বাংলাদেশ প্রকৌশল গবেষণা কাউন্সিল আইন, ২০২০
বিভিন্ন প্রকৌশল প্রতিষ্ঠানের গবেষণা কার্যক্রমের মধ্যে সমন্বয় সাধন, গবেষণালব্ধ ফলাফলের বাণিজ্যিকীকরণ এবং আমদানিকৃত প্রযুক্তি গ্রহণ, আত্তীকরণ ও অভিযোজন করিবার ক্ষেত্রে প্রকৌশল প্রতিষ্ঠানসমূহের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ প্রকৌশল গবেষণা কাউন্সিল গঠন এবং এতদ্সংক্রান্ত আনুষঙ্গিক বিষয়ে বিধান প্রণয়নকল্পে প্রণীত আইন বিভিন্ন প্রকৌশল প্রতিষ্ঠানের গবেষণা কার্যক্রমের মধ্যে সমন্বয় সাধন, গবেষণালব্ধ ফলাফলের বাণিজ্যিকীকরণ এবং আমদানিকৃত প্রযুক্তি গ্রহণ, আত্তীকরণ ও অভিযোজন করিবার ক্ষেত্রে প্রকৌশল প্রতিষ্ঠানসমূহের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ প্রকৌশল গবেষণা কাউন্সিল গঠন এবং এতদ্সংক্রান্ত আনুষঙ্গিক বিষয়ে বিধান প্রণয়নকল্পে প্রণীত আইন
বিভিন্ন প্রকৌশল প্রতিষ্ঠানের গবেষণা কার্যক্রমের মধ্যে সমন্বয় সাধন, গবেষণালব্ধ ফলাফলের বাণিজ্যিকীকরণ এবং আমদানিকৃত প্রযুক্তি গ্রহণ, আত্তীকরণ ও অভিযোজন করিবার ক্ষেত্রে প্রকৌশল প্রতিষ্ঠানসমূহের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ প্রকৌশল গবেষণা কাউন্সিল গঠন এবং এতদ্সংক্রান্ত আনুষঙ্গিক বিষয়ে বিধান প্রণয়নকল্পে প্রণীত আইন বিভিন্ন প্রকৌশল প্রতিষ্ঠানের গবেষণা কার্যক্রমের মধ্যে সমন্বয় সাধন, গবেষণালব্ধ ফলাফলের বাণিজ্যিকীকরণ এবং আমদানিকৃত প্রযুক্তি গ্রহণ, আত্তীকরণ ও অভিযোজন করিবার ক্ষেত্রে প্রকৌশল প্রতিষ্ঠানসমূহের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ প্রকৌশল গবেষণা কাউন্সিল গঠন এবং এতদ্সংক্রান্ত আনুষঙ্গিক বিষয়ে বিধান প্রণয়নকল্পে প্রণীত আইন যেহেতু বিভিন্ন প্রকৌশল প্রতিষ্ঠানের গবেষণা কার্যক্রমের মধ্যে সমন্বয় সাধন, গবেষণালব্ধ ফলাফলের বাণিজ্যিকীকরণ এবং আমদানিকৃত প্রযুক্তি গ্রহণ, আত্তীকরণ ও অভিযোজন করিবার ক্ষেত্রে প্রকৌশল প্রতিষ্ঠানসমূহের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপনের লক্ষ্যে একটি প্রকৌশল গবেষণা কাউন্সিল গঠন এবং এতদ্সংক্রান্ত আনুষঙ্গিক বিষয়ে বিধান প্রণয়ন করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়; সেহেতু এতদ্দ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইল:-
Section ১. সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন
(১) এই আইন বাংলাদেশ প্রকৌশল গবেষণা কাউন্সিল আইন, ২০২০ নামে অভিহিত হইবে।
(২) সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, যে তারিখ নির্ধারণ করিবে সেই তারিখ হইতে এই আইন কার্যকর হইবে।
- এস, আর, ও নং ২৭৯-আইন/২০২০, তারিখঃ ২৫ অক্টোবর, ২০২০ ইং দ্বারা ১৬ কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ মোতাবেক ০১ নভেম্বর, ২০২০ খ্রিষ্টাব্দ তারিখ হতে উক্ত আইন কার্যকর ।
Section ২. সংজ্ঞা
বিষয় বা প্রসঙ্গের পরিপন্থি কোনো কিছু না থাকিলে, এই আইনে-
(১) ‘‘ইনস্টিটিউট’’ অর্থ তপশিলের অংশ-‘গ’ এ উল্লিখিত কোনো ইনস্টিটিউট;
(২) ‘‘উপদেষ্টা পরিষদ’’ অর্থ এই আইনের ধারা ১১ এর অধীন গঠিত উপদেষ্টা পরিষদ;
(৩) ‘‘কাউন্সিল’’ অর্থ এই আইনের ধারা ৩ এর অধীন প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ প্রকৌশল গবেষণা কাউন্সিল;
(৪) ‘‘গভর্নিং বডি’’ অর্থ এই আইনের ধারা ৭ এর অধীন গঠিত গভর্নিং বডি;
