হাট ও বাজার (স্থাপন ও ব্যবস্থাপনা) আইন, ২০২৩
Hats and Bazars (Establishment and Acquisition) Ordinance, 1959 রহিতক্রমে যুগোপযোগী করিয়া নূতনভাবে বিধান প্রণয়নকল্পে প্রণীত আইন
Hats and Bazars (Establishment and Acquisition) Ordinance, 1959 রহিতক্রমে যুগোপযোগী করিয়া নূতনভাবে বিধান প্রণয়নকল্পে প্রণীত আইন যেহেতু Hats and Bazars (Establishment and Acquisition) Ordinance, 1959 (Ordinance No. XIX of 1959) রহিতক্রমে যুগোপযোগী করিয়া নূতন আইন প্রণয়ন করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়; সেহেতু এতদ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইল :-
Section ১. সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন
(১) এই আইন হাট ও বাজার (স্থাপন ও ব্যবস্থাপনা) আইন, ২০২৩ নামে অভিহিত হইবে।
(২) ইহা অবিলম্বে কার্যকর হইবে।
Section ২. সংজ্ঞা
বিষয় বা প্রসঙ্গের পরিপন্থি কোনো কিছু না থাকিলে, এই আইনে,-
(১) ‘অধিগ্রহণ' অর্থ স্থাবর সম্পত্তি অধিগ্রহণ ও হুকুমদখল আইন, ২০১৭ (২০১৭ সনের ২১ নং আইন) এর ধারা ২ এর দফা (১) এ সংজ্ঞায়িত অধিগ্রহণ;
(২) ‘কালেক্টর' অর্থ জেলা প্রশাসক এবং অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বা, ক্ষেত্রমত, জেলা প্রশাসক কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো কর্মচারীও ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবে;
(৩) ‘চান্দিনা ভিটি' অর্থ হাট ও বাজারের পরিসীমার মধ্যে অবস্থিত যে ভিটির উপর অস্থায়ী দোকানপাট বসে সেই ভিটি;
(৪) ‘তোহা বাজার' অর্থ হাট ও বাজারের পরিসীমার মধ্যে প্রান্তিক উৎপাদকের উৎপাদিত পণ্য ক্রয়-বিক্রয়ের নিমিত্ত সংরক্ষিত অবন্দোবস্তযোগ্য উন্মুক্ত স্থান;
(৫) ‘নির্ধারিত' অর্থ বিধি দ্বারা নির্ধারিত;
(৬) ‘ফৌজদারি কার্যবিধি' অর্থ Code of Criminal Procedure, 1898 (Act No. V of 1898);
(৭) 'বিধি' অর্থ এই আইনের অধীন প্রণীত বিধি;
(৮) ‘হাট ও বাজার' অথবা ‘হাট বা বাজার’ অর্থ এইরূপ কোনো স্থান যেখানে জনসাধারণ কর্তৃক দৈনিক বা সপ্তাহের নির্দিষ্ট কোনো দিন কৃষিপণ্য, ফলমূল, পশু, হাঁস-মুরগি, ডিম, মাছ-মাংস, দুধ, দুগ্ধ-জাতীয় পণ্য অথবা অন্য যে কোনো প্রকারের খাদ্যদ্রব্য ও পানীয়, শিল্পজাত দ্রব্যাদি এবং নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ক্রয়-বিক্রয় হয় এবং উক্ত স্থানে এই সকল পণ্য ক্রয়-বিক্রয়ের জন্য প্রতিষ্ঠিত দোকানও ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবে; এবং
(৯) ‘হাট ও বাজার স্থাপনকারী কর্তৃপক্ষ' অর্থ সরকার এবং স্থানীয়ভাবে জেলা প্রশাসক ও General Clauses Act, 1897 (Act No. X of 1897) এর section 3 এর clause 28 এ সংজ্ঞায়িত স্থানীয় কর্তৃপক্ষ (Local authority) বা আইন দ্বারা স্বীকৃত বা সরকার কর্তৃক দায়িত্বপ্রাপ্ত কোনো কর্তৃপক্ষ ।
Section ৩. হাট ও বাজার স্থাপন
(১) হাট ও বাজার স্থাপনকারী কর্তৃপক্ষ এই আইনের বিধান অনুযায়ী বাংলাদেশের যে কোনো স্থানে হাট ও বাজার স্থাপন এবং প্রয়োজনে উহার পরিসীমা সম্প্রসারণ ও সংকোচন করিতে পারিবে :
তবে শর্ত থাকে যে, কোনো স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক কোনো হাট ও বাজার স্থাপন এবং উহার পরিসীমা সম্প্রসারণ ও সংকোচনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকের পূর্বানুমোদন গ্রহণ করিতে হইবে।
