বাংলাদেশে জনবান্ধব সেবাব্যবস্থার উন্নয়নে তথ্য প্রযুক্তিভিত্তিক উদ্ভাবনী সংস্কৃতির বিকাশ এবং জ্ঞানভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় সহায়তা প্রদানকল্পে এজেন্সি টু ইনোভেট (এটুআই) নামে একটি এজেন্সি প্রতিষ্ঠা এবং আনুষঙ্গিক বিষয়াদি সম্পর্কে বিধান প্রণয়নকল্পে প্রণীত আইন যেহেতু বাংলাদেশ নাগরিকবান্ধব অগ্রসর ডিজিটাল প্রযুক্তিভিত্তিক সেবার উন্নয়ন, উদ্ভাবনী সংস্কৃতির বিকাশ, জ্ঞানভিত্তিক সুখী ও সমৃদ্ধ সমাজ প্রতিষ্ঠায় সহায়তা প্রদান এবং জনগণের দোরগোড়ায় ডিজিটাল সেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে রূপকল্প-২০২১ বাস্তবায়নকল্পে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন 'একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই)' প্রকল্প এবং বর্তমানে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের আওতাধীন 'এসপায়ার টু ইনোভেট (এটুআই)' প্রকল্প বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, দপ্তর ও সংস্থাকে তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর বহুমুখী সেবাধর্মী কার্যক্রমে সহায়তা প্রদান করিয়া আসিতেছে, এবং যেহেতু বিভিন্ন ডিজিটাল পদ্ধতিতে ডিজিটাল সেন্টার, ই-নথি, শিক্ষক বাতায়ন ও মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম, জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং জাতীয় কল সেন্টার-৩৩৩ দ্বারা নাগরিকদের সরকারি সেবা গ্রহণে সময় ও ব্যয় হ্রাস পাইয়াছে, ভোগান্তি কমিয়াছে এবং সেবার মান ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পাইয়াছে; এবং যেহেতু এটুআই কর্তৃক সৃষ্ট জনকল্যাণমূলক সেবাসমূহকে অধিকতর কার্যকর ও টেকসই করিবার জন্য স্থায়ী কাঠামো সৃষ্টির প্রয়োজন; এবং যেহেতু বাংলাদেশে জনবান্ধব সেবাব্যবস্থার উন্নয়নে তথ্য প্রযুক্তিভিত্তিক উদ্ভাবনী সংস্কৃতির বিকাশ এবং জ্ঞানভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় সহায়তা প্রদানকল্পে এজেন্সি টু ইনোভেট (এটুআই) নামে একটি এজেন্সি প্রতিষ্ঠা এবং আনুষঙ্গিক বিষয়াদি সম্পর্কে বিধান প্রণয়ন করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়; সেহেতু এতদ্দ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইল:-
(১) এই আইন এজেন্সি টু ইনোভেট (এটুআই) আইন, ২০২৩ নামে অভিহিত হইবে।
(২) ইহা অবিলম্বে কার্যকর হইবে।
বিষয় বা প্রসঙ্গের পরিপন্থি কোনো কিছু না থাকিলে, এই আইনে-
(১) “এজেন্সি” অর্থ ধারা ৩-এর অধীন প্রতিষ্ঠিত এজেন্সি টু ইনোভেট (এটুআই);
(২) “তহবিল” অর্থ এজেন্সির তহবিল;
(৩) “নির্বাহী কমিটি” অর্থ এজেন্সির নির্বাহী কমিটি;
(৪) “পরিচালনা পর্যদ" অর্থ এজেন্সির পরিচালনা পর্ষদ;
(৫) “প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা” অর্থ এজেন্সির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা;
(৬) “প্রবিধান” অর্থ এই আইনের অধীন প্রণীত প্রবিধান;
(৭) “বিধি” অর্থ এই আইনের অধীন প্রণীত বিধি;
(৮) “সদস্য” অর্থ পরিচালনা পর্ষদ, বা, ক্ষেত্রমত, নির্বাহী কমিটির কোনো সদস্য; এবং