(৫) ‘‘চেয়ারম্যান’’ অর্থ গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান;
(৬) ‘‘তপশিল’’ অর্থ এই আইনের তপশিল;
(৭) ‘‘প্রকৌশল’’ অর্থ পূর্ত, যান্ত্রিক ও বৈদ্যুতিকসহ সকল প্রকার অবকাঠামো, মেশিন, যন্ত্রপাতি, ডিভাইস, প্ল্যান্ট এবং মালামালের (গধঃবৎরধষ) নকশা প্রণয়ন, নির্মাণ, উৎপাদন, পরিচালনা, রক্ষণাবেক্ষণ ও গুণগতমান নিশ্চিতকরণ এবং এতদ্সংক্রান্ত পদ্ধতি ও প্রক্রিয়া উদ্ভাবন ও নির্ধারণ করা;
(৮) ‘‘প্রবিধান’’ অর্থ এই আইনের ধারা ২৭ এর অধীন প্রণীত প্রবিধান;
(৯) ‘‘বিধি’’ অর্থ এই আইনের ধারা ২৬ এর অধীন প্রণীত বিধি; এবং
(১০) ‘‘সদস্য’’ অর্থ গভর্নিং বডির সদস্য।
Section ৩. কাউন্সিল প্রতিষ্ঠা
(১) সরকার, এই আইন কার্যকর হইবার পর, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, বাংলাদেশ প্রকৌশল গবেষণা কাউন্সিল নামে একটি কাউন্সিল প্রতিষ্ঠা করিবে।
(২) কাউন্সিল একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা হইবে এবং ইহার স্থায়ী ধারাবাহিকতা ও একটি সাধারণ সিলমোহর থাকিবে এবং সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, ইহার স্থাবর ও অস্থাবর উভয় প্রকার সম্পত্তি অর্জন করিবার, অধিকারে রাখিবার ও হস্তান্তর করিবার ক্ষমতা থাকিবে এবং ইহা স্বীয় নামে মামলা দায়ের করিতে পারিবে এবং উক্ত নামে ইহার বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করা যাইবে।
Section ৪. কাউন্সিলের কার্যালয়
কাউন্সিলের প্রধান কার্যালয় ঢাকায় থাকিবে এবং ইহা, প্রয়োজনে, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, দেশের যে কোনো স্থানে শাখা কার্যালয় স্থাপন করিতে পারিবে।
Section ৫. কাউন্সিলের দায়িত্ব ও কার্যাবলি
কাউন্সিলের দায়িত্ব ও কার্যাবলি হইবে নিম্নরূপ, যথা:¾
(১) জাতীয় প্রয়োজন অনুযায়ী প্রকৌশল বিজ্ঞানের প্রায়োগিক ক্ষেত্রসমূহ যথা : পূর্ত, যান্ত্রিক ও বৈদ্যুতিকসহ সকল প্রকার অবকাঠামো, যন্ত্রপাতি, প্ল্যান্ট, ডিভাইস এবং মালামালের (গধঃবৎরধষ) নকশা প্রণয়ন, নির্মাণ, উৎপাদন, পরিচালনা, রক্ষণাবেক্ষণ ও গুণগতমান নির্ধারণ;
(২) টেকসই জাতীয় উন্নয়ন নিশ্চিত করিবার ক্ষেত্রে শিল্প, শক্তি, কৃষি, খনিজ সম্পদ, পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা, স্বাস্থ্য, পরিবেশ, পরিবহণ ও সেবাসহ প্রকৌশলের সকল খাতে পরিবেশবান্ধব ও জলবায়ু পরিবর্তন সহিষ্ণু প্রযুক্তি ও প্রকৌশল বিদ্যার কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিতকরণ ও উৎসাহিতকরণ;
(৩) প্রকৌশলের সকল ক্ষেত্রে গবেষণার মাধ্যমে দেশে উদ্ভাবিত প্রকৌশল পদ্ধতি প্রয়োগপূর্বক দেশের উন্নয়ন উৎসাহিতকরণ;
(৪) বিদ্যমান প্রকৌশল প্রযুক্তির উন্নয়ন ও উৎকর্ষ সাধন এবং চাহিদার নিরিখে দেশের উপযোগী নূতন প্রকৌশল প্রযুক্তি উদ্ভাবন কেন্দ্র স্থাপনে সরকারের নিকট সুপারিশ প্রদান ও বেসরকারি প্রকৌশল খাতসমূহকে উৎসাহিতকরণ;
(৫) প্রকৌশল প্রযুক্তি উদ্ভাবন, অভিযোজন, হস্তান্তর ও আত্তীকরণে উৎসাহিতকরণ;
(৬) প্রযুক্তি প্রকৌশল গবেষণার নানাবিধ ক্ষেত্রে যথাযথ প্রশিক্ষণ ও পেশাগত দক্ষতার উন্নয়ন এবং মেধাবী শিক্ষার্থীদেরকে প্রকৌশল ও প্রযুক্তি শিক্ষায় উদ্বুদ্ধকরণ;
(৭) দেশে উদ্ভাবিত বিভিন্ন প্রকৌশল ও প্রযুক্তির মেধাস্বত্ব অধিকার অর্জন ও সংরক্ষণে সহায়তা প্রদান;
