আইনগত সহায়তা প্রদান (দ্বিতীয় সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর অধিকতর সংশোধনকল্পে প্রণীত অধ্যাদেশ
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর অধিকতর সংশোধনকল্পে প্রণীত অধ্যাদেশ যেহেতু নিম্নবর্ণিত উদ্দেশ্যসমূহ পূরণকল্পে আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ (২০০০ সনের ৬ নং আইন) এর অধিকতর সংশোধন করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়; এবং যেহেতু সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থায় রহিয়াছে এবং রাষ্ট্রপতির নিকট ইহা সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইয়াছে যে, আশু ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রহিয়াছে; সেহেতু গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি নিম্নরূপ অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারি করিলেন:-
Section ১. সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন
(১) এই অধ্যাদেশ আইনগত সহায়তা প্রদান (দ্বিতীয় সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬ নামে অভিহিত হইবে।
(২) ইহা অবিলম্বে কার্যকর হইবে।
Section ২. ২০০০ সনের ৬ নং আইনের পূর্ণ শিরোনাম ও প্রস্তাবনা সংশোধন
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ (২০০০ সনের ৬ নং আইন), অতঃপর উক্ত আইন বলিয়া উল্লিখিত, এর পূর্ণ শিরোনাম ও প্রস্তাবনায় উল্লিখিত “আইনগত সহায়তা” শব্দগুলির পর “এবং অধিকতর জনমুখী বিচার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় বিচারপ্রার্থী জনগণকে স্বল্প সময়ে কম খরচে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি সেবা” শব্দগুলি সন্নিবেশিত হইবে।
Section ৩. ২০০০ সনের ৬ নং আইনের ধারা ২ এর সংশোধন
উক্ত আইনের ধারা ২ এর-
“(ক) “অধিদপ্তর” অর্থ ধারা ৩ এর অধীন প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তর;”;
“(ঘ) “সভাপতি” অর্থ জাতীয় উপদেষ্টা পরিষদ এর সভাপতি;”;
“(ছ) “মহাপরিচালক” অর্থ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক;”;
“(জজ) “প্যানেল আইনজীবী” অর্থ ধারা ১৫ এর অধীন তালিকাভুক্ত আইনজীবী;”;
“(ঙঙ) “জাতীয় উপদেষ্টা পরিষদ” অর্থ ধারা ৬ এর অধীন গঠিত জাতীয় উপদেষ্টা পরিষদ;”;
“(ণণ) “মহানগর কমিটি” অর্থ এই আইনের অধীন গঠিত মহানগর কমিটি;”;
Section ৪. ২০০০ সনের ৬ নং আইনের ধারা ৩ এর প্রতিস্থাপন
উক্ত আইনের ধারা ৩ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ৩ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-
“৩। বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা।- সরকার, অবিলম্বে, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তর নামে একটি অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা করিবে।”।
Section ৫. ২০০০ সনের ৬ নং আইনের ধারা ৪ এর প্রতিস্থাপন
উক্ত আইনের ধারা ৪ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ৪ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-
“৪। অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়, ইত্যাদি।-(১) অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয় ঢাকায় অবস্থিত হইবে।
(২) সরকার, প্রয়োজনবোধে, ঢাকা বা ঢাকার বাহিরে যে কোনো স্থানে ইহার শাখা কার্যালয় স্থাপন করিতে পারিবে।”।
Section ৬. ২০০০ সনের ৬ নং আইনের ধারা ৫ এর প্রতিস্থাপন
উক্ত আইনের ধারা ৫ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ৫ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-