(৯) “সরকার” বলিতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগকে বুঝাইবে।
(১) এই আইন কার্যকর হইবার পর সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এজেন্সি টু ইনোভেট (এটুআই) নামে একটি এজেন্সি প্রতিষ্ঠা করিবে।
(২) এজেন্সি একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা হইবে এবং ইহার স্থায়ী ধারাবাহিকতা ও একটি সাধারণ সীলমোহর থাকিবে এবং এজেন্সির স্থাবর ও অস্থাবর উভয় প্রকার সম্পত্তি অর্জন করিবার, অধিকারে রাখিবার এবং হস্তান্তর করিবার ক্ষমতা থাকিবে এবং ইহা স্বীয় নামে মামলা দায়ের করিতে পারিবে এবং ইহার বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করা যাইবে।
(১) এজেন্সির প্রধান কার্যালয় ঢাকায় থাকিবে ।
(২) এজেন্সি, প্রয়োজনে, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, বাংলাদেশের যে কোনো স্থানে বা বাংলাদেশের বাহিরে উহার শাখা কার্যালয় স্থাপন করিতে পারিবে।
(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, এজেন্সির ক্ষমতা ও কার্যাবলি হইবে নিম্নরূপ, যথা:-
(২) এজেন্সি কোনো উদ্যোগ গ্রহণ, পরিকল্পনা বাস্তবায়ন এবং কার্যাবলি সম্পাদনের ক্ষেত্রে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও দপ্তরসমূহের সহিত সমন্বয় সাধন করিবে।
এজেন্সির পরিচালনা ও প্রশাসন একটি পরিচালনা পর্ষদের উপর ন্যস্ত থাকিবে এবং এজেন্সি যে সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কার্যসম্পাদন করিতে পারিবে, পরিচালনা পর্ষদও সেই সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কার্যসম্পাদন করিতে পারিবে।
(১) পরিচালনা পর্ষদ নিম্নবর্ণিত সদস্য সমন্বয়ে গঠিত হইবে, যথা:-
(২) উপধারা (১) এর দফা (ণ) হইতে (থ) এর অধীন সরকার কর্তৃক মনোনীত সদস্যগণের মধ্যে কমপক্ষে ১ (এক) জন মহিলা সদস্য হইবেন।
(৩) উপধারা (১) এর দফা (ণ) হইতে (থ) তে উল্লিখিত সদস্যগণ তাহাদের মনোনয়নের তারিখ হইতে পরবর্তী ০৩ (তিন) বৎসর মেয়াদে স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত মেয়াদ শেষ হইবার পূর্বে সরকার, যে কোনো সময়, কারণ দর্শানো ব্যতিরেকে উক্তরূপ মনোনীত কোনো সদস্যকে তাহার পদ হইতে অব্যাহতি প্রদান করিতে পারিবে বা মনোনীত কোনো সদস্য সরকারের উদ্দেশ্যে স্বীয় স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে পদত্যাগ করিতে পারিবেন।
(১) এই ধারার অন্যান্য বিধান সাপেক্ষে, পরিচালনা পর্ষদ উহার সভার কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করিতে পারিবে।
(২) পরিচালনা পর্ষদের সভা, সভাপতি কর্তৃক নির্ধারিত তারিখ, সময় ও স্থানে অনুষ্ঠিত হইবে।
(৩) প্রতি বৎসর পরিচালনা পর্ষদের অন্যূন ২ (দুই)টি সভা অনুষ্ঠিত হইবে।
(৪) সভাপতি পরিচালনা পর্ষদের সকল সভায় সভাপতিত্ব করিবেন, তবে তাহার অনুপস্থিতিতে সভাপতি কর্তৃক মনোনীত কোনো সদস্য সভায় সভাপতিত্ব করিবেন।
(৫) পরিচালনা পর্ষদের সভায় কোরামের জন্য উহার মোট সদস্যের অন্যূন এক-তৃতীয়াংশ সদস্যের উপস্থিতির প্রয়োজন হইবে, তবে মূলতবি সভার ক্ষেত্রে কোনো কোরামের প্রয়োজন হইবে না।
(৬) পরিচালনা পর্ষদের সভায় উপস্থিত প্রত্যেক সদস্যের একটি করিয়া ভোট থাকিবে এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের ভোটের ভিত্তিতে সভায় সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে, তবে প্রদত্ত ভোটের সমতার ক্ষেত্রে উক্ত সভার সভাপতির একটি নির্ণায়ক ভোট প্রদানের ক্ষমতা থাকিবে।
(৭) পরিচালনা পর্ষদ উহার কোনো সভায় কোনো আলোচ্য বিষয়ে বিশেষ অবদান রাখিতে সক্ষম এইরূপ যে কোনো দেশি বা বিদেশি বিশেষজ্ঞ, পরামর্শক বা ব্যক্তিকে আমন্ত্রণ জানাইতে পারিবে এবং উক্ত ব্যক্তি সভার আলোচনায় অংশগ্রহণ করিতে পারিবেন, তবে তাহার কোনো ভোটাধিকার থাকিবে না।
(৮) কেবল কোনো সদস্য পদে শূন্যতা বা পরিচালনা পর্যদ গঠনে ত্রুটি থাকিবার কারণে পরিচালনা পর্ষদের কোনো কার্য বা কার্যধারা অবৈধ হইবে না বা তৎসম্পর্কে কোনো প্রশ্নও উত্থাপন করা যাইবে না।
এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, পরিচালনা পর্ষদের দায়িত্ব ও কার্যাবলি হইবে নিম্নরূপ, যথা:-
(১) নির্বাহী কমিটি নিম্নবর্ণিত সদস্য সমন্বয়ে গঠিত হইবে, যথা:-
(২) উপধারা (১) এর দফা (জ) এর অধীন মনোনীত সদস্যগণের মধ্যে কমপক্ষে ১ (এক) জন মহিলা সদস্য হইবেন।
(৩) উপধারা (১) এর দফা (জ) এর অধীন মনোনীত কোনো সদস্য নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যানের উদ্দেশ্যে স্বীয় স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে পদত্যাগ করিতে পারিবেন।
(৪) উপধারা (১) এর দফা (জ) তে উল্লিখিত সদস্যগণ তাহাদের মনোনয়নের তারিখ হইতে পরবর্তী ২ (দুই) বৎসর মেয়াদে সদস্য পদে বহাল থাকিবেন :
তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত মেয়াদ শেষ হইবার পূর্বে নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান, যে কোনো সময়, কারণ দর্শানো ব্যতিরেকে উক্তরূপ মনোনীত কোনো সদস্যকে তাহার পদ হইতে অব্যাহতি প্রদান করিতে পারিবে।
(১) এই ধারার অন্যান্য বিধান সাপেক্ষে, নির্বাহী কমিটি উহার সভার কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করিতে পারিবে।
(২) নির্বাহী কমিটির সভা, চেয়ারম্যান কর্তৃক নির্ধারিত তারিখ, সময় ও স্থানে অনুষ্ঠিত হইবে।
(৩) নির্বাহী কমিটির সভার কোরামের জন্য উহার মোট সদস্যের অন্যূন এক-তৃতীয়াংশ সদস্যের উপস্থিতির প্রয়োজন হইবে, তবে মূলতবি সভার ক্ষেত্রে কোনো কোরামের প্রয়োজন হইবে না।
(৪) নির্বাহী কমিটির সভায় উপস্থিত প্রত্যেক সদস্যের একটি করিয়া ভোট থাকিবে এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের ভোটের ভিত্তিতে সভায় সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে, তবে প্রদত্ত ভোটের সমতার ক্ষেত্রে উক্ত সভার চেয়ারম্যানের একটি নির্ণায়ক ভোট প্রদানের ক্ষমতা থাকিবে।
(৫) নির্বাহী কমিটি উহার কোনো সভায় কোনো আলোচ্য বিষয়ে বিশেষ অবদান রাখিতে সক্ষম এইরূপ যে কোনো দেশি বা বিদেশি বিশেষজ্ঞ, পরামর্শক বা ব্যক্তিকে আমন্ত্রণ জানাইতে পারিবে এবং উক্ত ব্যক্তি সভার আলোচনায় অংশগ্রহণ করিতে পারিবেন, তবে তাহার কোনো ভোটাধিকার থাকিবে না।
