দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর অধিকতর সংশোধনকল্পে প্রণীত অধ্যাদেশ যেহেতু নিম্নবর্ণিত উদ্দেশ্যসমূহ পূরণকল্পে, দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ (২০০৪ সনের ৫ নং আইন) এর অধিকতর সংশোধন করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়; এবং যেহেতু সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থায় রহিয়াছে এবং রাষ্ট্রপতির নিকট ইহা সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইয়াছে যে, আশু ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রহিয়াছে; সেহেতু গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৩ (১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি নিম্নরূপ অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারি করিলেন:-
(১) এই অধ্যাদেশ দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ নামে অভিহিত হইবে।
(২) ইহা অবিলম্বে কার্যকর হইবে, তবে এই অধ্যাদেশ জারি হইবার পূর্বে গঠিত কমিশন ও যোগদানকৃত কমিশনারগণের ক্ষেত্রে এই অধ্যাদেশের ধারা ৬, ৭ ও ১০ প্রযোজ্য হইবে না।
"(২ক) বাংলাদেশের সকল নাগরিকের জন্য এই আইন প্রযোজ্য হইবে, তবে যেকোনো ব্যক্তি, বাংলাদেশের নাগরিক হউক বা না হউক, বাংলাদেশে অবস্থান করিয়া বা বাংলাদেশের বাহির হইতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে এই আইনের তফসিলে উল্লিখিত কোনো অপরাধ সংঘটন করিলে এই আইনের বিধানাবলি প্রযোজ্য হইবে।”।
উক্ত আইনের ধারা ২ এর
"(কক) "আদালত" অর্থে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও দায়রা আদালত অন্তর্ভুক্ত হইবে;
(ককক) "এজাহার" অর্থ তদন্তের উদ্দেশ্যে এই আইনের অধীন অপরাধ সংঘটনের সহিত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের নাম ও পরিচয়, অপরাধ সংঘটনের স্থান, সময় ও বিষয়বস্তু এবং যে প্রকারে উহা সংঘটিত হইয়াছে, ইত্যাদি সংবলিত কমিশনের কর্মকর্তা কর্তৃক লিখিত ও কমিশনের জেলা কার্যালয়ে দাখিলকৃত প্রাথমিক বিবরণী বা সংশ্লিষ্ট স্পেশাল জজ হইতে তদন্তের জন্য প্রেরিত অভিযোগ কিংবা ধারা ২০কক এর অধীন দায়েরকৃত এজাহার;
"(খখ) "গোপনীয় অনুসন্ধান (Undercover Inquiry)" অর্থ অন্যান্য আইনের
বিধানাবলী সাপেক্ষে নিজের পরিচয় গোপন রাখিয়া কোনো সন্দেহজনক কার্যকলাপ বা প্রাপ্ত তথ্য বা বার্তা পর্যবেক্ষণ, এতদসংক্রান্ত প্রমাণ সংগ্রহ ও উহার সত্যতা উদ্ঘাটনের লক্ষ্যে কমিশন বা কমিশন কর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি কর্তৃক পরিচালিত কার্যক্রম;";
"(ঘঘ) "তদন্ত" অর্থ অভিযোগ গৃহীত ও তদন্ত রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্ত হইবার পর সাক্ষ্য-প্রমাণ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে কমিশন বা কমিশন কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি কর্তৃক পরিচালিত কার্যক্রম;";
"(টটট) "সরকার" অর্থ কোন বিষয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা বিভাগ;"।
উক্ত আইনের ধারা ৩ এর উপ-ধারা (২) এর প্রথমোক্ত "কমিশন" শব্দটির পর "দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে" শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে।
উক্ত আইনের ধারা ৪ এর বিদ্যমান বিধান উপ-ধারা (১) হিসেবে পুনঃসংখ্যায়িত হইবে এবং অতঃপর নিম্নরূপ নূতন উপ-ধারা (২) সংযোজিত হইবে, যথা:-
"(২) দেশের যে সকল স্থানে কমিশনের কার্যালয় থাকিবে বা স্থাপিত হইবে সেই সকল স্থানে, উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ, কার্যালয় স্থাপনের অব্যবহিত পর এক বা একাধিক স্পেশাল জজ আদালত প্রতিষ্ঠা করিবে।"।