(৮) নূতন ও টেকসই প্রকৌশল প্রযুক্তি উদ্ভাবনকারী ব্যক্তি বা সংস্থাকে, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, জাতীয়ভাবে স্বীকৃতি প্রদান ও পুরস্কৃতকরণ;
(৯) ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করিতে যথোপযোগী প্রকৌশল পদ্ধতির উদ্ভাবন, প্রয়োগ, বাস্তবায়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রক্রিয়ার সমন্বয়করণ;
(১০) প্রকৌশল ও প্রযুক্তি গবেষণার প্রধান ক্ষেত্রসমূহ চিহ্নিতকরণ এবং তদনুযায়ী স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী প্রকৌশল গবেষণা পরিকল্পনা প্রণয়ন ও পরিচালনা এবং উহার সমন্বয়, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন;
(১১) প্রাতিষ্ঠানিক, প্রায়োগিক ও শিল্পসংক্রান্ত প্রকৌশল গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা ও উন্নয়ন এবং সরকারি ও বেসরকারি শিল্পখাতে প্রকৌশল সেবার সমন্বয়করণ;
(১২) দেশে বিদ্যমান প্রকৌশল গবেষণা প্রতিষ্ঠানসমূহের বাস্তবতা ও চাহিদার নিরিখে যুগোপযোগী বিষয়ের উপর গবেষণা কার্যক্রম গ্রহণের বিষয়ে পরামর্শ প্রদান ও কার্যক্রমের সমন্বয়করণ;
(১৩) প্রকৌশল জ্ঞান চর্চা প্রতিষ্ঠানসমূহে তাত্ত্বিক জ্ঞানের সহিত শিল্প কারখানায় ব্যবহৃত আধুনিক প্রকৌশল জ্ঞানের সম্পর্ক স্থাপনে সহায়তা প্রদান এবং সমন্বয়করণ;
(১৪) নূতন প্রযুক্তির মাধ্যমে দেশে উদ্ভাবিত সাশ্রয়ী ও টেকসই প্রকৌশল পণ্যসমূহের উৎপাদন ব্যয় হ্রাসপূর্বক জনগণের ক্রয়সীমার মধ্যে আনয়ন এবং এইরূপ পণ্যের গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধির জন্য সরকারের নিকট সুপারিশ প্রদান;
(১৫) প্রকৌশল পরীক্ষাগার ও গবেষণাগার স্থাপনসহ উহাতে নিয়োজিত গবেষকগণের সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ বা কর্মশালার আয়োজন ও উচ্চশিক্ষার কার্যক্রম গ্রহণ;
(১৬) প্রকৌশল বিষয়ক গবেষণালব্ধ ফলাফল ও উহার প্রয়োগ সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করিবার উদ্দেশ্যে সেমিনার, সিম্পোজিয়াম বা কর্মশালার আয়োজন এবং এতদ্সংশ্লিষ্ট প্রকাশনার ব্যবস্থা গ্রহণ;
(১৭) প্রকৌশল খাতের গবেষণার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থান এবং গবেষণালব্ধ ফলাফলের যথাযথ প্রয়োগের উদ্যোগ গ্রহণ;
(১৮) প্রকৌশল খাতের উন্নয়নের ক্ষেত্রে বিদ্যমান সমস্যাসমূহ চিহ্নিতকরণ এবং উক্ত সমস্যা নিরসনে করণীয় সম্পর্কে সরকারকে পরামর্শ প্রদান;
(১৯) গবেষকদের নিকট হইতে প্রাপ্ত প্রকৌশল গবেষণা প্রস্তাবসহ কাউন্সিলের বাজেট প্রস্তাব অনুমোদন;
(২০) প্রকৌশল বিষয়ক সরকারি, বেসরকারি ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সহিত নিবিড় যোগাযোগ রক্ষা করা;
(২১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, যে কোনো দেশি বা বিদেশি ব্যক্তি বা সংস্থার সহিত প্রকৌশল গবেষণা সংক্রান্ত চুক্তি, সমঝোতা স্মারক ইত্যাদি সম্পাদন; এবং
(২২) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, বিধি বা প্রবিধান দ্বারা বা সরকার কর্তৃক, সময় সময়, নির্ধারিত অন্যান্য দায়িত্ব পালন।
Section ৬. পরিচালনা ও প্রশাসন
কাউন্সিলের ব্যবস্থাপনা, পরিচালনা ও প্রশাসন গভর্নিং বডির উপর ন্যস্ত থাকিবে এবং কাউন্সিল যে সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কার্য সম্পাদন করিতে পারিবে, গভর্নিং বডিও সেই সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কার্য সম্পাদন করিতে পারিবে।
Section ৭. গভর্নিং বডি
(১) কাউন্সিলের একটি গভর্নিং বডি থাকিবে এবং নিম্নবর্ণিত সদস্য সমন্বয়ে গভর্নিং বডি গঠিত হইবে, যথা :-
(২) চেয়ারম্যান নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রকৌশল বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রিসহ প্রকৌশল পেশায় অন্যূন ২৫(পঁচিশ) বৎসরের অভিজ্ঞতা এবং স্বীকৃত আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশনা থাকিতে হইবে এবং তাহার চাকুরির শর্তাবলি সরকার কর্তৃক নির্ধারিত হইবে।
(৩) উপ-ধারা (১) এর দফা (খ) এ উল্লিখিত সদস্যগণের নিয়োগের ক্ষেত্রে নিম্নবর্ণিত যোগ্যতা থাকিতে হইবে এবং তাহাদের চাকুরির শর্তাবলি সরকার কর্তৃক নির্ধারিত হইবে, যথা:¾
(৪) চেয়ারম্যান এবং উপ-ধারা (১) এর দফা (খ) এ উল্লিখিত সদস্যগণ তাহাদের নিয়োগের তারিখ হইতে পরবর্তী ৩ (তিন) বৎসরের জন্য স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন এবং তাহারা কাউন্সিলের সার্বক্ষণিক কর্মকর্তা হইবেন এবং উক্ত মেয়াদ সমাপ্তির পর উক্ত পদে পরবর্তী সদস্য নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত সরকার সংশ্লিষ্ট যোগ্যতাসম্পন্ন কোনো প্রকৌশলীকে অন্তর্বর্তীকালীন সময়ের জন্য দায়িত্ব প্রদান করিতে পারিবে :
তবে শর্ত থাকে যে, সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, যে কোনো সময় কোনো কারণ দর্শানো ব্যতিরেকে, চেয়ারম্যান এবং উপ-ধারা (১) এর দফা (খ) এ উল্লিখিত সদস্যগণকে অব্যাহতি প্রদান করিতে পারিবে।
(৫) উপ-ধারা (১) এর দফা (গ), (ঘ), (ঙ) ও (চ) এর অধীন মনোনীত সদস্যগণ তাহাদের মনোনয়নের তারিখ হইতে ৩(তিন) বৎসর মেয়াদে স্বীয় পদে অধিষ্ঠিত থাকিবেন :
তবে শর্ত থাকে যে, সরকার প্রয়োজনবোধে, যে কোনো সময়, কোনো কারণ দর্শানো ব্যতিরেকে, যে কোনো মনোনীত সদস্যকে তাহার দায়িত্ব হইতে অব্যাহতি প্রদান করিতে পারিবে।
(৬) উপ-ধারা (১) এর দফা (ক), (খ), (গ), (ঘ), (ঙ) ও (চ) এর অধীন নিযুক্ত চেয়ারম্যান ও সদস্যগণ এবং মনোনীত সদস্যগণ সরকারের নিকট স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন।
Section ৮. প্রধান নির্বাহী
চেয়ারম্যান কাউন্সিলের প্রধান নির্বাহী হইবেন এবং তিনি কাউন্সিলের যাবতীয় কার্যাবলির জন্য দায়ী থাকিবেন।
Section ৯. গভর্নিং বডির সভা
(১) এই ধারার অন্যান্য বিধানাবলি সাপেক্ষে, গভর্নিং বডি উহার সভার কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করিতে পারিবে।
(২) গভর্নিং বডির সভা চেয়ারম্যান কর্তৃক নির্ধারিত স্থানে ও সময়ে অনুষ্ঠিত হইবে :
তবে শর্ত থাকে যে, প্রতি ৩ (তিন) মাসে গভর্নিং বডির অন্যূন ১ (এক)টি সভা অনুষ্ঠিত হইবে।
(৩) গভর্নিং বডির সকল সভায় চেয়ারম্যান সভাপতিত্ব করিবেন এবং তাহার অনুপস্থিতিতে চেয়ারম্যানের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা তদকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো সদস্য সভায় সভাপতিত্ব করিবেন।
(৪) গভর্নিং বডির সভার কোরামের জন্য চেয়ারম্যানসহ উহার মোট সদস্য সংখ্যার অর্ধেকের বেশি সদস্যের উপস্থিতির প্রয়োজন হইবে; তবে মুলতবি সভার ক্ষেত্রে কোনো কোরামের প্রয়োজন হইবে না।
