ব্যাংক আমানত বীমা আইন, ২০০০ রহিতপূর্বক যুগোপযোগী করিয়া পুনঃপ্রণয়নকল্পে প্রণীত অধ্যাদেশ যেহেতু জনগণের আস্থা বৃদ্ধির মাধ্যমে বাংলাদেশের আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা রক্ষা এবং ব্যাংক কোম্পানি ও ফাইন্যান্স কোম্পানি কর্তৃক গৃহীত আমানতের সুরক্ষা প্রদানের নিমিত্ত সামঞ্জস্যপূর্ণ আইনি কাঠামো প্রণয়ন করা প্রয়োজন; এবং যেহেতু ব্যাংক আমানত বীমা আইন, ২০০০ (২০০০ সনের ১৮ নং আইন) রহিতপূর্বক যুগোপযোগী করিয়া পুনঃপ্রণয়ন করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়; এবং যেহেতু সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থায় রহিয়াছে এবং রাষ্ট্রপতির নিকট ইহা সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইয়াছে যে, আশু ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রহিয়াছে; সেহেতু গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি নিম্নরূপ অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারি করিলেন:-
(১) এই অধ্যাদেশ আমানত সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ নামে অভিহিত হইবে।
(২) ইহা অবিলম্বে কার্যকর হইবে।
বিষয় বা প্রসঙ্গের পরিপন্থি কোনো কিছু না থাকিলে, এই অধ্যাদেশে,-
(১) সরকারি আমানত অর্থাৎ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৫(৬) অনুচ্ছেদ এর অধীন প্রণীত Rules of Business, 1996 এর Schedule-I (Allocation of Business among the Different Ministries and Divisions) এর অধীন প্রতিষ্ঠিত বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ এবং উহাদের আওতাধীন দপ্তর ও সংস্থার আমানত;
(২) সরকারি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের আমানত;
(৩) সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ (২০১৮ সনের ৫৭ নং আইন) এর ধারা ২ এর দফা (১১), (১৮) ও (১৯) এ সংজ্ঞায়িত রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান, স্ব-শাসিত সংস্থা এবং স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের আমানত;
(৪) বিদেশি সরকারের আমানত;
(৫) বিদেশি সরকারের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের আমানত;
(৬) আন্তর্জাতিক সংস্থার আমানত;
(৭) সদস্য প্রতিষ্ঠানের আমানত; এবং
(৮) সদস্য প্রতিষ্ঠানের বৈদেশিক শাখা কর্তৃক সংগৃহীত আমানত;
আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই অধ্যাদেশের বিধানাবলি প্রাধান্য পাইবে।
(১) এই অধ্যাদেশের অধীন, বাংলাদেশ ব্যাংকের, সদস্য প্রতিষ্ঠানের আমানত সুরক্ষা সংক্রান্ত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ এবং এতদ্সংক্রান্ত অন্যান্য দায়িত্ব পালনের কর্তৃত্ব থাকিবে।
(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত ক্ষমতা ও দায়িত্ব বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ ও তত্ত্বাবধান কার্যক্রম হইতে স্বতন্ত্র ও পৃথক হইবে।
এই অধ্যাদেশের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, বাংলাদেশ ব্যাংক, আমানত সুরক্ষা সংক্রান্ত ক্ষমতা, দায়িত্ব এবং কার্যাবলি প্রয়োগ, পালন ও সম্পাদনের নিমিত্ত আমানত সুরক্ষা বিভাগ (Deposit Protection Department) নামে একটি স্বতন্ত্র ও পৃথক বিভাগ গঠন করিতে পারিবে।
