ঢাকা বিদ্যুৎ বিতরণ কর্তৃপক্ষ আইন, ১৯৯০
ঢাকা বিদ্যুৎ বিতরণ কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠাকল্পে প্রণীত আইন৷
ঢাকা বিদ্যুৎ বিতরণ কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠাকল্পে প্রণীত আইন৷ যেহেতু বৃহত্তর ঢাকা এলাকায় বিদ্যুৎ বিতরণের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার জন্য ঢাকা বিদ্যুত্ বিতরণ কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়; সেহেতু এতদ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইল :-
সংক্ষিপ্ত শিরোনামা ও প্রয়োগ
১৷ (১) এই আইন ঢাকা বিদ্যুৎ বিতরণ কর্তৃপক্ষ আইন, ১৯৯০ নামে অভিহিত হইবে৷ (২) ইহা বৃহত্তর ঢাকা এলাকায় প্রযোজ্য হইবে৷
Section ২. সংজ্ঞা
বিষয় বা প্রসংগের পরিপন্থী কোন কিছু না থাকিলে, এই আইনে-
[***]
কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠা
৩৷ (১) এই আইন বলবত্ হইবার পর যত শীঘ্র সম্ভব সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, বৃহত্তর ঢাকা এলাকার জন্য ঢাকা বিদ্যুৎ বিতরণ কর্তৃপক্ষ নামে একটি কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠা করিবে৷
(২) কর্তৃপক্ষ একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা হইবে এবং ইহার স্থায়ী ধারাবাহিকতা ও একটি সাধারণ সীলমোহর থাকিবে এবং ইহার স্থাবর ও অস্থাবর উভয় প্রকার সম্পত্তি অর্জন করার, অধিকারে রাখার এবং হস্তান্তর করার ক্ষমতা থাকিবে এবং ইহার নামে ইহা মামলা দায়ের করিতে পারিবে বা ইহার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাইবে৷
কর্তৃপক্ষের কার্যাবলী
৪৷ কর্তৃপক্ষের কার্যাবলী হইবে নিম্নরূপ, যথা :-
কর্তৃপক্ষের গঠন
৫৷ (১) একজন চেয়ারম্যান এবং অনধিক তিনজন সদস্য সমন্বয়ে কর্তৃপক্ষ গঠিত হইবে৷
(২) চেয়ারম্যান ও অন্যান্য সদস্যগণ সরকার কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন এবং তাঁহাদের চাকুরীর মেয়াদ ও শর্তাবলী সরকার কর্তৃক নির্ধারিত হইবে৷
(৩) চেয়ারম্যান কর্তৃপক্ষের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হইবেন৷
(৪) চেয়ারম্যান ও অন্যান্য সদস্যগণ কর্তৃপক্ষের সার্বক্ষণিক কর্মকর্তা হইবেন এবং তাঁহারা বিধি দ্বারা বা কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্ধারিত ক্ষমতা প্রয়োগ বা কার্য সম্পাদন করিবেন৷
কর্তৃপক্ষের সভা
৬৷ (১) এই ধারার অন্যান্য বিধানাবলী সাপেক্ষে, কর্তৃপক্ষ উহার সভার কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করিতে পারিবে৷
(২) কর্তৃপক্ষের সভার তারিখ, সময় ও স্থান চেয়ারম্যান কর্তৃক নির্ধারিত হইবে৷
(৩) ন্যুনতম দুইজন সদস্য সমন্বয়ে কর্তৃপক্ষের সভায় কোরাম গঠিত হইবে৷
(৪) কর্তৃপক্ষের সভায় সভাপতিত্ব করিবেন উহার চেয়ারম্যান এবং তাঁহার অনুপস্থিতিতে তত্কর্তৃক নির্দেশিত উহার কোন সদস্য৷
