তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ সংশোধনকল্পে প্রণীত অধ্যাদেশ যেহেতু নিম্নবর্ণিত উদ্দেশ্যসমূহ পূরণকল্পে তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ (২০০৯ সনের ২০ নং আইন) সংশোধন করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়; এবং যেহেতু সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থায় রহিয়াছে এবং রাষ্ট্রপতির নিকট ইহা সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইয়াছে যে, আশু ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রহিয়াছে; সেহেতু গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি নিম্নরূপ অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারি করিলেন, যথা:-
(১) এই অধ্যাদেশ তথ্য অধিকার (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬ নামে অভিহিত হইবে।
(২) ইহা অবিলম্বে কার্যকর হইবে।
“(চ) “তথ্য” অর্থে কোনো কর্তৃপক্ষের গঠন, কাঠামো ও দাপ্তরিক কর্মকাণ্ড সংক্রান্ত যে কোনো স্মারক, বই, নকশা, মানচিত্র, চুক্তি, তথ্য-উপাত্ত, লগ বহি, আদেশ, বিজ্ঞপ্তি, দলিল, নমুনা, পত্র, প্রতিবেদন, হিসাব-বিবরণী, প্রকল্প-প্রস্তাব, আলোকচিত্র, অডিও, ভিডিও, অংকিতচিত্র, ফিল্ম, ইলেকট্রনিক প্রক্রিয়ায় প্রস্তুতকৃত যে কোনো ইনস্ট্রুমেন্ট, যান্ত্রিকভাবে পাঠযোগ্য দলিলাদি এবং ভৌতিক গঠন ও বৈশিষ্ট্য নির্বিশেষে অন্য যে কোনো তথ্যবহ বস্তু বা উহাদের প্রতিলিপিসহ নিম্নলিখিত বিষয়াদিও ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবে, যথা:-
তবে শর্ত থাকে যে, দাপ্তরিক নোট সিট বা নোট সিটের প্রতিলিপি ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবে না;”।
উক্ত আইনের ধারা ৬ এর-
“(১) প্রত্যেক কর্তৃপক্ষ উহার গৃহীত সিদ্ধান্ত, কার্যক্রম, অডিট প্রতিবেদন ও চুক্তিসহ ব্যয়-সংক্রান্ত তথ্য, সম্পাদিত বা প্রস্তাবিত কর্মকাণ্ডের সকল তথ্য নাগরিকদের নিকট সহজলভ্য হয়, এইরূপে সূচিবদ্ধ করিয়া প্রকাশ ও প্রচার করিবে।”;
“(৪) কর্তৃপক্ষ গুরুত্বপূর্ণ কোনো নীতি প্রণয়ন বা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিলে ঐ সকল নীতি বা সিদ্ধান্ত প্রকাশ করিবে এবং, প্রয়োজনে, ঐ সকল নীতি ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের সমর্থনে যুক্তি, কারণ, সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও জনমত যাচাই প্রক্রিয়া, কার্যবিবরণী, ইত্যাদি ব্যাখ্যা করিবে।
(৫) এই ধারার অধীনে কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রস্তুতকৃত প্রতিবেদন সর্বসাধারণের জ্ঞাতার্থে কর্তৃপক্ষের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করিতে হইবে এবং উহার মুদ্রিত কপি, যদি থাকে, নামমাত্র মূল্যে বিক্রয়ের জন্য মজুদ রাখিতে হইবে।”;
“(৯) তথ্য কমিশন, প্রবিধান দ্বারা, তথ্য ভান্ডার তৈরি করিবে।”।
উক্ত আইনের ধারা ২৭ এর উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত “৫০ (পঞ্চাশ)” সংখ্যা, বন্ধনী ও শব্দের পরিবর্তে “১০০ (একশত)” সংখ্যা, বন্ধনী ও শব্দ এবং “৫০০০ (পাঁচ হাজার)” সংখ্যা, বন্ধনী ও শব্দের পরিবর্তে “১০০০০ (দশ হাজার)” সংখ্যা, বন্ধনী ও শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে।