পল্লী উন্নয়ন একাডেমি, রংপুর আইন, ২০২৩
*** পল্লী উন্নয়ন একাডেমি, রংপুর প্রতিষ্ঠাকল্পে প্রণীত আইন
[***] পল্লী উন্নয়ন একাডেমি, রংপুর প্রতিষ্ঠাকল্পে প্রণীত আইন যেহেতু পল্লীর জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় গবেষণা, প্রায়োগিক গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ সেবার নিমিত্ত একটি পল্লী উন্নয়ন একাডেমি প্রতিষ্ঠা এবং আনুষঙ্গিক বিষয়াদি সম্পর্কে বিধান করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়; সেহেতু এতদ্দ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইল:-
Section ১. সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন
(১) এই আইন [***] পল্লী উন্নয়ন একাডেমি, রংপুর আইন, ২০২৩ নামে অভিহিত হইবে।
(২) ইহা অবিলম্বে কার্যকর হইবে।
Section ২. সংজ্ঞা
বিষয় বা প্রসঙ্গের পরিপন্থি কোনো কিছু না থাকিলে, এই আইনে,-
(১) 'একাডেমি' অর্থ এই আইনের অধীন প্রতিষ্ঠিত পল্লী উন্নয়ন একাডেমি, রংপুর;
(২) 'কেন্দ্র' অর্থ একাডেমির উদ্দেশ্য পূরণকল্পে গবেষণা, প্রায়োগিক গবেষণা এবং পরামর্শ সেবা প্রদানের জন্য স্থাপিত বিশেষায়িত কেন্দ্র;
(৩) 'চেয়ারম্যান' অর্থ বোর্ডের চেয়ারম্যান;
(৪) 'প্রবিধান' অর্থ এই আইনের অধীন প্রণীত প্রবিধান;
(৫) 'বোর্ড' অর্থ ধারা ৭ এর অধীন গঠিত পরিচালনা বোর্ড;
(৬) 'বিধি' অর্থ এই আইনের অধীন প্রণীত বিধি;
(৭) 'ভাইস চেয়ারম্যান' অর্থ বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান;
(৮) 'মহাপরিচালক' অর্থ ধারা ১২ এর অধীন নিযুক্ত একাডেমির মহাপরিচালক; এবং
(৯) 'সদস্য' অর্থ বোর্ডের সদস্য।
Section ৩. একাডেমি প্রতিষ্ঠা
(১) এই আইন বলবৎ হইবার সঙ্গে সঙ্গে এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, [***] পল্লী উন্নয়ন একাডেমি, রংপুর নামে একটি একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হইবে।
(২) একাডেমি একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা হইবে এবং ইহার স্থায়ী ধারাবাহিকতা ও একটি সাধারণ সিলমোহর থাকিবে এবং এই আইন ও তদধীন প্রণীত বিধির বিধান সাপেক্ষে, ইহার স্থাবর ও অস্থাবর উভয় প্রকার সম্পত্তি অর্জন করিবার, অধিকারে রাখিবার এবং হস্তান্তর করিবার ক্ষমতা থাকিবে এবং একাডেমি ইহার নিজ নামে মামলা দায়ের করিতে পারিবে এবং উক্ত নামে ইহার বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করা যাইবে।
Section ৪. প্রধান কার্যালয়
(১) একাডেমির প্রধান কার্যালয় রংপুর জেলার তারাগঞ্জ উপজেলায় থাকিবে।
(২) একাডেমি, ইহার কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার স্বার্থে, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, বাংলাদেশের যেকোনো স্থানে ইহার শাখা কার্যালয় স্থাপন, স্থানান্তর বা বিলুপ্ত করিতে পারিবে।
Section ৫. গবেষণা এলাকা
একাডেমির গবেষণা এলাকা হইবে সমগ্র বাংলাদেশ।
Section ৬. পরিচালনা ও প্রশাসন
(১) একাডেমির পরিচালনা ও প্রশাসনের দায়িত্ব একটি বোর্ডের উপর ন্যস্ত থাকিবে এবং একাডেমি যেসকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কার্যসম্পাদন করিতে পারিবে, বোর্ডও সেই সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কার্যসম্পাদন করিতে পারিবে।
(২) বোর্ড ইহার দায়িত্ব পালন ও কার্যসম্পাদনের ক্ষেত্রে এই আইন, তদধীন প্রণীত বিধি, প্রবিধান ও সরকার কর্তৃক, সময় সময়, প্রদত্ত নির্দেশনা অনুসরণ করিবে।
Section ৭. বোর্ড গঠন, ইত্যাদি
(১) নিম্নবর্ণিত সদস্য সমন্বয়ে বোর্ড গঠিত হইবে, যথা:-
(২) উপধারা (১) এর দফা (ধ) এর অধীন মনোনীত সদস্যগণ তাহাদের মনোনয়নের তারিখ হইতে ৩ (তিন) বৎসর মেয়াদে স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন এবং সরকার উক্ত মেয়াদ শেষ হইবার পূর্বেই কোনো কারণ না দর্শাইয়া কোনো সদস্যকে তাহার পদ হইতে অব্যাহতি প্রদান করিতে পারিবে।
(৩) কোনো সদস্য সরকারের উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন, তবে চেয়ারম্যান কর্তৃক গৃহীত না হওয়া পর্যন্ত কোনো পদত্যাগ কার্যকর হইবে না।
(৪) মনোনীত কোনো সদস্য মৃত্যুবরণ করিলে বা স্বীয় পদ ত্যাগ করিলে বা অব্যাহতিপ্রাপ্ত হইলে, উক্ত পদ শূন্য হইবার ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে, এই আইনের বিধান সাপেক্ষে সরকার, কোনো উপযুক্ত ব্যক্তিকে শূন্য পদে নিয়োগদান করিবে।
Section ৮. বোর্ডের সভা
(১) বোর্ড প্রতি ৪ (চার) মাসে কমপক্ষে ১ (এক) বার সভায় মিলিত হইবে এবং চেয়ারম্যান কর্তৃক নির্ধারিত তারিখ, সময় ও স্থানে উক্ত সভা অনুষ্ঠিত হইবে।
(২) বোর্ডের সভার কোরামের জন্য মোট সদস্য সংখ্যার অন্যূন এক-তৃতীয়াংশ সদস্যের উপস্থিতির প্রয়োজন হইবে।
(৩) বোর্ডের সভায় প্রত্যেক সদস্যের একটি করিয়া ভোট থাকিবে এবং ভোটের সমতার ক্ষেত্রে সভায় সভাপতিত্বকারী ব্যক্তির একটি দ্বিতীয় বা নির্ণায়ক ভোট প্রদানের ক্ষমতা থাকিবে।
(৪) চেয়ারম্যান বোর্ডের সকল সভায় সভাপতিত্ব করিবেন, তবে তাহার অনুপস্থিতিতে ভাইস চেয়ারম্যান উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করিবেন।
(৫) বোর্ডের কোনো কার্য বা কার্যধারা কেবল উক্ত বোর্ডের কোনো সদস্যপদে শূন্যতা বা বোর্ড গঠনে ত্রুটি থাকিবার কারণে অবৈধ হইবে না এবং তৎসম্পর্কে কোনো প্রশ্নও উত্থাপন করা যাইবে না।
Section ৯. একাডেমির কার্যাবলি
একাডেমির কার্যাবলি হইবে নিম্নরূপ, যথা:-
Section ১০. ডিপ্লোমা বা ডিগ্রি প্রবর্তন, ফেলোশিপ প্রদান, ইত্যাদি
(১) একাডেমি পল্লী উন্নয়ন সংক্রান্ত বিষয়ে ডিপ্লোমা, পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা ও সার্টিফিকেট কোর্স প্রবর্তন করিতে পারিবে এবং সকল কোর্স প্রবর্তনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় অথবা শিক্ষা বোর্ডের অধিভুক্তিসহ উক্ত বিশ্ববিদ্যালয় অথবা শিক্ষা বোর্ডের নির্ধারিত মান অনুসরণ করিতে হইবে।
(২) একাডেমি সরকারের অনুমোদনক্রমে, একাডেমির অনুষদ সদস্যসহ অন্যান্য পেশাদার কর্মীদের জন্য জাতীয় গবেষণা, ফেলোশিপসহ বিভিন্ন শ্রেণির রিসার্চ অ্যাসোসিয়েটশিপ ও ফেলোশিপ প্রবর্তন করিতে পারিবে।
Section ১১. চেয়ারম্যানের বিশেষ ক্ষমতা
যদি এমন কোনো পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়, যেক্ষেত্রে একাডেমির স্বার্থে বোর্ডের তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত প্রদান আবশ্যক, সেইক্ষেত্রে চেয়ারম্যান প্রস্তাব বিবেচনায় তাৎক্ষণিকভাবে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত প্রদান করিতে পারিবেন এবং তিনি উক্ত সিদ্ধান্তের বিষয়ে বোর্ডকে যথাশীঘ্র অবহিত করিবেন।
Section ১২. মহাপরিচালক
(১) একাডেমির একজন মহাপরিচালক থাকিবেন, যিনি সরকারের অন্যূন যুগ্মসচিবগণের মধ্য হইতে সরকার কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন অথবা সরকার কর্তৃক নির্ধারিত মেয়াদ ও শর্তে নিযুক্ত পল্লী উন্নয়ন বিষয়ে অভিজ্ঞ যে কোনো ব্যক্তি হইবেন।
(২) মহাপরিচালক একাডেমির প্রধান নির্বাহী হইবেন এবং তিনি সার্বক্ষণিক দায়িত্বে নিয়োজিত থাকিবেন।
(৩) এই আইনের বিধানাবলি সাপেক্ষে, মহাপরিচালক-
(৪) মহাপরিচালকের পদ শূন্য হইলে কিংবা অনুপস্থিতি, অসুস্থতা বা অন্য কোনো কারণে মহাপরিচালক তাহার দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হইলে শূন্যপদে নবনিযুক্ত মহাপরিচালক কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত কিংবা মহাপরিচালক পুনরায় স্বীয় দায়িত্ব পালনে সমর্থ না হওয়া পর্যন্ত, সরকার মহাপরিচালকের কার্যাবলি পরিচালনার জন্য যেরূপ ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন মনে করিবে সেইরূপ ব্যবস্থা গ্রহণ করিবে।
Section ১৩. কর্মচারী নিয়োগ
(১) একাডেমি, ইহার কার্যাবলি সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের উদ্দেশ্যে, সরকার কর্তৃক অনুমোদিত সাংগঠনিক কাঠামো অনুযায়ী, প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মচারী নিয়োগ করিতে পারিবে এবং তাহারা একাডেমির কর্মচারী হিসেবে বিবেচিত হইবেন।
(২) একাডেমির কর্মচারীগণের চাকরির শর্তাবলি প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত হইবে।
(৩) একাডেমির কর্মচারীদের নিয়োগ ও চাকরির শর্তাবলি সম্পর্কে প্রবিধানে নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয় নাই এইরূপ কোনো বিষয়ে একাডেমি সরকারি কর্মচারীদের জন্য অনুসৃত বিধি-বিধান অনুসরণ করিবে।
Section ১৪. ঋণ গ্রহণের ক্ষমতা
একাডেমি, ইহার দায়িত্ব ও কার্যাবলি সম্পাদনের জন্য, সরকারের অনুমোদনক্রমে ও তৎকর্তৃক নির্ধারিত শর্তে, ঋণ গ্রহণ করিতে পারিবে এবং প্রযোজ্য শর্তাবলির অধীন উক্ত ঋণ পরিশোধের জন্য একাডেমি দায়ী থাকিবে।
Section ১৫. তহবিল
(১) একাডেমির একটি তহবিল থাকিবে এবং উহাতে নিম্নবর্ণিত উৎস হইতে প্রাপ্ত অর্থ জমা হইবে, যথা:-
(২) তহবিলের অর্থ বোর্ডের অনুমোদনক্রমে কোনো তপশিলি ব্যাংকে জমা রাখিতে হইবে।
(৩) বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত পদ্ধতিতে এবং সরকারের নিয়মনীতি ও আর্থিক বিধি-বিধান অনুসরণক্রমে উক্ত তহবিল পরিচালনা করিতে হইবে।
(৪) একাডেমির তহবিলের অর্থ হইতে একাডেমি ইহার প্রয়োজনীয় ব্যয় নির্বাহ করিবে এবং সকল দায় পরিশোধ করিবে।
ব্যাখ্যা।- এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, ‘তপশিলি ব্যাংক’ অর্থ Bangladesh Bank Order, 1972(P. O. No. 127 of 1972) এর Article 2 (J) তে প্রদত্ত সংজ্ঞা অনুযায়ী Scheduled Bank।
Section ১৬. বাজেট
একাডেমি, প্রতিবৎসর সরকার কর্তৃক নির্দিষ্টকৃত সময়ের মধ্যে সম্ভাব্য আয়-ব্যয়সহ পরবর্তী অর্থ বৎসরের বার্ষিক বাজেট বিবরণী সরকারের নিকট পেশ করিবে এবং উহাতে উক্ত অর্থ বৎসরে সরকারের নিকট হইতে সম্ভাব্য কী পরিমাণ অর্থ প্রয়োজন হইবে ইহারও উল্লেখ থাকিবে।
Section ১৭. হিসাব ও নিরীক্ষা
(১) একাডেমি, সরকার কর্তৃক নির্দেশিত পদ্ধতিতে অর্থ ব্যয়ের যথাযথ হিসাব রক্ষণ করিবে এবং হিসাবের বার্ষিক বিবরণী প্রস্তুত করিবে।
(২) বাংলাদেশের মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, অতঃপর এই ধারায় মহা হিসাব-নিরীক্ষক নামে অভিহিত, যেরূপ পদ্ধতি উপযুক্ত বলিয়া মনে করিবেন, সেইরূপ পদ্ধতিতে একাডেমির হিসাব নিরীক্ষিত হইবে।
(৩) উপধারা (২) এ উল্লিখিত নিরীক্ষা ছাড়াও Bangladesh Chartered Accountants Order, 1973(P. O No. 2 of 1973) এর Article 2 (1) (b) তে প্রদত্ত সংজ্ঞা অনুযায়ী চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট দ্বারা একাডেমির হিসাব নিরীক্ষা করা যাইবে এবং এতদুদ্দেশ্যে একাডেমি এক বা একাধিক চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট নিয়োগ করিতে পারিবে।
(৪) উপধারা (২) এর অধীন নিরীক্ষার প্রয়োজনে মহা হিসাব-নিরীক্ষক বা এতদুদ্দেশ্যে তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তি একাডেমির যেকোনো রেকর্ড, নথি, বই, দলিল, নগদ জামানত, ভান্ডার এবং অন্যান্য সম্পত্তি পরীক্ষা করিতে পারিবেন এবং তিনি একাডেমির চেয়ারম্যান, সদস্য, মহাপরিচালক, কর্মচারী, পরামর্শক বা গবেষকের সহিত আলোচনা করিতে পারিবেন।
(৫) মহা হিসাব-নিরীক্ষক, যতদ্রুত সম্ভব, নিরীক্ষিত প্রতিবেদন একাডেমিতে প্রেরণ করিবেন এবং অতঃপর একাডেমি উক্ত প্রতিবেদনে একাডেমির মন্তব্য প্রদানপূর্বক উহা সরকারের নিকট প্রেরণ করিবে।
(৬) নিরীক্ষা প্রতিবেদনে উল্লিখিত ত্রুটি বা অনিয়মসমূহ সমাধানের জন্য একাডেমি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করিবে।
Section ১৮. বার্ষিক প্রতিবেদন, ইত্যাদি
(১) একাডেমি প্রত্যেক অর্থবৎসরে ইহার সম্পাদিত কার্যাবলির বিবরণ সংবলিত একটি বার্ষিক প্রতিবেদন পরবর্তী অর্থ বৎসরের ৩১ ডিসেম্বর তারিখের মধ্যে সরকারের নিকট দাখিল করিবেন।
(২) প্রত্যেক অর্থ বৎসর সমাপ্তির পর, যথাশীঘ্র সম্ভব, একাডেমি নিরীক্ষাকৃত হিসাবের একটি বিবরণী সরকারের নিকট দাখিল করিবে।
(৩) সরকার, প্রয়োজনে, একাডেমির নিকট হইতে যেকোনো সময় ইহার যেকোনো বিষয়ের উপর বিবরণী, রিটার্ন ও প্রতিবেদন চাহিতে পারিবে এবং একাডেমি উহা সরকারের নিকট দাখিল করিতে বাধ্য থাকিবে।
Section ১৯. ক্ষমতা অর্পণ
(১) বোর্ড, বিশেষ বা সাধারণ আদেশ দ্বারা নির্ধারিত শর্তাধীনে, মহাপরিচালক, কোনো সদস্য বা একাডেমির যে-কোনো কর্মচারীকে ইহার যেকোনো ক্ষমতা অর্পণ করিতে পারিবে।
(২) মহাপরিচালক, উপধারা (১) এর অধীন তাহার উপর অর্পিত ক্ষমতা ব্যতীত, অন্য কোনো ক্ষমতা একাডেমির যে-কোনো কর্মচারীকে অর্পণ করিতে পারিবেন।
Section ২০. বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা
এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবে।
Section ২১. প্রবিধান প্রণয়নের ক্ষমতা
বোর্ড, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, এই আইন বা তদধীন প্রণীত বিধির সহিত সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে প্রবিধান প্রণয়ন করিতে পারিবে।
Section ২২. ইংরেজিতে অনূদিত পাঠ প্রকাশ
(১) এই আইন প্রবর্তনের পর সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের ইংরেজিতে অনূদিত একটি নির্ভরযোগ্য পাঠ (Authentic English Text) প্রকাশ করিতে পারিবে।
(২) এই আইন ও ইংরেজি পাঠের মধ্যে বিরোধের ক্ষেত্রে এই আইন প্রাধান্য পাইবে।