উক্ত আইনের ধারা ৫ এর উপ-ধারা (১) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (১) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-
"(১) কমিশন অন্যূন ১ (এক) জন নারী এবং অন্যূন ১ (এক) জন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ে দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা সম্পন্ন কমিশনারসহ অনধিক ৫ (পাঁচ) জন কমিশনারের সমন্বয়ে গঠিত হইবে এবং তাহাদের মধ্য হইতে রাষ্ট্রপতি ১ (এক) জনকে চেয়ারম্যান নিয়োগ করিবেন।"।
উক্ত আইনের ধারা ৬ এর উপ-ধারা (৩) এ উল্লিখিত "পাঁচ" শব্দটির পরিবর্তে "৪ (চার)" সংখ্যা, শব্দ ও বন্ধনী প্রতিস্থাপিত হইবে।
উক্ত আইনের ধারা ৭ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ৭ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-
"৭। বাছাই কমিটি গঠন, কার্যাবলি, ইত্যাদি। (১) কমিশনের কমিশনার পদে নিয়োগের জন্য সুপারিশ প্রদানের উদ্দেশ্যে নিম্নবর্ণিত সদস্য সমন্বয়ে একটি বাছাই কমিটি গঠিত হইবে, যথা:-
তবে শর্ত থাকে যে, জাতীয় সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থায় বাছাই কমিটি গঠনের প্রয়োজন হইলে দফা (ঙ)-তে উল্লিখিত ব্যক্তিগণ ছাড়াই বাছাই কমিটি গঠন করা যাইবে।
(২) কমিশনার পদে সুপারিশ প্রদানের উদ্দেশ্যে, এই আইনের অন্যান্য বিধানাবলি সাপেক্ষে, বাছাই কমিটি-
(৩) বাছাই কমিটি সাধারণত সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত গ্রহণের চেষ্টা করিবে এবং সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া সম্ভব না হইলে সভায় উপস্থিত সদস্যগণের সংখ্যাগরিষ্ঠের সিদ্ধান্ত বাছাই কমিটির সিদ্ধান্ত হিসাবে গণ্য হইবে, তবে সিদ্ধান্তের সমতার ক্ষেত্রে চেয়ারম্যান বা ক্ষেত্রবিশেষে, সভায় সভাপতিত্বকারী ব্যক্তি, নির্ণায়ক সিদ্ধান্ত প্রদান করিতে পারিবেন।
(৪) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ বাছাই কমিটির কার্যসম্পাদনে প্রয়োজনীয় সাচিবিক সহায়তা প্রদান করিবে।
(৫) অন্যূন ৫ (পাঁচ) জন সদস্যের উপস্থিতিতে বাছাই কমিটির কোরাম গঠিত হইবে, তবে যে ক্ষেত্রে ধারা ৭ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (ঙ)-তে উল্লিখিত ব্যক্তিগণ ছাড়া বাছাই কমিটি গঠিত হয়, সেইক্ষেত্রে ৪ (চার) জন সদস্যের উপস্থিতিতে বাছাই কমিটির কোরাম গঠিত হইবে।"।
উক্ত আইনের ধারা ৮ এর
"(১) আইন, আইন প্রণয়ন, শিক্ষা, প্রশাসন, বিচার, হিসাব বা নিরীক্ষা সংক্রান্ত পেশায় বা শৃঙ্খলা বাহিনী বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে যথাযথ পর্যায়ে কর্মের বা দুর্নীতি বিরোধী কার্যক্রমে অন্যূন ২০ (বিশ) বৎসরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কোনো ব্যক্তি কমিশনার হইবার যোগ্য বলিয়া বিবেচিত হইবেন।";
"(কক) বাংলাদেশ ব্যতীত অন্য কোন রাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি গ্রহণ করেন বা অন্য কোন রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব গ্রহণ করেন বা যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ব্যতিরেকে বিদেশে কোন বিনিয়োগ করেন;"।
উক্ত আইনের ধারা ১৪ এর উপ-ধারা (৪) এ উল্লিখিত "চেয়ারম্যানসহ দুই জন" শব্দসমূহের পরিবর্তে "চেয়ারম্যান ও ২ (দুই) জন" শব্দগুলি, সংখ্যা ও বন্ধনী প্রতিস্থাপিত হইবে।
উক্ত আইনের ধারা ১৫ এর উপ-ধারা (১) এর প্রান্তস্থিত "।" চিহ্নের পরিবর্তে "," চিহ্ন প্রতিস্থাপিত হইবে এবং অতঃপর "তবে বিশেষ জরুরি প্রয়োজনে উপযুক্ত কারণ উল্লেখ সাপেক্ষে নথিতে গৃহীত সিদ্ধান্তও কমিশন সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত বলিয়া গণ্য হইবে।” শব্দসমূহ ও চিহ্ন সন্নিবেশিত হইবে।