(১) দৈনন্দিন কার্যাবলি সম্পাদনের জন্য আমানত সুরক্ষা বিভাগের নিম্নবর্ণিত ক্ষমতা থাকিবে, যথা:-
(২) আমানত সুরক্ষা বিভাগের দায়িত্ব হইবে নিম্নরূপ, যথা:-
(খ) বিনিয়োগ নীতিমালা ও বিনিয়োগ পরিকল্পনা অনুযায়ী তহবিলের অর্থ বিনিয়োগ;
(৩) এই অধ্যাদেশের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, আমানত সুরক্ষা বিভাগ, আর্থিক খাত নিয়ন্ত্রণকারী যেকোনো কর্তৃপক্ষের নিকট প্রয়োজনীয় সহযোগিতা গ্রহণ করিতে পারিবে।
(১) বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক এই অধ্যাদেশের অধীন কোনো প্রবিধান, নির্দেশনা বা গাইডলাইন জারি করা হইলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি অনতিবিলম্বে বা, ক্ষেত্রমত, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উক্ত প্রবিধান, নির্দেশনা বা গাইডলাইন যথাযথভাবে পরিপালন করিবে।
(২) বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক কোনো নিয়ন্ত্রক (regulatory) বা তদারকি (supervisory) কর্তৃপক্ষ বা অনুরূপ কোনো ব্যক্তির নিকট এই অধ্যাদেশের অধীন কোনো বিষয়ে অনুরোধ করা হইলে, উক্ত কর্তৃপক্ষ বা ব্যক্তি অনতিবিলম্বে বা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উক্ত অনুরোধ যথাযথভাবে পরিপালন করিবে।
(৩) এই অধ্যাদেশের বিধানাবলি বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বা বাহিরে প্রতিষ্ঠিত কোনো নিয়ন্ত্রক (regulatory), তদারকি (supervisory), প্রয়োগকারী (enforcement), রেজল্যুশন, আমানত সুরক্ষা প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ অথবা আন্তর্জাতিক মানদণ্ড নির্ধারণকারী সংস্থা ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহিত চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর ও সম্পাদন করিতে পারিবে।
(৪) উপ-ধারা (৩) এ উল্লিখিত চুক্তি ও সমঝোতা স্মারকে নিম্নবর্ণিত বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকিবে, যথা:-
(১) আমানত সুরক্ষা তহবিল পরিচালনা ও প্রশাসনের জন্য একটি ট্রাস্টি বোর্ড থাকিবে এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালক পর্ষদ (Board of Directors) তহবিলের ট্রাস্টি বোর্ড হিসাবে দায়িত্ব পালন করিবে।
(২) ট্রাস্টি বোর্ড নিম্নবর্ণিত বিষয়সমূহ অনুমোদন করিবে, যথা:-
(৩) আমানত সুরক্ষা বিভাগ, ট্রাস্টি বোর্ডের সাচিবিক দায়িত্ব পালন করিবে এবং সংশ্লিষ্ট সকলের জন্য the Official Secrets Act, 1923 (Act No. XIX of 1923) এর বিধানাবলি প্রযোজ্য হইবে।
(১) ট্রাস্টি বোর্ডের সভা প্রতি ৩ (তিন) মাসে অন্যূন একবার অনুষ্ঠিত হইবে।
(২) সদস্যগণের সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতার উপস্থিতিতে ট্রাস্টি বোর্ডের যেকোনো সভার কোরাম গঠিত হইবে।
(৩) কোনো সভায় চেয়ারম্যানের অনুপস্থিতিতে, উক্ত সভায় উপস্থিত সদস্যগণের মধ্য হইতে অন্য কোনো সদস্য সভাপতিত্ব করিবার জনা নির্বাচিত হইবেন।
(১) এই অধ্যাদেশের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, ব্যাংক কোম্পানি ও ফাইন্যান্স কোম্পানির আমানতকারীগণের সুরক্ষা প্রদানের জন্য নিম্নরূপ ২ (দুই)টি পৃথক তহবিল গঠিত হইবে, যথা:-
