বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী আইন, ১৯৮৯ এর অধিকতর সংশোধনকল্পে প্রণীত অধ্যাদেশ
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী আইন, ১৯৮৯ এর অধিকতর সংশোধনকল্পে প্রণীত অধ্যাদেশ যেহেতু নিম্নবর্ণিত উদ্দেশ্যসমূহ পূরণকল্পে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী আইন, ১৯৮৯ (১৯৮৯ সনের ২২ নং আইন) এর অধিকতর সংশোধন করা সমীচীন ও প্রয়োজন; এবং যেহেতু সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থায় রহিয়াছে এবং রাষ্ট্রপতির নিকট ইহা সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইয়াছে যে, আশু ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রহিয়াছে; সেহেতু গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের ৯৩ (১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি নিম্নরূপ অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারি করিলেন:-
Section ১. সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন
(১) এই অধ্যাদেশ বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬ নামে অভিহিত হইবে।
(২) ইহা অবিলম্বে কার্যকর হইবে।
Section ২. ১৯৮৯ সনের ২২ নং আইনের কতিপয় শব্দের সংশোধন
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি আইন ১৯৮৯, (১৯৮৯ সনের ২২ নং আইন), অতঃপর উক্ত আইন বলিয়া উল্লিখিত, এর সংক্ষিপ্ত শিরোনামসহ সর্বত্র উল্লিখিত “একাডেমী”, “একাডেমীর” ও “একাডেমীতে” শব্দগুলির পরিবর্তে যথাক্রমে, “একাডেমি”, “একাডেমির” ও “একাডেমিতে” শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।
Section ৩. ১৯৮৯ সনের ২২ নং আইনের ধারা ২ এর সংশোধন
উক্ত আইনের ধারা ২ এর দফা (গ) এর পরিবর্তে নিম্নবর্ণিত দফা (গ) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-
“(গ) “পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ)” অর্থ একাডেমির পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ);”।
Section ৪. ১৯৮৯ সনের ২২ নং আইনের ধারা ৩ এর সংশোধন
উক্ত আইনের ধারা ৩ এর-
“(৩) একাডেমির প্রধান কার্যালয় ঢাকায় থাকিবে, তবে একাডেমি, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, দেশের অন্যান্য স্থানে ইহার শাখা কার্যালয় স্থাপন করিতে পারিবে।”।
Section ৫. ১৯৮৯ সনের ২২ নং আইনের ধারা ৫ এর প্রতিস্থাপন
উক্ত আইনের ধারা ৫ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ৫ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-
“৫। পরিষদের গঠন।- (১) নিম্নবর্ণিত সদস্যগণের সমন্বয়ে পরিষদ গঠিত হইবে, যথা:-
(১) সংগীত;
(২) চারুকলা;
(৩) নাট্যকলা;
(৪) চলচ্চিত্র;
(৫) আলোকচিত্র;
(৬) নৃত্য ও অন্যান্য পারফর্মিং আর্টস;
(৭) গবেষণা, প্রকাশনা ও নিউ মিডিয়া;
(৮) সাংস্কৃতিক ব্র্যান্ডিং, উৎসব ও প্রযোজনা:
তবে শর্ত থাকে যে, কোনো প্রশাসনিক বিভাগ হইতে একটি ক্ষেত্রে ১ (এক) জনের অধিক মনোনয়ন প্রদান করা যাইবে না;
(২) পরিষদের মনোনীত সদস্যগণ তাঁহাদের মনোনয়নের তারিখ হইতে ৩ (তিন) বৎসরের জন্য সদস্য পদে বহাল থাকিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, একজন মনোনীত সদস্য যে কোনো সময় সভাপতিকে উদ্দেশ্য করিয়া তাঁহার স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে পদত্যাগ করিতে পারিবেন:
তবে আরও শর্ত থাকে যে, সরকার যে কোনো সময় কোনো মনোনীত সদস্যের মনোনয়ন বাতিল করিতে পারিবে।”।
Section ৬. ১৯৮৯ সনের ২২ নং আইনের ধারা ৭ এর প্রতিস্থাপন
উক্ত আইনের ধারা ৭ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ৭ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-
“৭। একাডেমির দায়িত্ব ও কার্যাবলি।- একাডেমির দায়িত্ব ও কার্যাবলি হইবে নিম্নরূপ, যথা:-
Section ৭. ১৯৮৯ সনের ২২ নং আইনের ধারা ৮ এর প্রতিস্থাপন
উক্ত আইনের ধারা ৮ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ৮ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:
“৮। একাডেমির বিভাগ।- (১) একাডেমির নিম্নবর্ণিত বিভাগ থাকিবে, যথা:-
(২) একাডেমি, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, নূতন বিভাগ সৃষ্টি করিতে পারিবে এবং উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত বিভাগগুলির যে কোনো বিভাগ বিলুপ্ত করিতে পারিবে এবং উহাদের পুনর্বিন্যাস করিতে পারিবে।
(৩) একাডেমির সাচিবিক দায়িত্ব পালনের জন্য একজন পরিচালক থাকিবেন, যিনি পদাধিকারবলে প্রশাসন ও অর্থ বিভাগের দায়িত্বে থাকেবে এবং অন্যান্য প্রত্যেকটি বিভাগ একজন পরিচালকের দায়িত্বে ন্যস্ত থাকিবে।
(৪) প্রতিটি বিভাগ একাডেমি কর্তৃক নির্ধারিত দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করিবে।”।
Section ৮. ১৯৮৯ সনের ২২ নং আইনের ধারা ৯ এর সংশোধন
উক্ত আইনের ধারা ৯ এর উপ-ধারা (৩) এ উল্লিখিত “সচিব মহাপরিচালকরূপে কার্য করিবেন” শব্দগুলির পরিবর্তে “পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) মহাপরিচালক এর দায়িত্ব পালন করিবেন” শব্দগুলি ও বন্ধনী প্রতিস্থাপিত হইবে।
Section ৯. ১৯৮৯ সনের ২২ নং আইনের ধারা ১০ এর প্রতিস্থাপন
উক্ত আইনের ধারা ১০ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ ধারা ১০ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা:-
“১০। পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ)।- (১) একাডেমির একজন পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) থাকিবে, যিনি সরকার কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন এবং তাঁহার চাকরির শর্তাদি সরকার কর্তৃক স্থিরীকৃত হইবে।
(২) পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) মহাপরিচালককে তাঁহার যাবতীয় প্রশাসনিক কার্যে সহায়তা করিবেন।”।
Section ১০. ১৯৮৯ সনের ২২ নং আইনের ধারা ১৩ এর সংশোধন
উক্ত আইনের ধারা ১৩ এর উপ-ধারা (৩) এ উল্লিখিত “সচিব” শব্দের পরিবর্তে “পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ)” শব্দগুলি ও বন্ধনী প্রতিস্থাপিত হইবে।