“৫। অধিদপ্তরের এখতিয়ার, ইত্যাদি।-(১) অধিদপ্তর বাংলাদেশে আইনগত সহায়তা সেবা সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সরকারিভাবে এখতিয়ারসম্পন্ন একমাত্র প্রতিষ্ঠান হিসাবে দায়িত্ব পালন করিবে।
(২) বাংলাদেশে আইনগত সহায়তা সেবা সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনার সাথে সম্পৃক্ত বেসরকারি সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানসমূহের কর্ম এলাকা নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট সরকারি প্রতিষ্ঠানকে সুপারিশ বা মতামত প্রদান করিতে পারিবে এবং সময় সময় তাহাদের আইনগত সহায়তা প্রদান কার্যক্রমসমূহ পর্যবেক্ষণ করিবে।
(৩) পেশাদার মধ্যস্থতাকারী সৃষ্টির উদ্দেশ্যে প্রশিক্ষণ কার্যক্রমসহ মধ্যস্থতার সনদ প্রদান করিবে।
(৪) প্রবাসী নাগরিক ও বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশী শ্রমিকদের আইনগত সহায়তা প্রদানের জন্য বিভিন্ন দূতাবাসে লিগ্যাল এইড অফিসার পদায়নে সরকারকে সুপারিশ ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করিবে।
(৫) অধিদপ্তর এই ধারার বিধান বাস্তবায়নকল্পে প্রয়োজনীয় যেকোনো নির্দেশনা প্রস্তুত ও জারি করিতে পারিবে।”।
Section ৭. ২০০০ সনের ৬ নং আইনের ধারা ৬ এর প্রতিস্থাপন
উক্ত আইনের ধারা ৬ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ৬ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-
“৬। জাতীয় উপদেষ্টা পরিষদ।-(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, আইনগত সহায়তা কার্যক্রম উন্নয়ন বিষয়ক নীতিমালা ও পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং আনুষঙ্গিক অন্যান্য বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও দিক-নির্দেশনা প্রদান ও বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যবেক্ষণের নিমিত্ত জাতীয় উপদেষ্টা পরিষদ নামে একটি পরিষদ থাকিবে।
(২) জাতীয় উপদেষ্টা পরিষদ নিম্নবর্ণিত ১৫ (পনের) জন সদস্য সমন্বয়ে গঠিত হইবে, যথা:-
(৩) উপ-ধারা (১) এর দফা (ঢ) এ উল্লিখিত সদস্যগণের প্রত্যেকে স্ব স্ব মনোনয়ন প্রাপ্তির তারিখ হইতে ২ (দুই) বৎসর মেয়াদে স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, উপযুক্ত কারণ উদ্ভব হইলে সরকার উপ-ধারা (১) এর দফা (ঢ) এ উল্লিখিত সদস্যগণের যে কাহারো মনোনয়ন মেয়াদপূর্তির পূর্বেই বাতিল করিতে পারিবে:
আরও শর্ত থাকে যে, উপ-ধারা (১) এর দফা (ঢ) এ উল্লিখিত সদস্যগণ সরকার বরাবর পদত্যাগপত্র প্রেরণপূর্বক স্বীয় পদ হইতে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করিতে পারিবেন।”।
Section ৮. ২০০০ সনের ৬ নং আইনের ধারা ৭ এর প্রতিস্থাপন
উক্ত আইনের ধারা ৭ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ৭ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-
“৭। অধিদপ্তরের দায়িত্ব ও কার্যাবলি।-(১) অধিদপ্তরের দায়িত্ব ও কার্যাবলি হইবে নিম্নরূপ, যথা:-
(২) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, অধিদপ্তর, সরকার কর্তৃক নির্ধারিত, অন্যান্য কার্যও সম্পাদন করিবে।”।
Section ৯. ২০০০ সনের ৬ নং আইনের ধারা ৮ এর প্রতিস্থাপন
উক্ত আইনের ধারা ৮ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ৮ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-
“৮। জাতীয় উপদেষ্টা পরিষদের সভা।-(১) বৎসরে কমপক্ষে ২ (দুই) বার পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত হইবে।
(২) পরিষদ উহার সভার কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করিতে পারিবে।
(৩) সভাপতি কর্তৃক নির্ধারিত স্থান, তারিখ ও সময়ে পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত হইবে।
(৪) সভাপতি পরিষদের সকল সভায় সভাপতিত্ব করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, সভাপতির অনুপস্থিতিতে পরিষদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য কর্তৃক মনোনীত কোনো সদস্য সভায় সভাপতিত্ব করিতে পারিবেন।
(৫) পরিষদের মোট সদস্যের এক-তৃতীয়াংশের উপস্থিতিতে সভার কোরাম গঠিত হইবে এবং সভায় উপস্থিত সদস্যগণের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে পরিষদের সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে।
(৬) উপদেষ্টা পরিষদ, প্রয়োজনবোধে, উহার কোনো সভায় পর্যবেক্ষক বা পরামর্শক হিসেবে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে আমন্ত্রণ জানাইতে পারিবে।”।
Section ১০. ২০০০ সনের ৬ নং আইনের ধারা ৮ক এর সংশোধন
উক্ত আইনের ধারা ৮ক এর উপ-ধারা (১) এর-
Section ১১. ২০০০ সনের ৬ নং আইনের ধারা ৮খ এর প্রতিস্থাপন
উক্ত আইনের ধারা ৮খ ও ৮গ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ৮খ ও ৮গ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-
“৮খ। সুপ্রীম কোর্ট কমিটির দায়িত্ব ও কার্যাবলি।-সুপ্রীম কোর্ট কমিটির দায়িত্ব ও কার্যাবলি হইবে নিম্নরূপ, যথা:-
৮গ। সুপ্রীম কোর্ট কমিটির সভা।-(১) বৎসরে কমপক্ষে ২ (দুই) বার কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হইবে।
(২) কমিটি উহার সভার কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করিতে পারিবে।
(৩) সভাপতি কর্তৃক নির্ধারিত স্থান, তারিখ ও সময়ে পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত হইবে।
(৪) সভাপতি কমিটির সকল সভায় সভাপতিত্ব করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, সভাপতির অনুপস্থিতিতে কমিটির সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য কর্তৃক মনোনীত কোনো সদস্য সভায় সভাপতিত্ব করিতে পারিবেন।
(৫) কমিটির মোট সদস্যের এক-তৃতীয়াংশের উপস্থিতিতে সভার কোরাম গঠিত হইবে এবং সভায় উপস্থিত সদস্যগণের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে কমিটির সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে।”।
Section ১২. ২০০০ সনের ৬ নং আইনের ধারা ৯ এর সংশোধন
উক্ত আইনের ধারা ৯ এর-
Section ১৩. ২০০০ সনের ৬ নং আইনের ধারা ১০ এর প্রতিস্থাপন
উক্ত আইনের ধারা ১০ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ১০ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা: -
“১০। জেলা কমিটির দায়িত্ব ও কার্যাবলি।-জেলা কমিটির দায়িত্ব ও কার্যাবলি হইবে নিম্নরূপ, যথা:-
Section ১৪. ২০০০ সনের ৬ নং আইনের ধারা ১১ এর প্রতিস্থাপন
উক্ত আইনের ধারা ১১ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ১১ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-
“১১। জেলা কমিটির সভা।- (১) প্রতি মাসে কমপক্ষে ১ (এক) বার কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হইবে;
(২) কমিটি উহার সভার কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করিতে পারিবে;
(৩) সভাপতি কর্তৃক নির্ধারিত স্থান, তারিখ ও সময়ে কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হইবে;
(৪) সভাপতি কমিটির সকল সভায় সভাপতিত্ব করিবেন;
তবে শর্ত থাকে যে, সভাপতির অনুপস্থিতিতে কমিটির সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য কর্তৃক মনোনীত কোনো সদস্য সভায় সভাপতিত্ব করিতে পারিবেন।