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন গঠিত তহবিলসমূহ বাংলাদেশ ব্যাংকে সংরক্ষিত থাকিবে।
(৩) উপ-ধারা (১) এর অধীন গঠিত তহবিলসমূহ পরস্পরের মধ্যে বিনিময়যোগ্য হইবে না অথবা এক তহবিল হইতে অন্য তহবিলে কোনোরূপ ঋণ প্রদান বা গ্রহণ করা যাইবে না।
(৪) তহবিল ২ (দুই)টি বাংলাদেশ ব্যাংকে দুইটি পৃথক হিসাবের মাধ্যমে পরিচালিত হইবে, যাহা বাংলাদেশ ব্যাংকের অন্যান্য তহবিল হইতে স্বতন্ত্র ও পৃথক হইবে এবং তহবিলের দায়-সম্পদ বাংলাদেশ ব্যাংকের দায়-সম্পদের অন্তর্ভুক্ত হইবে না।
(৫) তহবিল বা উহার কোনো অংশ ধারা ১৯ এর উপ-ধারা (৩) এ বর্ণিত ক্ষেত্র ব্যতীত অন্য কোনো বিশেষ ঋণের বিপরীতে জামানত হিসাবে ব্যবহৃত হইবে না।
নিম্নলিখিত উৎস হইতে প্রাপ্ত অর্থ আমানত সুরক্ষা তহবিলের উৎস হিসাবে বিবেচিত হইবে, যথা:-
(১) ব্যাংক আমানত বীমা আইন, ২০০০ এর অধীন বীমাকৃত ব্যাংক কোম্পানি এবং এই অধ্যাদেশ জারির পর বাংলাদেশে নূতন লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিটি ব্যাংক কোম্পানি এই অধ্যাদেশের অধীন সদস্য প্রতিষ্ঠান বলিয়া গণ্য হইবে।
(২) বাংলাদেশে কার্যরত প্রতিটি ফাইন্যান্স কোম্পানি এবং এই অধ্যাদেশ জারির পর বাংলাদেশে নূতন লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিটি ফাইন্যান্স কোম্পানি ১ জুলাই, ২০২৮ তারিখ হইতে এই অধ্যাদেশের অধীন সদস্য প্রতিষ্ঠান বলিয়া গণ্য হইবে।
(১) কোনো নূতন সদস্য প্রতিষ্ঠান লাইসেন্স প্রাপ্তির ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে, প্রারম্ভিক প্রিমিয়াম হিসাবে উহার পরিশোধিত মূলধনের অন্যূন ০.৫০ (শূন্য দশমিক পাঁচ শূন্য) শতাংশ হারে অথবা ট্রাস্টি বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত হারে বা পরিমাণে এককালীন অর্থ জমা প্রদান করিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত অর্থের পরিমাণ কোনোক্রমেই পরিশোধিত মূলধনের ০.৫০ (শূন্য দশমিক পাঁচ শূন্য) শতাংশের কম হইবে না।
(২) ধারা ১২ এর উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত ব্যাংক আমানত বীমা আইন, ২০০০ এর অধীন বীমাকৃত ব্যাংক কোম্পানির জন্য কোনো প্রারম্ভিক প্রিমিয়াম প্রযোজ্য হইবে না।
(৩) ধারা ১২ এর উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত সকল ফাইন্যান্স কোম্পানিকে ৩১ জুলাই, ২০২৮ তারিখের মধ্যে নির্ধারিত প্রারম্ভিক প্রিমিয়াম জমা প্রদান করিতে হইবে।
(১) প্রত্যেক সদস্য প্রতিষ্ঠান আমানত সুরক্ষা প্রাপ্তির জন্য ধার্যকৃত নিয়মিত প্রিমিয়াম প্রতি ৩ (তিন) মাস অন্তর প্রদান করিবে।
(২) প্রত্যেক অর্থ বৎসরে প্রদেয় প্রিমিয়ামের হার, পূর্ববর্তী অর্থ বৎসরের ৩০ এপ্রিলের মধ্যে, বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক নির্ধারিত হইবে।
(৩) সকল সদস্য প্রতিষ্ঠানের ঝুঁকির মাত্রা এবং তহবিলের নির্ধারিত আকারের পরিমাণ বিবেচনা করিয়া, ট্রাস্টি বোর্ড কর্তৃক, ঝুঁকিভিত্তিক শ্রেণিবিন্যাসকৃত প্রতিটি ব্যাংকের জন্য অনুমোদিত পদ্ধতি অনুযায়ী প্রিমিয়াম হার নির্ধারিত হইবে।
(৪) ট্রাস্টি বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত সময় ও পদ্ধতিতে, প্রতি ৩ (তিন) মাস অন্তর সংশ্লিষ্ট সদস্য প্রতিষ্ঠানের পূর্ববর্তী ৩ (তিন) মাসের গড় আমানতের ভিত্তিতে নিয়মিত প্রিমিয়াম হিসাবায়ন ও সংগ্রহ করা হইবে।
(৫) উপ-ধারা (৪) এর অধীন প্রিমিয়াম সংগ্রহ আরম্ভ করিবার পূর্ব পর্যন্ত পূর্বের বলবৎ নিয়মে প্রিমিয়াম হিসাবায়ন (Calculation) ও সংগ্রহ করা হইবে।
(৬) সকল সদস্য প্রতিষ্ঠান প্রিমিয়ামের অর্থ স্ব স্ব আমানত সুরক্ষা তহবিলের নির্ধারিত হিসাবে পরবর্তী মাসের ১৫ (পনেরো) তারিখের মধ্যে জমা প্রদান করিবে।
(৭) সদস্য প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রদত্ত প্রিমিয়াম স্বীয় প্রতিষ্ঠানের পরিচালন ব্যয় হিসাবে বিবেচিত হইবে।
(৮) প্রত্যেক ফাইন্যান্স কোম্পানি সদস্য প্রতিষ্ঠান হিসাবে অন্তর্ভুক্তির পর হইতে নিয়মিত প্রিমিয়াম প্রদান করিবে।
(১) ধারা ১৬ তে বর্ণিত পরিশোধিতব্য সুরক্ষিত আমানতের পরিমাণ অথবা ব্যাংক রেজল্যুশনে প্রদেয় আর্থিক সহায়তার পরিমাণ, তহবিলের মোট পরিমাণের অধিক হইলে ট্রাস্টি বোর্ড ঘাটতি অর্থ সংগ্রহে বিশেষ প্রিমিয়াম ধার্য করিতে পারিবে।
(২) বিশেষ প্রিমিয়াম বৎসরে একবারের অধিক ধার্য করা যাইবে না এবং উহা নিয়মিত প্রিমিয়াম হারের অধিক হইবে না।
(১) কোনো সদস্য প্রতিষ্ঠানের অবসায়নের ক্ষেত্রে আমানতকারীকে প্রদেয় সুরক্ষিত আমানত পরিশোধ করিবার নিমিত্ত আমানত সুরক্ষা তহবিল প্রাথমিকভাবে ব্যবহার করা হইবে।
(২) রেজল্যুশনের অধীন তফসিলি ব্যাংকের আমানতকারীগণ যদি কোনো হস্তান্তর-গ্রহীতার মাধ্যমে তাহাদের সুরক্ষিত আমানত ব্যবহারের সুযোগ প্রাপ্ত হন, তাহা হইলে উক্ত ক্ষেত্রে ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশ ২০২৫ এর ধারা ৩৮ এর বিধান অনুসারে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কোম্পানির রেজল্যুশনে আর্থিক সহায়তা প্রদানের উদ্দেশ্যে তহবিল ব্যবহার করা যাইবে।
(৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন প্রদেয় আর্থিক সহায়তা নিম্নবর্ণিত শর্তাবলির অধীন প্রদান করা যাইবে, যথা:-
(৪) উপ-ধারা (২) এর অধীন তহবিল হইতে আর্থিক সহায়তা গ্রহণের ক্ষেত্রে, রেজল্যুশন কর্তৃত্ব, সংশ্লিষ্ট আর্থিক সহায়তা এবং সুরক্ষিত আমানতের পরিমাণের মধ্যে তুলনামূলক বিশ্লেষণ করিয়া ট্রাস্টি বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত ও নির্দেশিত ছকে প্রয়োজনীয় তথ্য প্রেরণ করিবে।
(৫) আর্থিক সহায়তা নগদ বা নগদ সমতুল্য (এবং/অথবা সরকারি সিকিউরিটিজ) আকারে সংশ্লিষ্ট হস্তান্তর গ্রহীতাকে প্রদান করা যাইবে।
(৬) রেজল্যুশনের অধীন কোনো ফাইন্যান্স কোম্পানির ক্ষেত্রে, বাংলাদেশ ব্যাংক বা রেজল্যুশনের কর্তৃত্ব, ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৯৫ এর অধীন নির্ধারিত শর্ত বিবেচনায়, ফাইন্যান্স কোম্পানির রেজল্যুশনের জন্য, উপ-ধারা (৩) এর অনুরূপ শর্ত পূরণ সাপেক্ষে, উক্ত তহবিল হইতে প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা প্রদান করিতে পারিবে।
(৭) তহবিলের আয় ও ব্যয় সংক্রান্ত অনুমোদিত বার্ষিক বাজেট অনুযায়ী ব্যয়ের জন্য তহবিলের অর্থ ব্যবহৃত হইবে।