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন স্থাপিত হাট ও বাজারের মালিকানা ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপর ন্যস্ত থাকিবে।
(৩) এই আইনের বিধান লঙ্ঘন করিয়া কোনো ভূমিতে কোনো হাট ও বাজার স্থাপন করা হইলে উক্ত ভূমিসহ উহাতে স্থিত সমস্ত স্বার্থ বা স্থাপনা সরকার বাজেয়াপ্ত করিতে পারিবে।
Section ৪. অস্থায়ী হাট ও বাজার স্থাপন
কোনো ধর্মীয় বা অন্য কোনো বিশেষ উৎসব উপলক্ষ্যে কোনো এলাকার প্রতিষ্ঠিত হাট ও বাজার ব্যতীত অন্য কোনো স্থানে সংশ্লিষ্ট স্থানীয় কর্তৃপক্ষ, জেলা প্রশাসকের পূর্বানুমোদন গ্রহণক্রমে, স্থায়ী অবকাঠামো তৈরি না করিয়া বৎসরের কোনো নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অস্থায়ী হাট ও বাজার স্থাপন করিতে পারিবে।
Section ৫. হাট ও বাজার সংরক্ষণ ও উন্নয়ন
(১) হাট ও বাজার স্থাপনকারী কর্তৃপক্ষ বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে সংশ্লিষ্ট হাট ও বাজার সংরক্ষণ ও উন্নয়ন করিবে।
(২) হাট ও বাজারের দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনা, টোল, কর, রেইট বা, ক্ষেত্রমত, ফি বা মাশুল আদায়, রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়নসহ সকল কার্যক্রম তত্ত্বাবধানের জন্য হাট ও বাজার স্থাপনকারী কর্তৃপক্ষ জেলা, উপজেলা, পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন ও ইউনিয়ন পরিষদ পর্যায়ে যথাক্রমে, জেলা হাট ও বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটি, উপজেলা হাট ও বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটি, পৌরসভা হাট ও বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটি, সিটি কর্পোরেশন হাট ও বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটি এবং ইউনিয়ন পরিষদ হাট ও বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটি নামে কমিটি গঠন করিতে পারিবে।
(৩) সরকারের অনুমোদনক্রমে দেশের যে কোনো হাট ও বাজারে, জনস্বার্থে সরকারি বা বেসরকারি অর্থায়নে অথবা বৈদেশিক সাহায্যে আধুনিক বহুতলবিশিষ্ট বিপণী ভবন নির্মাণ করা যাইবে এবং এইরূপ বিপণী ভবনের ব্যবস্থাপনা ও আয় বণ্টন নির্ধারিত পদ্ধতিতে সম্পন্ন করিতে হইবে।
Section ৬. হাট ও বাজারের জমি বন্দোবস্ত প্রদান এবং হাট ও বাজার ইজারা প্রদান
(১) হাট ও বাজারের কোনো জমি স্থায়ী বন্দোবস্ত প্রদান করা যাইবে না।
(২) উপ-ধারা (১) এর বিধান সাপেক্ষে, জেলা প্রশাসক বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে অস্থায়ীভাবে একজন ব্যক্তির বিপরীতে অনধিক ০.০০৫ একর (অর্ধ শতক) জমি চান্দিনা ভিটি হিসাবে একসনা (বাৎসরিক ভিত্তিতে) ইজারা বা বন্দোবস্ত প্রদান করিতে পারিবে।
(৩) সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পের প্রয়োজনে যে কোনো সময় ইজারা বা বন্দোবস্ত গ্রহীতা উক্ত জমি সরকারের নিকট প্রত্যর্পণ এবং উক্ত জমির উপর নির্মিত অবকাঠামো স্বীয় খরচে অপসারণ করিতে বাধ্য থাকিবেন ।
(৪) হাট ও বাজারের অভ্যন্তরে নির্ধারিত পরিমাণ জমি তোহা বাজার হিসাবে সংরক্ষণ করিতে হইবে যাহা কোনো প্রকার বন্দোবস্ত প্রদান করা যাইবে না ।
(৫) হাট ও বাজার ইজারা বা বন্দোবস্ত প্রদানের প্রক্রিয়া, ইজারা বা বন্দোবস্ত সম্পর্কে উত্থাপিত আপত্তি বা আপিল নিষ্পত্তি, ইজারা বা বন্দোবস্ত গ্রহীতার সহিত সম্পাদিতব্য চুক্তিপত্র, ইজারালব্ধ অর্থ ব্যবস্থাপনাসহ আনুষঙ্গিক অন্যান্য বিষয়াদি বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে।