উক্ত আইনের ধারা ১৭ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ১৭ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-
"১৭। কমিশনের কার্যাবলী। কমিশন নিম্নবর্ণিত সকল বা যে কোনো কার্য সম্পাদন করিতে পারিবে, যথা:-
(১) দুর্নীতি দমন সংক্রান্ত কার্যাবলি, যথা:-
(২) দুর্নীতি প্রতিরোধ সংক্রান্ত কার্যাবলি, যথা:-
(৩) এনফোর্সমেন্ট ও গোয়েন্দা কার্যক্রম পরিচালনা করা।
(৪) দুর্নীতি প্রতিরোধ ও দমনের জন্য প্রয়োজনীয় হিসাবে বিবেচিত অন্য যে কোনো কার্য সম্পাদন করা।"।
উক্ত আইনের ধারা ২০এর উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত "উহার" শব্দটির পরিবর্তে "ইহার" শব্দটি প্রতিস্থাপিত হইবে।
উক্ত আইনের ধারা ২০ক এর উপ-ধারা (১) এর প্রান্তস্থিত "।" চিহ্নের এর পরিবর্তে ":" চিহ্ন প্রতিস্থাপিত হইবে এবং অতঃপর "তবে, উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে তদন্তকার্যক্রম সম্পন্ন না হইবার যুক্তিসংগত কারণ থাকিলে তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদনক্রমে কেবল বিশেষ ও ব্যতিক্রমধর্মী পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে কমিশন উপযুক্ত মনে করিলে কারণ উল্লেখ সাপেক্ষে আরও অনধিক ৬০ (ষাট) কর্মদিবস সময় বৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনা করিতে পারিবে।" শব্দগুলি, সংখ্যা ও চিহ্ন সন্নিবেশিত হইবে।
উক্ত আইনের ধারা ২০ক এর পর নিম্নরূপ নূতন ধারা ২০কক সন্নিবেশিত হইবে, যথা:-
"২০কক। সরাসরি এজাহার দায়ের, গোপন ও তদন্তপূর্ব অনুসন্ধান, ইত্যাদি। (১) লিখিতভাবে কোন সুনির্দিষ্ট ব্যক্তির নিকট হইতে এই আইনের তফসিলে উল্লিখিত অপরাধ সংঘটনের সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রাপ্তির ক্ষেত্রে কেবল কমিশনের প্রধান কার্যালয় কর্তৃক যাছাই-বাছাই অন্তে কমিশনের সিদ্ধান্ত সাপেক্ষে সরাসরি এজাহার দায়েরের অনুমতি প্রদান করা যাইবে এবং সেইক্ষেত্রে তদন্তপূর্ব অনুসন্ধানের প্রয়োজন পড়িবে না।
(২) কোন আদালতের বিচারিক আদেশের অনুলিপি বা প্রশাসনিক চিঠি হইতে বা কোন সরকারি বা সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান হইতে তাহার নিজস্ব অনুসন্ধানে বা তদন্তে প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত এই আইনের তফসিলে উল্লিখিত অপরাধ সংঘটনের সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রাপ্তির ক্ষেত্রে কমিশন সরাসরি এজাহার দায়ের করিবে এবং সেইক্ষেত্রে যাছাই-বাছাই বা তদন্তপূর্ব অনুসন্ধানের প্রয়োজন পড়িবে না।
(৩) উপ-ধারা (১) ও (২) এ উল্লিখিত ক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে তথ্য বা বার্তার গুরুত্ব বিবেচনায় কমিশন স্বীয় তত্ত্বাবধানে যাছাই-বাছাই এবং অনুসন্ধান বা গোপন অনুসন্ধান করিতে পারিবে।
(৪) প্রযোজ্য ক্ষেত্রে প্রাপ্ত অভিযোগের উপর গৃহীত ব্যবস্থা সম্পর্কে অভিযোগকারীকে অবহিত করিতে হইবে।"।
উক্ত আইনের ধারা ২১ বিলুপ্ত হইবে।
উক্ত আইনের ধারা ২৩ এর উপান্তটিকায় উল্লিখিত "অভিযোগের" শব্দটির পর "অনুসন্ধান বা" শব্দটি সন্নিবেশিত হইবে।
উক্ত আইনের ধারা ২৫ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ২৫ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-
"২৫। কমিশনের আর্থিক স্বধীনতা। (১) সরকার প্রতি অর্থ বৎসরে কমিশনের ব্যয়ের জন্য, কমিশন হইতে প্রাপ্ত প্রস্তাব বিবেচনাক্রমে, উহার অনুকূলে বাজেটে নির্দিষ্টকৃত অর্থ বরাদ্দ করিবে, এবং অনুমোদিত ও নির্ধারিত খাতে উক্ত বরাদ্দকৃত অর্থ হইতে ব্যয় করিবার ক্ষেত্রে সরকারের পূর্বানুমোদন গ্রহণ করা কমিশনের জন্য আবশ্যক হইবে না:
তবে, শর্ত থাকে যে, সময়ে সময়ে সরকার কর্তৃক জারীকৃত বন্ধকৃত ব্যয় সম্পর্কিত বিধি-বিধান প্রযোজ্য হইবে।
(২) এই ধারার বিধান দ্বারা সংবিধানের ১২৮ অনুচ্ছেদে প্রদত্ত মহা হিসাব-নিরীক্ষকের অধিকার ক্ষুন্ন করা যাইবে না।"।
উক্ত আইনের ধারা ২৬ এর
"(৩) এই ধারার বিধানসমূহ কমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণের ক্ষেত্রেও সমভাবে প্রয়োগযোগ্য হইবে।"।
উক্ত আইনের ধারা ২৭ এর উপ-ধারা (২) এর পর নিম্নরূপ উপ-ধারা (৩) সংযোজিত হইবে, যথা:-
"(৩) এই ধারার বিধানসমূহ কমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণের ক্ষেত্রেও সমভাবে প্রয়োগযোগ্য হইবে।"।
উক্ত আইনের ধারা ২৮ এর
"(৪) এই আইনের অধীন ও ইহার তফসিলে উল্লিখিত অপরাধসমূহের বিচারকালে কোন ব্যক্তি অপরাধ স্বীকার করিয়া জরিমানা বা ক্ষতিপূরণ বা উভয়ই প্রদান করিতে সম্মত হইলে স্পেশাল জজ ন্যায়বিচারের স্বার্থে উপযুক্ত মনে করিলে উক্ত ব্যক্তির সাজা পূর্ণাঙ্গ বা আংশিক মার্জনা করিতে পারিবেন।"।
উক্ত আইনের ধারা ২৮ক এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ২৮ক প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-
"২৮ক। আমলযোগ্যতা, জামিন অযোগ্যতা, ইত্যাদি। অন্য কোনো আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন ও ইহার তফসিলে উল্লিখিত অপরাধসমূহ আমলযোগ্য (cognizable), আপোষ অযোগ্য (non-compundable) এবং অ-জামিনযোগ্য (non-bailbale) হইবে।"।
উক্ত আইনের ধারা ২৯ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ২৯ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-
"২৯। বার্ষিক ও অন্যান্য প্রতিবেদন।(১) প্রতি পঞ্জিকা বৎসরের মার্চ মাসের মধ্যে কমিশন পূর্ববর্তী বৎসরের সম্পাদিত উহার কার্যাবলী সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করিবে এবং রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করিবার ৭ (সাত) কার্যদিবসের মধ্যে কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করিবে।
(২) এই ধারার অধীন প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর রাষ্ট্রপতি উহা জাতীয় সংসদে উপস্থাপনের ব্যবস্থা করিবেন।
(৩) জাতীয় সংসদ প্রতিবেদনটি পর্যালোচনার জন্য সংশ্লিষ্ট সংসদীয় স্থায়ী কমিটির নিকট প্রেরণ করিবেন এবং কমিটি উহা পর্যালোচনা করিয়া প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদান করিতে পারিবে, যাহা জাতীয় সংসদে আলোচিত হইবে।
(৪) কমিশন ষান্মাসিক ভিত্তিতে সর্বসাধারণের জন্য কমিশনের ওয়েবসাইটে কমিশনের কার্যক্রমের প্রতিবেদন প্রকাশ করিবে যাহাতে নিম্নরূপ বিষয় অন্তর্ভুক্ত হইবে, যথা:-
উক্ত আইনের ধারা ৩২ক বিলুপ্ত হইবে।
উক্ত আইনের তফসিলের দফা (ঘ) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ দফা (ঘ) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-
"(ঘ) মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ (২০১২ সনের ৫ নং আইন) এর অধীন ঘুষ ও দুর্নীতি, দলিল দস্তাবেজ জালকরণ, প্রতারণা, জালিয়াতি, দেশি ও বিদেশি মুদ্রা পাচার, চোরাচালানী ও শুল্ক সংক্রান্ত অপরাধ, কর সংক্রান্ত অপরাধ ও পুঁজি বাজার সম্পর্কিত মূল্য সংবেদনশীল তথ্য-জনসম্মুখে প্রকাশিত হওয়ার পূর্বে তাহার কাজে লাগাইয়া শেয়ার লেনদেনের মাধ্যমে বাজার সুবিধা গ্রহণ ও ব্যক্তিগত বা প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধার লক্ষ্যে বাজার নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা (Insider Trading & Market Manipulation) সংক্রান্ত অপরাধসমূহ;"।