(৫) গভর্নিং বডির সভায় উপস্থিত প্রত্যেক সদস্যের একটি করিয়া ভোট থাকিবে এবং উপস্থিত সদস্যগণের মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের ভোটে সভায় সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে, তবে প্রদত্ত ভোটের সমতার ক্ষেত্রে সভায় সভাপতিত্বকারী সদস্যের একটি দ্বিতীয় বা নির্ণায়ক ভোট থাকিবে।
(৬) গভর্নিং বডি উহার সভার আলোচ্য বিষয় সংশ্লিষ্ট কোনো প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, বা উক্ত বিষয়ে বিশেষ অবদান রাখিতে সক্ষম এইরূপ যে কোনো ব্যক্তিকে সভায় অংশগ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ করিতে পারিবে এবং উক্ত ব্যক্তি আলোচনায় অংশগ্রহণপূর্বক মতামত প্রদান করিতে পারিবেন, তবে তাহার কোনো ভোটাধিকার থাকিবে না।
(৭) কেবল কোনো সদস্যপদে শূন্যতা বা গভর্নিং বডি গঠনে ত্রুটি থাকিবার কারণে গভর্নিং বডির কোনো কার্য বা কার্যধারা অবৈধ হইবে না বা তৎসম্পর্কে কোনো প্রশ্নও উত্থাপন করা যাইবে না।
Section ১০. কাউন্সিলের পরিচালক (প্রশাসন)
(১) কাউন্সিলের একজন পরিচালক (প্রশাসন) থাকিবেন এবং যিনি সরকারের অন্যূন উপসচিব বা সমপদর্মাদার ব্যক্তিগণের মধ্য হইতে সরকার কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন।
(২) পরিচালক (প্রশাসন) গভর্নিং বডি কর্তৃক অর্পিত দায়িত্ব পালনসহ গভর্নিং বডিকে সাচিবিক সহায়তা প্রদান করিবেন।
Section ১১. উপদেষ্টা পরিষদ
(১) কাউন্সিলের একটি উপদেষ্টা পরিষদ থাকিবে, যাহা নিম্নবর্ণিত সদস্যগণের সমন্বয়ে গঠিত হইবে, যথা:¾
(২) উপ-ধারা (১) এর দফা (ঙ), (ঝ) ও (ঞ) এর অধীন মনোনীত সদস্যগণ তাহাদের মনোনয়নের পর উপদেষ্টা পরিষদের প্রথম সভায় যোগদানের তারিখ হইতে ৩ (তিন) বৎসর মেয়াদে স্বীয় পদে অধিষ্ঠিত থাকিবেন :
তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত মেয়াদ সমাপ্তির পূর্বে সরকার, যে কোনো মনোনীত সদস্যকে কোনো কারণ দর্শানো ব্যতিরেকে তাহার দায়িত্ব হইতে অব্যাহতি প্রদান করিতে পারিবে।
(৩) উপ-ধারা (১) এর দফা (ঙ), (ঝ) ও (ঞ) এর অধীন মনোনীত সদস্যগণ সরকারের নিকট স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন।
Section ১২. উপদেষ্টা পরিষদের কার্যাবলি
উপদেষ্টা পরিষদ, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, প্রকৌশল গবেষণা সম্পর্কিত নূতন কোনো প্রস্তাব প্রণয়নের পরামর্শ প্রদান এবং প্রকৌশল গবেষণা সম্পর্কিত যে কোনো প্রস্তাব পর্যালোচনা এবং এতদ্বিষয়ে গভর্নিং বডিকে প্রয়োজনীয় দিক্নির্দেশনা প্রদান করিতে পারিবে।
Section ১৩. উপদেষ্টা পরিষদের সভা
(১) এই ধারার অন্যান্য বিধানাবলি সাপেক্ষে, উপদেষ্টা পরিষদ উহার সভার কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করিতে পারিবে।
(২) উপদেষ্টা পরিষদের সভা উহার সভাপতি কর্তৃক নির্ধারিত স্থানে ও সময়ে অনুষ্ঠিত হইবে :
তবে শর্ত থাকে যে, প্রতি বৎসর উপদেষ্টা পরিষদের অন্যূন ১ (এক)টি সভা অনুষ্ঠিত হইবে।
(৩) উপদেষ্টা পরিষদের সকল সভায় উহার সভাপতি সভাপতিত্ব করিবেন এবং তাহার অনুপস্থিতিতে সহ সভাপতি এবং সহ সভাপতির অনুপস্থিতিতে সভাপতি কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত উপদেষ্টা পরিষদের কোনো সদস্য সভায় সভাপতিত্ব করিবেন।
(৪) উপদেষ্টা পরিষদের সভার কোরামের জন্য সভাপতিসহ উহার মোট সদস্য সংখ্যার অর্ধেক সদস্যের উপস্থিতির প্রয়োজন হইবে, তবে মুলতবি সভার ক্ষেত্রে কোনো কোরামের প্রয়োজন হইবে না।
(৫) উপদেষ্টা পরিষদের সভায় উপস্থিত প্রত্যেক সদস্যের একটি করিয়া ভোট থাকিবে এবং সদস্যগণের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের ভোটে সভায় সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে, তবে ভোটের সমতার ক্ষেত্রে সভায় সভাপতিত্বকারী সদস্যের একটি দ্বিতীয় বা নির্ণায়ক ভোট থাকিবে।
(৬) কেবল কোনো সদস্যপদে শূন্যতা বা উপদেষ্টা পরিষদ গঠনে ত্রুটি থাকিবার কারণে উপদেষ্টা পরিষদের কোনো কার্য বা কার্যধারা অবৈধ হইবে না বা তৎসম্পর্কে কোনো প্রশ্নও উত্থাপন করা যাইবে না।
(৭) উপদেষ্টা পরিষদ উহার সভার আলোচ্য বিষয় সংশ্লিষ্ট কোনো প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, বা উক্ত বিষয়ে বিশেষ অবদান রাখিতে সক্ষম দেশি বা বিদেশি যে কোনো ব্যক্তিকে সভায় অংশগ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ করিতে পারিবে এবং উক্ত ব্যক্তি আলোচনায় অংশগ্রহণপূর্বক মতামত প্রদান করিতে পারিবেন, তবে তাহার কোনো ভোটাধিকার থাকিবে না।
Section ১৪. আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বিশেষজ্ঞ প্যানেল
(১) কাউন্সিল উহার কার্য সুচারুরূপে সম্পাদন এবং গবেষণা কার্য পরিচালনা বা এতদসংক্রান্ত বিষয়ে পরামর্শ, সুপারিশ বা সহায়তা প্রদানের জন্য আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বাংলাদেশি বা প্রবাসী বাংলদেশি বিজ্ঞানী, প্রকৌশলী, পেশাজীবী, শিল্প উদ্যোক্তা বা শিক্ষাবিদের সমন্বয়ে ১ (এক)টি বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করিতে পারিবে।
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন গঠিত বিশেষজ্ঞ প্যানেলের সদস্য সংখ্যা ৬ (ছয়) জনের অধিক হইবে না এবং উহার দায়িত্ব, ক্ষমতা, মেয়াদ, কার্যপরিধি ও সম্মানীসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয় বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে।
Section ১৫. পরামর্শক সেবা গ্রহণ
কাউন্সিল, উহার বিশেষ ধরনের কারিগরি কার্য সম্পাদনের নিমিত্তে সংশ্লিষ্ট কার্যে অভিজ্ঞতা, দক্ষতা এবং সুনাম রহিয়াছে এইরূপ কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নিকট হইতে বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে পরামর্শক সেবা গ্রহণ করিতে পারিবে।
Section ১৬. কমিটি গঠন
কাউন্সিল উহার কার্যাবলি দক্ষতার সহিত সম্পাদনে সহায়তা করিবার জন্য প্রয়োজনবোধে, সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অভিজ্ঞ ব্যক্তিবর্গের সমন্বয়ে এক বা একাধিক কমিটি গঠন করিতে পারিবে এবং উক্ত কমিটি বা কমিটিসমূহের সদস্য সংখ্যা, দায়িত্ব, কর্মপরিধি এবং কার্যধারা কাউন্সিল কর্তৃক নির্ধারিত হইবে।
Section ১৭. কাউন্সিলের কর্মচারী
কাউন্সিলের কার্যাবলি সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের উদ্দেশ্যে কাউন্সিল, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মচারী নিয়োগ করিতে পারিবে এবং তাহাদের যোগ্যতা, নিয়োগ ও চাকুরির শর্তাবলি প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত হইবে।
Section ১৮. ক্ষমতা অর্পণ