Section ৭. টোল, ইত্যাদি নির্ধারণ
(১) জেলা, উপজেলা ও পৌরসভার ক্ষেত্রে জেলা প্রশাসক এবং সিটি কর্পোরেশনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পণ্য দ্রব্যের ক্রয়-বিক্রয়ের মূল্যমান যাচাই-বাছাইপূর্বক টোল, কর, রেইট বা, ক্ষেত্রমত, ফি বা মাশুল আদায়ের হার নির্ধারণপূর্বক একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রস্তুত করিয়া নির্ধারিত পদ্ধতিতে সরকারের অনুমোদন গ্রহণক্রমে প্রচার করিবে।
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন অনুমোদিত টোল, কর, রেইট বা, ক্ষেত্রমত, ফি বা মাশুল এর হার ইজারা বিজ্ঞপ্তি, দরপত্রের সিডিউল ও ইজারা গ্রহীতার সহিত সম্পাদিতব্য চুক্তিপত্রে সংযোজন করিতে হইবে।
Section ৮. সরকার কর্তৃক হাট ও বাজারের জন্য জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ প্রদান
(১) আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, স্থাবর সম্পত্তি অধিগ্রহণ ও হুকুমদখল আইন, ২০১৭ (২০১৭ সনের ২১ নং আইন) এর বিধান অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ নির্ধারণপূর্বক, সংশ্লিষ্ট হাট ও বাজারের ইজারালব্ধ অর্থ অথবা সংশ্লিষ্ট উপজেলা পরিষদ অথবা পৌরসভা অথবা সিটি কর্পোরেশনের নিজস্ব তহবিল অথবা অন্য কোনো উৎস হইতে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে ক্ষতিপূরণ প্রদান করিয়া, উক্ত প্রজ্ঞাপনে উল্লিখিত তারিখ হইতে যে কোনো হাট বা বাজার বা স্থাপিত হাট ও বাজারের সম্প্রসারিত জমির দখল গ্রহণ করিতে পারিবে।
(২) কোনো হাট ও বাজার সম্পর্কিত বিষয়ে উপ-ধারা (১) এর অধীন প্রজ্ঞাপন প্রকাশিত হইবার তারিখ হইতে উক্ত হাট বা বাজার দায়মুক্তভাবে সরকারের নিকট ন্যস্ত হইবে।
Section ৯. হাট ও বাজারের পরিসীমার মধ্যকার বিনষ্টযোগ্য সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা
হাট ও বাজারের পরিসীমার মধ্যে কোনো সরকারি সম্পত্তি যেমন-ভবন, গাছ, ইত্যাদি নষ্ট হইয়া গেলে অথবা প্রাকৃতিক কারণে পড়িয়া গেলে অথবা বিনষ্ট হইলে বা বিনষ্ট হইবার আশঙ্কা থাকিলে নির্ধারিত পদ্ধতিতে উক্ত সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা ও নিষ্পত্তি করিতে হইবে।
Section ১০. হাট ও বাজারের সম্পত্তি অবৈধ দখল, ইত্যাদির ক্ষেত্রে বিধি-নিষেধ
(১) কোনো ব্যক্তি হাট ও বাজারের সরকারি খাস জমি অবৈধভাবে দখলে রাখিতে অথবা উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি ব্যতিরেকে উক্ত খাস জমির উপর কোনো অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ বা নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করিতে পারিবেন না ।
(২) উপ-ধারা (১) এর বিধান লঙ্ঘন করিয়া কোনো ব্যক্তি হাট ও বাজারের সরকারি খাস জমি অবৈধভাবে দখলে রাখিলে অথবা উক্ত খাস জমির উপর কোনো অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ বা নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করিলে কালেক্টর বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো উপযুক্ত কর্মকর্তা উক্ত জমি হইতে উক্ত ব্যক্তিকে উচ্ছেদ বা, ক্ষেত্রমত, উক্ত অবৈধ স্থাপনা অপসারণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিবে এবং উক্ত জমির দখল হাট ও বাজারের নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের অনুকূলে বুঝাইয়া দিবে।