(৫) কমিটির মোট সদস্যের এক-তৃতীয়াংশের উপস্থিতিতে সভার কোরাম গঠিত হইবে এবং সভায় উপস্থিত সদস্যগণের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে কমিটির সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে।”।
Section ১৫. ২০০০ সনের ৬ নং আইনের ধারা ১২ এর সংশোধন
উক্ত আইনের ধারা ১২ এর উপ-ধারা (১) ও উপ-ধারা (৩) এ উল্লিখিত “সংস্থা” শব্দটির পরিবর্তে “অধিদপ্তর” ও “সংস্থার” শব্দটির পরিবর্তে “অধিদপ্তরের” শব্দটি প্রতিস্থাপিত হইবে।
Section ১৬. ২০০০ সনের ৬ নং আইনের ধারা ১২ক এর সংশোধন
উক্ত আইনের ধারা ১২ক এর উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত "সংস্থা" শব্দটির পরিবর্তে “অধিদপ্তর” শব্দটি প্রতিস্থাপিত হইবে।
Section ১৭. ২০০০ সনের ৬ নং আইনের ধারা ১৩ এর প্রতিস্থাপন
উক্ত আইনের ধারা ১৩ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ১৩ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-
“১৩। মহানগর কমিটি।-(১) প্রত্যেক মহানগরে অধিদপ্তরের একটি মহানগর কমিটি থাকিবে এবং নিম্নবর্ণিত সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত হইবে, যথা:-
(২) মহানগর এলাকায় কর্মরত বিভাগীয় স্পেশাল জজ বা স্পেশাল জজ থাকিলে, উক্ত স্পেশাল জজ ও বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর মহানগর কমিটির সদস্য হইবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, মহানগরে একাধিক স্পেশাল জজ থাকিলে কর্মরত বিচারকগণের মধ্যে যিনি জ্যেষ্ঠ এবং নিয়োগপ্রাপ্ত বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটরগণের মধ্যে যিনি জ্যেষ্ঠ, তিনি সদস্য হইবেন ৷
(৩) যেসকল মহানগরে সিটি কর্পোরেশন রহিয়াছে সেই সকল মহানগর কমিটিতে সংশ্লিষ্ট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র কর্তৃক মনোনীত দুইজন কাউন্সিলর সদস্য হইবেন; যাহাদের মধ্যে ১ (এক) জন নারী সদস্য থাকিবেন।
(৪) মনোনীত সদস্যগণ মনোনয়নের তারিখ হইতে ২ (দুই) বৎসর মেয়াদে স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বেই মনোনয়নকারী কর্তৃপক্ষ উপযুক্ত কারণ দর্শাইয়া উক্তরূপ কোনো সদস্যকে তাহার পদ হইতে অপসারণ করিতে পারিবে:
আরও শর্ত থাকে যে, উক্তরূপ কোনো সদস্য সরকারের উদ্দেশ্যে স্বীয় স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে পদত্যাগ করিতে পারিবেন।”।
Section ১৮. ২০০০ সনের ৬ নম্বর আইনের ধারা ১৩ক এর প্রতিস্থাপন
উক্ত আইনের ধারা ১৩ক এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ১৩ক প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-
“১৩ক। মহানগর কমিটির দায়িত্ব ও কার্যাবলি।-মহানগর কমিটির দায়িত্ব ও কার্যাবলি হইবে নিম্নরূপ, যথা:-
Section ১৯. ২০০০ সনের ৬ নং আইনের ধারা ১৪ এর প্রতিস্থাপন
উক্ত আইনের ধারা ১৪ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ১৪ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা: -
“১৪। মহানগর কমিটির সভা।-(১) বৎসরে কমপক্ষে ৪ (চার) বার কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হইবে;
(২) কমিটি সভার কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করিতে পারিবে;
(৩) সভাপতি কর্তৃক নির্ধারিত স্থান, তারিখ ও সময়ে কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হইবে;
(৪) সভাপতি কমিটির সকল সভায় সভাপতিত্ব করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, সভাপতির অনুপস্থিতিতে কমিটির সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য কর্তৃক মনোনীত কোনো সদস্য সভায় সভাপতিত্ব করিতে পারিবেন;
