কপিরাইট আইন, ২০০০
কপিরাইট আইন সংশোধন ও সংহতকরণকল্পে প্রণীত আইন৷
কপিরাইট আইন সংশোধন ও সংহতকরণকল্পে প্রণীত আইন৷ যেহেতু কপিরাইট বিষয়ে প্রচলিত আইনের সংশোধন ও সংহতকরণ সমীচীন ও প্রয়োজনীয়; সেহেতু এতদ্দ্বারা নিম্্নরূপ আইন করা হইল:-
Section ১. সংক্ষিপ্ত শিরোনামা, প্রয়োগ এবং প্রবর্তন
(১) এই আইন কপিরাইট আইন, ২০০০ নামে অভিহিত হইবে।
(২) ইহা সমগ্র বাংলাদেশে প্রযোজ্য হইবে।
(৩) সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, যে তারিখ নির্ধারণ করিবে, সেই তারিখে ইহা কার্যকর হইবে।
Section ২. সংজ্ঞা
বিষয় বা প্রসংগের পরিপন্থী কিছু না থাকিলে, এই আইনে,-
[(১) "অনুলিপি" অর্থ বর্ণ, চিত্র, শব্দ বা অন্য কোন মাধ্যম ব্যবহার করিয়া লিখিত, শব্দ রেকর্ডিং, চলচ্চিত্র, গ্রাফিঙ্ চিত্র বা অন্য কোন বস্তুগত প্রকৃতি বা ডিজিটাল সংকেত আকারে পুনরুৎপাদন (স্থির বা চলমান), দ্বিমাত্রিক, ত্রিমাত্রিক বা পরাবাস্তব নির্বিশেষে;
(২) "অনুলিপিকারী যন্ত্র" অর্থ কোন যন্ত্র বা যান্ত্রিক কৌশল বা পদ্ধতি যাহা কোন কর্মের যে কোন ধরনের অনুলিপি তৈরী বা পুনরুৎপাদনের জন্য ব্যবহৃত হয় বা হইতে পারে;]
(৩) "অভিযোজন" অর্থ-
(৪) "আলোক চিত্রানুলিপি" অর্থ কোন কর্মের ফটোকপি বা অনুরূপ অন্য মাধ্যমে প্রণীত অনুলিপি;
(৫) "একচেটিয়া লাইসেন্স" অর্থ এমন লাইসেন্স যদ্বারা অন্য সকল ব্যক্তি বাদে কেবলমাত্র লাইসেন্সপ্রাপক বা লাইসেন্সপ্রাপক হইতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তির অনুকূলে কপিরাইট স্বত্ব অর্পিত হয় এবং একচেটিয়া লাইসেন্স প্রাপক তদনুসারে ব্যাখ্যাত হইবে;
(৬) "কপিরাইট" অর্থ এই আইনের অধীন কপিরাইট;
(৭) "কপিরাইট সমিতি" অর্থ এই আইনের ধারা ৪১ এর উপ-ধারা (৩) এর অধীন নিবন্ধনকৃত কোন সমিতি;
(৮) "কপিরাইট লঙ্ঘনকারী অনুলিপি" অর্থ-
[(৯) "কম্পিউটার" অর্থে মেকানিক্যাল, ইলেক্ট্রোম্যাকানিক্যাল, ইলেক্ট্রনিক, ম্যাগনেটিক, ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ডিজিটাল বা অপটিক্যাল বা অন্য কোন পদ্ধতির ইমপালস্ ব্যবহার করিয়া লজিক্যাল বা গাণিতিক যে কোন একটি বা সকল কাজকর্ম সম্পাদন করে এমন যে কোন তথ্য প্রক্রিয়াকরণ যন্ত্র বা সিস্টেম অনর্্তভুক্ত হইবে;]
(১০) "কম্পিউটার প্রোগ্রাম" অর্থ পাঠযোগ্য মাধ্যমে যন্ত্রসহ শব্দ, সংকেত, পরিলেখ অথবা অন্য কোন আকারে প্রকাশিত নির্দেশাবলী, যদ্বারা কম্পিউটারকে কোন বিশেষ কাজ করানো বা বাস্তবে ফলদায়ক করানো যায়;
(১১) "কর্ম" অর্থ নিম্নলিখিত যে কোন কর্ম, যথা:-
(১২) "খোদাই" অর্থে কাঁচ, পাথর বা কাঠের খোদাই কর্ম, ছাপ এবং ফটোগ্রাফ ব্যতীত অনুরূপ অন্যান্য কর্ম অন্তভর্ুক্ত হইবে;
[* * *]
[(১৩ক) "গ্রন্থাগার" অর্থ বিনামূল্যে ব্যবহারযোগ্য এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে সংশ্লিষ্ট গ্রন্থাগার যাহা অলাভজনক ভিত্তিতে পরিচালিত হয়;]
(১৪) "চলচ্চিত্র ছবি বা চলচ্চিত্র" অর্থ যে কোন মাধ্যমে অবধারিত দৃষ্টিগ্রাহ্য প্রতিচ্ছবিসমূহের অনুক্রম যাহা হইতে চলমান ছবি তৈরী করা যায় এবং যাহা শব্দ রেকর্ড সহযোগে দৃষ্টিগ্রাহ্য রেকর্ড অন্তভর্ুক্ত করে এবং "চলচ্চিত্র" বলিতে ভিডিও ছবিসহ ক্যাসেট; ভিডিও সি, ডি, এল, ডি; ইন্টারনেট, ক্যাবল নেট-ওয়ার্কস এবং ভবিষ্যতে চলচ্চিত্রের অনুরূপ কোন মাধ্যমে তৈরী করা যায় এমন কর্মকে বুঝাইবে;
(১৫) "জনসাধারণের সহিত যোগাযোগ" অর্থ যে কোন কর্মের অনুলিপি সরবরাহ না করিয়া উক্ত কর্ম জনসাধারণের দেখা, শোনা বা অন্যভাবে তার ও বেতারের মাধ্যমে প্রত্যক্ষ উপভোগের সুযোগ করা বা যে কোন প্রকারের প্রদর্শনী বা প্রচারণার মাধ্যমে অনুরূপ সুযোগ সৃষ্টি করা, জনসাধারণের মধ্যে কেহ অনুরূপভাবে কর্মটি প্রকৃতই উপভোগ করুক বা নাই করুক;
[ব্যাখ্যা।- এই দফার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, কৃত্রিম উপগ্রহ (ংধঃবষষরঃব), তার (পধনষব) অথবা অন্য কোন যুগপৎ মাধ্যমে একই সাথে একের অধিক গৃহ বা বাসস্থান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, অফিস, ক্লাব, কমিউনিটি সেন্টার, আবাসিক হোটেল অথবা হোটেলের একাধিক কক্ষের সহিত একই সঙ্গে যোগাযোগকে "জনসাধারণের সহিত যোগাযোগ" বুঝাইবে;]
[(১৫ক) "জাতীয় গ্রন্থাগার" অর্থ সরকার কর্তৃক স্থাপিত বা স্বীকৃত বাংলাদেশের জাতীয় গ্রন্থাগার;
(১৫খ) "দণ্ডবিধি" অর্থ ঃযব চবহধষ ঈড়ফব, ১৮৬০ (ঢখঠ ড়ভ ১৮৬০);]
(১৬) "দালান" অর্থে কোন ইমারত অন্তভর্ুক্ত হইবে;
[(১৬ক) "দেওয়ানী কার্যবিধি" অর্থ ঃযব ঈড়ফব ড়ভ ঈরারষ চৎড়পবফঁৎব, ১৯০৮ (ঠড়ভ ১৯০৮);]
(১৭) "নির্ধারিত" অর্থ এই আইনের অধীন প্রণীত বিধিমালা দ্বারা নির্ধারিত;
(১৮) "নাট্যকর্ম" অর্থে আবৃত্তির অংশ বিশেষ, সমবেত প্রদর্শনী বা নির্বাক প্রদর্শনীর মাধ্যমে বিনোদন, দৃশ্য-বিন্যাস বা লেখনী বা অন্যভাবে [গ্রথিত] অভিনয়ের আঙ্গিক অন্তভর্ুক্ত হইবে, কিন্তু কোন চলচ্চিত্র ছবি অন্তভর্ু্ক্ত হইবে না;
(১৯) "পঞ্জিকা-বর্ষ" অর্থ ১লা জানুয়ারী হইতে শুরু হয় এমন বর্ষ;
[(২০) "পাণ্ডুলিপি" অর্থ হস্তলিখিত, যান্ত্রিক বা ডিজিটাল বা অন্য কোন পদ্ধতিতে প্রস্তুতকৃত কর্মের আদি দলিল এবং কর্মের পরিকল্পনা, নকশা, ডিজাইন, লে-আউট, টোকা, সংকেতও উহার অন্তভর্ুক্ত হইবে;]
(২১) "পুনঃসমপ্রচার" অর্থ কোন সমপ্রচার কতর্ৃপক্ষের দ্বারা বাংলাদেশ বা অন্য দেশের কোন সমপ্রচার কতর্ৃপক্ষের অনুষ্ঠান যুগপৎ বা পরবর্তীতে সমপ্রচার এবং তারের মাধ্যমে এরূপ অনুষ্ঠান বিতরণ অন্তভর্ুক্ত হইবে এবং তদনুসারে পুনঃসমপ্রচার ব্যাখ্যা করা হইবে;
(২২) "পুস্তক" অর্থে যে কোন ভাষার প্রত্যেক খণ্ড, খণ্ডের অংশ বা ভাগ এবং পু্িস্তকা এবং আলাদাভাবে মুদ্রিত বা প্রস্তরে অঙ্কিত সংগীতের প্রত্যেক শীট, মানচিত্র, চার্ট বা নকশা অন্তভর্ুক্ত, কিন্তু কোন সংবাদপত্র অন্তভর্ুক্ত হইবে না;
(২৩) "প্লেট" অর্থে যে কোন মুদ্রণফলক বা অন্যরকম প্লেট, ব্লক, ছাঁচে তৈরী পুডিং, ছাঁচ, এক মাধ্যম হইতে অন্য মাধ্যমে স্থানান্তর, নেগেটিভ, টেপ, তার, অপটিক্যাল ফিল্ম বা অন্যরকম কৌশল যাহা কোন কর্মের মুদ্রণ বা পুনঃমুদ্রণের জন্য ব্যবহৃত হয়ে অথবা ব্যবহারের অভিপ্রায় করা হয়, এবং যে কোন ছাঁচ বা অন্যরকম যন্ত্রপাতি যাহার দ্বারা শিল্পকর্মটির শ্রুতিবোধ সম্বন্ধীয় উপস্থাপনার জন্য রেকর্ড তৈরী করা হয় বা উহার অভিপ্রায় করা অন্তভর্ুক্ত হইবে;
(২৪) "প্রণেতা" অর্থ-
(২৫) "প্রযোজক" অর্থে চলচ্চিত্র ছবি অথবা শব্দ রেকর্ডিং এর ক্ষেত্রে, সেই ব্যক্তিকে বুঝাইবে যিনি কর্মটির বিষয়ে উদ্যোগ, বিনিয়োগ এবং দায়িত্ব পালন করিবেন;
(২৬) "ফটোগ্রাফ" অর্থে ফটো লিথোগ্রাফ এবং ফটোগ্রাফি সদৃশ কোন প্রক্রিয়ায় প্রস্তুত যেকোন কর্ম অন্তভর্ুক্ত হইবে; কিন্তু চলচ্চিত্র ছবির কোন অংশ অন্তভর্ুক্ত হইবে না;
[(২৬ক) "ফৌজদারী কার্যবিধি" অর্থ ঃযব ঈড়ফব ড়ভ ঈৎরসরহধষ চৎড়পবফঁৎব, ১৮৯৮ (ঠ ড়ভ ১৮৯৮);]
(২৭) "বাংলাদেশী কর্ম" অর্থ এমন সাহিত্য, নাট্য, সংগীত বা শিল্প কর্ম-
(২৮) "বোর্ড" অর্থ এই আইনের ধারা ১১ এর উপ-ধারা (১) এর অধীন গঠিত কপিরাইট বোর্ড;
(২৯) "ভাস্কর্য কর্ম" অর্থে ছাঁচে ঢালা বস্তু এবং মডেল অন্তভর্ুক্ত হইবে;
[(৩০) "যৌথ গ্রন্থকার কর্ম" অর্থ দুই বা ততোধিক গ্রন্থকারের সহযোগিতায় প্রণীত কর্ম, যাহাতে একজন গ্রন্থকারের অবদান অপর গ্রন্থকারের অবদান হইতে স্বতন্ত্র নহে;]
(৩১) "রচয়িতা" অর্থ, কোন সংগীতের ক্ষেত্রে, উহার গীতিকার, উহা স্বরলিপির মাধ্যমে রেকর্ডকৃত হউক বা না হউক;
(৩২) "রেজিষ্ট্রার" অর্থ এই আইনের ধারা ১০ এর উপ-ধারা (১) এর অধীনে নিযুক্ত কপিরাইট রেজিষ্ট্রার এবং রেজিষ্ট্রারের কার্য সম্পাদনকারী ডেপুটি রেজিষ্ট্রারও অন্তভর্ুক্ত হইবেন;
[* * *]
(৩৪) "লেকচার" অর্থে ভাষণ, বক্তৃতা ও ধর্মোপদেশ অন্তভর্ুক্ত হইবে;
(৩৫) "শব্দ রেকর্ডিং" অর্থ রেকর্ড করার মাধ্যমে ও পদ্ধতি নির্বিশেষে, শব্দের এমন প্রক্রিয়ায় রেকর্ডিং করা যাহা হইতে উক্ত শব্দ উৎপাদন করা যায়;
(৩৬) "শিল্প কর্ম" অর্থ-
(৩৭) "সংগীত কর্ম" অর্থ সুর সম্বলিত কর্ম এবং উক্ত কর্মের স্বরলিপির পদ্ধতি অন্তভর্ুক্ত হইবে কিন্তু কোন কথা বা কাজকে গানের মাধ্যমে প্রকাশ বা সম্পাদন করা অন্তভর্ুক্ত হইবে না;
(৩৮) "সংস্থাপন" অর্থ শব্দ বা প্রতিচ্ছবি বা উভয়ের সংযোগকারী এমন কৌশল যাহা পরবর্তীতে শ্রবণ বা দৃষ্টিতে বোধগম্য করা যায়;
(৩৯) "সরকার" অর্থ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার;
(৪০) "সরকারী কর্ম" অর্থ নিম্নবর্ণিত কোন কতর্ৃপক্ষের দ্বারা বা অধীন প্রদত্ত কোন আদেশ, নির্দেশ বা নিয়ন্ত্রণে সম্পাদিত বা জারীকৃত কর্ম:-
(৪১) "সম্পাদন" অর্থ, সম্পাদনকারীর অধিকারের ক্ষেত্রে, এক বা একাধিক সম্পাদনকারী কতর্ৃক দর্শনসাধ্য বা শ্রবণযোগ্য জীবন্ত উপস্থাপন;
(৪২) "সম্পাদনকারী" অর্থ অভিনেতা, গায়ক, বাদ্যযন্ত্রী, নৃত্যকারী, দড়াবাজকর, ভোজবাজিকর, জাদুকর, সাপুড়ে, লেকচারদাতা অথবা কিছু সম্পাদন করেন এমন যে কোন ব্যক্তি অন্তভর্ুক্ত হইবে;
[(৪৩) "সমপ্রচার" অর্থ এক বা একাধিক রকমের সংকেত, চিহ্ন, শব্দ, ইন্টারনেট, সংযুক্ত কম্পিউটার, টেলিভিশন ও বেতার যন্ত্রসহ উপগ্রহ, তার বা বেতার যন্ত্র অথবা অন্য কোন পদ্ধতির যে কোন মাধ্যমে জনসাধারণের সহিত যোগাযোগ এবং পুনঃসমপ্রচারও উহার অন্তভর্ুক্ত হইবে;]
(৪৪) "সমপ্রচার কতর্ৃপক্ষ" অর্থ এমন কোন ব্যক্তি বা কতর্ৃপক্ষ, যিনি বা, ক্ষেত্রমত, যাহার দ্বারা কোন সমপ্রচার কেন্দ্র পরিচালিত হয়;
(৪৫) "সরবরাহ" অর্থে কোন বক্তৃতার ক্ষেত্রে, যান্ত্রিক বা বেতার যন্ত্রের মাধ্যমে সমপ্রচার অন্তর্ভুক্ত হইবে;
[(৪৬) "সাহিত্যকর্ম" অর্থে জনসাধারণের পঠন-পাঠন ও শ্রবণের উদ্দেশ্যে মানবিক, ধমর্ীয়, সামাজিক, বৈজ্ঞানিক ও অন্য কোন বিষয়ে রচিত, গ্রন্থিত, অনূদিত, রূপান্তরিত, অভিযোজিত, সৃষ্টিশীল, গবেষণামূলক, তথ্যমূলক যে কোন কর্ম এবং কম্পিউটার সৃষ্ট সৃজনশীল কর্মসহ কম্পিউটার প্রোগ্রামও উহার অন্তভর্ুক্ত হইবে;]
(৪৭) "স্থাপত্য কর্ম" অর্থ শৈল্পিক চরিত্র অথবা ডিজাইনকৃত কোন দালান বা ইমারত অথবা ঐরূপ দালান বা ইমারতের কোন মডেল [;
(৪৮) "ফিল্ম আর্কাইভ" অর্থ সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ।]
Section ৩. প্রকাশনার অর্থ
এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, "প্রকাশনা" অর্থ কোন কর্মের অনুলিপি জনগণের নিকট সরবরাহ করার অথবা পেঁৗছানোর ব্যবস্থা করা:
তবে শর্ত থাকে যে, এই আইনে ভিন্নরূপ কিছু না থাকিলে প্রকাশনা অর্থে নিম্নবর্ণিত কার্য অন্তভর্ুক্ত হইবে না, যথা:-
Section ৪. কর্ম প্রকাশিত বা প্রকাশ্যে সম্পাদনকৃত বলিয়া গণ্য না হওয়া
বিনা লাইসেন্সে বা কপিরাইট স্বত্বাধিকারীর অনুমতি ব্যতিরেকে কোন কর্ম প্রকাশিত, প্রকাশ্যে সম্পাদনকৃত বা কোন লেকচার জনসমক্ষে প্রদত্ত হইলেও, কপিরাইট লংঘনের উদ্দেশ্য ব্যতীত, উক্ত প্রকাশিত বা প্রকাশ্যে সম্পাদনকৃত বলিয়া গণ্য হইবে না এবং কোন লেকচার জনসমক্ষে প্রদত্ত হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে না।
Section ৫. বাংলাদেশে প্রথম প্রকাশিত বলিয়া গণ্য কর্ম
এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, বাংলাদেশে প্রকাশিত কোন কর্ম অন্য কোন দেশে যুগপৎভাবে প্রকাশিত হওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশে প্রথম প্রকাশিত হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে, যদি না উক্ত কর্ম দেশ উক্তরূপ কর্মের কপিরাইট সংক্ষিপ্ততর মেয়াদের জন্য প্রদান করার বিধান করে; এবং কোন কর্ম বাংলাদেশ এবং অপর কোন দেশে যুগপৎভাবে প্রকাশিত বলিয়া গণ্য হইবে যদি বাংলাদেশে এবং অপর দেশে প্রকাশকালের মধ্যে ব্যবধান [ত্রিশ দিন অথবা সংশ্লিষ্ট পক্ষগণের মধ্যে সম্পাদিত প্রকাশনা সংক্রান্ত চুক্তিতে নির্ধারিত সময়সীমা, যাহা পূর্বে সংঘঠিত হয়, অথবা] সরকার কতর্ৃক, দেশ বিশেষের জন্য এতদউদ্দেশ্যে নির্ধারিত সময়সীমা, অতিক্রান্ত না হয়।
Section ৬. কতিপয় বিরোধ বোর্ড কতর্ৃক নিষ্পত্তিতব্য
কোন কর্ম প্রকাশিত হইয়াছে কিনা অথবা পঞ্চম অধ্যায়ের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে কর্মটির প্রকাশনার তারিখ সম্পর্কে, বা অন্য কোন দেশে কোন কর্মের কপিরাইটের মেয়াদ এই আইনের অধীন উক্ত কর্মের কপিরাইটের মেয়াদ হইতে সংক্ষিপ্ততর কিনা সেই সম্পর্কে, কোন বিরোধ দেখা দিলে বিরোধটি বোর্ডে প্রেরণ করা হইবে এবং উক্ত বিষয়ে বোর্ডের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, যদি বোর্ড এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, জনগণের নিকট ইসু্যকৃত অনুলিপি বা ধারা ৩-এ উলি্লখিত জনগণের সহিত যোগাযোগ নগণ্য ধরনের, তাহা হইলে উহা ধারার অধীন প্রকাশনা হিসাবে গণ্য হইবে না।
Section ৭. অপ্রকাশিত কর্মের সময়সীমা পর্যাপ্ত হওয়ার ক্ষেত্রে গ্রন্থকারের জাতীয়তা
কোন অপ্রকাশিত কর্মের ক্ষেত্রে, কর্ম সম্পাদনের সময়সীমা পর্যাপ্ত হইলে উহার গ্রন্থকার, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, ঐ দেশের নাগরিক বা স্থায়ী বাসিন্দা বলিয়া গণ্য হইবেন যে দেশে তিনি উক্ত পর্যাপ্ত সময়ের অধিকাংশ সময়কালের নাগরিক [বা স্থায়ী বাসিন্দা, বা যে দেশের তিনি বর্তমান নাগরিক, বা মৃতু্যর পূর্বে যে দেশের নাগরিক, ছিলেন]।
Section ৮. সংবিধিবদ্ধ সংস্থা বা স্থায়ী আবাস
কোন সংবিধিবদ্ধ সংস্থা, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, বাংলাদেশের সংস্থা বলিয়া গণ্য হইবে যদি উক্ত সংস্থা বাংলাদেশের প্রচলিত কোন আইনের অধীন প্রতিষ্ঠিত হয় অথবা উহার কোন ব্যবহারিক অফিস বা স্থান বাংলাদেশে থাকে।
Section ৯. কপিরাইট অফিস
(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে কপিরাইট অফিস নামে একটি অফিস স্থাপিত হইবে।
(২) কপিরাইট অফিস কপিরাইটের রেজিষ্ট্রারের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণাধীন থাকিবে এবং কপিরাইট রেজিষ্ট্রার সরকারের তত্ত্বাবধান ও নির্দেশ সাপেক্ষে তাহার দায়িত্ব পালন করিবেন।
(৩) কপিরাইট অফিসের একটি সীলমোহর থাকিবে যাহার ছাপ বিচার বিভাগীয় অবগতির অন্তভর্ুক্ত হইবে।
Section ১০. কপিরাইট রেজিষ্ট্রার ও ডেপুটি রেজিষ্ট্রার
(১) সরকার, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, একজন কপিরাইট রেজিষ্ট্রার নিয়োগ করিবেন এবং সরকার কতর্ৃক নির্ধারিত সংখ্যক কপিরাইট ডেপুটি রেজিষ্ট্রার নিয়োগ করিতে পারিবে।
(২) রেজিষ্ট্রার-
(৩) কপিরাইট ডেপুটি রেজিষ্ট্রার, রেজিষ্ট্রারের তত্ত্বাবধান ও নির্দেশ সাপেক্ষে, এই আইনের অধীন রেজিষ্ট্রারের ঐ সকল দায়িত্ব, সম্পাদন করিবেন যাহা রেজিষ্ট্রার, সময় সময়, তাঁহাকে অর্পণ করিবেন; এবং এই আইনে "রেজিষ্ট্রার" অর্থে ডেপুটি রেজিষ্ট্রারও অন্তভর্ুক্ত হইবে।
Section ১১. কপিরাইট বোর্ড
(১) সরকার, এই আইন কার্যকর হওয়ার পর যত শীঘ্র সম্ভব, কপিরাইট বোর্ড নামে একটি বোর্ড গঠন করিবে, যাহা, একজন চেয়ারম্যান ও অনূ্যন দুইজন কিন্তু অনধিক ছয় জন সদস্য সমন্বয়ে গঠিত হইবে।
(২) চেয়ারম্যান ও সদস্যগণ সরকার কতর্ৃক নিযুক্ত হইবেন।
(৩) বোর্ডের চেয়ারম্যান ও অন্যান্য সদস্য বিধি দ্বারা নির্ধারিত মেয়াদ ও শর্তাধীনে স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন।
(৪) সিলেকশন গ্রেড প্রাপ্ত জেলাজজ ছিলেন বা আছেন বা সরকারের অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা বা হাইকোর্টের বিচারপতি হইবার উপযুক্ত একজন আইনজীবী চেয়ারম্যান নিযুক্ত হইবেন।
(৫) রেজিষ্ট্রার বোর্ডের সচিব হইবেন এবং নির্ধারিত দায়িত্ব পালন করিবেন।
Section ১২. বোর্ডের ক্ষমতা ও কার্যপদ্ধতি
(১) বোর্ড, এই আইনের অধীন প্রণীত বিধি সাপেক্ষে, উহার বৈঠকের স্থান ও সময় নির্ধারণসহ কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করিতে পারিবে।
(২) এই আইনের অধীন কোন বিষয়ে সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে সদস্যগণের মধ্যে মত-পার্থক্য হইলে, সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের মতামত প্রাধান্য পাইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকিবে না, সে ক্ষেত্রে চেয়ারম্যানের মতামত প্রাধান্য পাইবে।
(৩) বোর্ড ধারা ৯৯ এর অধীন কোন সদস্যের উপর উহার যে কোন ক্ষমতা প্রয়োগের জন্য অর্পণ করিতে পারিবে এবং এইরূপ ক্ষমতাপ্রাপ্ত সদস্য কতর্ৃক প্রদত্ত আদেশ বা কৃত কাজকর্ম বোর্ডের আদেশ বা কাজ হিসাবে গণ্য হইবে।
(৪) শুধুমাত্র বোর্ডের কোন সদস্যপদ শূন্য রহিয়াছে বা বোর্ড গঠনে ত্রুটি রহিয়াছে শুধুমাত্র এই কারণে বোর্ডের কোন কাজ বা কার্যধারা অবৈধ হইবে না বা উহার বৈধতা লইয়া প্রশ্ন করা যাইবে না।
(৫) ফৌজদারী [কার্যবিধি ধারা ৪৮০ ও ৪৮২ এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, বোর্ড একটি দেওয়ানী আদালতরূপে গণ্য হইবে এবং ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বোর্ডের নিকট উপস্থাপিত সকল বিষয় দণ্ডবিধির ধারা ১৯৩ ও ২২৮ এর অর্থে বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম হিসাবে গণ্য হইবে।]
(৬) বোর্ডের কোন সদস্য বোর্ডের নিকট উত্থাপিত এমন কোন কার্যধারায় অংশগ্রহণ করিবেন না যাহাতে তাঁহার ব্যক্তিগত স্বার্থ রহিয়াছে।
Section ১৩. এই আইনের বিধান বহির্ভূত কপিরাইট থাকিবে না
এই আইন বা আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনের বিধানের পরিপন্থী উপায়ে কোন ব্যক্তি কোন প্রকাশিত বা অপ্রকাশিত কর্মের কপিরাইট বা অনুরূপ কোন স্বত্বের অধিকারী হইবেন না, কিন্তু এই ধারার কোন কিছু এমনভাবে ব্যাখ্যা করা যাইবে না যাহাতে কোন বিশ্বাসভঙ্গ বা আস্থা রোধ করিবার অধিকার রদ হইতে পারে।
Section ১৪. কপিরাইটের অর্থ
এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে "কপিরাইট" অর্থ, এই আইনের বিধানাবলী সাপেক্ষে, কোন কর্ম বা কর্মের গুরুত্বপূর্ণ অংশের বিষয়ে নিম্নবর্ণিত কোন কিছু করা বা করার ক্ষমতা অর্পণ, যথা:-
(১) কম্পিউটার প্রোগ্রাম ব্যতীত, সাহিত্য, নাট্য বা সংগীত কর্মের ক্ষেত্রে,-
(২) কম্পিউটার প্রোগ্রামের ক্ষেত্রে,-
(৩) শিল্প কর্মের ক্ষেত্রে,-
[(৪) চলচ্চিত্র ফিল্ম এর ক্ষেত্রে,-
(৫) শব্দ রেকর্ডিং এর ক্ষেত্রে,-
ব্যাখ্যা।- এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, একবার বিক্রয় হইয়াছে এমন অনুলিপি ইতোমধ্যে সাকর্ুলেশনে থাকা অনুলিপি বলিয়া গণ্য হইবে।
Section ১৫. কপিরাইট থাকে এমন কর্ম
(১) এই ধারার বিধান এবং এই আইনের অন্যান্য বিধানাবলী সাপেক্ষে, নিম্নলিখিত শ্রেণীর কর্মের কপিরাইট বিদ্যমান, যথা:-
(২) ধারা ৬৮ বা ৬৯ প্রযোজ্য হয় এমন কর্ম ব্যতীত উপ-ধারা (১) এ উলি্লখিত কোন কর্মের ক্ষেত্রে কপিরাইট থাকিবে না, যদি-
তবে শর্ত থাকে যে, দফা (ক) ও (খ) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, যদি কোন চলচ্চিত্র ফিল্মের প্রযোজকের সদর দপ্তর বা সচরাচর আবাস ফিল্মটি নির্মাণের উল্লেখযোগ্য বা সম্পূর্ণ সময়ে বাংলাদেশে থাকে তাহা হইলে উক্ত চলচ্চিত্র ফিল্মের কপিরাইট বহাল থাকিবে।
ব্যাখ্যা।- যৌথ প্রণেতার কর্মের ক্ষেত্রে, এই উপ-ধারায় উলি্লখিত শর্তাবলী কর্মটির সকল প্রণেতার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে।
(৩) নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে কপিরাইট বহাল থাকিবে না-
(৪) চলচ্চিত্র ফিল্ম বা শব্দ রেকর্ডিং এর কপিরাইট এমন কোন কর্মের স্বতন্ত্র কপিরাইটকে প্রভাবিত করিবে না যে সম্পর্কিত বিষয়ে কর্মটি বা উহার মৌলিক অংশ বা ক্ষেত্রমত, শব্দ রেকর্ডিং তৈরী হইয়াছে।
(৫) স্থাপত্য শিল্পকর্মের ক্ষেত্রে, কপিরাইট কেবল শৈল্পিক বৈশিষ্ট্য ও ডিজাইনে থাকিবে এবং নির্মাণ প্রক্রিয়া বা পদ্ধতিতে বিস্তৃত হইবে না।
Section ১৬. ১৯১১ সনের ২ নং আইনের অধীন নিবন্ধিত বা নিবন্ধিতব্য ডিজাইন সম্পর্কিত কপিরাইট
(১) পেটেন্টস এ্যান্ড ডিজাইনস এ্যাক্ট, ১৯১১ (১৯১১ সনের ২ নং আইন) এর অধীন নিবন্ধিত কোন ডিজাইনে এই আইনের অধীন কপিরাইট থাকিবে না।
(২) পেটেন্টস এ্যান্ড ডিজাইনস এ্যাক্ট, ১৯১১ (১৯১১ সনের ২ নং আইন) এর অধীন নিবন্ধিত হওয়ার যোগ্য কিন্তু ঐভাবে নিবন্ধিত হয় নাই এরূপ যে কোন ডিজাইনের কপিরাইটের অবসান হইবে যখনই উক্ত ডিজাইনে প্রয়োগ করা হইয়াছে এমন কোন বস্তুর কপিরাইট উহার স্বত্বাধিকারী দ্বারা বা তাহার অনুমতি সহকারে অন্য কোন ব্যক্তি কতর্ৃক শিল্প উৎপাদন প্রক্রিয়ায় পঞ্চাশবারের বেশী পুনরুৎপাদন করা হইয়াছে।
Section ১৭. কপিরাইটের প্রথম স্বত্বাধিকারী
এই আইনের বিধানাবলী সাপেক্ষে, কোন কর্মের প্রণেতা ঐ কর্মের কপিরাইটের প্রথম স্বত্বাধিকারী হইবেন:
তবে শর্ত থাকে যে,-
সাহিত্য, নাট্য বা শিল্প সম্পর্কিত কর্মের ক্ষেত্রে, উক্ত মালিক, ভিন্নরূপ কোন চুক্তি না থাকার শর্তে, কর্মটি সংবাদপত্র, ম্যাগাজিন বা সাময়িকীতে প্রকাশ বা পুনরুৎপাদনের সহিত যতখানি সম্পর্কযুক্ত ততখানি কপিরাইটের প্রথম স্বত্বাধিকারী হইবেন, কিন্তু অন্য সকল বিষয়ে প্রণেতা কর্মটির কপিরাইটের প্রথম স্বত্বাধিকারী হইবেন;
Section ১৮. কপিরাইটের স্বত্ব নিয়োগ
(১) কোন বিদ্যমান কর্মের কপিরাইটের স্বত্বাধিকারী বা ভবিষ্যৎ কর্মের কপিরাইটের সম্ভাব্য স্বত্বাধিকারী যে কোন ব্যক্তির নিকট কোন কপিরাইটের সম্পূর্ণ বা আংশিক, সাধারণভাবে বা শর্তসাপেক্ষে এবং কপিরাইটের পূর্ণ মেয়াদ বা আংশিক মেয়াদের জন্য স্বত্ব নিয়োগ করিতে পারেন:
তবে শর্ত থাকে যে, ভবিষ্যৎ কর্মের কপিরাইটের স্বত্ব নিয়োগের ক্ষেত্রে, কর্মটির অস্তিত্বশীল হওয়ার পর স্বত্ব নিয়োগ কার্যকর হইবে।
(২) যেক্ষেত্রে কপিরাইটের স্বত্ব নিয়োগী কপিরাইটের অন্তভর্ুক্ত কোন স্বত্বের অধিকারী হন, সেক্ষেত্রে, স্বত্ব নিয়োগী যে পরিমাণ স্বত্ব লাভ করিয়াছেন এবং স্বত্ব প্রদানকারী যে পরিমাণ স্বত্ব প্রদান করেন নাই তৎসম্পর্কে স্বত্ব প্রদানকারী এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, কপিরাইটের স্বত্বাধিকারী হিসাবে গণ্য হইবেন এবং তদনুসারে এই আইনের বিধানাবলী কার্যকর হইবে।
ব্যাখ্যা।- এই ধারায় "স্বত্ব নিয়োগী" কোন ভবিষ্যৎ কর্মের কপিরাইটের ক্ষেত্রে স্বত্ব নিয়োগীর আইনানুগ প্রতিনিধি অন্তভর্ুক্ত হইবে যদি কর্মটি অস্তিত্বশীল হইবার পূর্বেই স্বত্ব নিয়োগীর মৃতু্য হয়।
Section ১৯. স্বত্ব নিয়োগের ধরন
(১) কোন কর্মের কপিরাইটের স্বত্ব নিয়োগ বৈধ হইবে না, যদি তাহা স্বত্ব প্রদানকারী বা তাহার নিকট হইতে যথাযথভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধির দ্বারা স্বাক্ষরিত না হয়।
(২) কোন কর্মের কপিরাইটের স্বত্ব নিয়োগ অবশ্যই কর্মটিকে চিহ্নিত করিবে, এবং স্বত্ব নিয়োগকৃত অধিকার ও অধিকারের মেয়াদ এবং স্বত্ব নিয়োগের ভৌগোলিক পরিধি দলিলে উল্লেখ থাকিবে।
(৩) কোন কর্মের কপিরাইটের স্বত্ব নিয়োগ দলিলে প্রণেতা অথবা তাহার উত্তরাধিকারীকে স্বত্ব নিয়োগ কার্যকর থাকাকালীন সময়ে প্রদেয় রয়্যালটির উল্লেখ থাকিবে এবং পারস্পরিক স্বীকৃত মতে স্বত্ব নিয়োগ পুনঃরীক্ষণ, বর্ধিতকরণ বা বাতিলের ব্যবস্থা রাখা সাপেক্ষে হইবে।
(৪) যে ক্ষেত্রে [নিয়োগপ্রাপ্ত স্বত্বাধিকারী] তাহার নিকট এই ধারার কোন উপ-ধারার অধীন প্রদত্ত অধিকার স্বত্ব নিয়োগের তারিখ হইতে এক বৎসর ব্যবহার না করেন, উক্ত অধিকারের স্বত্ব নিয়োগ উক্ত সময়সীমা উত্তীর্ণের পর, স্বত্ব নিয়োগ দলিলে ভিন্নরূপ কিছু না থাকিলে, তামাদি হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।
(৫) যদি কোন স্বত্ব নিয়োগের মেয়াদ উল্লেখ না থাকে [বা স্বত্ব নিয়োগ দলিলে ভিন্নরূপ কিছু না থাকে], তাহা হইলে স্বত্ব নিয়োগের তারিখ হইতে পরবর্তী পাঁচ বছরের জন্য উহা করা হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।
(৬) যদি স্বত্ব নিয়োগের ভৌগোলিক পরিধি উল্লেখ না থাকে, তাহা হইলে উহার পরিধি বাংলাদেশের সর্বত্র বলিয়া গণ্য হইবে।
(৭) উপ-ধারা (২), (৩), (৪), (৫) ও (৬)-এ উল্লেখিত বিধানাবলীর কোন কিছুই এই আইন কার্যকর হওয়ার পূর্বে সম্পাদিত স্বত্ব নিয়োগের ক্ষেত্রে কার্যকর হইবে না।
Section ২০. কপিরাইটের 29[স্বত্ব নিয়োগী ] বিষয়ক বিরোধ
(১) যদি কোন [নিয়োগপ্রাপ্ত স্বত্বাধিকারী তাহার নিকট হস্তান্তরকৃত কোন অধিকার ব্যবহার করিতে ব্যর্থ হন এবং উক্ত ব্যর্থতার জন্য স্বত্ব প্রদানকারীর] কোন কার্য বা কার্যহীনতা দায়ী না হয়, তাহা হইলে বোর্ড, স্বত্ব প্রদানকারীর নিকট হইতে অভিযোগ পাইয়া, তদভিত্তিতে তৎকতর্ৃক যথাযথ বিবেচিত তদন্তের পর, স্বত্ব নিয়োগ বাতিল করিতে পারিবে।