(৮) এই অধ্যাদেশের ধারা ১৯ এর অধীন গৃহীত ঋণ তহবিল হইতে পরিশোধ করা যাইবে।
(৯) তহবিল হইতে সুরক্ষিত আমানত পরিশোধ এবং রেজল্যুশনে আর্থিক সহায়তা প্রদানে ব্যয়িত অর্থ, অবসায়িত সদস্য প্রতিষ্ঠানের পরিসম্পদ এবং হস্তান্তর গ্রহীতা হইতে সমন্বয়ের জন্য, সরকারের অনুমোদনক্রমে, ট্রাস্টি বোর্ড প্রবিধানমালা প্রণয়ন করিবে।
(১) ট্রাস্টি বোর্ড প্রতি ৫ (পাঁচ) বৎসরে অন্যূন একবার তহবিলের কাঙ্খিত পরিমাণ নির্ধারণ করিবে, যাহা সদস্য প্রতিষ্ঠানসমূহের মোট সুরক্ষিত আমানতের আনুপাতিক হারে নির্ধারিত হইবে।
(২) ব্যাংক কোম্পানি ও ফাইন্যান্স কোম্পানির জন্য তহবিলের পরিমাণ পৃথকভাবে নির্ধারিত হইবে।
(৩) তহবিলের কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ অর্থ সংগ্রহের লক্ষ্যে নিয়মিত পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়নের ভিত্তিতে ট্রাস্টি বোর্ড নিয়মিত প্রিমিয়ামের হার সমন্বয় করিতে পারিবে।
(১) তহবিলের অর্থ বিনিয়োগের ক্ষেত্রে অধিক মুনাফা অর্জন অপেক্ষা নিরাপদ বিনিয়োগের ক্ষেত্র, বৈচিত্র্য ও তহবিলের তারল্য সংরক্ষণকে প্রাধান্য প্রদান করিতে হইবে।
(২) বিনিয়োগ কার্যক্রমের যথাযথ ব্যবস্থাপনার স্বার্থে, প্রয়োজনে, কোনো পেশাগত সম্পদ ব্যবস্থাপক নিয়োগ প্রদান করা যাইবে।
(৩) তহবিলের অর্থ, স্বল্প ঝুঁকিপূর্ণ খাত তথা সার্বভৌম বন্ড এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন সংস্থা (ওইসিডি) দেশসমূহের কেন্দ্রীয় ব্যাংক, আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত রেটিং এজেন্সি কর্তৃক সর্বোচ্চ রেটিং প্রাপ্ত অন্যান্য সিকিউরিটিজসমূহে বিনিয়োগ করা যাইবে।
(১) ধারা ১৬ এর উপ-ধারা (১), (২) ও (৬) এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে প্রয়োজনীয় অর্থের তুলনায় তহবিল অপ্রতুল হইলে, ঘাটতি অর্থ নিম্নবর্ণিত উপায়ে সংস্থান করা হইবে, যথা:-
(২) ঘাটতি অর্থায়ন মোকাবিলায়, বাংলাদেশ ব্যাংক, এই অধ্যাদেশ জারির পর অনতিবিলম্বে সরকারের সহিত সমঝোতা স্মারক অথবা সহযোগিতা স্মারক স্বাক্ষর করিবে।
(৩) ধারা ১৬ এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, তহবিলের আওতাধীন সরকারি সিকিউরিটিজ অথবা অন্য কোনো সম্পদ জামানত রাখিয়া বাংলাদেশ ব্যাংক ঋণ আকারে জরুরি অর্থ সহায়তা প্রদান করিতে পারিবে।
(১) তহবিলের আয় বা মুনাফা বা প্রাপ্তি প্রত্যক্ষ করমুক্ত থাকিবে।
(২) উপ-ধারা (১) এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড আয়কর আইন, ২০২৩ এ প্রয়োজনীয় বিধান সংযোজন করিতে পারিবে।
(১) প্রত্যেক সদস্য প্রতিষ্ঠানের প্রত্যেক আমানতকারীর জন্য সুরক্ষিত আমানতের সর্বোচ্চ সীমা হইবে ২ (দুই) লক্ষ টাকা।
(২) সরকার, ট্রাস্টি বোর্ডের সুপারিশক্রমে, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, প্রতি ৩ (তিন) বৎসরে অন্যূন একবার উপ-ধারা (১) এ নির্ধারিত সর্বোচ্চ সীমা পুনঃনির্ধারণ করিবে।
(১) কোনো সদস্য প্রতিষ্ঠানের অবসায়নের তারিখে প্রত্যেক সুরক্ষিত আমানতকারীর সুরক্ষিত আমানতের পরিমাণ নিম্নবর্ণিতভাবে নির্ধারিত হইবে, যথা:-
(২) উপ-ধারা (১) এ বর্ণিত মোট আমানতের পরিমাণ এবং ধারা ২১ এ নির্ধারিত সুরক্ষিত আমানতের সর্বোচ্চ সীমার মধ্যে যাহা নিম্নতর, তাহাই সুরক্ষিত আমানতের পরিমাণ বলিয়া গণ্য হইবে এবং সেই পরিমাণ অর্থ তহবিল হইতে প্রদান করা হইবে।
(৩) কোনো আমানতকারীর, এই অধ্যাদেশের ধারা ২১ এ নির্ধারিত সুরক্ষিত আমানতের অতিরিক্ত আমানত থাকিলে উক্ত অতিরিক্ত অংশ তহবিল হইতে প্রদানযোগ্য হইবে না:
তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত অতিরিক্ত আমানতের দাবি পরিশোধের জন্য সংশ্লিষ্ট আমানতকারী অবসায়কের নিকট দাবিপত্র দাখিল করিতে পারিবে।
(১) এই অধ্যাদেশের ধারা ১৬ এর উপ-ধারা (১) এর অধীন সুরক্ষিত আমানত পরিশোধের উদ্দেশ্যে, অবসায়ক, অবসায়নের আদেশে উল্লিখিত নিয়োগের তারিখ হইতে ১০ (দশ) কার্যদিবসের মধ্যে, ট্রাস্টি বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত ফরম ও ছকে, ধারা ২২ এর বিধান মোতাবেক আমানতের পরিমাণসহ আমানতকারীর তালিকা বাংলাদেশ ব্যাংকে প্রেরণ করিবেন।
(২) বাংলাদেশ ব্যাংক, অবসায়কের নিকট হইতে প্রয়োজনীয় তথ্য প্রাপ্তির ৭ (সাত) কার্যদিবসের মধ্যে, সংশ্লিষ্ট আমানতকারীগণের সুরক্ষিত আমানতের অর্থ তহবিল হইতে পরিশোধ করিবে।
(৩) বাংলাদেশ ব্যাংক, প্রয়োজনে, নির্ধারিত পদ্ধতিতে, সুরক্ষিত আমানতের অর্থ পরিশোধের জন্য আমানতকারীর অন্য কোনো ব্যাংক হিসাবে অথবা অন্য কোনো উপায়ে আমানতকারীর নিকট স্থানান্তর, ইত্যাদিসহ উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারিবে।
(৪) কোনো সদস্য প্রতিষ্ঠানের অবসায়নের আদেশ প্রদানের পর, বাংলাদেশ ব্যাংক, আমানতকারীগণকে অনতিবিলম্বে সুরক্ষিত আমানত পরিশোধের পদ্ধতি এবং এতদ্সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করিতে পারিবে।
(১) যদি কোনো আমানতকারী পরিশোধিত বা পরিশোধিতব্য সুরক্ষিত আমানতের পরিমাণের বিষয়ে কোনো আপত্তি উত্থাপন করেন, তাহা হইলে তিনি উপযুক্ত প্রমাণাদিসহ ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে আমানত পুনর্বিবেচনার জন্য আমানত সুরক্ষা বিভাগের নিকট আবেদন করিতে পারিবে।
(২) আমানত সুরক্ষা বিভাগ প্রাপ্ত আবেদন ও প্রমাণাদি পর্যালোচনা করিয়া ১৫ (পনেরো) কার্যদিবসের মধ্যে আমানতকারীকে উহার সিদ্ধান্ত অবহিত করিবে এবং সিদ্ধান্ত প্রদানের তারিখ হইতে ৭ (সাত) কার্যদিবসের মধ্যে প্রয়োজনীয় পরিশোধ নিষ্পত্তি করিবে।
(১) সুরক্ষিত আমানত পরিশোধের পরও কোনো অ-দাবিকৃত সুরক্ষিত আমানত অবশিষ্ট থাকিলে, আমানত সুরক্ষা বিভাগ, গণবিজ্ঞপ্তি, সরাসরি যোগাযোগ বা অন্য কোনো উপায়ে সংশ্লিষ্ট আমানতকারীগণকে উক্ত সুরক্ষিত আমানতের পরিমাণ এবং উহা উত্তোলনের পদ্ধতি সম্পর্কে অবহিত করিবে।
(২) কোনো সদস্য প্রতিষ্ঠানের অবসায়নের তারিখ হইতে সর্বোচ্চ ১০ (দশ) বৎসর পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট আমানতকারীর আমানত এই অধ্যাদেশের অধীন সুরক্ষিত রহিয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।
(৩) উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত সময়সীমা অতিবাহিত হইবার পর আমানত সুরক্ষা বিভাগ কোনো আমানতকারীর প্রতি উক্ত অ-দাবিকৃত সুরক্ষিত আমানত পরিশোধে দায়বদ্ধ থাকিবে না।