(৩) হাট ও বাজারের সরকারি খাস জমির উপর অবৈধভাবে নির্মিত স্থাপনা সরকারের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত হইবে এবং উক্ত বাজেয়াপ্তকৃত স্থাপনা ব্যবহারের উপযুক্ত হইলে উহা নির্ধারিত পদ্ধতিতে ব্যবস্থাপনা করা যাইবে ।
Section ১১. হাট ও বাজার বিলুপ্তকরণ
হাট ও বাজার স্থাপনকারী কর্তৃপক্ষ, জনস্বার্থে, তাহার এখতিয়ারাধীন সীমার মধ্যে কোনো হাট ও বাজার নির্ধারিত পদ্ধতিতে বিলুপ্ত ঘোষণা করিতে পারিবে।
Section ১২. অপরাধ ও দণ্ড
কোনো ব্যক্তি ধারা ১০ এর বিধান লঙ্ঘন করিয়া হাট ও বাজারের সরকারি খাস জমি অবৈধভাবে দখলে রাখিলে অথবা উক্ত খাস জমির উপর কোনো অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ বা নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করিলে উহা এই আইনের অধীন অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য তিনি অনধিক ১ (এক) বৎসর বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অনধিক ৫ (পাঁচ) লক্ষ টাকা অর্থ দণ্ড অথবা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন ।
Section ১৩. অপরাধের বিচার
(১) এই আইনের অধীন সংঘটিত কোনো অপরাধ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক বিচার্য হইবে।
(২) এই আইনের অন্যান্য বিধানাবলি সাপেক্ষে, ইহার অধীন সংঘটিত অপরাধের অভিযোগ তদন্ত, আপিল ও বিচার সংক্রান্ত অন্যান্য বিষয়ে ফৌজদারি কার্যবিধির বিধানাবলি প্রযোজ্য হইবে।
Section ১৪. অর্থদণ্ড আরোপের ক্ষেত্রে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের বিশেষ ক্ষমতা
ফৌজদারি কার্যবিধির section 32 এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ধারা ১২ এ উল্লিখিত পরিমাণ অর্থদণ্ড আরোপ করিতে পারিবেন।
Section ১৫. মোবাইল কোর্টের এখতিয়ার
আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধসমূহ মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯ (২০০৯ সনের ৫৯ নং আইন) এর তপসিলভুক্ত হওয়া সাপেক্ষে, মোবাইল কোর্ট কর্তৃক বিচার্য হইবে ।
Section ১৬. এই আইনের বিধানাবলির অতিরিক্ততা
এই আইনের বিধানাবলি অন্যান্য আইনের বিধানের ব্যত্যয় না ঘটাইয়া উহার অতিরিক্ত হইবে।
Section ১৭. বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা
এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবে।
Section ১৮. অস্পষ্টতা দূরীকরণ
এই আইনের কোনো বিধান কার্যকর করিবার ক্ষেত্রে কোনো অস্পষ্টতা বা অসুবিধা দেখা দিলে সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের বিধানাবলির সহিত সংগতিপূর্ণ হওয়া সাপেক্ষে, উক্তরূপ অস্পষ্টতা বা অসুবিধা দূর করিতে পারিবে।
Section ১৯. রহিতকরণ ও হেফাজত
(১) Hats and Bazars (Establishment and Acquisition) Ordinance, 1959(Ordinance No. XIX of 1959), এতদ্বারা রহিত করা হইল ৷
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন Hats and Bazars (Establishment and Acquisition ) Ordinance, 1959 (Ordinance No. XIX of 1959) রহিতকরণ সত্ত্বেও, উক্ত Ordinance এর অধীন
Section ২০. ইংরেজিতে অনূদিত পাঠ প্রকাশ
(১) এই আইন প্রবর্তনের পর সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের ইংরেজিতে অনূদিত একটি নির্ভরযোগ্য পাঠ (Authentic English Text) প্রকাশ করিবে ।
(২) বাংলা ও ইংরেজি পাঠের মধ্যে বিরোধের ক্ষেত্রে বাংলা পাঠ প্রাধান্য পাইবে।