(৫) শুধুমাত্র কোন সদস্য পদে শূন্যতা বা কর্তৃপক্ষ গঠনে ত্রুটি থাকার কারণে কর্তৃপক্ষের কোন কার্য বা কার্যধারা অবৈধ হইবে না৷
কর্তৃপক্ষের সহিত বোর্ডের সম্পর্ক
৭৷ (১) অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কর্তৃপক্ষ বোর্ডের নিকট হইতে থোক গ্রাহক হিসাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ পাইবে৷
(২) কর্তৃপক্ষ বোর্ডের নিকট হইতে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত হারে এবং প্রয়োজনবোধে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত পরিমাণ বিদ্যুৎ ক্রয় করিবে এবং উহা গ্রাহকের নিকট সরকার কর্তৃক নির্ধারিত হারে বিক্রয় করিবে৷
অন্যান্য উৎস হইতে কর্তৃপক্ষের বিদ্যুৎ ক্রয়ের ক্ষমতা
[ ৭ক৷ কর্তৃপক্ষ সরকারের সহিত সম্পাদিত চুক্তির অধীন স্থাপিত কোন উত্পাদনকারী ব্যক্তি বা সংস্থার নিকট হইতে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত মূল্যে ও অন্যান্য শর্তাধীনে বিদ্যুৎ ক্রয় করিতে পারিবে৷]
কর্তৃপক্ষ লাইসেন্সী
৮৷ কর্তৃপক্ষ Electricity Act, 1910 (IX of 1910) এর অধীন লাইসেন্সী (licensee) বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত এ্যাক্টের অধীন লাইসেন্সীর (licensee) যাবতীয় ক্ষমতার অধিকারী হইবে এবং দায়িত্ব পালন করিবে৷
তহবিল
৯৷ (১) ঢাকা বিদ্যুত্ বিতরণ কর্তৃপক্ষ তহবিল নামে কর্তৃপক্ষের একটি তহবিল থাকিবে৷
(২) উক্ত তহবিলে অনুলিখিত অর্থ জমা হইবে, যথা:-
(৩) উক্ত তহবিলের অর্থ কোন তফসিলি ব্যাংকে জমা রাখা হইবে৷
(৪) উক্ত তহবিল হইতে কর্তৃপক্ষের যাবতীয় ব্যয় নির্বাহ করা হইবে৷
ঋণ গ্রহণের ক্ষমতা
১০৷ কর্তৃপক্ষ উহার কার্যাবলী সম্পাদনের প্রয়োজনে সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে দেশ বা বিদেশের কোন উত্স হইতে ঋণ গ্রহণ করিতে পারিবে৷
বার্ষিক বাজেট বিবরণী
১১৷ কর্তৃপক্ষ প্রতি বত্সর সরকার কর্তৃক নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পরবর্তী অর্থ বত্সরের বার্ষিক বাজেট বিবরণী সরকারের নিকট পেশ করিবে এবং উহাতে উক্ত অর্থ বত্সরে সরকারের নিকট হইতে কর্তৃপক্ষের কি পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন উহার উল্লেখ থাকিবে৷
হিসাব রক্ষণ ও নিরীক্ষা
১২৷ (১) কর্তৃপক্ষ যথাযথভাবে উহার হিসাব রক্ষণ করিবে এবং হিসাবের বার্ষিক বিবরণী প্রস্তুত করিবে৷
(২) বাংলাদেশের মহা-হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, অতঃপর মহা-হিসাব নিরীক্ষক নামে অভিহিত, প্রতি বত্সর কর্তৃপক্ষের হিসাব নিরীক্ষা করিবেন এবং নিরীক্ষা রিপোর্টের একটি করিয়া অনুলিপি সরকার ও কর্তৃপক্ষের নিকট পেশ করিবেন৷