কোনো সদস্য প্রতিষ্ঠান অবসায়নের ক্ষেত্রে, এই অধ্যাদেশের ধারা ১৬ এর উপ-ধারা (১) এর অধীন সুরক্ষিত আমানত পরিশোধে ব্যয়িত অর্থ, ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৬৭-তে বর্ণিত দাবির অগ্রাধিকারভিত্তিক তালিকা অনুযায়ী, অবসায়িত সদস্য প্রতিষ্ঠানের পরিসম্পদ হইতে সুরক্ষিত আমানতকারীগণের অধিকার হস্তান্তরের মাধ্যমে সমন্বয় করিবে।
(১) যদি কোনো সদস্য প্রতিষ্ঠান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে, ধার্যকৃত প্রিমিয়াম পরিশোধ করিতে ব্যর্থ হয়, তাহা হইলে, আমানত সুরক্ষা বিভাগ, উক্ত সদস্য প্রতিষ্ঠানের বাংলাদেশ ব্যাংকে রক্ষিত চলতি হিসাব হইতে প্রাপ্য প্রিমিয়াম অর্থ কর্তন করিবে এবং উহা আমানত সুরক্ষা তহবিলের সংশ্লিষ্ট হিসাবে জমা প্রদান করিবে।
(২) আমানত সুরক্ষা বিভাগ কর্তৃক, সদস্য প্রতিষ্ঠানের যুক্তিসঙ্গত আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রিমিয়াম প্রদানের জন্য অতিরিক্ত সময় মঞ্জুর করা হইলে উক্ত বিলম্বিত সময়ের জন্য, প্রিমিয়ামের উপর স্ট্যান্ডিং লেন্ডিং ফ্যাসিলিটি (Standing Lending Facility) বা অনুরূপ কোনো হারে জরিমানা আরোপ করিতে পারিবে।
(৩) বাংলাদেশ ব্যাংকে সংশ্লিষ্ট সদস্য প্রতিষ্ঠানের চলতি হিসাবে নির্ধারিত তারিখে কর্তনযোগ্য পর্যাপ্ত অর্থ না থাকিলে আমানত সুরক্ষা বিভাগ কোনো নোটিশ প্রদান ব্যতিরেকে, পরবর্তী যেকোনো সময়, জরিমানাসহ প্রাপ্য অর্থ কর্তন করিতে পারিবে।
(৪) কোনো সদস্য প্রতিষ্ঠান একাদিক্রমে ২ (দুই) ত্রৈমাসিকের প্রিমিয়াম নির্ধারিত সময়ে পরিশোধ করিতে ব্যর্থ হইলে আমানত সুরক্ষা বিভাগ উক্ত সদস্য প্রতিষ্ঠানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করিবে।
(৫) উপ-ধারা (৪) এ উল্লিখিত উক্ত সদস্য প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রদত্ত ব্যাখ্যা সন্তোষজনক না হইলে ট্রাস্টি বোর্ড, উক্ত প্রতিষ্ঠানকে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য, আমানত গ্রহণ কার্যক্রম হইতে বিরত থাকিবার আদেশ জারি করিতে পারিবে এবং উক্ত আদেশ বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রকাশ করিবে।
(৬) যদি কোনো সদস্য প্রতিষ্ঠান পুনরায় নির্ধারিত সময়ে প্রিমিয়াম পরিশোধে ব্যর্থ হয়, তাহা হইলে ট্রাস্টি বোর্ড, আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশনা প্রদান করিতে পারিবে।
(১) ব্যাংক কোম্পানি কর্তৃক এই অধ্যাদেশ বাস্তবায়নে প্রণীত বিধিমালা, প্রবিধানমালা, নীতিমালা ও নির্দেশনা পরিপালনে ব্যত্যয় ঘটিলে ব্যাংক-কোম্পানি আইন, ১৯৯১ এর ধারা ১০৯ এ বর্ণিত বিধানাবলি প্রযোজ্য হইবে।
(২) কোনো ফাইন্যান্স কোম্পানি কর্তৃক এই অধ্যাদেশ বাস্তবায়নে প্রণীত বিধিমালা, প্রবিধানমালা, নীতিমালা ও নির্দেশনা পরিপালনে ব্যত্যয় ঘটিলে ফাইন্যান্স কোম্পানি আইন, ২০২৩ এর ধারা ৫৫ হইতে ৬০ এ বর্ণিত বিধানাবলি প্রযোজ্য হইবে।
এই অধ্যাদেশের অধীন নির্ধারিত ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে, ট্রাস্টি বোর্ডের বর্তমান বা পূর্বের কোনো সদস্য, আমানত সুরক্ষা বিভাগের কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী অথবা নিয়োজিত অন্য কোনো ব্যক্তি তাহাদের দায়িত্ব পালনকালে উদ্ভূত পরিস্থিতির জন্য দায়ী থাকিবেন না এবং তাহাদের বিরুদ্ধে আদালতে কোনো দেওয়ানি, ফৌজদারি মামলা বা প্রশাসনিক বা অন্যান্য আইনগত কার্যধারা দায়ের বা পরিচালনা করা যাইবে না, যদি না প্রমাণিত হয়, উক্ত কার্যধারা অসৎ উদ্দেশ্যে, অসাবধানতা বা গুরুতর গাফিলতির সহিত সম্পাদিত হইয়াছে।