(২) যদি কপিরাইটের কোন স্বত্ব নিয়োগের বিষয়ে কোন বিরোধের উদ্ভব হয়, বোর্ড সংক্ষুব্ধ পক্ষের নিকট হইতে অভিযোগ প্রাপ্তি এবং তদভিত্তিতে তৎকতর্ৃক যথাযথ বিবেচিত তদন্তের পর রয়্যালটি উদ্ধারের আদেশসহ স্বীয় বিবেচনায় উপযুক্ত আদেশ প্রদান করিতে পারিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, এই উপ-ধারার অধীনে বোর্ড [নিয়োগপ্রাপ্ত স্বত্বাধিকার বাতিল করার কোন আদেশ প্রদান করিবে না যদি না বোর্ড] এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, স্বত্ব নিয়োগের শর্ত স্বত্ব প্রদানকারীর জন্য, যদি তিনি প্রণেতা হন, কঠোর হইয়াছে:
আরও শর্ত থাকে যে, এই উপ-ধারার অধীন কোন স্বত্ব নিয়োগ রদের আদেশ স্বত্ব নিয়োগের পরবর্তী ৫ বছর সময়সীমার মধ্যে প্রদান করা যাইবে না।
Section ২১. 32[পান্ডুলিপির ] কপিরাইট উইলমূলে হস্তান্তর
যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি উইলমূলে কোন সাহিত্য, নাট্য বা সংগীত কর্ম, বা শিল্প কর্মের [পাণ্ডুলিপির] অধিকারী হয়, এবং কর্মটি উইলকারীর মৃতু্যর পূর্বে প্রকাশিত না হইয়া থাকে, সেক্ষেত্রে উইলকারীর উইলে বা তৎসম্পর্কিত কডিসিলে ভিন্নরূপ কোন অভিপ্রায় প্রকাশ না পাইলে, মৃতু্যর অব্যবহিত পূর্বে উইলকারী ঐ কর্মের যে পরিমাণ কপিরাইটের স্বত্বাধিকারী ছিলেন সেই পরিমাণ কপিরাইট উইলের অন্তভর্ুক্ত বলিয়া ধরিতে হইবে।
ব্যাখ্যা।- এই ধারায় " [পাণ্ডুলিপি]" অর্থ কর্মটি ধারণকারী মূল দলিল, হস্তলিখিত হউক বা না হউক।
Section ২২. স্বত্বাধিকারীর কপিরাইট পরিত্যাগের অধিকার
(১) কোন কর্মের প্রণেতা কপিরাইটে তাহার সকল বা যে কোন স্বত্ব নির্ধারিত ফরমে রেজিষ্ট্রার-এর বরাবরে নোটিশ দিয়া পরিত্যাগ করিতে পারেন এবং তৎপ্রেক্ষিতে উক্তরূপ স্বত্ব উপ-ধারা (৩) এর বিধান সাপেক্ষে, নোটিশের তারিখ হইতে বিলুপ্ত হইবে।
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন নোটিশ প্রাপ্ত হইলে, রেজিষ্ট্রার তাহা সরকারী গেজেটে তাহার বিবেচনায় যথাযথ পদ্ধতিতে প্রকাশ করিবেন।
(৩) কোন কর্মের কপিরাইটে অন্তভর্ুক্ত সকল বা যে কোন স্বত্বের পরিত্যাগ কোন ব্যক্তির পক্ষে উপ-ধারা (১)-এ উলি্লখিত নোটিশ দিবার তারিখে বিদ্যমান যে কোন স্বত্বকে প্রভাবিত করিবে না।
Section ২৩. মূল অনুলিপির পুনঃবিক্রয়ের শেয়ার
(১) কোন চিত্রকর্ম, ভাস্কর্য বা রেখাচিত্রের মূল কপির বা কোন সাহিত্য কর্মের মূল [পাণ্ডুলিপি] বা কোন নাট্য বা সংগীত কর্মের মূল অনুলিপির পুনঃবিক্রয়ের ক্ষেত্রে, অনুরূপ কর্মের প্রণেতা যদি ধারা ১৭ এর অধীন প্রথম অধিকারের মালিক বা তাহার বৈধ উত্তরাধিকারী হন, তাহা হইলে, উক্ত কর্মের কপিরাইটের স্বত্বনিয়োগ সত্ত্বেও, এই ধারার বিধান অনুসারে অনুরূপ মূল অনুলিপি বা [পাণ্ডুলিপির] পুনঃবিক্রয় মূল্যের অংশ পাইবার অধিকারী হইবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, কর্মটির কপিরাইটের মেয়াদ উত্তীর্ণ হইবার পর অনুরূপ অধিকার বিলুপ্ত হইবে।
(২) উপ-ধারা (১)-এ উলি্লখিত অংশ বোর্ড কতর্ৃক নির্ধারিত হইবে এবং এই বিষয়ে বোর্ডের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, বোর্ড বিভিন্ন শ্রেণীর কর্মের জন্য বিভিন্ন রকম অংশ ধার্য করিতে পারিবে:
আরও শর্ত থাকে যে, কোন ক্ষেত্রেই এইরূপ অংশ পুনঃবিক্রয় মূল্যের ১০% এর বেশী হইবে না।
(৩) এই ধারার দ্বারা অর্পিত অধিকারের বিষয়ে কোন বিরোধ সৃষ্টি হইলে, উহা বোর্ডে প্রেরিত হইবে এবং উহাতে বোর্ডের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে।
Section ২৪. প্রকাশিত সাহিত্য, নাট্য, সংগীত ও শিল্প কর্মে কপিরাইটের মেয়াদ
অতঃপর ভিন্নরূপ বিধান করা না হইলে, প্রণেতার জীবনকালে প্রকাশিত কোন সাহিত্য, নাট্য, সংগীত বা শিল্প কর্মের (ফটোগ্রাফ ব্যতীত) কপিরাইট তাহার মৃতু্যর পরবর্তী পঞ্জিকা-বৎসর হইতে গণনা করিয়া ষাট বৎসর পর্যন্ত বিদ্যমান থাকিবে।
ব্যাখ্যা।- এই ধারায় যৌথভাবে প্রণীত কর্মের ক্ষেত্রে, "প্রণেতা" অর্থে যে প্রণেতার মৃতু্য শেষে হইয়াছে তাহাকে বুঝিতে হইবে।
Section ২৫. মরণোত্তর কর্মে কপিরাইটের মেয়াদ
(১) প্রণেতার মৃতু্যর তারিখে কপিরাইট বিদ্যমান থাকে এমন সাহিত্য, নাট্য বা সংগীত কর্ম বা খোদাই-কর্ম, বা অনুরূপ কর্মের যৌথ প্রণেতার ক্ষেত্রে, যিনি শেষে মৃতু্যবরণ করেন তাহার মৃতু্যর তারিখে বা উক্ত তারিখের পূর্বে কিন্তু যাহা বা যাহার অভিযোজন উক্ত তারিখের পূর্বে হয় নাই, তদ্রুপ ক্ষেত্রে, কর্মটির প্রথম প্রকাশের পরবর্তী পঞ্জিকা-বর্ষের শুরু হইতে বা কর্মটির কোন অভিযোজন পূর্ববর্তী কোন বৎসরে প্রকাশিত হইয়া থাকিলে সেই বৎসরের পরবর্তী পঞ্জিকা-বর্ষের শুরু হইতে ষাট বৎসর পর্যন্ত কপিরাইট বিদ্যমান থাকিবে।
(২) এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে সাহিত্য, নাট্য বা সংগীত কর্ম বা উক্ত কর্মের অভিযোজন প্রকাশিত হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে যদি ঐ কর্মের বিষয়ে তৈরী কোন রেকর্ড জনসাধারণের নিকট বিক্রয় বা বিক্রয়ের প্রস্তাব করা হইয়া থাকে।
Section ২৬. চলচ্চিত্র ফিল্মের কপিরাইটের মেয়াদ
কোন চলচ্চিত্র ফিল্মের ক্ষেত্রে, যে বৎসর কর্মটি প্রকাশিত হইয়াছে উহার পরবর্তী পঞ্জিকা-বর্ষের শুরু হইতে ষাট বৎসর পর্যন্ত কপিরাইট বিদ্যমান থাকিবে।
Section ২৭. শব্দ রেকর্ডিংয়ের কপিরাইটের মেয়াদ
কোন শব্দ রেকর্ডিং এর ক্ষেত্রে, যে বৎসর রেকর্ডিং প্রকাশিত হইয়াছে উহার পরবর্তী পঞ্জিকা-বর্ষের শুরু হইতে ষাট বৎসর পর্যন্ত কপিরাইট বিদ্যমান থাকিবে।
Section ২৮. ফটোগ্রাফের কপিরাইটের মেয়াদ
ফটোগ্রাফের ক্ষেত্রে, যে বৎসর ফটোগ্রাফটি প্রকাশিত হইয়াছে উহার পরবর্তী পঞ্জিকা-বর্ষের শুরু হইতে ষাট বৎসর পর্যন্ত কপিরাইট বিদ্যমান থাকিবে।
কম্পিউটার সৃষ্ট কর্মের কপিরাইটের মেয়াদ
[২৮ক। কম্পিউটার সৃষ্ট কর্মের ক্ষেত্রে, যে বৎসর কর্মটি প্রথম প্রকাশিত হইয়াছে উহার পরবতর্ী পঞ্জিকা-বর্ষের শুরু হইতে ষাট বৎসর পর্যন্ত কপিরাইট বিদ্যমান থাকিবে।]
Section ২৯. বেনামী এবং ছদ্মনাম বিশিষ্ট কর্মের কপিরাইটের মেয়াদ
(১) বেনামী বা ছদ্মনামে প্রকাশিত কোন সাহিত্য, নাট্য, সংগীত বা শিল্প কর্মের (ফটোগ্রাফ ব্যতীত) ক্ষেত্রে, যে বৎসর কর্মটি প্রথম প্রকাশিত হইয়াছে উহার পরবর্তী পঞ্জিকা-বর্ষের শুরু হইতে ষাট বৎসর পর্যন্ত কপিরাইট বিদ্যমান থাকিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বে প্রণেতার পরিচয় প্রকাশ পাইলে, যে বৎসর প্রণেতার মৃতু্য হয় উহার পরবর্তী পঞ্জিকা-বর্ষের শুরু হইতে ষাট বৎসর পর্যন্ত কপিরাইট বিদ্যমান থাকিবে।
(২) উপ-ধারা (১) এ উলি্লখিত বেনামী যৌথ প্রণেতার কর্মের ক্ষেত্রে, "প্রণেতা" অর্থে-
কে বুঝিতে হইবে।
(৩) উপ-ধারা (১)-এ কোন ছদ্মনাম বিশিষ্ট যৌথভাবে প্রণীত কর্মের ক্ষেত্রে প্রণেতার অর্থ বুঝিতে হইবে-
ব্যাখ্যা।- এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, কোনো প্রণেতার পরিচয় প্রকাশ হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে যদি প্রণেতা এবং প্রকাশক উভয়ের দ্বারা প্রণেতার পরিচয় জনসাধারণ্যে প্রকাশ হইয়া পড়ে অথবা সেই প্রণেতা অন্যভাবে বোর্ডের সন্তুষ্টিমতে তাহা প্রতিষ্টিত করেন।
Section ৩০. সরকারী কর্মে কপিরাইটের মেয়াদ
কোন সরকারী কর্মের কপিরাইটের ক্ষেত্রে, সরকার ঐ কর্মের কপিরাইটের প্রথম স্বত্বাধিকারী হইলে যে বৎসর কর্মটি প্রথম প্রকাশিত হইয়াছে উহার পরবর্তী পঞ্জিকা-বর্ষের শুরু হইতে ষাট বৎসর পর্যন্ত বিদ্যমান থাকিবে।
Section ৩১. স্থানীয় কতর্ৃপক্ষের কর্মের কপিরাইটের মেয়াদ
কোন স্থানীয় কতর্ৃপক্ষের কর্মের কপিরাইটের ক্ষেত্রে, স্থানীয় কতর্ৃপক্ষ ঐ কর্মের কপিরাইটের প্রথম স্বত্বাধিকারী হইলে যে বৎসর কর্মটি প্রথম প্রকাশিত হইয়াছে উহার পরবর্তী পঞ্জিকা-বর্ষ শুরু হইতে ষাট বৎসর পর্যন্ত কপিরাইট বিদ্যমান থাকিবে।
Section ৩২. আন্তর্জাতিক সংস্থার কর্মের কপিরাইটের মেয়াদ
ধারা ৬৮ প্রযোজ্য হয় এমন কোন আন্তর্জাতিক সংগঠনের কর্মের ক্ষেত্রে, যে বৎসর কর্মটি প্রথম প্রকাশিত হইয়াছে উহার পরবর্তী পঞ্জিকা-বর্ষের শুরু হইতে ষাট বৎসর পর্যন্ত কপিরাইট বিদ্যমান থাকিবে।
Section ৩৩. সমপ্রচার পুনরুৎপাদনের অধিকার
(১) প্রত্যেক সমপ্রচার সংস্থা কতর্ৃক সমপ্রচারিত বিষয়ে উহার একটি বিশেষ অধিকার থাকিবে, যাহা "সমপ্রচার পুনরুৎপাদন অধিকার" নামে অভিহিত হইবে।
(২) সমপ্রচার যে বৎসর প্রথম করা হইয়াছে উহার পরবর্তী পঞ্জিকা-বর্ষের শুরু হইতে ২৫ বছর পর্যন্ত সমপ্রচার পুনরুৎপাদন অধিকার অক্ষুণ্ন থাকিবে।
(৩) কোন সমপ্রচারিত বিষয়ে সমপ্রচার পুনরুৎপাদন অধিকার অব্যাহত থাকাকালে কোন ব্যক্তি উক্ত অধিকারের মালিকের লাইসেন্স ব্যতীত সমপ্রচার অথবা উহার মৌলিক অংশের বিষয়ে নিম্নোক্ত কোন কার্য করিলে, তিনি, ধারা ৩৬ এর বিধান সাপেক্ষে, সংশ্লিষ্ট সমপ্রচার সংস্থার সমপ্রচার পুনরুৎপাদনের অধিকার লংঘন করিয়াছে বলিয়া গণ্য হইবেন, এবং বিষয়টির প্রকৃতিগত সীমাবদ্ধতা সাপেক্ষে, অধ্যায় ১৩, ১৪, ১৫, ১৬ এবং ১৭ এর বিধানাবলী সমপ্রচার সংস্থা ও সমপ্রচারের ক্ষেত্রে এমনভাবে প্রযোজ্য হইবে যেন উহারা যথাক্রমে প্রণেতা এবং কর্ম ছিল, যথা:-
Section ৩৪. অন্যদের অধিকার ক্ষুণ্ন না হওয়া
সন্দেহ দূরীকরণার্থ এতদ্বারা ঘোষণা করা হইল যে, সমপ্রচার সংস্থা প্রদত্ত অধিকার কোন সাহিত্য, নাট্য, সংগীত, শিল্প বা চলচ্চিত্র ফিল্ম অথবা সমপ্রচারে ব্যবহৃত শব্দ রেকর্ডিং এর কপিরাইট ক্ষতিগ্রস্ত করিবে না।
Section ৩৫. সম্পাদনকারীর অধিকার
(১) যেক্ষেত্রে কোন সম্পাদনকারী কোন সম্পাদনে আবির্ভূত বা নিয়োজিত হন, তাহার উক্ত সম্পাদন এর বিষয়ে একটি বিশেষ অধিকার থাকিবে, যাহা "সম্পাদনকারীর অধিকার" নামে অভিহিত হইবে।
(২) সম্পাদন যে বছর প্রথম করা হইয়াছে উহার পরবর্তী পঞ্জিকা-বর্ষের শুরু হইতে পঞ্চাশ বৎসর পর্যন্ত সম্পাদনকারীর অধিকার বিদ্যমান থাকিবে।
(৩) কোন সম্পাদনের বিষয়ে সম্পাদনকারীর অধিকার অব্যাহত থাকাকালে কোন ব্যক্তি সম্পাদনকারীর অনুমতি ব্যতীত উক্ত সম্পাদন অথবা উহার মৌলিক অংশের বিষয়ে নিম্নোক্ত কোন কার্য করিলে, তিনি, ধারা ৩৬ এর বিধান সাপেক্ষে, সম্পাদনকারীর অধিকার লংঘন করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন এবং বিষয়টির প্রকৃতিগত সীমাবদ্ধতা সাপেক্ষে, অধ্যায় ১১, ১২ ও ১৩ এর বিধানাবলী সম্পাদনকারী ও সম্পাদনের বিষয়ে এমনভাবে প্রযোজ্য হইবে যেন তাহারা যথাক্রমে প্রণেতা ও কর্ম ছিল, যথা:-
Section ৩৬. সমপ্রচার পুনরুৎপাদন অধিকার বা সম্পাদনকারীর অধিকার লংঘন করে না এমন কার্য
নিম্নোক্ত কার্যাবলী দ্বারা কোন সমপ্রচার পুনরুৎপাদন অধিকার বা সম্পাদনকারীর অধিকার লংঘিত হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে না-
Section ৩৭. সমপ্রচার পুনরুৎপাদন অধিকার এবং সম্পাদনকারীর অধিকারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য অন্যান্য বিধান
এই আইনের ধারা ১৮, ১৯, ৪৮, ৭৬, ৭৯, ৮৫, ৮৬ এবং ৯৩ প্রয়োজনীয় অভিযোজন ও সংশোধন সাপেক্ষে, যে কোন সমপ্রচারের ক্ষেত্রে সমপ্রচার পুনরুৎপাদন অধিকার এবং সম্পাদনের ক্ষেত্রে অধিকারের বিষয়ে সেইরূপ প্রযোজ্য হইবে যেইরূপে উহারা কোন কর্মের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়:
তবে শর্ত থাকে যে, কোন কর্ম বা সম্পাদনের ক্ষেত্রে কপিরাইট বা সম্পাদনকারীর অধিকার যদি বিদ্যমান থাকে সেক্ষেত্রে উক্ত সমপ্রচার পুনরুৎপাদনের জন্য প্রদত্ত কোন লাইসেন্স কার্যকর হইবে না, যদি না উহা কপিরাইটের মালিক বা, ক্ষেত্রমত, সম্পাদনকারীর অথবা উভয়ের সম্মতিক্রমে প্রদত্ত হয়।
মুদ্রণশৈলী সংরক্ষণ এবং সংরক্ষণের মেয়াদ
[৩৮। (১) কোন কর্মের কোন সংস্করণের প্রকাশক বাণিজ্যিক ভিত্তিতে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে, ফটোগ্রাফিক বা অনুরূপ কোন প্রক্রিয়ায় ঐ সংস্করণের মুদ্রণশৈলীগত বিন্যাসের কপি তৈরী করিবার ক্ষমতা প্রদানের অধিকার ভোগ করিবেন এবং এইরূপ অধিকার যে বৎসর সংস্করণটি প্রথম প্রকাশিত হইয়াছে উহার পরবতর্ী পঞ্জিকা-বর্ষের শুরু হইতে পঁচিশ বৎসর পর্যন্ত বিদ্যমান থাকিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, সাহিত্য কর্মের ক্ষেত্রে, প্রথম স্বত্বাধিকারীর সহিত নিয়োগপ্রাপ্ত স্বত্বাধিকারীর চুক্তি মোতাবেক সম্পাদিত প্রথম স্বত্বাধিকার যে কোন সময় নিয়োগপ্রাপ্ত স্বত্বাধিকারীর নিকট হইতে স্বত্ব প্রত্যাহার করিলেও প্রকাশক মুদ্রণশৈলীগত বিন্যাস এবং প্রচ্ছদসহ অন্যান্য চিত্রাঙ্কন, যদি না প্রথম স্বত্বাধিকারী উহার মালিক হন, স্বত্বপ্রাপ্ত হইবেন না।
