সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০৬
কৃষি বিজ্ঞানের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অগ্রসরমান বিশ্বের সাথে সঙ্গতি রক্ষা ও সমতা অর্জন এবং জাতীয় পর্যায়ে উচ্চতর শিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ সৃষ্টি, আধুনিক জ্ঞানচর্চা এবং কৃষি বিজ্ঞানের সহিত সম্পর্কযুক্ত আনুষঙ্গিক অন্যান্য বিষয়ে শিক্ষাদান, গবেষণাকার্য পরিচালনা, নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও জাতির কল্যাণে হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে সিলেট সরকারী ভেটেরিনারি কলেজকে একটি অনুষদে রূপান্তরক্রমে উহাকে অন্তর্ভুক্ত করিয়া উক্ত কলেজ ক্যাম্পাসে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় নামে একটি নতুন বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনকল্পে বিধান প্রণয়নের লক্ষ্যে প্রণীত আইন
কৃষি বিজ্ঞানের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অগ্রসরমান বিশ্বের সাথে সঙ্গতি রক্ষা ও সমতা অর্জন এবং জাতীয় পর্যায়ে উচ্চতর শিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ সৃষ্টি, আধুনিক জ্ঞানচর্চা এবং কৃষি বিজ্ঞানের সহিত সম্পর্কযুক্ত আনুষঙ্গিক অন্যান্য বিষয়ে শিক্ষাদান, গবেষণাকার্য পরিচালনা, নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও জাতির কল্যাণে হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে সিলেট সরকারী ভেটেরিনারি কলেজকে একটি অনুষদে রূপান্তরক্রমে উহাকে অন্তর্ভুক্ত করিয়া উক্ত কলেজ ক্যাম্পাসে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় নামে একটি নতুন বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনকল্পে বিধান প্রণয়নের লক্ষ্যে প্রণীত আইন যেহেতু কৃষি বিজ্ঞানের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অগ্রসরমান বিশ্বের সাথে সঙ্গতি রক্ষা ও সমতা অর্জন এবং জাতীয় পর্যায়ে উচ্চতর শিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ সৃষ্টি, আধুনিক জ্ঞানচর্চা এবং কৃষি বিজ্ঞানের সহিত সম্পর্কযুক্ত আনুষঙ্গিক অন্যান্য বিষয়ে শিক্ষাদান, গবেষণাকার্য পরিচালনা, নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও জাতির কল্যাণে হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে সিলেট সরকারী ভেটেরিনারি কলেজকে একটি অনুষদে রূপান্তরক্রমে উহাকে অন্তর্ভুক্ত করিয়া উক্ত কলেজ ক্যাম্পাসে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় নামে একটি নতুন বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়; সেহেতু এতদ্দ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইলঃ-
সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন
১৷ (১) এই আইন সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০৬ নামে অভিহিত হইবে৷
(২) সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, যে তারিখ নির্ধারণ করিবে সেই তারিখে এই আইন কার্যকর হইবে৷
সংজ্ঞা
২৷ বিষয় বা প্রসঙ্গের পরিপন্থী কোন কিছু না থাকিলে, এই আইনে এবং তদধীনে প্রণীত সকল সংবিধিতে-
(ড়) “সিন্ডিকেট” বলিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট বুঝাইবে;
(ঢ়) “সংস্থা” বলিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন সংস্থা বুঝাইবে;
(য়) “সংবিধি”, “অধ্যাদেশ” ও “প্রবিধান” বলিতে যথাক্রমে এই আইনের অধীন প্রণীত সংবিধি, বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাদেশ ও প্রবিধান বুঝাইবে;
(ত্) “হল” বলিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের সম্মিলিত জীবন (Corporate life) পরিচালন এবং পাঠক্রম সহায়ক (Extra-curricular instructions) কাযর্ক্রম শিক্ষাদানের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণাধীন ছাত্রাবাস বুঝাইবে৷
বিশ্ববিদ্যালয়
৩৷ (১) এই আইনের বিধান অনুসারে সিলেট সরকারী ভেটেরিনারী কলেজকে ভেটেরিনারি এন্ড এ্যানিমেল সাইন্স অনুষদ হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করিয়া আরও কয়েকটি ফ্যাকাল্টির সমন্বয়ে, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (Sylhet Agricultural University) নামে একটি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হইবে৷
(২) বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর, ভাইস-চ্যান্সেলর, ট্রেজারার, সিন্ডিকেট ও একাডেমিক কাউন্সিলের সদস্যগণ সমন্বয়ে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় নামে একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা গঠিত হইবে৷
(৩) বিশ্ববিদ্যালয় স্থায়ী ধারাবাহিকতা এবং একটি সাধারণ সীলমোহর থাকিবে এবং এই আইনের বিধান সাপেক্ষে, ইহার স্থাবর ও অস্থাবর সকল প্রকার সম্পত্তি অর্জন করার, অধিকারে রাখার এবং হস্তান্তর করার ক্ষমতা থাকিবে এবং উক্ত নামে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে বা বিপক্ষে মামলা দায়ের করা যাইবে৷
বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষমতা
৪৷ এই আইনের বিধান সাপেক্ষে, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিম্নবণির্ত ক্ষমতা থাকিবে, যথাঃ-
জাতি ধর্ম নির্বিশেষে সকলের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় উন্মুক্ত
৫৷ যে কোন জাতি, ধর্ম, বর্ণ, গোত্র এবং শ্রেণীর পুরুষ এবং নারীর জন্য বিশ্ববিদ্যালয় উন্মুক্ত থাকিবে৷
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাদান
৬৷ (১) বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল স্বীকৃত শিক্ষা ও গবেষণা বিশ্ববিদ্যালয় অথবা ইনস্টিটিউট কর্তৃক পরিচালিত হইবে এবং পরীক্ষাগার বা কর্মশিবিরের সকল বক্তৃতা ও কর্ম ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবে৷
(২) বিধান দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে শিক্ষকগণ শিক্ষাদান পরিচালনা করিবেন৷
(৩) শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যসূচী সংবিধি এবং অধ্যাদেশ অনুযায়ী নির্ধারণ করা হইবে৷
(৪) অধ্যাদেশ ও প্রবিধানে বিধৃত শর্তানুসারে টিউটোরিয়াল পাঠদানের মাধ্যমে অনুমোদিত শিক্ষা প্রদান করা হইবে৷