কাউন্সিল, লিখিত আদেশ দ্বারা, এই আইন বা বিধি বা প্রবিধানের অধীন উহার যে কোনো ক্ষমতা বা, সরকারি আর্থিক ক্ষমতা অর্পণ সম্পর্কিত বিধি-বিধান অনুসরণপূর্বক, উহার আর্থিক ক্ষমতা কোনো সদস্য, কাউন্সিলের পরিচালক (প্রশাসন) বা কাউন্সিলের কোনো কর্মচারী বা কোনো কমিটিকে অর্পণ করিতে পারিবে।
Section ১৯. গবেষণা স্বত্ব
(১) কাউন্সিলের কোনো কর্মচারী কর্তৃক বা কাউন্সিলের অর্থায়নে পরিচালিত কোনো গবেষণালব্ধ ফলাফল কাউন্সিলের সম্পত্তি হিসেবে গণ্য হইবে, এবং কাউন্সিল, বিদ্যমান আইন অনুযায়ী, উহার পেটেন্ট (চধঃবহঃ) করিতে পারিবে এবং গবেষক বা গবেষকদল বা গবেষণা প্রতিষ্ঠানকে গবেষণালব্ধ ফলাফলের বাণিজ্যিক আয় হইতে কাউন্সিল কর্তৃক নির্ধারিত হারে, সম্মানী প্রদান করা যাইবে।
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন প্রাপ্ত গবেষণালব্ধ ফলাফল, বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতি বা শর্তসাপেক্ষে, প্রকৌশল গবেষণা সংক্রান্ত কার্যে ব্যবহারের জন্য যে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে অনুমতি প্রদান করা যাইবে।
Section ২০. কাউন্সিলের তহবিল
(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, বাংলাদেশ প্রকৌশল গবেষণা কাউন্সিল তহবিল নামে কাউন্সিলের একটি তহবিল থাকিবে এবং উক্ত তহবিলে নিম্নবর্ণিত অর্থ জমা হইবে, যথা :¾
(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত তহবিলের অর্থ কোনো তপশিলি ব্যাংকে কাউন্সিলের নামে জমা রাখিতে হইবে এবং বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে উক্ত তহবিল পরিচালিত হইবে।
(৩) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত তহবিলের অর্থ হইতে বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে কাউন্সিলের প্রয়োজনীয় ব্যয় নির্বাহ করা যাইবে :
তবে শর্ত থাকে যে, কাউন্সিলের উক্ত ব্যয় নির্বাহের ক্ষেত্রে, সরকারি আর্থিক বিধি-বিধান অনুসরণ করিতে হইবে।
ব্যাখ্যা।¾ এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, ‘‘তপশিলি ব্যাংক’’ বলিতে Bangladesh Bank Order, 1972 (P. O. No. 127 of 1972) এর Article 2(j) এ সংজ্ঞায়িত “Scheduled Bank” কে বুঝাইবে ।
Section ২১. ঋণ গ্রহণের ক্ষমতা
এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, কাউন্সিল সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, প্রয়োজনে কোনো বাণিজ্যিক ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা দেশি বা বিদেশি অন্য কোনো উৎস হইতে ঋণ গ্রহণ করিতে পারিবে, এবং উক্ত ঋণ পরিশোধের জন্য দায়ী থাকিবে।
Section ২২. বাজেট
কাউন্সিল, প্রতি বৎসর সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে, পরবর্তী অর্থ বৎসরের বার্ষিক বাজেট বিবরণী সরকারের নিকট পেশ করিবে এবং উহাতে উক্ত অর্থ বৎসরে সরকারের নিকট হইতে কাউন্সিলের কী পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন হইবে উহার উল্লেখ থাকিবে।
Section ২৩. হিসাবরক্ষণ ও নিরীক্ষা
(১) কাউন্সিল যথাযথভাবে উহার হিসাব সংরক্ষণ করিবে এবং লাভ-ক্ষতির হিসাব ও স্থিতিপত্রসহ বার্ষিক হিসাববিবরণী প্রস্তুত করিবে এবং উক্ত হিসাব সংরক্ষণের ক্ষেত্রে সরকার কর্তৃক, সময় সময়, প্রদত্ত সাধারণ নির্দেশনা পালন করিবে।