(৫) কমিটির মোট সদস্যের এক-তৃতীয়াংশের উপস্থিতিতে সভার কোরাম গঠিত হইবে এবং সভায় উপস্থিত সদস্যগণের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে কমিটির সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে।”।
Section ২০. ২০০০ সনের ৬ নং আইনের ধারা ১৪ক এর প্রতিস্থাপন
উক্ত আইনের ধারা ১৪ক এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ১৪ক প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা: -
“১৪ক। বেসরকারি সংস্থার কর্ম এলাকা অবহিতকরণ, ইত্যাদি।-(১) আইনগত সহায়তা প্রদান বা মধ্যস্থতা কার্যক্রমের সাথে সম্পৃক্ত বেসরকারি সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান তাহাদের কর্ম এলাকা বা প্রকল্প এলাকা বিষয়ে অধিদপ্তরকে অবহিত করিবে এবং অধিদপ্তর বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার কর্ম এলাকা বিষয়ে একটি তালিকা প্রস্তুত করিবে।
(২) বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংস্থাসমূহ তাহাদের আইনগত সহায়তা প্রদান ও মধ্যস্থতা কার্যক্রমের ত্রৈমাসিক প্রতিবেদন অধিদপ্তরের নিকট পেশ করিবে এবং অধিদপ্তরের ডেটাবেইজ সিস্টেমে উহা সংরক্ষিত হইবে।
(৩) অধিদপ্তর উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আইনগত সহায়তা প্রদান কার্যক্রম বিষয়ে সরকারি ও বেসরকারি খাতের সমন্বিত প্রতিবেদন বার্ষিক জাতীয় প্রতিবেদনে অর্ন্তভুক্ত করিবে।”।
Section ২১. ২০০০ সনের ৬ নং আইনের ধারা ১৫ এর সংশোধন
উক্ত আইনের ধারা ১৫ এর-
“(২কক) মহানগর কমিটি এই আইনের আওতায় প্রদত্ত আইনগত সহায়তার অধীনে মহানগর দায়রা জজ আদালত, চীফ মেট্রিাপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বা অধীন অন্যান্য আদালতে দায়েরযোগ্য বা দায়েরকৃত মামলার পরামর্শদান ও মামলা পরিচালার জন্য সংশ্লিষ্ট আদালতে মামলা পরিচালনায় অন্যূন ৫ (পাঁচ) বৎসরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন আইনজীবীগণের মধ্য হইতে একটি তালিকা প্রণয়ন করিবে।”।
Section ২২. ২০০০ সনের ৬ নং আইনের ধারা ১৫ক এর সংশোধন
উক্ত আইনের ধারা ১৫ক এর উপ-ধারা (১) ও উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত “সংস্থা” শব্দটির পরিবর্তে “অধিদপ্তর” শব্দটি প্রতিস্থাপিত হইবে।
Section ২৩. ২০০০ সনের ৬ নং আইনের ধারা ১৫খ এর সন্নিবেশ
উক্ত আইনের ধারা ১৫ক এর পর নিম্নরূপ নূতন ধারা ১৫খ ও ১৫গ সন্নিবেশিত হইবে, যথা:-
“১৫খ। মধ্যস্থতাকারীর সনদ, মেয়াদ, নবায়ন ও বাতিলকরণ ইত্যাদি।-(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, পেশাদার মধ্যস্থতাকারী সৃষ্টি, তালিকাভুক্তকরণ এবং তাহাদের দক্ষতা বৃদ্ধি নিশ্চিত করিবার জন্য অধিদপ্তর বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে মধ্যস্থতাকারীকে সনদ প্রদান করিবে।
(২) সনদ প্রদানের লক্ষ্যে আবেদন যাচাই-বাছাই, মূল্যায়ন ও পরীক্ষা গ্রহণপূর্বক তালিকাভুক্তির জন্য অধিদপ্তরের একটি ‘মধ্যস্থতাকারী সনদ কমিটি’ থাকিবে, যাহা নিম্নবর্ণিত সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত হইবে, যথা:-
তবে শর্ত থাকে যে, কমিটি প্রয়োজন মনে করিলে যে কোনো উপযুক্ত ব্যক্তিকে সদস্য হিসেবে কো-অপ্ট করিতে পারিবে।
(৩) “মধ্যস্থতাকারী সনদ কমিটি”, সনদ প্রদান বা মধ্যস্থতাকারী তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে বিভিন্ন জেলা, উপজেলা বা আদালত কেন্দ্রিক মধ্যস্থতাকারীর বাস্তব চাহিদার সহিত সঙ্গতি রক্ষা করিবে।