(৫) বিশ্ববিদ্যালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে মহাবিদ্যালয় বা ইনস্টিটিউটের জন্য অথবা মহাবিদ্যালয়, ইনস্টিটিউট এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য শিক্ষাদানের ব্যবস্থা করা যাইতে পারে৷
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন কর্তৃক পরিদর্শন ইত্যাদি
৭৷ (১) মঞ্জুরী কমিশন এক বা একাধিক ব্যক্তি সমন্বয়ে গঠিত কমিটি দ্বারা বিশ্ববিদ্যালয় ও উহার ভবন, ডরমিটরী, হল, হোষ্টেল, গ্রন্থাগার, পরীক্ষাগার, যন্ত্রপাতি বা সহযোগী প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক পরিচালিত পরীক্ষা, শিক্ষাদান এবং অন্যান্য কাযর্ক্রম পরিদর্শন ও মূল্যায়ন করাইতে পারিবে৷
(২) মঞ্জুরী কমিশন তত্কর্তৃক অনুষ্ঠিতব্য প্রত্যেক পরিদর্শন বা মূল্যায়নের অভিপ্রায় সম্পর্কে বিশ্ববিদ্যালয়কে পূর্বাহ্নে অবহিত করিবে এবং এইরূপ পরিদর্শন ও মূল্যায়নে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধত্বের অধিকার থাকিবে৷
(৩) মঞ্জুরী কমিশন অনুরূপ পরিদর্শন বা মূল্যায়ন সম্পর্কে উহার অভিমত অবহিত করিয়া, তত্সম্পর্কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য, সিন্ডিকেটকে পরামর্শ দিবে এবং সিন্ডিকেট তত্কর্তৃক গৃহীত ব্যবস্থার প্রতিবেদন মঞ্জুরী কমিশনের নিকট প্রেরণ করিবে৷
(৪) মঞ্জুরী কমিশন কর্তৃক নির্ধারিত রেজিস্টার ও নথিপত্র বিশ্ববিদ্যালয় রক্ষণাবেক্ষণ করিবে এবং কমিশনের চাহিদা অনুযায়ী পরিসংখ্যান এবং অন্যবিধ প্রতিবেদন ও তথ্য সরবরাহ করিবে৷
(৫) মঞ্জুরী কমিশন শিক্ষা ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রয়োজন নিরূপণ করিবে এবং উহার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করিবে৷
(৬) মঞ্জুরী কমিশন বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট ও অন্যান্য আর্থিক প্রয়োজন পরীক্ষা করিয়া সুপারিশসহ সরকারের নিকট প্রেরণ করিবে৷
বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা
৮৷ বিশ্ববিদ্যালয়ের নিম্নবণির্ত কর্মকর্তা থাকিবেন, যথাঃ-
চ্যান্সেলর
৯৷ (১) গণপ্রজাতন্ত্রী [বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি] বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর হইবেন৷
(২) চ্যান্সেলর একাডেমিক ডিগ্রী ও সম্মানসূচক ডিগ্রী প্রদানের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করিবেনঃ
তবে শর্ত থাকে যে, চ্যান্সেলর ইচ্ছা করিলে কোন সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করার জন্য অন্য কোন ব্যক্তিকে মনোনয়ন দিতে পারিবেন৷
(৩) চ্যান্সেলর এই আইন বা সংবিধি দ্বারা অর্পিত ক্ষমতার অধিকারী হইবেন৷
(৪) সম্মানসূচক ডিগ্রী প্রদানের প্রতিটি প্রস্তাবে চ্যান্সেলরের অনুমোদন থাকিতে হইবে৷
(৫) চ্যান্সেলর বিশ্ববিদ্যালয়ের যে কোন ঘটনার তদন্ত করাইতে পারিবেন এবং তদন্তের প্রতিবেদন চ্যান্সেলর কর্তৃক সিন্ডিকেটে পাঠানো হইলে সিন্ডিকেট সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করিবে৷
(৬) চ্যান্সেলরের নিকট যদি সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্তোষজনক ও স্বাভাবিক কাযর্ক্রম গুরুতরভাবে বিঘ্নিত হওয়ার মত অস্বাভাবিক পরিস্থিতি বিরাজ করিতেছে, তাহা হইলে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কাযর্ক্রম চালু রাখিবার স্বার্থে প্রয়োজনীয় আদেশ ও নির্দেশ দিতে পারিবেন এবং অনুরূপ আদেশ ও নির্দেশ মেনে চলা বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য বাধ্যতামূলক হইবে৷
(৭) ভাইস-চ্যান্সেলর এরূপ আদেশ বা নির্দেশ কার্যকর করিবেন এবং সময় সময় চ্যান্সেলরের নিকট অনুরূপ নির্দেশ পরিচালনার বিষয়ে রিপোর্ট পেশ করিবেন৷
ভাইস-চ্যান্সেলর নিয়োগ
১০৷ (১) চ্যান্সেলর, তত্কর্তৃক নির্ধারিত শর্তে, কৃষিবিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (Agricultural Science and Technology) ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ একজন শিক্ষাবিদ অথবা কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথিতযশা অধ্যাপককে চার বত্সর মেয়াদের জন্য ভাইস-চ্যান্সেলর পদে নিয়োগ দান করিবেনঃ
তবে শর্ত থাকে যে, কোন ব্যক্তি একাধিকক্রমে দুই মেয়াদের বেশী সময়কালের জন্য ভাইস-চ্যান্সেলর পদে নিয়োগলাভের যোগ্য হইবেন না৷
(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, চ্যান্সেলরের সন্তোষানুযায়ী ভাইস-চ্যান্সেলর স্বপদে অধিষ্ঠিত থাকিবেন৷
(৩) ভাইস-চ্যান্সেলরের পদ পনের দিনের অধিক শূন্য হইলে কিংবা ছুটি, অনুপস্থিতি, অসুস্থতা বা অন্য কোন কারণে তিনি তাঁহার দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হইলে, শূন্য পদে নবনিযুক্ত ভাইস-চ্যান্সেলর কার্যভার গ্রহণ না করা পযর্ন্ত কিংবা ভাইস-চ্যান্সেলর পুনরায় স্বীয় দায়িত্ব পালনে সমর্থ না হওয়া পযর্ন্ত চ্যান্সেলরের ভিন্নরূপ সিদ্ধান্ত না থাকা সাপেক্ষে ট্রেজারার, ভাইস-চ্যান্সেলরের সার্বিক দায়িত্ব পালন করিবেন৷
ভাইস-চ্যান্সেলরের ক্ষমতা ও দায়িত্ব
১১৷ (১) ভাইস-চ্যান্সেলর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবর্ক্ষণিক প্রধান একাডেমিক ও প্রশাসনিক নিবার্হী কর্মকর্তা হইবেন এবং পদাধিকারবলে সিন্ডিকেট, একাডেমিক কাউন্সিল, অর্থ কমিটি এবং পরিকল্পনা উন্নয়ন ও ওয়ার্কস কমিটির চেয়ারম্যান থাকিবেন৷
(২) ভাইস-চ্যান্সেলর তাঁহার দায়িত্ব পালনে চ্যান্সেলরের নিকট দায়ী থাকিবেন৷
(৩) ভাইস-চ্যান্সেলর এই আইন, সংবিধি এবং অধ্যাদেশের বিধানাবলী বিশ্বস্ততার সহিত পালন করিবেন এবং তদুদ্দেশ্যে প্রয়োজনীয় ক্ষমতা প্রয়োগ করিতে পারিবেন৷
(৪) ভাইস-চ্যান্সেলর বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন কর্তৃপক্ষ বা সংস্থার সভায় উপস্থিত থাকিতে এবং ইহার কাযাবর্লীতে অংশগ্রহণ করিতে পারিবেন, তবে তিনি উহার সদস্য না হইলে কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে ভোট প্রদান করিতে পারিবেন না৷
(৫) ভাইস-চ্যান্সেলর সিন্ডিকেট ও একাডেমিক কাউন্সিলের সভা আহ্বান করিবেন৷
(৬) ভাইস-চ্যান্সেলর সিন্ডিকেট, অর্থ কমিটি, পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও ওয়ার্কস কমিটি এবং একাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন৷
(৭) ভাইস-চ্যান্সেলর তাঁহার বিবেচনায় প্রয়োজন মনে করিলে তাঁহার যে কোন ক্ষমতা ও দায়িত্ব সিন্ডিকেটের অনুমোদনক্রমে, বিশ্ববিদ্যালয়ের যে কোন শিক্ষক বা কর্মকর্তাকে অর্পণ করিতে পারিবেন৷
(৮) ভাইস-চ্যান্সেলর, সিন্ডিকেটের পূর্বানুমোদনক্রমে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ করিতে এবং তাঁহাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারিবেন৷
(৯) ভাইস-চ্যান্সেলর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী এবং শিক্ষার্থীদের উপর সাধারণ নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা প্রয়োগ করিবেন৷
(১০) ভাইস-চ্যান্সেলর বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক, প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য দায়ী থাকিবেন৷
(১১) বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার ক্ষেত্রে জরুরী পরিস্থিতির উদ্ভব হইলে এবং ভাইস-চ্যান্সেলরের বিবেচনায় তত্সম্পর্কে তাত্ক্ষণিক কোন ব্যবস্থা গ্রহণ প্রয়োজনীয় বিবেচিত হইলে তিনি সেই ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারিবেন এবং যে কর্তৃপক্ষ বা সংস্থা সাধারণতঃ বিষয়টি সম্পর্কে ব্যবস্থা গ্রহণ করিবার অধিকারপ্রাপ্ত সেই কর্তৃপক্ষ বা সংস্থাকে, যথাশীঘ্র সম্ভব তত্কর্তৃক গৃহীত ব্যবস্থা সম্পর্কে অবহিত করিবেন৷
(১২) বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন কর্তৃপক্ষ বা সংস্থার সিদ্ধান্তের সহিত ভাইস-চ্যান্সেলর ঐকমত্য পোষণ না করিলে তিনি উক্ত সিদ্ধান্তের বাস্তবায়ন স্থগিত রাখিয়া তাঁহার মতামতসহ সিদ্ধান্তটি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা সংস্থার পরবর্তী নিয়মিত সভায় পুনঃবিবেচনার জন্য ফেরত্ পাঠাইতে পারিবেন এবং যদি উক্ত কর্তৃপক্ষ বা সংস্থা পুনঃবিবেচনার পর ভইস-চ্যান্সেলরের সহিত ঐকমত্য পোষণ না করেন তাহা হইলে তিনি বিষয়টি সিদ্ধান্তের জন্য চ্যান্সেলরের নিকট প্রেরণ করিবেন এবং সেই বিষয়ে চ্যান্সেলরের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হইবে৷
(১৩) বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুমোদিত বাজেট বাস্তবায়নে ভাইস-চ্যান্সেলর সার্বিক দায়িত্ব পালন করিবেন৷
(১৪) সংবিধি, অধ্যাদেশ ও প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত অন্যান্য ক্ষমতা ও ভাইস-চ্যান্সেলর প্রয়োগ করিবেন৷
(১৫) ভাইস-চ্যান্সেলর অস্থায়ীভাবে এবং সাধারণতঃ অনধিক ৬ (ছয়) মাসের জন্য অধ্যাপক ও সহযোগী অধ্যাপক ব্যতীত অন্যান্য শিক্ষক, ট্রেজারার ব্যতীত কর্মকর্তা এবং প্রশাসনিক ও অধঃস্তন কর্মচারী নিয়োগ করিতে পারিবেন এবং এইরূপ নিয়োগের বিষয়ে সিন্ডিকেটকে অবহিত করিবেনঃ
তবে শর্ত থাকে যে, যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত হয় নাই এই প্রকার কোন পদে উক্তরূপ কোন নিয়োগ করা যাইবেনা৷
ট্রেজারার
১২৷ (১) চ্যান্সেলর, তত্কর্তৃক নির্ধারিত শর্তে, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতায় ২০ বত্সরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন্ন একজন অধ্যাপক অথবা আর্থিক ব্যবস্থাপনায় ২০ বত্সরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একজন ব্যক্তিকে চার বত্সর মেয়াদের জন্য ট্রেজারার নিযুক্ত করিবেন, ট্রেজারার বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন পূর্ণকালীন কর্মকর্তা হইবেন, এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক বিষয় তাহার নিয়ন্ত্রণে থাকিবে৷
(২) ছুটি, অসুস্থতা বা অন্য কোন কারণে ট্রেজারারের পদ সাময়িকভাবে শূন্য হইলে সিন্ডিকেট অবিলম্বে চ্যান্সেলরকে তত্সম্পর্কে অবহিত করিবে এবং চ্যান্সেলর ট্রেজারারের কাযাবর্লী সম্পাদনের জন্য যেইরূপ ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন বলিয়া মনে করিবেন সেইরূপ ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন৷
(৩) ট্রেজারার বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিলের সার্বিক তত্ত্বাবধান করিবেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থসংক্রান্ত নীতি সম্পর্কে ভাইস-চ্যান্সেলর, সংশ্লিষ্ট কমিটি, ইনস্টিটিউট ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে পরামর্শ প্রদান করিবেন৷
(৪) ট্রেজারার, সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে, বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পত্তি ও বিনিয়োগ পরিচালনা করিবেন এবং তিনি বার্ষিক বাজেট ও হিসাব বিবরণী পেশ করিবার জন্য সিন্ডিকেটের নিকট দায়ী থাকিবেন৷
(৫) যে খাতের জন্য অর্থ মঞ্জুর বা বরাদ্দ করা হইয়াছে সেই খাতেই যেন উহা ব্যয় হয় তাহা দেখার জন্য ট্রেজারার, সিন্ডিকেট প্রদত্ত ক্ষমতা সাপেক্ষে, দায়ী থাকিবেন৷
(৬) ট্রেজারার বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে অর্থ সংক্রান্ত সকল চুক্তিতে স্বাক্ষর করিবেন৷
(৭) ট্রেজারার সংবিধি ও অধ্যাদেশ দ্বারা নির্ধারিত অন্যান্য ক্ষমতাও প্রয়োগ করিবেন৷
রেজিস্ট্রার
১৩৷ রেজিস্ট্রার বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক কর্মকর্তা হইবেন এবং তিনি-
পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক
১৪৷ পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, পরীক্ষা পরিচালনার সহিত সম্পর্কিত সকল বিষয়ের দায়িত্বে থাকিবেন এবং বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশ দ্বারা নির্ধারিত এবং ভাইস-চ্যান্সেলর কর্তৃক প্রদত্ত অন্যান্য সকল দায়িত্ব পালন করিবেন৷
অন্যান্য কর্মকর্তার নিয়োগ, ক্ষমতা ও দায়িত্ব
১৫৷ বিশ্ববিদ্যালয়ের যে সকল কর্মকর্তার নিয়োগ পদ্ধতি, দায়িত্ব ও ক্ষমতা সম্পর্কে এই আইনের কোথাও উল্লেখ নাই, সিন্ডিকেট সংবিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে সেই সকল কর্মকর্তার নিয়োগ পদ্ধতি এবং দায়িত্ব ও ক্ষমতা নির্ধারণ করিবে৷
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ
১৬৷ বিশ্ববিদ্যালয়ের নিম্নবণির্ত কর্তৃপক্ষ থাকিবে, যথাঃ-
সিন্ডিকেট
১৭৷ (১) নিম্নবণির্ত সদস্যগণের সমন্বয়ে সিন্ডিকেট গঠিত হইবে, যথাঃ-
(২) সিন্ডিকেটের জন্য মনোনীত সদস্যগণ তাঁহাদের মনোনয়নের তারিখ হইতে দুই বত্সর মেয়াদে স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন, তবে শর্ত থাকে যে-
সিন্ডিকেটের সভা
১৮৷ (১) এই ধারার অন্যান্য বিধানাবলী সাপেক্ষে সিন্ডিকেট উহার সভার কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করিতে পারিবে৷
(২) সিন্ডিকেটের সভা ভাইস-চ্যান্সেলর কর্তৃক নির্ধারিত তারিখ, স্থান ও সময়ে অনুষ্ঠিত হইবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, প্রতি ৩ (তিন) মাসে সিন্ডিকেটের কমপক্ষে একটি সভা অনুষ্ঠিত হইবে৷
(৩) ভাইস-চ্যান্সেলর যখনই উপযুক্ত মনে করিবেন তখনই সিন্ডিকেটের বিশেষ সভা আহ্বান করিতে পারিবেন৷
(৪) সিন্ডিকেটের অন্যুন এক-তৃতীয়াংশ সদস্যের স্বাক্ষরযুক্ত তলবনামার ভিত্তিতে ভাইস-চ্যান্সেলর বিশেষ সভা আহ্বান করিবেন৷ বিশেষ সভায় একটি মাত্র বিশেষ বিষয়ই আলোচিত হইবে৷
সিন্ডিকেটের ক্ষমতা ও দায়িত্ব
১৯৷ (১) সিন্ডিকেট বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নিবার্হী সংস্থা হইবে এবং ভাইস-চ্যান্সেলরের উপর অর্পিত ক্ষমতা সাপেক্ষে, বিশ্ববিদ্যালয়ের কাযাবর্লী, সংস্থাসমূহ এবং সম্পত্তির উপর সিন্ডিকেটের সাধারণ ব্যবস্থাপনা ও তত্ত্বাবধানের ক্ষমতা থাকিবে এবং সিন্ডিকেট এই আইন, সংবিধি, বিশ্ববিদ্যালয় বিধি ও প্রবিধির বিধানসমূহ যথাযথভাবে পালিত হইতেছে কি না তত্প্রতি লক্ষ্য রাখিবে৷
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন প্রয়োগযোগ্য ক্ষমতার সামগ্রিকতা ক্ষুণ্ন না করিয়া সিন্ডিকেট-
একাডেমিক কাউন্সিল
২০৷ (১) নিম্নবণির্ত সদস্য সমন্বয়ে একাডেমিক কাউন্সিল গঠিত হইবে, যথাঃ-
(২) একাডেমিক কাউন্সিলের মনোনীত সদস্যগণ তাঁহাদের মনোনয়নের তারিখ হইতে দুই বত্সর মেয়াদে স্বীয় পদে বহাল থাকিবেনঃ
তবে শর্ত থাকে যে,
একাডেমিক কাউন্সিলের ক্ষমতা ও দায়িত্ব
২১৷ (১) একাডেমিক কাউন্সিল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষা বিষয়ক সংস্থা হইবে এবং এই আইন, সংবিধি ও অধ্যাদেশের বিধান সাপেক্ষে, বিশ্ববিদ্যালয় এবং উহার আওতার মধ্যে সকল শিক্ষাদান এবং শিক্ষা ও পরীক্ষার মান নির্ধারণ ও সংরক্ষণের জন্য দায়ী থাকিবে এবং এই সকল বিষয়ের উপর উহার নিয়ন্ত্রণ ও তত্ত্বাবধান ক্ষমতা থাকিবে৷
(২) একাডেমিক কাউন্সিল, এই আইন, মঞ্জুরী কমিশনের আদেশ, সংবিধি ভাইস-চ্যান্সেলর এবং সিন্ডিকেটের ক্ষমতা সাপেক্ষে, শিক্ষাক্রম (curriculum) ও পাঠ্যক্রম (syllabus) এবং শিক্ষাদান, গবেষণা ও পরীক্ষার সঠিক মান নির্ধারণের জন্য প্রবিধান প্রণয়ন করিতে পারিবে৷
(৩) উপ-ধারা (১) এর সামগ্রিক ক্ষমতার আওতায় একাডেমিক কাউন্সিলের নিম্নরূপ ক্ষমতাও অন্তর্ভুক্ত, যথাঃ-
তবে শর্ত থাকে যে, একাডেমিক কাউন্সিল অনুষদের সুপারিশমালা গ্রহণ, পরিমার্জন, অগ্রাহ্য বা ফেরত্ প্রদান করিতে পারিবেঃ
আরো শর্ত থাকে যে, অনুষদ কর্তৃক গৃহীত বিভাগীয় পাঠ্যক্রম কমিটির কোন সিদ্ধান্তের সহিত একাডেমিক কাউন্সিল একমত না হইলে বিষয়টি সিন্ডিকেটের নিকট প্রেরণ করা হইবে এবং এই বিষয়ে সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হইবে;
(৪) একাডেমিক কাউন্সিল সংবিধি দ্বারা নির্ধারিত এবং সিন্ডিকেট কর্তৃক প্রদত্ত শিক্ষা বিষয়ক অন্যান্য দায়িত্ব পালন ও ক্ষমতা প্রয়োগ করিবে৷
অনুষদ
২২৷ (১) বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রাথমিক পর্যায়ে নিম্নবর্ণিত অনুষদসমূহ থাকিবেঃ-
(২) একাডেমিক কাউন্সিলের নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে, প্রত্যেক অনুষদ সংবিধি ও অধ্যাদেশ দ্বারা নির্ধারিত বিষয়ে শিক্ষা কার্য ও গবেষণা পরিচালনার দায়িত্বে থাকিবে৷
(৩) অনুষদের গঠন, ক্ষমতা ও কাযাবর্লী, সংবিধি ও অধ্যাদেশ দ্বারা নির্ধারিত হইবে৷
(৪) প্রত্যেক অনুষদের একজন করিয়া ডীন থাকিবেন এবং তিনি ভাইস-চ্যান্সেলরের নিয়ন্ত্রণ ও সাধারণ তত্ত্বাবধান সাপেক্ষে, অনুষদ সম্পর্কিত সংবিধি, অধ্যাদেশ ও প্রবিধান যথাযথভাবে পালনের জন্য দায়ী থাকিবেন৷
(৫) অনুষদের অধ্যাপকগণের মধ্য হইতে জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে পালাক্রমে ভাইস-চ্যান্সেলর, সিন্ডিকেটের অনুমোদনক্রমে, দুই বত্সর মেয়াদের জন্য ডীন নিযুক্ত করিবেন৷
(৬) কোন ডীন পর পর দুই মেয়াদের জন্য নিযুক্ত হইতে পারিবেন নাঃ
তবে শর্ত থাকে যে, যদি কোন অনুষদে একজন মাত্র অধ্যাপক থাকেন তাহা হইলে সেই ক্ষেত্রে এই উপ-অনুচ্ছেদের বিধান প্রযোজ্য হইবে না৷
(৭) ছুটি, অসুস্থতা বা অন্য কোন কারণে ডীনের পদ শূন্য হইলে ভাইস-চ্যান্সেলর পরবর্তী সিনিয়র অধ্যাপককে ডীন পদের দায়িত্ব প্রদানের জন্য যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন৷
(৮) শিক্ষা সম্বন্ধীয় যে কোন কমিটির যে কোন সভায় ডীনগণ উপস্থিত থাকিতে এবং সভার কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করিতে পারিবেন, তবে উহার কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে সাময়িক দায়িত্বপ্রাপ্ত ডীনের ভোটাধিকার থাকিবে না৷
ইনস্টিটিউট
২৩৷ (১) বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে উচ্চতর শিক্ষা ও গবেষণার জন্য সংবিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে এক বা একাধিক ইনস্টিটিউট স্থাপন করিতে পারিবে৷
(২) মত্স্য ও সমুদ্র সম্পদ বিষয়ে উচ্চতর শিক্ষা ও গবেষণার জন্য বঙ্গোপসাগর উপকূলবর্তী জেলা কক্সবাজারে বিশ্ববিদ্যালয় ইহার একটি ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করিতে পারিবে৷
(৩) ইনস্টিটিউট পরিচালনার জন্য একজন পরিচালক থাকিবেন৷
(৪) ইনস্টিটিটের বোর্ড অব গভর্ণরস এর গঠন, ক্ষমতা ও কাযাবর্লী সংবিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে৷
বিভাগ
২৪৷ (১) বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাদান করা হয় এমন একটি বিষয়ের সকল শিক্ষক সমন্বয়ে এক বা একাধিক বিভাগ গঠিত হইবে৷
(২) ডীনের সাধারণ তত্ত্বাবধানে বিভাগীয় চেয়ারম্যান বিভাগের অন্যান্য শিক্ষকের সহযোগিতায় সংশ্লিষ্ট বিভাগের কার্যের পরিকল্পনা ও সমন্বয় সাধনের জন্য দায়ী থাকিবেন৷
(৩) বিভাগের অধ্যাপক ও সহযোগী অধ্যাপকগণের মধ্য হতে জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে পালাক্রমে দুই বত্সর মেয়াদে ভাইস-চ্যান্সেলর কর্তৃক বিভাগীয় চেয়ারম্যান নিযুক্ত হইবেনঃ
তবে শর্ত থাকে যে, অন্যুন সহযোগী অধ্যাপক পদমযার্দার কোন শিক্ষক কোন বিভাগে কর্মরত না থাকিলে, সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রবীণতম শিক্ষক উহার চেয়ারম্যান হইবেন৷
ব্যাখ্যাঃ এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, পদবী ও পদমযার্দার ভিত্তিতে জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণ করা হইবে এবং দুই ব্যক্তির পদবী ও পদমর্যাদা সমান হইলে সমপদে চাকুরীকালের দীর্ঘতার ভিত্তিতে জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণ করা হইবে৷
(৪) বিভাগীয় চেয়ারম্যান সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষা কার্যক্রমের যাবতীয় ব্যবস্থার নিশ্চয়তা বিধান করিবেন এবং এই সকল ব্যাপারে তিনি ডীনের নিকট দায়ী থাকিবেন৷
(৫) বিভাগীয় চেয়ারম্যান সংবিধি ও অধ্যাদেশ দ্বারা নির্ধারিত ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করিবেন৷
পাঠক্রম কমিটি
২৫৷ প্রত্যেক বিভাগের একটি পাঠক্রম কমিটি থাকিবে, যাহার গঠন, ক্ষমতা ও কাযাবর্লী সংবিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে৷
বোর্ড অব এডভান্সড স্টাডিজ
২৬৷ বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তর শিক্ষা ও গবেষণার ব্যবস্থার জন্য একটি এডভান্সড স্টাডিজ বোর্ড থাকিবে এবং উহা সংবিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে গঠিত হইবে৷
বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিল
২৭৷ (১) বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি তহবিল থাকিবে এবং উহাতে নিম্নবণির্ত অর্থ জমা হইবে, যথাঃ-
(২) এই তহবিলের অর্থ বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে তত্কর্তৃক অনুমোদিত কোন তফসিলী ব্যাংকে জমা রাখা হইবে এবং প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে এই তহবিল হইতে অর্থ উঠানো হইবে৷
(৩) বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যয় নির্বাহের জন্য এই তহবিল ব্যবহৃত হইবে৷
(৪) বিশ্ববিদ্যালয় তহবিলের অর্থ সিন্ডিকেট কর্তৃক অনুমোদিত খাতে বিনিয়োগ করা যাইবে৷
বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের বৃত্তি, ইত্যাদি
২৮৷ (১) সরকার বা অন্যান্য উত্স হইতে প্রাপ্ত অনুদান বা আয় হইতে প্রয়োজনের নিরিখে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ছাত্র-ছাত্রীদেরকে বৃত্তি বা, ক্ষেত্রমতে, উপ-বৃত্তি প্রদান করিতে পারিবে৷
(২) উপ-ধারা (১) এ ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন বিশ্ববিদ্যালয়ে সংশ্লিষ্ট ছাত্র-ছাত্রীর নিয়মিত উপস্থিতি,অধ্যায়নে সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং শিক্ষা আহরণে পারদর্শিতার উপর বৃত্তি বা উপ-বৃত্তি প্রদানের বিষয়টি নির্ভর করিবে৷
অর্থ কমিটি
২৯৷ (১) নিম্নবর্ণিত সদস্য সমন্বয়ে অর্থ কমিটি গঠিত হইবে, যথাঃ-
(২) অর্থ কমিটির কোন মনোনীত সদস্য দুই বত্সরের মেযাদে তাঁহার পদে অধিষ্ঠিত থাকিবেনঃ
তবে শর্ত থাকে যে, তাঁহার মেয়াদ শেষ হওয়া সত্ত্বেও তাহার স্থলাভিষিক্ত ব্যক্তি কার্যভার গ্রহণ না করা পযর্ন্ত তিনি তাঁহার পদে বহাল থাকিবেন৷
অর্থ কমিটির ক্ষমতা ও দায়িত্ব
৩০৷ অর্থ কমিটি-
পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও ওয়ার্কস কমিটি
৩১৷ (১) বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও ওয়ার্কস কমিটি থাকিবে এবং নিম্নবর্ণিত সদস্য সমন্বয়ে উহা গঠিত হইবে, যথাঃ-
(২) পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও ওয়ার্কস কমিটির কোন মনোনীত সদস্য দুই বত্সরের মেয়াদে তাঁহার পদে অধিষ্ঠিত থাকিবেনঃ
তবে শর্ত থাকে যে, তাহার মেয়াদ শেষ হওয়া সত্ত্বে তাহার স্থলাভিষিক্ত ব্যক্তি কার্যভার গ্রহণ না করা পযর্ন্ত তিনি তাঁহার পদে বহাল থাকিবেন৷
(৩) পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও ওয়ার্কস কমিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান সংস্থা হইবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্দেশ্যের সহিত সামঞ্জস্য রাখিয়া উহার জন্য উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন করিবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন কর্মসূচীর মূল্যায়ন করিবে৷
(৪) এই কমিটি সংবিধি দ্বারা নির্ধারিত অথবা ভাইস-চ্যান্সেলর অথবা সিন্ডিকেট কর্তৃক অর্পিত অন্যান্য কার্য সম্পাদন করিবে৷
বাছাই বোর্ড
৩২৷ (১) বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগে সুপারিশ করার জন্য এক বা একাধিক বাছাই বোর্ড থাকিবে৷
(২) বাছাই বোর্ডের গঠন ও কাযাবর্লী সংবিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে৷
(৩) কোন ক্ষেত্রে বাছাই বোর্ডের সুপারিশের সহিত সিন্ডিকেট একমত না হইলে বিষয়টি চ্যান্সেলরের নিকট প্রেরণ করিতে হইবে এবং এই ব্যাপারে তাঁহার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হইবে৷
বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য কর্তৃপক্ষ
৩৩৷ সংবিধি দ্বারা বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ হিসাবে ঘোষিত অন্যান্য কর্তৃপক্ষের গঠন, ক্ষমতা ও কাযাবর্লী সংবিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে৷
শৃঙ্খলা বোর্ড
৩৪৷ (১) বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি শৃঙ্খলা বোর্ড থাকিবে৷
(২) শৃঙ্খলা বোর্ডের গঠন, ক্ষমতা ও কাযাবর্লী অধ্যাদেশ দ্বারা নির্ধারিত হইবে৷
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক
৩৫৷ (১) বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক সাবর্ক্ষণিকভাবে নিয়োজিত হইবেনঃ
তবে শর্ত থাকে যে, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও কাযর্ক্রম যাহাতে অসুবিধার সন্মুখীন না হয়, সেই জন্য ভাইস-চ্যান্সেলর এক বা একাধিক খন্ডকালীন শিক্ষক নিয়োগ করিতে পারিবেন৷
(২) বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকগণ-
সংবিধি
৩৬৷ এই আইনের বিধান সাপেক্ষে, সংবিধি দ্বারা নিম্নবর্ণিত সকল বা যে কোন বিষয় সম্পর্কে বিধান করা যাইবে, যথাঃ-
সংবিধি প্রণয়ন
৩৭৷ (১) এই ধারায় বর্ণিত পদ্ধতিতে সিন্ডিকেট সংবিধি প্রণয়ন, সংশোধন বা বাতিল করিতে পারিবে৷
(২) তফসিলে বর্ণিত সংবিধি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সংবিধি হইবে৷
(৩) একাডেমিক কাউন্সিল বা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্য কোন কর্তৃপক্ষ সিন্ডিকেটের নিকট সংবিধি সংশোধনের প্রস্তাব করিতে পারিবে৷
(৪) সিন্ডিকেট কর্তৃক প্রণীত সংবিধি অনুমোদনের জন্য চ্যান্সেলরের নিকট পেশ করিতে হইবে৷
(৫) কোন সংবিধি অনুমোদনের জন্য প্রস্তাব প্রাপ্তির পর চ্যান্সেলর সংবিধিটি বা উহার কোন বিধান পুনঃবিবেচনার জন্য অথবা উহাতে চ্যান্সেলর কর্তৃক নির্দেশিত কোন সংশোধন বিবেচনার জন্য প্রস্তাবসহ সংবিধিটি সিন্ডিকেটের নিকট ফেরত্ পাঠাইতে পারিবেন; কিন্তু সিন্ডিকেট যদি সংবিধিটি নির্দেশিত সংশোধনসহ বা ব্যতিরেকে চ্যান্সেলরের নিকট পুনঃপেশ করে তাহা হইলে উহা, পেশ করার ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে চ্যান্সেলর কর্তৃক অনুমোদিত না হইলে, উক্ত সময়ের অবসানে উহা অনুমোদিত হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক, কর্মকর্তা ও অন্যান্য কর্মচারীর কর্মের শর্তাবলী সংক্রান্ত সংবিধিতে চ্যান্সেলরের অনুমোদনের প্রয়োজন হইবে না কিন্তু উক্তরূপ সংবিধি চ্যান্সেলরের নিকট পেশ করিতে হইবে৷
(৬) চ্যান্সেলর কর্তৃক অনুমোদিত বা অনুমোদিত বলিয়া গণ্য না হইলে সিন্ডিকেটের প্রস্তাবিত কোন সংবিধি বৈধ হইবে না৷
বিশ্ববিদ্যালয় বিধান
৩৮৷ এই আইন ও সংবিধির বিধান সাপেক্ষে, বিশ্ববিদ্যালয় বিধান দ্বারা নিম্নবর্ণিত সকল বা যে কোন বিষয় সম্পর্কে বিধান করা যাইবে, যথাঃ-
বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধান প্রণয়ন
৩৯৷ বিশ্ববিদ্যালয় বিধান সিন্ডিকেট কর্তৃক প্রণীত হইবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, নিম্নবর্ণিত বিষয়ে একাডেমিক কাউন্সিলের সুপারিশ ব্যতীত বিশ্ববিদ্যালয় বিধান প্রণয়ন করা যাইবে না, যথাঃ-
প্রবিধান
৪০৷ (১) বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ এবং অন্যান্য সংস্থাসমূহ সিন্ডিকেটের অনুমোদন সাপেক্ষে নিম্নবর্ণিত উদ্দেশ্যে এই আইন, সংবিধি ও অধ্যাদেশের সহিত সংগতিপূর্ণ প্রবিধান প্রণয়ন করিতে পারিবে, যথাঃ-
(২) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্যেক কর্তৃপক্ষ বা সংস্থা উহার সভার তারিখ এবং সভার বিবেচ্য বিষয় সম্পর্কে উক্ত কর্তৃপক্ষের বা সংস্থার সদস্যগণকে নোটিশ প্রদান এবং সভার কার্যবিবরণীর রেকর্ড সংরক্ষণ সম্পর্কে প্রবিধান প্রণয়ন করিবে৷
(৩) সিন্ডিকেট এই ধারার অধীনে প্রণীত কোন প্রবিধান তত্কর্তৃক নির্ধারিত প্রকারে সংশোধন বা বাতিল করিবার নির্দেশ দিতে পারিবে এবং উক্ত নির্দেশ পালনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বাধ্য থাকিেবঃ
তবে শর্ত থাকে যে, বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন কর্তৃপক্ষ বা সংস্থা অনুরূপ নির্দেশে অসন্তুষ্ট হইলে বিষয়টি সম্পর্কে চ্যান্সেলরের নিকট আপীল করিতে পারিবে এবং আপীলে চ্যান্সেলর প্রদত্ত সিদ্ধন্তই চূড়ান্ত হইবে৷
আবাসস্থল
৪১৷ (১) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রী বিশ্ববিদ্যালয় সংবিধি দ্বারা নির্ধারিত হল, হোস্টেল বা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক নির্ধারিত স্থানে ও শর্তাধীনে বসবাস করিবে অথবা সংযুক্ত থাকিবে৷
(২) হলের প্রভোষ্ট ও তত্ত্বাবধানকারী কর্মকর্তা ও অন্যান্য তত্ত্বাবধাকারী কর্মচারী সংবিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে নিযুক্ত হইবেন৷
(৩) প্রত্যেক হল শৃঙ্খলা বোর্ড কর্তৃক ক্ষমতা প্রদত্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন কর্মকর্তার পরিদর্শনাধীন থাকিবে৷
(৪) সংবিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে কোন হল বা আবাসিক স্থান পরিচালিত না হইলে বিশ্ববিদ্যালয় উক্ত হল বা স্থানের অনুমোদন প্রত্যাহার করিতে পারিবেন৷
ডরমিটরী
৪২৷ (১) ডরমিটরী সংবিধি দ্বারা নির্ধারিত ধরনের হইবে৷
(২) ডরমিটরী তত্ত্বাবধায়নকারী সকল কর্মচারী সংবিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে নিযুক্ত হইবে৷
বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠক্রমে ভর্তি
৪৩৷ (১) এই আইন সংবিধির বিধান সাপেক্ষে, বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও অন্যান্য পাঠক্রমে ছাত্র ভর্তি একাডেমিক কাউন্সিল কর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত ভর্তি কমিটি কর্তৃক প্রণীত বিধি দ্বারা পরিচালিত হইবে৷
(২) কোন ছাত্র বাংলাদেশের কোন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের, বা বাংলাদেশে আপাততঃ বলবত্ কোন আইনের অধীনে অনুষ্ঠিত উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় কিংবা সংবিধি দ্বারা সমমানের বলিয়া স্বীকৃত অন্য কোন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না হইয়া থাকিলে কিংবা বিদেশের স্বীকৃত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা কর্তৃক অনুষ্ঠিত সমমান বা সমপর্যায়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না হইয়া থাকিলে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাদেশ দ্বারা নির্ধারিত অন্যান্য যোগ্যতা না থাকিলে, উক্ত ছাত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক কোর্সের কোন পাঠ্যক্রমে ভর্তি যোগ্য হইবে না৷
(৩) বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রী, স্নাতকোত্তর ডিপ্লোমা, সার্টিফিকেট ও স্নাতকোত্তর পাঠক্রমে ছাত্র ভর্তির শর্তাবলী সংবিধি ও অধ্যাদেশ দ্বারা নির্ধারিত হইবে৷
(৪) কোন পাঠক্রমে ডিগ্রীর জন্য ভর্তির উদ্দেশ্যে বিশ্ববিদ্যালয়, উহার অধ্যাদেশ দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে অন্য কোন বিশ্ববিদ্যালয় বা স্বীকৃত সংস্থা কর্তৃক প্রদত্ত ডিগ্রীকে তত্কর্তৃক প্রদত্ত কোন ডিগ্রীর সমমানের বলিয়া স্বীকৃতিদান করিতে পারিবে অথবা স্বীকৃত কোন বিশ্ববিদ্যালয় বা বোর্ডের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা ব্যতীত অন্য কোন পরীক্ষাকে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার সমমানের বলিয়া স্বীকৃতিদান করিতে পারিবে৷
(৫) ভর্তির সময় প্রদত্ত মিথ্যা তথ্যের ভিত্তিতে কোন ছাত্র-ছাত্রীকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করা হইলে এবং পরবর্তীতে উহা প্রমাণিত হইলে উক্ত ভর্তি বাতিল বলিয়া গণ্য হইবে৷
(৬) নৈতিক স্খলনের দায়ে উপযুক্ত আদালত কর্তৃক কোন ছাত্র-ছাত্রী দোষী সাব্যস্ত হইলে তাহার ভর্তি বাতিলযোগ্য হইবে৷
পরীক্ষা
৪৪৷ (১) এই আইন এবং সংবিধির বিধান সাপেক্ষে, একাডেমিক কাউন্সিলের সুপারিশক্রমে, সিন্ডিকেট বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও অন্যান্য পাঠক্রমের পরীক্ষা পদ্ধতি নির্ধারণ করিবে৷
(২) ভাইস-চ্যান্সেলরের সাধারণ নিয়ন্ত্রণাধীন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক পরীক্ষা পরিচালনার জন্য যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন৷
(৩) বিভাগ কর্তৃক প্রণীত ও গঠিত পরীক্ষা কমিটি একাডেমিক কাউন্সিল পরীক্ষা কমিটিসমূহ নিয়োগ করিবে এবং উহাদের গঠন, ক্ষমতা ও কাযাবর্লী বিশ্ববিদ্যালয় বিধান দ্বারা নির্ধারিত হইবে৷
(৪) কোন পরীক্ষার ব্যাপারে কোন পরীক্ষক কোন কারণে দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হইলে ভাইস-চ্যান্সেলর তাঁহার স্থলে অন্য একজন পরীক্ষককে নিয়োগ করিবেন৷
পরীক্ষা পদ্ধতি
৪৫৷ (১) বিশ্ববিদ্যালয়ে সেমিস্টার ও নির্ধারিত সংখ্যক কোর্স একক (credit-hours) পদ্ধতিতে পরীক্ষা গ্রহণ করা হইবে৷
(২) সম্পূর্ণ পাঠ্যসূচী কয়েকটি সেমিস্টারে বিভাজিত হইবে এবং ডিগ্রী বা স্নাতকোত্তর ডিপ্লোমা এর জন্য নির্ধারিত সংখ্যক কোর্স একক প্রাপ্তির ভিত্তিতে ডিগ্রী লাভে সর্বোচ্চ সময় নির্ধারিত থাকিবে এবং প্রত্যেক পাঠ্যক্রমের সফল সমাপ্তি এবং উহার উপর পরীক্ষা গ্রহণের পর পরীক্ষার্থীকে গ্রেড বা নম্বর প্রদান করা হইবে৷
(৩) সকল সেমিস্টার পরীক্ষায়প্রাপ্ত গ্রেড বা নম্বরের যোগফলের ভিত্তিতে পরীক্ষার্থীকে ডিগ্রী প্রদান করা হইবে৷
চাকুরীর শর্তাবলী
৪৬৷ (১) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্যেক বেতনভোগী শিক্ষক ও কর্মকর্তা লিখিত চুক্তির ভিত্তিতে নিযুক্ত হইবেন এবং চুক্তিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের নিকট গচ্ছিত থাকিবে এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষক বা কর্মকর্তাকে উহার একটি অনুলিপি প্রদান করা হইবে৷
(২) বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী সকল সময় সততা ও কর্তব্যপরায়ণতার সহিত কর্তব্য পালন করিবেন এবং দায়িত্ব পালনে নিরপেক্ষ থাকিবেন৷
(৩) নিয়োগের শর্তাবলী স্পষ্টভাবে ভিন্নরূপ উল্লেখ না থাকিলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্যেক শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবর্ক্ষণিক শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরূপে গণ্য হইবেন৷
(৪) বিশ্ববিদ্যালয় অথবা উহার কোন সংস্থার স্বার্থের পরিপন্থি কোন কার্যকলাপের সহিত বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন শিক্ষক, কর্মকর্তা বা কর্মচারী নিজেকে জড়িত করিবেন না৷
(৫) কোন শিক্ষক, কর্মকর্তা বা কর্মচারীর রাজনৈতিক মতামত পোষণের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন না করিয়া তাঁহার চাকুরীর শর্তাবলী নির্ধারণ করিতে হইবে, তবে তিনি তাঁহার উক্ত মতামত প্রদান করিতে পারিবেন না বা তিনি নিজেকে কোন রাজনৈতিক সংগঠনের সহিত জড়িত করিতে পারিবেন না৷
(৬) বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন (বেতনভোগী) শিক্ষক, কর্মকর্তা বা কর্মচারী সংসদ-সদস্য হিসাবে অথবা স্থানীয় সরকারের কোন নিবার্চনে প্রদিদ্বন্ধিতা করার পূর্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকুরী হইতে ইস্তফা দিবেন৷
(৭) বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা বা কর্মচারীদের চাকুরীর শর্তাবলী, তাঁহাদের নাগরিক ও অন্যান্য অধিকার অক্ষুণ্ন রাখিয়া এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের সহিত সামঞ্জস্যপূর্ণ করিয়া সংবিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে৷
(৮) বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন (বেতনভোগী) শিক্ষক, কর্মকর্তা বা কর্মচারীকে তাঁহার কর্তব্যে অবহেলা, অসদাচরণ, নৈতিক স্খলন বা অদক্ষতার কারণে সংবিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে চাকুরী হইতে অপসারণ বা পদচ্যুত করা অথবা অন্য প্রকার শাস্তি প্রদান করা যাইবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, তাঁহার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সম্পর্কে কোন তদন্ত কমিটি কর্তৃক তদন্ত অনুষ্ঠিত না হওয়া পযর্ন্ত এবং তাঁহাকে ব্যক্তিগতভাবে অথবা কোন প্রতিনিধির মাধ্যমে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়া চাকুরী হইতে অপসারণ বা পদচ্যুত করা যাইবে না৷
বার্ষিক প্রতিবেদন
৪৭৷ বিশ্ববিদ্যালয়ের বার্ষিক প্রতিবেদন সিন্ডিকেটের নির্দেশ অনুসারে প্রস্তুত করিতে হইবে এবং পরবর্তী শিক্ষা বত্সর আরম্ভের ত্রিশ দিনের মধ্যে উহা মঞ্জুরী কমিশনের মাধ্যমে সরকারের নিকট পেশ করিতে হইবে৷
বার্ষিক হিসাব
৪৮৷ (১) বিশ্ববিদ্যালযের বার্ষিক হিসাব ও ব্যালান্সশীট সিন্ডিকেটের নির্দেশ অনুসারে প্রস্তুত করিতে হইবে এবং উহা মঞ্জুরী কমিশনের মনোনীত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নিরীক্ষিত হইবে৷
(২) বার্ষিক হিসাব, নিরীক্ষা-প্রতিবেদনের অনুলিপিসহ, মঞ্জুরী কমিশনের মাধ্যমে সরকারের নিকট পেশ করিতে হইবে৷
কর্তৃপক্ষের সদস্য হওয়ার ক্ষেত্রে বাধা
৪৯৷ কোন ব্যক্তি বিশ্ববিদ্যালয় বা ইনস্টিটিউটের কোন পদে অধিষ্ঠিত থাকার বা বিশ্ববিদ্যালয় বা কোন ইনস্টিটিউটের কোন কর্তৃপক্ষ বা অন্য কোন সংস্থার সদস্য হওয়ার বা থাকিবার যোগ্য হইবেন না যদি তিনি,-
তবে শর্ত থাকে যে, সংশয় বা বিরোধের ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি এই ধারা মোতাবেক অযোগ্য কি না তাহা চ্যান্সেলর সাব্যস্ত করিবেন এবং এই ব্যাপারে তাঁহার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হইবে৷
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বা সংস্থা গঠন সম্পর্কে বিরোধ
৫০৷ এই আইন,সংবিধি বা বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশে এতদ্সম্পর্কিত বিধানের অবর্তমানে, কোন ব্যক্তির বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন কর্তৃপক্ষ বা অন্য কোন সংস্থার সদস্য হওয়ার অধিকার সম্পর্কিত কোন প্রশ্ন উত্থাপিত হইলে উহা চ্যান্সেলরের নিকট প্রেরিত হইবে এবং এই ব্যাপারে তাঁহার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হইবে৷
কমিটি গঠন
৫১৷ এই আইন বা সংবিধি দ্বারা কোন কর্তৃপক্ষকে কমিটি গঠনের ক্ষমতা প্রদান করা হইলে উক্ত কমিটি, ভিন্নরূপ কোন বিধান করা না থাকিলে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কর্তৃক স্থিরীকৃত সদস্য এবং প্রয়োজনবোধে অন্যান্য ব্যক্তি সমন্বয়ে গঠিত হইবে; তবে তাহা সিন্ডিকেট কর্তৃক অনুমোদিত হইতে হইবে৷
আকস্মিক সৃষ্ট শূন্য পদ পূরণ
৫২৷ বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন কর্তৃপক্ষ, বা তত্কর্তৃক স্থাপিত ইনস্টিটিউটের পদাধিকারবলে সদস্য নন এই রকম কোন সদস্যের পদে আকস্মিক শূন্যতা সৃষ্টি হইলে যে ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষ উক্ত সদস্যকে নিযুক্ত, মনোনীত করিয়াছিলেন সেই ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষ যতশীঘ্র সম্ভব উক্ত শূন্য পদ পূরণ করিবেন এবং যে ব্যক্তি এই প্রকার শূন্য পদে নিযুক্ত, মনোনীত হইবেন তিনি যাঁহার স্থলাভিষিক্ত হইয়াছেন, তাঁহার অসমাপ্ত কার্যকালের জন্য উক্ত কর্তৃপক্ষ বা সংস্থার সদস্য পদে বহাল থাকিবেন৷
কার্যধারার বৈধতা, ইত্যাদি
৫৩৷ বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন কর্তৃপক্ষ, ইনস্টিটিউট বা অন্য কোন সংস্থার কোন কার্য ও কার্যধারা কেবলমাত্র উহার কোন পদের শূন্যতা বা উক্ত পদে নিযুক্তি বা মনোনয়ন সংক্রান্ত ব্যর্থতা বা ত্রুটির কারণে অথবা উক্ত কর্তৃপক্ষ বা সংস্থা গঠনের ব্যাপারে অন্য কোন প্রকার ত্রুটির জন্য অবৈধ হইবে না কিংবা তত্সম্পর্কে কোন প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না৷
বিতর্কিত বিষয়ে চ্যান্সেলরের সিদ্ধান্ত
৫৪৷ এই আইন বা সংবিধিতে বিশেষভাবে বিধৃত হয় নাই এইরূপ কোন বিষয়ে বিরোধ দেখা দিলে বিরোধটি ভাইস-চ্যান্সেলর কর্তৃক চ্যান্সেলরের নিকট সিদ্ধান্তের জন্য প্রেরণ করা হইবে এবং এই বিষয়ে চ্যান্সেলরের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলিয়া গণ্য হইবে৷
চ্যান্সেলরের নিকট আপীল
৫৫৷ (১) বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন কর্মকর্তা বা কর্তৃপক্ষের কোন আদেশ দ্বারা ক্ষুব্ধ কোন ব্যক্তি উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে চ্যান্সেলরের নিকট আপীল করিতে পারিবেন৷
(২) চ্যান্সেলর এইরূপ আপীল প্রাপ্তির পর উহার একটি অনুলিপি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বা কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ করিবেন এবং উক্ত কর্মকর্তা বা কর্তৃপক্ষকে আপীলটি কেন গৃহীত হইবে না তাহার কারণ দর্শাইবার সুযোগ দিবেন৷
(৩) চ্যান্সেলর উক্তরূপ আপীল সরাসরি প্রত্যাখ্যান করিতে পারিবেন অথবা নিজে বা কোন কমিটির মাধ্যমে আপীলকারীকে একটি শুনানির সুযোগ দিয়া ২ (দুই) মাসের মধ্যে আপীল নিষ্ঙ্ত্তি করিবেন৷
ট্রাস্টি বোর্ড
৫৬৷ (১) বিশ্ববিদ্যালয়ের কল্যাণ তহবিল ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনার জন্য একটি ট্রাস্টি বোর্ড থাকিবে৷
(২) ট্রাস্টি বোর্ডের গঠন, ক্ষমতা ও কাযাবর্লী সংবিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে৷
অবসরভাতা ও ভবিষ্য তহবিল
৫৭৷ সংবিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতি এবং শর্তাবলী সাপেক্ষে, বিশ্ববিদ্যালয় উহার শিক্ষক, কর্মকর্তা ও অন্যান্য কর্মচারীর কল্যাণার্থে যেইরূপ সমীচীন মনে করিবেন সেইরূপ অবসর ভাতা, গোষ্ঠী-বীমা, কল্যাণ তহবিল বা ভবিষ্য তহবিল গঠন অথবা আনুতোষিক বা গ্রাচ্যুইটিদানের ব্যবস্থা করিতে পারিবে৷
সংবিধিবদ্ধ মঞ্জুরী
৫৮৷ এই আইনের উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতি বত্সর মঞ্জুরী কমিশনের মাধ্যমে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত অর্থ প্রাপ্ত হইবে৷
সিলেট সরকারী ভেটেরিনারি কলেজের বিলুপ্তকরণ ও হেফাজত
৫৯৷ (১) এই আইন প্রবর্তনের সংগে সংগে সিলেট সরকারী ভেটেরিনারি কলেজ বিলুপ্ত হইবে৷
(২) সিলেট সরকারী ভেটেরিনারি কলেজ, অতঃপর বিলুপ্ত কলেজ বলিয়া উল্লিখিত, বিলুপ্ত হইবার সংগে সংগে-
তবে এইরূপ ন্যস্ত হইবার পূর্বে তাহারা যে শর্তে চাকুরীতে নিয়োজিত ছিলেন; বিশ্ববিদা্যালয় কর্তৃক উক্ত শর্ত পরিবর্তিত না হওয়া পযর্ন্ত সেই একই শর্তে তাহারা বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকুরীতে নিয়োজিত থাকিবেন এবং পূর্বের চাকুরীর সময়কাল ধরিয়া অবসরকালীন পূর্ণ আর্থিক সুবিধা প্রাপ্য হইবেনঃ
আরও শর্ত থাকে যে, ডিগ্রী ও মাস্টার্স পরীক্ষার কোন একটিতে প্রথম শ্রেণী না থাকিলে শিক্ষক পদে কেউ আত্মীকরণের যোগ্য হইবেন না, তবে স্নাতকোত্তর ডিপ্লোমা, এম. ফিল এবং পি,এইচ, ডি ডিগ্রী থাকিলে তাহার ক্ষেত্রে এই শর্ত প্রযোজ্য হইবে না৷
আরও শর্ত থাকে যে, কর্মরত কোন শিক্ষকের স্নাতক বা স্নাতকোত্তর পরীক্ষার কোন একটিতে প্রথম শ্রেণী না থাকিলে অনধিক পাঁচ বত্সরের মধ্যে স্নাতকোত্তর ডিপ্লোমা বা এম. ফিল বা পি,এইচ, ডি ডিগ্রী করার শর্তে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকুরীতে নিয়োজিত থাকিতে পারিবেন৷
অসুবিধা দূরীকরণ
৬০৷ বিশ্ববিদ্যালয়ের কাযাবর্লী সম্পাদনের ক্ষেত্রে অথবা উহার কোন কর্তৃপক্ষের প্রথম বৈঠকের ব্যাপারে বা এই আইনের বিধানাবলী প্রথম কার্যকর করার বিষয়ে কোন অসুবিধা দেখা দিলে, বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল কর্তৃপক্ষ গঠিত হইবার পূর্বে যে কোন সময়ে উক্ত অসুবিধা দূরীকরণের জন্য সমীচীন বা প্রয়োজনীয় বলিয়া চ্যান্সেলরের নিকট প্রতীয়মান হইলে তিনি আদেশ দ্বারা এই আইন এবং সংবিধির সঙ্গে যতদূর সম্ভব সঙ্গতি রক্ষা করিয়া যে কোন পদে নিয়োগদান বা অন্য কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারিবেন এবং এই প্রকার প্রত্যেকটি আদেশ এইরূপে কার্যকর হইবে যেন উক্ত নিয়োগদান ও ব্যবস্থা গ্রহণ এই আইনের বিধান অনুসারে করা হইয়াছে৷