(৩) উপ-ধারা (২) মোতাবেক হিসাব নিরীক্ষার উদ্দেশ্যে মহা-হিসাব নিরীক্ষক কিংবা তাঁহার নিকট হইতে এতদুদ্দেশ্যে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি কর্তৃপক্ষের সকল রেকর্ড, দলিল-দস্তাবেজ, নগদ বা ব্যাংকে গচ্ছিত অর্থ, জামানত, ভান্ডার এবং অন্যবিধ সম্পত্তি পরীক্ষা করিয়া দেখিতে পারিবেন এবং চেয়ারম্যান, কোন সদস্য, বা কর্তৃপক্ষের যে কোন কর্মকর্তা বা কর্মচারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করিতে পারিবেন৷
কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা ও কর্মচারী
১৩৷ কর্তৃপক্ষের কার্যাবলী সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের উদ্দেশ্যে কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মকর্তা, পরামর্শদাতা, উপদেষ্টা ও অন্যান্য কর্মচারী নিয়োগ করিতে পারিবে এবং তাঁহাদের চাকুরীর শর্তাবলী প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত হইবে :
তবে শর্ত থাকে যে, সরকারের পূর্বানুমোদন ব্যতিরেকে কর্তৃপক্ষ কোন কর্মকর্তা বা অন্যান্য কর্মচারীর পদ সৃষ্টি করিতে পারিবে না৷
বকেয়া পাওনা আদায়
১৪৷ বিদ্যুত্ সরবরাহের জন্য কর্তৃপক্ষের অনাদায়ী প্রাপ্য সরকারী দাবী (Public demand) হিসাবে আদায়যোগ্য হইবে৷
কর্তৃপক্ষের জন্য জমি অধিগ্রহণ
১৫৷ কর্তৃপক্ষের কার্যাবলী সম্পাদনের জন্য কোন জমি প্রয়োজন হইলে উহা জনস্বার্থে প্রয়োজনীয় বলিয়া বিবেচিত হইবে এবং এতদুদ্দেশ্যে উহা The Acquisition and Requisition of Immovable Property Ordinance, 1982 (II of 1982) এর বিধান মোতাবেক হুকুম দখল বা অধিগ্রহণ করা যাইবে৷
প্রবেশ ইত্যাদির ক্ষমতা
১৬৷ (১) কর্তৃপক্ষের কোন প্রকল্প প্রস্তুত বা বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজন হইলে চেয়ারম্যান বা কোন সদস্য বা চেয়ারম্যানের নিকট হইতে এতদুদ্দেশ্যে সাধারণ বা বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তা বা কর্মচারী-
তবে শর্ত থাকে যে, কমপক্ষে ৭২ ঘণ্টা পূর্বে লিখিত নোটিশের মাধ্যমে কোন জায়গায় প্রবেশের ইচ্ছা প্রকাশ না করিয়া কোন ব্যক্তি উক্ত জায়গার দখলদারের বিনা অনুমতিতে উহাতে প্রবেশ করিতে পারিবেন না৷
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন কোন ব্যক্তি কোন জায়গায় প্রবেশ করিবার সময় ঐ জায়গাতে সম্ভাব্য সকল ক্ষতি বাবদ ক্ষতিপূরণ প্রদান করিবেন অথবা প্রদান করিবার প্রস্তাব করিবেন; এবং উক্তরূপ প্রদত্ত বা প্রস্তাবিত ক্ষতিপূরণের পর্যাপ্ততা সম্বন্ধে কোন আপত্তি থাকিলে তত্সম্পর্কে জেলা প্রশাসকের নিকট লিখিতভাবে আবেদন করিতে হইবে এবং এই ব্যাপারে জেলা প্রশাসকের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, এই আবেদন উপ-ধারা (১) এর অধীন কোন জায়গায় প্রবেশ বা উহাতে কিছু করার ব্যাপারে কোন বাধা সৃষ্টি করিবে না৷
প্রতিবেদন
১৭৷ (১) প্রতি বত্সর ৩০শে জুনের মধ্যে কর্তৃপক্ষ তত্কর্তৃক পূর্ববর্তী বত্সরে সম্পাদিত কার্যাবলীর খতিয়ান সম্বলিত একটি প্রতিবেদন সরকারের নিকট পেশ করিবে৷
(২) সরকার প্রয়োজনমত কর্তৃপক্ষের নিকট হইতে যে কোন সময় কর্তৃপক্ষের যে কোন বিষয়ের উপর প্রতিবেদন এবং বিবরণী আহ্বান করিতে পারিবে এবং কর্তৃপক্ষ উহা সরকারের নিকট সরবরাহ করিতে বাধ্য থাকিবে৷
ক্ষমতা অর্পণ
১৮৷ কর্তৃপক্ষ, সাধারণ অথবা বিশেষ আদেশ দ্বারা, উহার ক্ষমতা, প্রয়োজনবোধে এবং তত্কর্তৃক নির্ধারিত শর্ত সাপেক্ষে, উহার চেয়ারম্যান বা অন্য কোন সদস্য বা উহার কোন কর্মকর্তাকে অর্পণ করিতে পারিবে৷
সরল বিশ্বাসে কৃত কাজকর্ম রক্ষণ
১৯৷ এই আইনের অধীন সরল বিশ্বাসে কৃত কোন কাজের ফলে কোন ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হইলে বা তাঁহার ক্ষতিগ্রস্ত হইবার সম্ভাবনা থাকিলে তজ্জন্য কর্তৃপক্ষ, বা উহার চেয়ারম্যান বা কোন সদস্য বা কোন কর্মকর্তা বা কর্মচারীর বিরুদ্ধে কোন দেওয়ানী বা ফৌজদারী মামলা বা অন্য কোন আইনগত কার্যধারা দায়ের বা রুজু করা যাইবে না৷
চেয়ারম্যান ও সদস্যগণ জনসেবক বলিয়া গণ্য হইবেন
২০৷ চেয়ারম্যান ও সদস্যগণ Penal Code (Act No. XLV of 1860) এর section 21 এর public servant (জনসেবক) অভিব্যক্তিটিও যে অর্থে ব্যবহৃত হইয়াছে সেই অর্থে public servant (জনসেবক) বলিয়া গণ্য হইবেন৷
সরকারের নির্দেশ
২১৷ এই আইনের কার্যাবলী সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের জন্য প্রয়োজনবোধে সরকার সময় সময় কর্তৃপক্ষকে সাধারণ বা বিশেষ নির্দেশ দিতে পারিবে এবং কর্তৃপক্ষ উক্ত নির্দেশ অনুযায়ী কর্ম সম্পাদন করিবে৷
কতৃর্পক্ষের উদ্যোগ (undertaking) কোন পাবলিক লিমিটেড কোম্পানির নিকট হস্তান্তরের ক্ষমতা
[২১ক।- (১) এই আইনের অন্য কোন বিধানে ভিন্নরূপ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কতৃর্পক্ষ, জনস্বার্থে এবং সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, কোন চুক্তির মাধ্যমে ইহার উদ্যোগ কোম্পানী আইন, ১৯৯৪ এর অধীন নিবন্ধিত কোন পাবলিক লিমিটেড কোম্পানীর, অতঃপর এই ধারায় কোম্পানী বলিয়া উল্লিখিত, নিকট হস্তান্তর করিতে পারিবে।
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন কতৃর্পক্ষের উদ্যোগ কোম্পানীর নিকট হস্তান্তরিত হইবার সঙ্গে সঙ্গে কতৃর্পক্ষ বিলুপ্ত, অতঃপর এই ধারায় বিলুপ্ত কতৃর্পক্ষ বলিয়া উল্লিখিত, হইবে এবং উক্তরূপ হস্তান্তর ও বিলুপ্তি সম্পর্কিত তথ্য সরকার, যথাশীঘ্র, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, সর্বসাধারণের অবগতির জন্য প্রকাশ করিবে।
(৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন কতৃর্পক্ষ বিলুপ্ত হইবার সংগে সংগে -
(৪) এই ধারার অধীন কতৃর্পক্ষের উদ্যোগ কোম্পানীর নিকট হস্তান্তরিত হইবার পূর্বে যদি কোন কর্মকর্তা বা কর্মচারী কতৃর্পক্ষের চাকুরী হইতে পদত্যাগ করেন বা অন্য কোনভাবে অব্যাহতি প্রাপ্ত হন, তাহা হইলে বিলুপ্ত কতৃর্পক্ষের নিকট তাহার কোন পাওনা থাকিলে উহা কোম্পানী পরিশোধ করিবে।