(৪) সনদ প্রাপ্তির জন্য আবেদন প্রক্রিয়া, ন্যূনতম যোগ্যতা, প্রশিক্ষণ, আচরণবিধি, মূল্যায়ন ও পরীক্ষা পদ্ধতি এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক বিষয়াবলি সরকার কর্তৃক প্রণীত বিধি বা অধিদপ্তর কর্তৃক জারিকৃত আদেশ দ্বারা নির্ধারিত হইবে।
(৫) প্রত্যেক সনদপ্রাপ্ত মধ্যস্থতাকারীর লাইসেন্সের মেয়াদ প্রাথমিকভাবে ৫ (পাচঁ) বছর হইবে এবং নির্ধারিত শর্তসাপেক্ষে বিধি বা অধিদপ্তরের আদেশ দ্বারা প্রণীত পদ্ধতিতে নবায়নযোগ্য হইবে।
(৬) কোনো সনদপ্রাপ্ত মধ্যস্থতাকারী কর্তৃক শর্ত ভঙ্গ বা অসদাচরণ সংঘটিত হইলে অধিদপ্তর, বিধি বা অধিদপ্তরের আদেশ দ্বারা নির্ধারিত প্রক্রিয়ায়, সতর্কীকরণ, লাইসেন্স স্থগিতকরণ বা বাতিলকরণসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারিবে।
(৭) লাইসেন্স বাতিল বা স্থগিতকরণের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ কোনো মধ্যস্থতাকারী প্রশাসনিক মন্ত্রণালয়ের সচিব বা সচিব কর্তৃক মনোনীত কোনো কর্মকর্তা বরাবর নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে আপিল করিতে পারিবে, এবং আপিল প্রক্রিয়া বিধি বা অধিদপ্তরের আদেশ দ্বারা নির্ধারিত হইবে।
(৮) অধিদপ্তর সময় সময় সকল সনদপ্রাপ্ত মধ্যস্থতাকারীর তালিকা সরকারি গেজেট ও উহার ওয়েবসাইটে প্রকাশ করিবে।
১৫গ। সনদপ্রাপ্ত মধ্যস্থতাকারীর কার্যক্রমের স্বীকৃতি (Accreditation) ইত্যাদি।-সনদপ্রাপ্ত মধ্যস্থতাকারী, বিধিমালা বা অধিদপ্তরেরে আদেশের আলোকে, যেসকল মধ্যস্থতা কার্যক্রম নিষ্পত্তি করিবে তাহা চীফ লিগ্যাল এইড অফিসার কর্তৃক স্বীকৃতি (Accreditation) পাইবার উদ্দেশ্যে তাহার নিকট উপস্থাপন করিবে এবং তদুদ্দেশ্যে চীফ লিগ্যাল এইড অফিসার যাচাইপূর্বক প্রত্যায়ন করিতে পারিবে এবং চীফ লিগ্যাল এইড অফিসার কর্তৃক প্রত্যায়িত প্রতিটি মধ্যস্থতা চুক্তির ক্ষেত্রে ২১গ ধারার বিধান কার্যকর হইবে।”।
Section ২৪. ২০০০ সনের ৬ নং আইনের ধারা ১৬ এর প্রতিস্থাপন
উক্ত আইনের ধারা ১৬ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ১৬ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা: -
“১৬৷ আইনগত সহায়তার জন্য আবেদন।-(১) এই আইনের অধীন আইনগত সহায়তার জন্য সকল আবেদন অধিদপ্তরের অধীন সুপ্রীম কোর্ট লিগ্যাল এইড কার্যালয় বা আঞ্চলিক, জেলা বা উপজেলার লিগ্যাল এইড কার্যালয়ে সরাসরি বা অনলাইনে দাখিল করিতে পারিবে।
(২) এই আইনের অধীন কোনো আবেদন বা দরখাস্ত কোনো কার্যালয় কর্তৃক অগ্রাহ্য হইলে সংক্ষুদ্ধ বিচারপ্রার্থী উক্তরূপ সিদ্ধান্তের তারিখ হইতে ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের নিকট আপীল পেশ করিতে পারিবেন এবং এই ব্যাপারে মহাপরিচালকের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে।”।
Section ২৫. ২০০০ সনের ৬ নং আইনের ধারা ১৭ এর সংশোধন
উক্ত আইনের ধারা ১৭ এ উল্লিখিত “সংস্থা” শব্দটির পরিবর্তে “অধিদপ্তর” এবং “সংস্থার” শব্দটির পরিবর্তে “অধিদপ্তরের” শব্দটি প্রতিস্থাপিত হইবে।
Section ২৬. ২০০০ সনের ৬ নং আইনের ধারা ১৮ এর সংশোধন
উক্ত আইনের ধারা ১৮ এর-
Section ২৮. ২০০০ সনের ৬ নং আইনের ধারা ২০ এর প্রতিস্থাপন
উক্ত আইনের ধারা ২০ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ২০ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা: -
“২০৷ প্রতিবেদন।-(১) সরকার, অধিদপ্তরের নিকট হইতে যেকোনো সময় উহার কার্যপরিধিভুক্ত যেকোনো বিষয়ের উপর প্রতিবেদন বা বিবরণী আহ্বান করিতে পারিবে এবং অধিদপ্তর উহা সরবরাহ করিবে।
