ভোটার তালিকা (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫
ভোটার তালিকা আইন, ২০০৯ এর অধিকতর সংশোধনকল্পে প্রণীত অধ্যাদেশ
ভোটার তালিকা আইন, ২০০৯ এর অধিকতর সংশোধনকল্পে প্রণীত অধ্যাদেশ যেহেতু নিম্নবর্ণিত উদ্দেশ্যসমূহ পূরণকল্পে, ভোটার তালিকা আইন, ২০০৯ (২০০৯ সনের ৬ নং আইন) এর অধিকতর সংশোধন করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়; এবং যেহেতু সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থায় রহিয়াছে এবং রাষ্ট্রপতির নিকট ইহা সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইয়াছে যে, আশু ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রহিয়াছে; সেহেতু গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি নিম্নরূপ অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারি করিলেন, যথা:-
Section ১. সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন
(১) এই অধ্যাদেশ ভোটার তালিকা (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ নামে অভিহিত হইবে।
(২) ইহা অবিলম্বে কার্যকর হইবে।
Section ২. ২০০৯ সনের ৬ নং আইনের ধারা ৩ এর সংশোধন
ভোটার তালিকা আইন, ২০০৯ (২০০৯ সনের ৬ নং আইন), অতঃপর উক্ত আইন বলিয়া উল্লিখিত, এর ধারা ৩ এর দফা (জ) তে উল্লিখিত “জানুয়ারী মাসের পহেলা তারিখ” শব্দগুলির পর “বা কমিশন কর্তৃক ঘোষিত অন্য কোন তারিখ” শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে।
Section ৩. ২০০৯ সনের ৬ নং আইনের ধারা ১১ এর সংশোধন
উক্ত আইনের ধারা ১১ এর উপ-ধারা (১) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (১) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-
“(১) কম্পিউটার ডাটাবেজে সংরক্ষিত বিদ্যমান সকল ভোটার তালিকা, প্রতি বৎসর ২ জানুয়ারি হইতে ২ মার্চ পর্যন্ত বা তফসিল ঘোষণার পূর্বে ধারা ৩ এর দফা (জ) এর অধীন ঘোষিত সময়কালের মধ্যে, নির্ধারিত পদ্ধতিতে, নিম্নরূপে হালনাগাদ করা হইবে, যথা:-
তবে শর্ত থাকে যে, যদি ভোটার তালিকা উপরি-উল্লিখিতভাবে হালনাগাদ না করা হয়, তাহা হইলে উহার বৈধতা বা ধারাবাহিকতা ক্ষুণ্ণ হইবে না।”।