(৫) উপ-ধারা (৩) এর দফা (ঙ) এবং উপ-ধারা (৪) এর অধীন পেনশন, অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটিসহ অন্যান্য পাওনা ও সুবিধাদি প্রদান বা পরিশোধের ক্ষেত্রে কোম্পানী এমন কোন নীতি, পদ্ধতি বা বিধি-বিধান অনুসরণ করিতে পারিবে না, যাহা কতৃর্পক্ষ কতৃর্ক উহার কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ক্ষেত্রে অনুসৃত নীতি, পদ্ধতি বা বিধি-বিধান অপেক্ষা অসুবিধাজনক হয়।
(৬) এই ধারা অনুযায়ী কর্তৃপক্ষের কোন উদ্যোগ হস্তান্তর, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পাওনা পরিশোধ বা অন্য কোন বিষয়ে কোন অসুবিধা বা অসংগতি দেখা দিলে উহা দূরীকরণার্থ সরকার, আদেশ দ্বারা, প্রয়োজনীয় যে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারিবে।
ব্যাখ্যা।- এই ধারায় "উদ্যোগ" অর্থে কর্তৃপক্ষের সকল ব্যবসা, প্রকল্প, স্কীম, শেয়ার, সম্পদ, অধিকার, ক্ষমতা, লাইসেন্স, কর্তৃত্ব এবং সুবিধাদি, স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি, রিজার্ভ ফান্ড, পেনশন ফান্ড, প্রভিডেন্ট ফান্ড, বিনিয়োগ, জমা, দেনা এবং যে কোন দায় ও ঋণ অন্তর্ভূক্ত হইবে।]
বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা
২২৷ এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবে৷
প্রবিধান প্রণয়নের ক্ষমতা
২৩৷ এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে কর্তৃপক্ষ, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে এবং সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই অধ্যাদেশ বা ধারা ২২ এর অধীন প্রণীত কোন বিধির সহিত অসামঞ্জস্যপূর্ণ নহে এইরূপ প্রবিধান প্রণয়ন করিতে পারিবে৷
বোর্ডের সম্পদ ইত্যাদি হস্তান্তর
২৪৷ আপাততঃ বলবত্ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠা হইবার সংগে সংগে-
তবে শর্ত থাকে যে, উপরি-উক্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণের মধ্যে কেহ কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠার তারিখ হইতে ছয় মাসের মধ্যে লিখিতভাবে কর্তৃপক্ষের অধীন চাকুরী না করিয়া বোর্ডের অধীন চাকুরী করার ইচ্ছা প্রকাশ করিলে তাঁহার চাকুরী বোর্ডের নিকট হস্তান্তরিত হইবে এবং তাঁহার চাকুরী কোন সময়ই কর্তৃপক্ষের নিকট হস্তান্তরিত হয় নাই বলিয়া গণ্য হইবে৷
অসুবিধা দূরীকরণ
২৫৷ এই আইনের বিধানাবলী কার্যকর করিবার ক্ষেত্রে কোন অসুবিধা দেখা দিলে সরকার উক্ত অসুবিধা দূরীকরণার্থে আদেশ দ্বারা প্রয়োজনীয় যে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারিবে৷
রহিতকরণ ও হেফাজত
২৬৷ (১) ঢাকা বিদ্যুত্ বিতরণ কর্তৃপক্ষ অধ্যাদেশ, ১৯৯০ (অধ্যাদেশ নং ৬, ১৯৯০) এতদ্বারা রহিত করা হইল৷
(২) অনুরূপ রহিতকরণ সত্ত্বেও, রহিত অধ্যাদেশ এর অধীন কৃত কাজকর্ম বা গৃহীত ব্যবস্থা এই আইন এর অধীন কৃত বা গৃহীত হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে৷