(২) বাংলাদেশের মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, অতঃপর মহা হিসাব-নিরীক্ষক বলিয়া উল্লিখিত, প্রতি অর্থ বৎসর কাউন্সিলের হিসাব নিরীক্ষা করিবেন এবং নিরীক্ষা প্রতিবেদনের প্রয়োজনীয় সংখ্যক অনুলিপি সরকার ও কাউন্সিলের নিকট পেশ করিবেন।
(৩) উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত নিরীক্ষা প্রতিবেদনের উপর কোনো আপত্তি উত্থাপিত হইলে উহা নিষ্পত্তির জন্য কাউন্সিল অবিলম্বে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করিবে।
(৪) উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত নিরীক্ষা ব্যতিরেকেও Bangladesh Chartered Accountants Order, 1973 (P. O. No. 2 of 1973) এ সংজ্ঞায়িত কোনো chartered accountant দ্বারা কাউন্সিলের হিসাব নিরীক্ষা করা যাইবে এবং সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে এতদুদ্দেশ্যে কাউন্সিল এক বা একাধিক chartered accountant নিয়োগ করিতে পারিবে এবং উক্ত নিয়োগকৃত chartered accountant নির্দিষ্টকৃত হারে পারিতোষিক প্রাপ্য হইবেন।
(৫) কাউন্সিলের হিসাব নিরীক্ষার উদ্দেশ্যে মহা হিসাব-নিরীক্ষক বা তাহার নিকট হইতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তি বা উপ-ধারা (৪) এর অধীন নিয়োগকৃত chartered accountant কাউন্সিলের সকল রেকর্ড, দলিল, বার্ষিক স্থিতিপত্র, নগদ বা ব্যাংকে গচ্ছিত অর্থ, জামানত, ভাণ্ডার বা অন্যবিধ সম্পত্তি, ইত্যাদি পরীক্ষা করিয়া দেখিতে পারিবেন এবং চেয়ারম্যান বা যে কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করিতে পারিবেন।
Section ২৪. বার্ষিক প্রতিবেদন
(১) কাউন্সিল, প্রতি অর্থ বৎসর সমাপ্তির পর উহার পরিচালনা ও প্রশাসনসহ তৎকর্তৃক সম্পাদিত কার্যাবলির বিবরণ সংবলিত একটি বার্ষিক প্রতিবেদন প্রস্তুত করিবে।
(২) কাউন্সিল উপ-ধারা (১) এর অধীন প্রস্তুতকৃত বার্ষিক প্রতিবেদন প্রতি অর্থ বৎসর সমাপ্তির পরবর্তী ৩ (তিন) মাসের মধ্যে সরকারের নিকট পেশ করিবে।
(৩) সরকার, প্রয়োজনবোধে, যে কোনো সময় কাউন্সিলের নিকট হইতে কোনো বিষয়ের উপর প্রতিবেদন, বিবরণী, হিসাব পরিসংখ্যান বা অন্যান্য তথ্য আহবান করিতে পারিবে এবং কাউন্সিল উহা সরকারের নিকট সরবরাহ করিতে বাধ্য থাকিবে।
Section ২৫. নির্দেশনা প্রদানে সরকারের সাধারণ ক্ষমতা
এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সরকার প্রয়োজনে, কাউন্সিলকে নির্দেশনা প্রদান করিতে পারিবে এবং কাউন্সিল উক্ত নির্দেশনা পালন করিবে।
Section ২৬. বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা
এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবে।
Section ২৭. প্রবিধান প্রণয়নের ক্ষমতা
এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, কাউন্সিল, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইন বা বিধির সহিত অসঙ্গতিপূর্ণ নহে এইরূপ প্রবিধান প্রণয়ন করিতে পারিবে।
Section ২৮. তপশিল সংশোধন
সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, সময় সময়, তপশিল সংশোধন করিতে পারিবে।
Section ২৯. ইংরেজিতে অনূদিত পাঠ প্রকাশ
(১) এই আইন প্রবর্তনের পর সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের ইংরেজিতে অনূদিত একটি নির্ভরযোগ্য পাঠ (Authentic English Text) প্রকাশ করিবে।
(২) বাংলা ও ইংরেজি পাঠের মধ্যে বিরোধের ক্ষেত্রে বাংলা পাঠ প্রাধান্য পাইবে।