(২) অধিদপ্তর আঞ্চলিক, জেলা বা উপজেলার বা যেকোনো স্থানে স্থাপিত উহার অধীন কোনো কার্যালয় হইতে যেকোনো সময় উহার কার্যপরিধিভুক্ত যেকোনো বিষয়ের উপর প্রতিবেদন বা বিবরণী আহ্বান করিতে পারিবে এবং কার্যালয়সমূহ উহা সরবরাহ করিবে।”।
Section ২৯. ২০০০ সনের ৬ নং আইনের ধারা ২১ক এর সংশোধন
উক্ত আইনের ধারা ২১ক এর উপ-ধারা (১) ও উপ-ধারা (১ক) এ উল্লিখিত “সংস্থা” শব্দটির পরিবর্তে “অধিদপ্তর” শব্দটি প্রতিস্থাপিত হইবে।
Section ২৯. ২০০০ সনের ৬ নং আইনের ধারা ২১ এর প্রতিস্থাপন
উক্ত আইনের ধারা ২১ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ২১ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-
“২১। মহাপরিচালক, নিয়োগ, দায়িত্ব ও কার্যাবলি, ইত্যাদি।-(১) অধিদপ্তরের ১ (এক) জন মহাপরিচালক থাকিবেন, যিনি অধিদপ্তরের প্রধান নির্বাহী হইবেন।
(২) অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, অতিরিক্ত মহাপরিচালক, পরিচালক, উপ-পরিচালক, সহকারী পরিচালক বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিসের যথাক্রমে জেলা জজ, অতিরিক্ত জেলা জজ, যুগ্ম জেলা জজ, সিনিয়র সিভিল জজ, সিভিল জজগণের মধ্য হইতে নিয়োগপ্রাপ্ত হইবে।
(৩) মহাপরিচালকের দায়িত্ব হইবে নিম্নরূপ, যথা:-
(৪) মহাপরিচালক এই আইনের বিধানাবলি সাপেক্ষে এবং সময় সময়, সরকার কর্তৃক প্রদত্ত নির্দেশনা প্রতিপালন, কার্যাবলি সম্পাদন, ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করিবেন।
(৫) অধিদপ্তরের কার্যাবলি সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের উদ্দেশ্যে, সরকার কর্তৃক অনুমোদিত সাংগঠনিক কাঠামো অনুযায়ী অধিদপ্তরের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মচারী থাকিবে এবং তাহার বেতন, ভাতা ও চাকুরীর অন্যান্য শর্তাদি বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, বিধি প্রণয়ন না হওয়া পর্যন্ত কর্মচারীর বেতন, ভাতা ও চাকুরীর অন্যান্য শর্তাদি সরকার কর্তৃক জারিকৃত আদেশ বা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বিদ্যমান বিধি বা আদেশ দ্বারা নির্ধারিত হইবে।”।
Section ৩০. ২০০০ সনের ৬ নং আইনের ধারা ২১ঙ এর সংশোধন
উক্ত আইনের ধারা ২১ঙ এ “বোর্ড, চেয়ারম্যান, সদস্য, নির্বাহী পরিচালক বা সংস্থার” শব্দগুলি ও চিহ্নগুলির পরিবর্তে “জাতীয় উপদেষ্টা পরিষদ বা কমিটির চেয়ারম্যান, সদস্য, অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বা অধিদপ্তরের” শব্দগুলি ও চিহ্নগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।
Section ৩১. ২০০০ সনের ৬ নং আইনের ধারা ২২ এর প্রতিস্থাপন
উক্ত আইনের ধারা ২২ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ২২ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা: -
“২২৷ ক্ষমতা অর্পণ।-মহাপরিচালক এই আইনের অধীন তাহার কোনো ক্ষমতা অথবা দায়িত্ব প্রয়োজনবোধে, কারণ উল্লেখপূর্বক লিখিত আদেশ দ্বারা, অধিদপ্তরের কোনো অতিরিক্ত মহাপরিচালক বা কোনো পরিচালক বরাবর অর্পণ করিতে পারিবেন।”।
Section ৩২. ২০০০ সনের ৬ নং আইনের ধারা ২৪ এর সংশোধন
উক্ত আইনের ধারা ২৪ এ উল্লিখিত “সংস্থা” শব্দটির পরিবর্তে “অধিদপ্তর” শব্দটি প্রতিস্থাপিত হইবে।
Section ৩৩. ২০০০ সনের ৬ নং আইনের তফসিল এর সংশোধন
উক্ত আইনের তফসিলের-
Section ৩৪. বিশেষ বিধান
এই অধ্যাদেশ জারির পর সরকার কর্তৃক বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যমান জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা বিলুপ্ত হইবে এবং উক্তরূপ বিলুপ্ত হইবার সঙ্গে সঙ্গে জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার-