ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ আইন, ২০১২
ঢাকা মহানগরীর পরিবহন ব্যবস্থাকে সুষ্ঠু, পরিকল্পিত, সমন্বিত ও আধুনিকীকরণ করিবার লক্ষ্যে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, গাজীপুর এবং নরসিংদী জেলাকে অন্তর্ভুক্ত করিয়া ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠা এবং তদসংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিধান প্রণয়নকল্পে প্রণীত আইন
ঢাকা মহানগরীর পরিবহন ব্যবস্থাকে সুষ্ঠু, পরিকল্পিত, সমন্বিত ও আধুনিকীকরণ করিবার লক্ষ্যে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, গাজীপুর এবং নরসিংদী জেলাকে অন্তর্ভুক্ত করিয়া ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠা এবং তদসংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিধান প্রণয়নকল্পে প্রণীত আইন যেহেতু ঢাকা মহানগরীর পরিবহন ব্যবস্থাকে সুষ্ঠু, পরিকল্পিত, সমন্বিত ও আধুনিকীকরণ করিবার লক্ষ্যে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, গাজীপুর এবং নরসিংদী জেলাকে অন্তর্ভুক্ত করিয়া ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠা এবং তদসংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিধান প্রণয়ন করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়; সেহেতু এতদ্দ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইল, যথাঃ—
Section ১. সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন
(১) এই আইন ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ আইন, ২০১২ নামে অভিহিত হইবে।
(২) ইহা অবিলম্বে কার্যকর হইবে।
Section ২. সংজ্ঞা
বিষয় বা প্রসংগের পরিপন্থী কোন কিছু না থাকিলে, এই আইনে—
Section ৩. আইনের প্রাধান্য
আপাততঃ কার্যকর অন্য কোন আইন, চুক্তি বা আইনের ক্ষমতাসম্পন্ন অন্য কোন দলিলে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের বিধানাবলী প্রাধান্য পাইবে।
Section ৪. কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠা
(১) এই আইনে বলবৎ হইবার পর, যথাশীঘ্র সম্ভব, সরকার সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা এই আইনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য পূরণকল্পে “ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ” নামে একটি কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠা করিবে।
(২) কর্তৃপক্ষ একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা হইবে এবং ইহার স্থায়ী ধারাবাহিকতা ও একটি সাধারণ সীলমোহর থাকিবে এবং ইহার স্থাবর ও অস্থাবর উভয় প্রকার সম্পত্তি অর্জন করিবার, অধিকারে রাখিবার ও হস্তান্তর করিবার ক্ষমতা থাকিবে এবং ইহার নামে মামলা দায়ের করিতে পারিবে এবং ইহার বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করা যাইবে।
Section ৫. প্রধান কার্যালয়
কর্তৃপক্ষের প্রধান কার্যালয় ঢাকায় থাকিবে এবং ইহা, প্রয়োজনবোধে, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে বাংলাদেশের যে কোন স্থানে শাখা কার্যালয় স্থাপন করিতে পারিবে।
Section ৬. কর্তৃপক্ষের পরিচালনা ও প্রশাসন
(১) কর্তৃপক্ষের কার্যক্রম পরিচালনা ও প্রশাসন ধারা ৭ এর অধীন গঠিত পরিচালনা পরিষদের উপর ন্যস্ত থাকিবে।
(২) পরিচালনা পরিষদ উহার কার্যাবলী সম্পাদনের ক্ষেত্রে, সরকার কর্তৃক, সময় সময়, প্রদত্ত নির্দেশনা অনুসরণ করিবে।
Section ৭. পরিচালনা পরিষদের গঠন
পরিচালনা পরিষদ নিম্নবর্ণিত সদস্য সমন্বয়ে গঠিত হইবে, যথাঃ—
(১) মন্ত্রী, যোগাযোগ মন্ত্রণালয়, যিনি উহার চেয়ারম্যানও হইবেন;
(২) মেয়র, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন, পদাধিকারবলে, যিনি উহার ভাইস-চেয়ারম্যানও হইবেন; (৩) মেয়র, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন, পদাধিকারবলে, যিনি উহার ভাইস-চেয়ারম্যানও হইবেন;
(৪) সরকার কর্তৃক মনোনীত ৩ (তিন) জন সংসদ-সদস্য;
(৫) সচিব, সড়ক বিভাগ, যোগাযোগ মন্ত্রণালয়, পদাধিকারবলে;
(৬) সচিব, রেলপথ বিভাগ, রেলপথ মন্ত্রণালয়, পদাধিকারবলে;
(৭) সচিব, স্থানীয় সরকার বিভাগ, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়, পদাধিকারবলে;
(৮) সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পদাধিকারবলে;
(৯) সচিব, নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়, পদাধিকারবলে;
(১০) সচিব, পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়, পদাধিকারবলে;
(১১) সচিব, সেতু বিভাগ, যোগাযোগ মন্ত্রণালয়, পদাধিকারবলে;
(১২) মহা-পুলিশ পরিদর্শক, বাংলাদেশ পুলিশ, পদাধিকারবলে;
(১৩) প্রধান প্রকৌশলী, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর, পদাধিকারবলে;
(১৪) মহাপরিচালক, বাংলাদেশ রেলওয়ে, পদাধিকারবলে;
(১৫) চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশন, পদাধিকারবলে;
(১৬) বিভাগীয় কমিশনার, ঢাকা বিভাগ, পদাধিকারবলে;
(১৭) চেয়ারম্যান, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, পদাধিকারবলে;
(১৮) চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ, পদাধিকারবলে;
(১৯) চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ, পদাধিকারবলে;
(২০) মেয়র, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন, পদাধিকারবলে;
(২১) মেয়র, মানিকগঞ্জ পৌরসভা, পদাধিকারবলে;
(২২) মেয়র, মুন্সিগঞ্জ পৌরসভা, পদাধিকারবলে;
(২৩) মেয়র, নরসিংদী পৌরসভা, পদাধিকারবলে;
(২৪) মেয়র, গাজীপুর পৌরসভা, পদাধিকারবলে;
(২৫) মেয়র, টঙ্গি পৌরসভা, পদাধিকারবলে;
(২৬) মেয়র, সাভার পৌরসভা, পদাধিকারবলে;
(২৭) সভাপতি, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন সমিতি, পদাধিকারবলে;
(২৮) সভাপতি, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন, পদাধিকারবলে;
(২৯) সভাপতি, বাংলাদেশ বাস ট্রাক মালিক সমিতি, পদাধিকারবলে;
(৩০) কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক, যিনি উহার সচিবও হইবেন।
Section ৮. কর্তৃপক্ষের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য
কর্তৃপক্ষের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হইবে নিম্নরূপ, যথাঃ—
Section ৯. কর্তৃপক্ষের ক্ষমতা ও কার্যাবলী
কর্তৃপক্ষের ক্ষমতা ও কার্যাবলী হইবে নিম্নরূপ, যথাঃ—
Section ১০. পরিচালনা পরিষদের সভা
(১) এই ধারার অন্যান্য বিধানাবলী সাপেক্ষে, পরিচালনা পরিষদ উহার সভার কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করিতে পারিবে।
(২) পরিচালনা পরিষদের সভা চেয়ারম্যান কর্তৃক নির্ধারিত স্থান, সময় ও তারিখে আহুত হইবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, প্রতিবৎসর কমপক্ষে তিনবার সভা অনুষ্ঠিত হইবে।
(৩) চেয়ারম্যান পরিচালনা পরিষদের সভায় সভাপতিত্ব করিবেন এবং তাঁহার অনুপস্থিতিতে ভাইস-চেয়ারম্যানের মধ্যে যিনি অগ্রে তিনি সভার সভাপতিত্ব করিবেন।
(৪) দশজন সদস্য সমন্বয়ে পরিচালনা পরিষদের সভার কোরাম গঠিত হইবে, তবে মূলতবি সভার ক্ষেত্রে কোন কোরামের প্রয়োজন হইবে না।
(৫) পরিচালনা পরিষদের সভায় প্রত্যেক সদস্যের একটি করিয়া ভোট থাকিবে এবং ভোটের সমতার ক্ষেত্রে কোন সভায় সভাপতিত্বকারী ব্যক্তির দ্বিতীয় বা নির্ণায়ক ভোট প্রদানের ক্ষমতা থাকিবে।
(৬) শুধুমাত্র কোন সদস্যপদে শূন্যতা বা পরিচালনা পরিষদ গঠনের ত্রুটি থাকার কারণে পরিচালনা পরিষদের কোন কার্য বা কার্যধারা অবৈধ হইবে না এবং তৎসম্পর্কে কোন প্রশ্নও উত্থাপন করা যাইবে না।
Section ১১. আমন্ত্রিত সদস্য
এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে পরিচালনা পরিষদের সদস্য নহে অথচ সভার আলোচ্য বিষয়ে সংশ্লিষ্টতা বা অভিজ্ঞতা রহিয়াছে এমন কোন ব্যক্তি পরিচালনা পরিষদ কর্তৃক আমন্ত্রিত হইলে তিনি পরিচালনা পরিষদের সভায় উপস্থিত থাকিবেন এবং আলোচনায় অংশগ্রহণ করার অধিকারী হইবেন, তবে তাঁহার কোন ভোটাধিকার থাকিবে না।
Section ১২. নির্বাহী পরিচালক
(১) কর্তৃপক্ষের একজন নির্বাহী পরিচালক থাকিবে।
(২) নির্বাহী পরিচালক সরকার কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন এবং তাঁহার চাকুরীর শর্তাদি সরকার কর্তৃক স্থিরীকৃত হইবে।
(৩) নির্বাহী পরিচালক কর্তৃপক্ষের সার্বক্ষণিক মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা হইবেন এবং তিনি পরিচালনা পরিষদের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য দায়ী থাকিবেন।
(৪) নির্বাহী পরিচালকের পদ শূন্য হইলে কিংবা অনুপস্থিতি, অসুস্থতা বা অন্য কোন কারণে নির্বাহী পরিচালক তাঁহার দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হইলে উক্ত শূন্য পদে নব নিযুক্ত নির্বাহী পরিচালক কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত, অথবা নির্বাহী পরিচালক পুনরায় স্বীয় দায়িত্ব পালনে সমর্থ না হওয়া পর্যন্ত সরকার কর্তৃক মনোনীত কোন ব্যক্তি নির্বাহী পরিচালকরূপে দায়িত্ব পালন করিবেন।
Section ১৩. কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা ও কর্মচারী
কর্তৃপক্ষ উহার কার্যাবলী সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের উদ্দেশ্যে প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ করিতে পারিবে এবং তাহাদের চাকুরীর শর্তাবলী প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত হইবে।
Section ১৪. কমিটি
কর্তৃপক্ষ এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে সুস্পষ্ট দায়িত্ব পালনের জন্য এক বা একাধিক কমিটি গঠন করিতে পারিবে।
Section ১৫. কর্তৃপক্ষের তহবিল
(১) কর্তৃপক্ষের একটি তহবিল থাকিবে এবং উহাতে নিম্নবর্ণিত অর্থ জমা হইবে, যথাঃ—
(২) এই তহবিল কর্তৃপক্ষের নামে কোন তফসিলি ব্যাংকে জমা রাখিতে হইবে এবং নির্বাহী পরিচালক কর্তৃক নির্ধারিত পদ্ধতিতে এই তহবিল হইতে অর্থ উঠানো যাইবে।
(৩) এই তহবিল হইতে কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় ব্যয়-নির্বাহ করা হইবে।
(৪) কর্তৃপক্ষ তহবিলের অর্থ বা উহার অংশ বিশেষ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত কোন খাতে বিনিয়োগ করিতে পারিবে।
Section ১৬. বার্ষিক বাজেট বিবরণী
কর্তৃপক্ষ প্রতিবৎসর সরকার কর্তৃক নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পরবর্তী অর্থ বৎসরের বার্ষিক বাজেট বিবরণী সরকারের নিকট পেশ করিবে এবং উহাতে উক্ত অর্থ বৎসরে সরকারের নিকট হইতে কর্তৃপক্ষের কি পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন হইবে উহার উল্লেখ থাকিবে।
Section ১৭. হিসাব রক্ষণ ও নিরীক্ষা
(১) কর্তৃপক্ষ যথাযথভাবে উহার হিসাব রক্ষণ করিবে এবং হিসাবের বার্ষিক বিবরণী প্রস্তুত করিবে।
(২) প্রত্যেক অর্থ বৎসর শেষ হইবার পরবর্তী তিন মাসের মধ্যে নির্বাহী পরিচালক কর্তৃপক্ষের অভ্যন্তরীন নিরীক্ষা রিপোর্ট পরিচালনা পরিষদের সভায় উপস্থাপন করিবেন।
(৩) বাংলাদেশের মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, অতঃপর মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক বলিয়া উল্লিখিত, প্রতি বৎসর কর্তৃপক্ষের হিসাব নিরীক্ষা করিবেন এবং নিরীক্ষা রিপোর্টের একটি অনুলিপি সরকার ও কর্তৃপক্ষের নিকট পেশ করিবেন।
(৪) উপ-ধারা (৩) মোতাবেক হিসাব নিরীক্ষার উদ্দেশ্যে মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক কিংবা তাহার নিকট হইতে এতদুদ্দেশ্যে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি কর্তৃপক্ষের সকল রেকর্ড, দলিল-দস্তাবেজ, নগদ ও ব্যাংকে গচ্ছিত অর্থ, জামানত, ভান্ডার এবং অন্যবিধ সম্পত্তি-পরীক্ষা করিয়া দেখিতে পারিবেন এবং কর্তৃপক্ষের যে কোন সদস্য নির্বাহী পরিচালক এবং কর্তৃপক্ষের অন্যান্য কর্মকর্তা বা কর্মচারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করিতে পারিবেন।
Section ১৮. ক্ষমতা অর্পণ
পরিচালনা পরিষদ উহার যে কোন ক্ষমতা, প্রয়োজনবোধে এবং নির্ধারিত শর্ত সাপেক্ষে, চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান বা পরিচালনা পরিষদের অন্য কোন সদস্য, নির্বাহী পরিচালক বা অন্য কোন কর্মকর্তার নিকট অর্পণ করিতে পারিবে।
Section ১৯. কোম্পানী গঠনের ক্ষমতা
এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, কর্তৃপক্ষ, সরকারের, পূর্বানুমোদনক্রমে গণপরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন ও বাস্তবায়নের লক্ষ্যে পৃথক কোম্পানী গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করিতে পারিবে।
Section ২০. বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা
এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবে।
Section ২১. প্রবিধান প্রণয়নের ক্ষমতা
এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে কর্তৃপক্ষ, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইন বা ইহার অধীন প্রণীত বিধির সহিত অসামঞ্জস্যপূর্ণ না হয় এইরূপ প্রবিধান প্রণয়ন করিতে পারিবে।
Section ২২. ইংরেজীতে অনূদিত পাঠ প্রকাশ
(১) এই আইন কার্যকর হইবার পর সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের মূল বাংলা পাঠের ইংরেজীতে অনূদিত একটি নির্ভরযোগ্য পাঠ (Authentic English Text) প্রকাশ করিবে।
(২) বাংলা এবং ইংরেজী পাঠের মধ্যে বিরোধের ক্ষেত্রে বাংলা পাঠ প্রাধান্য পাইবে।
ঢাকা যানবাহন সমন্বয় বোর্ড এর বিলোপ, ইত্যাদি
[২৩। (১) এই আইনের অধীন কর্তৃপক্ষ গঠিত হইবার সংগে সংগে ঢাকা যানবাহন সমন্বয় বোর্ড, অতঃপর বিলুপ্ত বোর্ড বলিয়া উল্লিখিত, বিলুপ্ত হইবে।
(২) বিলুপ্ত বোর্ড এর-
Section ২৪. রহিতকরণ ও হেফাজত
(১) ঢাকা যানবাহন সমন্বয় বোর্ড আইন, ২০০১ (২০০১ সনের ১৯ নং আইন), অতঃপর রহিত আইন বলিয়া উল্লিখিত, এতদ্বারা রহিত করা হইল।
(২) উক্তরূপ রহিতকরণ সত্ত্বেও রহিত আইনের অধীন কৃত সকল কাজকর্ম বা গৃহীত ব্যবস্থা এই আইনের অধীন কৃত বা গৃহীত হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।
(৩) রহিত আইনের অধীন গৃহীত কোন কার্যধারা অনিষ্পন্ন থাকিলে উহা এইরূপে নিষ্পন্ন করিতে হইবে যেন উক্ত আইন রহিত হয় নাই।]