিসাব বিবরণী ও বার্ষিক প্রতিবেদন উক্তরূপ রহিতকরণের অব্যবহিত পূর্বে বলবৎ থাকিলে, উহা এই আইনের কোনো বিধানের সহিত অসঙ্গতিপূর্ণ না হওয়া সাপেক্ষে, এই আইনের অনুরূপ বিধানের অধীন প্রণীত, জারিকৃত প্রদত্ত এবং অনুমোদিত বলিয়া গণ্য হইবে এবং এই আইনের অধীন রহিত বা সংশোধিত না হওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকিবে।
(১) এই আইন প্রবর্তনের পর সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের ইংরেজিতে অনূদিত একটি নির্ভরযোগ্য পাঠ (Authentic English Text) প্রকাশ করিবে।
(২) বাংলা ও ইংরেজি পাঠের মধ্যে বিরোধের ক্ষেত্রে বাংলা পাঠ প্রাধান্য পাইবে।