বাংলাদেশ জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদ প্রতিষ্ঠা এবং এতদ্সংক্রান্ত আনুষঙ্গিক বিষয়ে বিধান প্রণয়নকল্পে প্রণীত আইন বাংলাদেশ জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদ প্রতিষ্ঠা এবং এতদ্সংক্রান্ত আনুষঙ্গিক বিষয়ে বিধান প্রণয়নকল্পে প্রণীত আইন যেহেতু বাংলাদেশ জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদ প্রতিষ্ঠা এবং এতদ্সংক্রান্ত আনুষঙ্গিক বিষয়ে বিধান প্রণয়ন করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়; সেহেতু এতদ্দ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইল, যথা:-
(১) এই আইন বাংলাদেশ জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদ আইন, ২০১৯ নামে অভিহিত হইবে।
(২) ইহা অবিলম্বে কার্যকর হইবে।
বিষয় বা প্রসঙ্গের পরিপন্থি কোনো কিছু না থাকিলে, এই আইনে, -
(১) ‘কর্মচারী’ অর্থ পরিষদের কোনো কর্মচারী;
(২) ‘চেয়ারম্যান’ অর্থ নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান;
(৩) ‘তহবিল’ অর্থ পরিষদের তহবিল;
(৪) ‘নির্বাহী কমিটি’ অর্থ ধারা ৯ এর অধীন গঠিত নির্বাহী কমিটি;
(৫) ‘নির্বাহী সচিব’ অর্থ পরিষদের নির্বাহী সচিব;
(৬) ‘পরিষদ’অর্থ ধারা ৩ এর অধীন প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদ;
(৭) ‘পরিচালনা বোর্ড’ অর্থ ধারা ৭ এর অধীন গঠিত বাংলাদেশ জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিচালনা বোর্ড;
(৮) ‘প্রবিধান’ অর্থ ধারা ২২ এর অধীন প্রণীত কোনো প্রবিধান;
(৯) ‘বিধি’ অর্থ ধারা ২১ এর অধীন প্রণীত কোনো বিধি; এবং
(১০) ‘সদস্য’ অর্থ পরিচালনা বোর্ডের কোনো সদস্য বা, ক্ষেত্রমত, নির্বাহী কমিটির কোনো সদস্য।
(১) এই আইন কার্যকর হইবার সঙ্গে সঙ্গে, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, বাংলাদেশ জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদ প্রতিষ্ঠিত হইবে।
(২) পরিষদ একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা হইবে এবং ইহার স্থায়ী ধারাবাহিকতা ও একটি সাধারণ সিলমোহর থাকিবে এবং এই আইনের বিধানাবলি সাপেক্ষে, ইহার স্থাবর-অস্থাবর উভয় প্রকার সম্পত্তি অর্জন করিবার, অধিকারে রাখিবার এবং হস্তান্তর করিবার ক্ষমতা থাকিবে এবং ইহা স্বীয় নামে মামলা দায়ের করিতে পারিবে এবং উক্ত নামে ইহার বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করা যাইবে।
(১) পরিষদের প্রধান কার্যালয় ঢাকায় থাকিবে।
(২) পরিষদ, প্রয়োজনে, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, উহার কার্যক্রম পরিচালনা করিবার জন্য, বাংলাদেশের যে কোনো স্থানে উহার শাখা কার্যালয় স্থাপন করিতে পারিবে।
এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, পরিষদ নিম্নবর্ণিত কার্যাবলি সম্পাদন করিবে, যথা :-
(১) পরিষদের পরিচালনা উহার পরিচালনা বোর্ডের উপর ন্যস্ত থাকিবে এবং পরিষদ যে সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কার্যসম্পাদন করিতে পারিবে, পরিচালনা বোর্ডও সেই সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কার্যসম্পাদন করিতে পারিবে।
(২) পরিচালনা বোর্ড উহার দায়িত্ব পালন ও কার্যসম্পাদনের ক্ষেত্রে এই আইন, বিধি, প্রবিধান বা সরকার কর্তৃক, সময় সময়, প্রদত্ত ও জারীকৃত আদেশ ও নির্দেশনা অনুসরণ করিবে।
(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, নিম্নবর্ণিত সদস্য সমন্বয়ে বাংলাদেশ জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিচালনা বোর্ড গঠিত হইবে, যথা :-
(২) উপ-ধারা (১) এর দফা (ণ) ও (ত) এর অধীন মনোনীত সদস্যগণ তাহাদের মনোনয়নের তারিখ হইতে পরবর্তী ০৩ (তিন) বৎসর মেয়াদে স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন :
তবে শর্ত থাকে যে, সরকার উক্ত মেয়াদ শেষ হইবার পূর্বে যে কোনো সময় কারণ দর্শানো ব্যতিরেকে উক্তরূপ মনোনীত কোনো সদস্যকে অব্যাহতি প্রদান করিতে পারিবে এবং কোনো মনোনীত সদস্য সরকারের উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে পদত্যাগ করিতে পারিবে।
(৩) পরিচালনা বোর্ডের মনোনীত সদস্যের পদ শূন্য হইবে, যদি-
(১) এই ধারার অন্যান্য বিধানাবলি সাপেক্ষে, পরিচালনা বোর্ড উহার সভার কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করিবে।
(২) পরিচালনা বোর্ডের সভা সভাপতি কর্তৃক নির্ধারিত তারিখ, সময় ও স্থানে অনুষ্ঠিত হইবে।
(৩) প্রতি বৎসর পরিচালনা বোর্ডের অন্যূন ২ (দুই) টি সভা অনুষ্ঠিত হইবে।
(৪) পরিচালনা বোর্ডের সকল সভায় উহার সভাপতি সভাপতিত্ব করিবেন, তবে তাহার অনুপস্থিতিতে সহ-সভাপতি উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করিবেন এবং উভয়ের অনুপস্থিতিতে উপস্থিত জ্যেষ্ঠ সদস্য উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করিবেন।
(৫) পরিচালনা বোর্ডের মোট সদস্য সংখ্যার অন্যূন এক-তৃতীয়াংশ সদস্যের উপস্থিতিতে সভার কোরাম গঠিত হইবে, তবে মূলতবী সভার ক্ষেত্রে কোনো কোরামের প্রয়োজন হইবে না।
(৬) পরিচালনা বোর্ডের সভায় উপস্থিত সদস্যের একটি করিয়া ভোট থাকিবে এবং সভায় উপস্থিত সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে পরিচালনা বোর্ডের সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে এবং ভোটের সমতার ক্ষেত্রে সভাপতিত্বকারী ব্যক্তির দ্বিতীয় অথবা নির্ণায়ক ভোট প্রদানের ক্ষমতা থাকিবে।
(৭) কেবল সদস্যপদে শূন্যতা বা পরিচালনা বোর্ড গঠনে ত্রুটি কিবার কারণে পরিচালনা বোর্ডের কোনো কার্য অথবা কার্যধারা অবৈধ হইবে না, এবং তৎসম্পর্কে কোনো প্রশ্নও উত্থাপন করা যাইবে না।
(১) পরিষদের একটি নির্বাহী কমিটি থাকিবে এবং নিম্নবর্ণিত সদস্য সমন্বয়ে নির্বাহী কমিটি গঠিত হইবে, যথা:-
(২) উপ-ধারা (১) এর দফা (ঢ) এর অধীন মনোনীত সদস্যগণ তাহাদের মনোনয়নের তারিখ হইতে পরবর্তী ৩ (তিন) বৎসর মেয়াদে স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন :
তবে শর্ত থাকে যে, সরকার উক্ত মেয়াদ শেষ হইবার পূর্বে যে কোনো সময় কারণ দর্শানো ব্যতিরেকে উক্তরূপ মনোনীত কোনো সদস্যকে অব্যাহতি প্রদানকরিতে পারিবে এবং কোনো মনোনীত সদস্য সরকারের উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে পদত্যাগ করিতে পারিবে।
(৩) উপ-ধারা (১) এর দফা ঢ এর অধীন মনোনীত কোনো সদস্যপদ শূন্য হইলে সরকার নির্বাহী কমিটির মনোনীত সদস্যদের মধ্য হইতে অন্য যে কোনো সদস্যকে অবশিষ্ট সময়ের জন্য উক্ত শূন্য পদে মনোনয়ন প্রদান করিতে পারিবে।
(৪) নির্বাহী কমিটির মনোনীত সদস্যগণের পদ শূন্য হইবে, যদি-
(১) এই ধারার অন্যান্য বিধানাবলি সাপেক্ষে, নির্বাহী কমিটি উহার সভার কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করিবে।
(২) নির্বাহী কমিটির সভার তারিখ, সময় ও স্থান চেয়ারম্যান কর্তৃক নির্ধারিত হইবে।
(৩) নির্বাহী কমিটির সকল সভায় উহার চেয়ারম্যান সভাপতিত্ব করিবেন এবং তাহার অনুপস্থিতিতে উপস্থিত জ্যেষ্ঠ সদস্য উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করিবেন।
(৪) নির্বাহী কমিটির মোট সদস্য সংখ্যার অন্যূন এক-তৃতীয়াংশ সদস্যের উপস্থিতিতে সভার কোরাম গঠিত হইবে, তবে মূলতবী সভার ক্ষেত্রে কোনো কোরামের প্রয়োজন হইবে না।
(৫) নির্বাহী কমিটির সভায় উপস্থিত সদস্যের একটি করিয়া ভোট থাকিবে এবং সভায় উপস্থিত সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে নির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে এবং ভোটের সমতার ক্ষেত্রে সভাপতিত্বকারী ব্যক্তির দ্বিতীয় অথবা নির্ণায়ক ভোট প্রদানের ক্ষমতা থাকিবে।
(৬) কেবল সদস্যপদে শূন্যতা বা নির্বাহী কমিটির গঠনে ত্রুটিাকিবার কারণে নির্বাহী কমিটির কোনো কার্য অথবা কার্যধারা অবৈধ হইবে না, এবং তৎসম্পর্কে কোনো প্রশ্নও উত্থাপন করা যাইবে না।
(১) নির্বাহী কমিটির দায়িত্ব ও কার্যাবলি নিম্নরূপ, যথা :-
(২) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সরকার বা, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে,পরিচালনা বোর্ড কর্তৃক, সময় সময়, প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করিবে।
(৩) নির্বাহী কমিটি পরিষদের প্রশাসনিক কার্যাবলি সম্পর্কে, সময় সময়, নির্বাহী সচিবকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা ও পরামর্শ প্রদান করিতে পারিবে।
(৪) নির্বাহী কমিটি উহার ক্ষমতা প্রয়োগ ও কার্যাবলি সম্পাদনের ক্ষেত্রে পরিচালনা বোর্ডের নিকট দায়ী থাকিবে এবং পরিচালনা বোর্ড কর্তৃক, সময় সময়,প্রদত্ত নির্দেশনা অনুসরণ করিবে।
(১) পরিষদের একজন নির্বাহী সচিব থাকিবে।
(২) নির্বাহী সচিব সরকারের অন্যূন যুগ্মসচিব পদমর্যাদাধারীদের মধ্য হইতে সরকার কর্তৃক নির্দিষ্ট শর্তে নিযুক্ত হইবে।
(৩) নির্বাহী সচিব পরিষদের প্রধান নির্বাহী ও সার্বক্ষণিক কর্মচারী হইবে এবং তিনি পরিষদের আয়ন-ব্যয়ন কর্মচারী হিসাবে দায়িত্ব পালন করিবেন।
(৪) নির্বাহী সচিব এর পদ শূন্য হইলে কিংবা অনুপস্থিতি, অসুস্থতা বা অন্য কোনো কারণে তিনি তাহার কার্যালয়ের কার্যক্রম বা দায়িত্ব পালনে অসর্ম হইলে, শূন্য পদে নবনিযুক্ত নির্বাহী সচিব কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত বা তিনি পুনরায় স্বীয় দায়িত্ব পালনে সমর্থ না হওয়া পর্যন্ত সরকার কর্তৃক নিযুক্ত কোনো ব্যক্তি নির্বাহী সচিবের দায়িত্ব পালন করিবেন।
নির্বাহী সচিবের দায়িত্ব ও কর্তব্য হইবে নিম্নরূপ, যথা :-
(১) পরিষদ উহার কার্যাবলি সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের জন্য, সরকার কর্তৃক অনুমোদিত সাংগঠনিক কাঠামো অনুযায়ী, প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মচারী নিয়োগ করিতে পারিবে।
(২) কর্মচারীদের নিয়োগ এবং চাকরির শর্তাবলি প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত হইবে।
পরিষদ উহার কার্যাবলি সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের জন্য, প্রয়োজনবোধে, শহর, জেলা, উপজেলা বা ইউনিয়ন পর্যায়ে কমিটি গঠন করিতে পারিবে এবং উক্ত কমিটির গঠন, দায়িত্ব ও কর্তব্য সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা নির্ধারণ করিতে পারিবে।
(১) বাংলাদেশ জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদ তহবিল নামে পরিষদের একটি তহবিল থাকিবে এবং নিম্নবর্ণিত উৎস হইতে প্রাপ্ত অর্থ দ্বারা উক্ত তহবিল গঠিত হইবে, যথা:-
(২) তহবিলের অর্থ পরিচালনা বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত কোনো তপশিলি ব্যাংকে পরিষদের নামে জমা রাখিতে হইবে এবং প্রচলিত সরকারি বিধি-বিধান অনুসরণপূর্বক তহবিল পরিচালিত হইবে।
(৩) তহবিল হইতে পরিষদের প্রয়োজনীয় ব্যয় নির্বাহ করা হইবে।
ব্যাখ্যা : এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, ‘তপশিলি ব্যাংক’ বলিতে Bangladesh Bank Order, 1972(President’s Order No. 127 of 1972 ) এর Article 2(J) তে সংজ্ঞায়িত ‘Scheduled Bank’ কে বুঝাইবে।