(৬) কেবল কোনো সদস্য পদে শূন্যতা বা নির্বাহী কমিটি গঠনে ত্রুটি থাকিবার কারণে নির্বাহী কমিটির কোনো কার্য বা কার্যধারা অবৈধ হইবে না বা তৎসম্পর্কে কোনো প্রশ্নও উত্থাপন করা যাইবে না।
এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে নির্বাহী কমিটির দায়িত্ব ও কার্যাবলি হইবে নিম্নরূপ, যথা :-
(১) এজেন্সির একজন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা থাকিবেন।
(২) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সরকার কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন এবং তাহার চাকুরির শর্তাবলি প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত হইবে।
(৩) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এজেন্সির সার্বক্ষণিক কর্মকর্তা হইবেন এবং তিনি-
(১) এজেন্সি উহার কার্যাবলি সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের জন্য, সরকার কর্তৃক অনুমোদিত সাংগঠনিক কাঠামো অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মচারী নিয়োগ করিতে পারিবে।
(২) কর্মচারীগণের নিয়োগ এবং চাকুরির শর্তাবলি প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত হইবে।
এজেন্সির কার্যক্রম বাস্তবায়নের প্রয়োজনে পরিচালনা পর্ষদ এক বা একাধিক কমিটি গঠন করিতে পারিবে।
(১) এজেন্সি টু ইনোভেট (এটুআই) তহবিল নামে এজেন্সির একটি তহবিল থাকিবে এবং উহাতে নিম্নরূপ উৎস হইতে প্রাপ্ত অর্থ জমা হইবে, যথা :-
(২) তহবিলের সকল অর্থ কোনো তপশিলি ব্যাংকে এজেন্সির নামে জমা রাখিতে হইবে এবং অর্থ বিভাগ কর্তৃক জারীকৃত নির্দেশনাবলি অনুসরণপূর্বক উক্ত অর্থ উত্তোলন করা যাইবে।
(৩) সরকারের নিকট হইতে প্রাপ্ত অর্থ এজেন্সির ক্ষমতা ও কার্যাবলি সম্পাদনের জন্য পরিচালিত প্রকল্প, কর্মসূচি ও কার্যক্রমে ব্যয় করা যাইবে।
(৪) এজেন্সির তহবিল বা উহার অংশ বিশেষ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত খাতে বিনিয়োগ করা যাইবে।
(৫) বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে তহবিল পরিচালিত হইবে।
(৬) এজেন্সি উক্ত তহবিল হইতে উহার প্রয়োজনীয় ব্যয় নির্বাহ করিবে এবং উদ্বৃত্ত অর্থ, যদি থাকে, একটি অংশ সরকারি কোষাগারে জমা প্রদান করিতে হইবে।
ব্যাখ্যা- উপ-ধারা (২) এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে ‘তপশিলি ব্যাংক’ অর্থ Bagladesh Bank Order, 1972 (President Order No. 127 of 1972) এর Article 2(j) তে সংজ্ঞায়িত ‘Scheduled Bank’ ।
এজেন্সি প্রতি বৎসর সরকার কর্তৃক নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে উহার সম্ভাব্য আয়-ব্যয়সহ পরবর্তী অর্থ বৎসরের বাৎসরিক বাজেট বিবরণী সরকারের নিকট পেশ করিবে এবং উহাতে উক্ত বৎসরে সরকারের নিকট হইতে এজেন্সির কী পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন হইবে উহারও উল্লেখ থাকিবে।
(১) এজেন্সি উহার আয়-ব্যয়ের হিসাবরক্ষণ করিবে এবং হিসাবের বাৎসরিক বিবরণী প্রস্তুত করিবে।
(২) বাংলাদেশের মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, অতঃপর মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক বলিয়া অভিহিত, প্রত্যেক বৎসর এজেন্সির হিসাব নিরীক্ষা করিবেন এবং এতৎসংশ্লিষ্ট বিদ্যমান আইনের বিধান মোতবেক নিরীক্ষা রিপোর্ট দাখিল করিবেন।
(৩) উপধারা (২) এর অধীন হিসাব নিরীক্ষা ছাড়াও Bangladesh Chartered Accountants Order, 1973(President Order No. 2 of 1973)-এর Article 2 (1) (b)-তে সংজ্ঞায়িত Chartered Accountant দ্বারা এজেন্সির হিসাব নিরীক্ষা করা যাইবে এবং এতদুদ্দেশ্যে এজেন্সি এক বা একাধিক Chartered Accountant নিয়োগ করিতে পারিবে।
(৪) উপধারা (৩) এর অধীন নিয়োগকৃত Chartered Accountant এতদুদ্দেশ্যে এজেন্সি কর্তৃক নির্ধারিত হারে পারিশ্রমিক প্রাপ্য হইবেন।
(৫) উপধারা (২) ও (৩) এর অধীন হিসাব নিরীক্ষার উদ্দেশ্যে মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক কিংবা তাহার নিকট হইতে এতদুদ্দেশ্যে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তি বা কোনো Chartered Accountant এজেন্সির সকল রেকর্ড, দলিল-দস্তাবেজ, নগদ বা ব্যাংকে গচ্ছিত অর্থ, জামানত ভান্ডার এবং অন্যবিধ সম্পত্তি পরীক্ষা করিয়া দেখিতে পারিবেন এবং কোনো সদস্য বা এজেন্সির কোনো কর্মচারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করিতে পারিবেন।
(৬) এই ধারার অধীন প্রস্তুতকৃত নিরীক্ষা প্রতিবেদনে কোনো আপত্তি উত্থাপিত হইলে এজেন্সি উহা নিষ্পত্তির জন্য অবিলম্বে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করিবে।
এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, এজেন্সি, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, চুক্তি সম্পাদন করিতে পারিবে।
এজেন্সি প্রত্যেক অর্থ বৎসর সমাপ্ত হইবার ৬ (ছয়) মাসের মধ্যে তৎকর্তৃক পূর্ববর্তী অর্থ বৎসরে সম্পাদিত কার্যাবলির একটি প্রতিবেদন সরকারের নিকট পেশ করিবে ।
এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, এজেন্সি, প্রয়োজন অনুযায়ী কোম্পানি গঠন করিতে পারিবে।
পরিচালনা পর্ষদ, প্রয়োজনে, ইহার কোনো ক্ষমতা, লিখিত আদেশ দ্বারা ও নির্ধারিত শর্ত সাপেক্ষে, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, কোনো সদস্য, কর্মচারী বা কোনো কমিটিকে অর্পণ করিতে পারিবে।
এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবে।
এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, এজেন্সি সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইন ও বিধির সহিত সঙ্গতিপূর্ণ হওয়া সাপেক্ষে, প্রবিধান প্রণয়ন করিতে পারিবে।
এই আইনের কোনো বিধান কার্যকর করিবার ক্ষেত্রে কোনো অস্পষ্টতা বা অসুবিধা দেখা দিলে সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের বিধানাবলির সহিত সংগতিপূর্ণ হওয়া সাপেক্ষে, উক্তরূপ অস্পষ্টতা বা অসুবিধা দূর করিতে পারিবে।
এই আইন কার্যকর হইবার সঙ্গে সঙ্গে, বিদ্যমান এসপায়ার টু ইনোভেট (এটুআই) এর-
(১) এই আইন কার্যকর হইবার পর সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের মূল বাংলা পাঠের ইংরেজিতে অনূদিত একটি নির্ভরযোগ্য পাঠ (Authentic English Text) প্রকাশ করিবে।
(২) ইংরেজি পাঠ এবং মূল বাংলা পাঠের মধ্যে বিরোধের ক্ষেত্রে বাংলা পাঠ প্রাধান্য পাইবে।