(২) চলচ্চিত্রের স্বত্বাধিকারীগণ কর্তৃক বাধ্যতামূলকভাবে তাহাদের নির্মিত পূর্ণদৈর্ঘ্য, স্বল্পদৈর্ঘ্য অথবা যে কোন দৈর্ঘ্যের চলচ্চিত্রের কমপক্ষে একটি কপি বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভে দীর্ঘমেয়াদী সংরক্ষণের, ভবিষ্যতে গবেষণার বা অন্য কোন প্রয়োজনে জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে নিম্নবর্ণিত শর্ত প্রযোজ্য হইবে, যথা:-
শাস্তি
[৩৮ক। ধারা ৩৮ এর উপ-ধারা (২) এর দফা (খ) এ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোন ব্যক্তি যদি চলচ্চিত্রের কপি বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভে জমাদানে ব্যর্থ হন, তাহা হইলে তিনি অনূধর্্ব ছয় মাসের কারাদণ্ড অথবা অনূধর্্ব পঞ্চাশ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয়দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।
Section ৩৮খ. এই অধ্যায়ে বর্ণিত অপরাধ বিচারার্থ গ্রহণ
ফৌজদারী কার্যবিধিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা সরকার হইতে এতদুদ্দেশ্যে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তার অভিযোগ ব্যতীত কোন আদালত এই অধ্যায়ের অধীন শাস্তিযোগ্য কোন অপরাধ বিচারার্থ গ্রহণ করিবে না।]
Section ৩৯. লঙ্ঘন ইত্যাদি
প্রকাশক হইতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত না হইয়া কোন ব্যক্তি বাণিজ্যিক ভিত্তিতে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে ফটোগ্রাফিক বা অনুরূপ কোন প্রক্রিয়ায় কোন সংস্করণ বা উহার মৌলিক অংশের মুদ্রণশৈলীগত বিন্যাসের কপি তৈরী করিলে বা করিবার কারণ ঘটাইলে, তিনি প্রকাশকের অধিকার লঙ্ঘন করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন এবং বিষয়বস্তুর প্রকৃতির গ্রহণযোগ্যতার সীমার মধ্যে, দ্বিতীয় অধ্যায়ের বিধানাবলী প্রকাশক এবং সংস্করণসমূহের মুদ্রণশৈলীগত বিন্যাসের ক্ষেত্রে এইরূপে প্রযোজ্য হইবে যেন উহারা যথাক্রমে প্রণেতা ও কর্ম ছিল।
ব্যাখ্যা।- "মুদ্রণশৈলীগত বিন্যাস" অর্থে ক্যালিগ্রাফিক অন্তভর্ুক্ত হইবে।
Section ৪০. কপিরাইটের সহিত সম্বন্ধ
সকল প্রকার সন্দেহ দূরীকরণার্থ এতদ্বারা ঘোষণা করা হইল যে, এই অধ্যায়ের প্রকাশককে প্রদত্ত অধিকার-
Section ৪১. কপিরাইট সমিতির নিবন্ধন
(১) এই আইন বলবৎ হওয়ার পর, উপ-ধারা (৩) এর অধীন নিবন্ধিত না হইলে, কোন ব্যক্তি বা সমিতি কপিরাইট বিদ্যমান আছে এমন কোন কর্মের জন্য অথবা এই আইনের অধীন প্রদত্ত অন্য কোন অধিকারের বিষয়ে লাইসেন্স ইসু্য করার বা মঞ্জুর করার ব্যবসা শুরু করিতে অথবা অব্যাহত রাখিতে পারিবেন না:
তবে শর্ত থাকে যে, কপিরাইটের কোন মালিক কোন নিবন্ধিত কপিরাইট সমিতির সদস্য হিসাবে ব্যক্তিগত এখতিয়ারে তাহার দায়িত্বের সহিত সঙ্গতিপূর্ণ নিজস্ব কর্মের ব্যাপারে লাইসেন্স প্রদানের অধিকার অব্যাহত রাখিতে পারিবেন:
আরো শর্ত থাকে যে, এই আইন প্রবর্তিত হওয়ার অব্যবহিত পূর্বে কপিরাইট অধ্যাদেশ, ১৯৬২ (১৯৬২ সনের ৩৪ নং অধ্যাদেশ) এর অধীনে কার্যরত পারফর্মিং রাইটস সোসাইটি, এই অধ্যায়ের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, কপিরাইট সমিতি মর্মে গণ্য হইবে এবং অনুরূপ সকল সমিতিকে এই আইন বলবৎ হওয়ার এক বছরের মধ্যে নিবন্ধীকৃত হইতে হইবে।
(২) নির্ধারিত শর্ত পূরণকারী প্রত্যেক সমিতি উপ-ধারা (১) এ উলি্লখিত ব্যবসা করার অনুমতির জন্য রেজিষ্ট্রারের নিকট দরখাস্ত করিতে পারিবে, যিনি উক্ত দরখাস্ত সরকারের নিকট দাখিল করিবেন।
(৩) প্রণেতা এবং এই আইনের অধীন অন্যান্য অধিকারের মালিকদের স্বার্থ, জনস্বার্থ ও জনগণের সুবিধা এবং, বিশেষতঃ লাইসেন্স প্রার্থী হইতে পারে এমন ব্যক্তিসমষ্টির স্বার্থ ও সুবিধা এবং দরখাস্তকারীদের যোগ্যতা এবং পেশাগত দক্ষতা বিবেচনা করিয়া সরকার, নির্ধারিত শর্ত সাপেক্ষে, কোন সমিতিকে কপিরাইট সমিতিরূপে নিবন্ধিত করিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, সরকার সাধারণতঃ একই শ্রেণীর কর্মের ব্যবসা করার জন্য একের অধিক সমিতিকে নিবন্ধিত করিবে না।
(৪) যদি সরকার এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, কোন কপিরাইট সমিতি কপিরাইট মালিকদের স্বার্থের পরিপন্থীভাবে উহার কার্যক্রম পরিচালনা করিতেছে, সেক্ষেত্রে সরকার নির্ধারিত পদ্ধতিতে তদন্তপূর্বক উক্ত সমিতির রেজিষ্ট্রেশন বাতিল করিতে পারিবে।
(৫) যেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কপিরাইট মালিকদের স্বার্থে প্রয়োজন মনে করিবে সেক্ষেত্রে সরকার, আদেশ দ্বারা, উপ-ধারা (৪) এর অধীনে তদন্তাধীন কোন সমিতির নিবন্ধন অনধিক এক বছরের জন্য আদেশে বর্ণিত সময়সীমার জন্য স্থগিত করিতে পারিবে এবং সরকার উক্ত কপিরাইট সমিতির কার্য নির্বাহের জন্য একজন প্রশাসক নিযুক্ত করিতে পারিবে।
Section ৪২. কপিরাইট সমিতি কতর্ৃক মালিকদের অধিকার নির্বাহ
(১) এতদউদ্দেশ্যে নির্ধারিত শর্ত সাপেক্ষে,-
(২) এই আইনের অধীন উদ্ভূত অধিকারের অনুরূপ অধিকার পরিচালনা করে এইরূপ বিদেশী সমিতি বা সংস্থার সহিত কোন কপিরাইট সমিতি নিম্নরূপ কার্য সম্পাদনের নিমিত্ত চুক্তিতে আবদ্ধ হইতে পারে, যথা:-
তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ কোন সমিতি বা সংস্থা বাংলাদেশী কর্ম এবং অন্যান্য কর্মের লাইসেন্সের শর্ত বা আদায়কৃত ফি বন্টনের ক্ষেত্রে কোনরূপ বৈষম্য করিতে পারিবে না।
(৩) নির্ধারিত শর্ত সাপেক্ষে, প্রত্যেক কপিরাইট সমিতি-
Section ৪৩. কপিরাইট সমিতি কতর্ৃক পারিশ্রমিক প্রদান
(১) সরকার যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, কোন বিশেষ শ্রেণীর কর্মের কোন কপিরাইট সমিতি সমগ্র বাংলাদেশব্যাপী অনুরূপ কর্মের মালিকদের অধিকার পরিচালনা করিতেছে, তাহা হইলে সরকার সেই সমিতিকে এই ধারার উদ্দেশ্যে নিযুক্ত করিবে।
(২) কপিরাইট সমিতি, এতদুদ্দেশ্যে প্রণীত বিধি সাপেক্ষে, কোন কর্মের প্রচার সংখ্যা বিবেচনা করিয়া কপিরাইটের প্রত্যেক মালিককে প্রদেয় পারিশ্রমিকের পরিমাণ নির্ধারণের জন্য একটি পরিকল্পনা তৈরী করিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ পরিকল্পনায় প্রদেয় অর্থ কপিরাইট সমিতির বিবেচনায় যুক্তিসংগত প্রচারণার পর্যায়ে উপনীত কর্মের কপিরাইট মালিকের মধ্যে সীমিত থাকিবে।
Section ৪৪. কপিরাইট সমিতির উপর কপিরাইট মালিকদের নিয়ন্ত্রণ
(১) প্রত্যেক কপিরাইট সমিতি সেই সকল কপিরাইট মালিকগণের যৌথ নিয়ন্ত্রণাধীন থাকিবে যাহাদের অধিকার উক্ত সমিতি পরিচালনা করে (ধারা ৪২ এর উপ-ধারা (২)-এ বর্ণিত বিদেশী সমিতি বা সংস্থা কতর্ৃক পরিচালিত অধিকারসমূহের মালিকগণ নহে) এবং নির্ধারিত পদ্ধতিতে-
(২) সকল ফি অধিকারের মালিকদের মধ্যে, যতদূর সম্ভব, তাহাদের কর্মের প্রকৃত ব্যবহারের অনুপাতে [বণ্টন] করিতে হইবে।
Section ৪৫. রিটার্ণ এবং প্রতিবেদন
(১) প্রত্যেক কপিরাইট সমিতি, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে এবং নির্ধারিত পদ্ধতিতে, যে সকল কর্মের ক্ষেত্রে উহার লাইসেন্স মঞ্জুর করার কতর্ৃত্ব আছে সেই সব লাইসেন্স বাবদ যে ফি, চার্জ, রয়্যালটি আদায় করার প্রস্তাব করে উহাসহ নির্ধারিত অন্যান্য আদায়ের একটি বিবরণ প্রস্তুত ও প্রকাশ করিয়া রেজিষ্ট্রারের নিকট দাখিল করিবে।
(২) সরকার হইতে যথাযথভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত যে কোন কর্মকর্তা সমিতি কতর্ৃক পরিচালিত অধিকার বাবদ আদায়কৃত ফি এই আইনের বিধানাবলী অনুসারে যথাযথভাবে ব্যবহৃত ও বন্টিত হইতেছে কিনা সে সম্পর্কে সন্তুষ্ট হইবার জন্য কপিরাইট সমিতি হইতে যে কোন প্রতিবেদন অথবা নথি তলব করিতে পারিবে।
Section ৪৬. হিসাব এবং নিরীক্ষা
(১) এই আইনের ধারা ৪১ এর অধীনে নিযুক্ত প্রত্যেক কপিরাইট সমিতি যথাযথভাবে হিসাব ও অন্যান্য রেকর্ড সংরক্ষণ করিবে এবং সরকার কতর্ৃক কম্পট্রোলার ও অডিটর-জেনারেলের সহিত পরামর্শক্রমে এতদ্উদ্দেশ্যে প্রণীত ফরম ও পদ্ধতিতে যথাযথ হিসাব এবং অন্যান্য নথি সংরক্ষণ করিবে এবং হিসাব বিবরণী প্রণয়ন করিবে।
(২) সরকার হইতে প্রাপ্ত প্রত্যেক কপিরাইট সমিতির অর্থের হিসাব কম্পট্রোলার ও অডিটর-জেনারেল কতর্ৃক নির্ধারিত সময়ের ব্যবধানে তৎকতর্ৃক নিরীক্ষিত হইবে এবং উক্ত নিরীক্ষা বাবদ ব্যয়িত অর্থ কপিরাইট সমিতি কতর্ৃক কম্পট্রোলার ও অডিটর-জেনারেলকে প্রদেয় হইবে।
(৩) কোন সরকারী হিসাব নিরীক্ষার ক্ষেত্রে কম্পট্রোলার ও অডিটর-জেনারেল এর যে ক্ষমতা ও অধিকার থাকে, উপ-ধারা (২) এ বর্ণিত [কপিরাইট সমিতির] হিসাব নিরীক্ষার ক্ষেত্রে কম্পট্রোলার ও অডিটর-জেনারেল
অথবা তৎকতর্ৃক নিযুক্ত ব্যক্তির একই ক্ষমতা ও অধিকার থাকিবে, এবং বিশেষতঃ কম্পট্রোলার ও অডিটর-জেনারেল বা তৎকতর্ৃক নিযুক্ত ব্যক্তি হিসাব নিরীক্ষার প্রয়োজনে যে কোন বই, হিসাব এবং অন্যান্য দলিলাদী এবং কাগজপত্রের উপস্থাপন দাবী করিতে এবং কপিরাইট সমিতির যে কোন অফিস পরিদর্শন করিতে পারিবেন।
Section ৪৭. অব্যাহতি
(১) এই অধ্যায়ের কোন কিছুই এই আইন বলবৎ হওয়ার পূর্বে কোন কর্মে কোন পারফরর্মিং রাইটস সোসাইটি কতর্ৃক অর্জিত অধিকার বা উহার উপর অর্পিত দায়িত্ব ক্ষুণ্ন করিবে না।
(২) এই অধ্যায়ের কোন কিছুই এই আইন বলবৎ হওয়ার পূর্বে কোন কর্মের বিষয়ে পারফরমিং রাইটস সোসাইটির অধিকার ও দায়িত্ব বিষয়ে উদ্ভূত কোন বিচার বিভাগীয় কার্যক্রমকে প্রভাবান্বিত করিবে না।
Section ৪৮. কপিরাইটের স্বত্বাধিকারী প্রদত্ত লাইসেন্স
কোন বিদ্যমান কর্মের কপিরাইটের স্বত্বাধিকারী বা কোন ভবিষ্যৎ কর্মের কপিরাইটের সম্ভাব্য স্বত্বাধিকারী তাহার, বা তাহার নিকট হইতে যথাযথভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধির, স্বাক্ষরিত লাইসেন্সের মাধ্যমে কপিরাইটের যে কোন স্বার্থ প্রদান করিতে পারিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, কোন ভবিষ্যৎ কর্মের কপিরাইট সম্পর্কিত লাইসেন্সের ক্ষেত্রে, কর্মটি অস্তিত্বশীল হওয়ার পর লাইসেন্স কার্যকর হইবে।
ব্যাখ্যা।- এই ধারার অধীন কোন ভবিষ্যৎ কর্মের কপিরাইটের লাইসেন্সপ্রাপ্ত ব্যক্তি কর্মটি অস্তিত্বশীল হইবার পূর্বে মৃতু্যবরণ করিলে, তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি, লাইসেন্সে ভিন্নরূপ কিছু না থাকিলে, লাইসেন্সের সুবিধা ভোগ করিবার অধিকারী হইবেন।
Section ৪৯. ধারা ১৯ এবং ২০ এর প্রয়োগ
ধারা ১৯ এবং ২০ এর বিধানাবলী, প্রয়োজনীয় অভিযোজন ও সংশোধন সাপেক্ষে, ধারা ৪৮ এর অধীনে প্রদত্ত লাইসেন্সের ক্ষেত্রে এমনভাবে প্রযোজ্য হইবে, যেভাবে ঐ সকল বিধান অন্য কোন কর্মের কপিরাইটের স্বত্ব নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়।
Section ৫০. জনসাধারণের নিকট বারিত কর্মের বাধ্যতামূলক লাইসেন্স
(১) প্রকাশিত বা জনসাধারণ্যে সম্পাদিত বাংলাদেশী কোন কর্মের কপিরাইটের মেয়াদের মধ্যে যদি এই মর্মে বোর্ডের নিকট দরখাস্ত করা হয় যে ঐ কর্মের কপিরাইটের স্বত্বাধিকারী-
ব্যাখ্যা।- এই উপ-ধারা "বাংলাদেশী কর্ম" অভিব্যক্তি দ্বারা সেই সকল চলচ্চিত্র কর্ম অথবা শব্দ রেকর্ডিং অন্তভর্ুক্ত হইবে যাহা বাংলাদেশে তৈরী বা প্রস্তুত হইয়াছে।
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীনে দুই বা ততোধিক ব্যক্তি আবেদন পেশ করিলে, বোর্ডের মতে, যে ব্যক্তি জনসাধারণের স্বার্থে সর্বাপেক্ষা ভাল কাজ করিবে, সেই আবেদনকারীকে লাইসেন্স প্রদান করা হইবে।
Section ৫১. অপ্রকাশিত বাংলাদেশী কর্মের বাধ্যতামূলক লাইসেন্স
(১) যেক্ষেত্রে কোন বাংলাদেশী কর্মের গ্রন্থকার মৃত, অজ্ঞাত বা নিরুর্দ্দিষ্ট অথবা অনুরূপ কর্মের কপিরাইটের মালিকের কোন সন্ধান নাই, সেক্ষেত্রে যে কোন ব্যক্তি উক্ত কর্ম অথবা যে কোন ভাষায় উহার [অনুবাদ বা অভিযোজন] প্রকাশের জন্য লাইসেন্স চাহিয়া বোর্ড এর নিকট দরখাস্ত করিতে পারিবে।
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন কোন দরখাস্ত দাখিলের পূর্বে দরখাস্তকারী তাহার প্রস্তাব বাংলাদেশে প্রচারিত একটি বাংলা ও একটি ইংরেজী ভাষার দৈনিক সংবাদপত্রের প্রতিটির একটি সংখ্যায় প্রকাশ করিবে; এবং যদি কর্মটি অন্য কোন ভাষায় [অনুবাদ বা অভিযোজন] প্রকাশের জন্য দরখাস্ত করা হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত ভাষায় প্রকাশিত একটি দৈনিক সংবাদপত্রেও প্রস্তাবটি, এই শর্তে প্রকাশ করিতে হইবে যে, বাংলাদেশে উক্ত ভাষায় একটি সংবাদপত্র প্রকাশিত হইয়া থাকে।
(৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন এর প্রত্যেক দরখাস্ত-
দাখিল করিতে হইবে।
(৪) এই ধারার অধীন বোর্ডের নিকট দরখাস্ত দাখিল করা হইলে, বোর্ড, নির্ধারিত পদ্ধতিতে তদন্তসম্পন্ন, করিয়া, রেজিষ্ট্রারকে, বোর্ড কতর্ৃক নির্ধারিত রয়্যালটি প্রদান ও অন্যান্য শর্তপূরণ সাপেক্ষে, কর্মটি অথবা উহার [অনুবাদ বা অভিযোজন] দরখাস্তে বর্ণিত ভাষায় প্রকাশের জন্য দরখাস্তকারীকে লাইসেন্স মঞ্জুর করার নির্দেশ দিতে পারিবে এবং রেজিষ্ট্রার দরখাস্তকারীর অনুকূলে বোর্ডের নির্দেশ অনুসারে লাইসেন্স মঞ্জুর করিবে।
(৫) যেক্ষেত্রে এই ধারার অধীন লাইসেন্স মঞ্জুর করা হয়, সেক্ষেত্রে রেজিষ্ট্রার দরখাস্তকারীকে বোর্ড কতর্ৃক নির্ধারিত রয়্যালটি তৎকতর্ৃক নির্দিষ্টকৃত হিসাবে জমা দানের জন্য, আদেশ দ্বারা, নির্দেশ দিতে পারিবে এবং তৎভিত্তিতে কপিরাইটের মালিক বা, ক্ষেত্রমত, তাহার উত্তরাধিকারী, নির্বাহক বা আইনানুগ প্রতিনিধি যে কোন সময় উক্ত রয়্যালটি দাবী করিতে পারিবেন।
(৬) এই ধারায় উপরি-উলি্লখিত বিধানাবলী ক্ষুণ্ন না করিয়া, উপ-ধারা (১) এ উলি্লখিত কোন কর্মের ক্ষেত্রে যদি মূল প্রণেতা জীবিত না থাকেন, তাহা হইলে সরকার জাতীয় স্বার্থে কর্মটির প্রকাশনা প্রত্যাশিত বিবেচনা করিলে, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে কর্মটি প্রকাশ করিবার জন্য প্রণেতার উত্তরাধিকারী, নির্বাহক অথবা বৈধ প্রতিনিধিকে আহ্বান করিতে পারিবে।
(৭) যেক্ষেত্রে উপ-ধারা (৬) এর অধীন সরকার কতর্ৃক নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে কোন কর্ম প্রকাশিত না হয়, সেক্ষেত্রে, কর্মটি প্রকাশের অনুমতির জন্য, কোন ব্যক্তির দরখাস্তের ভিত্তিতে, বোর্ড, সংশ্লিষ্ট পক্ষগণকে শুনানীর সুযোগ প্রদান করতঃ নির্ধারিত পদ্ধতিতে অবস্থা বিবেচনা করিয়া, নির্ধারিত রয়্যালটি প্রদানের শর্তে কর্মটি প্রকাশের অনুমতি দিতে পারিবে।
Section ৫২. 48[ অনুবাদ বা অভিযোজন ] তৈরী ও প্রকাশের লাইসেন্স
(১) কোন সাহিত্য বা নাট্য কর্মের প্রথম প্রকাশের পাঁচ বছর পরে বাংলাদেশে সাধারণভাবে ব্যবহৃত যে কোন ভাষায় উহার [অনুবাদ বা
অভিযোজন] তৈরী ও প্রকাশের জন্য যে কোন ব্যক্তি বোর্ডের নিকট লাইসেন্স চাহিয়া আবেদন করিতে পারিবেন।
(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, শিক্ষকতা, বৃত্তি অথবা গবেষণার উদ্দেশ্যে প্রয়োজন হইলে, কোন ব্যক্তি মুদ্রণ অথবা পুনরুৎপাদনের অনুরূপ কোন মাধ্যমে বাংলাদেশী ব্যতীত অন্য কোন সাহিত্য বা নাট্যকর্মের বাংলাদেশে সাধারণতঃ ব্যবহৃত কোন ভাষায় [অনুবাদ বা অভিযোজন] তৈরী ও প্রকাশের জন্য, কর্মটির প্রথম প্রকাশের তিন বছর পরে, বোর্ডের নিকট দরখাস্ত করিতে পারিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে অনুরূপ [অনুবাদ বা অভিযোজন] কোন উন্নত দেশে সাধারণভাবে ব্যবহৃত হয় না এমন ভাষায় হয়, সেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি অনুরূপ দরখাস্ত উক্ত কর্মটি প্রকাশের এক বছর পরে করিতে পারিবেন।
(৩) উপ-ধারা (১) ও (২) এর অধীন প্রত্যেক দরখাস্ত নির্ধারিত ফরমে করিতে হইবে এবং কর্মটির [অনুবাদ বা অভিযোজনের] প্রতি কপির প্রস্তাবিত খুচরা মূল্য উল্লেখ করিতে হইবে।
(৪) উপ-ধারা (১) ও (২) এর অধীন লাইসেন্সের প্রত্যেক দরখাস্তকারী তাহার দরখাস্তের সহিত নির্ধারিত ফি রেজিষ্ট্রারের নিকট জমা দান করিবেন।
(৫) যেক্ষেত্রে উপ-ধারা (১) ও (২) এর অধীন এর বোর্ডের নিকট দরখাস্ত দাখিল করা হয়, সেক্ষেত্রে বোর্ড, নির্ধারিত তদন্ত অনুষ্ঠান শেষে, রেজিষ্ট্রারকে দরখাস্তে বর্ণিত ভাষায় কর্মটির [অনুবাদ বা অভিযোজন] তৈরী ও প্রকাশের একচেটিয়া নহে এমন লাইসেন্স প্রদানের নির্দেশ দিতে পারিবেন।
(৬) উপ-ধারা (৫) এর অধীন বোর্ডের নির্দেশ নিম্নোক্ত শর্ত সাপেক্ষে হইবে, যথা:-
তবে শর্ত থাকে যে, সরকার বা সরকারের অধীনস্ত কোন কতর্ৃপক্ষ কতর্ৃক ইংরেজী, ফরাসী বা স্প্যানিশ ভাষা ব্যতীত অন্য কোন ভাষায় কর্মটির [অনুবাদ বা অভিযোজনের] কপি কোন দেশে রপ্তানীর ক্ষেত্রে [এই দফার] বিধান কার্যকর হইবে না, যদি-
আরো শর্ত থাকে যে,-
ভাষায় কর্মটির [অনুবাদ বা অভিযোজন] কপিরাইটের মালিক বা তাহার নিকট হইতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি কতর্ৃক উহার প্রথম প্রকাশের ৩ বছরের মধ্যে প্রকাশ না করিয়া থাকেন বা, প্রকাশিত হইয়া থাকিলে, উহা নিঃশেষ না হইয়া থাকে;
আরো শর্ত থাকে যে, উভয় ক্ষেত্রেই কোন লাইসেন্স মঞ্জুর করা হইবে না যদি-
অধীনে অনুরোধের অনুলিপি প্রেরিত হইয়াছে সে ক্ষেত্রে উক্ত অনুলিপি প্রেরণের তারিখ হইতে অতিক্রান্ত হইয়া থাকে এবং উক্ত ৬ মাস বা ক্ষেত্রমত ৯ মাস সময় সীমার মধ্যে দরখাস্তে বর্ণিত ভাষায় কর্মটির কপিরাইটের মালিক অথবা তাহার নিকট হইতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি কতর্ৃক কর্মটির [অনুবাদ বা অভিযোজন] প্রকাশিত না হইয়া থাকে;
(১) প্রণেতার নাম এবং কর্মটির নির্দিষ্ট সংস্করণের শিরোনাম প্রস্তাবিত [অনুবাদ বা অভিযোজনের] সকল কপিতে মুদ্রিত হইয়া থাকে;
(২) কর্মটি মূখ্যতঃ চিত্রকর্ম পরিপূর্ণ হওয়ার ক্ষেত্রে, ধারা [৫৩] এর বিধানাবলীও প্রতিপালিত হইয়া থাকে;
(৭) কোন সমপ্রচার কতর্ৃপক্ষ বোর্ড এর নিকট নিম্নলিখিত কর্মের সমপ্রচার, শিক্ষাদান বা কারিগরি অথবা বৈজ্ঞানিক গবেষণার ফলাফল বিস্তৃতির উদ্দেশ্যে প্রযোজনা ও প্রকাশনার জন্য লাইসেন্স চাহিয়া দরখাস্ত করিতে পারিবে।
তবে শর্ত থাকে যে, ঐরূপ লাইসেন্স মঞ্জুর করা হইবে না যদি না-
(৮) উপ-ধারা (৩) হইতে (৫) এর বিধানাবলী উপ-ধারা (২) এর অধীনে দাখিলকৃত দরখাস্তের ক্ষেত্রে যেভাবে প্রযোজ্য হয়, উপ-ধারা (৭) এর অধীনে লাইসেন্স মঞ্জুরের ক্ষেত্রে, প্রয়োজনীয় সংশোধনসহ, একইভাবে প্রযোজ্য হইবে।
ব্যাখ্যা।- এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে-
Section ৫৩. কতিপয় উদ্দেশ্যে কর্ম পুনরুৎপাদন এবং প্রকাশ করার লাইসেন্স
(১) যেক্ষেত্রে উপন্যাস, কবিতা, নাটক, সংগীত, চিত্রকলা অথবা তৎসংশ্লিষ্ট কোন কর্ম প্রথম প্রকাশের পরবর্তী ৭ বছর, প্রাকৃতিক বিজ্ঞান, বস্তুগত বিজ্ঞান, অংকশাস্ত্র, প্রযুক্তিবিদ্যা অথবা তৎসংশ্লিষ্ট কোন কর্ম প্রথম প্রকাশের পরবর্তী ৩ বছর, এবং অন্য যে কোন ক্ষেত্রে, কর্মটি প্রথম প্রকাশের পরবর্তী ৫ বছর উত্তীর্ণ হওয়ার পর কর্মটির অনুলিপি বাংলাদেশে যদি পাওয়া না যায়,অথবা অনুরূপ অনুলিপি ৬ মাস সময়সীমার মধ্যে জনসাধারণের জন্য অথবা পদ্ধতিগত শিক্ষামূলক কার্যক্রমের জন্য পুনরুৎপাদনের অধিকারের মালিক বা তাহার নিকট হইতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি কতর্ৃক বাংলাদেশে সাধারণভাবে ধার্যতব্য মূল্যের
সংগে যুক্তিসংগতভাবে সম্পর্কযুক্ত মূল্যে বাংলাদেশে বিক্রয়ের ব্যবস্থা করা না হয়, সেক্ষেত্রে যে কোন ব্যক্তি অনুরূপ কর্ম পদ্ধতিগত শিক্ষামূলক কার্যক্রমের উদ্দেশ্যে অনুরূপ কর্মের কোন সংস্করণ যে মূল্যে বিক্রয় হয় সেই মূল্যে অথবা তদপেক্ষা কমমূল্যে বিক্রয়ের জন্য পুনরুৎপাদন ও প্রকাশের জন্য লাইসেন্স চাহিয়া বোর্ডের নিকট দরখাস্ত করিতে পারিবেন।
(২) লাইসেন্সের জন্য প্রত্যেক দরখাস্ত নির্ধারিত ফরমে করিতে হইবে, যাহাতে কর্মটির পুনরুৎপাদিত প্রতিটি কপির প্রস্তাবিত খুচরা মূল্য উল্লেখ থাকিবে।
(৩) এই ধারার অধীনে লাইসেন্স এর জন্য প্রত্যেক দরখাস্তকারী দরখাস্তের নির্ধারিত ফি জমা করিবে।
(৪) এই ধারার অধীন বোর্ড এর নিকট দরখাস্ত দাখিল করা হইলে, বোর্ড নির্ধারিত তদন্ত অনুষ্ঠান শেষে, রেজিষ্ট্রারকে দরখাস্তে উলি্লখিত কর্মটির পুনরুৎপাদন ও প্রকাশের জন্য দরখাস্তকারীকে, নিম্নবর্ণিত শর্তাধীনে, একচেটিয়া নয় এমন লাইসেন্স মঞ্জুর করিতে নির্দেশ দিতে পারিবে, যথা:-
(৫) এই ধারার অধীন কোন লাইসেন্স মঞ্জুর করা হইবে না বা, ক্ষেত্রমত, মঞ্জুর করার পর উহা কার্যকর রাখা হইবে না, যদি-
[(৬) এই ধারার অধীন কোন কর্মের অনুবাদ বা পুনরুৎপাদন প্রকাশ করার লাইসেন্স মঞ্জুর করা হইবে না যদি না উক্ত অনুবাদ বা পুনরুৎপাদন উহার মালিক অথবা তাহার নিকট হইতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি কর্তৃক প্রকাশিত না হয় এবং অনুবাদ বা পুনরুৎপাদনটি বাংলাদেশে সাধারণভাবে ব্যবহৃত ভাষায় না হইয়া থাকে।]
(৭) এই ধারার বিধানাবলী [* * *] পদ্ধতিগত শিক্ষাগত কার্যক্রমের উদ্দেশ্যে অডিও ভিজু্যয়্যাল মাধ্যমে ধারণকৃত যে কোন পাঠ এর পুনরুৎপাদন এবং প্রকাশনা অথবা বাংলাদেশে সাধারণভাবে প্রচলিত কোন ভাষায় অনুবাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে।
Section ৫৪. এই অধ্যায়ের অধীন প্রদত্ত লাইসেন্সের বাতিলকরণ
(১) যদি ধারা ৫২ এর উপ-ধারা (২) এর অধীনে কোন ভাষায় কোন কর্মের [অনুবাদ বা অভিযোজন] তৈরী ও প্রকাশনার জন্য লাইন্সেস প্রদানের পর (অতঃপর এই উপ-ধারার লাইসেন্সকৃত কর্মরূপে উলি্লখিত) কর্মটির কপিরাইটের মালিক অথবা তাহার নিকট হইতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি যদি একই ভাষায় কর্মটির [অনুবাদ বা অভিযোজন] প্রকাশ করে, যাহা মূলতঃ অভিন্ন ও একই রকমের বিষয়ে সমমানসম্পন্ন কর্মের [অনুবাদ বা অভিযোজনের] মূল্যের সহিত তুলনীয়, তাহা হইলে ঐরূপ মঞ্জুরকৃত লাইসেন্স বাতিল হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ বাতিল কার্যকর হইবে না, যদি লাইসেন্সধারী ব্যক্তির প্রতি [অনুবাদ বা অভিযোজনের] অধিকারের মালিক কতর্ৃক পূর্বোক্তমতে [অনুবাদ বা অভিযোজন] প্রকাশের বিষয় অবগত করিয়া নির্ধারিত পদ্ধতিতে প্রদত্ত নোটিশ জারীর পর তিন মাস সময়সীমা অতিক্রান্ত না হয়:
আরো শর্ত থাকে যে, লাইসেন্স বাতিল কার্যকর হওয়ার পূর্বে তৈরী ও প্রকাশিত লাইসেন্সকৃত কর্মের অনুলিপি বিক্রয় ও বিতরণ অব্যাহত থাকিবে যদি না ইতোমধ্যে তৈরীকৃত ও প্রকাশিত কপি নিঃশেষিত না হইয়া থাকে।
(২) যদি ধারা ৫৩ এর অধীন কোন কর্মের পুনরুৎপাদন অথবা অনুবাদ তৈরী ও প্রকাশের জন্য লাইসেন্স মঞ্জুর করার পরবর্তী কোন সময়ে পুনরুৎপাদনের অধিকারের মালিক অথবা তাহার নিকট হইতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি উক্ত কর্মের অনুলিপি [* * *] বিক্রয় বা বিতরণ করে, যাহা মূলতঃ অভিন্ন ও একই রকমের বিষয়ে সমমানসম্পন্ন কর্মের মূল্যের সহিত তুলনীয়, তাহা হইলে ঐরূপ মঞ্জুরকৃত লাইসেন্সটি বাতিল হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ বাতিল কার্যকর হইবে না, যদি লাইসেন্সধারী ব্যক্তির উপর পুনরুৎপাদনের অধিকারের মালিক কতর্ৃক পূর্বোক্তমতে কর্মটির সংস্করণসমূহের অনুলিপি বিক্রয় বা বিতরণের বিষয় অবগত করিয়া প্রদত্ত নোটিশ জারীর পরে ৩ মাস সময়সীমা অতিক্রান্ত হইয়া না থাকে:
আরো শর্ত থাকে যে, অনুরূপ বাতিল কার্যকর হওয়ার পূর্বে লাইসেন্সধারী কতর্ৃক পুনরুৎপাদিত কপির বিক্রয় অথবা বিতরণ অব্যাহত থাকিবে যদি না ইতোমধ্যে তৈরীকৃত অনুলিপি নিঃশেষিত না হইয়া থাকে।
Section ৫৫. কপিরাইটের রেজিষ্ট্রার, ইনডেঙ্, ফরম এবং রেজিষ্টার পরিদর্শন
(১) রেজিষ্ট্রার কপিরাইট অফিসে নির্ধারিত ফরমে কপিরাইটের রেজিষ্টার নামে একটি রেজিষ্টার সংরক্ষণ করিবেন, যাহাতে কর্মের নাম ও শিরোনাম, [গ্রন্থকার, প্রণেতা] প্রকাশক এবং কপিরাইটের স্বত্বাধিকারীর নাম ও ঠিকানা এবং নির্ধারিত অন্য সকল বিবরণ থাকিবে।
(২) রেজিষ্ট্রার কপিরাইটের রেজিষ্টারের নির্ধারিত ইনডেঙ্ও রাখিবেন।
(৩) এই ধারার অধীন সংরক্ষিত কপিরাইটের রেজিষ্টার এবং উহার ইনডেঙ্ যুক্তিসংগত সকল সময়ে পরিদর্শনের জন্য খোলা থাকিবে, এবং যে কোন ব্যক্তি উক্ত রেজিষ্টার বা ইনডেঙ্রে কপি বা উহাদের অংশ বিশেষ, নির্ধারিত ফি প্রদান এর শর্ত সাপেক্ষে, পাওয়ার অধিকারী হইবেন।
Section ৫৬. কপিরাইট রেজিষ্ট্রেশন
(১) কোন কর্মের প্রণেতা, প্রকাশক বা কপিরাইটের স্বত্বাধিকারী বা উহাতে স্বার্থ আছে এমন ব্যক্তি কপিরাইটের রেজিষ্টারে কর্মটির বিবরণ অন্তভর্ুক্ত করিবার জন্য রেজিষ্ট্রারের নিকট নির্ধারিত ফরমে এবং নির্ধারিত ফি সহযোগে দরখাস্ত করিতে পারিবেন [।]
[* * *]
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন কোন কর্মের দরখাস্ত প্রাপ্তির পর রেজিষ্ট্রার, তাহার বিবেচনায় উপযুক্ত তদন্ত অনুষ্ঠানের পর কর্মটির বিবরণ কপিরাইটের রেজিষ্টারে অন্তভর্ুক্ত করিবেন এবং ঐরূপ রেজিষ্ট্রেশনের একটি সনদপত্র দরখাস্তকারীকে প্রদান করিবেন যদি না তিনি, তৎকতর্ৃক লিখিত কারণে, ঐরূপ অন্তভর্ুক্তি সঠিক হইবে না বলিয়া মনে করেন।
Section ৫৭. কপিরাইটের স্বত্বনিয়োগ, ইত্যাদির রেজিষ্ট্রেশন
(১) কোন কপিরাইটের স্বার্থ প্রদানের আগ্রহী কোন ব্যক্তি উক্তরূপ প্রদানের বিবরণ কপিরাইটের রেজিষ্টারে অন্তভর্ুক্তির জন্য নির্ধারিত ফরমে, নির্ধারিত ফি প্রদান করিয়া, যে স্বার্থ প্রদান করা হইতেছে উহার মূল দলিল এবং উক্ত দলিলে একটি সত্যায়িত অনুলিপিসহ রেজিষ্ট্রারের নিকট আবেদন করিতে পারিবেন।
(২) উপ-ধারা (২) এর অধীন কোন কর্মের আবেদন প্রাপ্তির পর রেজিষ্ট্রার, তাহার বিবেচনায় উপযুক্ত তদন্ত অনুষ্ঠানের পর কপিরাইটের রেজিষ্টারে উক্ত প্রদানের বিবরণ সনি্নবেশিত করিবেন, যদি না তিনি, তৎকতর্ৃক লিখিত কারণে, মনে করেন যে উক্ত প্রদান সম্পর্কে কোন অন্তভর্ুক্তি করা উচিত হইবে না।
(৩) যে স্বার্থ প্রদান করা হইয়াছে উহার সত্যায়িত অনুলিপিটি কপিরাইট অফিসে রাখিয়া দেওয়া হইবে এবং মূল দলিল এনডোর্সকৃত বা তৎসঙ্গে রেজিষ্ট্রেশনের সার্টিফিকেট সংযুক্ত করিয়া, উহার জমাদানকারীকে ফেরত দিতে হইবে।
Section ৫৮. কপিরাইটের রেজিষ্টারের অন্তভর্ুক্তি এবং ইনডেঙ্ ইত্যাদির সংশোধন
রেজিষ্ট্রার নির্ধারিত ক্ষেত্রে এবং নির্ধারিত শর্ত সাপেক্ষে কপিরাইট রেজিষ্টার এবং ইনডেঙ্ েঅন্তভর্ুক্ত কোন নাম, ঠিকানা এবং বিবরণের ভুল বা বাদ পড়াসহ আকস্মিক অন্য কোন কারণে সংঘটিত ভুল শুদ্ধ করিয়া সংশোধন বা পরিবর্তন করিতে পারিবেন।
Section ৫৯. কপিরাইট বোর্ড কতর্ৃক রেজিষ্টার সংশোধন
রেজিষ্টার বা কোন সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির দরখাস্তের ভিত্তিতে বোর্ড কপিরাইট রেজিষ্টারের নিম্নরূপ সংশোধনের আদেশ দিতে পারিবেন, যথা:-
Section ৬০. কপিরাইট রেজিষ্টারে অন্তভর্ুক্ত বিবরণ আপাতঃ পর্যাপ্ত সাক্ষ্য হিসাবে গণ্য হওয়া
(১) কপিরাইটের রেজিষ্টার ও ইনডেঙ্ এর কোন বিবরণ আপাতঃ পর্যাপ্ত সাক্ষ্য হিসাবে গণ্য হইবে এবং রেজিষ্ট্রার কতর্ৃক প্রত্যায়িত এবং কপিরাইট অফিসের সীলমোহরকৃত কপিরাইট রেজিষ্টারের কোন অন্তভর্ুক্তি বা উহার কোন
উদ্ধৃতি সকল আদালতে মূল দলিল বা মূলকপির উপস্থাপন ব্যতীত সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য হইবে।
(২) কোন কর্মের কপিরাইটের রেজিষ্ট্রেশন সার্টিফিকেট উক্ত কর্মের কপিরাইট থাকার বিষয়ে আপাতঃ পর্যাপ্ত সাক্ষ্য হিসাবে গণ্য হইবে এবং সার্টিফিকেটে যে ব্যক্তিকে কপিরাইটের স্বত্বাধিকারী হিসাবে দেখানো হইয়াছে তিনি ঐরূপ কপিরাইটের স্বত্বাধিকারী।
Section ৬১. কপিরাইট রেজিষ্টারের অন্তভর্ুক্তি ইত্যাদি প্রকাশ করা
কপিরাইট রেজিষ্টারে অন্তভর্ুক্ত কোন এন্ট্রী, ধারা ৫৬ এবং ৫৭ এর অধীন অন্তভর্ুক্ত কোন কর্মের বিবরণ, ধারা ৫৮ এর অধীন রেজিষ্টারে কৃত সংশোধনী এবং ধারা ৫৯ এর অধীনে কৃত সংশোধনী রেজিষ্ট্রার কতর্ৃক সরকারী গেজেটে প্রকাশ করা হইবে।
Section ৬২. 84[ জাতীয় গ্রন্থাগারে] পুস্তক সরবরাহ
(১) এই আইনের অধীন প্রণীতব্য কোন বিধি সাপেক্ষে, কিন্তু প্রিন্টিং প্রেসেস এন্ড পাবলিকেশন্স (ডিক্লারেশন এন্ড রেজিষ্ট্রেশন) এ্যাক্ট, ১৯৭৩ (১৯৭৩ সনের ২৩ নং এ্যাক্ট) এর ধারা ২৪ এর বিধানাবলী ক্ষুণ্ন না করিয়া, এই আইন কার্যকর হইবার পর বাংলাদেশে প্রকাশিত প্রত্যেক পুস্তকের প্রকাশক, ভিন্নরূপ কোন চুক্তি সত্ত্বেও, তাহার প্রকাশনার তারিখ হইতে ষাট দিনের মধ্যে নিজ খরচে এক কপি পুস্তক [জাতীয় গ্রন্থাগারে জমা দিবেন]।
(২) [* * *] জাতীয় গ্রন্থাগারে সরবরাহকৃত কপিটি ম্যাপ ও চিত্রাদিসহ পরিপূর্ণ এবং হুবহু কপি হইতে হইবে এবং উত্তম বাঁধাই, সেলাই বা ষ্টিচকৃত এবং সর্বোত্তম কাগজে মুদ্রিত হইতে হইবে।
[* * *]
(৪) উপ-ধারা (১) এর কোন কিছুই পুস্তকটির দ্বিতীয় বা পরবর্তী এমন সংস্করণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না যে সংস্করণের লেটার প্রেস, ম্যাপ, বই ছাপা বা অন্য খোদাই কর্মে কোন সংযোজন বা পরিবর্তন করা হয় নাই, এবং পুস্তকটির প্রথম বা অন্য যে কোন সংস্করণের কপি এই ধারা অনুসারে বিতরণ করা হইয়াছে।
Section ৬৩. 88[ জাতীয় গ্রন্থাগারে ] সাময়িকী ও সংবাদপত্র সরবরাহ
এই আইনের অধীন প্রণীতব্য বিধি সাপেক্ষে কিন্তু প্রিন্টিং প্রেসেস এন্ড পাবলিকেশন্স (ডিক্লারেশন এন্ড রেজিষ্ট্রেশন) এ্যাক্ট, ১৯৭৩ (১৯৭৩ সনের ২৩ নং এ্যাক্ট) এর ধারা ২৬ এর বিধানাবলী ক্ষুণ্ন না করিয়া, বাংলাদেশে প্রকাশিত প্রত্যেক সাময়িকী ও সংবাদপত্রের প্রকাশক নিজ খরচে সংশ্লিষ্ট সাময়িকী বা সংবাদপত্রের প্রতি সংখ্যার এক কপি উহা প্রকাশিত হওয়া মাত্রই [জাতীয় গ্রন্থাগারে সরবরাহ করিবেন]।
Section ৬৪. সরবরাহকৃত পুস্তকের রসিদ
[জাতীয় গ্রন্থাগারের] দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তি (লাইব্রেরিয়ান বা অন্য যে নামেই অভিহিত হউন) অথবা এতদ্উদ্দেশ্যে তাঁহার নিকট হইতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত যে কোন ব্যক্তি ধারা ৬২ বা ৬৩ অনুসারে প্রাপ্ত পুস্তকের লিখিত রসিদ প্রদান করিবেন।
Section ৬৫. শাস্তি
এই আইনের বিধান বা তদধীন প্রণীত বিধি লঙ্ঘনকারী প্রকাশক এক হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন, এবং উক্তরূপ লঙ্ঘন যদি কোন পুস্তক বা সাময়িকীর ক্ষেত্রে হয়, তাহা হইলে উক্ত পুস্তক বা সাময়িকীর মূল্যের সমপরিমাণ অর্থদণ্ডেও তিনি দণ্ডনীয় হইবেন, এবং এই অপরাধের বিচারকারী আদালত এই মর্মে নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে যে, তাহার নিকট হইতে আদায়কৃত সম্পূর্ণ বা আংশিক জরিমানা, ক্ষতিপূরণ হিসাবে, যে [জাতীয় গ্রন্থাগারে] পুস্তক, সাময়িকী বা, ক্ষেত্রমত, সংবাদপত্র সরবরাহ করা হইত সে [জাতীয় গ্রন্থাগারে] প্রদান করা হউক।
Section ৬৬. এই অধ্যায়ের অপরাধ বিচারার্থ গ্রহণ
(১) সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা সরকার হইতে এতদুদ্দেশ্যে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তার অভিযোগ ব্যতীত কোন আদালত এই অধ্যায়ের অধীন শাস্তিযোগ্য কোন অপরাধ বিচারার্থ গ্রহণ করিবে না।
(২) মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট অপেক্ষা নিম্নতর কোন আদালত এই অধ্যায়ের অধীন শাস্তিযোগ্য কোন অপরাধের বিচার করিবে না।
Section ৬৭. সরকার কতর্ৃক প্রকাশিত পুস্তক, সাময়িকী ও সংবাদপত্রের ক্ষেত্রে অধ্যায়ের প্রয়োগ
সরকার কতর্ৃক বা সরকারী কতর্ৃপক্ষের অধীনে প্রকাশিত পুস্তক, সাময়িকী ও সংবাদপত্রের ক্ষেত্রেও এই অধ্যায়ে প্রযোজ্য হইবে, কিন্তু শুধুমাত্র দাপ্তরিক কার্যে ব্যবহারের জন্য প্রকাশিত পুস্তকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না।
Section ৬৮. কতিপয় আন্তর্জাতিক সংস্থার কর্ম সম্পর্কিত বিধান
(১) সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই মর্মে ঘোষণা করিতে পারিবে যে, এই ধারা প্রজ্ঞাপনে উলি্লখিত সংস্থার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে তবে সংস্থায় অবশ্যই এক বা একাধিক সার্বভৌম রাষ্ট্র সদস্য থাকিবে।
(২) যে ক্ষেত্রে এই ধারা প্রযোজ্য হয় এমন কোন সংস্থার নির্দেশ বা নিয়ন্ত্রণাধীনে কোন কর্ম সম্পাদিত বা প্রথম প্রকাশিত হয় এবং এই ধারার ব্যবস্থা ব্যতীত অন্য কোনভাবে বাংলাদেশে উক্ত কর্মের কোন কপিরাইট থাকিত না বা, ক্ষেত্রমত, উহার প্রথম প্রকাশ বাংলাদেশে হইত না, এবং হয় উপরিউক্তভাবে কর্মটির প্রণেতার সহিত এমন চুক্তি মোতাবেক, যাহাতে কপিরাইটের স্বত্বাধিকারীর অধিকার সংরক্ষণ করে না অথবা কর্মটির কপিরাইটের ধারা ১৭ এর অধীন কোন সংস্থার মালিকানাধীন, সেক্ষেত্রে সমগ্র বাংলাদেশে কর্মটির কপিরাইট বিদ্যমান থাকিবে।
(৩) এই ধারা প্রযোজ্য হয় এমন কোন সংস্থা, যাহার প্রাসঙ্গিক সময়ে সংবিধিবব্ধ সংস্থার আইনগত যোগ্যতা ছিল না, কপিরাইটের অধিকারী হওয়া বা কপিরাইট সম্পর্কিত কার্যাদি করা সম্পর্কিত বিষয়ে এবং কপিরাইট প্রয়োগের উদ্দেশ্যে সংবিধিবদ্ধ সংস্থারূপে আইনগত ক্ষমতাসম্পন্ন ছিল এবং আছে বলিয়া গণ্য হইবে।
Section ৬৯. বিদেশী কর্মে কপিরাইট সমপ্রসারণ করার ক্ষমতা
(১) সরকার, সরকারি গেজেটে আদেশ দ্বারা, এই মর্মে নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে যে, এই আইনের সকল বা যে কোন বিধান [এই অধ্যায়ের বিধানাবলী সাপেক্ষে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে], যথা:-
তবে শর্ত থাকে যে,
(২) সরকার উপ-ধারা (১) এর বিধান বাংলাদেশের বাহিরের শব্দ রেকর্ডিং এবং সমপ্রচার কতর্ৃপক্ষের অভিনেতা ও প্রযোজকের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করিতে পারিবে।
Section ৭০. বাংলাদেশে প্রথম প্রকাশিত বিদেশী প্রণেতার কর্মের স্বত্বের ক্ষেত্রে বিধি নিষেধের ক্ষমতা
সরকারের নিকট যদি ইহা প্রতীয়মান হয় যে, কোন বিদেশী রাষ্ট্র বাংলাদেশী কর্মের গ্রন্থকারদের পর্যাপ্ত স্বার্থ সংরক্ষণ করিতেছে না বা স্বার্থ সংরক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করিতেছে না, তাহা হইলে, সরকার, সরকারী গেজেটে প্রকাশিত আদেশ দ্বারা, এই মর্মে নির্দেশ জারী করিতে পারিবে যে, এই আইনের যে সকল বিধান দ্বারা বাংলাদেশের প্রথম প্রকাশিত কর্মের কপিরাইট প্রদান করে সেই সকল বিধান, আদেশে উলি্লখিত তারিখের পরে প্রকাশিত ঐ সকল কর্মের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না যে সকল কর্মের গ্রন্থকার ঐরূপ বিদেশী রাষ্ট্রের প্রজা বা নাগরিক এবং বাংলাদেশের ডোমিসাইল নহেন।
Section ৭১. কপিরাইট লঙ্ঘন
কোন কর্মের কপিরাইট লঙ্ঘিত হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে-
ব্যাখ্যা।- এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সাহিত্য, নাট্য, সংগীত বিষয়ক বা শিল্প কর্মকে চলচ্চিত্র শিল্প কর্মে পুনরুৎপাদন একটি "অধিকার লঙ্ঘনকারী অনুলিপি" হিসাবে গণ্য হইবে।
Section ৭২. কতিপয় কার্য কপিরাইট লঙ্ঘন নয়
(১) নিম্নলিখিত কার্যগুলি কপিরাইট লংঘন হইবে না, যথা:-
ব্যাখ্যা।- জনসমক্ষে প্রদত্ত বক্তৃতা বা বিবৃতির সংকলন প্রকাশনাকে এই দফার অর্থে উক্ত কর্মের সদ্ব্যবহার বুঝাইবে না;
তবে শর্ত থাকে যে, পাঁচ বৎসরের সময়সীমার অভিন্ন প্রকাশক কতর্ৃক একই প্রণেতার দুই এর অধিক রচনার অংশ প্রকাশ করা যাইবে না।
ব্যাখ্যা।- কোন যৌথ প্রণেতার কর্মের ক্ষেত্রে, এই দফায় কর্মের রচনার অংশের রেফারেন্স অর্থে এক বা একাধিক প্রণেতার অন্য যে কোন ব্যক্তির সহযোগিতায় কৃত রচনার অংশ অন্তভর্ুক্ত হইবে;
তবে শর্ত থাকে যে,
(১) অনুরূপ শব্দ রেকর্ড প্রস্ততকারী ব্যক্তি কর্মটির কোন পরিবর্তন করিতে বা উহা হইতে কিছু বাদ দিতে পারিবেন না, যদি না অনুরূপ পরিবর্তন অথবা বর্জন ইতোপূর্বে কপিরাইটের মালিক কতর্ৃক বা তাহার লাইসেন্স দ্বারা করা হয়, অথবা যদি না অনুরূপ পরিবর্তন বা বর্জন শব্দ রেকর্ডিং এ কর্মটির অভিযোজনের জন্য যুক্তিসংগতভাবে প্রয়োজনীয় হয়;
(২) শব্দ রেকর্ডিং এমন প্যাকেট অথবা এমন লেবেলসহ বিতরণ করা যাইবে না যাহাতে জনসাধারণকে উহার পরিচিতি বিষয়ে ভুল ধারণা দিতে বা বিভ্রান্ত করিতে পারে;
(৩) কর্মটির প্রথম শব্দ রেকর্ডিং তৈরী হওয়ার বছর শেষের পরবর্তী দুইটি পঞ্জিকা বর্ষ শেষ হওয়ার পূর্বে অনুরূপ কোন শব্দ রেকর্ডিং তৈরী করা যাইবে না; এবং
(৪) অনুরূপ শব্দ রেকর্ডিং প্রস্তুতকারী ব্যক্তি কপিরাইটের মালিক অথবা তাহার নিকট হইতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত এজেন্ট অথবা প্রতিনিধিকে অনুরূপ শব্দ রেকর্ডিং বিষয়ে রেকর্ড এবং হিসাব বহি পরিদর্শনের সুযোগ দিবেন:
আরও শর্ত থাকে যে, যদি বোর্ডের নিকট এই মর্মে কোন অভিযোগ আনা হয় যে, এই দফার অধীন প্রস্তুতকৃত কোন শব্দ রেকর্ডিং এর জন্য কপিরাইটের মালিক সম্পূর্ণ অর্থ প্রাপ্ত হন নাই এবং বোর্ড প্রাথমিকভাবে সন্তুষ্ট হয় যে অভিযোগটি সত্য, তাহা হইলে বোর্ড এক তরফা আদেশ দ্বারা অনুরূপ শব্দ রেকর্ডিং প্রস্তুতকারী ব্যক্তিকে অধিকতর অনুলিপি তৈরী বন্ধ করিতে নির্দেশ দিতে পারিবে এবং স্বীয় বিবেচনায় প্রয়োজনীয় তদন্ত শেষে রয়্যালটি প্রদানের আদেশ দানসহ উহার বিবেচনায় উপযুক্ত অনুরূপ আরও আদেশ প্রদান করিতে পারিবে;
তবে শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে অনুরূপ কোন কর্মের প্রণেতার পরিচয় বা যৌথ প্রণেতার কর্মের ক্ষেত্রে, প্রণেতাগণের মধ্যে যে কাহারও পরিচয় লাইব্রেরী, মিউজিয়াম বা, ক্ষেত্রমত, অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের জ্ঞাত থাকে, সেক্ষেত্রে এই দফার বিধান কেবলমাত্র তখনই প্রযোজ্য হইবে যদি অনুরূপ প্রণেতার মৃতু্যর তারিখ হইতে বা যৌথ প্রণেতার কর্মের ক্ষেত্রে, যে প্রণেতার পরিচয় জ্ঞাত তাহার মৃতু্যর তারিখ হইতে বা, যদি একাধিক প্রণেতার পরিচয় জ্ঞাত হয়, তাহা হইতে ঐরূপ প্রণেতাগণের মধ্যে সর্বশেষে যিনি মৃতু্যবরণ করেন, তাহার মৃতু্যর তারিখ হইতে ষাট বৎসরের পরবর্তী কোন এক সময়ে করা হয়;
তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ অনুবাদের উল্লেখযোগ্য স্থানে এই মর্মে একটি বিবৃতি থাকিতে হইবে যে, অনুবাদটি সরকার কতর্ৃক প্রামাণিক মর্মে অনুমোদিত বা গৃহীত হয় নাই;
(১) প্রকাশ্য স্থানে বা জনসাধারণের প্রবেশাধিকার আছে এমন কোন স্থানে স্থায়ীভাবে অবস্থিত কোন শিল্পকর্মের অন্তর্ভুক্তি;
(২) অন্যান্য যে কোন শিল্পকর্মের অন্তভর্ুক্তি, যদি অনুরূপ অন্তভর্ুক্তি শুধুমাত্র পটভূমিরূপে হয় অথবা ঐ কর্মে রূপায়িত প্রধান বিষয়ের সহিত কোন কারণে প্রাসংগিক হয়;
তবে শর্ত থাকে যে, তিনি ঐভাবে শিল্পকর্মটির মূল ডিজাইনের পুনরাবৃত্তি বা অনুকরণ না করেন;
তবে শর্ত থাকে যে, ঐরূপ নঙ্া বা পরিকল্পনার মালিকের সম্মতি বা লাইসেন্স সহকারে আদি নির্মাণ কাজ করার শর্ত পূরণ থাকিতে হইবে;
তবে শর্ত থাকে যে, দফা (ক) এর উপ-দফা (আ), দফা (খ) এর উপদফা (অ) এবং দফা (ঘ), (চ), (ছ), [(ড) ও (ত)] এর বিধানাবলী কোন কার্য সম্বন্ধে প্রযোজ্য হইবে না যদি না উক্ত কার্যটি নিম্নোক্তভাবে প্রাপ্তি স্বীকার সহকারে থাকে-
ব্যাখ্যা।- এই দফার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, ধর্মীয় অনুষ্ঠান অর্থে বিবাহ শোভাযাত্রা এবং বিবাহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সামাজিক উৎসব অন্তভর্ুক্ত হইবে।
(২) উপ-ধারা (১) এর বিধানাবলী সাহিত্য, নাট্য বা সংগীত বিষয়ক কর্মের অনুবাদের ক্ষেত্রে বা সাহিত্য, নাট্য বা সংগীত বিষয়ক কর্মের অভিযোজনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে যেইভাবে উহারা স্বয়ং কর্মটির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়।
Section ৭৩. শব্দ রেকর্ডিং ও ভিডিও চিত্রে অন্তভর্ু্ক্তব্য বিবরণী
(১) কোন ব্যক্তি শব্দ রেকর্ডিং এবং উহার পাত্রের উপর নিম্নোক্ত বিবরণী প্রদর্শন ব্যতীত কোন কর্মের বিষয়ে কোন শব্দ রেকর্ডিং প্রকাশ করিবে না, যথা:-
(২) ভিডিও চিত্র প্রদর্শনকালে বা ভিডিও ক্যাসেটের উপর বা অন্যান্য পাত্রে নিম্নোক্ত বিবরণীসমূহ প্রদর্শন না করিয়া কোন ব্যক্তি কোন কর্মের ভিডিও চিত্র প্রকাশ করিবে না, যথা:-
Section ৭৪. অধিকার লঙ্ঘনকারী অনুলিপি আমদানী
(১) কোন কর্মের কপিরাইটের মালিক বা তাহার নিকট হইতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধির দরখাস্তের ভিত্তিতে এবং নির্ধারিত ফি পরিশোধ সাপেক্ষে, রেজিষ্ট্রার, তাহার বিবেচনায় উপযুক্ত তদন্তের পর, এই মর্মে আদেশ দিতে পারিবেন যে, বাংলাদেশে তৈরী করা হইলে কপিরাইট লঙ্ঘন হইতো এইরূপ কর্মের বাংলাদেশের বাহিরে তৈরীকৃত অনুলিপি আমদানী করা যাইবে না।
(২) এই আইনের অধীনে প্রণীতব্য বিধি সাপেক্ষে, রেজিষ্ট্রার বা এতদুদ্দেশ্যে তাঁহার নিকট হইতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এ উলি্লখিত অনুলিপি পাওয়া যাইতে পারে এমন কোন উড়োজাহাজ, জাহাজ, যানবাহন, ডক বা আঙ্গিনায় প্রবেশ করিতে পারিবেন এবং অনুুরূপ অনুলিপি পরীক্ষা করিতে পারিবেন।
(৩) উপ-ধারা (১) এর অধীনে প্রদত্ত কোন আদেশ প্রযোজ্য হয় এইরূপ অনুলিপি কাষ্টমস এ্যাক্ট, ১৯৬৯ (১৯৬৯ সালের ৪নং আইন) এর ধারা ১৬ অনুসারে বাংলাদেশে আমদানি নিষিদ্ধ বা নিয়ন্ত্রিত পণ্যদ্রব্যরূপে গণ্য হইবে এবং সেইমতে ঐ আইনের সমস্ত বিধান কার্যকর হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত আইনের অধীন বাজেয়াপ্তকৃত অনুরূপ সকল কপি সরকারে ন্যস্ত না করিয়া কর্মটির কপিরাইটের মালিককে পেঁৗছাইয়া দিতে হইবে।
Section ৭৫. সংজ্ঞা
এই অধ্যায়ের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, প্রসঙ্গের পরিপন্থী না হইলে "কপিরাইটের মালিক" অভিব্যক্তি অর্থে-
Section ৭৬. কপিরাইট লঙ্ঘনের জন্য দেওয়ানী প্রতিকার
(১) যেক্ষেত্রে কোন কর্মের কপিরাইট অথবা এই আইনের অধীন অর্পিত অন্য কোন অধিকার লঙ্ঘন করা হয়, সেক্ষেত্রে কপিরাইটের বা, ক্ষেত্রমত, অনুরূপ অন্য অধিকারে স্বত্বাধিকারী, এই আইনে ভিন্নরূপ বিধান না থাকা সাপেক্ষে, নিষেধাজ্ঞা, ক্ষতিপূরণ, হিসাব এবং অন্যান্য সকল প্রতিকার এবং স্বত্ব লঙ্ঘনের দায়ে আইনের প্রদত্ত অন্যান্য প্রতিকার পাইবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, বিবাদী যদি প্রমাণ করেন যে, স্বত্ব লঙ্ঘনের তারিখে সংশ্লিষ্ট কর্মে কপিরাইট বিদ্যমান ছিল মর্মে তিনি অবগত ছিলেন না এবং ঐ কর্মের কপিরাইট ছিল না মর্মে তাহার বিশ্বাস করিবার যুক্তিসংগত কারণ ছিল, তাহা হইলে বাদী, স্বত্ব লঙ্ঘন সম্পর্কে নিষেধাজ্ঞা এবং স্বত্ব লঙ্ঘনক্রমে কপি বিক্রয়ের মাধ্যমে বিবাদী কতর্ৃক অর্জিত মুনাফার সমগ্র বা অংশবিশেষের ব্যাপারে কোন আদেশ ব্যতীত, কোন প্রতিকার পাইবার অধিকারী হইবেন।
(২) যখন কোন সাহিত্য, নাট্য ও সংগীত কর্মের ক্ষেত্রে কর্মটি প্রকাশিত হওয়ার সময় উহার কপির উপর প্রণেতা বা; ক্ষেত্রমত, প্রকাশকের অর্থ বহনকারী কোন নাম দৃষ্টিগোচর হয়, অথবা কোন শিল্পকর্মের ক্ষেত্রে, কর্মটি তৈরী হওয়ার সময় উহার উপর দৃষ্টিগোচর হইয়াছিল, সেক্ষেত্রে যে ব্যক্তির নাম ঐভাবে দৃষ্টিগোচর হয় বা হইয়াছিল, ঐরূপ কর্মের কপিরাইট লঙ্ঘন সম্পর্কে যে কোন আইনগত কার্যক্রমে ঐ ব্যক্তিকে প্রণেতা বা, ক্ষেত্রমত, প্রকাশক হিসাবে অনুমান করা হইবে যদি না ভিন্নরূপ কিছু প্রমাণিত হইয়া থাকে।
(৩) কপিরাইট লঙ্ঘন সম্পর্কে যে কোন আইনগত কার্যক্রমে সকল পক্ষের খরচাদি আদালতের বিচক্ষণ ক্ষমতার অধীন হইবে।
Section ৭৭. পৃথক অধিকারের রক্ষণ
এই আইনের বিধান সাপেক্ষে, যেক্ষেত্রে বিভিন্ন ব্যক্তি কোন কর্মের কপিরাইটের অন্তভর্ুক্ত ভিন্ন ভিন্ন অধিকারের মালিক হন, সেক্ষেত্রে ঐরূপ যে কোন অধিকারের মালিক ঐ অধিকারের পরিসীমায় এই আইনে বিধৃত প্রতিকার পাইবেন এবং কোন মামলা দায়ের, ব্যবস্থা গ্রহণ বা অন্যান্য আইনগত কার্যক্রমের মাধ্যমে ঐরূপ মামলা বা আইনগত কার্যক্রমে অন্য যে কোন অধিকারের মালিককে পক্ষ না করিয়া স্বতন্ত্রভাবে ঐরূপ স্বত্ব প্রয়োগ করিতে পারিবেন।
Section ৭৮. প্রণেতার বিশেষ স্বত্ব
(১) কোন কর্মের প্রণেতা ঐ কর্মের কপিরাইট [স্বত্ব নিয়োগ] বা পরিত্যাগ করা সত্ত্বেও, কর্মটির রচনাস্বত্ব দাবী করিতে পারিবেন এবং উক্ত কর্মের কোন বিকৃতি, অঙ্গহানি বা অন্যান্য পরিবর্তন সম্পর্কে অথবা উক্ত কর্মটির বিষয়ে তাহার সম্মান ও সুখ্যাতি ক্ষুণ্ন হইতে পারে এমন অন্যান্য কার্যের জন্য ক্ষতিপূরণ বা কার্যের উপর নিবারণ দাবী করিতে পারিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, ধারা [৭২] এর উপ-ধারা (১) এর উপ-দফা (ম) প্রযোজ্য হয় এমন কম্পিউটার প্রোগ্রামের কোন অভিযোজন নিয়ন্ত্রণের বা ঐ বাবদ ক্ষতিপূরণ দাবী করিবার কোন অধিকার উক্ত গ্রন্থকারের থাকিবে না।
ব্যাখ্যা।- কোন কর্ম প্রদর্শনে বা প্রণেতার সন্তুষ্টিমতে উহা প্রদর্শনে ব্যর্থতা এই ধারার অধীন অধিকার লঙ্ঘন মর্মে গণ্য হইবে না।
(২) কোন কর্মের রচনাস্বত্ব দাবী করিবার অধিকার ব্যতীত, উপ-ধারা (১) এর অধীন কোন কর্মের প্রণেতাকে প্রদত্ত অন্য কোন অধিকার ঐ প্রণেতার আইনানুগ প্রতিনিধির দ্বারা প্রয়োগ করা যাইবে।
Section ৭৯. অধিকার লঙ্ঘনকারী অনুলিপির দখলকার বা লেনদেনকারী ব্যক্তির বিরুদ্ধে মালিকের অধিকার
কপিরাইট বিদ্যমান আছে এমন কোন কর্মের অধিকার লঙ্ঘনকারী সকল অনুলিপি এবং ঐরূপ অধিকার লঙ্ঘনকারী অনুলিপি তৈরীর জন্য ব্যবহৃত বা ব্যবহারের জন্য উদ্দীষ্ট প্লেট [এবং কম্পিউটার প্রোগ্রামের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সোর্স কোড কমপাইলেশন, ডাটা, ডিজাইন ডকুমেন্টেশন, টেবিল এবং আনুষঙ্গিক চার্টসমূহ] কপিরাইটের মালিকের সম্পত্তি বলিয়া গণ্য হইবে, যিনি উহাদের দখল পুনরুদ্ধারের বা উহাদের রূপান্তর সম্পর্কে আইনগত কার্যক্রম গ্রহণ করিতে পারিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, কপিরাইটের মালিক কোন অধিকার লঙ্ঘনকারী অনুলিপির রূপান্তর সম্পর্কে কোন প্রতিকার পাইবেন না, যদি বিবাদী প্রমাণ করেন যে-
Section ৮০. কপিরাইটের মালিক কার্যধারায় পক্ষ হইবে
(১) কোন একচেটিয়া লাইসেন্সধারী কতর্ৃক কপিরাইট লঙ্ঘন বিষয়ে দায়েরকৃত প্রত্যেক দেওয়ানী মামলা বা অন্যান্য দেওয়ানী কার্যধারায় কপিরাইটের মালিককে বিবাদী করিতে হইবে, যদি না আদালত ভিন্নরূপ নির্দেশ দান করে, এবং যে ক্ষেত্রে এইরূপ মালিক বিবাদী হয়, একচেটিয়া লাইসেন্সধারীর দাবীর বিরোধিতা করিবার অধিকার তাহার থাকিবে।
(২) যে ক্ষেত্রে কপিরাইট লঙ্ঘন বিষয়ে একচেটিয়া লাইসেন্সধারী কতর্ৃক দায়েরকৃত কোন দেওয়ানী মামলা বা কার্যধারা কৃতকার্য হয়, সেক্ষেত্রে একই কারণে কপিরাইটের মালিক কতর্ৃক আনীত নতুন মামলা বা অন্য কোন দেওয়ানী কার্যধারা রক্ষণীয় হইবে না।
Section ৮১. আদালতের এখতিয়ার
কপিরাইট লঙ্ঘনজনিত প্রত্যেক দেওয়ানী মামলা বা অন্য কোন দেওয়ানী কার্যধারা সেই জেলা জজ আদালতে রুজু ও বিচার করিতে হইবে যাহার আদি অধিক্ষেত্রের স্থানীয় সীমার মধ্যে মামলাটি বা অন্য কার্যধারা দায়ের করা কালে, মামলাটি বা অন্য কার্যধারা দায়েরকারী ব্যক্তি বা যেক্ষেত্রে অনুরূপ একাধিক ব্যক্তি থাকেন, তাহাদের মধ্যে কেহ প্রকৃতপক্ষে এবং স্বেচ্ছায় বসবাস করেন বা ব্যবসা পরিচালনা করেন বা ব্যক্তিগত লাভের জন্য কাজ করেন।
কপিরাইট বা অন্যান্য অধিকার লঙ্ঘনজনিত অপরাধ
[৮২। (১) যে ব্যক্তি, চলচ্চিত্র ব্যতিরেকে, কোন কর্মের কপিরাইট বা এই আইনের ধারা ২৩ এর অধীন অর্পিত অধিকার ব্যতীত অন্য কোন অধিকার ইচ্ছাকৃতভাবে লঙ্ঘন করেন বা করিতে সহায়তা করেন, তিনি অনূধর্্ব চার বৎসর কিন্তু অনূ্যন ছয়মাস মেয়াদের কারাদণ্ড এবং অনূধর্্ব দুই লক্ষ টাকা কিন্তু অনূ্যন পঞ্চাশ হাজার টাকার অর্থদণ্ডে দণ্ডণীয় হইবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, যদি ইহা আদালতে সন্তুষ্টিমতে প্রমানিত হয় যে, লঙ্ঘনটি ব্যবসায়িক বা বাণিজ্যিক কার্যক্রমের ধারায় মুনাফার উদ্দেশ্যে সংঘটিত হয় নাই, সেই ক্ষেত্রে আদালত ছয় মাসের কম মেয়াদের কারাদণ্ড এবং ৫০,০০০ টাকার কম পরিমাণ জরিমানার দণ্ড আরোপ করিতে পারিবে।
(২) যে ব্যক্তি চলচ্চিত্রের কপিরাইটের অধিকার বা এই আইনে বর্ণিত অন্য কোন অধিকার ইচ্ছাকৃতভাবে লঙ্ঘন করেন বা করিতে সহায়তা করেন, তিনি অনূধর্্ব পাঁচ বৎসর কিন্তু অনূ্যন এক বৎসর মেয়াদের কারাদণ্ড এবং অনূধর্্ব পাঁচ লক্ষ টাকা কিন্তু অনূ্যন এক লক্ষ টাকার অর্থদণ্ডে দণ্ডণীয় হইবেন।]
Section ৮৩. দ্বিতীয় বা পরবর্তী অপরাধের বর্ধিত শাস্তি
যে ব্যক্তি ধারা ৮২ এর অধীনে দণ্ডিত হইয়া পুনরায় অনুরূপ কোন অপরাধে দণ্ডিত হইলে তিনি দ্বিতীয় এবং পরবর্তী প্রত্যেক অপরাধের জন্য অনূর্ধব তিন বৎসর কিন্তু অনূ্যন ছয় মাসের কারাদণ্ড এবং অনূর্ধব তিন লক্ষ টাকা কিন্তু অনূ্যন এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন:
[তবে শর্ত থাকে যে, যদি ইহা আদালতের সন্তুষ্টিমতে প্রমাণিত হয় যে, ধারা ৮২ এর উপ-ধারা (১) এ বর্ণিত লঙ্ঘনটি ব্যবসায়িক বা বাণিজ্যিক কার্যক্রমের ধারায় মুনাফার উদ্দেশ্যে সংঘটিত হয় নাই, সেই ক্ষেত্রে আদালত ছয় মাসের কম মেয়াদের কারাদণ্ড এবং ১ লক্ষ টাকার কম পরিমাণ জরিমানার দণ্ড আরোপ করিতে পারিবেন] :
আরো শর্ত থাকে যে, এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে এই আইন প্রবর্তিত হওয়ার পূর্বে প্রদত্ত কোন শাস্তিকে আমলে নেওয়া হইবে না।
কম্পিউটার প্রোগ্রামের লংঘিত কপি প্রকাশ, ব্যবহার, ইত্যাদির অপরাধ
[৮৪। যদি কোন ব্যক্তি-
তবে শর্ত থাকে যে, যদি আদালতের সন্তুষ্টিতে প্রমাণিত হয় যে, কম্পিউটার প্রোগ্রামটি ব্যবসায়িক বা বাণিজ্যিক কার্যক্রমের ধারায় মুনাফা লাভের উদ্দেশ্যে লংঘিত হয় নাই, তাহা হইলে অনূ্যন তিন মাস মেয়াদের কারাদণ্ডে এবং অনূ্যন পঁচিশ হাজার টাকার অর্থদণ্ড আরোপ করা যাইবে।]
Section ৮৫. অধিকার লঙ্ঘনকারী অনুলিপি তৈরী করিবার উদ্দেশ্যে প্লেট দখলে রাখা
কোন ব্যক্তি, যিনি ইচ্ছাকৃতভাবে কপিরাইট বিদ্যমান রহিয়াছে এমন কোন কর্মের অধিকার লঙ্ঘনকারী অনুলিপি তৈরী করিবার উদ্দেশ্যে কোন প্লেট তৈরী করেন বা দখলে রাখেন, বা কপিরাইটের মালিকের সম্মতি ব্যতিরেকে ইচ্ছাকৃতভাবে এবং তাহার ব্যক্তিগত লাভের জন্য ঐরূপ কোন কর্মের জনসাধারণ্যে সম্পাদনের কারণ ঘটান, তাহা হইলে তিনি অনূধর্্ব দুই বৎসরের কারাদণ্ড বা অনূধর্্ব পঞ্চাশ হাজার টাকা অর্থদণ্ডে বা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।
Section ৮৬. অধিকার লঙ্ঘনকারী অনুলিপি বা অধিকার লঙ্ঘনকারী অনুলিপি তৈরীর উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত প্লেট বিলিবণ্টন
এই আইনের অধীন কোন অপরাধের বিচার করিবার কালে, অভিযুক্ত অপরাধী দোষী সাব্যস্ত হউক বা না হউক, আদালত উহার নিকট অধিকার লঙ্ঘনকারী অনুলিপি বা অধিকার লঙ্ঘনকারী অনুলিপি তৈরী করিবার উদ্দেশ্যে সংরক্ষিত প্লেটরূপে প্রতীয়মান, অভিযুক্ত অপরাধীর দখলভুক্ত কর্মটির সমস্ত অনুলিপি বা সমস্ত প্লেট ধ্বংস করিবার বা কপিরাইটের মালিককে বুঝাইয়া দিবার বা আদালত যেরূপ উপযুক্ত মনে করে সেভাবে বিলিবণ্টন করিবার আদেশ দিতে পারিবে।
Section ৮৭. রেজিষ্টারে মিথ্যা অন্তভর্ুক্তি, ইত্যাদি, অথবা মিথ্যা সাক্ষ্য উপস্থাপনা বা প্রদান করার শাস্তি
কোন ব্যক্তি যদি-
তিনি অনূধর্্ব দুই বৎসর কারাদণ্ড বা দশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।
Section ৮৮. প্রতারিত বা প্রভাবিত করিবার উদ্দেশ্যে মিথ্যা বিবৃতি প্রদানের শাস্তি
কোন ব্যক্তি-
মিথ্যা জানিয়া কোন মিথ্যা বিবৃতি বা ব্যাখ্যা প্রদান করেন, তিনি অনূধর্্ব দুই বৎসরের কারাদণ্ডে বা অনূর্ধ পঁচিশ হাজার টাকা অর্থদণ্ডে বা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।
Section ৮৯. প্রণেতার মিথ্যা কতর্ৃত্ব আরোপ
কোন ব্যক্তি-
তিনি অনূধর্্ব দুই বৎসর কারাদণ্ড বা অনূধর্্ব পঁচিশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।
Section ৯০. ধারা 109[৭৩] লঙ্ঘনের শাস্তি
কোন ব্যক্তি যদি ধারা [৭৩] এর বিধান লঙ্ঘনপূর্বক কোন রেকর্ড বা ভিডিও চিত্র প্রকাশ করেন, তাহা হইলে তিনি অনূধর্্ব তিন বছর কারাদণ্ড বা অনূধর্্ব তিন লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।
Section ৯১. কোম্পানী কতর্ৃক অপরাধ
(১) এই আইনের অধীন কোন অপরাধ কোন কোম্পানী কতর্ৃক সংঘটিত হইলে, অপরাধ সংঘটনের সময় উক্ত কোম্পানীর ব্যবসা পরিচালনার জন্য কোম্পানীর দায়িত্বে ছিলেন এবং কোম্পানীর নিকট দায়ী ছিলেন এইরূপ প্রত্যেক ব্যক্তি এবং অধিকন্তু ঐ কোম্পানী ঐরূপ অপরাধের জন্য দোষী বলিয়া গণ্য হইবেন এবং তাহারা তাহাদের বিরুদ্ধে আইনগত কার্যক্রম গ্রহণের জন্য এবং সেইমত দণ্ডপ্রাপ্ত হইতে দায়ী হইবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, এই উপ-ধারার কোন কিছুই কোন ব্যক্তিকে কোন শাস্তির জন্য দায়ী করিবে না, যদি তিনি প্রমাণ করেন যে ঐ অপরাধ তাহার অজ্ঞাতসারে সংঘটিত হইয়াছিল অথবা তিনি ঐরূপ অপরাধ সংঘটনরোধ করিবার জন্য যথাসম্ভব চেষ্টা করিয়াছিলেন।
(২) উপ-ধারা (১) এ যাহাই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন কোন কোম্পানী কতর্ৃক কোন অপরাধ যদি সংঘটিত হয় এবং ইহা প্রমাণিত হয় যে, ঐ অপরাধ কোম্পানীর কোন পরিচালক, ম্যানেজার, সেক্রেটারী বা অন্যান্য অফিসারের সম্মতি বা গাফলতির কারণে সংঘটিত হইয়াছে, তাহা হইলে উক্ত পরিচালক, ম্যানেজার, সেক্রেটারী বা অন্যান্য অফিসারও ঐ অপরাধের জন্য দোষী বলিয়া গণ্য হইবেন এবং তাহারা তাহাদের বিরুদ্ধে আইনগত কার্যক্রম গ্রহণের জন্য এবং সেইমতে দণ্ডপ্রাপ্ত হইবেন।
ব্যাখ্যা।- এই ধারার উদ্দেশ্যে-
Section ৯২. অপরাধ বিচারার্থ গ্রহণ
দায়রা জজ আদালত অপেক্ষা নিম্নতর কোন আদালত এই আইনের অধীন কোন অপরাধ, ধারা ৬৬ এর বিধান সাপেক্ষে, বিচারার্থ গ্রহণ করিবে না।
Section ৯৩. লঙ্ঘিত অনুলিপি জব্দ করিতে পুলিশের ক্ষমতা
(১) সাব-ইনসপেক্টরের নিম্নতর পদাধিকারী নহেন এমন যে কোন পুলিশ কর্মকর্তা যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হন যে, [ধারা ৮২ এর অধীনে কোন কর্মের বা ধারা ৮৪ এর অধীনে কোন কম্পিউটার কর্মের] কপিরাইট লঙ্ঘনজনিত কোন অপরাধ সংঘটিত হইয়াছে, হইতেছে বা হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়াছে, তাহা হইলে তিনি গ্রেফতারী পরোয়ানা ছাড়াই কর্মটির সকল অনুলিপি এবং লঙ্ঘনকারী অনুলিপি তৈরীর উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত সকল প্লেট, যেখানেই পাওয়া যাক, জব্দ করিতে পারিবেন এবং অনুরূপভাবে জব্দকৃত সকল কপি এবং প্লেট যত দ্রুত সম্ভব, একজন ম্যাজিষ্ট্রেটের সম্মুখে উপস্থাপন করিবেন।
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীনে জব্দকৃত কোন কর্মের [অনুলিপি বা যন্ত্রপাতি বা দ্রব্যসামগ্রী বা প্লেটে স্বার্থ রহিয়াছে এমন যে কোন ব্যক্তি ঐরূপ জব্দ হওয়ার ১৫(পনের) দিনের মধ্যে অনুরূপ অনুলিপি বা যন্ত্রপাতি বা দ্রব্যসামগ্রী বা প্লেট তাহাকে ফেরত দেওয়ার] জন্য ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট দরখাস্ত করিতে পারেন এবং ম্যাজিষ্ট্রেট, দরখাস্তকারী ও বাদীর শুনানী গ্রহণের পর এবং প্রয়োজন অনুযায়ী আরো তদন্ত করিয়া দরখাস্তের উপর তাহার বিবেচনায় উপযুক্ত আদেশ প্রদান করিবেন।
Section ৯৪. ম্যাজিষ্ট্রেটের কতিপয় আদেশের বিরুদ্ধে আপীল
ধারা ৮৬ বা ধারা ৯৩ এর উপ-ধারা (২) এর অধীন প্রদত্ত আদেশে সংক্ষুব্ধ কোন ব্যক্তি, আদেশ প্রদানের ত্রিশ দিনের মধ্যে, যে আদালতে আদেশ প্রদানকারী আদালত হইতে সাধারণতঃ আপীল করা চলে সেই আদালতে আপীল করিতে পারিবেন এবং ঐরূপ আপীল আদালত কতর্ৃক আপীল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ঐ আদেশের কার্যকারিতা স্থগিত রাখিবার নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে।
Section ৯৫. রেজিষ্ট্রারের আদেশের বিরুদ্ধে আপীল
(১) রেজিষ্ট্রারের কোন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা আদেশে সংক্ষুব্ধ যে কোন ব্যক্তি ঐ সিদ্ধান্ত বা আদেশ প্রদানের তিন মাসের মধ্যে বোর্ডের নিকট আপীল করিতে পারিবেন।
(২) এই ধারার অধীন বোর্ডের শুনানী গ্রহণকালে রেজিষ্ট্রার বোর্ডের সদস্য হিসাবে উপস্থিত থাকিবেন না।
Section ৯৬. বোর্ডের আদেশের বিরুদ্ধে আপীল
ধারা ৯৫ এর অধীন আপীলে প্রদত্ত কোন সিদ্ধান্ত বা আদেশ ব্যতীত, বোর্ডের কোন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা আদেশে সংক্ষুব্ধ কোন ব্যক্তি ঐ সিদ্ধান্ত বা আদেশ প্রদানের তিন মাসের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপীল করিতে পারিবেন :
তবে শর্ত থাকে যে, ধারা ৬ এর আওতায় বোর্ডের কোন সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে অনুরূপ কোন আপীল চলিবে না।
Section ৯৭. তামাদী গণনা
এই অধ্যায়ের অধীন আপীলের জন্য প্রদত্ত তিন মাসের সময় গণনায়, যে আদেশ বা সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপীল করা হইয়াছে, উহার সার্টিফাইড কপি বা, ক্ষেত্রমত, সিদ্ধান্তের রেকর্ড প্রদানের জন্য গৃহীত সময় বাদ দিতে হইবে।
Section ৯৮. আপীলের পদ্ধতি
হাইকোর্ট বিভাগ এই আইনের সহিত সংগতি রাখিয়া ধারা ৯৬ এর অধীনে উহার নিকট দায়েরকৃত আপীলে অনুসরণীয় পদ্ধতি বিষয়ে বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবে।
Section ৯৯. রেজিষ্ট্রার এবং বোর্ড এর দেওয়ানী আদালতের কতিপয় ক্ষমতা
[দেওয়ানী কার্যবিধির] অধীনে কোন দেওয়ানী মামলার বিচার করা কালে রেজিষ্ট্রার ও বোর্ড এর নিম্নোক্ত বিষয়ে দেওয়ানী আদালতের ক্ষমতা থাকিবে, যথা:-
ব্যাখ্যা।- সাক্ষীর উপস্থিতি বলবৎকরণার্থ, রেজিষ্ট্রার বা, ক্ষেত্রমত, বোর্ড এর অধিক্ষেত্রের স্থানীয় সীমানা হইবে সমগ্র বাংলাদেশ।
Section ১০০. রেজিষ্ট্রার বা বোর্ড কতর্ৃক প্রদত্ত অর্থ প্রদানের আদেশ ডিক্রীর ন্যায় কার্যকর হইবে
রেজিষ্ট্রার বা বোর্ড কতর্ৃক এই আইনের অধীন প্রদত্ত অর্থ প্রদানের প্রত্যেক আদেশ বা বোর্ড কতর্ৃক প্রদত্ত অনুরূপ আদেশের বিরুদ্ধে আনীত আপীলে হাইকোর্ট বিভাগ কতর্ৃক প্রদত্ত আদেশ, রেজিষ্ট্রার, বোর্ড বা ক্ষেত্রমত, সুপ্রীমকোর্টের রেজিষ্ট্রার কতর্ৃক প্রদত্ত সার্টিফিকেটের ভিত্তিতে দেওয়ানী আদালতের ডিক্রী মর্মে গণ্য হইবে এবং অনুরূপ আদালতের ডিক্রীর ন্যায় অভিন্ন পদ্ধতিতে কার্যকরযোগ্য হইবে।
Section ১০১. অব্যাহতি
এই আইনের উদ্দেশ্য সাধনে সরল বিশ্বাসে কৃত বা করার অভিপ্রায় এর জন্য কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোন মামলা বা আইনগত কার্যক্রম চলিবে না।
Section ১০২. জনসেবক
এই আইনের অধীন নিযুক্ত প্রত্যেক কর্মকর্তা এবং বোর্ডের প্রত্যেক সদস্য [দণ্ডবিধির] ধারা ২১ এ ঢ়ঁনষরপ ংবৎাধহঃ (জনসেবক) কথাটি যে অর্থে ব্যবহৃত হইয়াছে সে অর্থে ঢ়ঁনষরপ ংবৎাধহঃ (জনসেবক) বলিয়া গণ্য হইবে।
Section ১০৩. বিধিমালা প্রণয়নের ক্ষমতা
(১) সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবে।
(২) পূর্বোলি্লখিত ক্ষমতার সামগ্রিকতা ক্ষুণ্ন না করিয়া, নিম্নবর্ণিত সকল বা যে কোন বিষয়ে সরকার বিশেষ করিয়া এবং উপরিউক্ত ক্ষমতার সামগ্রিকভাবে ক্ষুণ্ন না করিয়া অনুরূপ বিধিতে নিম্নবর্ণিত সকল বা যে কোন বিষয়ে বিধান করা যাইবে, যথা:-
Section ১০৪. ইংরেজীতে অনূদিত পাঠ প্রকাশ
এই আইন প্রবর্তনের পর সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের ইংরেজীতে অনূদিত একটি পাঠ প্রকাশ করিবে যাহা এই আইনের অনূদিত ইংরেজী পাঠ (অঁঃযবহঃরপ ঊহমষরংয ঞবীঃ) নামে অভিহিত হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, এই আইন ও উক্ত ইংরেজী পাঠের মধ্যে বিরোধের ক্ষেত্রে এই আইন প্রাধান্য পাইবে।
Section ১০৫. রহিতকরণ, হেফাজত এবং ক্রান্তিকালীন বিধান
(১) ঈড়ঢ়ু-ৎরমযঃ ঙৎফরহধহপব, ১৯৬২ (ঙৎফ. ঘড়. ঢঢঢওঠ ড়ভ ১৯৬২) এতদ্বারা রহিত করা হইল।
(২) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি এই আইন কার্যকর হওয়ার পূর্বে এমন কোন কাজ করিয়া থাকেন যদ্বারা তিনি সংশ্লিষ্ট সময়ে আইন মোতাবেক কোন কর্মের পুনরুৎপাদন বা সম্পাদনের জন্য অথবা এই আইন কার্যকর না হইলে ঐরূপ
পুনরুৎপাদন বা সম্পাদন বৈধ হইত এমন কোন কর্মের পুনরুৎপাদন বা সম্পাদনের জন্য কোন প্রকার ব্যয় বা দায় এর জন্য দায়ী হন, সেক্ষেত্রে এই ধারার কোন কিছুই ঐরূপ কাজ হইতে বা তৎসূত্রে উদ্ভুত কোন অধিকার বা স্বার্থ খর্ব বা ক্ষুণ্ন করিবে না, যদি না এই আইনবলে পুনরুৎপাদন বা সম্পাদন করিবার অধিকারী ব্যক্তি চুক্তিভঙ্গের দরুণ বোর্ড যেরূপ নির্ধারণ করে ঐরূপ ক্ষতিপূরণ প্রদান করিতে সম্মত না হন।
(৩) উপ-ধারা (১) এর অধীন রহিত আইনের অধীন কোন কর্মের কপিরাইট ছিল না এমন কোন কর্মের ক্ষেত্রে এই আইনের অধীন কপিরাইট থাকিবে না।
(৪) এই আইন কার্যকর হওয়ার অব্যবহিত পূর্বে যেক্ষেত্রে কোন কর্মের কপিরাইট বিদ্যমান ছিল ঐরূপ কপিরাইটের অন্তভর্ু্ক্ত অধিকার, এই আইন কার্যকর হওয়ার তারিখ হইতে, কর্মটি যে শ্রেণীর অন্তভর্ুক্ত ঐ শ্রেণী সম্বন্ধে ধারা ১৪-এ উলি্লখিত অধিকার হইবে এবং যদি উক্ত ধারা দ্বারা কোন নতুন অধিকার প্রদত্ত হয়, তাহা হইলে উক্ত অধিকারের মালিক-
(৫) এই আইনে ভিন্নরূপ বিধান না থাকিলে, কোন ব্যক্তি এই আইন কার্যকর হওয়ার অব্যবহিত পূর্বে কোন কর্মের কপিরাইট অথবা কোন অধিকার বা অধিকারের অন্তর্গত কোন স্বার্থের অধিকারী থাকিলে, তাহার ক্ষেত্রে এই আইন কার্যকর না হইলে যে সময়ের জন্য তিনি ঐরূপ অধিকার বা স্বার্থের অধিকারী হইতেন তাহা অব্যাহত থাকিবে।
(৬) এই আইনের কোন কিছুই উহা কার্যকর হওয়ার পূর্বে কৃত কোন কাজ কপিরাইট লঙ্ঘনজনিত কাজ হিসাবে ব্যাখ্যায়িত হিসাবে গণ্য হইবে না, যদি ঐ কাজ অন্যভাবে ঐরূপ অধিকারলঙ্ঘন গঠন না করিয়া থাকে।
(৭) [এই ধারায় ভিন্নরূপ কিছু না থাকিলে], রহিতকরণের ফলাফলের বিষয়ে ১৮৯৭ সনের জেনারেল ক্লজেস এ্যাক্ট (১৮৯৭ সনের ১০নং আইন) প্রযোজ্য হইবে।