(১) পরিষদ প্রতি বৎসর সরকার কর্তৃক নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সম্ভাব্য আয়-ব্যয়সহ পরবর্তী অর্থবৎসরের বাৎসরিক বাজেট বিবরণী সরকারের নিকট পেশ করিবে এবং উহাতে উক্ত বৎসরে সরকারের নিকট হইতে পরিষদের কী পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন হইবে উহারও উল্লেখ থাকিবে।
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন প্রস্তুতকৃত বাজেট পরিচালনা বোর্ডের সভায় অনুমোদিত হইবার পর উহা সরকারের নিকট পেশ করিতে হইবে।
(১) পরিষদ তদকর্তৃক নির্ধারিত পদ্ধতিতে যথাযথভাবে হিসাব রক্ষণ করিবে এবং হিসাবের বার্ষিক বিবরণী প্রস্তুত করিবে।
(২) বাংলাদেশের মহাহিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, অতঃপর মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক বলিয়া অভিহিত, প্রতি বৎসর পরিষদের হিসাব নিরীক্ষা করিবেন এবং নিরীক্ষা প্রতিবেদনের একটি করিয়া কপি সরকার ও পরিষদের নিকট প্রেরণ করিবেন।
(৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন হিসাব নিরীক্ষার উদ্দেশ্যে মহাহিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক কিংবা তাহার নিকট হইতে এতদুদ্দেশ্যে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তি পরিষদের সকল রেকর্ড, দলিল-দস্তাবেজ, নগদ বা ব্যাংকে গচ্ছিত অর্থ, জামানত, ভান্ডার এবং অন্যবিধ সম্পত্তি পরীক্ষা করিয়া দেখিতে পারিবেন এবং পরিষদের যে কোনো কর্মচারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করিতে পারিবেন।
(৪) উপ-ধারা (২) এর অধীন হিসাব নিরীক্ষা ব্যতিরেকে Bangladesh Chartered Accountants Order, 1973(President Order No. 2 of 1973) এর Article 2(1)(b) তে সংজ্ঞায়িত চার্টার্ড একাউনটেন্ট দ্বারা পরিষদের হিসাব নিরীক্ষা করিতে হইবে এবং এতদুদ্দেশ্যে পরিষদ এক বা একাধিক চার্টার্ড একাউনটেন্ট নিয়োগ করিতে পারিবে।
(১) প্রতি অর্থবৎসর শেষ হইবার পরবর্তী ৩ (তিন) মাসের মধ্যে পরিষদ উক্ত অর্থবৎসরের সম্পাদিত কার্যাবলির উপর বার্ষিক প্রতিবেদন সরকারের নিকট দাখিল করিবে।
(২) সরকার, প্রয়োজনে, পরিষদের নিকট হইতে যে কোনো সময় পরিষদের যে কোনো বিষয়ের উপর প্রতিবেদন আহবান করিতে পারিবে এবং পরিষদ উহা সরকারের নিকট সরবরাহ করিতে বাধ্য থাকিবে।
পরিষদ উহার যে কোনো কার্যাবলি, ক্ষমতা বা দায়িত্ব, প্রয়োজনে, তদকর্তৃক নির্ধারিত শর্তসাপেক্ষে, সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা নির্বাহী কমিটি, কোনো সদস্য, নির্বাহী সচিব বা কোনো কর্মচারীকে অর্পণ করিতে পারিবে।
এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সরকার, সরকারি গেজেট প্রজ্ঞাপন দ্বারা, বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবে।
এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, পরিষদ, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, সরকারি গেজেট প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনা ববিধির সহিত অসংগতিপূর্ণ নহে এইরুপ প্রবিধান প্রণয়ন করিতে পারিবে।
(১) এই আইন প্রবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ২৫ জানুয়ারি, ২০০৩ তারিখের সকম/কর্ম-শাঃ/বাজাসকপ-১/২০০২-৯৮ নং রেজুলিউশন, অত:পর ‘উক্ত রেজুলিউশন’ বলিয়া উল্লিখিত, রহিত হইবে।
(২) উক্ত রেজুলিউশন রহিত হইবার সঙ্গে সঙ্গে, উহার অধীন গঠিত ‘বাংলাদেশ জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদ’ বিলুপ্ত হইবে।
(৩) উপ-ধারা (১) এর অধীন রহিত হওয়া সত্ত্বেও,-
(১) এই আইন প্রবর্তনের পর সরকার, সরকারি গেজেট প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের ইংরেজিতে অনূদিত একটি নির্ভরযোগ্য পাঠ (Authentic English Text) প্রকাশ করিবে।
(২) বাংলা ও ইংরেজি পাঠের মধ্যে বিরোধের ক্ষেত্রে বাংলা পাঠ প্রাধান্য পাইবে।