আমানত সুরক্ষা তহবিলের আর্থিক বিবরণী প্রতি অর্থ বৎসরে, ট্রাস্টি বোর্ড কর্তৃক নিয়োগকৃত নিরীক্ষক দ্বারা অর্থ বৎসর সমাপ্ত হইবার পরবর্তী ৩ (তিন) মাসের মধ্যে নিরীক্ষা সম্পন্ন করিতে হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, ট্রাস্টি বোর্ড, প্রয়োজনে, উক্ত সময় আরো ২ (দুই) মাস পর্যন্ত বৃদ্ধি করিতে পারিবে।
(১) নিরীক্ষক কর্তৃক প্রত্যায়িত, ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান কর্তৃক স্বাক্ষরিত এবং ট্রাস্টি বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত আমানত সুরক্ষা তহবিলের নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী অনুমোদনের ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে সরকারের নিকট প্রেরণ করিতে হইবে।
(২) নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী সরকারের নিকট প্রেরণের ৭ (সাত) কার্য দিবসের মধ্যে জনসাধারণের অবগতির জন্য প্রকাশ করিতে হইবে।
(১) এই অধ্যাদেশ বা আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, বাংলাদেশ ব্যাংক ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগ, কোনো সদস্য প্রতিষ্ঠানের আমানতকারীর আমানত সুরক্ষা প্রদানের লক্ষ্যে এই অধ্যাদেশের অধীন সরকার কর্তৃক অর্থায়ন বা অর্থায়নের ব্যবস্থা প্রয়োজন হইতে পারে এইরূপ পরিস্থিতির জন্য পূর্ব-পরিকল্পনা, প্রস্তুতি গ্রহণ ও সম্ভাব্য বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া সম্পর্কে পারস্পরিক তথ্য বিনিময় করিবে।
(২) উপ-ধারা (১) এ বর্ণিত সংশ্লিষ্ট সকলের জন্য the Official Secrets Act, 1923 (Act No. XIX of 1923) এর বিধানাবলি প্রযোজ্য হইবে।
এই অধ্যাদেশের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবে।
এই অধ্যাদেশের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, ট্রাস্টি বোর্ড, সরকারের অনুমোদনক্রমে, এই অধ্যাদেশ ও বিধিমালার সহিত সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া সাপেক্ষে, প্রবিধান প্রণয়ন করিতে পারিবে।
(১) ব্যাংক আমানত বীমা আইন, ২০০০ (২০০০ সনের ১৮ নং আইন), অতঃপর উক্ত আইন বলিয়া উল্লিখিত, এতদ্দ্বারা রহিত করা হইল।
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন রহিতকরণ সত্ত্বেও, উক্ত আইনের অধীন-
(৩) উপ-ধারা (১) এর অধীন রহিতকরণ সত্ত্বেও, উক্ত আইনের অধীন-
(৪) ব্যাংক আমানত বীমা আইন, ২০০০ এর অধীন সংরক্ষিত হিসাব বহি, রেজিস্টার, রেকর্ডপত্র এবং অন্যান্য দলিলাদি, নূতন প্রবিধান প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত বলবৎ বলিয়া গণ্য হইবে।
(১) এই অধ্যাদেশ প্রবর্তনের পর, সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই অধ্যাদেশের মূল বাংলা পাঠের ইংরেজিতে অনূদিত একটি নির্ভরযোগ্য পাঠ (Authentic English Text) প্রকাশ করিতে পারিবে।
(২) বাংলা ও ইংরেজি পাঠের মধ্যে বিরোধের ক্ষেত্রে বাংলা পাঠ প্রাধান্য পাইবে।